Islam লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Islam লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

প্রশ্নঃ পায়ে মেহেদি দেয়া কি জায়েজ


প্রশ্নঃ পায়ে মেহেদি দেয়া কি জায়েজ কি না এবং পায়ে বা পায়ের নখে মেহেদী ব্যবহার করা বেয়াদবী হবে কি? শুনেছি রাসূল (সাঃ) দাঁড়িতে মেহেদী ব্যবহার করতেন তাই পায়ে মেহেদি ব্যবহার করতে মুরুব্বিরা নিষেধ করে। এটা কি ঠিক?
উত্তর পড়ুন : পায়ে মেহেদি দেয়া কি জায়েজ
Read More

bukhari sharif full pdf

hadees al bukhari  Description:

Generally regarded as the single most authentic collection of hadith, Sahih al Bukhari covers almost all aspects of life in providing proper guidance from the Messenger of Allah. This book is the work of over 16 years by Imam al-Bukhari who before writing any hadith in this book performed two rak’ahs prayer of guidance from Allah and when he was sure of the hadith’s authenticity, he wrote it in the book.


Book Name: SAHIH Al BUKHARI 

Translator: M. Muhsin Khan 

Author : Muhammad ibn Ismaeel al-Bukhari 

Size: 5.78 Mb

Total Page: 1700 Sources:  Islam Spirit Website

Download now (PDF)

Read More

Download bangla islamic song mp3

ডাউনলোড করুণ আপনার প্রিয় ইসলামি সঙ্গীত হামদ-নাত। বাংলা ইসলামী ও গজল সঙ্গীতের বিশাল সংগ্রহ।  ইসলামী সঙ্গীত কলরব, bangla islamic song mp3, bangla islamic song


Read More

লেংটা হয়ে গোসল করা কি জায়েয?

প্রশ্নঃ নখ পালিশ ব্যবহার করে ওযু করার বিধান কি?

Read More

রোজাদার নারীদেরর জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা

১. প্রসব ব্যথায় রোজা ভাঙা : যদি রোজা না ভাঙলে গর্ভবতী মহিলার অথবা বাচ্চার কোনো ক্ষতি হওয়ার প্রবল আশঙ্কা থাকে, তাহলে রোজা ভেঙে ফেলা বৈধ। এ ক্ষেত্রে তার ওপর রোজার কাজা করা ওয়াজিব, কাফফারা নয়। এ ধরনের আশঙ্কা ছাড়া রোজা ভাঙা গুনাহ। তাতে কাফফারা দেওয়াও ওয়াজিব হবে। তবে যদি ওই দিন সূর্যাস্তের আগেই বাচ্চা জন্ম হয়, তাহলে কাফফারা রহিত হয়ে যাবে। (সূত্র : আহসানুল ফাতাওয়া, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৪৪২) ২. প্রসূতি ও দুর্বল মহিলার বিধান : বাচ্চা জন্ম দেওয়ার পর প্রসূতি অথবা রুগ্ণ দুর্বল মহিলা, যে রোজা রাখতে পারে না, এমতাবস্থায় তার পক্ষে ফিদয়া দেওয়া যথেষ্ট নয়। যদি ফিদয়া দিয়ে দেয় এবং পরে সুস্থ হয় এবং ক্ষমতা এসে যায়, তাহলে ওই রোজার কাজা করা জরুরি। (সূত্র : ফাতাওয়া দারুল উলুম, খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৪৭৮) ৩. দুধ পান করালে রোজা ও অজু ভাঙে না : দুধ পান করানোর দ্বারা মহিলাদের রোজা ও অজু ভাঙে না। রোজা এ জন্য ভাঙে না, দুধ বের হওয়াই স্বাভাবিক। রোজা তো পানাহার ও যৌনাচার থেকে বিরত থাকার নাম। (সূত্র : ফাতাওয়া দারুল উলুম, খণ্ড ৫, পৃষ্ঠা ৪০৮) ৪. ঋতুবর্তী মহিলার রমজানুল মোবারকে পানাহারের বিধান : রমজান মাসে মহিলাদের মাসিক ঋতু চলার কারণে রোজা না রাখলে অথবা রোজা রাখার পর ঋতু শুরু হলে তার জন্য পানাহার করা বৈধ। তবে অন্য লোকদের সামনে পানাহার করা উচিত নয়। দিনের বেলায় যদি ঋতু বন্ধ হয়ে স্বাভাবিক হয়ে ওঠে, তাহলে দিনের বাকি অংশে রোজাদারের মতো পানাহার ও যৌনাচার বর্জন করা ওয়াজিব। (সূত্র : আহসানুল ফাতাওয়া, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৪২০) ৫. রোজা অবস্থায় বাচ্চাকে মুখ দিয়ে চিবিয়ে খাওয়ানো : রোজা রাখা অবস্থায় নিজের ছোট বাচ্চাকে মুখ দিয়ে চিবিয়ে কোনো খাদ্য খাওয়ানো মাকরুহ। (সূত্র : বেহেশতি যেওর, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ১৩)।
আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।
Read More

রমজানের দিনের বেলা ইচ্ছাকৃতভাবে বীর্যপাত ঘটালে কী হবে?

