যৌন মিলন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
যৌন মিলন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মিলনের সময় কিভাবে বৃদ্ধি করা যায়

যৌন মিলনের সময় কিভাবে বৃদ্ধি বা বাড়ানোয় যায় তা নিয়ে আলোচনা করা  হয়েছে। এখানে বলে দেওয়া হয়েছে যৌন মিলনের সময় বাড়ানো'র উপায় গুলো। স্বামীর সাথে দীর্ঘ সময় ধরে যৌন মিলন করা সব নারীই কামনা করে। তাই জেনে নিন যৌন মিলনের বা সঙ্গমের সময় বাড়ানোর উপয়া সমূহকে।সব গুলো পোস্ট পড়তে ক্লিক করুনঃ যৌন মিলনের সময় বৃদ্ধি করার উপায় এ। 

Read More

যৌন মিলনের চারটে গোপণ সূত্র



আপনার পার্টনারের সঙ্গে যৌন
মিলনকে মধুর
করতে হলে আপনাকে চারটে নিয়ম
মেনে চলতে হবে৷ আপনি যদি এই
চারটে নিয়মকে পুঙ্খানুপুঙ্খ
ভাবে মেনে পার্টনারের সঙ্গে শারীরিক
ভাবে মিলিত হন তাহলে আপনি প্রকৃত
অর্থে সহবাসের সুখ লাভ করবেন৷
‘দ্য ফোর সিক্রেটস অফ
আমাজিং সেক্স’ এই গ্রন্থে লেখক
জর্জিয়া ফস্টার
এবং বেভারলি এনি ফস্টার
চারটে নিয়মের কথা বলেছেন৷ তাদের
মতে যৌন মিলনের আগে শরীরের
তুলনায় মানসিক
ভাবে প্রস্তুতি নেওয়াটা জরুরি৷
মানসিক ভাবে আপনি যদি যৌন মিলনের
জন্য তৈরি থাকেন তাহলেই আপনি এর
চরম সুখ লাভ করতে পারবেন৷ যৌন
মিলনের জন্য চারটে গোপণ তথ্যের
প্রথমটা হল :
সিডাকশান: বেশীরভাগ মানুষই
মনে করে যৌন মিলনের আগে নিজেদের
যৌন উত্তেজনা বাড়াতে হবে৷
না সেটা একেবারেই ভুল ধারনা৷
আগে মনে প্রাণে যৌন চেতনা জাগান৷
যৌন মিলনের আগে মানসিক
ভাবে প্রস্তুতি নিন৷ আপনি কখনই
ভাববেন না আপনার পার্টনারের যৌন
উত্তেজনা নিমেষেই বেড়ে যাবে৷
মানসিক ভাবে অনুভব করার পরেই
এটা বাড়ানো সম্ভব৷
সেনসেশান: যৌন মিলনের
ক্ষেত্রে সিক্স সেনস একটা গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা নেয়৷
সেক্ষেত্রে আপনি এবং আপনার
পার্টনার উভয়েরই ষষ্ঠ
ইন্দ্রিয়কে জাগ্রত করতে হবে৷ কারণ
যৌন মিলনের সময়ে প্রচুর এনার্জীর
প্রয়োজন জয়৷ এনার্জী লাভের জন্য
ষষ্ট ইন্দ্রিয়কে জাগানো জরুরি৷
সারেন্ডার: তৃতীয় চাবিকাঠিটা হল
নিরাপত্তা৷ যৌন মিলনের সময়
আপনি যদি নিশ্চিন্তে আপনার
পার্টনারের
কাছে নিজেকে সপে দিতে পারেন তাহলেই
আপনার যৌন মিলন সফল হবে৷ এর
জন্য পার্টনারের
কাছে আপনি যে নিরাপদ রয়েছে সেই
মানসিক ভাবনাটা থাকা জরুরি৷
রিফ্লেকশান: আপনি যদি প্রথম
তিনটে নিয়্ম ভ্রুনাক্ষরে পালন
করে তাহলে আপনি আপনার
অভিজ্ঞতাতেই এর
প্রতিবিম্বটা খুঁজে পাবেন৷ পুণরায় যৌন
মিলনের আগ্রহ আপনার মনে জাগবে৷
সূত্রঃ ওয়েবদুনিয়া.কম, 28
ফেব্রুয়ারি 2010



♥♥♥♥সমাপ্ত♥♥♥♥
প্রকাশক :  http://www.facebook.com/sayed.rubel3

লেখাটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।

ভাল থাকুন সব সময় ।
Read More

স্বাস্থ্যের জন্য চুম্বন ডাঃ জাকারিয়া সিদ্দিকী

স্বাস্থ্যের জন্য চুম্বন ডাঃ জাকারিয়া সিদ্দিকী পোষ্টি পড়ুন নিচের লিংক থেকে । http://www.monojagot.ws/2003/10/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A8
Read More

পুরুষের জন্য নারীর প্রয়োজন কেন?চন্দন সরকার

সবচেয়ে গভীর রহস্যগুলোর একটি হচ্ছে মানব-মানবীরসম্পর্ক। কেন একজন পুরুষের জন্য একজন নারীর প্রয়োজন? এই বন্ধনের সূত্র কি? বিষয়টি নিয়ে এ পর্যন্ত অনেক গবেষণা হয়েছে। কিন্তু এর গভীর তল সপর্শ কি সম্ভব হয়েছে? মার্কিন অর্থনীতিবিদ হার্বার্ট স্টেইন অত্যন্ত সাধারণভাবে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেছেন। তিনি প্রতিদিন পথ চলতে গিয়ে পর্যবেক্ষণ করেছেন স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের বিষয়টি। তিনি খুঁজতে চেয়েছেন এ বন্ধনেরউৎস কোথায়। হার্বার্ট স্টেইন কি খুঁজে পেয়েছেন তা জানা যাক তাঁর ভাষায়- প্যারিসের পেভমেন্ট ক্যাফেগুলোতে বসে থাকা আমার ফ্যান্টাসি। এ ফ্যান্টাসি আমাকে নিয়ত তাড়িত করে কোনো না কোনো কিছু লেখার বিষয়। তা কোনোক্রমেই পদার্থবিদ্যা বা অর্থনীতির বিষয় নয়। তবে তা হতে পারে উপন্যাস অথবা কবিতা কিংবাদর্শন সম্পর্কিত কোনো বিষয়। ক্যাফের সামনে বসে থাকতে অথবা পথ চলতে গেলে আরও একটি অভ্যাস আমাকে তাড়িত করে এবং তা হচ্ছে পাশ দিয়ে চলে যাওয়া মেয়েদের দিকে চোখ তুলে তাকানো। এ ফ্যান্টাসি কিন্তু আমার আগে ছিল না। ওয়াশিংটনের রাস্তায় বানিউইয়র্কের কেনেডি সেন্টারের কোনো রেস্তরাঁয় খেতে গিয়ে এমনটি হতো না। তবে আমি খেতে বসেশুধু খাই না। ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকি এবং পথ চলতি পথিকদের পর্যবেক্ষণ করি। আগেই বলেছি আমি পাশ কাটানো পথ চলতি মেয়েদের পর্যবেক্ষণ করি। তবে তারা আমার মনোযোগ আকর্ষণ করে না। বরং আমার মনোযোগ আকর্ষণ করে বিবাহিত দম্পতিরা। বিশেষ করে বিবাহিতা মহিলারা। তাদের যে মোহনীয় হতে হবে এমন কোনো কথানেই। তাদের যে মেরিলিন মনরো হতে হবে এমন কোনো কথাও নেই। আমিযাদের পর্যবেক্ষণ করি তাদের কেউ হয়ত সুন্দরী। কিন্তু তাদেরঅধিকাংশ সাধারণ। অতি সাধারণ। এদের কেউ কেউ হয়ত যাচ্ছেন কেনেডি সেন্টারে নাটক দেখতে, অথবা অপেরায় কিংবা কেউ হয়ত যাচ্ছেন কনসার্ট শুনতে। অনেকে ভাবতে পারেন তারা হয়ত উঁচুমাপের সংস্কৃতিবান। হতেও পারে। আবার নাও হতে পারে। তবে একান্তই সাধারণ মাপের। এ ক্ষেত্রে একটি বিষয় লক্ষণীয়। মহিলাটি যে পুরুষের বাহুলগ্না হয়ে যাচ্ছেন সে পুরুষটি কিন্তুঅত্যন্ত গর্বিত। তার কাছে ঐ মহিলা কিন্তু সাধারণ নন। ঐ পুরুষের কাছে বাহুলগ্না মহিলা বা তার স্ত্রী যেন সারাটি পৃথিবী। বাইবেলের জেনেসিস অধ্যায়ে বলা হয়েছে এবং মহাপিতা ঈশ্বর বলেছেন, ‘মানুষ একা থাকবে তা উত্তম নয়, তার মনের মতো একজন সঙ্গী আমি সৃষ্টি করব’ এবং তাই, ‘তার জন্য একজন স্ত্রীলোক তৈরি করলাম।এতে কিছু বলা হয়নি যে একজন সুন্দরী বা বুদ্ধিমতী নারী তৈরি করেছেন তিনি। অথবা এমন কোনো নারী তৈরি করেননি যিনি বিশেষণে বিশেষায়িত। তিনি কেবল একজন স্ত্রীলোক তৈরি করেছেন এবং কেবল স্ত্রীলোক। আরতাই প্রশ্ন আসে একজন স্ত্রীলোককেন পুরুষের জন্য এত মূল্যবান?এর তিনটি কারণ রয়েছে- প্রথম তিনি বিছানায় একজন উষ্ণ শরীরেরঅধিকারী। আমি কিন্তু এখানে যৌনব্যাপারস্যাপারে কিছু বলছি না।ও বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। তবে আমি অন্য বিষয়ে বলছি। বিষয়টি আরো আদিম মানবীয় সম্পর্কের ব্যাপারে। ধরা যাক, একটি শিশু তার দোলনা খাটে কাঁদছে। সে কি কোনো আলাপ-আলোচনার জন্য? অথবা স্বর্ণের আংটির জন্য? নিশ্চয়ই তা নয়। আসলে সে কাঁদছে কেউ তাকেকোলে নিক, অথবা তাকে আদর সোহাগ করুক সেজন্য। অর্থাৎ সে কারো সংসপর্শে আসতে চাচ্ছে। এই সংসপর্শ সম্পূর্ণ শারীরিক সংসপর্শ। প্রাপ্তবয়স্করাও এর বাইরে নয়। তাদেরও প্রয়োজন শারীরিক সংসপর্শ। তারা পরসপরকেজড়িয়ে ধরতে চায়। তারা এটা চায় একটি ভিন্ন ধরনের আবহে। বলা যায় শীতল পারিপার্শ্বিক অবস্থায় একটু উষ্ণতা পাবার আশায়। কিংবা সামান্য আরাম পাবার জন্য। একজন সাধারণ পুরুষএবং একজন সাধারণ নারী পরসপর এমন করেন বা জড়িয়ে ধরেন একে অপরকে এ জন্যই। তাদের অন্তর্গতআকাঙ্খা বাঙ্ময় হয়ে ওঠে এভাবেই। দ্বিতীয় প্রাপ্তবয়স্ক নর-নারীদের বেলায় আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে পারসপরিক কথোপকথন। কোনো দম্পতি হয়ত ত্রিশ বছর বা তারও বেশি সময় ধরে পরস্পর কথা বলছে। আপনারা ভাবতে পারেন কি এমন কথা! অথবা হেন কোনো কথা নেইযা তারা বলতে বাকি রাখে। কিন্তু তারপরও তারা কথা বলে যায় পরসপর। এমনকি পথে চলতে চলতেও তারা পরসপর কথা বলে যায়। এমন কথা যা তারা অন্য কারো সঙ্গে বলতে পারে না। পুরুষটি তার সঙ্গিনীর কাছে অকপটে তার ভালো মানুষি কথা বলতে পারে। এখানে তার কোনো ধরনের ভীতি থাকে না। সে বুঝতে পারে এমন একজনের কাছে সে তার মনের ভাব প্রকাশ করছে যে অত্যন্ত সহৃদয়তার সঙ্গে তার কথাগুলো শুনছে। একই সঙ্গে পারছে তার মনোযোগ আকর্ষণ করতে। কিন্তু এইযে কথোপকথন-তার প্রাথমিক উদ্দেশ্য কি? এ প্রশ্ন আসতে পারে। উত্তর খুব সহজ। এর উদ্দেশ্য একটি বিষয়, তোমার কাছেই এবং তুমিও এখানে আছ, আমারকাছেই। তৃতীয় নারী নরকে তার প্রয়োজন মেটায়। বিকল্পভাবে নরও নারীর প্রয়োজন মেটায়। এটা সম্পূর্ণ পারসপরিক।যদি আপনাকে কারো প্রয়োজনই না পড়ে তাহলে আপনার মূল্য কোথায়? এ ক্ষেত্রে হয়ত আপনার চাকরিদাতা, ছাত্র, পাঠক বলতে পারে আপনাকে তাদের প্রয়োজন।। কিন্তু এ ধরনের সম্পর্ক পারসপরিক সমতা বিধান করে না। হয় আপনি কারও কাছে শ্রদ্ধার পাত্র, নতুবা আপনার কাছে কেউ শ্রদ্ধার পাত্র। অর্থাৎ সমীহ করার বিষয়টি থাকে। কিন্তু আপনার স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কেরবিষয়টি তা নয়। এখানে সমীহ করার কিছু নেই। এটাই আপনাকে আত্মমর্যাদায় অভিষিক্ত করে। প্রতিদিনের বৈরী পৃথিবীকে মোকাবিলা করার উৎসাহ ও সাহস যোগায়। একজন নরের জন্য একজন নারীর উপস্থিতি এখানেই সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এজন্যই ‘সাধারণ’ একজন নারী-কোটির একজন হয়েও আপনার কাছে অসাধারণ কেউ হয়ে যায়। স্বামীর কাছে স্ত্রী অনন্য হয়ে ওঠেন। এখানে আমি একজন পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গি বর্ণনা করছি। প্রসঙ্গটি তাই বলে এখানেই স্থির নয়। আমি এও মনে করি না যে সম্পর্কটি একতরফা। বরং সম্পর্ক সম্পূর্ণভাবেই পারসপরিক। আরো প্রশ্ন আসতে পারে, একজন অর্থনীতিবিদ হয়ে আমি এতসব জানলাম কিভাবে? কথাটি মিথ্যা নয়। কিন্তু এও তো সত্য যে আমি ও আমার স্ত্রী জীবনে অনেকবার এ পথে পা ফেলেছি একসঙ্গে। আর আমি এসব হৃদয় দিয়েই অনুভব করেছি। সুত্রঃ রিডার্স ডাইজেস্ট অশ্নীলতার জোয়ারে বাংলাদেশ ।সৈয়দ রুবেল উদ্দিন http://sayedrubel.blogspot.com/2012/01/blog-post_9352.html
Read More

