নারী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
নারী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বর কে খুশি করার উপায় ও নিয়ম

প্রশ্নঃ বর কে খুশি করার উপায় কি? কি করলে বর বউয়ের প্রতি খুবই খুশী হয়?

উত্তরঃ সুখী দাম্পত্য জীবন গঠনে স্বামীকে খুশী রাখার চেষ্টা প্রত্যেক স্ত্রীর করা উচিত। সংসারে স্বামীকে খুশি ও আনন্দিত রাখতে স্বামীর পছন্দ ও অপন্দনীয় কাজ গুলো সম্পর্কে জেনে পছন্দের কাজের দ্বারা স্বামীকে খুশি রাখা যায় ও অপছন্দনীয় কাজ করা থেকে বিরত থেকে স্বামীর অসন্তুষ্টির হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।


বরকে খুশি রাখতে আমার কাছে এমন কিছু পরামর্শ আছে যা স্বামীদের কাছে খুবই পছন্দের ও এই কাজ গুলোর দ্বারা স্বামীরা স্ত্রীর প্রতি খুবই খুশী হয়। তাই আপনার বরকে খুশী করতে এই কাজ গুলো করুন। সম্পূর্ণ পরামর্শ পড়তে নিচের ছবির উপরে ক্লিক বা টাচ করুন।


Read More

মেছতার দাগ দূর করার উপায়


মেছতার যাতনা ভোগ করে থাকেন অনেকেই। মুখে মেছতা হলে মুখের সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। মেছতার দাগ দূর করার ক্রিম ব্যবহার না করে কিছু ঘরোয়া উপায়ের মাধ্যমে মেছতার দাগ দূর করুন।

বিস্তারিত পড়ুন ঃ মেছতার দাগ দূর করার ঘরোয়া উপায়
Read More

মেয়েদের ৬ টি গোপন কথা

মেয়েরা সব ক্ষেত্রেই খুব আবেগী হয়। তাদের এ আবেগ আচরণের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। অন্যদিকে ছেলেদের বেলায় ঠিক তার উল্টো। ছেলেরা সব কথা মুখে বলতে ও শুনতে পছন্দ করেন।

ছেলেদের মনের অজানা কথা বুঝতে না পারার কারণে মেয়েরা বেশিরভাগ সময় অভিমান করে। আর এতে করে ঝামেলায় পড়তে হয় ছেলেদের।
Read More

বাঁকা চুল সোজা করার উপায়

প্রত্যেক নারী নিজের চুলের প্রতি সবচেয়ে বেশি যত্নশীল হয়ে থাকে। বেশিরভাগ নারী সিল্কি ও সোজা চুল পছন্দ করে। তবে চুল সোজা করার জন্য অনেকে আর্টিফিশিয়াল সাহায্য নিয়ে থাকেন। কিন্তু ঘরে বসেই প্রাকৃতিক উপাদানের মাধ্যমে খুব সহজেই বাঁকা চুল সোজা করা যায়। বিস্তারিত দেখুনঃ বাঁকা চুল সোজা করার উপায় এ। 

Read More

আকর্ষনীয় নারী। নারীদের যে বিষয়ের প্রতি দারুণ আকৃষ্ট ছেলেরা…?


Read More

প্রশ্নঃ আঙ্গুল দিয়ে যৌন তৃপ্তি মিটালে কোন সমস্যা হবে কি? আঙ্গুল যদি যোনিপথে ঢুকিয়ে নিয়ে নিজে যৌন তৃপ্তি মিটাই তাহলে কোন সমস্যা হবে কি?



