বর্তমানের পেক্ষাপট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বর্তমানের পেক্ষাপট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

১৪ ফ্রেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক বিশ্ব পতিতা দিবস!








ব্লগার-সৈয়দ রুবেল 

কি ভাই/বোন, আমি কি এই কথাটি মিথ্যা বলেছি?

কোন মুসলিম ভাই বোনের জন্য কি ১৪ ফ্রেব্রুয়ারী দরকার আছে?
কেননা মুসলিম উম্মার সম্পূর্ণ জীবনটাই তো ভালোবাসার।
সেখানে ১৪ ফ্রেব্রুয়ারী দরকার কি?
হ্যাঁ ১৪ ফ্রেব্রুয়ারী তাদের দরকার আছে, যাদের জীবনে ভালোবাসা নেই।
১৪ ফ্রেব্রুয়ারী আধুনিক পতিতা(প্রেমিক-প্রেমিকা) দের  দরকার আছে যারা বিয়ে করেনি। ১৪ ফ্রেব্রুরায়ী ভালোবাসা দিবসের নামে তরুণ তরুণীরা লিপ্ত হবে অবাধ যৌনতার। রেস্টুরেন্টের পর্দার ভিতরে বা পার্কে, পাহাড়ে অথবা ঝোপ ঝাড়ে চিপাচাপায় দুই জন মিলিত অসামাজিক কার্যকলাপে ।
প্রেমিকা তার প্রেমিকের আবদার মিটাতে নিজেকে বিনা মূল্যে ভোগ করতে দিবে, প্রেমিকেও তার প্রেমিকাকে বিনা মূল্যে ভোগ করবে।
এটাই চলছে, এবং চলতে থাকবে আগামী বছর গুলোতেও।

আপনি আবার আমাকে ভুল বুঝবেন না, কেননা আমি পতিতা শুধু মেয়েদের কে বলছিনা। কেননা পতিতা শুধু নারীরা না, পুরুষেরাও। তারা একে অপরের ডান ও বাম হাত। পতিতা নারীরা ভোগ করায়, আর পতিতা পুরুষেরা ভোগ করে। অর্থাৎ দু’টাই পতিতা।



এই ১৪ ফ্রেব্রুয়ারী ভালোবাসার দিবসে  কত হাজার বোন তার সতীত্ব বিলিয়ে দিবে তার কথিত প্রেমিকের কাছে তার কোন হিসাব নেই।  কত হাজার বোন ধর্ষিত হবে তার প্রেমিকের দ্বারা তার কোন সঠিক তথ্য আমরা জানতে পারবো না। কেননা তারা যা কিছু করবে আমাদের চোখের আড়ালে করবে। আর বিভিন্ন পার্কে অথবা রেস্টুরেন্টে যাদের কে দেখা যাবে তাদের অধিকাংশ থাকবে স্বামী স্ত্রী। কেননা বর্তমানে আমাদের সমাজের স্বামী স্ত্রীরাও ভালোবাসা দিবসের নামে একটু আমোদ ফুর্তি করে আর কি!

আপনি কি স্বামী বা স্ত্রী? আপনি যদি স্বামী স্ত্রী হয়ে থাকেন তাহলে আপনার কোনো প্রয়োজন নেই লোক দেখানো ভালোবাসা দিবস পালন করা।
কারন আপনাদের প্রতিটি মুহূর্ত হল ভালোবাসার। আপনারা একে অপরকে কত টুকু ভালোবাসেন সেটা আপনারা ভালো বলতে পারবেন।  
তবে আমি এতোটুকু বলতে পারি, সে স্বামীই তার স্ত্রীকে সব চেয়ে বেশি ভালোবাসে, যে স্ত্রী শত অপরাধ করলেও কোনো প্রকার গালিগালাজ, মারধর না করে তাকে আদর করে বুকে টেনে নিয়ে বলে আজকে অপরাধ করেছো তো কি হয়েছে, আগামীকাল শুধরে নেবে।
 এখন আমাদের দেশে কয়টা স্বামী পাওয়া যাবে যে তার স্ত্রীর গায়ে একটা টুকাও দেয়নি?  

স্ত্রীদের কথা কি বলব? তারাও কম নয়? স্বামী কে বলে এটা-ওটা এনে দিও, ঠিক মত এনে না দিতে পারলে শুরু করে দেয় ঘেন ঘেন-পেন পেন।
আপনি ঘেন ঘেন-প্যান প্যান না করে বলতে পারেন, তুমি আজ পারছো না তো কি হয়েছে, আরেক দিন এনে দিও অথবা তোমার যখন সুবিধা হয় তখন এনে দিও। খোঁজ নিয়ে দেখেন তো এরকম স্ত্রী আমাদের সমাজে কয়টা আছে?  

আমি ঐ সমস্ত ভালোবাসা দিবস পানলেওয়ালাদের কে বলব, আগে ঘরের ভালবাসা ঠিক করে, তারপর আমাদের সামনে ভালোবাসা  অভিনয় করতে আসেন।  আপনারা যদি সত্যি একে অপরকে এতো ভালোবেসে থাকেন তাহলে প্রতি দিন পালন করে দেখান।

আমি তরুণ-তরুণীদের কে বলব, ভালোবাসা দিবসের নামে পতিতাগীরি বন্ধ করেন। বিবাহ বহীভূর্ত যৌনতা মুসলিম তো পরে,  স্বভ সমাজের কাজও হতে পারে না। আপনি অস্বভ সমাজের এটাই তার প্রমাণ।   

আপনাদের ভুলে গেলে চলেবে না যে একজন ন্যায় বিচার কারী আছেন, যার আদালতে থেকে কেউ রেহায় পাবে না। প্রত্যকেই স্বীয় কৃতকর্মের কারণে জবাব দিহি করতে হবে।  মনে করবে না এটা ভারত, বাংলাদের দেশের আদালত?
সে দিন কোনো সাক্ষী লাগবেনা। আপনার দেহের প্রত্যকেটি অঙ্গ আপনার কৃতকর্মের সাক্ষী।
আপনার কী বিশ্বাস হয় যে সৃষ্টিকারী বলতে কিছু নেই?
অন্যের মাথায় মস্তিক আছে, আপনার মাথায় মস্তিক নাকি গোবর আছে সেটা কি আপনার মাথা ভেঙ্গে মস্তিক খুলে দেখেছেন?
এই কথাটা এই জন্যই বললাম যে, আপনারা তো যাকে দেখেন না, তাকে বিশ্বাস করেন না। নিজের মাথায় মস্তিক আছে নাকি ছাঁয় গোবর আছে সেটা না দেখে কিভাবে বিশ্বাস করেন?

১৪ ফ্রেব্রুয়ারী যে সব গন্ড মূর্খরা ভালোবাসা দিবস পালন করে, আমি সেই সব গন্ড মূর্খদের কে বলতে  চাই, কোনো বিশেষ দিনে ভালবাসা নয়, বছরে ৩৬৫ দিন, আমাদের মনে ৩৬৫ দিনই ভালোবাসা থাকতে হবে।

প্রমাণ স্বরূপ নিচে কিছু ছবি প্রকাশ করলাম।
অপরাধ হলে আমাকে ছোট ভাই হিসাবে ক্ষমা করবেন।

সতর্কতাঃ ছবি গুলি এই জন্যই প্রকাশ করলাম যে, তাদের মা-বাবারা দেখুক
তাদের চোখের আড়ালে তাদের ছেলে-মেয়েরা কি অপকর্মই না করে।
কাউকে হেয়েও করা উদ্দেশ নয়!
সৈয়দ রুবেল বিডি!
syedrubelbd@yahoo.com 

১৪ ফ্রেব্রুয়ারীর কৃতকর্ম সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে সবাই গণ শেয়ার করুণ!  


তারা পরকিয়া লিপ্ত



তারা কেউ স্বামী স্ত্রী নয়! 



রেস্টুরেন্টের ভিতরে অসামাজিক কাজ




Read More

ইসলাম অবমাননা করছে হেফাজত,খেদমত করতেছে আওয়ামীলীগ-বিষাক্ত তেতুল শেখ হাসিনা( এ লজ্জা রাখী কোথায়?)

 ইসলাম অবমাননা করছে হেফাজত,খেদমত করতেছে  আওয়ামীলীগ_ প্রধান মন্ত্রী সেক্স হাসিনা।
আগামীতে ক্ষমতায় এলে সংসদে ইসলামের বিন্দুমাত্র লেশ রাখবো না- রাজাকার সাজেদা চুদারি।
তথাকথিত আল্লাহর আইন দিয়ে সমাজে শান্তি আসবে না- হিন্দুবেটীর চেটের বাল আশরাফ ।
বিসমিল্লাহ বলে বলি দেওয়ার মাংস খাওয়া হালাল- চুরঞ্জিত ওরফে কালো বিড়াল।
হেফাজত ইসলামের তের দফা মেনে নেওয়া মানে দেশকে তেরশ বছর পিছিয়ে নেওয়া- নাস্তিক ইসলাম
দ্রোহী সমর্থিত আওয়ামীলীগাররা।
মেয়েরা বোরখা পড়ে কুষিত চেহারা ঢাকার জন্য। আওয়ামী স্পীকার।
আরব দেশে বালুর ঝড় হয় তাই সে দেশের নারীরা বোরখা পড়ে,-পর্দা নিয়ে সেক্স হাসিনার অবমাননা।
স্কুল কলেজে বোরখা পড়ে ক্লাস করতে বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী সাঙ্গাপাঙ্গাদের বাধা।
দাড়ি টুপি- বোরখা আরবের সংস্কৃতি-আওয়ামীলীগাররা।   

প্রকাশে দিনে দুপরে এদেশের হক্কানীদের আলেমদের উপর যারা গুলি, টিয়ার সেল, রাবাট বুলেট নিক্ষেপ
ও গরম পানি ছেড়েছেন,
যারা শত শত আলেমকে হত্যা করেছে শুধু মাত্র ইসলাম দ্রোহীদের ও রাসূল (সাঃ) কে নিয়ে কুরুচিপূর্ণও
ভাষায় ব্যঙ্গাক্ত কথা বলার জন্য।
শাপলা চুতুরে নিহত আলেম ওলামাদের ও সাধারণ ইসলামী তৌহীদী জনতার লাশ।

 
বাবুনগরী কে দিনের পর দিন রিমান্ড নিয়ে অমানবিক নির্যাতন করেছেন শুধু মাত্র  ইসলাম বিরোধী কারিদের
বিরোদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য।

আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান আজও নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে শুধু মাত্র ইসলাম দ্রোহীদের
কৃতকর্ম প্রকাশ করার জন্য।

ইসলাম দ্রোহী রাজীব ওরফে থাবাবাবা কে দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের বীর উপাদি দিয়ে আওয়ামীলীগ।
হলের দ্বিতীয় তলা থেকে কুরআন শরীফ ছুড়ে আবর্জনার উপর ফেলে দিয়েছে কুলঙ্গার নারী ধর্ষক,
খুনী  ছাত্রলীগের এক নেতা।
 
ইসলাম কে এতো অবহেলিত এতো অবজ্ঞা করার পরও আজ আওয়ামীলীগ বলে তারা নাকি ইসলামের সেবা
করতেছে।
আর আলেম ওলামারা নাকি ইসলামের অবমাননা করতেছে।
উপরের কথা গুলি দ্বারা বুঝায় যায় আওয়ামীলীগ ও এর সাঙ্গাপাঙ্গারা কত অবজ্ঞা অবহেলা করে।
যে আওয়ামীলীগ এতো দিন যারা ইসলামের বিধান অনুযায়ী ধর্মীয় রাজনিতি করে আসছে তাদের কে ধর্ম ব্যবসায়ী
বলেছে আজ সেই নতুন বোতলের পুরোনো মদ আওয়ামীলীগ সেই ধর্মীয় অনুভূতি ব্যবহার করে আবার ক্ষমতায়
আসতে চাইতেছে।
যে মুসলমানের বাচ্ছা হয়ে বিয়ে করে বিধর্মীকে, যে মুসলমান বাচ্ছা হয়ে বিয়ে করায় বিধর্মীর পুরুষকে,
অথচ তারাই নাকি ইসলামের সেবা করতেছে।
এ লজ্জা রাখি কোথায়?
আওয়ামীলীগের অবস্থা হল মদ খাওয়া মাতালের মতো, যে মাতাল মদ খেয়ে ঘরে এসে বলে তুই আমার মা লাগস।
আর আজ আওয়ামীলীগ এতো দিন ইসলাম কে চরম অবজ্ঞা ও অবহেলিত করে  বলতে ইসলামের সেবা করতেছে
আওয়ামীলীগ, অবমাননা করতেছে আলেম ওলামারা।

আমি বাংলার মুসলিমদের কে আবারো বলতেছি, তোমরা ভাল করে খাতা কলম নিয়ে লিখে নাও আগামীতে
যদি আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসে   বর্তমান চেয়ে দ্বিগুণ ইসলাম বিরোধী কাজ করবে।
তোমরা ভেবে দেখ আগামীতে কাকে ক্ষমতায় কাকে বসাবে, যারা বিভিন্ন ভাবে ইসলাম কে অবজ্ঞা ও অবমাননা
করে তাদের কে , নাকি যারা ইসলামের বিধান অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করতে চায় তাদের কে। 
মনে রাখবে যারা ইসলাম অবমাননা করে এবং যারা তাদের কে সমর্থন করে তারা সমান অপরাধী।
আমি এখানে বলতেছি না আপনারা বিএনপি, জামাত কে ভোট দিতে।
আমি শুধু আপনাদের কে বলতেছি ইসলাম দ্রোহীদের ভোট না দিতে।
আপনারা বিচার করে দেখবেন কারা আপনাদের চোখে ভালো।
যদি আপনারা টাকার কাছে বিক্রয় হয়ে যান, তা হলে সেই আপনার পকেটের টাকা সুদে আসলে কেটে নিবে।
একথাটা কখনো ভুলে ভাবেন না যে,
এই দেশের রাজনিতি বিদ দের কে আপনারাই চোর বানান।   


আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।

এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?
Read More

তেতুল এতো নোংরা ভাষা হল কি করে?পড়তে ও শেয়ার করতে ভুল করবে না।



আল্লামা শফী পর্দা গুরুত্ব বুঝাতে গিয়ে নারী কে তেতুল হিসাবে উপমা দিয়েছেন।

বুঝাতে চেয়েছে তেতুল যেমন নারীর কাছে প্রিয় তেমনি ভাবে নারী পুরুষদের কাছে
তেমনি প্রিয়।
তেতুল পর্দার ভিতরে থাকলে যেরকম সুরক্ষিত থাকে ধুলো বালি পড়ে না ঠিক তেমনি ভাবে নারী যদি পর্দার ভিতরে থাকে তা হলে লম্পট পুরুষের কুদৃষ্টি ও  পড়বে না।

উদাহরণ স্বরূপ আমি আরও কিছু বলতে চায় খাবার খুলা রাখলে যেমন করে মাছি ভন ভন করে, ঠিক তেমনি ভাবে নারী যদি খুলা মেলা থাকে তা হলে লম্পট পুরুষও
তাদের উপর ঝাপিয়ে পড়বে।

কিন্তু এ কথা কে সুশীল লেবাশ ধারীরা চুতিয়া শীলরা বলতেছে এটা অন্তত্য কুরুচি পূর্ণ নোংরা ভাষা।
তারা বলতেছে এই রকম কুরুচি পূর্ণ নোংরা ভাষা আর কোন কবি বা সাহিত্যিকেরা ব্যাবহার করেনি।
কিন্তু আমার এই পোস্ট দ্বারা আপনারা বুঝে যাবেন নারী কে নিয়ে কারা কি রকম
কুরুচি পূর্ণ ভাষা ব্যাবহার করেছে।
 
গতকাল  প্রথম আলো ওরফে হলুদ আলোর পত্রিকার লেখক তার তেতুল তথ্য বলতেছে
আল্লামা শফী কথা মেনে নিলে আমি আজ থেকে আমার মাকে,আমার মেয়ে কে,
আমার বোনকে, আমার স্ত্রীকে আজ থেকে তেতুল মনে করবো?
ভাবতেই ঘৃণা লাগে ।
তিনি আরও বলেছেন এদের মতো লোকদের কে ঢাকায় কোথার কার কোন কারাগারা রাখা উচিৎ।

আমি প্রথম আলো ও লেখকের কাছ থেকে জানতে চাই বাংলাদেশের কুলাঙ্গার হুমায়ূন আযাদ বলেছিলেন "গর্ভবতী নারী হচ্ছে গর্ভবতী পুশুর মতো" আপনি আপনার মা এবং স্ত্রীকে তাই মনে করেন?
হুমায়ূন আযাদ আরও বলেছেন " চোখের সামনে আমার মেয়ে বড় হচ্ছে। কিন্তু সামাজিক
নিয়মের বেড়াজালে আমার হাত-পা বাঁধা। নাউযুবিল্লাহ, কি জঘন্য চেতনা।
যে জন্ম দাতা হয়ে নিজের মেয়ের সাথে সঙ্গম করতে চায় এর চেয়ে  জঘন্য ঘৃণাত্তক কাজ আর কি হতে পারে?
প্রথম আলো ও তার লেখকের কাছ থেকে জানতে চাই আপনি আপনার মেয়ে কে
হুমায়ূন আযাদের মতো ভাবেন?
এর পর শংকর বলেছেন
"কম বয়েসি মেয়ে হল রসগোল্লার মত যেখানে রাখবে সেখানেই পিঁপড়া ধরবে।"
তার পর বুদ্ধ দেব বলেছেন
'একজন মেয়ে যাকে মন দিতে পারে, তাকে শরীরটা দেওয়া কিছুই নয়।
এই শরীরে আছে কি? অথচ আশ্চর্য! ৯৯ ভাগ পুরুষের কাছে এবং সমাজ যারা গড়েছেন কাছে এই শরীরটাই দামী।"  
রাস্তায় দিয়ে যখন একটি বেপর্দা মেয়ে হেটে যায় তখন রাস্তায় বখাটে ছেলে গুলি
দেখে বলে কি সুন্দর মাল, মামা সুপার সেক্সি, দারুন ফিগার সহ নানার ধরনের
বাজে মন্তব্য করে যা মুখ দিয়ে আন্তেও লজ্জা বোধ করি।
এই সব কথা কি কুরুচি পূর্ণ নয়? এই গুলি অশ্লীল নয়? এই গুলি কি নারীর অবমাননা নয়?
কি জবাব দিবেন আপনারা?
আমারা জানি আমাদের কথা আপনাদের কাছে গ্রহন যোগ্য হবেনা।
কেনোনা আপনারা বাকা পথে হেটে অভ্যাস  সোজা পথের পথিক আপনারা নয়?

আচ্ছা নারী যদি তেতুল জাতীয় না হতো,বেপর্দা মেয়েদের কে দেখলে পুরুষদের কাম
 ভাব না জাগত, দিলের ভিতর লালা না ঝড়তো তাহলে আজ কেনো দেড় বছরের দুধের বাচ্ছা ধর্ষণের শিকার হচ্ছে?
আজ কেন ৪র্থ শ্রেণীর মেয়ে ধর্ষণের শিকার হয়ে আত্মহত্যা করতেছে?
কেন বখাটেদের হাতে মেয়েরা ইভটিজিং এর শিকার হচ্ছে?  
আপনাদের তৈরি করা নৈতিক শিক্ষা কি মেয়েদের কে ধর্ষণের হাত থেকে রক্ষা
করতে পারতেছে?
আজ পর্যন্ত মাদ্রাসা পড়ুয়া কয়টি ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে,
আর স্কুল কলেজ ভার্সিটি কয়টি মেয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে?
মাদ্রসা পড়ুয়া কয়টি ছাত্র ধর্ষণ করেছে আর স্কুল কলেজ ভার্সিটি পড়ুয়া কয়টি মেয়েকে ধর্ষণ করেছে তা অবশ্যয় আপনাদের জানা আছে।      
তাহলে এখানে পর্দা কুফল হলো কি করে?
আসলে পর্দা করা কুফল নয় পর্দা করলে বখাটে দের ও লুচ্চা লেখকদের লুচ্চামী
বন্ধ হয়ে যাবে যার কারনে তারা পর্দার ঘোর বিরোধী।
তা না হলে পর্দা করা ইসলামের ফরজ বিধান।
পর্দা নারী পুরুষ উভয়েই মানতে বাধ্য।
যারা পর্দা মানে বা পরিবার থেকে তার মেয়ে কে বাধ্য করা পর্দা মানার জন্য তাহলে
তাদের সমস্যা কোথায়?
সমস্যা টা একটু আগেই বলেছি পর্দা করলে লুচ্চাদের লুচ্চামী বন্ধ হয়ে যাবে।
     
তার পর আল্লামা শফী বলেছেন, আপনি আপনার মেয়ে এতো লেখা পড়া করান, করার পর মেয়ে নিজেই একটা ছেলে নিয়ে পালিয়ে যায়, তাই আপনি আপনার মেয়েকে ফোর, ফাইভ পর্যন্ত পড়ান, তার পর বলেছেন গার্মেনসের মেয়েরা  সকাল ৭/৮ টা বাজে কাজে যায় ফিরে রাত ৮ টা  থেকে  ১০ টা বাজে কোথায় কার সাথে কি করে
তুমি কি জানো? আমি আল্লামা শফির কথা দ্বিমত পোষণ করি, আমি তার কোথার সংশোধন আনতে চায়, তিনি সঠিক ভাবে বলতে পারেন নি?    

মেয়েরা ও লেখা পড়া করবে, তবে বর্তমানের বেহাইয়াপনা মতো নয়,
তারা ও উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হবে।
শিক্ষা গ্রহন করতে গিয়ে নিজের দেহ লম্পট ভোগ বাদী পুরুষদের কাছে বিলিয়ে
দিবে তা মুসলিম সমাজে মেনে নেওয়া যায়।
আজ কালের ছেলে মেয়েরা কি জঘন্য অনৈতিক কাজে লিপ্ত আছে তা ভাবতেই ঘৃণা
বুকটা ভরে যায়।     
ক্লাশ রুমেই একে অপরকে জড়িয়ে  শুরু করে দেয়, বুঝা যায় তাহারা স্বামী স্ত্রী।
বিভিন্ন পার্কে বা হোটেলে অথবা নির্জন কোন স্থানে শুরু করে দেয় অসামাজিক কার্যকলাপ।
এই সবের বহু প্রমাণ আমার হাতে আছে চুতিয়া শীলরা যদি দেখতে চান আমি আপনাদের কে দেখাতে পারবো।
এর ফোনের মাধ্যমে যত প্রকার অশ্লীল কথা আছে সবই বলে।
বিশ্বাস না হলে ফোন অপারেটর দের কাছে থেকে খবর নেন।
ফোন অপারেটরেরা ভালই করে বর্তমানের প্রজন্মের অপকর্মের কথা।
বর্তমানের স্কুল কলেজ ভার্সিটির মেয়েদের যদি সতীত্ব পরিক্ষা করা হয় তা হলে শতকরা ৩০ জনের নারীর সতীত্ব পাওয়া যায় কিনা আমার সন্দেহ হয়।

বর্তমানের অতি আধুনিক ছেলে মেয়েদের অপকর্মের যে সব ভিডিও আমি অনুসন্ধান
করে পেয়েছি তা যদি প্রকাশ করি তাহলে মেয়েদের ঘর থেকে বের হতে দায় হবে।
ছেলেরা ও কম নয়, তাই বলে মেয়েরা পিছিয়ে নেই? , মেয়েরা যদি এক সাথে ১০-
১৫ জনের সাথে প্রেমের নামে নষ্টামী করে তেমনি ভাবে ছেলেরাও প্রেমের নামে ১৫-২০ টি মেয়ের সাথে প্রেমের নামে তাদের দেহ ফ্রি ভাবে ভোগ করে।
আমি এই সমস্ত মেয়েদের কে বাদুরের খাওয়া ফল হিসাবে উপাত্ত দিলাম।
বর্তমান যে অবস্থা চলতেছে তাতে কিছু দিন পরে আমাদের দেশের মেয়েদের থেকে
কুমারিত্ব মেয়ে পাওয়া সোনার হরিণ হয়ে যাবে।
ছেলে মেয়েরা একের উপর থেকে বিশ্বাস উঠে যাবে, বর্তমানেই অনেক ভাই ও আপু
আমার কাছে প্রশ্ন করে তারা কিভাবে চিনবে তার সঙ্গীনি বিয়ের আগে অন্য কারো
সাথে যৌন ক্রিয়া লিপ্ত হয়েছে কিনা?
জবাবে আমি তাদের কে বলি আপনি যে রকম হবেন আপনার সঙ্গিনী তেমনই হবে।
কারন মহান আল্লাহ তিনি কারো উপর অবিচার করেন না।

নারীর অধিকার নিয়ে যারা লাফালাফি করতেছে সেই সমস্ত পুরুষদের কাছ থেকে
জানতে চাই নারীর অধিকারের নামে আপনারা যারা নিজেদের ঘাড়ের বুঝা নারীদের
উপর চাপিয়ে দিতে চান দয়া করে আপনার বলুন, নারীদের ঘাড়ের বুঝা আপনারা
বহন করবেন কি না?
যেমন তিন বেলার রান্না, সন্তান গর্ভ ধারন ও প্রসব করা,সন্তান কে বুকের দুধ পান করা,   প্রতি মাসে মাসিকের যন্ত্রনা ভোগ করা ইত্যাদি।

আপনারা যদি এই সব নিজের ঘাড়ে নিতে পারেন তা হলে আপনি আপনার স্ত্রী কে
অথবা আপনার মেয়ে কে দিয়ে যা খুশি তায়ই করান আমাদের আপত্তি নেই।  
 আমি এমন কুলাঙ্গার ছেলে হতে চায় না আমি বেচে থাকতে আমার মা কে কাজ
করে খেতে হবে, আমি এমন হতচ্ছেড়া স্বামী হতে চায় না আমি বেচে থাকতে আমার স্ত্রীর কে বাহিরে কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে হবে।
আমি এমন হতভাগা ভাই হতে চায় না আমি বেচে থাকতে আমার বোন চাকরি করে
আমারে খাওয়াবে।        

আমি মুসলিম মেয়েদের কাছ থেকে জানতে চাই আপনার কার কথা মানবেন যে
আপনাকে সৃষ্টি করে এই সুন্দর পৃথিবীর আলো দেখিয়েছেন তার কথা মানবেন, নাকি
যারা দুনিয়ার লোভ লালসায় মাতিয়ে তোমাকে জাহান্নামের লাকড়ি বানাতে চায়
তাদের কথা মানবেন?
তোমার রব তোমাকে হুকুম করেছেন তুমি যাতে পর্দা কর।
তোমার রব তোমাকে নিষেধ করেছেন তুমি যাতে বেগানা পুরুষের সাথে মিলিত না হও। যদি হও তা হলে তুমি যেনা করবে।
তুমি যদি তোমার রবের নিষেধ সত্ত্বেও এমন টা কর তা হলে তোমাকে জাহান্নামে
নিক্ষেপ করা হবে, যার ইন্দন হবে মানুষ এবং পাথর।
আমি কুরআনের কিছু আয়াত নিচে দিলাম।
আল্লাহ তায়লা কে বাদ দিয়ে (যাদের কে মাবুদ বানাতো) তাদের কে এক সাথে জাহান্নামের রাস্তা দেখিয়ে দাও।কুরআন ৩৭/২৩। 

হে অপরাধীরা তোমাদের আজ অবশ্য জাহান্নামের ভয়াবহ আযাব ভোগ করতে হবে।
কুরআন ৩৭/৩৮। 

তোমরা যা কিছু (দুনিয়ায়) করতে (আজ) তোমাদের কেবল তারই প্রতিফল দান করা হবে। কুরআন ৩৭/৩৯।

তবে আল্লাহ তায়ালার নিষ্ঠাবান বান্দাদের কথা আলাদা,
তাদের জন্যে রয়েছে আল্লাহ তায়ালার সুনির্দিষ্ট  রেযেকের ব্যবস্থা। কুরআন ৩৭/৪০-৪১।

আমি নিষেধ করতেছি না  যে মেয়েরা বেশি লেখা পড়া করতে পারবে না বা বাহিরে কাজ করতে পারবেনা?
মেয়েরা সব কিছুই করতে পারবে তবে পর্দার আইন মেনে করতে হবে আইন লঙ্গন করে নয়।
মেয়েদের শিক্ষা প্রতিষ্টান হতে হবে পুরুষদের থেকে ভিন্ন, মেয়েদের কর্ম ক্ষেত্রে হতে হবে পুরুষদের থেকে ভিন্ন।

কারণ ঘরের ভিতর বসে থাকা পর্দা নয়?
পর্দা মানে হচ্ছে পর পুরুষ থেকে নিজে কে আড়াল করা।
এবং নিজেও পরপুরুষ কে না দেখা।
এখন আপনি যদি ঘরের বাহিরে যেতে চান তা হলে অবশ্য আপনাকে হিজাব পরিধান করতে হবে।

এখন যদি আপনি বলেন আমি পর্দা মানব না তা হলে আমাদের কিছু করার নেই।
আমাদের কাজ হল ইসলামের মূল নীতি মানুষের কাছে পৌছে দেওয়া।
আর আল্লাহর রাসূল বলেছে জাহান্নামের অধিকাংশ মানুষ হবে নারী।
আর আল্লাহর রাসুলের কথা তো মিথ্যা হতে পারেনা।
তবে মরার পর আপনাদের কপালে শনির দশা যে আছে সেটা ভুলে যাবে না।

পরিশেষে বলতে চায়ঃ তেতুল দেখলে মেয়েদের কি পরিমাণ লালা ঝরে তাদের আন্দোলন থেকে বুঝা যায়।
আর তেতুল যদি এতো কুষিত ভাষা হয়ে থাকে তা হলে এটা খেতে এতো গণ্ডার পাগল হন কেন?