পুরুষদের যৌন ক্ষমতা নষ্ট করে দিচ্ছে ইন্টারনেট পর্ণোগ্রাফি আতাউর রহমান

সমপ্রতি এক গবেষণা রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে, ইন্টারনেট পর্নোগ্রাফি এমন একটি তরুণ প্রজন্ম তৈরি করছে, যারা শোবার ঘরে একেবারেই হতাশাজনক। নতুন এই মিডিয়া তরুণগোষ্ঠীকে এতই আকৃষ্ট এবং প্রভাবিত করছে যে, তারা প্রকৃত নারীর সান্নিধ্যে তেমন একটা আকর্ষণ অনুভব করছে না। যৌন অক্ষমতা এখন কেবল আর খারাপ শরীরের প্রৌঢ়দের মাঝেই সীমাবদ্ধ নেই, এটা এখন তরুণ জনগোষ্ঠীর ভেতরও প্রকট হতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের খুব নামকরা গবেষণা জার্নাল, ‘সাইকোলজি টুডে’-তে একটি গবেষণাপত্রে সমপ্রতি উল্লেখ করা হয়েছে, এ বিষয়টি এখন এতই স্বাভাবিক হয়ে গেছে যে, মাত্র ২০ বছরের তরতাজাযুবকও প্রকৃত অর্থে স্বাভাবিক যৌনাচরণ করতে পারছে না। এর মূল কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, যারা পর্নো দেখে তাদের যৌন উত্তেজনা তৈরিতে ব্রেইনে এক্সট্রিম উত্তেজনার (ডাক্তারিভাষায় এটাকে বলে ( ডোপামাইন স্পাইক) প্রয়োজন হয়। আর একবার এই উত্তেজনায় অভ্যস্ত হয়ে গেলে,তখন সাধারণ নারীতে আর সেই উত্তেজনা আসে না এবং ব্রেইন ঠিকমতো কাজ করে না। ফলে তারা নপুংশক হয়ে যায়। রিপোর্টটির লেখিকা মারনিয়া রবিনসন্স বলেন, যৌন উত্তেজক গল্প, ছবি, ভিডিও এগুলো আগেও ছিল। কিন' ইন্টারনেটের কারণে এই‘ডোপামাইন স্পাইক’ সীমাহীন পর্যায়ে চলে যেতে পারে। ফলে এর প্রভাব অনেক বেশি ক্ষতিকর। অনেক যুবকের ওপর গবেষণা করে দেখা গেছে, তাদের ওপর এই ডোপামাইন স্পাইকের প্রভাব এতই বেশি, ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্রমাগত পর্নো না দেখলে তারা যৌন উত্তেজনাই অনুভব করে না। তাদের কেউ কেউ খুবই হতাশ হয়ে পড়েন, যখন দেখতে পান তাদের স্বাভাবিক যৌন জীবন আর স্বাভাবিক থাকছে না। পাশাপাশি অনেকেই জানে না, ইন্টারনেট পর্নোগ্রাফি এভাবে যৌন উত্তেজনাকে কমিয়ে ফেলতে পারে এবং এটা জানার পর তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। রবিনসনের মতে, এর থেকে মুক্তির উপায় হলো ব্রেইনকে আবার রিবুট করা। অর্থাৎ পর্নোগ্রাফি দেখা একদম বন্ধ করে দেয়া এবং কয়েক মাস পুরোপুরি বিশ্রাম নেয়া। এরফলে ব্রেইন থেকে সেই অতি উত্তেজনাকর সিগনালগুলো দুর্বল হয়ে যাবে এবং একটা সময় সেই মানুষটি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতেও পারে। উঠতি বয়সী তরুণদের হাতে এখন কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট রয়েছে। এর অর্থ হলো, তাদের কাছেপর্নোগ্রাফি ২৪ ঘণ্টাই হাতের কাছে রয়েছে। আর ওই বয়সে একবার তাতে অভ্যস্ত হয়ে গেলে, তার পুরো জীবনের ওপর সেটা প্রভাব ফেলতে বাধ্য। প্রতিটি বাবা-মায়ের উচিত হবে, এবিষয়গুলো তার সন্তানদের ভালো করে বুঝিয়ে দেয়া এবং তরুণ বয়সী ছেলেমেয়েদের বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা। মনে রাখতে হবে, ‘সেক্স এডুকেশন’ আর ‘সেক্স’ এক জিনিস নয়। শিক্ষা মানুষকে সুন্দর করার জন্য। তাইভুল কোনো ধারণায় বশবর্তী না হয়ে সঠিক শিক্ষাটি নিন, ভালো থাকুন। ♥♥♥♥সমাপ্ত♥♥♥♥ প্রকাশক : সৈয়দ রুবেল উদ্দিন www.facebook.com/sayed.rubel3 ভাল লাগলে ফেসবুকে শেয়ার করুন । লেখাটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ । ভাল থাকুন সব সময় ।
Read More

পুরুষদের যৌনভীতি-নারীদের যৌনভীতি

www.amarbanglapost.com

জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে পুরুষের যৌনতা নিয়ে নানা দুশ্চিন্তা বা দুর্ভাবনা থাকে।তারা চিন্তা করে সব সময় কেন উত্থান বা লিঙ্গ দাঁড়ানোর ব্যাপারটা একইভাবে হয় না- তবে কি যৌন অক্ষমতা বা পুরুষত্বহীন হয়ে গেলাম। অনেক নারী যৌনতা নিয়ে অস্বাচ্ছন্দ্যতা বা এক ধরনের চিন্তা বা শঙ্কায় ভোগেন।তারা স্বাভাবিক শরীরের অধিকারীহলেও যৌনাঙ্গ নিয়ে অনেক সময় বেশ অস্থির থাকেন... পুরুষদের যৌনাশঙ্কা জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে পুরুষের যৌনতা নিয়ে নানা দুশ্চিন্তা বা দুর্ভাবনা থাকে।তারা চিন্তা করে সব সময় কেন উত্থান বা লিঙ্গ দাঁড়ানোর ব্যাপারটা একইভাবে হয় না- তবে কি যৌন অক্ষমতা বা পুরুষত্বহীনহয়ে গেলাম। কামরস কেন এত তাড়াতাড়ি বেরিয়ে আসে, কামরস যৌনসঙ্গমের সাথে সেক্স করার সময় কেন বের হয় না অথচ হস্তমৈথুন বা সুখস্তপর্শের সময়ঠিকই কামরস বের হয়ে আসে ইত্যাদি। পুরুষের যৌন আচরণ আর যৌন ইচ্ছার সুনির্দিষ্ট কোনো সীমা নেই। একেকজন একেক আসন, ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি বা টেকনিক পছন্দ করে অন্যরা হয়ত তা করে না। একজনপুরুষ নিজের যৌনতা নিয়ে যা ভাবেন তাই তার কাছে সঠিক হওয়া উচিত। অন্য পুরুষরা যেরকমের আচরণ করেন তাকেও সেই একই রকম আচরণ করতে হবে এমন কোনো কথা নেই। তবে অনিচ্ছা সত্ত্বেও কাউকে যৌন আচরণে বাধ্য করা অন্যায়। বলাৎকার বা ধর্ষণ কিন্তু্তু আইনের দৃষ্টিতে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। যৌন জীবনের কোনো এক পর্যায়ে মনে হবে কেউ উত্থিত লিঙ্গকে যৌনসুখ পাওয়া না পর্যন্ত ঠিক ধরে রাখতে পারছে না। এর আসলে অনেক কারণ থাকতে পারে যেমন অসুস্থতা, ক্লান্ত বা অবসন্ন থাকা, মনোশারীরিক চাপে থাকা বা যৌনসঙ্গী কর্তৃক মনঃকষ্ট পাওয়া, এ্যালকোহল, ড্রাগ বা ওষুধ সেবনের কারণে হতে পারে। তবে যৌন অসন্তোষ বা অতৃপ্তি এসব সমস্যাকে আরো বাড়িয়ে দেয়। মানসিক সমস্যাজনিত কারণটি সমাধানের জন্য সেক্স থেরাপিস্টের সাথে যোগাযোগ করতেপারেন। সবচেয়ে প্রচলিত যৌনশিক্ষা আর ভাবনা হলো দ্রুত বীর্যস্খলন বা নির্দিষ্ট সময়েরআগেই বীর্যস্খলন। এটা আসলে এক প্রকারের অর্জিত বা শিক্ষণীয় যৌন আচরণ যা মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুনের সাহায্যে ঠিক করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে পুরুষটিকে জানতে হবে ও শিখতে হবে কিভাবে বীর্যস্খলনের সময়কেবাড়ানো যায় এবং যৌন অনুভূতি বা শিহরণকে নিয়ন্ত্র্তণ করা যায়। পেনিসকে হাত দিয়ে শক্ত করে ধরে একবারে উদ্দীপিত করে আবার যৌনপুলক নিয়ন্ত্রণ করে বন্ধ করুন যাতে কিনা বীর্যস্খলিত হতে না পারে। এভাবে কয়েকদিন অভ্যাস করলে এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারেন।এভাবে কয়েকদিন অভ্যাস করলে এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারেন। তাই মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুন নিজেকরে বা যৌনসঙ্গীকে দিয়ে করিয়ে সুখ সপর্শ আর যৌনতৃপ্তি অনুভব করুন এবং দ্রুত বীর্যস্খলনরোধ করুন। কতক পুরুষের পেনিস ভালোভাবে উত্থিত হলেও অর্গাজম বা যৌনসঙ্গীর সাথে চরমপুলক বা যৌনশিহরণ পেতে অসুবিধা হয় কিন্তু যখন তিনি মাস্টারবেশন করেন তখনকোনো সমস্যা থাকে না। এর একটা মানসিক কারণ থাকতে পারে। তিনি যৌন আচরণকে অপরাধের দৃষ্টিতে দেখতে পারেন বা নারী বা যৌনসঙ্গী গর্ভবতী হয়ে যাবে এরকমটি ভাবতে পারেন বা যৌনবাহিত রোগ বা ইফেকশনকে এড়িয়ে চলতে পারেন। আপনি যদি এ ব্যাপারে সহায়তা চান তবে মনোচিকিৎসক বা সেক্স থেরাপিস্টর সাথে পরামর্শ করুন-এটাকে মনোচিকিৎসার সাহায্যে সম্পূর্ণ ভালো করা সম্ভব। নারীদের যৌনাশঙ্কা অনেক নারী যৌনতা নিয়ে অস্বাচ্ছন্দ্যতা বা এক ধরনের চিন্তা বা শঙ্কায় ভোগেন। তারা স্বাভাবিক শরীরের অধিকারী হলেওযৌনাঙ্গ নিয়ে অনেক সময় বেশ অস্থির থাকেন। অবশ্য নারীরা চরমপুলক বা যৌন শিহরণমূলক অনুভূতি অথবা অন্যদের মতো সেক্স তারা কেন করতে পারেন না এনিয়েও দুশ্চিন্তায় ভোগেন। হঠাৎকরে কোনো যৌনসঙ্গম একটু ব্যথাদায়ক হলে তাদের উদ্বেগের সীমা থাকে না। যৌন আচরণ অনুভূতি আর যৌন ইচ্ছার নির্দিষ্ট কোনো সীমা নেই। বিভিন্ন ধরনের আসন, বিভিন্ন রকমের টেকনিকে অনেকে খুব যৌনসুখ পান- আবার অনেকে পান না।একজন নারী যৌন আনন্দ বা যৌনসুখের জন্য যে আসন বা ব্যবস্থাটিই বেছে নিক না কেন তা কিন্তু্তু সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। অন্য নারীরা যা করেতা আপনাকে একইভাবে করতে হবে এমন কোনো কথা নেই। তবে কারো অনিচ্ছা আর আপত্তি সত্ত্বেও তার সাথে যৌন সঙ্গম করা অন্যায়। বলাৎকার এবং অপব্যবহারএই দুটিই আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ। আসলে এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে একজন নারীকে অবশ্যই তার শরীর বা বডি ইমেজ সম্পর্কে স্বচ্ছ সাবলীল ধারণা থাকা চাই।এক্ষেত্রে নারী তার যৌনসঙ্গীর সাথে যোগাযোগ করে ও পরামর্শ নিয়ে উপকৃত হবেন। নারীকে অবশ্যই জানতে হবে কিসে যৌনানন্দ বোধ হয় এবং তিনি কি অপছন্দ করেন। নারী যৌনাঙ্গের সবচেয়ে সংবেদনশীল সপর্শকাতর ফুলের মত বা ঠোঁটের মতো অংশটাকে ক্লাইটোরিস বা ভগাঙ্কুর বলে। এতে সুখসপর্শ করলে নারীর দেহমনে এক অন্যরকম যৌনসুখ অনুভূত হয়। যৌন সঙ্গমের সময় একজন নারী ঠিক যেভাবে বা যেরকম সপর্শ তার ক্লাইটোরিসে চায় সেরকম হয় না। তাই যৌন সঙ্গমের সময় এমন একটা পথ বেছে নিন যাতে কিনা ক্লাইটোরিসের সাথে মৃদু বা মাঝারি ঘর্ষণ নিশ্চিত হয়। নারী নিজে বা তার যৌনসঙ্গী যৌনক্রিয়ার সময় ক্লাইটোরিসকে উদ্দীপিত করতে পারে বা বীর্যখলনের পর নারীকে চরমপুলক বা যৌনশিহরণ দেয়ার জন্য এটাকে উদ্দীপিত করতে পারে। নারী নিজেই আবিষকার করবে কার মাধ্যমে হস্তমৈথুনে তিনি বেশি যৌনসুখ পান, তার যৌনসঙ্গীর মাধ্যমে না নিজের মাধ্যমে। নারী যদি সত্যিকারভাবেই উদ্দীপিত হয় তাহলে কিন্তু্তু যোনি ভিজে যায়। এর ফলে যৌনসঙ্গম সহজতর হয়। কতক নারী-পুরুষ আবার যোনিকে ভেজা রাখার জন্য দ্রবণীয় কোনো পিচ্ছল তরল ব্যবহার করেন। এটা যে কোনো ড্রাগ স্টোর থেকে কেনা যেতে পারে; তবে পেট্রোলিয়াম জাতীয় পিচ্ছিলকারক পদার্থ কখনোই ব্যবহার করবেন না। একজন নারী তার যৌনানুভূতি বা যৌন ইচ্ছার কথা দেহের ভাষাতে প্রকাশ করতে পারেন। আর আপনি যদি এতে সফল হন তবে আপনার যৌনসঙ্গী আপনার সাথে যৌনকর্মে বা যৌনসঙ্গমে মিলিত হতে চাইতে পারেন- এতে করে উভয়েই যৌনানন্দ আর যৌনসুখ নিঃসন্দেহে পাবেন।
Read More