Read More

স্বামীকে যৌন সুখ দেওয়ার উপায়


Read More

রোজাদার নারীদেরর জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা

১. প্রসব ব্যথায় রোজা ভাঙা : যদি রোজা না ভাঙলে গর্ভবতী মহিলার অথবা বাচ্চার কোনো ক্ষতি হওয়ার প্রবল আশঙ্কা থাকে, তাহলে রোজা ভেঙে ফেলা বৈধ। এ ক্ষেত্রে তার ওপর রোজার কাজা করা ওয়াজিব, কাফফারা নয়। এ ধরনের আশঙ্কা ছাড়া রোজা ভাঙা গুনাহ। তাতে কাফফারা দেওয়াও ওয়াজিব হবে। তবে যদি ওই দিন সূর্যাস্তের আগেই বাচ্চা জন্ম হয়, তাহলে কাফফারা রহিত হয়ে যাবে। (সূত্র : আহসানুল ফাতাওয়া, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৪৪২) ২. প্রসূতি ও দুর্বল মহিলার বিধান : বাচ্চা জন্ম দেওয়ার পর প্রসূতি অথবা রুগ্ণ দুর্বল মহিলা, যে রোজা রাখতে পারে না, এমতাবস্থায় তার পক্ষে ফিদয়া দেওয়া যথেষ্ট নয়। যদি ফিদয়া দিয়ে দেয় এবং পরে সুস্থ হয় এবং ক্ষমতা এসে যায়, তাহলে ওই রোজার কাজা করা জরুরি। (সূত্র : ফাতাওয়া দারুল উলুম, খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৪৭৮) ৩. দুধ পান করালে রোজা ও অজু ভাঙে না : দুধ পান করানোর দ্বারা মহিলাদের রোজা ও অজু ভাঙে না। রোজা এ জন্য ভাঙে না, দুধ বের হওয়াই স্বাভাবিক। রোজা তো পানাহার ও যৌনাচার থেকে বিরত থাকার নাম। (সূত্র : ফাতাওয়া দারুল উলুম, খণ্ড ৫, পৃষ্ঠা ৪০৮) ৪. ঋতুবর্তী মহিলার রমজানুল মোবারকে পানাহারের বিধান : রমজান মাসে মহিলাদের মাসিক ঋতু চলার কারণে রোজা না রাখলে অথবা রোজা রাখার পর ঋতু শুরু হলে তার জন্য পানাহার করা বৈধ। তবে অন্য লোকদের সামনে পানাহার করা উচিত নয়। দিনের বেলায় যদি ঋতু বন্ধ হয়ে স্বাভাবিক হয়ে ওঠে, তাহলে দিনের বাকি অংশে রোজাদারের মতো পানাহার ও যৌনাচার বর্জন করা ওয়াজিব। (সূত্র : আহসানুল ফাতাওয়া, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৪২০) ৫. রোজা অবস্থায় বাচ্চাকে মুখ দিয়ে চিবিয়ে খাওয়ানো : রোজা রাখা অবস্থায় নিজের ছোট বাচ্চাকে মুখ দিয়ে চিবিয়ে কোনো খাদ্য খাওয়ানো মাকরুহ। (সূত্র : বেহেশতি যেওর, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ১৩)।
আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।
Read More