আর যেসব পুরুষেরা বলে বেপর্দা নারীদের কে দেখলে আমার কাম ভাব জাগেনা তাদের কে বলতে চায় আপনার অল্পতে জাগবেনা,
কারণ আপনি ডাইরেক্ট ইনজেকশন দেখে অবশ্ত, তাই আপনার অল্পতে ইয়ে হয় না আর কি।






আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ। এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?
Read More

আল্লামা শফী অপ্রিয় সত্য কথা বলেছেন,যার কারনে চুলকানি উঠেছে পতিতা নারীবাদীর সমাজে।


এই পতিতাটার নাম হল রোকেয়া প্রাচীর।একে দেখলে কি মুসলমানের বাচ্ছা মনে হয়? এই বেশ টা ইসলাম সমর্থন করে?


আচ্ছা নারীরা যদি তেতুল না হতো তা হলে পতিতা নারী বাদীর সমাজে এতো চুলকানি
উঠেছে ক্যান?

নারীরা যদি তেতুল না হয়ে থাকে তা হলে তারা এতো খোলা মেলা থাকে ক্যান?
তারা তেতুল বলেই তো খোলা মেলা থাকে যা দেখে পুরুষদের লালা ঝরে।
তারা চাই তাদের এই সব দেখে  পুরুষদের লালা ঝরোক।
পুরুষদের লালা ঝড়াতেই  পতিতা নারীবাদীরা  নারীকে খোলা মেলা চলতে উৎসাহিত করে।
আল্লামা শফীর হুজুরের কথা শুনে যদি এদেশের নারীরা পর্দা হুকুম মেনে চলে তা হলে
বিনা মূল্য পতিতা ফেরিওয়ালাদের ব্যবসায় ধ্বস নামবে।
এদেশের পতিতা নারী বাদীরা চায় আমাদের বোনেরা বিনা মূল্য পতিতা করে পুরুষেদের
লালা ঝরাক।
তা যদি না হতো তা হলে এই দেশের নারীরা আজ কেন নিজের দেহ কে বিক্রয় করে
জীবিকা নির্বাহ করে?
তখন কি নারী অবমাননা হয় না?
আজ পত্রিকাতে পড়লাম যুবলীগ নেতার ধর্ষণের শিকার ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রীর আত্মহত্যা।
বাহ  ভালো তো, ভালো না?
যুবলীগ নেতার ধর্ষণের শিকার ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রীর আত্মহত্যা যদি ভালো না হয় তা হলে
আল্লামা শফী নারীকে তেতুল বলাতে যদি পতিতা নারীর সমাজে নিন্দার ঝড় উঠেতে
পারে, তা হলে যুবলীগ নেতার  ধর্ষণের শিকার ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রীর আত্মহত্যার কেন পতিতা
নারীবাদীর সমাজে নিন্দার ঝড় উঠেনা?
এই দেশের পতিতা নারী বাদীরা চাই আমাদের বোনেরা তাদের লালিত কুখ্যাত,
কুলাঙ্গারেরা, ছাত্রসমাজের কলঙ্ক ছাত্র লীগ ওরফে সন্ত্রাসী লীগেরা, যুবলীগ ওরফে
লিঙ্গ কর্তন হওয়া লীগেরা ধর্ষণ করুক।

শুধু পতিতা নারীরা বাদীরা নয়, গণজাগরণ ওরফে যৌন গণজাগরণ পক্ষবাদীরাও
চায় নারীদের কে খোলা মেলা উপভোগ করতে।

তা হলে আজ পর্যন্ত যত গুলি নারী লীগদের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়ে তাদের পক্ষ নিয়ে
তারা একটি প্রতিবাদ ও করেনি?
আর করবেও না।
কারণ তারা যেটা চায় সেটা লীগের সোনার  ওরফে লিঙ্গ কর্তন হওয়া ছেলেরা করে।
এখন আমার মনে সন্দেহ হয় ৭১ সালে আমাদের মা বোনদের ধর্ষণ কি শুধু পাকিস্তানীরা
করে ছিল নাকী সাথে ঐ লীগেরা ও করে ছিল?
নারী কে তেতুলের সাথে তুলনা করে যদি আল্লামা শফী হুজুরের অপরাধ হয়ে
থাকে তা হলে এদেশে কবি সাহিত্যদের কেন অপরাধ হবে না?
আছে কি জবাব আপনার কাছে?

তওবা কাদের পড়া উচিত আল্লামা শফীর নাকী পতিতা মেয়েদের সর্দার রোকেয়া পাজির?
তওবা কাদের পড়া উচিত কাদের যারা কোরআন সুন্নাহ আলোকে জীবন যাপন করে ও
অন্যকে করতে বলে তাদের, নাকী পতিতা নারীবাদী রোকেয়ার মতো নষ্টা দের,
যারা বারো বেটার মাগী হয়ে থাকতে চায় তাদের?

এই সমস্ত পতিতা নারীবাদীরা চায় অভিনয়ের নামে বারো স্বামীর ঘর সংসার করে আবার
তাদের কে বাস্তব জীবনে  ফিরে পেতে চায়।

এরা আজ পর্যন্ত ইসলাম সমর্থন এমন কোন কাজ করেছে?
যদি ও তারা ইসলাম দাবী দ্বার ।
আপনি দেখাতে পারবেন?
তা হলে কাদের তওবা পড়া উচিৎ?

তাদের কর্ম কান্ড দেখলে মনে হয় ৭১ সালে যুদ্ধ পাকিস্তানের সাথে হয় নি,
যুদ্ধ হয়েছে ইসলামের সাথে।

তা না হলে ইসলামের পক্ষে কথা বললে রাজাকার বলবে কেনো?
যুদ্ধ হয়েছে আজ থেকে ৪২ বছর আগে, আর আমার জন্ম হয়ে ১৯৯৪ সালে।
অথচ ইসলামের পক্ষে কথার বলার জন্য তারা আজ আমাকে নব্য রাজাকার বলে।
শুধু আমকে না যারা ইসলামের পক্ষে কথা তাদের কে বলেই, বঙ্গ বীর কাদের সিদ্দিকী কে
ও বলতে দ্বিধা বোধ করে না।
কিন্তু কেনো?
কারণ জামাত ইসলাম তাদের কাছে কোন ইস্যু নয় তাদের বড় ইস্যু হল ইসলাম কে ঘায়েল
করা। এই দেশ থেকে ইসলাম  কে বিতারিত করে হিন্দুয়ানী সমাজ ঘঠন করা
হল এক মাত্র তাদের লক্ষ্য।

তারা চায় এই দেশটা ভারতের অঙ্গ রাজ্য হোক।
ওরা দেশ প্রেমিক নয় ওরা ভারত প্রেমিক।
ওদের কে যদি দেশ প্রেমিক বলা হয় তা হলে এই দেশের ৩০ লক্ষ শহীদদের রক্তের অবমাননা
করা হবে, অবমাননা করে ৩ লক্ষ মায়ের ইজ্জতের।

ওরা যদি ভারত প্রেমি না হতো তা হলে প্রতি নিয়ত ভারত আমার ভাইদের কে পাখির
মতো গুলি করে মারে, ফেলানীদের লাশ কাটা তারে ঝুলে অথচ তারা এর প্রতিবাদ
করেনি?
আজ মানব জমিনে পড়লাম ভারতের বি এস এফ দ্বারা বাংলাদের মহিলা ধর্ষণের শিকার
হয়েছে।
কিন্তু মুক্তি যুদ্ধের চেতনা ধারীরা কি এর প্রতিবাদ করেছে?
এটা নিয়ে কোনো নিন্দার ঝড় তুলেছে?
তারা তুলবেও না।
কারণ এটা ইসলাম সমর্থিত কেউ করেনি।
করেছে তাদের প্রান প্রিয় প্রমিক ভারত।  

আমাদের দেশ পাকিস্তানের শোষণ থেকে মুক্তি পাইলেও ভারতের শোষণ থেকে মুক্তি পাইনি।
দেশ স্বাধীন হলেও দেশের মানুষ স্বাধীন হয়নি।
এই দেশে সরকার সমর্থকেরাই স্বাধীনতা ভোগ করে।
আজ পর্যন্ত যত গুলি সরকার ক্ষমতায় এসেছে সব গুলি সরকারই দেশের জনগণের রক্ত
চুষে খেয়েছে।

আজ, তারাবীহ নামাজ পড়ে খবরে দেখলাম আমাদের প্রধান মন্ত্রী
শেখ হাসিনা বলেছে আল্লামা শফী তো একজন মায়ের পেট হতে জন্ম নিয়েছে তিনি
এতো কুরুচি পূর্ণ কথা কি করে বলতে পারেন?

আসল কথা হল যাদের নোংরা ভাষায় কথা শুনে এবং বলে অবস্ত্য হয়েছে গেছে তাদের
সামনে আপনি যতই ভালো কথা বলেন না কেন তাদের কাছে কুরুচি পূর্ণই লাগবে।

আমার ভাবতে অবাক লাগে যে দেশের প্রধান মন্ত্রী নারী সে দেশের নারীরা কেন আজও
পতিতা-নিজের দেহ কে বিক্রয় করে জীবিকা নির্বাহ করে?
    
আপনাদের কাছে আমি প্রশ্ন করি দেহ ব্যবসা কি সন্মানের?
এখানে কি নারীর অবমাননা হয়না?
আল্লামা শফী পর্দা উদাহরণ দিতে গিয়ে তেতুলের কথা বলেছে তাতে নারীর সন্মানের
উপর আঘাত লেগেছে?
কিন্তু আজ যে বে পর্দা মেয়েরা ধর্ষণের শিকার হচ্ছে, ইভটিজিং এর শিকার হচ্ছে,
প্রেমের  আড়ালে নিজের দেহ কে প্রেমিকে শপে দিচ্ছে, রাস্তা ঘাটে বেপর্দা চলা ফেরা
করার কারনে পুলা পান দেখে মাল হিসাবে আখ্যাহিত করতেছে,
তাতে নারীর সন্মানে আঘাত লাগেনা?           

আল্লামা বুঝাতে চেয়েছেন নারী কাছে তেতুল যেমন আকর্ষণীয়,
পুরুষদের কাছে নারী ও তেমন আকর্ষণীয়।
আল্লাহ তায়ালাও পবিত্র কোরআনে তাই বলেছে,
নারীরা যদি শিক্ষার আড়ালে পর পুরুষের কাছে নিজের সতীত্ব বিলিয়ে দেয় তাতে
আমাদের কিছু করার নেই।   
নারী ভোগী পুরুষেরাই আপনাদের সাথে সুর মেলাবে,
আপনাদের মতো নারীদের তো একজনের দ্বারা মন ভরেনা,
তাও বহু জনের প্রয়োজন হয়।

আসল কথা হল আমরা নারীদের যত ভালো এবং কল্যাণের কথা বলি না ক্যান তাদের
কাছে গ্রহন যোগ্য হবে না।
তারা আমাদের দেশটা কে জিনা ব্যভিচারে   দ্বারা ডুবিয়ে রাখতে চায়।
এটায় হল তাদের মূল উদ্দেশ্য।

আমাদের দায়িত্ব হল ইসলামের বানী মানুষের কাছে পৌছে দেওয়া ।
এখন দুনিয়ার সমস্ত মানুষ ও ইসলামের কথা না মানে তাতে ইসলামের কিছু আসে যায়
না। কেউ যদি ইসলামের কথা মানে তাহলে সে নিজের কল্যাণের জন্যই মানবে।
কেউ যদি না মানে তাহলে সে নিজের অকল্যাণের নিজেই করবে।
ইসলামের বিরোদ্ধচারণ করে আপনি কত বছর টিকে থাকবেন? ৫০,১০০,আচ্ছা আমি
সর্বোচ্চ ২০০ বছর ধরে নিলাম।
এরপর তো আপনাকে মরতে হবে?
তখন আপনি আপনার প্রতিপালকের কাছে ফিরে যাবেন।
তখন আপনার জবাব দিহি করতে হবে আজকের দিনে আপনি যা করেছেন।         
কারণ আল্লাহ আপনাকে কিছু সময়ের জন্য অবকাশ দিয়েছে।