নিজ স্ত্রী ব্যতীত অন্য কোন ভাবে বীর্যপাত করা হারাম। আল্লাহ রাববুল আলামীন বলেন : وَالَّذِينَ هُمْ لِفُرُوجِهِمْ حَافِظُونَ ﴿5﴾ إِلَّا عَلَى أَزْوَاجِهِمْ أوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُمْ فَإِنَّهُمْ غَيْرُ مَلُومِينَ ﴿6﴾فَمَنِ ابْتَغَى وَرَاءَ ذَلِكَ فَأُولَئِكَ هُمُ الْعَادُونَ ﴿7﴾ (المؤمنون: 5-7) ‘‘(মুমিন তারা) যারা নিজেদের যৌন অঙ্গকে সংযত রাখে। নিজেদের স্ত্রী অথবা অধিকারভুক্ত দাসীগণ ব্যতীত। এতে তারা নিন্দনীয় হবে না। এদের ছাড়া অন্য কিছু কামনা করলে তারা সীমা লঙ্ঘন কারী হবে।’’ সূরা আল- মুমেনুন : ৫-৬ আর এ ধরনের কাজে শরীরেরও ক্ষতি। রমজানের দিনের বেলা কোন সাওম পালনকারী যদি এ ধরনের কাজ ইচ্ছাকৃত ভাবে করে ফেলে তাহলে সে গুনাহগার হবে। তার ঐ দিনের সাওম কাজা করতে হবে। কারণ বীর্যপাত করা সহবাসের মতই। বুখারীতে এসেছে আয়েশা (রা:) বলেনে : كان رسول صلى الله عليه وسلم يقبل وهو صائم، وكان أملككم لإربه. ‘‘আল্লাহর রাসূল [সা.] সাওম অবস্থায় স্ত্রীকে চুমো দিতেন। কিন্তু তিনি নিজেকে নিয়ন্ত্রণে সামর্থ্য ছিলেন।’’ একথার দ্বারা বুঝে আসে যে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না রমজানের দিনের বেলা সাওম অবস্থায় তার চুমো দেয়া জায়েয নেই। চুমো দিতে যেয়ে কামাবেগে যদি বীর্যপাত হয়ে যায় তাহলে সাওম নষ্ট হয়ে যাবে। তবে কাফ্ফারা আদায় করতে হবে না। কাজা আদায় ও তওবা করতে হবে। যার উপর সাওমের কাজা ওয়াজিব সে পরবর্তী রমজান আসার আগে যদি কাজা আদায় না করে তবে তার এ অলসতার জন্য তওবা ইস্তিগফার করতে হবে, কাজা আদায় করতে হবে ও প্রতিটি সাওমের পরিবর্তে একজন মিসকীনকে খাদ্য দান করতে হবে। সাহাবায়ে কেরামের এক জামাত এ ফতওয়া দিয়েছেন। একটি সাওমের কাফ্ফারা হল অর্ধ সা খাদ্য যা বর্তমানে প্রায় এক কেজি পাঁচশো গ্রাম পরিমাণ হয়ে থাকে। আল্লাহ তাআলাই সর্বাধিক জ্ঞাত।
Read More

রমযান মাস ধর্ম ব্যবসায়ীদের মাস ।

 
 আমরা দেখতে পাই আমাদের দেশের মিডিয়া গুলি সারা বছর উল্টা পাল্টা চলে
রমযান মাস আসলে সাধু সাজে।
মেয়ে সাংবাদিকরা সাংঘাতিক বেপর্দা হতে বের হয়ে আসে।
সারা বছর নানান রকম  গান বাজনা, নায়ক নায়িকাদের বেহাইয়াপনা প্রচার করে
রমযান এলে প্রচার করে বিভিন্ন কোরআন হাদিসের বানী।
ছাড়ে বিভিন্ন হামদ ও নাত।
কিন্তু রমযান যখন চলে যায় তাদের মাঝে এই সব খুজে পাওয়া যায় না।
মোবাইল অপারেটর গুলি চালু করে সেহরি ও ইফতারের এলার্ট সার্ভিস।
এর বিনিময়ে কেটে নেয় নির্দিষ্ট পরিমাণে টাকা।