আমার বক্ষে ঠিক কতজন পুরুষ স্পর্শ করেছে তা গুনে বলা দুস্কর।-তামান্না সেতু



আমার বক্ষে ঠিক কতজন পুরুষ স্পর্শ করেছে তা গুনে বলা দুস্কর। তবে আমার সন্তান সম্ভবত তার মায়ের চোখের প্রতিটি জলের হিসেব রেখেছে। 
বাসে উঠতে-নামতে, মার্কেটে, ওভার ব্রিজে, ফুটপাতে এমনকি বোনের বিয়ের বড়যাত্রী বরনেও কিছু নাম না জানা হাত ছুয়ে গেছে আমায়। 
তারপরও ঠিক ঐ বাড়ির বউ হয়েই গিয়েছে আমার বোন। কি করার আছে?
প্রথমে নিজের ভেতর নিজে গুটিয়ে গিয়েছি। দু দিন হয়ত স্কুলে যাইনি, এক বেলা ভাত খাইনি, কেঁদে কেঁদে চোখ ফুলিয়েছি কিন্তু তারপর? বাস্তবতা আর বয়ে চলা সময় আমাকে আবার নিয়ে ফেলেছে রাশি রাশি হাতের ভিড়ে। 
দিনের পর দিন হরতাল দিলে যেমন একটা সময় যে দলের হরতাল সে দলের মানুষকেও জীবিকার টানে পেট্রোল বোমার ভয় নিয়েই বাসে উঠে বসতে হয়। ঠিক তেমন আমাকেও বের হতে হয়েছে। বাসে উঠতে হয়েছে, মার্কেটে যেতে হয়েছে। আর হাতগুলো একটাবারও ক্ষমা না করে আমায় ছুয়ে গেছে।
আমি আবার কিছুদিন কেঁদেছি, মগের পর মগ পানি দিয়ে গোসল করেছি!! হায়রে সব ধুয়ে যায় কেবল আমার বিবেক ধুয়ে যায় না।
খুব পরিষ্কার একটা সৃতি- একদিন নিউ মার্কেট গিয়েছি বার হাত লম্বা শাড়ি পরে, ঘার তোলা ব্লাউজ। পাশ দিয়ে দু'জন ছেলে চলে গেল, বয়সে আমার ছেলের থেকে ৪/৫ বছরের বেশী হবে বড় জোর। বলল -"এই যে, এত ঢেকে রাখলে আমরা কি দেখব" ?
আমার পা টা কেমন দুলে উঠল! খপ করে পাশের দোকানের দরজাটা ধরে দাড়িয়ে নিজেকে সামলে নিলাম। আমার ছেলেটা তখনও কিছু না বুঝে আমার দিকে তাকিয়ে আছে।
তারপরও ভীষণ রকম সম্মান ঠিক রাখার দায় নিয়ে আমাকে বলে বেড়াতে হয় -"কই আমায় তো কেউ কোনদিন বাজে কথা বলল না। ছোঁয়া তো দূরের কথা ! "
শুনুন, এই মিথ্যেটা আপনাদের সকলের স্ত্রি, বোন, মা মেয়ে বলে বেড়াচ্ছে। 
আজ ভাবি ঠিক কার সম্মান ঠিক রাখলাম? নিজের নাকি ঐ হাত গুলোর?
ছোটবেলায় সাঁতার শেখবার সময় একবার পানিতে ডুবতে বসেছিলাম। পাশের বাড়ির এক ছেলে ঠিক সময় খপ করে আমার হাতটা ধরে টেনে তুলল। সেই ছেলেটির মুখ আমি চিরকাল বাসে, মার্কেটে, ওভারব্রিজে খুজে বেড়াই। কখনও যে পাইনি তাও তো না। কিন্তু লাখো হাতের ভিড়ে সে মুখ প্রায়ই হাড়িয়ে যায়।
ঠিক কি প্রতিষ্ঠা করার জন্য এই পথ বেছে নিয়েছে সেই হাতগুলো আমি জানি না। কি চায় তারা? নারী মুক্ত পথ? হাট-বাজার? অফিস আদালত? 
কার লেখায় যেন পড়েছিলাম একদিন (শুভজিৎ হয়ত) – কোন এক রমণীর গায়ে হাত দেবার চেষ্টায় যখন এক যুবক অন্যদের মার খেয়ে অচেতন তখন সেই মহিলাকেই দেখা গেল পরম স্নেহে সেই যুবককে পানি খাওয়াতে। 
আমি এখনো জানি না ঠিক কি চায় তারা। শুধু জানি এ পাপের ভার যেদিন সইতে না পারবেন সেদিন মাথা গোঁজার জন্য একজন নারীর আঁচল ভীষণ জরুরী হয়ে পরবে।
গত বর্ষায় আরাফকে (আমার ছেলে) নিয়ে গিয়েছিলাম ক্রিসেন্ট লেকে। কদম ফুলটা ওখানে খুব পাওয়া যায়। আমি লেকের জলে পা ধুচ্ছি নিচু হয়ে হঠাৎ টের পেলাম আমার কাঁধে কারো হাত। ভাবছি ঘুরেই একটা চড় কশাবো সজোরে, সাহস পাচ্ছি না। না ভয়ে নয়, আশায়। আশা- নিশ্চয়ই ঘুরে দেখব আরাফ ঠিক খুজে খুজে এক গোছা কদমফুল এনে দাঁড়িয়েছে আমার পিছে- "মা, এই যে তোমার বর্ষার প্রথম কদম ফুল"। আমি ঘুরে দাড়াতে চাচ্ছি। আমার কাঁধের কাছে হাতটা আরও একান্ত হচ্ছে। নিশ্চয়ই আরাফ। আর কেউ অযথা কেন হতে যাবে?
আমি ভীষণ আশা নিয়ে, বিশ্বাস নিয়ে ঘুরে দাড়াতে চাচ্ছি। আমরা ভীষণ আশা নিয়ে ঘুরে দাড়াতে চাচ্ছি। নিশ্চয়ই পিছনে এক জোরা পবিত্র হাত আমাদের অপেক্ষায়।
নিশ্চয়ই।–তামান্না সেতু (পরিচালক-বাতিঘর)