কোরআনের নিচের আয়াত গুলি আপনাদের কে দিলাম।
পবিত্র ও মহান সে আল্লাহ তায়ালা, যিনি প্রত্যেক বিষয়ের ওপর সার্বভৌম ক্ষমতার একচ্ছত্র
মালিক এবং তার কাছেই একদিন তোমাদের সবাইকে ফিরে যেতে হবে।
সুরা ইয়াছিন-৮৩।

হে নবী তুমি তাদের কে বলো, তাতে প্রাণ সঞ্চায় তিনিই করবেন যিনি প্রথম এতে জীবন
দিয়েছিলেন;এবং তিনি সমস্ত কিছুর সৃষ্টি সম্পর্কে সম্যক অবগত রয়েছে।সুরা ইয়াছিন-৭৯।   
আজ কারো প্রতি বিন্দুমাত্র জুলুম করা হবেনা,আজ তোমাদের শুধু সে টুকুই প্রতিদান দেয়া
যা তোমরা দুনিয়াতে করে এসেছো।সুরা ইয়াছিন-৫৪। 

সে দিন তারা এই আযাবে সমভাগী হবে।
আমি না-ফরমান লোকদের সাথে এধরনের আচরণই করে থাকি।কোরআন৩৭/৩৩-৩৪।
  
এই রকম ভাবে দিলে কোরআনের আয়াত অনেক দেওয়া যাবে,
আমার সময় কম তাই এখানে ইতি টানছি।



বাংলাদেশের পতিতা নারীবাদীদের ব্যবসার সফলতা কামনা করে বিদায় নিচ্ছি,         
 আল্লাহ হাফেজ।     
                           
ফেসবুক ছেলে-বেটিদের প্রতি শেয়ার করার অনুরোধ রইলো। 



 
   


আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ। এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?
Read More

নাস্তিকেরা হল আসল মূর্খ।


মূর্খ না হলে কি বলে এই পৃথিবী এমনিতেই সৃষ্টি হয়ে গেছে।
এতো বড় পৃথিবী এমনিতেই সৃষ্টি হয়ে গেল কিন্তু কম্পিউটার সহ যাবতীয় সরঞ্জাম কেন মানুষেরা তৈরী করল,
এই গুলি কেন এমনিতেই  সৃষ্টি হতে পারল না,
এটা কেমন আবাল মার্কা যুক্তির  কথা?

যারা ধর্ম মানে তারা না কি ধর্মান্ধ?
কিন্তু আসল ধর্মান্ধ তারাই যারা ধর্ম মানে না।
ধর্ম যদি না থাকতো তা হলে এই পৃথিবীর মানুষ গুলি মানুষ থাকতো না পুশু হয়ে
যেতো।
আজ থেকে ১৪০০ শ বছর আগের কথা চিন্তা করে দেখেন উত্তর পেয়ে যাবেন।
আজ থেকে ১৪০০শ বছর আগের মানুষ গুলো কি মানুষ ছিল না কি মানুষ রূপি
পুশু ছিল?
তারা জীবন্ত নারী শিশুদের কে হত্যা করতো,
নারীদের ইজ্জত লুট করতো,
তাদের কে ভোগের বস্তু মনে করতো।
সেই একটি আঁধার সমাজ কে আলোর পথে নিয়ে আসলো ইসলাম।
 নাস্তিকেরা ও ধর্ম মানতো যদি ধর্ম গুলি অবাধ যৌনতার অনুমতি দিতো।
ধর্ম গুলি অবাধ যৌনতার অনুমতি দেয় নাই বলেই তারা ধর্ম মানতে নারাজ।
কেননা কোনোই ধর্মই অবাধ যৌনতার  অনুমতি দেয় নাই .
 আর  অবাধ যৌনতার  সব চেয়ে কঠিন অবস্থানে আছে ইসলাম।
যার কারনে তাদের ভিতরে এতো চুলকানি।

তারা বলে অসাম্পদায়িক সমাজ গঠন করতে?
কত বড় আবাল হলে এই ধরনের কথা বলতে পারে?
ইসলাম সাম্পদায়িক, হিন্দু সাম্পদায়িক,খৃষ্টান সাম্পদায়িক,বৌদ্ধ  সহ
আরো অন্য ধর্ম গুলিও সাম্পদায়িক।
আর যারা ধর্ম মানেনা তারা হল অসাম্পদায়িক।
এতো সাম্পদায়িক থাকতে আপনি কিভাবে অসাম্পদায়িক সমাজ গঠন করবেন?
আপনাদের কাছে আমার প্রশ্নঃ পুরুষ জাতি হল পুংলিঙ্গ, নারী জাতি স্ত্রীলিঙ্গ, কিন্তু হিজড়া গুলি কি লিঙ্গ???
এখন হিজড়া নামের বলদ লিঙ্গের গুলি যদি বলে আমরা বলদ লিঙ্গের সমাজ
গঠন করতে চাই তা হলে এটা কি করে সম্ভব?
তাদের কথা শুনে আপনি আপনার লিঙ্গ বিসর্জন দিবেন?
না দিলে আপনি বলদ বা অলিঙ্গের সমাজ গঠন করবেন কি করে?

এখন আপনি যদি অসাম্পদায়িক সমাজ গঠন করতে যান তা হলে,
মুসলিম, হিন্দু, খৃষ্টান,  বৌদ্ধ, সব গুলই সাম্পদায়িক,
এখন অসাম্পদায়িক সমাজ গঠন করতে গেলে এই সব সাম্পদায়িক বাদ দিতে
হবে,
এই সাম্পদায়িক বাদ না দিয়ে আপনি কি ভাবে অসাম্পদায়িক সমাজ গঠন করবেন?
আবাল কি গাছে ধরে না কি বলদের পাছা দিয়ে বের হয়?
আমার মনে হয় এই বলদ গুলির পাছা দিয়া বের হয়।
গটি কয়েক হিজড়ার জন্য যেমন নিজের লিঙ্গ বিসর্জন দেওয়া যায় না ঠিক
তেমনি ভাবে কিছু উগ্রবাদী নাস্তিকদের কারনে নিজের ধর্ম চেতনার কথা বিসর্জন
দেওয়া যায় না।

রাষ্ট পরিচালনা করতে গেলে যেমন সংবিধানের প্রয়োজন হয়,
ঠিক তেমনি ভাবে মানুষের জীবন পরিচালনা করতে হলে ধর্মের প্রয়োজন হয়।
এই সমাজের আসল মুক্তি আসবে তখন যখন সবাই নিজের ধর্মের চেতনায় আদর্শিত
হবে।
মানব রচিত আইনের নয়?
 সব ধর্মেই ভাল কথা বলে।
তবে ইসলাম আরো এগিয়ে।
ইসলাম শুধু ভাল কথা বলে না,
তার সাথে দেখিয়ে দেয় কিভাবে ভাল সমাজ গঠন করতে হবে।
আল্লাহ আমাদের সকল কে ইসলামের মূলবোধ বুঝার তৌফিক দান করুন।
আমিন.....................................।


আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ। এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?
Read More

বোরখা কি ফ্যাশন?

এটা কি ইসলাম সম্মত পোশাক?


আজ কের মেয়েদের দেখা পর্দা নামে ফ্যাশন জাতীয় বোরখা পড়তে।
এই বোরখা গুলি দেখতেও আকর্ষণীয়।
এবং দেখতে অনেক টা টাই সাইট ও হাঁটুর নিচ পর্যন্ত লম্বা থাকে।
পায়ের গিরা পর্যন্ত নয়।অনেক মেয়েদের কে দেখেছি হাঁটুর উপরে পড়তে।
তার সাথে আরও দেখা যায় যে এই ধরনের বোরখা পড়ার সাথে মাথায় ছোট উরনা পড়ে
যা দিয়ে শুধু মাথা ঢাকে বুক নয়?
প্রশ্ন হচ্ছে গিয়ে তার কি বোরখা পড়ে পর্দা খাতিরে নাকি ফ্যাশন হিসাবে?
এই ধরনের বোরখা তো পর্দায় পড়ে না।
তা হলে তারা নিশ্চয় ফ্যাশন হিসাবে পড়ে।

ফ্যাশন হিসাবে পরলে এটা পর্দার আওতায় পড়ে কি ভাবে।
এটা তো পর্দা হচ্ছে না।
কারন পর্দা পোষাক হতে হবে এমন  যা দিয়ে তার বুকটা, মাথাটা ও পায়ের গিরা পর্যন্ত
ঢেকে যায়।
পর্দা পোশাক হতে এমন যা বিপরিত লিঙ্গ কে আকৃষ্ট না করে।
পর্দা পোশাক হতে হবে এরকম যেটা পরলে দেহের অঙ্গ গুলি ফুটে না উঠে।
পোশাক টা এমন হতে হবে যেটা আকর্ষিণীয় নয়?

বোরখা পরা মানে পুরুষদের কুদৃষ্টি হতে নিজে কে রক্ষা করা।

এখন বোরখা নামের পোশাক টা  যদি আকর্ষিণীয় হয় এবং তা দ্বারা যদি
দেহের অঙ্গ ফুটে উঠে তা হলে এই ধরনের বোরখা পরে লাভ কি?
কি লাভ বোরখা নামের হিজাব পোশাকটির অপমানিত করতে?
নাকি আপনারা এই ধরনের ফ্যাশন হিজাব টি পরেন আপনি কতটা আকর্ষিণীয়
তা সমাজের কাছে তুলে ধরতে?
এর বিপরিত আর কিছু হতে  হতে পারে না।
   
বর্তমানের ফ্যাশন বোরখা পরা মেয়েদের কাছ থেকে আমি জানতে চাই
আপনারা কি এ ধরনের পোশাক পরে পুরুষদের কুদৃষ্টি হতে এবং আপত্তিকর মন্তব্য
হতে নিজে কে রক্ষা করতে পারতেছেন?

আপনাদের কাছে আমার দ্বিতীয় প্রশ্নঃ এই পোশাক তো ইসলাম সম্মত নয়,
তা হলে এই ফ্যাশন বোরখা পরে আপনারা কাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতেছেন?
 নিজের দেহকে যদি  রাস্তার পুরুষদের দেখাতে এতোই পছন্দ করেন তা হলে আর বোরখা পরেন ক্যান?
রাস্তা উলঙ্গ হয়ে হাঁটতে পারেন না?     
              
    

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ। এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?
Read More

ইসলাম নারী কে ভোগের বস্তু বানাই নাই,চুতিয়া শীল নারীবাদীরা বানিয়েছে।



বর্তমানে আমাদের দেশের কিছু চুতিয়া শীল নারী বাদীরা তারা দিনে রাতে রাস্তা ঘাটে
টি ভি র ক্যামেরার সামনে নারীর অধিকার নিয়ে চিল্লিয়ে গলা ফাটায়।
তারা দাবি করে নারী কে সমান অধিকার দিতে হবে।
তারা আরো বলে ইসলাম নাকি নারী কে ভোগের বস্তু বানিয়েছে?

জানতে চাইলে তারা যুক্তি দেয় ইসলামে পুরুষের চারটি বিয়ে করার অনুমতি আছে
কিন্তু নারীর নেই কেনো?


সম্পদে পুরুষের অধিকার আছে তিন  ভাগের দুই ভাগ আর নারীর আছে এক ভাগ।
এখানে নারীর এক ভাগ কম কেনো?


ইসলামে পুরুষেরা স্বাধীন ভাবে খোলা মেলা চলা ফেরা করতে পারে,
তারা নিজেদের ইচ্ছে মতো যথায় তথায় যেতে পারে,
ঘরের বাহিরে নিজের স্বাধীন মতো কাজ করতে পারে,
নারীরা পারে না কেনো?


শুধু নারী কে কেনো ঘরের ভিতরে সিমা বদ্ধ রাখা হয়?

ইসলাম কেনো নারী পুরুষদের অবাধ মেলামেশা করার সুযোগ দেইয় না?

আমি আপনাদের কাছে থেকে জানতে চাই তাদের এই কথা গুলির দ্বারা কি প্রমান হয় না
নারী কে ভোগের বস্তু কারা বানিয়েছে?

এবার আসুন আমরা তাদের প্রশ্ন গুলির দাত ভাঙ্গা জবাব প্রধান করি।

প্রশ্ন একের উত্তরঃ এক দিক থেকে নারী হল ক্ষেত,আর পুরুষ হল বীজ।
এভাবে যদি দেখেন খুব সহজেই বুঝতে পারবেন।
ধরুন আপনার চার টি ক্ষেত আছে, এই চারটি ক্ষেতে আপনি তরমুজের চাষ করেছেন।
তা হলে এই চার টি ক্ষেতের ফসলের মালিক আপনি নিজেই।

কিন্তু একটির ক্ষেতের মালিক যদি চার জন হয়, আর ফসল হিসাবে যদি একটি তরমুজ
ধরে?
তা হলে এই ফল আপনারা কিভাবে নিবেন?
একটি ফল চার জন মালিক নিতে গেলে নিশ্চয় ভাগ করা লাগবে?

ঠিক তেমনি ভাবে একটি পুরুষের যদি চারটি স্ত্রী থাকে,এই চার টি স্ত্রী গর্ভে থেকে যত
গুলো সন্তান জন্ম নিবে সব সন্তানেই ঐ একটি বাবার পরিচয় থাকবে।

কিন্তু একটি নারীর যদি চার টি স্বামী থাকে,এই চার টি স্বামীর সাথে যদি নিয়মিত সহবাস
করে যায়, বছর পার হলে যে সন্তান টি জন্ম নিবে তার পিতা কে হবে?
নাকি সে চার জন পিতার পরিচয় নিয়ে বড় হবে?
আচ্ছা আমি মেনে নিলাম সে চার টি পিতার পরিচয়ে বড় হবে।

একটি পুরুষে যদি চারটি নারী কে বিয়ে করে তা হলে তার সংসার একটিই হবে।

কিন্তু একটি নারী যদি চার টি বিয়ে করে তা হলে তার সংসার হবে চার টি।
অথচ একটি নারী কে একটি সংসার চালাতে হিমসিম খেতে হয়।
অনেক নারী কে দেখি কাজের মেয়ে ও রাখতে।
এই যদি অবস্থা হয় তা হলে একটি নারী কি ভাবে চারটি সংসার পরিচালনা করবে?
আরো ভয়াবহ বিষয় হল একটি নারী যদি চার টি বিয়ে করে তা হলে তাকে চার টি
স্বামীর যৌন চাহিদা পূরণ করতে হবে।

একটি নারী কে যদি চার টি স্বামীর যৌন চাহিদা পূরণ করতে হয় তা হলে এই নারীর
ও পতিতা মাঝে পার্থক্য কোথায়?