পুরুষত্বহীন সমস্যা মোকাবিলায় নারীর ভমিকা ২


রোগ নির্ণয়
প্রথম পর্বের পরে.... যে কোনো ধরনের পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসার জন্য তার রোগ নির্ণয়ের প্রয়োজন রয়েছে। ডাক্তারকে জানতে হয় পুরুষের ক্রমাগত যৌন সমস্যা কেন সৃষ্টিহচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়মনোদৈহিক কারণের চাপ শরীরের উপর এসে পড়ে এবং এই জন্য পুরুষ উত্থান সমস্যায় ভোগে। রোগ নির্ণয়ের জন্য ডাক্তারকে যে বিষয়গুলো জানতে হয় -
১. রোগীর পারিবারিক ডাক্তারী ইতিহাস।
২. রোগীর ব্যক্তিগত ডাক্তারী ইতিহাস।
৩. রোগীর শারীরিক পরীক্ষা।
৪. রোগীর লিঙ্গ পরীক্ষা।
৫. ল্যাবটেস্ট।
৬. মিনেন সোটা মালটিফেজিক পারসোনালিটি ইনভেনটোরী।
রোগীর পারিবারিক ডাক্তারী ইতিহাস এবং রোগীর ব্যক্তিগত ডাক্তারী ইতিহাস জানা এই জন্য জরুরি যে এতে করে রোগ নির্ণয় করা সুবিধা হয়। ডাক্তার বুঝতে পারেন পুরুষত্বহীনতার এই সমস্যাটির কারণ শারীরিক নয় মানসিক। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত এলকোহল সেবনজনিত কারণে পুরুষের পুরুষত্বহীনতা দেখা দেয় এবং এটি স্থায়ী সমস্যার সৃষ্টি করে। অনেকে আবার যৌনতার ইচ্ছা হারিয়ে ফেলেএবং অনেকের অকাল বীর্যপাতের সমস্যা দেখা দিতে পারে। রোগীর শারীরিক পরীক্ষা নীরিক্ষার মধ্যে প্রধান বিবেচ্য বিষয় থাকে তার রেসপিরেটোরী এবং কার্ডিওভাসকুলার ঠিক মত কাজ করছে কিনা তা লক্ষ্য করা। এছাড়াও স্নায় এবং তলপেট ব্যবস্থা কতটুকু সুস্থ আছে এটিও ডাক্তারদেকে জানতে হয়। লিঙ্গ পরীক্ষার সময় ডাক্তার যেবিষয়গুলো লক্ষ্য করেন -
*. প্রিপিউজ- ফাইমোসিসের জন্য
*. মত্রনালীর মুখ-স্টেনোসিসের জন্য
*. অন্ডথলি- হাইড্রোসেলের জন্য
*. করপরা কেভারনোসা-যে কোনো প্রকার ফাইব্রোসিসের জন্য
ল্যাবরেটরী টেস্ট
ল্যাবরেটরীতে ডাক্তার রোগীর বিভিন্ন শারীরিক বিষয় পরীক্ষা নিরীক্ষা করে থাকেন। এতে করে দ্রুত সমস্যা নির্ণয় করা সহজ হয়। ল্যাবরেটরিতে পুরুষত্বহীনতার জন্য যে সমস্ত টেস্ট করানো হয় সেগুলো হলো -
*. সিবিসি
*. ইএসআর
*. মত্র পরীক্ষা
*. লিভারের এনজাইম পরীক্ষা
*. বীর্য পরীক্ষা
*. থুথু পরীক্ষা
*. এসএম এ ১২
*. টেস্টোস্টেরন স্তর পরীক্ষা
*. প্রেল্যাকটিন স্তর পরীক্ষা
পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসা
পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসার ব্যাপারে অধিকাংশ পরামর্শ এসেছে মাস্টার এবং জনসনের কাছ থেকে। তারা তিনটি বিষয়ে প্রাথমিকভাবে গবেষণা করে থাকেনযে, কেন একজন পুরুষ পুরুষত্বহীনতায় ভোগে। এই তিনটিকারণকে বিশেস্নষণ করে তারা এমনকিছু কৌশল এবং পদ্ধতির কথা বলেন যাতে করে পুরুষত্বহীনতা সমস্যা কাটানো যায়। তাদের গবেষণার বিষয় তিনটি হলো -
১. যৌনতার ব্যাপারে পুরুষ এবং নারীর ভ্রান্ত ধারণা।
২. পুরুষের পুরনো চিন্তা ভাবনা এবং উঁচু মাত্রার শারীরিক এবং মনোদৈহিক চাপ। বিশেষ করে স্বামী স্ত্রীর মধ্যকার যৌনতারব্যাপারে আলোচনা কম হওয়া। মনে রাখা উচিত স্বামী স্ত্রীর মধ্যকার যৌন আলোচনা যৌন উদ্দীপনা বাড়াতে পারে।
৩. পুরুষত্বহীন পুরুষের মানসিক চাপ বেশি থাকে সেই কারণে স্ত্রীর বা যৌন সঙ্গিনীর উচিত তাকে আশ্বস্ত করা যে এটি কোনো রোগ নয়।
মাস্টার এবং জনসনের পুরুষত্বহীনতার ব্যাপারে দেয়া পরামর্শগুলো হলো-
*. যৌন সঙ্গী এবং সঙ্গিনীর মধ্যে খোলামেলা যৌন আলোচনা করা উচিত। এটি পরসপরের যৌনানুভূতিকে চাঙ্গা করতে পারে এবং পুরুষের লিঙ্গের দৃঢ়তা সৃষ্টি করে।
*. যৌনতার ব্যাপারে কোনো প্রকারভ্রান্ত ধারণা পোষন করা উচিত নয়। নারী এবং পুরুষ উভয়েরই উচিত যৌনতার ব্যাপারে একজন অন্যজনকে সাহায্য করা। এর ফলে যৌন অনুভূতি এবং পুরুষের লিঙ্গের দৃঢ়তা তৈরি হতে পারে।
*. যদি নারী বা পুরুরো যে কারো একজনের যৌনতার ব্যাপারে কোনোপ্রকার সন্দেহ, ভয় ভীতি বা দুশ্চিন্তা কাজ করে তাহলে সাথে সাথে তা ডাক্তারকে জানানো উচিত। অনেক নারী যৌনতার ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতাখুব পছন্দ করে। হয়তো তার যৌন সঙ্গ বা স্বামী ওরাল সেক্স পছন্দ করছে অথচ নারী সেটি পছন্দ করছে না। এতে করে উভয়েরযৌন অনুভূতির মধ্যে একটা পার্থক্য তৈরি হতে পারে। এ ব্যাপারটির দিকে খেয়াল রাখা উচিত।
*. পরসপরের সাথে গভীর স্পর্শের সম্পর্ক থাকা উচিত ।
*. পুরুষের যদি উত্তেজনা কম থাকে সে ক্ষেত্রে নারীর উচিত পুরুষকে উত্তেজিত করে তোলা। নারী বিভিন্ন ভাবে পুরুষকে উত্তেজিত করে তুলতে পারে।
বিশেষ করে নারী তার স্তন, স্তনবৃন্ত, ক্লাইটোরিস ইত্যাদি উত্তেজক শারীরিক অংশের স্তপর্শ দ্বারা পুরুষকে উত্তেজিত করে তুলতে পারে।
*. পুরুষত্বহীনতা সমস্যা মোকাবেলায় নারীর ভমিকা রয়েছেখুব বেশি। নারী পুরুষকে বিভিন্নভাবে উত্তেজিত করে আবার তাকে শিথিল করে তার লিঙ্গের দৃঢ়তা বাড়াতে পারে। স্ত্রী দিনে অন্তত তিন চার বার স্বামীর লিঙ্গের দৃঢ়তা বাড়াতে এ কাজটি করতে পারে।
*. লিঙ্গের উত্তেজনা দীর্ঘক্ষণ ধরে না রেখে পুরুষের উচিত একবার লিঙ্গ শিথিল করে আবার লিঙ্গের উত্তেজনা তৈরি করা। এতে করে পুরুষত্বহীনতার সমস্যা কিছুটা কমতে পারে।
এই পোষ্টটি লিখেছেন
অধ্যাপক ডা. এ এইচ মোহাম্মদ ফিরোজ
এমবিবিএস এফসিপিএস এমআরসিপি এফআরসিপি
E-mail : professorfiroz@yahoo.com
মনোজগত
ভাল লাগলে ফেসবুকে শেয়ার করুন । লেখাটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ । ভাল থাকুন সব সময় ।
Read More

পুরুষত্বহীন সমস্যা মোকাবিলায় নারীর ভমিকা-যৌন সমস্যা ও সমাধান


পুরুষত্বহীনতা হলো পুরুষের জীবনের একটি জটিল যৌন সমস্যা। একে জটিল বলার কারণ এটি পুরুষকে যৌনমিলন থেকে বিচ্যুত করে ফেলে। যখন কোনো পুরুষের লিঙ্গ সময় মত অর্থাৎ যৌন মিলনের সময় উত্তেজিত হয়ে উঠে না তখন তাকে ইরেকটাইল ডিসফাংশন বলে। এর ফলে লিঙ্গ সঠিক মাত্রায় যৌনমিলনের জন্য উপযুক্ত হয়ে উঠেনা। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যাবহার দ্বারা ইদানীং পুরুষত্বহীন তার সমস্যার সমাধান শুরু হয়েছে। শতকরা ৯০ ভাগ ক্ষেত্রে পুরুষত্বহীনতার কারণ মানসিক এবং ১০ ভাগ ক্ষেত্রে পুরুষের পুরুষত্বহীন তার জন্য শারীরিক নানা কারণ দায়ী থাকে। পুরুষত্বহীনতা প্রাথমিক স্তরের এবং চূড়ান্ত মাত্রার হতে পারে। প্রাথমিক স্তরের পুরুষত্বহীনতার জন্যে লিঙ্গ খুব বেশি মাত্রায় উত্তেজিত হয় না এবং উত্তেজনার কিছুক্ষণ পরেই লিঙ্গ শিথিল হয়েযায়। আর চূড়ান্ত মাত্রার পুরুষত্বহীনতা হলো লিঙ্গের একেবারে অসাড় অবস্থা।
প্রাথমিক পুরুষত্বহীনতা
কোনো পুরুষের প্রাথমিক পুরুষত্বহীনতা হবে তা আগে থেকেবলা যায় না। আবার কেউ অন্যকে শেখাতে পারে না লিঙ্গ উত্থানেরবিষয়টি। লিঙ্গের উত্থান একটি প্রাকৃতিক অবস্থা। রেসপিরেটোরী, সারকুলেটরী এবং স্নায়ুবিক কারণে লিঙ্গ উত্থিত হয়। কিন্ত আসল কারণটি হলো প্রাকৃতিক। তবে অনেক ক্ষেত্রে যৌন মনোদৈহিক সামাজিক কারণেও অনেকের পুরুষত্বহীনতা হতে পারে। যে কারণগুলো পুরুষত্বহীনতার জন্য স্বাভাবিকভাবে দায়ী সেগুলো হলো-
*. কঠিন ধর্মীয় বিশ্বাস।
*. যৌনতার জন্য প্রচুর শক্তি না থাকা।
*. মাতৃত্বের কঠিন চাপ।
*. সমকামিতা পছন্দ করা।
*. নারীদেরকে ঘৃণা করা।
*. পতিতার সাথে সঙ্গমে ব্যর্থ হওয়ার পরে মনে পাপ বোধের সৃষ্টি।
চিকিৎসা
প্রায়শই পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসা কঠিন হয়ে দাঁড়ায় এবং রোগের কারণ ধরতে না পারলে চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রলম্বিত হতে পারে। যৌন বিশেষজ্ঞ মাস্টার এবং জনসনের মতে যৌন সঙ্গিনী বদলের ফলেও অনেক সময় এ রোগের সমস্যা সমাধান করা যেতে পারে। নারীর উচিত পুরুষকে এব্যাপারে সাহায্য করা। স্ত্রীর উচিত স্বামীকে সাহায্যকরা। নৈতিক, সামাজিক, আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপটে পুরুষের পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসায় বর্তমানে যে বিষয়গুলো গ্রহণ করা হয় সেগুলো হলো-
*. যৌনতার পরিপূর্ণ শিক্ষাদান।
*. সাইকোথেরাপি।
*. রোগীকে হস্তমৈথুনের দ্বারা তার লিঙ্গের দৃঢ়তা বাড়ানো।
*. দুশ্চিন্তাগ্রস্ত রোগীকে এ্যাংজিওলিটিক্স দেয়া।
*. নিচু মাত্রার ৫০ গ্রাম টেস্টোস্টেরন ইনজেকশন সপ্তাহে তিনবার দেয়া।
*. যদি রোগীর কেবলমাত্র উত্থানজনিত সমস্যা হয় তবে রোগীকে নগ্ন নারীর সামনে উপস্থিত করা। এক্ষেত্রে পতিতাদের সাহায্য নেয়া যেতে পারে।
*. পেপাভেরিন ইনজেকশন লিঙ্গের দৃঢ়তা বাড়াতে পারে।
*. রোগীর জন্য সামাজিকতার প্রয়োজন।
*. যৌন উদ্দীপক গ্রন্থ্থ পড়া উচিত।
চূড়ান্ত মাত্রার পুরুষত্বহীনতা
অনেক পুরুষের পুরুষত্বহীনতা সাময়িক। দেখা যায় যে খুব বেশি মাত্রায় উদ্বিগ্ন থাকলে বা কোনো কিছু নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকলে যৌনমিলনের সময় পুরুষ তার যৌন উত্তেজনা হারাতে পারে। আবার খুব বেশি মাত্রায় এলকোহল সেবনের ফলেও পুরুষের লিঙ্গের দৃঢ়তা নষ্ট হয়ে যায়। সাইকোজেনিক অথবা অর্গানিক নানাকারণে পুরুষের পুরুষত্বহীনতার সৃষ্টি হতে পারে। মনোদৈহিক যে যে কারণে পুরুষত্বহীনতার সৃষ্টি হতে পারে -
১. দাম্পত্য সমস্যা।
২. ধর্মীয় কুসংস্কার।
৩. কঠিনভাবে পিতা বা মাতার অনুশাসনের নিয়ন্তণে থাকা।
৪. পূর্বের যৌন অক্ষমতার জন্য পাপূবোধ।
৫. অকাল বীর্যপাত।
৬. যৌনতার ব্যাপারে অনাগ্রহ।
৭. যৌনমিলনে সফলতা আসবে কিনা এই নিয়ে ভয় এবং দুশ্চিন্তা।
অর্গানিক কারণে সৃষ্ট পুরুষত্বহীনতা-
১. এনাটোমিকাল
= বড় হাইড্রোসেল
= টেস্টিকুলার ফাইব্রোসিস
২. কার্ডিওরেসপেরেটোরী
= এনজিনা
= মায়োকার্ডিয়াল ইনফ্রাকশন
৩. জেনিটো ইউরিনারী
= ফাইমোসিস
= প্রিয়াপিজম
= প্রোসটাটিটিস
= ইউরেথ্রিটিস
= প্রোসটাটেকটমী
৪. এন্ড্রোক্রাইনাল
= ডায়াবেটিস
= থাইরোটক্সিকোসিস
= স্থলতা
= ইনফ্যান্টালিজম
= ক্যাসট্রেশন
= এক্রোমেগালি
৫. নিউরোলজিক্যাল
= মাল্টিপোল সিরোসিস
= অপুষ্টি
= পারকিনসন্স অসুখ
= টেমপোরাল লবের সমস্যা
= সপাইনাল কর্ডের আঘাত
= ই সি টি
৬. ইনফেকশন
= টিউবারকিলোসিস
= গনোরিয়া
= মাম্পস
৭. ড্রাগ নির্ভরতা
= এলকোহল সেবন
= স্নায়ু শিথিলকারী ওষুধ
= এন্টিহাইপারটেনসিভ ওষুধ
= সাইকোট্রপিকস ওষুধ। যেমন - ইমিপ্রামিন
= ডিউরেটিক্স। যেমন - রেজারপাইন
আরো পড়ুন
Read More