এই পোষ্টের বিপরিতে আমাদের কথা।
কোনো কুলাঙ্গার যখন আপনার বক্ষে হাত দিয়েছে তখন সে হাত ফেরত যায় কি করে? তা ছাড়া আপনার পাও তো খালি ছিল না বরং একজোড়া জুতাও ছিল। সেই জুতা দিয়ে পিডিয়ে কি এই কুলাঙ্গার গুলোর চাপা ফাটিয়ে দেওয়া যেতো না? অথচ ওনার এই পোস্ট লেখার কারণে অনেকেই তাকে সাহসী লেখক বলতেছেন। এই সব লেখা সারা জীবন লিখে গেলেও এই কুলাঙ্গার গুলো মানুষ হবে না বরং শুয়র থেকেই যাবে। এরা আধুনিক শিক্ষা পেলেও ধর্মীয় ও  নৈতিক শিক্ষা পায়নি। ধর্মীয় শিক্ষা ব্যতীত কারো চরিত্র ভালো হবে না। আর এরাও ঐ সমস্ত ধর্মহীন মেয়েদের পেট থেকেই বের হয়ে এসেছে। মা ধর্মহীন ও নৈতিক শিক্ষাহীন হওয়ার কারণে তাঁর সন্তানদের কেও ধর্মহীন ও নৈতিক শিক্ষাহীন ভাবেই গড়ে তুলেছে। আমার মাও আমাকে জন্ম দিয়েছেন। জন্ম দিয়ে নিজের দায়িত্ব শেষ করেনি, সকালে মক্তবে পাঠিয়েছেন। মক্তব শেষে আবার স্কলেও পাঠিয়েছেন। পাড়ার ছেলেদের সাথে মিশতে দেননি। টি,ভি দেখতে দেননি, গানও শুনতেও দেননি। আর বাবাতো বাড়িতে এসে ঘরে না পেলে কৈয়ফত দিতে হতো এতো ক্ষণ কই ছিলাম। টি,ভি কেনো দেখতে দেননি তা আজ বুঝতে পারতেছি। কেননা, ছবিতে বলেন বা ছবির গানের কথা বলেন, সব কিছুতেই নারীকে পুরুষদের খাদক হিসাবে উপস্থাপন করে। ছবিতে দেখানো কি ভাবে নারীকে পটাতে হয়, ধর্ষনের দৃশ্য দেখিয়ে শিক্ষা দেওয়া হয় এভাবে নারীদের কে ফেলে ধর্ষন করতে হয়। আর কি নিকৃষ্ট প্রকারের গান, যা শুনলে ভুমি আসে। এই সব কথা এখানে উল্লেখ করতে চাই না। এগুলো নিয়ে আলাদা ভাবেই প্রতিবেদন প্রকাশ করবো। এখানে আমাদের প্রশ্ন হলো, তিনি শুধু এই কুলাঙ্গার গুলোকে নিয়েই কথা বলেছেন, কিছু এই কুলাঙ্গার গুলো যাদের কাছে থেকে এই সব শিক্ষা পেলো তিনি একটি বিদ্যালয়ের পরিচালক হয়েও তাদের বিরুদ্ধে কিছু বলেন নি। দ্বিতীয় প্রশ্ন হলো, তিনি এখানে বলেছেন, “তাঁর বক্ষে ঠিক কতজন পুরুষ স্পর্শ করেছে তা গুনে বলা দুস্কর।” এখানে একজন, দুইজন, তিনজন পুরুষ তাঁর বক্ষে হাত স্পর্শ করার পরও তিনি কেনো এই সমস্ত পুরুষদের থেকে সতর্ক থাকলেন না? কেনো এই সমস্ত পুরুষদের থেকে নিজেকে দূরে রাখলেন না? সেটা তিনিই ভালো বলতে পারবেন।  একটি প্রবাদ পড়ে ছিলাম “নেড়া বেল তলাতে একবারেই যায়”। এখন দেখতেছি নারীরা ঐসব জায়গায় বারে বারে যায়। এখান থেকে বুঝা গেল “নারী স্বাধীনতার দেশ, নারীর ইজ্জত সম্মান সব কিছু শেষ”।
পরিশেষে একটি কথাই বলবোঃ যার ভিতরে আল্লাহ তা’আলা ভয় নেই, সে মানুষ থাকে পশুর চেয়ে নিকৃষ্ট হয়ে যায়। কোন এক মাওলনার মুখ থেকে শুনে ছিলাম, তিনি বলেছিলেন, “মাছ পঁচলে শুটকি হয়, কিন্তু মুসলমান বেদ্বীন হলে শুয়রের চেয়েও নিকৃষ্ট হয়”।  ইসলাম নারী ও পুরুষদের সম্পর্কে কি বলে এখানে কুরআনের আয়াত টি পড়লেই আপনারা বুঝতে পারবেন।
“মুমিনদেরকে (পুরুষ) বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন।”
“ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো কাছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।”(কুরআন ২৪:৩০-৩১)
এখন আপনি বলেন যারা কুরআনের এই কথাটি জানেনা বা বা মানে না তাদের চরিত্র কেমন হবে? ইসলাম স্বামীদের সম্পর্কে কি বলে এখানে দেখুন নারী পুরুষের পর্দা সম্পর্কে এখানে দেখুন স্বামী স্ত্রী সম্পর্কে কি বলে এখানে দেখুন তাঁর সাথে ডাক্তার জাকির নায়েকের লেকচার শুনুন, এখানে, এখানে।  সৈয়স রুবেল বিডি( প্রতিষ্ঠাতা-আমার বাংলা পোস্ট) সত্য, ন্যায় ও সুশিক্ষার প্রতীক! সৌজন্য আমার বাংলা পোস্ট


আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।
Read More

মরণ ব্যাধী ধূমপানে আসক্ত হয়ে পড়েছে বর্তমানের তরুণীরা ছবি সহ ।




এটাই কি স্বভ সমাজের চিত্র ।এড়ি নাম কি নারীর অধিকার? ।আজ কোথাই আসিস তথা কথিত নারী উগ্র বাদীরা? তোদের চোখের কালো চশমা খুলে চেয়ে দেখ তোদের সমান অধিকার দাবী করনেওলারা কত নিচে নেমে গেছে ।তোদের সমান অধিকার দাবী করণে ওয়ালারা আজ সব ধরণেরই অপরাধ করতেছে ।বিড়ি সিগারেট গাঁজা মদ সবই খাচ্ছে ।প্রেম ভালোবাসার নামে অতি আধুনিক ছেলে মেয়েরা রাস্তায় ঘাঁটে পার্কে পাহাড়ে কুত্তা কুত্তির মতো ফ্রি সেক্সে মেতেউঠেছে । এসব ফ্রি সেক্সের ভিডিও বাজারেও পাওয়া যাচ্ছে ।প্রতিটি কম্পিউটারের দোকানে সয়লাভ হয়ে আছে এদেশেরি নয়া লাইলি মজনুদের দিয়ে তৈরী করা সেক্স ভিডিও গুলি ।এসব ফ্রি সেক্স ভিড়িও গুলি ধারণ করা হয়ে পাঁট ক্ষেতে অথবা পার্কে ।কুত্তা কুত্তিরা এদের কাছে ফেল ।অবাধে কপিরাইট ও হচ্ছে ।যার কারণে কমল মতি শিশুরাও দেখতেছে এসমস্ত উদ্দাম যৌনতা ।সমাজের প্রতিটি মানুষ দেখে এসব বেহায়া পনা ভিডিও গুলি ।তখন তোদের মুখে চুলকানী পড়ে কেনো ।এর জবাব দে ।তোরা নারীর অধিকারের কথা বলিস, নারীর সম্মানের কথা বলিস,নারীর স্বাধীন্তার কথা বলি ।এই শোগ্নান দিয়ে নারীদের কে ঘর থেকে বাহির করেছিস ।নারী স্বাধীনতা পেয়ে উলঙ্গ হয়ে ঘুরে ।সেটা সারা বিশ্ব দেখে ।এটা যদি নারীর সম্মান হয়?তাহলে এদেশের লুচ্ছা বদমাশদের দোষ কোথাই? ।অর্ধনগ্ন হয়ে চলা ফেরা করলে যদি নারীর স্বাধীনতা হয় তা হলে এসব নারী বুকে খামচ্ছা মারাও বখাটেদের স্বাধীনতা হয় ।তখন তোরা ফুটবলের মতো ফুলে উঠিস কেন?এসব তোদেরি হাতের কামাই ।যে সব বোনেরা পর্দা সহিত চলাফেরা করে তাদের কে তোরা বন্দি শালা বলিস।তোদের চোখের কালো চশমা খুলে চেয়ে দেখ লান্চনার শিকার কারা?