আর এর চেয়ে ভয়াবহ ব্যাপার হল রমযান এলে আমাদের দেশের ব্যবসায়িরা
 ডাকাত হয়ে যায়।
নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়িয়ে আকাশ ছুয়ে যায়।
যে মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আগের চেয়ে কমার কথা তা না হয়ে এর বেড়ে
গুণ থেকে কোন কোন পণ্যের তিন গুন পর্যন্ত বেড়ে যায়।
এই যদি অবস্থা হয় তা হলে গরীব কি খেয়ে রোযা রাখবে?
বর্তমানে সময়ে তো বাজারে ভালো সবজীও নেই,
আলু , পটল , কাকরল, ছাড়া বাজারে আর কি আছে?
টমেটো, শিম এখনো বাজারে আসেনি?
যদি বাজারে আসলে তার দাম হবে প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৫০ টাকা।
কয় দিন আগে মানব জমিনে দেখলাম পেঁয়াজের প্রতি কেজিতে ব্যবসায়িদের লাভ
১৮ টাকা।
এই যদি আবস্থা হয় তা হলে গরিবের পেটে ডাল ভাত ছাড়া আর কিছু জুটবেনা।
ব্যবসায়ীরা কি পারতো না এই একটি মাসে তারা লাভ কম করে বাজার কে নিয়ন্ত্রণ
রাখতে?

কিন্তু তারা করবে না।
করলে তাদের হালুয়া রুটিতে পিঁপড়া ঊঠে যাবে।
বলেছিনা রমজান মাস ধর্ম ব্যবসায়ীদের মাস।

কিন্তু ইসলাম ধর্ম রিতি অনুযায়ি আমাদের দেশের আলেম উলামারা যখন রাজনিতি
করে তখন তাদের কে বলে ধর্ম ব্যবসায়ী।

এটায় হল আমদের দেশের অবস্থা।     


আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ। এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?
Read More

বিবাহের পর স্ত্রীর জন্য স্বামীর দোয়া

বিয়ের পর নতুন দম্পতি নামাজ পড়ছেন বাসর ঘরে ♥

নামাজের পর নবপরিনিতা স্ত্রী তার স্বামীকে জিজ্ঞেস
করল ''কি দোয়া করলে?''

উত্তরে স্বামী বললঃ ''দোয়া করেছি আজ যে হাত
ধরে নতুন জীবনে প্রবেশ করেছি, সেই হাত ধরেই যেন
জান্নাতে প্রবেশ করতে পারি" ♥

হে আল্লাহ্! সব দম্পত্তি যেন এমন সুখী ও সৎ চিন্তার
হয় ♥

বিবাহের পর স্ত্রীর জন্য স্বামীর দোয়াটি নিন্মরূপ :
ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻲْ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﺧَﻴْﺮَﻫَﺎ ﻭَﺧَﻴْﺮَ ﻣَﺎ ﺟَﺒَﻠْﺘَﻬَﺎ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺃَﻋُﻮْﺫُ
ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّﻫَﺎ ﻭَﺷَﺮِّ ﻣَﺎ ﺟَﺒَﻠْﺘَﻬَﺎ ﻋَﻠَﻴْﻪِ -

উচ্চারণ : আল্লা-
হুম্মা ইন্নী আসআলুকা খায়রাহা ওয়া খায়রা মা জাবালতাহা ‘আলাইহি,
ওয়াআ‘ঊযুবিকা মিন
শার্রিহা ওয়া শার্রি মা জাবালতাহা ‘আলাইহি।

অনুবাদ : ‘হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট তার মঙ্গল
চাই এবং তার সেই কল্যাণময় স্বভাব প্রার্থনা করি, যার
উপরতুমি তাকে সৃষ্টি করেছ। আর আমি তোমার নিকট
আশ্রয় চাই তার অনিষ্ট হ’তে এবং সেই মন্দ স্বভাবের
অনিষ্ট হ’তে, যা দিয়ে তুমি তাকে সৃষ্টি করেছ’।
এই সময় স্ত্রীর মাথায় হাত রেখে স্বামী উক্ত বরকতের
দো‘আটি করতে হয় । এর মধ্যে স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের
প্রতি ক্ষমাশীল ও দয়াশীল হয়ে দাম্পত্য জীবন যাপন
করার ইঙ্গিত রয়েছে।

( আবুদাঊদ, ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/২৪৪৬,‘দো‘আ
সমূহ’ অধ্যায়-৯, অনুচ্ছেদ-৭; মিরক্বাত ৫/২১৬ )



শেয়ার করে আপনার বন্ধুদেরকে জানান । তাদের কে জানতে দিন অজানা বিষয় গুলি। ফেসবুকে যোগাযোগ করুণ https://www.facebook.com/sayed.rubel3
Read More