স্ত্রীকে ভালোবাসুন সুখী হবেন-আরিফ মাহমুদ সাহাবুল


স্বামী স্ত্রীর বই। ফ্রিতে পড়ুন!
একজন সুন্দর মনের সুন্দর গুণেরঅধিকারী স্ত্রী সংসারকে তার নিজের আলোয় আলোকিত করে তুলতে পারে, সাজিয়ে তুলতে পারে সংসার জীবনকে সুখের স্বর্গীয় বাগানেরমতো করে। তবে এই কাজের জন্য দরকার প্রেমিক স্বামীর স্ত্রীরপ্রতি ঐকান্তিক মায়া-মমতা ও সুগভীর ভালোবাসা...
পৃথিবীর মাঝে সবচেয়ে মধুর সম্পর্ক হল স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক । অবশ্য এই সম্পর্কের মাঝে থাকতে হয় গভীর ভালোবাসা, সত্য সুন্দর ভালোবাসা। বিজ্ঞান বলে ভালোবাসাই একটি নারী ও একটি পুরুষের মাঝে হৃদয়ের অটুট বন্ধন তৈরি করে দেয়, তৈরি করে সাংসারিক বন্ধন। ভালোবাসা ব্যতীত কোনো সাংসারিক জীবন, দাম্পত্য জীবন কখনই সুখের হয় না।
স্বামী ও স্ত্রী একে অন্যের পরিপূরক। একজনকে বাদ দিয়ে অন্যজন শূন্য ফাঁকা। একজনকে বাদ দিয়ে অন্যজনকে ভাবাই যায় না। যে কোনো সংসারেই সাবলীল ও মধুর আনন্দ বজায় রাখতে হলে দরকার দু’জন দু’জনার ঐকমত্য। অবশ্য এই ঐকমত্য সবসময় সর্বক্ষেত্রেই সমান হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। আসল কথা হল দু’জন দু’জনার সংসার জীবন কিভাবে সুখ সমৃদ্ধতায় ভরিয়ে তোলা যায়, কি করলে দু’জনার মাঝে মনের আদান-প্রদান চমৎকারভাবে অক্ষুণ্ন রাখা যায় সে ব্যাপারেই ঐকমত্য থাকার চেষ্টাকরতে হয়।
একজন সুন্দর মনের সুন্দর গুণেরঅধিকারী স্ত্রী সংসারকে তার নিজের আলোয় আলোকিত করে তুলতে পারে, সাজিয়ে তুলতে পারে সংসার জীবনকে সুখের স্বর্গীয় বাগানেরমতো করে। তবে এই কাজের জন্য দরকার প্রেমিক স্বামীর স্ত্রীরপ্রতি ঐকান্তিক মায়া-মমতা ও সুগভীর ভালোবাসা।
* স্বামী স্ত্রীর বই গুলো পড়ুন
স্ত্রীকে স্বামীর বোঝার চেষ্টাকরতে হবে বুঝতে হবে। মনে রাখবেন আপনার প্রিয়তমা স্ত্রীকে আপনি যত বেশি বুঝবেন তত বেশিই তার ভালোবাসা উপলব্ধিকরতে পারবেন, তত বেশি সংসার জীবনে সুখী হতে সক্ষম হবেন। সুখ সবসময় নিজে থেকে এসে ধরা দেয় না তাকে ধরতে হয়, তৈরি করে নিতে হয় চমৎকার রূপে। তাই এজন্য স্বামী স্ত্রীর দু’জনার মাঝে থাকতে হয় প্রচুর আত্মবিশ্বাস ও বনিবনা এবং সুনিপণ ঝলমলে বিকশিত প্রগাঢ় ভালোবাসা।
স্ত্রীর কথা ও কাজকে গুরুত্ব দেয় বুদ্ধিমান ও রোমান্টিক স্বামীরা। তারা জানে যে, স্ত্রীকে হেয় করে দেখলে বা তার কথা বা কাজকে অবহেলা করলে কিংবা গুরুত্ব না দিলে তা কখনই মঙ্গল ডেকে আনবে না। আপনি আপনার দৈনন্দিন জীবনে আপনার স্ত্রীকে একজন সহধর্মিনী একজন খাঁটি বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে নিন। এতে করে সে আপনার প্রতি আরো বেশি আন্তরিক ও আরো বেশি সহানুভূতিশীল হয়ে উঠবে, হয়ে উঠবে বিশ্বস্ত জীবন সঙ্গিনী।
মনোবিজ্ঞান বলে ছোট বড় যে কোনো ধরনের কাজ করার আগে নিজের স্ত্রীর সাথে তা খোলা মনে আলাপ আলোচনা বা পরামর্শ করে নিলে সে কাজে সুফল আসবে কর্ম উদ্দীপনা প্রস্ফুটিত হবে।
হয়ত কোনো কাজের মধ্যে বা কোনো পদক্ষেপে ভুল লুকিয়ে আছে সে ভুলটি হয়ত আপনার স্ত্রী আপনাকেদেখিয়ে দিতে সাহায্য করতে পারে। এতে করে আপনি হয়ত আসন্ন অনেক উটকো ঝামেলা বা অবাঞ্চিত বিপদ থেকে রক্ষা পেতে পারেন বা তার জন্য আগেভাগেই মানসিকভাবে নিজেকে তৈরি করে রাখতে পারেন। এতে করে আপনার মন চাপমুক্ত হতে পারবে, টেনশন লাঘব হবে।
স্বামী-স্ত্রীর মিলিত ভালোবাসা মিলিত বুদ্ধি ও চিন্তা ভাবনার সমন্ব্বয়েই একটিছোট সুখের সংসার জীবন গড়ে উঠতে পারে। আর স্ত্রীর ওপর কখনই অযথা রাগ করা উচিত নয়। কারণ অসুন্দর রাগ প্রিয়তমা স্ত্রীর সুন্দর আবেগ অনুভূতিকে দারুণভাবে নষ্ট করে দিতে পারে।এতে করে ঝরঝরে, সতেজ, প্রাণবন্তমায়া-মমতাও একসময় পানসে হয়ে যেতে পারে। যা কিনা কখনই কারো কাম্য হওয়া উচিত নয়।
শেষ কথা
সাইকোলজিক্যাল সাইন্স বলে আপনি প্রেমিক স্বামী হিসেবে স্ত্রীর প্রতি আপনার মনের আবেগ-অনুভূতি, কামনা বাসনা, আকাক্ষা প্রকাশ করুন। তা শুধু নিজের মনের মধ্যেই লুকিয়ে রাখবেন না যেন। আপনি প্রতিদিনইআপনার আদরের প্রাণপ্রিয় স্ত্রীর প্রতি কথা বার্তা, গল্পগুজব, দুষ্টামি, আকার, ইঙ্গিত, সপর্শ, চুমো ইত্যাদি নানাভাবে আপনার ভালোবাসা প্রকাশ করুন। ছড়িয়ে- ছিটিয়ে দিন আপনার অন্তরের লুকানো অনুভূতি। তাকে জানান যে, আপনি তাকে কত বেশি ভালোবাসেন, কত বেশি ফিল করেন, কত তাকে একাকীত্ব মিস করেন।
সুযোগ পেলেই আপনার প্রিয়তমা স্ত্রীকে কাছে টেনে নিন, বুকে জড়িয়ে ধরে মিষ্টি করে একটা চুমো দিয়ে তাকে বলুন ‘জান! আমি যে তোমাকে ভীষণ ভালোবাসি, তুমি তো আমার সব কিছু, তুমি নেই তো কিছুই নেই, তুমি আমার আত্মা আমার কলিজার টুকরা, আমার সাথী, আমার সুখ, আমার জীবন তুমি’।
দেখবেন আপনার আদরের স্ত্রীও আপনাকে অনুরূপভাবে বুকে জড়িয়ে ধরবে, আপনাকেও সে আদর ভরে প্রচুর মমতা দেবে, সুখ দেবে ভালোবেসে। আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবে। আর এভাবেই আপনাদের দু’জনার দুটি হৃদয় মাঝে ভালোবাসার সুখ শিহরণ ছড়িয়ে পড়বে। দুটি মন একাত্ব হবে, মিশে থাকবে জীবন ভর।
♥♥♥♥সমাপ্ত♥♥♥♥
Read More

পুরুষের জন্য নারীর প্রয়োজন কেন? চন্দন সরকার

সবচেয়ে গভীর রহস্যগুলোর একটি হচ্ছে মানব-মানবীরসম্পর্ক। কেন একজন পুরুষের জন্য একজন নারীর প্রয়োজন? এই বন্ধনের সূত্র কি? বিষয়টি নিয়ে এ পর্যন্ত অনেক গবেষণা হয়েছে। কিন্তু এর গভীর তল সপর্শ কি সম্ভব হয়েছে? মার্কিন অর্থনীতিবিদ হার্বার্ট স্টেইন অত্যন্ত সাধারণভাবে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেছেন। তিনি প্রতিদিন পথ চলতে গিয়ে পর্যবেক্ষণ করেছেন স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের বিষয়টি। তিনি খুঁজতে চেয়েছেন এ বন্ধনেরউৎস কোথায়। হার্বার্ট স্টেইন কি খুঁজে পেয়েছেন তা জানা যাক তাঁর ভাষায়-
প্যারিসের পেভমেন্ট ক্যাফেগুলোতে বসে থাকা আমার ফ্যান্টাসি। এ ফ্যান্টাসি আমাকে নিয়ত তাড়িত করে কোনো না কোনো কিছু লেখার বিষয়। তা কোনোক্রমেই পদার্থবিদ্যা বা অর্থনীতির বিষয় নয়। তবে তা হতে পারে উপন্যাস অথবা কবিতা কিংবাদর্শন সম্পর্কিত কোনো বিষয়। ক্যাফের সামনে বসে থাকতে অথবা পথ চলতে গেলে আরও একটি অভ্যাস আমাকে তাড়িত করে এবং তা হচ্ছে পাশ দিয়ে চলে যাওয়া মেয়েদের দিকে চোখ তুলে তাকানো। এ ফ্যান্টাসি কিন্তু আমার আগে ছিল না। ওয়াশিংটনের রাস্তায় বানিউইয়র্কের কেনেডি সেন্টারের কোনো রেস্তরাঁয় খেতে গিয়ে এমনটি হতো না। তবে আমি খেতে বসেশুধু খাই না। ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকি এবং পথ চলতি পথিকদের পর্যবেক্ষণ করি। আগেই বলেছি আমি পাশ কাটানো পথ চলতি মেয়েদের পর্যবেক্ষণ করি। তবে তারা আমার মনোযোগ আকর্ষণ করে না। বরং আমার মনোযোগ আকর্ষণ করে বিবাহিত দম্পতিরা। বিশেষ করে বিবাহিতা মহিলারা। তাদের যে মোহনীয় হতে হবে এমন কোনো কথানেই। তাদের যে মেরিলিন মনরো হতে হবে এমন কোনো কথাও নেই। আমিযাদের পর্যবেক্ষণ করি তাদের কেউ হয়ত সুন্দরী। কিন্তু তাদেরঅধিকাংশ সাধারণ। অতি সাধারণ। এদের কেউ কেউ হয়ত যাচ্ছেন কেনেডি সেন্টারে নাটক দেখতে, অথবা অপেরায় কিংবা কেউ হয়ত যাচ্ছেন কনসার্ট শুনতে।
অনেকে ভাবতে পারেন তারা হয়ত উঁচুমাপের সংস্কৃতিবান। হতেও পারে। আবার নাও হতে পারে। তবে একান্তই সাধারণ মাপের। এ ক্ষেত্রে একটি বিষয় লক্ষণীয়। মহিলাটি যে পুরুষের বাহুলগ্না হয়ে যাচ্ছেন সে পুরুষটি কিন্তুঅত্যন্ত গর্বিত। তার কাছে ঐ মহিলা কিন্তু সাধারণ নন। ঐ পুরুষের কাছে বাহুলগ্না মহিলা বা তার স্ত্রী যেন সারাটি পৃথিবী।
বাইবেলের জেনেসিস অধ্যায়ে বলা হয়েছে এবং মহাপিতা ঈশ্বর বলেছেন, ‘মানুষ একা থাকবে তা উত্তম নয়, তার মনের মতো একজন সঙ্গী আমি সৃষ্টি করব’ এবং তাই, ‘তার জন্য একজন স্ত্রীলোক তৈরি করলাম। এতে কিছু বলা হয়নি যে একজন সুন্দরী বা বুদ্ধিমতী নারী তৈরি করেছেন তিনি। অথবা এমন কোনো নারী তৈরি করেননি যিনি বিশেষণে বিশেষায়িত। তিনি কেবল একজন স্ত্রীলোক তৈরি করেছেন এবং কেবল স্ত্রীলোক। আরতাই প্রশ্ন আসে একজন স্ত্রীলোককেন পুরুষের জন্য এত মূল্যবান?এর তিনটি কারণ রয়েছে-
প্রথম
তিনি বিছানায় একজন উষ্ণ শরীরেরঅধিকারী। আমি কিন্তু এখানে যৌনব্যাপারস্যাপারে কিছু বলছি না।ও বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। তবে আমি অন্য বিষয়ে বলছি। বিষয়টি আরো আদিম মানবীয় সম্পর্কের ব্যাপারে। ধরা যাক, একটি শিশু তার দোলনা খাটে কাঁদছে। সে কি কোনো আলাপ-আলোচনার জন্য? অথবা স্বর্ণের আংটির জন্য? নিশ্চয়ই তা নয়। আসলে সে কাঁদছে কেউ তাকেকোলে নিক, অথবা তাকে আদর সোহাগ করুক সেজন্য। অর্থাৎ সে কারো সংসপর্শে আসতে চাচ্ছে। এই সংসপর্শ সম্পূর্ণ শারীরিক সংসপর্শ। প্রাপ্তবয়স্করাও এর বাইরে নয়। তাদেরও প্রয়োজন শারীরিক সংসপর্শ। তারা পরসপরকেজড়িয়ে ধরতে চায়। তারা এটা চায় একটি ভিন্ন ধরনের আবহে। বলা যায় শীতল পারিপার্শ্বিক অবস্থায় একটু উষ্ণতা পাবার আশায়। কিংবা সামান্য আরাম পাবার জন্য। একজন সাধারণ পুরুষএবং একজন সাধারণ নারী পরসপর এমন করেন বা জড়িয়ে ধরেন একে অপরকে এ জন্যই। তাদের অন্তর্গতআকাঙ্খা বাঙ্ময় হয়ে ওঠে এভাবেই।
দ্বিতীয়
প্রাপ্তবয়স্ক নর-নারীদের বেলায় আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে পারসপরিক কথোপকথন। কোনো দম্পতি হয়ত ত্রিশ বছর বা তারও বেশি সময় ধরে পরস্পর কথা বলছে। আপনারা ভাবতে পারেন কি এমন কথা! অথবা হেন কোনো কথা নেইযা তারা বলতে বাকি রাখে। কিন্তু তারপরও তারা কথা বলে যায় পরসপর। এমনকি পথে চলতে চলতেও তারা পরসপর কথা বলে যায়। এমন কথা যা তারা অন্য কারো সঙ্গে বলতে পারে না। পুরুষটি তার সঙ্গিনীর কাছে অকপটে তার ভালো মানুষি কথা বলতে পারে। এখানে তার কোনো ধরনের ভীতি থাকে না। সে বুঝতে পারে এমন একজনের কাছে সে তার মনের ভাব প্রকাশ করছে যে অত্যন্ত সহৃদয়তার সঙ্গে তার কথাগুলো শুনছে। একই সঙ্গে পারছে তার মনোযোগ আকর্ষণ করতে। কিন্তু এইযে কথোপকথন-তার প্রাথমিক উদ্দেশ্য কি? এ প্রশ্ন আসতে পারে। উত্তর খুব সহজ। এর উদ্দেশ্য একটি বিষয়, তোমার কাছেই এবং তুমিও এখানে আছ, আমারকাছেই।
তৃতীয়
নারী নরকে তার প্রয়োজন মেটায়। বিকল্পভাবে নরও নারীর প্রয়োজন মেটায়। এটা সম্পূর্ণ পারসপরিক।যদি আপনাকে কারো প্রয়োজনই না পড়ে তাহলে আপনার মূল্য কোথায়? এ ক্ষেত্রে হয়ত আপনার চাকরিদাতা, ছাত্র, পাঠক বলতে পারে আপনাকে তাদের প্রয়োজন। কিন্তু এ ধরনের সম্পর্ক পারসপরিক সমতা বিধান করে না। হয় আপনি কারও কাছে শ্রদ্ধার পাত্র, নতুবা আপনার কাছে কেউ শ্রদ্ধার পাত্র। অর্থাৎ সমীহ করার বিষয়টি থাকে। কিন্তু আপনার স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কেরবিষয়টি তা নয়। এখানে সমীহ করার কিছু নেই। এটাই আপনাকে আত্মমর্যাদায় অভিষিক্ত করে। প্রতিদিনের বৈরী পৃথিবীকে মোকাবিলা করার উৎসাহ ও সাহস যোগায়। একজন নরের জন্য একজন নারীর উপস্থিতি এখানেই সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এজন্যই ‘সাধারণ’ একজন নারী-কোটির একজন হয়েও আপনার কাছে অসাধারণ কেউ হয়ে যায়। স্বামীর কাছে স্ত্রী অনন্য হয়ে ওঠেন। এখানে আমি একজন পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গি বর্ণনা করছি। প্রসঙ্গটি তাই বলে এখানেই স্থির নয়। আমি এও মনে করি না যে সম্পর্কটি একতরফা। বরং সম্পর্ক সম্পূর্ণভাবেই পারসপরিক। আরো প্রশ্ন আসতে পারে, একজন অর্থনীতিবিদ হয়ে আমি এতসব জানলাম কিভাবে? কথাটি মিথ্যা নয়। কিন্তু এও তো সত্য যে আমি ও আমার স্ত্রী জীবনে অনেকবার এ পথে পা ফেলেছি একসঙ্গে। আর আমি এসব হৃদয় দিয়েই অনুভব করেছি।
সুত্রঃ রিডার্স ডাইজেস্ট