আমার তো মনে হয় না একটি পতিতা প্রতি দিন চার জন খদ্দর গ্রহন করে।
আপনি এখন চিন্তা করে দেখুন নারী কে ভোগের বস্তু কারা বানিয়েছে এবং বানাতেও
চাচ্ছে?

একটি নারী যদি চার টি বিয়ে করে এবং চার টি স্বামীর যৌন চাহিদা পূরণ করে তা হলে
সে নারী কি ভোগের বস্তু নয়?
আশা করি আপনারা এই প্রশ্ননের উত্তর দিয়ে যাবেন।
এই প্রশ্ননের উত্তরে আমার আরো কিছু বলার আছে।
আমরা সকলেই জানি পৃথিবীতে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি।
কত বেশি আমি সঠিক করে বলতে পারবোনা।
আচ্ছা মনে করুণ প্রতি ১০০ তে ৪৫ জন পুরুষ আর বাকি ৫৫ জন নারী।
৪৫ জন পুরুষ যদি ৪৫জন নারী কে বিয়ে করে তা হলে আরো ১০ জন নারী বিয়ে
করার বাকী আছে।
বাকি ১০ জন নারী তার সারা জীবন কি করে কাটাবে?
তারা কি জনতার ভোগের বস্তু মানে পতিতা জীবন গ্রহন করবে?
তার ও অধিকার আছে সামাজিক যৌন অধিকার পাবার।
তাদের এই অধিকার কে দিবে?
চুতিয়া নারী বাদীরা এর জবাব দিবেন?
নাকি তাদের কে পতিতা ভিক্তি জীবন দিবেন?   


প্রশ্ন দুইয়ের উত্তরঃ ইসলাম সম্পদে পুরুষ কে তিন ভাগের দুই দিয়েছে আর নারী দিয়েছে
এক ভাগ।
আমি চুতিয়া শীল নারীবাদীদের কাছ থেকে জানতে চাই অন্যান্য ধর্ম গুলি নারী কে
পিতার সম্পদের কত ভাগ দিয়েছে?
আমরা জানতে চাই?
অন্য ধর্ম নারী কে কিছুই দেয় নাই তুবু সেটা নিয়ে আপনাদের মাথা ব্যাথা   নাই।
আপনাদের যত মাথা ব্যাথা আছে ইসলাম নিয়ে ।

নারী তিন ভাগের এক ভাগ পেয়েছে সেটাই অনেক বেশি পেয়েছে।
ইসলামে পরিবারের সমস্ত বুঝা পুরুষের  ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছে।
একটি পরিবারে সমস্ত ভর পোষণের দায়িত্ব থাকে এক জন পুরুষের উপর।
নারীর উপর নয়?
তা হলে এই পুরুষের ধন সম্পদের দরকার আছে কি না?
নারী এতো সম্পদ দিয়ে কি করবে?

আমি আপনাদের কে সহজ উদাহরণ দিয়ে বুঝায়।
মনে করুণ আপনার বাবা মায়ের সংসারে আপনারা দুই ভাই বোন আছেন।
এখন আপনারা দুই ভাই বোন মিলে আপনার নানার বাড়ীতে যাবেন।
আপনারা দুই জন নানার বাড়ীতে যাওয়ার জন্য আপনার বাবা আপনার বোন কে দিল ১০০
টাকা। আর বলে দিলেন এটা তোর।আর আপনাকে দিলেন ৫০০ টাকা।
বলে দিলেন এই টাকা দিয়ে তোদের দুই জনের আসা যাওয়ার খরচ।
এখন আপনার নানার বাড়ীতে যেতে লাগে জন প্রতি ১০০ টাকা বা তার বেশি।
তা হলে আপনারা দুই জন নানার বাড়ী থেকে ঘুরে এসে দেখলেন আপনি ১০ টাকার
মালিক ও হন নাই।
কিন্তু আপনার বোন ১০০ টাকার মালিক ঠিকি হয়ছে।
তা হলে এখানে বেশি পাইছে কে?
নিশ্চয় আপনার বোন।

ঠিক তেমনি ভাবে আপনি যে মেয়েটি কে বিয়ে করবেন সে মেয়েটি তার বাবার সম্পদ থেকে
তিন ভাগের এক ভাগ পেল।
আপনি আপনার বাবার সম্পদ থেকে তিন ভাগের দুই ভাগ পেলেন।

আপনি আপনার বাবার থেকে পাওনা সম্পদের মূল্য ২ লক্ষ টাকা।
আপনি যে মেয়ে কে বিয়ে করলেন তার বাবার থেকে পাওনা সম্পদের মূল্য ১ লক্ষ টাকা।     
এখন আপনি ঐ মেয়ে কে বিয়ে করলেন।
বিয়ে তে আবার ৫০ হাজার টাকা মহরানা দিয়ে দিলেন।
তা হলে আপনার থাকল দেড় লক্ষ টাকা।
মেয়ে তার বাবার কাছ থেকে পাইল ১ লক্ষ টাকা, আপনার কাছ থেকে পাইল ৫০
হাজার টাকা।তা হলে এখন মেয়েটির হল দেড় লক্ষ টাকা।
তা হলে মেয়ে কম পেল কোথায়?
তার পর এই দেড় লক্ষ টাকা থেকে আপনাকে সংসারে যাবতীয় খরচ করতে হবে।
আপনার স্ত্রী এবং সন্তানের ভর পোষণ চালাতে হবে।
আপনার সন্তাদের লেখা পড়ার খরচ চালাতে হবে।
এখন আপনার সন্তান বড় হল।
আপনি আপনার বাবার থেকে পাওনা দুই ভাগ সম্পদ সন্তানদের কে ভাগ করে দিলেন।
এই দুই ভাগ সম্পদ থেকে আপনার স্ত্রী ও কিছু পাবে।
যেমন আপনার কাছে যদি ১০০ টাকা থাকে তার থেকে ১০ টাকা,
১০ টাকা থাকলে ২ টাকা আপনার স্ত্রী পাবে।
আপনি ইসলামের নিতি অনুযায়ী দিতে থাকলে পরিশেষ আপনি কত টাকার মালিক হলেন?
তা হলে ইসলাম নারী কে কম দিয়েছে না কি বেশি দিয়েছে?
এখন যদি চুতিয়া নারী বাদীরা সমান অধিকার দাবী করে তা হলে নারী দের কে
অধিকার দিচ্ছে নাকি সমান অধিকারের নামে নারী হক অধিকার কেড়ে নিচ্ছে?
এর জবাব আমাদেরকে কে দিবে?  

প্রশ্ন তিন এর উত্তরঃ আপনাদের কাছ থেকে আমি জানতে চাই নারী পুরুষ কি সমান?
নাকি ব্যবধান আছে?

পুরুষদের গঠন আর নারীদের গঠন কি এক?
নাকি ভিন্ন?

যদি ভিন্ন হয়ে থেকে তা হলে তাকে সব কিছুতে সমান দিবেন কি ভাবে?
পুরুষেরা রাস্তায় শুধু প্যান্ট পরে হাঁটতে দেখা যায়,এখন নারীরা কি শুধু সেলোয়ার পরে
হাঁটতে পারবে?

পুরুষ যথায় তথায় যেতে পারে কারন তার ইজ্জত হারানোর ভয় নেই।
নারী যথায় তথায় গেলে ইজ্জত হারাবে না এমন কোনো গ্যারান্টি আছে?
আজ কাল পত্র পত্রিকা খুললে দেখা যায় প্রতি দিন ২ থেকে ৩ টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটতেছে।
এক জন নারী যদি কোনো কারনে তার ইজ্জত হারিয়ে ফেলে আপনি কি তার হারানোর
ইজ্জত ফিরিয়ে দিতে পারবেন?
আর আপনাকে বলেছে ইসলামে নারী কে যথায় তথায় যাওয়ার অনুমতি নাই?
অবশ্যয় আছে। তবে তাকে কোথাও যেতে হলে সাথে কাউ কে সঙ্গে করে নিয়ে যেতে হবে।
যেমন স্বামী , বাবা অথবা আপন ভাই।
নারী যথায় তথায় যাওয়া মানে কি পার্কে গিয়ে ছেলেদের সাথে নষ্টামী করা?  
নাকি নিজের বয় ফ্রেন্ড কে নিজের সতীত্ব বিলিয়ে দেওয়া?
যদি তাই হয় এখানে কি নারী ভোগের বস্তু নয়?

চাকরির,কাজের কথা বলতেছে?
ঘরে স্বামী থাকতে স্ত্রী চাকরি ,কাজ করবে কেনো?
ঘরে যুবক ছেলে থাকতে তার মা চাকরি ,কাজ করবে কেনো?
ঘরে যুবক ভাই থাকতে তার যুবতি বোন চাকরি ,কাজ করবে কেনো?
একটি নারী সকাল ৮ টা বা ৯ থেকে বিকাল ৫ বা এর চেয়ে বেশি সময় ঘরের বাহিরে
কাজ করে টাকা রুজি করে,এই টাকা দিয়ে বাজার করে, তার পর রান্না করে তার
স্বামী কে তার যুবক ছেলে কে তার যুবক ভাইকে খাওয়াবে।
আর পুরুষ বসে বসে খাবে আর নাকে সুরেশ খাঁটি সরিষার তেল দিয়ে ঘুমাবে।
বাহ কত চমৎকার চুতিয়া নারী বাদীদের নারী অধিকারের দাবী।
ঘরে বাহিরে সব জায়গাতে সব কিছু যদি নারী করে তা হলে পুরুষ নামক বলদ গুলির
এই সমাজে থাকার দরকার কি???
নাকি রাতের কাজ ছাড়ার জন্য দরকার?  
একটি নারী ঘরের যাবতীয় কাজ কর্ম করলো,
আবার কাজের তাগিদে ঘরের বাহিরে গিয়ে কাজ করে বাসায় ফিরে বাসার যাবতীয়
কাজ সেরে রাতে স্বামীর বিছানায় গেল।
আর আদরের স্বামী তার রাতের কাজ সেরে নিল।
এটায় যদি নারীর অধিকার হয় তা হলে এখানে কি নারী ভোগের বস্তু নয়???

নাকি নারী ভোগের বস্তু হয় তখন যখন তার স্বামী বাহিরে কাজ করে ,
এরপর এই টাকা দিয়ে বাজার করে তার স্ত্রীর হাতে দিল।
স্ত্রী রান্না করে তার স্বামী সন্তান কে খাওয়ালো ???

আর এখানেই নারী আপনাদের কাছে ভোগের বস্তু হয়ে গেল???
আসলে আপনারা নিজেই তের বেটার ভোগের বস্তু হয়ে আছেন।
তের বেটারা আপনাদের কে ভোগ না করলে আপনাদের পেট ভরে না।
তাই আপনাদের পথে আমাদের মা বোনদের কেও আপনার আনতে চান?
এর ব্যতিত আর কিছু নয়।
এই হল গিয়া আসল কথা।

আর ইসলামে কোথাও বলা আছে যে নারী ঘরের বাহিরে কাজ করতে পারবে না?
বরং নারী যে কোনো কাজ করতে পারবে।
এবং সেটা করতে হবে পর্দা আইন মেনে।
পর্দা আইন লঙ্গন করে নয়?
কাজ করার ক্ষেত্রে পর্দা কথা বললেই নারী স্বাধীনতা হরন হয়ে যায় এই গাজা খুরি
কথা থেকে আমদানি করছেন?

ইসলামের আইন অনুযায়ী নারী করতে পারবে চিকিৎসার কাজ,
করতে পারবে দর্জির কাজ,
করতে পারবে শিক্ষিকার কাজ।
অন্য ক্ষেত্রে ও কাজ করতে পারবে।
তবে পর্দা মেনে করতে হবে।
যেমন নারী ডাক্তারেরা নারী অসুস্ত রোগীদের  চিকিৎসা করতে পারবে।
নারী দর্জিরা শুধু নারীদের পোশাক তৈরী করতে পারবে।
নারী শিক্ষিকারা নারী ছাত্রীদের কে পাঠ দান করতে পারবে।
পুরুষ ছাত্রদের কে নয়?
নারী শিক্ষিকারা যদি শুধু ছাত্রীদের কে পাঠ দান করতো?
পুরুষ শিক্ষকরা যদি শুধু ছাত্রদের কে পাঠ দান করতো?
তা হলে আজকের পরিমলেরা আমাদের বোন দের ইজ্জত লুট করতে পারতো না।
শিক্ষক হয়ে নারীর দেহ ভক্ষক করতে পারতোনা?

আমাদের সমাজে শত শত পরিমল লুকিয়ে আছে।
তারা প্রতি দিন আমাদের বোনদের কে ধর্ষণ করে যাচ্ছে আমাদের চোখের আড়ালে
শিক্ষা পাঠ দানের নামে।
এখন শিক্ষকরা যদি হয় ভক্ষক তা হলে কে হবে জাতির রক্ষক আমরা জানতে চাই???

আর নারীরা ঘরের ভিতরে থাকায় সব চেয়ে নিরাপদ। 

প্রশ্ন চার এর জবাবঃআপনাকে কে বলেছে মুসলিম নারীরা ঘরের ভিতর সীমাবদ্ধ থাকে?
তারা কি মাদ্রাসা গিয়ে দ্বীনি শিক্ষা গ্রহন করতেছেনা?
তারা কি হিজাব পড়ে স্কুল কলেজে ভার্সিটিতে পড়তেছেনা?
পড়ে থাকলে এই ধরনের প্রশ্ন করেন কেনো?
না কি তারা মাদ্রাসায় পড়ে বলে সেটা শিক্ষার আওতায় পড়েনা?
তারা হিজাব পড়ে স্কুল কলেজে ভার্সিটিতে পড়ে বলে সেটা শিক্ষার আওতায় পড়েনা?
আপনারা আমাদের কে কি বুঝাতে চাচ্ছেন?
বুক খুলিয়ে পাছা দুলিয়ে স্কুলে গেলে কি সেটা শিক্ষার আওতায় পড়ে?
আপনারা না নারীর সম্মানের কথা বলেন?
নারীরা বুকের কাপড় যখন গলাতে গামছার মতো ঝুলিয়ে রাস্তায় দিয়ে যায় ,
রাস্তায় বখাটে ছেলেরা আপত্তিকর কথা বলে সেটা কি নারীর সন্মান?
আপনারা নারীর অধিকারের কথা বলেন?
বুকের উড়না গলাতে ঝুলিয়ে স্কুল কলেজে যাওয়ার যদি নারীর অধিকার হয়?
তা হলে হিজাব পড়ে আমাদের বোনেরা  স্কুল কলেজে যাওয়ার নারীর অধিকার হবেনা কেনো?
আমাদের বোনেরা হিজাব পড়ে গেলে তাদের হিজাব খুলে নেওয়া হয় কেনো?
গত কয়েক দিন আগে দেখলাম কোন বদমাশ মন্ত্রী নাকি এম পির বদমাশ স্ত্রী আমাদের
বোনদের ড্রেস কোডের দোহায় দিয়ে লম্বা হাতা জোর করে কেটে দিয়েছে।
তখন আপনাদের নারী স্বাধীনতা,অধিকার কোথায় ছিলো?
এটা নিয়েতো আপনারা কোনো কথা বলেন নাই?
তখন কি মানবধিকার লঙ্গন হয় না ?
আমাদের বোনেরা যদি তখন উত্তেজিত হয়ে বদমাশ বেটিরে গায়ের কাপড় খুলে
রাস্তায় ঘুরাতো তখন আপনাদের মনে চুলকানী জেগে উঠতো। 

আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন আপনারা কি মানবধিকার কাকে বলেন জানেন?
রাতে গাজা সেবন কম করে মানবধীকার কাকে বলে আগে জানেন।           
তার পরে মানবধিকার নিয়ে চিল্লাচিল্লি করিয়েন।

প্রশ্ন পাঁচ এর উত্তরঃ নারী পুরুষ অবাধ মেলামেশার মানে কি?
আপনারা কি চাচ্ছেন পুশু ভিক্তিক সমাজ মানব সমাজে চালু করতে?
অবিবাহিত নারী পুরুষ চাইলেই যদি একে অপরের সাথে শারীরিক ভাবে মিশতে পারে
তা হলে এখানে কি নারী ভোগের ভস্তু নয়?
পুশুদের সামাজিক দ্বায় বদ্ধতা নেই।
যার কারনে তারা যার তার সাথে রতিক্রিয়া করতে পারে।
আপনারা কি সে সমাজ ব্যবস্তা চালু করতে চাচ্ছেন?
তা হলে যারা এতো টাকা খরচ করে  বিয়ে করলো  তাদের তাদের কি লাভ হলো?
যেমন পরিক্ষা হলে দুই ছাত্র পরিক্ষা দিতে গেছে।
এই দুই জন ছাত্র মধ্যে একজন লেখা পড়ায় খুব ভালো আরেক জন দুর্বল।
এখন দুই জনের মাঝে একজন খুব ভাল পরিক্ষা দিল আরেক জন খারাপ পরিক্ষা দিলো।
এখন এই পরিক্ষার দ্বারা দুই ছাত্র যদি ১০০ থেকে ১০০ নম্বর পেয়ে যায়
তা হলে যে ভাল ছাত্র দিনে রাত্রে ২৪ ঘন্টা শ্রম খাটিয়ে পড়লো ভালো রেজাল্টের আশায় সে
কি দোষ করলো?           

এখন আপনারা বলতেছে নারী পুরুষ অবাধ মেলামেশার কথা?
১৮ হজার মাকলুকাতের মধ্যে মানুষ জাতি হল সর্ব শ্রেষ্ঠ জাতি।
মানুষদের মাঝে সামাজিক দ্বায় বদ্ধতা আছে বলেই  মানুষ জাতি হল সর্ব শ্রেষ্ঠ জাতি।
পুশুদের মাঝে সামাজিক দ্বায় বদ্ধ নাই।
পুশুরা অবাধ যৌনতার বিশ্বাসী,যার কারনে তাদের মাঝে কোনো বিবাহিক সম্পর্ক
নেই। যার কারনে তারা যখন ইচ্ছে যে কোনো জায়গাতে রতিক্রিয়া করতে পারে।
এখন আপনারা যদি নারী পুরুষ অবাধ মেলামেশার নামে যথায় তথায় সেক্স ক্রিয়াতে মেতে
উঠেন তা হলে পুশু ও আপনাদের মাঝে পার্থক্য কোথায়?
পার্থক্য হলো পুশুরা চাইলেই মানব সভ্যতায় ফিরে আসতে পারবেনা অথচ আপনারা
শ্রেষ্ঠ জাতি হয়ে পুশু সমাজে ফিরে যেতে চান। 
নারী পুরুষ অবাধ মেলামেশার নামে অসামাজিক ভাবে যাকে ইচ্ছে তাকেই ভোগ করতে
পারবে সেটা আপনাদের কাছে ভোগের বস্তু নয়,
আপনাদের কাছে তারাই ভোগের বস্তু যারা বিয়ে করে সামাজিক  ভাবে রতিক্রিয়া করে।

আর আপনারা নারীর ক্ষমতায়নের কথা বলেন?
এই দেশের প্রধান মন্ত্রী একজন নারী।
এই দেশের বিরোধী দলের নেত্রীও একজন নারী।
এই দেশের সংসদ উপনেতাও একজন নারী।
এমন কি বর্তমানে স্পিকার ও একজন নারী। 
এর পর যদি বলেন এই দেশে নারীর ক্ষমতা নেই তা হলে আমি আপনাদের কাছে জানতে চাই
উপরে ক্ষমতা গুলি নিয়ে যারা বসে আছে তারা কি হিজড়া?????

আপনারা নারী পুরুষের সমান অধিকারের কথা বলতেছে?
এই দেশে নারী প্রধান মন্ত্রী আছে , পুরুষ প্রধান মন্ত্রী নেই কেনো?
সমান অধিকার দিতে হলে তো নারী  প্রধান মন্ত্রী পাশে  পুরুষ প্রধান মন্ত্রী থাকার
প্রয়োজন,কিন্তু নেই কেনো?
আমরা জানতে চাই???????

আর ইসলামে নারীর অধিকারের কথা বলেন????
ইসলাম নারী কে দিয়েছে সর্ব শ্রেষ্ঠ অধিকার যা আর কেউ দিতে পারে নাই আর পারবে ও
না।
ইসলাম নারী কে দিয়ে রাণীর মর্যাদা।
আজ থেকে ১৪০০ শ বছর আগে নারী কে ভোগের বস্তু হিসাবে ব্যাবহার করা হতো।
শিশু নারীদের জীবন্ত মাটির নিচে পুতে ফেলা হতো।
সে সময়ের সমাজে নারীর ১ আনারও মূল্য ছিলোনা।
সে নারীদের কে মানবতার হাত বাড়িয়ে রানীর সিংহাসনে বসিয়ে দিয়েছেন
বিশ্ব নবী মুহান্মদ (সাঃ)।

                 
নারী ঘরের বাহিরে কাজ করবে আর পুরুষ ঘরে বসে আঙ্গুল চুষবে সেটা নারীর অধিকার
নয়, পুরুষ মাথার ঘাম পায়ে ফেলে টাকা ইনকাম  করবে আর নারী ঘরে বসে
পায়ের উপর পা তুলে খাবে সেটা হলো নারীর অধিকার।

নারীর অধিকারের নামে পুরুষের মাথার বুঝা নারীর মাথার উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে
যদি বোকা নারীরা বুঝতো।

বলতে গেলে অনেক কিছু বলা যাবে।
কিন্তু এই সব বলে লাভ কি?
আমার এই লেখা সমাজের কয় জনের হাতে পৌছবে?
কত জনে আর পড়বে?
তাই এখানেই সমাপ্ত করে নিলাম।
আপনারা সবাই ভালো থাকুন মহান আল্লাহর দরবারে এ কামনা করে বিদায় নিচ্ছি...
আল্লাহ্‌ হাফেজ।

বিঃদ্রঃ লেখাতে কোনো প্রকার ভুল ক্রটি  থাকলে দয়া করে আমাকে ক্ষমা করে দিবেন।
আর আপনার যত টুকু পারেন বেশি বেশি করে শেয়ার করুণ।       

  
   




আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ। এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?
Read More

মেয়েদের দ্বারা পুরুষেরা আগে ধর্ষিত হয়।



মেয়েদের যদি লজ্জা শরম থাকে তা হলে টাইট কাপড় পরে কেনো?

আমার এই পোস্ট পড়ে আপনারা আমাকে মনে করতে পারেন আমি নারী বিদ্বেষী।
কিন্তু আমি তা নয়।
আমি আমার চার পাশের বাস্তব ঘটনা গুলি আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চেষ্টা করি।

 
গত ১৫মে আমি ভৈরব রানী বাজার যাচ্ছি আমার চাচার বাসায়।
প্রায় ৪ বছরের চেয়ে বেশী সময় ধরে তাদের সাথে দেখা সাক্ষাত নেই।
ভাবলাম আগামী কাল তো সিলেট চলে যাবো।
আবার কখন বাড়ীতে আসি সিওর নেই।
তাই বাড়ী হতে ভৈরবের উদ্দেশে রওয়া দিলাম।
চকবাজার থেকে সিএনজি করে আশুগঞ্জে আসলাম।
এখন আবার সিএনজি দিয়ে ভৈরব যেতে হবে।
আমার সাথে আরো ৪ উঠেছেন তারাও ভৈরব যাবে।
আমরা ভৈরব যাওয়ার পথে আমরা দেখতে পেলাম
মেঘনা ব্রিজের উপরে দাঁড়িয়ে অতিআধুনিক মেয়ে বয় ফ্রেন্ড নিয়ে
নদীর স্রোত দেখতেছে।
তখন হাল্কা হাল্কা বাতাস বয়ে যাচ্ছে।
আর মেয়েটি তার পেছনের কাপড় টেনে ধরতেছে।
এই সব দেখে আমার সাথের জন বলতেছে তোর যদি এতোই লজ্জা
শরম থাকে তা হলে তুই এই রকম কাপড় পরস ক্যান?
কাপড় না টেনে ছেড়ে দিয়ে রাখ যাতে আমরা তোর পাছা  দেখতে পারে।
আমাদের কে যদি তোর পাছা না দেখাবার ইচ্ছে  থাকে তা হলে এই
রকম কাপড় পরস ক্যান?

আবার ইভটিজিং ইভটিজিং বলে চিল্লাচিল্লি করে গলা ফাটাস।
তোরাই আগে এই সব দেখিয়ে ছেলেদের কে ইভটিজিং করিস।
এই সব দেখার পরও ছেলেরা তোদের কে রাস্তায় ফেলে ছ্যাদানি স্টিক দেয় না
সেটাই ও তো বেশি করে।

আমি বললাম ভাই তাদের অবস্থা এই রকম যে শুটকি খোলামেলা রাখবো
সেটা আমার স্বাধীনতা কিন্তু বিড়াল এসে খেলে সেটাই অপরাধ।
আমি স্বাধীনতার নামে বিড়ালের সামনে শুটকি ছিটিয়ে রাখলাম সেটা অপরাধ
নয় কিন্তু যেমনি বিড়াল এসে মুখ লাগালো সেটায় অপরাধ হয়ে গেলো।


বর্তমানের মেয়েদের চলাফেরা দেখলে আমার ইচ্ছে যারা তাদের কে যৌন হয়রানী
করে তাদের কে পুরস্কিত করি।

কেনোনা  তাদের দ্বারা পুরুষেরা আগে ধর্ষণের শিকার হচ্ছে।
পরে পুরুষেরা তাদের কে ধর্ষণ করতেছে।
এটা কারো অস্বীকার করার উপায় নেই ?

আমি আপনাদের কাছ থেকে জানতে চাই বরশি দিয়ে মাছ ধরতে গেলে কি লাগে?
নিশ্চিয় আঁধারের প্রয়োজন হয়?
আঁধার ছাড়া তো আপনি বরশী দিয়ে মাছ ধরতে পারবেন না আপনি যত বড় রাজা বাহাদুর হন।
আপনাকে বরশী তে আঁধার ব্যাবহার করতেই হবে।

ঠিক তেমনি ভাবে বর্তমানের নারীরা তাদের রূপ যৌবনের আঁধার দ্বারা আপনাকে
আমাকে শিকার করতেছে।

বরশীতে আঁধার গেথে দিয়ে পানিতে ছাড়লে মাছ যেমন করে গিলে ফেলে?
ঠিক তেমনি এই সব নির্লজ্জ মেয়েদের রূপ যৌবন দেখে আমরাও তাদের কে গিলে
ফেলি।
তার পরে আমাদের আম ও যা ছালাও যা।
ইজ্জত সম্মান তো ধুলায় মিশে যা।

এর চাই তে সহজ যুক্তি আমার জানা নেই যদিও আমার ব্লগের নাম জানার আছে অনেক
কিছু।
অথচ আমি নিজেই জানিনা অনেক কিছু।

বর্তমানের অতিআধুনিক মেয়েরা উড়না বুকে না দিয়ে গলাতে ঝুলিয়ে রাখে যাতেকরে
আম জনতা তার কাছে যে এক জোড়া কমলা ধরেছে সেটা বিনা বাধায় দেখতে পারে।

এই কথা গুলি আমি একটু ও মিথ্যা বলেনি।
মেয়েদের মনের কথায় বলেছি।

আমার কথা যদি মিথ্যা হয়ে থাকে তা হলে আপনারাই বলেন উড়না কি গলা ঢ়াকার
জন্য না কি বুক ঢ়াকার জন্য?
উড়না যদি বুক ঢ়াকার জন্য হয়ে থাকে তা হলে অতিআধুনিক মেয়েরা কেনো
বুক না ঢ়েকে গলা ঢ়েকে???
ক্লিয়ার কাট কথা তাদের কমলা লেবু আম জনতা কে দেখার জন্য।


আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ। এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?
Read More

কারা কোরআন পুড়িয়েছে?পড়ুন এবং শেয়ার করুন।



আপনি কি ভাবতেছেন কোরআন হেফাজত কর্মীরা পুড়িয়েছে?
 