♥♥♥♥সমাপ্ত♥♥♥♥
প্রকাশক : সৈয়দ রুবেল উদ্দিন
www.facebook.com/sayed.rubel3
Read More

মেয়েদের সঙ্গমের সমস্যা

নারীর যৌন সমস্যা, নারীদের যৌন মিলনে স,মস্যা, মেয়েদের সেক্সের সমস্যা

পরিণত বয়সের নারী-পুরুষ অনেকের কাছে যে সমস্যা অনেক সময় প্রকট হয়ে উঠে তা হলো যৌন দূর্বলতা , যার কারণে অনেক সময়ই দম্পতি মানসিক অশান্তিতে ভোগেন । পুরুষের ও মহিলাদের সঙ্গমের সমস্যা গুলো কিছুটা ভিন্ন প্রকৃতির । পৃথীবিতে শতকরা ৪৩ ভাগ পরিণত বয়সের মহিলাই কোনো না কোনো সঙ্গমের সমস্যায় ভোগেন । এই সমস্যার কোনোটি যৌন উত্তেজনা বোধ না করার কারনে , কোনটি আবার যৌন কার্যে আগ্রহ বোধ না করা , সঙ্গমে ব্যথা অনুভব করা ইত্যাদি উপসর্গ সমন্নয়ে বিন্যস্ত ।
সাধারণত কিছু কিছু রোগে আক্রান্ত হলে মহিলাদের সঙ্গম এরসমস্যা গুলো দেয় । এই রোগ গুলো হলো হৃদ রোগ উচ্চ রক্ত চাপ বা হাইপারটেনশন এন্ডোক্রাইন বা হরমোনের সমস্যা (যেমন ডায়াবেটিস , হাইপোপ্রলাকটিনোমিয়া ইত্যাদি)
নিউরোলজিকাল রোগ (যেমন স্ট্রোক , মেরুদন্ডের রজ্জু বা স্পাইনাল কর্ডে আঘাত) বড় কোনো সার্জারি করা বা আঘাত পাওয়া কিডনি রোগ লিভার রোগ মানসিক চাপ বা বিভিন্ন মানসিক ব্যধি এছাড়া কিছু কিছু অসুধ সেবনের কারনেও এমন সমস্যা দেখা দেয় ।
এসব সমস্যা হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত । Behavioral modification এবং কিছু অসুধ (যেমন হরমোন) এবং কিছু কিছু ডিভাইস ব্যবহারের মাধ্যমেও এসকল সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় ।
আরো পড়ুন.........
০১. স্ত্রীকে ভালোবাসুন, সুখী হবেন...
০২. স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসার গল্প
০৩. মাসিক চলাকালে সেক্স করার নিয়ম
০৪. স্ত্রী বদ মেজাজী হলে তাকে কিভাবে রাখবেন?
০৫. স্বামীর যৌন সমস্যা মোকাবেলায় স্ত্রীর ভূমিকা
০৬. স্বামী স্ত্রীর এক সঙ্গে নামায পড়া
০৭. বিবাহের পূর্বে কি বাগদত্তা স্বামী স্ত্রী মেলামেশা করা যায়
০৮. বাসর রাতে স্ত্রীর সাথে স্বামীর আচরণ
০৯. মেয়েদের দুধ চোষার পদ্ধতি
১০. যৌন কেশ পরিস্কার করার নিয়ম


♥♥♥♥সমাপ্ত♥♥♥♥
প্রকাশক : সৈয়দ রুবেল উদ্দিন
www.facebook.com/sayed.rubel3
Read More

স্ত্রীকে দ্রুত তৃপ্তির উপায়


১। গালে ঠোঁটে ঘন ঘন চুম্বন করা।
২। স্ত্রীর ঊরুদেশ জোরে জোরে মৈথুনের আগে ঘর্ষণ করা।
৩। সম্ভোগের আগে যোনিদেশ, ভগাঙ্কুর কামাদ্রি আলতো ভাবে ঘর্ষণ করা।
৪। ভগাঙ্কুর মর্দন।
৫। মৈথুনকালে স্তন মর্দ্দন।
৬। সহাবাসের আগে যদি পুরুষাঙ্গের আগায় খুব সামান্যপরিমাণ কর্পূর লাগানো হয় তবে স্ত্রী দ্রুত তৃপ্তি লাভ ক’রে থাকে। তবে কর্পূর যেন বেশি না হয়, তাতে স্ত্রী যোনি ও পুরুষাঙ্গ জ্বলন অনুভূত হ’তে পারে। আরো কৌশল জানতে এখানে ক্লিক করুন।
আরো কিছু পোস্ট এর তালিকা...
০১ সহবাসের সময় যে দো'আ পড়তে হয়
০২ প্রশ্নঃ আমি আমার বউয়ের মলদ্বার দিয়ে সহবাস করতে চায়। সে রাজি আছে, সে বলে করতে এখন আমি কি করবো?
০৩ মামা-ভাগ্নির সেক্স কাহিনী
০৪ বীর্য যোনিতে ঢুকার কতদিন পর মেয়েরা গর্ভবতী হয়?
০৫ ভয়ঙ্কর অগ্নীগিরি র ভিডিও
০৬ আবাসিক হোটেল রমরমা সেক্স বানিজ্য (দেহ ব্যবসার ভিডিও)
০৭ ব্রা-পেন্টি পড়া কি ইসলামে জায়েয আছে?
০৮ পায়ু পথে সঙ্গম করা কি ভালো?
০৯ বাচ্চা হয় কিভাবে?
১০ ভাবির সাথে দেবরের সেক্স
Read More

যৌন মিলনের সময় ছেলেরা সাধারণত যে ভুলগুলো করে থাকে। part 3

indian-asian-wedding-photography-london, hasbend kiss to wife

প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বের পর.../- আরো পোস্ট দেখুন নারী পুরুষের যৌন শিক্ষায়।
১৬. শক্ত করে সঙ্গিনীর উপর চড়াও হওয়াঃ আশা করি ছেলেদেরকে মনে করিয়ে দিতে হবে না যে মেয়েদের দেহ তাদের চেয়ে হাল্কা ও নরম? তাই Missionary স্টাইলে মেয়েটির উপরে উঠে সেক্স করার সময় নিজের দুই পায়ের উপর ভালোমতভর দিয়ে মৈথুন করতে হবে। আপনার শক্ত দেহের জোর চাপ সঙ্গিনীর উপর পড়লে সে সেক্সটা উপভোগ করতেপারবে কিনা তা বলাই বাহুল্য।
১৭. দ্রুত বীর্যপাত করাঃ ছেলেদের সবচেয়ে বড় ভয়। সবার পক্ষে অবশ্য দ্রুত বীর্য পাত নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব নয়। অনেকেরই এতটাই দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায় যে তারা তাদের যৌনসঙ্গিনীকে ঠিকমত আনন্দই দিতে পারেন না, এমনকি নিজেরাও আনন্দ থেকে বঞ্চিত হন। দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা দূর করার নানা পদ্ধতি আছে আপাতত তা উল্লেখ করলাম না। তবে যাদের এ সমস্যা হয় তারা এর জন্য সাময়িকভাবে এক কাজ করতে পারেন। সেক্সের আগে অন্তত একবার হস্তমৈথুন করে নেবেন, তারপর সেক্সের শুরুতে সঙ্গিনীকে আদর (Foreplay) করার সময় তার যোনি চুষা ও তাতে আঙ্গুল ঢুকানো ছাড়াবাকি প্রায় সব কিছুই করবেন। আর ওকে আপনার লিঙ্গ চুষতে দেবেন না। ওকে পর্যাপ্ত উত্তেজিত করে যোনিতে লিঙ্গ ঢুকিয়ে থাপ দেয়া শুরু করবেন। যখনি মনে হবে আপনারবীর্যপাত হতে যাচ্ছে, আপনার লিঙ্গ যোনি থেকে বের করে আনবেন।তারপর নিচু হয়ে ওর যোনি চুষতে চুষতে সেখানে দুই আঙ্গুল ঢুকিয়েআবার বের করতে থাকবেন। আপনার লিঙ্গ সামান্য শিথিল হয়ে এলে আব্র উঠে ওকে থাপাতে থাকবেন, তারপর বীর্যপাতের সময় হলে আবার বের করে ওর যোনিতে নেমে যাবেন। এভাবে যতক্ষন সম্ভব চালিয়ে যাবেন। দেখবেন আপনার সঙ্গিনীও মজা পাবে আর আপনারও টাইম একটু হলেও বাড়বে।
১৮. বেশি বিলম্বে বীর্যপাতঃ এটা আবার দ্রুত বীর্যপাতের বিপরীত সমস্যা। অনেকেই আছেন যারা একনাগারে অনেক্ষন ধরে সঙ্গিনীর যোনিতে মৈথুন করে যেতে পারেন, যদিও এদের সংখ্যা খুব বেশি নয়। মেয়েরা অবশ্য এরকটাই পছন্দ করে।কিন্ত অনেকসময় দেখা যায় যে ছেলেটির বীর্যপাত হতে এত বেশি দেরী হয় যে মেয়েটি অধৈর্য হয়ে পড়ে। তাই বীর্যপাত হতে দেরী হলেশুধুই ষাঁড়ের মত সঙ্গিনীকে থাপিয়ে যাবেন না। ফাকে ফাকে ওর স্তন চুষুন, চুমু খান এবং বিশেষকরে পজিশন পরিবর্তন করুন।১৯. সঙ্গিনীকে জিজ্ঞাসা করা তার অর্গাজম হয়েছে কিনাঃ কতিপয় বোকাোা এই কাজটা করে থাকে। বেশিরভাগ মেয়েরই অর্গাজম হলে শীৎকার করে উঠে। আর না করলেও তার দেহের ভঙ্গিমাতেই এটা বুঝে নিতে হবে। তাকে এটা জিজ্ঞাসা করা চূড়ান্ত বোকামী।
২০. ঘেন্নার সাথে যোনি চুষতে যাওয়াঃ আমাদের দেশেঅনেক ছেলেই মেয়েদের যোনি চুষতে চায় না। অনেক সময় স্ত্রী বা গার্লফ্রেন্ডের অনুরোধে বহুকষ্টে যোনিতে মুখ দিলেও তা কোনমতে ঘেন্নার সাথে হাল্কা পাতলা চুষে। এমনটি কখনোই কর যাবে না। এভাবে হাল্কা করে চুষতে গেলে সঙ্গিনী সে স্পর্শ সঠিকভাবে পাওয়ার জন্য আরো উতলা হয়ে উঠে। ফলে সে স্বাদ পাওয়ার জন্য সে অন্যপুরুষের স্মরনাপন্ন হতে পারে। তাই একাজটা মনোযোগ দিয়ে করতে হবে। আপনার ভালোবাসার মানুষের সবকিছুই তো ভালো লাগতে হবে তাইনা? এজন্য ওকে পরিছন্ন থাকতেবললে সে মাইন্ড করবে বলে মনে হয়না। তাছাড়া ও যদি আপনার লিঙ্গচুষতে অনিচ্ছুক থাকে তাহলে দেখবেন আপনার যোনি চুষার প্রতিদানে ওও একসময় নিজে থেকেই আপনার লিঙ্গ চুষতে চাবে।
২১. সঙ্গিনীর মাথা নিচের দিকে চেপে ধরাঃ সঙ্গিনী যদি Aggressive হয়ে ছেলের দেহে আদর করতে থাকে। যেমন, ছেলের বুকেজিহবা দিয়ে চেটে দিতে থাকে তবে তারা অনেক সময় মেয়েটির মাথা ঠেলে নিচে তার লিঙ্গের কাছে নিয়ে যেতে চায়। এরমকমটা করা যাবে না। কারন মেয়ে যখন Aggressive মুড এ থাকবে তখন সেই চাবে আপনাকে Control করে আনন্দ দিতে।
২২. বীর্যপাতের পূর্বে সঙ্গিনীকে সতর্ক না করাঃ যখন যোনির ভেতরে কনডমবিহীন লিঙ্গ থাকবে, তখন বীর্যপাতের পূর্বে কেন সঙ্গিনীকে সতর্ক করতে হবে তা আশা করি বলে দিতে হবে না। কারন আপনার সঙ্গিনী বার্থকন্ট্রোলে নাও থাকতে পারে। আর ও যখন আপনার লিঙ্গ চুষবে, বিশেষ করে প্রথমবার, তখন অবশ্যই ওকে সাবধান করতে হবে। কারন বীর্যপাতের স্বাদ ও গন্ধ অনেকটা সমুদ্রের নোনা পানির সাথে ডিমের সাদা অংশের মিশ্রনেরমত; অনেক মেয়ের তা ভালো নাও লাগতে পারে। তাই এক্ষেত্রে সাবধান।২৩. সঙ্গিনী লিঙ্গ চুষার সময় নড়াচড়া করাঃ সঙ্গিনী লিঙ্গ চুষার সময় নড়াচড়া করলে এটা তার জন্য যথেষ্ট বিরক্তির কারন হয়ে দাঁড়ায়। ওই যা করার করবে, আপনি নিজে থেকে আপনার লিঙ্গ ওর মুখে ঠেলে দিতে যাবেন না। ওর মাথা চেপেও ধরা যাবে না। মেয়েকে লিঙ্গ চুষতে দেওয়ার সময় সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে শুয়ে থাকা, বা বিছানার কিনারায় বসে থাকা, দাঁড়ানো নয়।
২৪. Porn video থেকে কিছু শেখার চেষ্টা করাঃ মনে রাখবেন পর্ন ভিডিওতে যা দেখান হয় তার সবই সত্য নয়। বেশিরভাগ পর্ন ভিডিওতে যেসব মেয়েরা পারফর্ম করে তারা সবাই সোজা বাংলায় াগি টাইপের। তাই তারা তাদের মুখের উপর ছেলেদের বীর্য ফালানো, বীর্য খেতে, পিছনদিয়ে (নিতম্বেরফুটো) ছেলেদের লিঙ্গ ঢোকানো ইত্যাদি পছন্দ করা দেখে কেউ বিভ্রান্ত হতে যাবেন না। বাস্তবের চিত্র অনেকাংশেই ভিন্ন। এক্ষেত্রে আপনার সঙ্গিনীর সাথে খোলামেলা হলেই তার পছন্দ অপছন্দ পরিস্কার হয়ে যাবে।
২৫. অনেক্ষন ধরে মেয়েকে উপরে রেখে মৈথুন করতে দেয়াঃ স্বভাবতইমেয়েরা ছেলেদের তুলনায় দূর্বল তাই তাকে অনেক্ষন ধরে উপরে থেকেআপনাকে থাপ দিতে দেওয়া উচিত নয়।এতে সে ক্লান্ত হয়ে পড়বে। তাছাড়াও ও যখন আপনার উপরে থাকবেতখন আপনিও নিস্তেজ হয়ে পড়ে থাকবেন না যেন…ওর স্তন গুলো টিপে দিন, আদর করুন, মাঝেমাঝে ওরমুখখানি টেনে এনে চুমু খান যেন ও একঘেয়ে হয়ে না পড়ে।২৬. সঙ্গিনীর অনিচ্ছায় পিছন দিয়ে ঢুকানোঃ এই ভুলটুকু কোনমতেই করবেন না। ছেলেদের পিছনের ফুটোয় কিছু ঢুকালে তার সাহায্যে তার প্রস্টেট গ্রন্থি নামক এক অঙ্গে আনন্দ দেয়া যায়, একে ছেলেদের একপ্রকার অর্গাজম বলে (বিস্তারিত পরে)। কিন্তু মেয়েদের প্রস্টেট গ্রন্থিই নেই। তাই তাদের জন্য পিছন দিয়ে লিঙ্গ ঢুকানো খুব সুখকর অভিজ্ঞতা নয়। তাই শুধুমাত্র সঙ্গিনী চাইলেই এটা করতে হবে।
Read More