আপনার মাথার ব্রিন এতো ওয়াশ কেনো?
যারা ইসলাম অবমাননাদের বিচার চাইতে গিয়ে নিজের বুকের
তাজা রক্ত ঢেলে দেয় তারা পুরিয়েছে কোরআন?
যারা বছরের পর কষ্ট করে কোরআন মুখস্ত করে তারা পুড়িয়েছে কোরআন?
যারা কোরআন শিখে মাত্র ২-৩ হাজার টাকার বেতনে মসজিদ মাদ্রসায় চাকরি
করে তারা পুড়িয়েছে কোরআন?
যারা এই কোরআন কে বুকে ধারন করে নিজের বিলিয়ে দেয় ইসলামের তরে
তারা পুড়িয়েছে কোরআন?

আপনার মাথায় কি ছায় নাকি গোবর দিয়ে ভরা?
আপনাদের কথা শুনলে তো এটায় মনে হয় যে আপনাদের মাথায় ব্রিন নাই।
আপনাদের মাথায় যা আছে সব গোবর।
আপনাদের মাথায় গোবরের বলেই এই কথা গুলি বিশ্বাস করতে পেরেছেন যে
হেফাজত ইসলাম কোরআন পুড়িয়েছে?

আপনার কাছে আমি জানতে চাই অতিতে কারা কোরআন পুড়িয়েছে?
কারা কোরআন কে দ্বিতীয় তলা থেকে ছুড়ে নিচে আবর্জনায় ফেলে দিয়েছিলো?
কারা কোরআন কে আহ্মকপিডিয়া বলেছিলো?
কারা কোরআন কে চটি বই হিসাবে আখ্যাহিত করে ছিলো?
কারা বিশ্ব নবী কে জারজ হিসাবে আখ্যাহিত করে ছিলো?
কারা বিশ্ব নবীকে ও ইসলাম কে নিয়ে অশ্লীল ভাষায় লেখা লিখি করে ছিলো?  

তখন আপনার এই প্রেম কোথায় ছিলো?
শাহবাগীদের বিরিয়ানি খেয়ে কি নিজের ধর্মের চেতনার কথা ভুলে গেলেন?
আজ শাহবাগীদের নির্লজ্জ মেয়েদের আড্ডা ও বিরিয়ানি খাওয়ার পথ বন্ধ
হওয়ার পরে আপনার মনে কোরআন প্রেম উদয় হলো?
তার পর ও তো কোরআন কে কোরান বলস?
শালা ভণ্ড কোথাকার?
তোদের এই ভণ্ড প্রেমের মুখে থু থু থু দিলাম।  

তোদের কাছে আমার আরো প্রশ্ন? 

কারা তের দফার বিরোধীতা করতেছে?

হেফাজতের এই তের দফা কি ইসলামের সমর্থিত নয়?
আপনি কি মুসলিম নয়?
আপনি যদি মুসলিম হয়ে থাকেন তা হলে এই তের দফার বিরোধীতা করেন
কি ভাবে?
আপনি চান না যারা ইসলামকে অবমাননা করেছে,
যারা আমার প্রিয় নবীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় কথা বলেছে?
তাদের বিচার হোক?
তোর জন্য কবি কাজী নজরুল ইসলামের এই কথা গুলি উপহার দিলাম।

আপনি ইসলামের কোনো আইন মানেন না অথচ  নিজে কে মুসলিম হিসাবে দাবি করেন?
আপনার কি হায়ালজ্জা নাই?

এবার আসুন আপনার প্রশ্ন গুলোর উত্তর দেয়।

কোরআন তারাই পুড়িয়েছে এতো দিন যারা ইসলাম কে ও আমার প্রিয় রাসুল
কে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় কথা বলেছে।
কোরআন তারাই পুড়িয়েছে যারা কোরআন কে আহ্মকপিডিয়া বলেছে।
কোরআন তারাই পুড়িয়েছে যারা কোরআন কে চটি বই হিসাবে আখ্যাহিত করেছে।
কোরআন তারাই পুড়িয়েছে যারা হেফাজতের তের দফার বিরোধীতা করেছে।
কোরআন তারাই পুড়িয়েছে যারা ঢাকা বাসীকে অন্ধকারে রেখে নিশ্চিতে গনহত্যা চালিয়েছে।
এই জগন্য কাজ তাদের দ্বারাই সম্ভব।
হেফাজত ইসলাম  ঢাকাতে কোরআন পুড়তে যায় নাই।
তারা রাসুল কে ভালো বেসে নিজের জীবন দিতে গেছে।
তারা নিজের দিয়ে আমাদের কে বুঝিয়ে দিয়ে গেছে তারা রাসুল কে কত ভালো বাসে।
তারা আপনার মতো বাসায় বসে এসির বাতাস খায় নাই।
তারা  শাহবাগীদের মতো বিরিয়ানি খায়তে ও লাকিদের মতো নির্লজ্জ মেয়েদের
সাথে আড্ডা মারতে মতিঝিল যায় নাই।
কোরআন দোকানে বা আপনার আলমারিতে থেকে কি লাভ হবে যদি
আপনার অন্তরে ধারন না থাকে।
আপনার অন্তরে কয়টি কোরআনের আয়াত মুখস্ত আছে?
কোরআন কি একদিন হাতে নিয়ে বাংলা অর্থ সহ পড়েছিলেন এতে কি লেখা আছে?
হেফাজত ইসলামের কোরআন পুড়তে ঢাকা যাওয়ার প্রয়োজন হয়?
তাদের মাদ্রাসায় কোরআন কম আছে?
এমন কোনো মাদ্রাসা আছে যে মাদ্রাসায় হাজার হাজার কোরআন শরীফ নেই?
আবাল না থেকে মানুষ হন।
                           

গন মাধ্যম কে বলতেছি ।
আপনারা যারা এই গণহত্যা কে এড়িয়ে গেছে?
তাতে আপনাদের কোনো অধিকার নেই এই পদে থাকার।
আপনারা সবাই হাতে চুড়ি পড়ে বউয়ের কোলে বসে প্রাণ ললিপপ খান
আরাম পাবেন।
আর মেয়ে সাংবাদিকরা জামাই নিয়ে হানিমুনে যান নতুন প্রজন্ম জন্ম দিতে পারবেন।
কারন আপনারা আপনাদের দায়িত্তের অবহেলা করেছেন।
আপনাদের কাজ হলো অন্যায়ের প্রতিবাদ করা ও আমজনতার কাছে প্রকাশ করা।
কিন্তু তা না করে এই গনহত্যা আড়াল করেছেন।
এর জন্য আপনাদের বিচার করা উচিৎ।
ইনশা আল্লাহ এক দিন আপনাদের বিচারের আওয়াতায় আনা হবে।
সত্য আড়াল করে বাঁচতে পারবেন না।
আপনাদের অপকর্মের কথা বিশ্ব মিডিয়া জেনে গেছে।
আর সব কিছু জানলে ওয়ালা তো একজন আছেন।
তার পাকরাও থেকে বাঁচবেন কি ভাবে???

মুসলিম ভাইদের কে বলছি এই পোস্ট টি বেশি বেশি করে শেয়ার করে
অপপ্রচারের দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিন।
মহান আল্লাহ আমাদের নিরহ মুসলিম ভাইদের কে হেফাজত করুক।
আমিন।
আল্লাহ হাফেজ।     
ব্লগার সৈয়দ রুবেল।

   দেখুন কারা কোরআন পুড়িয়েছে?



এদের  কি হেফাজতের কর্মী মনে হয়?







। এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?
Read More

সুন্নি নামধারি ভণ্ডরা ওনতুন প্রজন্মরা কি করতেছে? ভিডিও সহ প্রমাণ দেখুন



এখন নিজেদের কে মুসলিম হিসাবে পরিচয় দিতে লজ্জা লাগে,
যদি ও মুসলিম হিসাবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করার কথা ছিলো।
কিন্তু কিছু মানুষের অপকর্মের কারনে আজ মুসলিম হিসাবে পরিচয় দিতে
লজ্জা লাগে।

বর্তমানের ছেলে মেয়েরা অবাধ স্বাধীনতার নামে যা করতেছে মুসলিম এবং স্বভ জাতি
হিসাবে মেনে নেওয়া যায় না।


বরতমানে আমাদের দেশে ধর্মদ্রোহীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলতেছে,
এই আন্দোলনের সাথে যুক্ত হয়েছে নারী পুরুষের অবাধ মেলে মেশা বন্ধ করতে হবে।
সকল প্রকারের নারী নির্যাতন,যৌন হয়রানি বন্ধ করতে হবে।
আমি ও চাই এই বেহাইয়াপনা  আমাদের দেশ থেকে বন্ধ হোক মুসলিম রাষ্ট হিসাবে।

এই দাবীর সাথে প্রতেক মুসলিমের অংশ নেওয়ার উচিৎ।
কিন্তু আমরা কি দেখতে পাচ্ছি?
এক দল যুবক যুবতিরা ও  কিছু কুলাঙ্গার নারীবাদীরা সহ কিছু সুন্নি নাম ধারি
মাজার পুজারিরা এর বিরোধিতা করতেছে।
এরা কেনো করতেছে?
সহ উত্তর হলো এই দুই দলেই নারী সুবিধা বাদি।

সুন্নি নাম ধারি ভণ্ডরা কেনো এর বিরোধীতা করতেছে?


সুন্নি নাম ধারি মাজার পুজারিরা এর বিরোদ্ধে লেগেছে তার এক মাত্র কারন হলো
তাদের হালুয়া রুটির উপর পিপড়া উঠে যাবে।
তাদের পীরাগীতে বয়াবহ ধস নামবে।
    
আপনি দেখবেন এই সব ভণ্ড পীরদের দরবারে নারীদের সমাগম বেশি।
এই সব তথাকথিত সুন্নি নামধারি  ভণ্ড পীররেরা বেপর্দা নারী পুরুষদের কে
নিয়ে নানান গান বাজনায় লিপ্ত থাকে।
গানের সাথে ডিস্কো ড্যান্সও দেয়।
এরা আবার পীরের পায়ে পরে ভক্তি ও এমন কি সেজদা ও করে।
বিশ্বাস যদি না হয় আমার কাছে এর ভিডিও আছে আপনার দেখতে পারেন।
আমার প্রশ্ন হল এর কোন ইসলামের বিশ্বাসী?
ইসলাম কি এই সব সমর্থন করে?
আমাদের প্রিয় রাসূল (সাঃ) কি বলে গেছেন?
সেটা কি এই সব সুন্নিনাম ধারি ভন্ড পীরদের জানা নাই?
আছে।
তারা জেনে বুঝেই এই সব ভণ্ডামি করে নিজেদের স্বার্থ উদ্দারের জন্য।
আর যারা এই সবের বিরোধীতা করে তাদের কে বলা হয় ওয়াহাবি।
কত চমৎকার কথা নবীর প্রেম বিক্রয় করে খাওয়া সুন্নি নাম ধারি ভণ্ড পীরদের।
আসল কথা হল এরা নবীর প্রেম বিক্রয় করে নিজের পেট চালায়।
বাংলাদেশে অনেক ভণ্ড পীরের আস্তানা আছে।
এর মধ্যে সব চেয়ে বড় ভণ্ডদের আস্তানা হল চ্রটগ্রামের মাইজ ভাণ্ডার ভণ্ড খানা।
আমার শাহ পরান এলাকাতে ও এক নাম করা ভণ্ড আছে।
এই ভণ্ড প্রতি বছরে ওরশ করে।
বেটা বেটি এক সাথে নাচানাচি,গান বাজনা  করে।
বেটা বেটি এক সাথে গা ঘেঁষে আড্ডা মারে।
যেটা ইসলাম সমর্থন করেনা।
এই সব ভণ্ডরা ভণ্ডামি করে সাধারন মানুষদের কাছ থেকে প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে
নিচ্ছে।
এই সব ভণ্ডদের কাছে যারা যায় তারা সবাই নিম্নে হলেও ৫০০ টাকা করে তাহাদের ভণ্ড বাবাদের কে দিয়ে দেয়।
অথচ সাধারন কোনো ভিক্ষুক যদি এদের কাছে ভিক্ষা চায়?
তাদের কে ২ টাকা  ভিক্ষা দিতেও তাদের গায়ে লাগে।

এই হলো সুন্নি নাম ধারি মাজার ব্যাবসায়ী ভণ্ড ও এর অনুসারীদের আসল কাহিনী।
আমি কথা গুলি এই জন্য বললাম যে তারা কি কারনে হেফাজত ইসলামের দাবীর সাথে বিরোধীতা
করতেছে এর সচিত্র আপনাদের সামনে তুলে ধরার জন্য।
তারা দেখতেছে এই দাবি যদি সরকার গ্রহন করে তা হলে তাদের পীরানির ব্যাবসায় ধস নামবে।
তাদের হালুয়া রুটির উপর বিষ পিঁপড়া উঠে যাবে।
যেটা তাদের কাম্য নয়।
আর তাদের দরবারে যেসব মেয়েরা যায় তার এক জন ও পর্দাশীল নয়।