যৌন মিলনের সময় ছেলেরা সাধারণত যে ভুলগুলো করে থাকে। part3

১৬. শক্ত করে সঙ্গিনীর উপর চড়াও হওয়াঃ আশা করি ছেলেদেরকে মনে করিয়ে দিতে হবে না যে মেয়েদের দেহ তাদের চেয়ে হাল্কা ও নরম? তাই Missionary স্টাইলে মেয়েটির উপরে উঠে সেক্স করার সময় নিজের দুই পায়ের উপর ভালোমতভর দিয়ে মৈথুন করতে হবে। আপনার শক্ত দেহের জোর চাপ সঙ্গিনীর উপর পড়লে সে সেক্সটা উপভোগ করতেপারবে কিনা তা বলাই বাহুল্য।
১৭. দ্রুত বীর্যপাত করাঃ ছেলেদের সবচেয়ে বড় ভয়। সবার পক্ষে অবশ্য দ্রুত বীর্য পাত নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব নয়। অনেকেরই এতটাই দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায় যে তারা তাদের যৌনসঙ্গিনীকে ঠিকমত আনন্দই দিতে পারেন না, এমনকি নিজেরাও আনন্দ থেকে বঞ্চিত হন। দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা দূর করার নানা পদ্ধতি আছে আপাতত তা উল্লেখ করলাম না। তবে যাদের এ সমস্যা হয় তারা এর জন্য সাময়িকভাবে এক কাজ করতে পারেন। সেক্সের আগে অন্তত একবার হস্তমৈথুন করে নেবেন, তারপর সেক্সের শুরুতে সঙ্গিনীকে আদর (Foreplay) করার সময় তার যোনি চুষা ও তাতে আঙ্গুল ঢুকানো ছাড়াবাকি প্রায় সব কিছুই করবেন। আর ওকে আপনার লিঙ্গ চুষতে দেবেন না। ওকে পর্যাপ্ত উত্তেজিত করে যোনিতে লিঙ্গ ঢুকিয়ে থাপ দেয়া শুরু করবেন। যখনি মনে হবে আপনারবীর্যপাত হতে যাচ্ছে, আপনার লিঙ্গ যোনি থেকে বের করে আনবেন।তারপর নিচু হয়ে ওর যোনি চুষতে চুষতে সেখানে দুই আঙ্গুল ঢুকিয়েআবার বের করতে থাকবেন। আপনার লিঙ্গ সামান্য শিথিল হয়ে এলে আব্র উঠে ওকে থাপাতে থাকবেন, তারপর বীর্যপাতের সময় হলে আবার বের করে ওর যোনিতে নেমে যাবেন। এভাবে যতক্ষন সম্ভব চালিয়ে যাবেন। দেখবেন আপনার সঙ্গিনীও মজা পাবে আর আপনারও টাইম একটু হলেও বাড়বে।
১৮. বেশি বিলম্বে বীর্যপাতঃ এটা আবার দ্রুত বীর্যপাতের বিপরীত সমস্যা। অনেকেই আছেন যারা একনাগারে অনেক্ষন ধরে সঙ্গিনীর যোনিতে মৈথুন করে যেতে পারেন, যদিও এদের সংখ্যা খুব বেশি নয়। মেয়েরা অবশ্য এরকটাই পছন্দ করে।কিন্ত অনেকসময় দেখা যায় যে ছেলেটির বীর্যপাত হতে এত বেশি দেরী হয় যে মেয়েটি অধৈর্য হয়ে পড়ে। তাই বীর্যপাত হতে দেরী হলেশুধুই ষাঁড়ের মত সঙ্গিনীকে থাপিয়ে যাবেন না। ফাকে ফাকে ওর স্তন চুষুন, চুমু খান এবং বিশেষকরে পজিশন পরিবর্তন করুন।
১৯. সঙ্গিনীকে জিজ্ঞাসা করা তার অর্গাজম হয়েছে কিনাঃ কতিপয় বোকাোা এই কাজটা করে থাকে। বেশিরভাগ মেয়েরই অর্গাজম হলে শীৎকার করে উঠে। আর না করলেও তার দেহের ভঙ্গিমাতেই এটা বুঝে নিতে হবে। তাকে এটা জিজ্ঞাসা করা চূড়ান্ত বোকামী।২০. ঘেন্নার সাথে যোনি চুষতে যাওয়াঃ আমাদের দেশেঅনেক ছেলেই মেয়েদের যোনি চুষতে চায় না। অনেক সময় স্ত্রী বা গার্লফ্রেন্ডের অনুরোধে বহুকষ্টে যোনিতে মুখ দিলেও তা কোনমতে ঘেন্নার সাথে হাল্কা পাতলা চুষে। এমনটি কখনোই কর যাবে না। এভাবে হাল্কা করে চুষতে গেলে সঙ্গিনী সে স্পর্শ সঠিকভাবে পাওয়ার জন্য আরো উতলা হয়ে উঠে। ফলে সে স্বাদ পাওয়ার জন্য সে অন্যপুরুষের স্মরনাপন্ন হতে পারে। তাই একাজটা মনোযোগ দিয়ে করতে হবে। আপনার ভালোবাসার মানুষের সবকিছুই তো ভালো লাগতে হবে তাইনা? এজন্য ওকে পরিছন্ন থাকতেবললে সে মাইন্ড করবে বলে মনে হয়না। তাছাড়া ও যদি আপনার লিঙ্গচুষতে অনিচ্ছুক থাকে তাহলে দেখবেন আপনার যোনি চুষার প্রতিদানে ওও একসময় নিজে থেকেই আপনার লিঙ্গ চুষতে চাবে।
২১. সঙ্গিনীর মাথা নিচের দিকে চেপে ধরাঃ সঙ্গিনী যদি Aggressive হয়ে ছেলের দেহে আদর করতে থাকে। যেমন, ছেলের বুকেজিহবা দিয়ে চেটে দিতে থাকে তবে তারা অনেক সময় মেয়েটির মাথা ঠেলে নিচে তার লিঙ্গের কাছে নিয়ে যেতে চায়। এরমকমটা করা যাবে না। কারন মেয়ে যখন Aggressive মুড এ থাকবে তখন সেই চাবে আপনাকে Control করে আনন্দ দিতে।
২২. বীর্যপাতের পূর্বে সঙ্গিনীকে সতর্ক না করাঃ যখন যোনির ভেতরে কনডমবিহীন লিঙ্গ থাকবে, তখন বীর্যপাতের পূর্বে কেন সঙ্গিনীকে সতর্ক করতে হবে তা আশা করি বলে দিতে হবে না। কারন আপনার সঙ্গিনী বার্থকন্ট্রোলে নাও থাকতে পারে। আর ও যখন আপনার লিঙ্গ চুষবে, বিশেষ করে প্রথমবার, তখন অবশ্যই ওকে সাবধান করতে হবে। কারন বীর্যপাতের স্বাদ ও গন্ধ অনেকটা সমুদ্রের নোনা পানির সাথে ডিমের সাদা অংশের মিশ্রনেরমত; অনেক মেয়ের তা ভালো নাও লাগতে পারে। তাই এক্ষেত্রে সাবধান।
২৩. সঙ্গিনী লিঙ্গ চুষার সময় নড়াচড়া করাঃ সঙ্গিনী লিঙ্গ চুষার সময় নড়াচড়া করলে এটা তার জন্য যথেষ্ট বিরক্তির কারন হয়ে দাঁড়ায়। ওই যা করার করবে, আপনি নিজে থেকে আপনার লিঙ্গ ওর মুখে ঠেলে দিতে যাবেন না। ওর মাথা চেপেও ধরা যাবে না। মেয়েকে লিঙ্গ চুষতে দেওয়ার সময় সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে শুয়ে থাকা, বা বিছানার কিনারায় বসে থাকা, দাঁড়ানো নয়।২৪. Porn video থেকে কিছু শেখার চেষ্টা করাঃ মনে রাখবেন পর্ন ভিডিওতে যা দেখান হয় তার সবই সত্য নয়। বেশিরভাগ পর্ন ভিডিওতে যেসব মেয়েরা পারফর্ম করে তারা সবাই সোজা বাংলায় াগি টাইপের। তাই তারা তাদের মুখের উপর ছেলেদের বীর্য ফালানো, বীর্য খেতে, পিছনদিয়ে (নিতম্বেরফুটো) ছেলেদের লিঙ্গ ঢোকানো ইত্যাদি পছন্দ করা দেখে কেউ বিভ্রান্ত হতে যাবেন না। বাস্তবের চিত্র অনেকাংশেই ভিন্ন। এক্ষেত্রে আপনার সঙ্গিনীর সাথে খোলামেলা হলেই তার পছন্দ অপছন্দ পরিস্কার হয়ে যাবে।
২৫. অনেক্ষন ধরে মেয়েকে উপরে রেখে মৈথুন করতে দেয়াঃ স্বভাবতইমেয়েরা ছেলেদের তুলনায় দূর্বল তাই তাকে অনেক্ষন ধরে উপরে থেকেআপনাকে থাপ দিতে দেওয়া উচিত নয়।এতে সে ক্লান্ত হয়ে পড়বে। তাছাড়াও ও যখন আপনার উপরে থাকবেতখন আপনিও নিস্তেজ হয়ে পড়ে থাকবেন না যেন…ওর স্তন গুলো টিপে দিন, আদর করুন, মাঝেমাঝে ওরমুখখানি টেনে এনে চুমু খান যেন ও একঘেয়ে হয়ে না পড়ে।
২৬. সঙ্গিনীর অনিচ্ছায় পিছন দিয়ে ঢুকানোঃ এই ভুলটুকু কোনমতেই করবেন না। ছেলেদের পিছনের ফুটোয় কিছু ঢুকালে তার সাহায্যে তার প্রস্টেট গ্রন্থি নামক এক অঙ্গে আনন্দ দেয়া যায়, একে ছেলেদের একপ্রকার অর্গাজম বলে (বিস্তারিত পরে)। কিন্তু মেয়েদের প্রস্টেট গ্রন্থিই নেই। তাই তাদের জন্য পিছন দিয়ে লিঙ্গ ঢুকানো খুব সুখকর অভিজ্ঞতা নয়। তাই শুধুমাত্র সঙ্গিনী চাইলেই এটা করতে হবে।
♥♥
♥♥
আরো দেখুন
যৌন মিলনের সময় ছেলেরা সাধারণত যে ভুলগুলো করে থাকে। part 4
Read More

যৌন মিলনের সময় ছেলেরা সাধারণত যে ভুলগুলো করে থাকে। part2


প্রথম পর্বের পর.../ মেয়েদের যোনির গভীরতা কত?

১০. এলোমেলোভাবে সঙ্গিনীর কাপড় চোপড় খুলতে থাকাঃ  অনেক ছেলেই অতিরিক্ত উত্তেজনায় যেনতেনভাবে তার সঙ্গিনীর কাপড় চোপড় খুলতে থাকে ফলে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যেমন ছেলেটি মেয়েটির গেঞ্জি খুলতে গেলে ওর হাতে আটকে যায় বা জিন্স খুলতে গেলে প্যান্টির সাথে আটকে যায়। এরকম হলে মেয়েটি একটি অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়ে যায়। এমনিতেই নারীসুলভ লাজুকতায়, নিজের স্বামীর সামনেও নগ্ন হতে গিয়ে অনেক স্ত্রীর সামান্য লজ্জা লাগতে পারে, যা তার যৌন সুখের পথে বাধা হয়ে দাড়ায়। এছাড়াও একটি ছেলে তার কাপড় খুলতে গিয়ে তাকে অর্ধনগ্ন করে আটকে গিয়েছে, এরকম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে মেয়েরা পড়তে চায় না। তাই ছেলেদের অত্যন্ত যত্নেরসাথে মেয়েটির কাপড় খুলে তাকে তার নগ্নতার লজ্জাকে কাটিয়ে উঠার সুজোগ দিতে হবে। তবে দুজনের সম্মতিতে উম্মাদ-মাতাল সেক্সের ব্যপার-স্যপার হলে অন্য কথা!
১১. মেয়ের অন্তর্বাস নিয়ে টানাটানি শুরু করাঃ সেক্সের সময় সঙ্গিনীর ব্রা-প্যান্টির উপর দিয়ে হাত বুলিয়ে দেওয়া এমনকি এরউপর দিয়ে চাটা মেয়েটির জন্য অত্যন্ত সেক্সী আনন্দদায়ক হলেও তার ব্রা-প্যান্টি নিয়ে টানাটানি করাটা নয়। এতে তার সংবেদনশীল স্থানগুলোতে ব্যথা লেগে পুরো সেক্সের মুডটাই নস্ট হয়ে যেতে পারে। তাই এক্ষেত্রে সাবধান!
১২. সঙ্গিনীর যোনির প্রতি অতিরিক্ত আসক্ত থাকাঃ অনেক ছেলেমেয়েদের যোনি চোষাটা ঘৃন্য মনে করলেও বেশির ভাগ ছেলেই একবার মুখ দিয়ে সেখানের স্বাদ অনুভব করার পর থেকে এর পরতি চরমভাবে আসক্ত হয়ে পড়ে। এমনকি যারা যোনিমুখ দেয়ও না তারাও অন্তত হাত দিয়ে হলেও মেয়েদের সবচাইতে গোপনস্থানটিকে বারবার আদর করার লোভ সামলাতে পারেন না। সেটা ঠিক আছে। কিন্ত অনেকেই এর প্রতি এতটাই আসক্ত হয়ে পড়ে যে দেখা যায়, তার সঙ্গিনীর যে যোনি ছাড়াওযৌনসংবেদী প্রায় পুরো একটা দেহইরয়েছে সে কথা ভুলে যায়। তাই সেক্সের শুরুতেই এমনকি বেশিরভাগ সময়ই মুখ দিয়ে না হলে হাত দিয়ে ঘুরেফিরে যোনিটাকেই বেশি উত্তেজিত করার চেষ্টা করে।কিন্ত এর জন্য সঙ্গিনী পুরো সময়টাই অসহ্যবোধ করে কারন ছেলেদের মত শুধু লিঙ্গতে সুখ পেয়েই তারা এত সহজে যৌনত্তেজিত হতে পারে না। মেয়েরা তাদের সারাদেহেই তার সঙ্গীর আদর পেতে চায়।
১৩. রুক্ষভাবে সঙ্গিনীর দেহে ম্যাসাজ করাঃ সেক্সের সময় সঙ্গিনীকে উত্তেজিত করে তোলার জন্য যে শৃঙ্গার (Foreplay) বাযৌন আদর করা হয় তার মধ্যে অন্যতম হল তার সারা দেহে ম্যাসাজ করে দেয়া।বিশেষ করে কর্মজীবী মেয়েদের সঙ্গীরা এই উপায়ে সারাদিন কাজ থেকে ফিরে ক্লান্ত অবসন্ন সঙ্গিনীর নিস্তেজ দেহকে এভাবে সেক্সের জন্য প্রস্তুত করে তুলতে পারেন (এ ব্যাপারে এখন বিস্তারিত কিছুবলছি না কারন, সেক্সুয়াল ম্যাসাজ করা নিয়ে একটা পুরো একটা বইই লিখে ফেলা যায়। তাই এখন নয়)। তবে নিজের উত্তেজনায় অনেক ছেলেই সঙ্গিনী ব্যাথা পাচ্ছে কিনা একথা চিন্তা না করেই জোরে জোরে রুক্ষভাবে ম্যাসাজ করতে থাকে। এরকম করাটা পরিহার করতে হবে।
১৪. মেয়ের আগেই নিজের কাপড় খুলতেশুরু করাঃ মেয়ে কোন কিছু করার আগেই কেউ তার কাপড় চোপড় খোলা শুরু করবেন না। মেয়ে যতক্ষন পর্যন্ত না উত্তেজিত হয়ে আপনার কাপড় খোলায় মনোযোগ না দেয় ততক্ষন পর্যন্ত নিজে কিছু করার দরকার নেই। মেয়ে যদি আপনার প্যান্টের বোতাম খুলতে চেষ্টা করে, শার্ট টেনে ধরে ইত্যাদি কাজগুলোই আপনার কাপড় খোলার জন্যমেয়েটির থেকে সংকেত বলে ধরে নিতে হবে।
১৫. প্রথম থেকেই জোরে জোরে মৈথুনকরাঃ লিঙ্গে মেয়ের তপ্ত যোনির স্পর্শ সব ছেলের জন্যই পাগল করে দেওয়া এক স্পর্শ। বেশিরভাগই এ স্পর্শে উম্মাদের মত হয়ে গিয়ে যোনিতে লিং ঢুকার সাথে সাথেই এমনভাবে মৈধুন (থাপানো!!!) করতে থাকে যেন আজ আজই যোনি থেকে বাচ্চা বের করে ফেলবে। কিন্ত এভাবে শুরু করলে বেশ কিছু সমস্যা হয়। প্রথমত, এভাবে জোরে জোরে মৈথুন করলে মেয়েটির যোনি রসে টইটম্বুর হলেও যোনির ভিতরে, বিশেষ করে বেশি টাইট হলে, ছেলেটির লিঙ্গের অবস্থানের সাথে মেয়েটি অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারে না। ফলে তার যৌনসুখ অনেকখানি কমে যায়। এছাড়াও প্রথমে এভাবে জোরে জোরে শুরু করলে কি্ছুক্ষন এভাবে মৈথুন করেই ছেলেটি একটু হাপিয়ে যেতে পারে, তাই স্বভাবতই পরে সে আস্তেআস্তে মৈথুন করতে থাকে। কিন্ত মেয়েটি জোরে মৈথুন করায় যে মজা পেয়ে যায়, পরবর্তীতে এ আস্তে আস্তে করায় তার তৃপ্তি কমে যায়।তার উপর যে সময়টিতে মেয়েটির অর্গাজম (চরম সুখ) সমাগত, সেই সময়েই মেয়েটি চায় আরো বেশি উগ্রভাবে তার সঙ্গীর থাপ খেতে। তাই প্রথমে আস্তে আস্তে শুরু করে তারপর মৈথুনের জোর বাড়াতে হবে। আরো পড়ুন.......
Read More

সেক্সের সময় ছেলেরা যে ২৫টি ভুল গুলো করে থাকে।- সেক্সের জ্ঞান


সেক্সের বই এর তালিকা...


বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় আমাদের দেশের ছেলেরা সেক্সের সময় মেয়েদের আনন্দ দেওয়ার চেয়ে তাদেরকে লোভনীয় খাদ্যের মত গপাগপ গিলতেই বেশি পছন্দ করে। তাই এদেশের বহু মেয়ের কাছে (সবাই নয়) চরম যৌন সুখ পাওয়া যেনএক বহু আরাধ্য বস্তু। ছেলেদের এই রাক্ষুসে মনোভাবের কারনেই অনেকসময় দেখা যায় যে তারা তাদেরRelationship টিকিয়ে রাখতে ব্যর্থ হয়। এমনকি এর ফলে বিয়ের মত অনেক বন্ধনও ধ্বংসের মুখে পড়ে যাচ্ছে, পরকীয়া প্রেমের সূত্রপাত ঘটছে। এর মূল কারনই হলসেক্স ও মেয়েদের যৌন ইচ্ছা-আকাঙ্খা সম্পর্কে ছেলেদের স্বচ্ছ ধারনার অভাব। বিদেশি ভাষায় এসব বিষয়ে অনেক বই পত্র থাকলেও বাংলায় তেমন নেই বললেই চলে। তাই কিছু বিদেশি বইয়ের সাহায্য নিয়ে ও নিজের অভিজ্ঞতা থেকে সেক্সের সময় ছেলেদের যে সকল ভুলের কারনে তাদের সঙ্গিনীর বিরাগ ভাজন হতে হয় তার কয়েকটি সংক্ষিপ্তাকারে তুলে ধরলাম। সময়ের অভাবে আপাতত এসকল ভুলের প্রতিকার ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন জানার বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত লিখতে পারলাম না। তবে লেখা সবারভালো লাগলে ভবিষ্যতে সম্পুর্ন বাংলায় একটা সারগর্ভ সেক্স গাইডলেখার কথা চিন্তা করব।
১. প্রথমে চুমু না খাওয়াঃ সেক্সের শুরুতেই সঙ্গিনীকে আদরের সাথে চুমু না খেয়ে তার যৌন কাতর স্থানগুলোতে (স্তন, যোনি, নিতম্ব, নাভী ইত্যাদি) চলেগেলে তার ধারনা হতে পারে যে আপনি তাকে টাকা দিয়ে ভাড়া করে দ্রুত সেই টাকা উসুল করার চেষ্টা করছেন। গভীরভাবে ভালোবাসার সাথে সঙ্গিনীকে চুমু খাওয়া দুজনের জন্যই প্রকৃতপক্ষে এক অসাধরন যৌনানন্দময় সেক্সের সূচনা করে।
২. দাড়ি না কামানোঃ অনেকেই দাড়ি না কামিয়ে সেক্স করেন, এই মনে করে যে আসল কাজ তো আমার হাত আর লিঙ্গের! কিন্ত যখন আপনার সঙ্গিনীকে চুমু খাবেন, তার স্তন চুষবেন, তার সারা দেহে জিহবা বুলাবেন এবং বিশেষ করে যখন তার যোনি চুষবেন তখন আপনার ধারালো খোচা খোচা দাড়ি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আপনার সঙ্গিনীকে আনন্দ নয় বরং অসস্তি ও ব্যথা দেবে। তাই সেক্সের আগে ভালোমত দাড়ি কামিয়ে নেয়া উচিত।
৩. প্রথম থেকেই জোরে জোরে স্তন টিপাঃ বেশীরভাগ সময়ই দেখা যায় ছেলেরা মেয়েটির স্তন হাতের কাছেপাওয়া মাত্রই এমনভাবে টিপা শুরুকরে যেন ময়দা মাখাচ্ছে। কিছু Extreme মেয়ে এরকমটা পছন্দ করলেও বেশীরভাগ মেয়েই চূড়ান্ত উত্তেজিত হওয়ার আগে এরকম করাতে বেশ ব্যথা পায়। তাই প্রথমে নিজের উত্তেজনাকে একটু দাবিয়ে রেখে হলেও ধীরে ধীরে আদরের সাথেওর স্তনে হাত বুলিয়ে বুলিয়ে টিপা শুরু করতে হবে।বে মেয়েই যদি জোরে টিপতে বলে তবে সেক্ষেত্রে কোন সমস্যা নেই।- আরো পড়ুন নারী দেহের টিপার স্থান
৪. স্তনের বোটায় কামড় দেয়াঃ কিছুব্যতিক্রম ছাড়া প্রায় কোন মেয়েইসরাসরি তাদের স্তনের বোটায় কামড়খেতে পছন্দ করে না। ছেলেরা মনে করে এখানে কামড় দিলে তাকে বেশি বেশি উত্তেজিত করে তোলা যায়। হ্যা কথাটা আংশিক সত্যি। তবে এরসবচেয়ে ভালো উপায় হল। প্রথমে মুখের ভিতরে যতটুক পারা যায় স্তনটা পুরো বা আংশিক ভরে নিতে হবে তারপর হাল্কা করে দাত বুলানোর মত করে মুখ থেকে স্তনটাবের করতে করতে নিপলে আলতো ভাবে দুই দাঁতের ছোয়া লাগাতে হবে।
৫. আঙ্গুল দিয়ে স্তনের বোটা মোড়ানোঃ অনেক ছেলে এমনভাবে সঙ্গিনীর বোটা আঙ্গুল দিয়ে মোড়ায় যেন তারা রেডিও টিউন করছে। এটা ঠিক নয়। হতে পারে বোটা মেয়েদের স্তনের সবচেয়ে স্পর্শকাতর স্থান, কিন্ত শুধুই বোটায় এরকম করলে সেটা আনন্দদায়কনয়, বরং কিছুটা যন্ত্রনাদায়ক (Teasing) । তাই একহাতের আঙ্গুলে বোটা নিয়ে খেলার সময় অন্য হাত দিয়ে সম্পুর্ন স্তনের উপরও নজর রাখতে হবে।-
৬. সঙ্গিনীর দেহের অন্যান্য অঙ্গের দিকে মনোযোগ না দেয়াঃ সেক্সের সময় ছেলেদের একটা কথা সবসময় মনে রাখতে হবে যে মেয়েদেরস্তন, যোনি আর নিতম্ব এই তিনটিই তাদের একমাত্র যৌনকাতর স্থান নয়। ছেলেদের মূল যৌন কাতর অঙ্গ তাদের দেহের মাত্র কয়েকটি স্থানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও মেয়েদের প্রায় পুরো দেহই স্পর্শকাতর (মেয়েদের দেহের কোন কোন অংশ গুলো বেশি যৌনকাতর তা আপাতত এই সংক্ষিপ্ত রচনায় আর ব্যাখ্যা করছি না।)।তাই তার দেহের এমন একটি স্থানও যেন না থাকে যেখানে ছেলেটির ঠোটের বা হাতের স্পর্শ যায়নি।
৭. ছেলের হাত আটকে যাওয়াঃ সঙ্গিনী যদি আক্রমনাত্নক (Aggressive)সেক্স পছন্দ করে অথবা ছেলে নিজেই চরম উত্তেজিত হয়ে মেয়ের যোনি, স্তন ইত্যাদি স্পর্শ করার জন্য পাগলের মত হাতরাতে থাকে তবে মেয়েটির প্যান্টি বা ব্রা তে তার হাত আটকে যেতে পারে। ফলে বাধ্য হয়ে থেমে সেটা ছাড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে যে রোমান্টিক যৌনতার একটা আবেশ (Mood) তৈরী হয়েছিল তা নস্ট হয়ে যেতে পারে। তাই বেশি Aggressive সেক্স শুরুর আগেই ব্রা-প্যন্টি খুলে নেওয়া ভালো।
৮. ভগাঙ্কুরে আক্রমনঃ অনেক ছেলেই মেয়ের যোনি চুষতে গিয়ে তার ভগাঙ্কুরে (clitoris) জোরে জোরে আঙ্গুল ঘষে বলতে গেলে আক্রমনই করে বসে। যারা জানেন নাতাদের জন্য বলছি ভগাঙ্কুর হলো মেয়েদের সবচেয়ে যৌনকাতর স্থানগুলোর একটি।এর অবস্থান হলযোনির ফুটোর আশেপাশে যে পাতলা চামড়ার মত অংশ (labia) আছে তার উপরের দিকে, মেয়েদের প্রস্রাবেররাস্তার নিচে। মেয়েরা যৌনত্তেজিত হলে এই স্থানটি শক্তহয়ে একটু ফুলে যায় ফলে তা সহজেই দেখা যায়। এই স্থানটি চরম স্পর্শকাতর হলেও এতে জোরে জোরে আঙ্গুল ঘষা মেয়েদের জন্য পীড়াদায়ক। তাই প্রথম দিকে এতে একটু ধীরে ধীরে আঙ্গুল ঘষতে হবে।-ভগাঙ্কুরের ছবি দেখুন
৯. একটু থেমে বিশ্রাম নেওয়াঃ ছেলেরা যেমন চরম উত্তেজনার পথে সামান্য সময়ের জন্য থেমে গেলেও আবার সেই স্থান থেকেই শুরু করতেপারে, মেয়েদের পক্ষে এটা সম্ভব হয়না। তাদের উত্তেজিত হতে যথেষ্ট সময়ের প্রয়োজন। চরম উত্তেজিত হবার পথে হঠাৎ থেমে গেলে তারা আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়, ফলে আবার নতুন করে তাদের উত্তেজিত করে তুলতে হয়। তাই যত কষ্টই হোক মেয়েটির চরম উত্তেজনা না আসা পর্যন্ত তাকে আদর করা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্ট করতে হবে। বাকী অংশ পড়ুন পর্ব ২ এ
Read More