দেখুন ভণ্ডরা কি ভাবে মেয়েদের কে দিয়ে সেজদা নেয়।

আধুনিক যুবক যুবতিরা এর বিরোধীতা করতেছে কেনো?
কারন তারা দেখতেছে হেফাজত ইসলামের এই দাবি  মানলে তাদের অবাধ মেলা মেশা বন্ধ হয়ে যাবে।
যেটা তাদের কাম্য নয়।
কারন তারা অবাধ যৌনতার বিশ্বাসী।
আপনি দেখবেন ভিভিন্ন পার্কে,বা লেকে এদের অবাধ মেলামেশা।
একে অপর কে জড়িয়ে ধরে চুম্মা দিতেছে,আলিঙ্গন করতেছে।
এমন কি তারা শারীরিক কাজ ও করতেছে।
আবার এই সবের ভিডিও করে বন্ধুদের মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছে বা মেমোরি লোড কারিদের
হাতে দিয়ে দিচ্ছে।
যার কারনে সমাজের সবার হাতে পৌছে যাচ্ছে এই সব নোংরামী।
আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি
বর্তমানে যে সব মেয়েরা অবাধ মেলামেশা করতেছে ?
প্রতি টি মেয়ে তার ছেলে বন্ধু অথবা তার প্রেমিকের দ্বারা ধর্ষণ এমন কি গন ধর্ষণের শিকার হচ্ছে।
যদি বিশ্বাস না করেন তা হলে ঐ সমস্ত মেয়েদের কুমারিত্ত পরিক্ষা করুন প্রমান পেয়ে যাবেন।
এদের ভিভিন্ন অপকর্মের ভিডিও গান লোডের কম্পিউটারের দোকানে আপনি পাবেন।
আমি অনুসন্ধান করে এমন ও ভিডিও পেয়েছি  যে ভিডিও তে তার প্রেমিক সহ প্রেমিকের
বন্ধুরা ও তাকে ধর্ষণ করেছে।
একটির ভিডিও তে একটির মেয়ের আর্তনাদ শুনে আমার গায়ের লোম খাড়া হয়ে গেয়েছিলো ।
মেয়ে টি বলতেছে আমি আর পারতেছি,আমি ব্যাথা পাচ্ছি,আমাকে ছেড়ে দিন,
দোহায় আল্লার।
এই রকম ভাবে মিনিতি করে বলার  পর ও  মেয়েটির প্রেমিক সহ প্রেমিকের
৪ বন্ধু মিলে তা কে গনধর্ষণ করেছে,
এবং অপর জন এই সবের ভিডিও করেছে।
মেয়েটি এমন অসহায়ত্ব দেখে নিজের চোখে দিয়ে পানি চলে আসলো।
অপর আরেক ভিডিও তে দেখলাম প্রেমিকা তার প্রেমিক কে কড়ায় ভাষায় বলতেছে
আমার গায়ের কাপড় খুলতে কি তোমার কষ্ট লাগে?
চিন্তা করুন কত নির্লজ্জ হলে এই রকম ভাবে বলতে পারে?
এই সব তো আমার দেখার কিছু ভিডিওর কথা বললাম।
কিন্তু যে সবের ভিডিও হয়না সেই গুলো তো আমাদের চোখের আড়ালে রয়ে যাচ্ছে।
স্কুল,কলেজে,বিনোদন  পার্কে  এমন কি ভিভিন্ন ক্ষেতে,ঝুপের আড়ালে নারীরা প্রেমিকের
দ্বারা ধর্ষণের শিকার হচ্ছে  নারী পুরুষ অবাধ মেলামেশা বিশ্বাসী নারীরা ।
 এটা নারীদের অস্বীকার করার কোনো  উপায় নাই?
সেই তথ্য প্রমান নিয়েই আমি আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি।
এই ভিডিও গুলি দেখার পরে হয় তো অনেকে আমাকে বলতে পারেন এই গুলি
আপনি প্রকাশ করে আপনি অপরাধ করেছেন।
হ্যাঁ আপনি ঠিকিই বলেছেন,
যারা এই সব করে তাদের কোনো অপরাধ নেই।
আমি তথ্য সহ প্রকাশ করেছি সেটা আমার অপরাধ ।
কেউ ডাকাতি করলে সেটা কোনো অপরাধ নয়,
কেউ যদি সেটা প্রকাশ করে তা হলে সেটায় অপরাধ।
কারন এটা ডিজিটাল বাংলাদেশ।
অবাধে নারী ভোগবাদী পুরুষেরা চাইবেনা নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশা বন্ধ হোক।
প্রেমিক বাজ নারীরা ও চাইবেনা নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশা বন্ধ হোক।
কারন তারা চাই বার ঘরের তের বেটা নাদের কে ভোগ করুক।
সুতরাং আজ আমাদের কে বুঝতে হবে কারা নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশা বন্ধ
করার বিরুদ্ধে কথা বলতেছে?
তারা কারা , তাদের কি পরিচয়?

নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশা বন্ধ হোক এর বিরুদ্ধে যারা কথা বলতেছে
তাদের নাকে মুখে ঝাটার, জুতার বারি দুটাই এক সাথে মারা উচিৎ।
কারন তারা নারীর অধিকার,সম্মান কোনোটায় চায়না।
তারা নারীর অধিকারের কথা বলে তাদের গোলাম বানিয়ে রাখতে চায়,
তারা নারীর অধিকারের কথা বলে নারীদের কে ভোগের বস্তু বানিয়ে রাখতে চায়।
এরা চায় নারীদের খোলামেলা  দেহ বিক্রয় করে  সমাজে প্রষ্ঠিত হতে।
এরা যদি নারীর সম্মান চাই তো তা হলে আজও কেনো আমদের দেশের মেয়েরা
ছাত্রলীগ ও আম্লিগ দ্বারা ধর্ষিত হয়?
গত কয়েক মাস আগে মানব জমিনে দেখছি রিক্সা চালকের সুন্দরি বউ কে
ধর্ষণ করতে গিয়ে তার লিঙ্গ হারিয়েছে আম্লিগের এক নেতা।
এমন আরো অনেক শত শত ঘটনা আছে,
আমার বলার প্রয়োজন নেই আপনাদের জানা আছে।
আমার প্রশ্ন তারা যদি সত্যি কারের নারীর সম্মান, অধিকার চাইতো?
আমাদের দেশের মেয়েদের কে কেনো সামান্য কিছু টাকার জন্য নিজের
দেহ কে অন্যের কাছে বিকিয়ে দিচ্ছে?
স্বাধীন মুসলিম দেশে এটায় আমাদের কাম্য ছিলো?
একটি নারী তার পেট চালানোর  জন্য তার নিজের দেহ বিক্রয় করতে হবে
এটায় কি নারীর অধিকার?
কেনো তাদের জন্য বিকল্প কাজের ব্যবস্থা করা হয়না?
কেনো  তারা কি আমাদের দেশের নয়?
দুই বেলা দুই মঠো ভাত খেয়ে বেচে থাকার জন্য যারা পতিতা হয়েছেন
তারা কি আপনার আমার বোন নয়?

তারা পতিতা বলে আপনি তাদের ঘৃণা করেন?
কিন্তু নায়িকা মডেলদের কে আপনি আপন মনে গ্রহন করে নিয়েছেন।
তারদের কে আপনি সম্মানের চোখে দেখেন।
কিন্তু তারা ও তো বিশ্ব পতিতা।
তারা যে সব নোংরামি করে তা পুরো পৃথিবীর মানুষেরা দেখে।
আপনি তাদের কে সম্মান দিতে জানেন কিন্তু আমাদের দেশের যে সব মেয়েরা
দুই বেলা দুই মঠো ভাত খেয়ে বেচে থাকার জন্য যারা পতিতা হয়েছে আপনি তাদের কে
সম্মান দিতে জানেন না?

অথচ সমান অধিকারের কথা বলে গলা ফাটিয়েলান,
ডাক্তার এসে সেলাই করে দেওয়ার পরে আবার সেই ফাটা গলা দিয়ে আওয়াজ তুলেন।
দেশে এতো নারী অধিকার বাদি সংগঠন থাকতে এর পর এদেশের কিছু মেয়েদের
পতিতা করে বাচতে হবে এটা কেমন নারীর অধিকার?
এদেশের নারীবাদীদের চোখে কি এই সব লাঞ্ছিত মেয়েদের কে পড়েনা?
আমার তো মনে হয় এই সব নারী বাদিরা ও পতিতা হয়ে আছে ভোগ বাদি পুরুষদের
হাতে।
যার কারনে তারা চাই না এই দেশ থেকে নারী পুরুষ  অবাধ মেলামেশা বন্ধ হোক।

আমি যত টুক জানি কলেজের সুন্দর সুন্দর মেয়েদের কে নেতাদের ও কলেজের
বড় ভাইদের বিছনার সঙ্গি হতে হয়।
এটা ঐ সমস্থ মেয়েরা ভালো জানে যারা এই সবের শিকার হয়েছে।
কিন্তু আমি নিশ্চিত যে সব মেয়েরা প্রেম করে তারা একজনের ও কুমারিত্ত্ব নেই।

যদি বিশ্বাস না করেন তা হলে ব্লগে কিছু সংগ্রহ লিঙ্ক পোস্ট করা আছে ক্লিক করে দেখে
নিতে পারেন।

আমি আপনার কাছে কত গুলো প্রশ্ন করি,
আপনি পারলে জবাব দিবেন।

প্রশ্ন ১/ আপনি কি চান আপনার আদরের বোন টি তার প্রেমিকের দ্বারা ধর্ষণের শিকার,
অথবা ভোগের বস্তুতে পরিনিত হোক?
প্রশ্ন ২/ আপনি কি চান এমন মেয়ে কে বিয়ে করতে যে মেয়ে নিজের কুমারিত্ত তার
প্রেমিকের হাতে তুলে দিয়েছে?
প্রশ্ন ৩ / আপনি কি এমন ছেলে কে বিয়ে করতে চান যে ছেলে প্রেমের ফাঁদে ফেলে
একাধিক মেয়ের কুমারিত্ত হরন করেছে?

প্রশ্ন ৪ / আপনি এমন মায়ের সন্তান হতে চান যে মায়ে তার কুমারিত্ত পর পুরুষের হাতে তুলে
দিয়েছে।
প্রশ্ন ৫/ আপনি কি এমন সন্তানের পিতা মাতা হতে চান যে সন্তান তার সতীত্ব পর পুরুষের
হাতে তুলে দিবে,
যে সন্তান প্রেমের ফাঁদে ফেলে একাধিক মেয়ের দেহ ভোগ করবে?
 
প্রশ্ন ৬ / আপনি কি চান এই দেশের মেয়েরা সম্মান আর ইজ্জত সাথে বেচে থাকুক?
প্রশ্ন ৭ / আপনি কি চান আমাদের মা বোনেরা ভোগ বাদি পুরুষের দ্বারা ভোগের
বস্থুতে পরিনিত হোক?
প্রশ্ন ৮/আপনি চান আমাদের দেশে যেনা ব্যভিচার প্রসার লাভ করুক?

উপরের এই বিষয় গুলি আপনি যদি না চান তা হলে কেনো এর বিরোধীতা করতেছেন?
তা হলে আমি কি  ধরে নিবো যে আপনার ঘরে আপনার মা বোনেরাই নিরাপদে নেই?

আপনি নারীর সম্মান চান কিন্তু নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশা বন্ধ হোক সেটা চান না?
আপনি নারীর সম্মান চান কিন্তু নারীরা পর্দা আইন মেনে চলুক সেটা চান না?
একটি যুবতি মেয়ে অর্ধনগ্ন হয়ে  রাস্তা দিয়ে যাবে, আর রাস্তার পাশে বসে থাকা ছেলে
গুলি দেখে বলবে মামা দেখ কি সুন্দর সেক্সি মাল যায়।
একটি মেয়ে তার বন্ধুদের বা তার প্রেমিকের সাথে  ভিভিন্ন পার্কে অথবা রেস্টুরেন্টে ঘুরে
বেড়াবে,একে অপরকে জরিয়ে ধরবে,
বিয়ের আগেই  অসামজিক ভাবে পার্কে বা আবাসিক হোটেলে শারীরিক কাজ করবে,
বিয়ে দিতে গেলে লক্ষ লক্ষ টাকার যৌতুকের বুঝা নারীর ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হবে?
একটি নারী তার ঘরের যাবতীয় কাজ কর্ম করবে আবার চাকরি করে তার স্বামী সন্তানদের
কে খাওয়াবে?
পরিচালক তার ছবির ব্যাবসা সফলতা পেতে নারীকে অর্ধনগ্ন করে সমাজে প্রচার করবে?
 
এটায় কি নারীর সম্মান? এটাই কি নারীর অধিকার?
তোদের এই সম্মান ও অধিকারের কপালে ঝাটা মারি।

আমাদের দেশের সুশীলরা বলে নতুন প্রজন্ম নাকি আমাদের দেশটা বদলিয়ে দেবে।
আপনারা মিথ্যা কথা বলেন নাই।ঠিকি বলেছে।
তারা ঠিকি এই দেশটা কে অশ্লিলতা যেনা ব্যাভিচার কুমারিত্ত হীন নারী দিয়ে বদলিয়ে দেবে।
সে দিন বেশি দূরে নয় যে দিন এই নতুন প্রজন্ম কুকুরের স্বভাব চরিত্র ধারন করবে।
তাদের কে দেখে কুকুর ও লজ্জা পাবে।
কেনোনা কুকুর হাজার চেষ্টা করেও মানুষের চরিত্র ধারন করতে পারবেনা।
আমি এ পর্যন্ত  বললাম।বাকি টুকু সময়ের ব্যবধানে প্রমাণ পেয়ে যাবেন।
আল্লাহ হাফেজ।

এখন নতুন প্রজন্মের অপকর্ম দেখুন 

ভিডিও ১
দেখুন বোটানিকেল গার্ডে নতুন প্রজন্ম কি ভাবে নোংরামিতে মেতে উঠে?

 ভিডিও ২
দেখুন রাস্তার পাছে গাছে আড়ালে এরা কি করে?

ভিডিও ৩
দেখুন আবাসিক হোটেলে এরা কি করে?  











  আরো দেখুন আমার অনুসন্ধানে
 
 আরো যদি দেখতে চান তা হলে আপনার নিকটবতি কোনো কম্পিউটারের দোকানে খোজ
করুন দেখবেন শত শত এই সব নোংরামি ভিডিও পেয়ে যাবেন।
   
 প্রেমের নামে নারীর দেহ ভোগ চলতেছে -ভিডিও সহ

 প্রেমের আড়ালে অবৈধ সেক্সে কুমারীত্ব হারাচ্ছে মেয়েরা,সবাই পড়ুন

 পরিচালকরা তাদের ব্যবসা করে, নারীদের দেহ দেখিয়ে,ছবি দিয়ে নয়

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।


 এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?
Read More