যৌন মিলনের বাসনা কমে যাওয়া

সেক্সের ছবি, সেক্সে ছবি

১। দুই মাসেরও বেশি সময় যাবৎ যৌন ক্রিয়ার প্রতি কোন আগ্রহ অনুভব না করা।
২। যৌনমিলন এড়িয়ে যাওয়া, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যৌনমিলনের বাসনা অত্যন্ত কম অনুভব করা, কিংবা যৌনমিলনের প্রতি দুঃশ্চিন্তা বা উদ্বেগ থাকা।
৩। কখনও কখনও আগেই বীর্যপাত ঘটা,যৌনমিলনের সময় ব্যথা হওয়া, ধ্বজভঙ্গ বা অক্ষমতা কিংবা তীব্র যৌন সুখ পেতে অক্ষমতা।
কী করা উচিতঃ
১। আপনার যৌনজীবন নিয়ে বিভিন্ন রকম অভিজ্ঞতা করে দেখুন- ভিন্নস্থানে যৌনমিলনে লিপ্ত হন,ভিন্ন অবস্থানে বা পজিশনে যৌনমিলন করুন, এবং একই সময়ে যৌনমিলনে লিপ্ত না হয়ে বরং বিভিন্ন সময়ে যৌনমিলনে লিপ্ত হোন।
২। যদি আপনার মধ্যে উদ্বেগ থাকেযে আপনি ঠিক মতো যৌনমিলনে সক্রিয় হয়ে উঠতে পারবেন কি না সেক্ষেত্রে সেটা আপনার যৌনসঙ্গীর সাথে আলাপ করুন, তবে যৌনমিলনের সময় এ কাজটি না করে আগে করুন।
৩। আপনাকে কোন বিষয়গুলো যৌনকার্যে সক্রিয় করে তোলে সে বিষয়ে আপনার সঙ্গীর সাথে আলাপ করুন।
৪। যৌন উদ্দীপক বই পত্র পড়ুন, যৌন উদ্দীপক ছবিও দেখতে পারেন, কিংবা যৌন বিষয়ক কল্পনাতেও নিজেকে নিয়োজিত করে দেখতে পারেন- অবশ্য যদি এগুলো আপনাকে আকর্ষিত করে তবেই।
কখন ডাক্তার দেখাবেনঃ
১। যদি যৌন মিলনের আগ্রহ কমে যাওয়ায় আপনার জীবনসঙ্গীর সাথে সম্পর্কতে ঝামেলা বা অসন্তোষের সৃষ্টি হয়।
২। যদি আপনার মধ্যে ধ্বজভঙ্গ বাএ সংক্রান্ত অক্ষতার জন্ম নেয়, কিংবা যদি যৌন মিলনের সময় যৌনাঙ্গে ব্যথা হয়।
৩। নিজে নিজে যৌন উদ্দীপ্ত হতে অক্ষম হলে, হয়তো আপনার কোন রোগ হয়েছে।
৪। যদি আপনার মনে হয় কোন ওষুধ সেবনের কারণে আপনার এই দশা হয়েছে।
৫। যদি এই কারণে আপনি বিষন্ন এবং বিষাদময় হয়ে ওঠেন।কীভাবে প্রতিরোধ করবেনঃ
১। স্ট্রেস বা চাপ কমাবার লক্ষ্যে যা কিছু করা প্রয়োজন করুন।
২। নিয়মিত ব্যায়াম চর্চা করুন, ভালো খাবার খান এবং প্রচুর পরিমাণে ঘুমান।
৩। আপনার জীবন সঙ্গীকে যথেষ্ট সময় দিন অর্থাৎ তার সাথে যথেষ্টসময় অতিবাহন করুন।
৪। আপনাদের সম্পর্কের মাঝে কোন সমস্যা তৈরি হবার আগেই সমাধানেরপদক্ষেপ গ্রহণ করুন।
সূত্রঃ নারী পুরুষের যৌন শিক্ষা
Read More

কিছু প্রয়োজনীয় "যৌন সঙ্গম" স্টাইল পর্ব ২

সেক্সের আসন,

 
সহবাসের আরো ৩৫ টি আসনের ছবি দেখুন
মহিলা প্রধান আসন
যৌনসঙ্গী অতিরিক্ত মোটা হলে বা দুজনেই মোটা হলে এ ধরনের আসন বেশি কার্যকর বলে যৌন বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন। এই আসনে পুরুষটি চিৎ হয়ে শুয়ে পা সোজা করে রাখবে। এসময় হাঁটু দুটো হাল্কা বাকিয়েও রাখা যায়। ভুড়ি মোটা থাকলে তা দুই হাতে ওপরে টেনে ধরা বাঞ্ছনীয়। এসময় মহিলা তার হাটু বাকিয়ে পুরুষটির যৌনাঙ্গের ওপর মুখোমুখি বসে পুরুষাঙ্গ সহজেই যোনিতে প্রবেশ করিয়ে যৌনসঙ্গম করতে পারে। তবে এই ধরনের আসনে মহিলাটি অতিরিক্তমোটা হলে কিছু সমস্যা হতে পারে বলে কিছু লোক মনে করে থাকেন। যেমন এতে মহিলাটির অতিরিক্ত চাপে পুরুষটি আহত হতে পারে। তবেঅধিকাংশ যৌন বিশেষজ্ঞরা এই আসনটিকে একটি আদর্শ আসন বলে থাকেন। গবেষনায় দেখা যায়, অধিকাংশ মোটা মহিলারা এই আসনটিকে বেশি পছন্দ করে। তবে এইআসনে যৌনসঙ্গম করতে কিছুটা চর্চা ও সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।
বিপরীতমূখী নারীপ্রধান আসন
পুরুষ ও নারী উভয়েরই অতিরিক্ত ভুড়ি থাকলে এই আসনে যৌনসঙ্গম করা যেতে পারে। এই আসনে পুরুসটিচিৎ হয়ে বা পা দুটো সোজা রাখবে বা হাটু হাল্কা বাকিয়ে রাখতে পারে। এসময় মহিলাটি পুরুষটির মুখের দিকে পিঠ দিয়ে হাটু বাঁকিয়ে পুরুষটির উরুর ওপর বসে সহজেই পুরুষাঙ্গ তার যোনিপথে প্রবেশ করাতে পারে। এই ধরনের আসনে দুজনের তলপেট একসাথে হয় নাবলে সহজেই সঙ্গম করা যায়। এসময় পুরুষটি তার মোটা ভুড়ি ওপরে টেনে ধরে মহিলাটিকে সঠিকভাবে বসতে দেয়া প্রয়োজন। তবে এতে সঠিকভাবে সঙ্গম উপযোগী অবস্থান নিতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
পেছনের দিক সঙ্গম করার আসন
পুরুষ ও মহিলা অধিক মোটা হলে বা মহিলাটি গর্ভবতী হলে এই আসনে সঙ্গম করা যেতে পারে। এক্ষেত্রেমহিলাটি হাটু বাকিয়ে সামনের দিকে ঝুকে পা দুটো হাল্কা ফাক করে ধরবে এবং শরীরের ওপরের অংশ নিচু করবে। ফলে যোনিমুখ ওপরে উঠে আসবে। এ সময় পুরুষটি পা বাকিয়ে হাটুর ওপর ভর দিয়ে ভুড়িটি ওপরে টেনে ধরে মহিলাটির পেছন দিক দিয়ে পুরুষাঙ্গ যোনিপথে প্রবেশ করাতে পারে।। পুরুসাঙ্গ যোনিপথে প্রবেশ করাতে পারে। পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করিয়ে তলপেট মহিলাটির নিতম্বের ওপর চেপে রেখে সহজেই সঙ্গম করা যায়। তবে পুরুষাঙ্গ আকারে ছোট হলে বা যোনিমুখ ও যৌনাঙ্গের ভেতরের গঠন অস্বাভাবিক হলে পেছনদিক দিয়ে সঙ্গম করতে কিছুটা সমস্যা হতে পারে। আবার মহিলাটিরউরু অত্যাধিক মোটা হলে তার হাটুগেড়ে বসতে সমস্যা হতে পারে।
সিম’র আসন
এই আসনটিও পেছন দিক দিয়ে যৌনসঙ্গম করার মত এক ধরনের আসন।এক্ষেত্রে মহিলাটি একদিকে ফিরে শুয়ে হাটু বাকিয়ে ওপরে পা যতটা সম্ভব মাথার দিকে টেনে তুলবে এবং নিচের পা সোজা থাকবে। এতে করে যোনিমুখ ওপর দিয়ে বা পেছন দিয়ে সঙ্গমের উপযোগী হবে। এ সময়পুরুষটি তার দুটি পা মহিলাটির নিচের পায়ের দু দিকে রেখে হাটু গেড়ে বসে পেছন দিকে দিয়ে যৌনসঙ্গম করতে পারে। প্রয়োজন হলে পুরুষটি তার হাটুর নিচে বালিশ দিয়ে নিতে পারে। মহিলাটি পুরুষটির চেয়ে অধিক মোটা হলে এ ধরনের আসনে যৌনসঙ্গম করা যেতে পারে। এ আসনটি একটু জটিল তবে চেষ্টা করলে বা চর্চা করলে এই আসনে সঙ্গম করা যেতে পারে।
উল্টা আসন (অপসাইড ডাউন পজিশন)
এতে পুরুষ ও মহিলা এমনভাবে বিছানায় কাৎ হয়ে শোবে যাতে একজনের পা অন্যজনের মাথার দিকে থাকে। এভাবে আস্তে আস্তে যৌনাঙ্গ সঠিকস্থানে এনে এই আসনেযৌনসঙ্গম করা যেতে পারে। এতে দুজনের পেটে কোনো সংযোগ ঘটে না।
টি-বর্গ আসন
এই আসনে মহিলাটি তার পা দুটি যতটা সম্ভব ফাঁক করে পিঠের ওপর যথারীতি শোবে। পুরুষটি তার কটিরওপর কাৎ হয়ে শুয়ে মহিলাটির পা দুটি ওপরে তুলে ধরে সহজেই সঙ্গমকরতে পারে। এতে তলপেটের সংযোগ ঘটে না।
এক্স-আসন
এটি অনেকটা টি-বর্গীয় আসনের মতই। এক্ষেত্রে মহিলাটি চিৎ হয়েশুয়ে পা দুটি বাকিয়ে উরুদ্বয় যতটা সম্ভব ফাক করে ধরবে। এই সময় যোনিপথে পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করাবার পর মহিলাটি তার পা দুটি একসাথে করবে এবং পুরুষটির শরীরেতখন ৪৫ ডিগ্রি কোণ সৃষ্টি করবে।এতে করে দুইজনের অবস্থান ইংরেজিবর্ণমালা এক্স-এর আকারের হবে। তবে এটি করার সময় মহিলাটির যোনির পেশি এমনভাবে চেপে রাখা প্রয়োজন যাতে পুরুষাঙ্গ বের হয়েযায়। এই আসনে পরস্পরের ভুড়ি সঙ্গমের বেলায় বাধা সৃষ্টি করে না।দাঁড়িয়ে সঙ্গম করার আসন
এক্ষেত্রে মহিলাটি কোনো বিছানা বা টেবিলের কিনারায় বসে হাল্কা হেলান দিয়ে পা দুটি ফাক করে দুটি চেয়ারের ওপর রাখতে পারে। পুরুষটি তখন মহিলাটির পায়ের মাঝে দাড়িয়ে বা প্রয়োজন হলে হাটু গেড়ে বসে যৌন সঙ্গম করতে পারে। প্রয়োজন হলে মহিলাটি শুয়েথাকতেও পারে। এরপর মহিলাটি দাড়িয়ে তার পা দুটি পুরুষটির পায়ের দুদিকে দিয়ে যোনিপথে পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করিয়ে সঙ্গম করতে পারে। এসময় প্রয়োজন হলে পুরুষটি তার পিঠের নিচে বালিশ দিয়ে নিতে পারে। সুতরাং এই আসনটি দুইভাবে চর্চা করা যায়। তবে এই আসনে যৌনসঙ্গম করতে গেলেপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্রের প্রয়োজনহয়। অনেক সময় মহিলাটি সামনের দিকে ঝুকে হাত দুটি বিছানার ওপররাখলে পিছন দিক দিয়ে যৌনসঙ্গম করা যায়। এসময় এক পা ওপরে তুলে রাখলে সঙ্গম আরো সহজতর হয়।
অতিরিক্ত মোটা হলে যৌন সঙ্গমের বেলায় তাদের সঙ্গমকে সফল করতে প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। যেমন-প্রয়োজনীয় বিছানা, টেবিল, চেয়ার ইত্যাদি।
ওরাল সেক্স (বাংলাদেশের জন্য নয়)
ওরাল সেক্স উপভোগ করতে জানলে অত্যন্ত আনন্দদায়ক হতে পারে। সাধারণত মোটা মহিলারা ওরাল সেক্সের বেলায় বেশ পটু হয়ে থাকে। তবে যে জিনিসটি মনে রাখা প্রয়োজন তা হলো- ওরাল সেক্স আসলে এক তরফা কিছু নয়। মুখ মেহনের মাধ্যমে যৌনসঙ্গী দুজনই পরস্পরকে আনন্দ দিতে পারে। যৌন বিশেষজ্ঞরা ৬৯ পদ্ধতির ওরাল সেক্সের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। মুখ মেহন বা ওরাল সেক্স যৌনসঙ্গমের অংশও বটে। এর মাধ্যমে যৌনসঙ্গমকে আরো অধিক আনন্দময় করা যেতে পারে।
সঙ্গম বিহীন যৌনতা
যোনিপথে পুরুষাঙ্গ প্রবেশ না করিয়েও অনেক সময় যৌন আনন্দ লাভ করা যায়। যেমন- যোনিপথে কৌশলে আঙ্গুল প্রবেশ করিয়ে মহিলাটিকে যৌন আনন্দ দেয়া যায় যৌন উত্তেজকআলোচনা, শৃঙ্গার, হাসি ঠাট্টা, স্পর্শ করা, উত্তেজক বই পড়া বা উত্তেজক ছবি দেখা ইত্যাদি বিভিন্ন ভাবে যৌন আনন্দ লাভ করাযায়। মনে রাখা প্রয়োজন পরস্পর খুব কাছাকাছি থাকার ফলে সঙ্গমেরআনন্দ লাভ না করতে পারলেও অন্ততভালোবাসার আনন্দ পাওয়া যায়।
Read More