তোরা আমাদেরকে পারলে দেখা কোন হিজাব পালনেওয়ালা মেয়েরা ধর্ষণের শিকার হয়েছে ,কোন হিজাব পালনেওয়ালা মেয়েরা মাদক সেবন করেছে,কোন হিজাব পালনেওয়ালা মেয়েরা অবৈধ যৌনমিলনে লিপ্ত হয়েছে,কোন হিজাব পালনেওয়ালা মেয়েরা রাস্তায় ইভটিজিংক এর শিকার হয়েছে,কোন হিজাব পালনেওয়ালা মেয়েরা সম্মান হানির শিকার হয়েছে,কোন হিজাব পালনেওয়ালা মেয়েরা অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছে ।তোরা এসবের একটিও প্রমাণ দেখাতে পারবেন না।কিন্তু আমরা এসবের হাজারো প্রমাণ দেখাতে পারবো।পত্রিকা খুললেই চোখে পড়ে ধর্ষণ গণধর্ষণের শিকার,বিয়ের দাবীতে প্রেমিক বাড়িতে অন্নশনের মেয়েদের খবর গুলি।যখন আমাদের দেশের প্রেমিক প্রেমিকাদের দিয়ে তৈরী করা পর্ণো ভিডিও গুলি দেখি তখন বুকের ভিতর ভূমিকম্প শুরু হয়ে যায় ।এসব কি দেখতেছি? আজ ঘন্টা ২শ টাকা দরে প্রেম বিক্রয় করতেছে সমান অধিকার দাবী করণে ওয়ালা নারীরা ।পত্রিকা খুললেই ভাড়াই ডেটিং জোন শিরোনামে খবর পাওয়া যায় ।কি অস্বভ নোংরামী লুচ্চা বদমাশী কুত্তা কুত্তির মতো বেহায়ামী শুরু হয়ে গেছে ।এসব নোংরামী নারী স্বাধীনতা বাদীদের চোখে কি পড়েনা? তাদের চোখে পড়বেনা ।কারণ তারা ইহুদী খৃষ্টানদের পা চাঁটা গোলাম হয়ে গেছে ।এসবের বিরুদ্ধে যখন কথা বলি তখন অনেকে বলে এভাবে বলা ঠিক না ।আমিও বলবো নারীদেরকে এভাবে খোলা মেলা হয়ে চলতে দেওয়া যায়না ।কেনোনা এই নারীই কারো মা, কারো বোন, কারো স্ত্রী, কারো মেয়ে ।যারা নারী স্বাধীনতার নামে আমাদের মা বোনদেরকে ভিভিন্ন কুকর্ম করিয়ে সারা বিশ্ববাসীকে দেখাতে চায় ?তাদের মুখে জুতা ঝাড়ু দিয়ে পিটিয়ে এদেশ থেকে বাহির করে দেওয়া উচিৎ ।এটা আমেরিকা নয়? এটা পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম বাংলাদেশ ।এটা আমেরিকার পুশুর সমাজ নয় এটা মুসলিম মানব সমাজ ।যেসব মেয়েরা পুশুর মতো অর্ধনগ্ন হয়ে চলে তারা বেজম্মাদের মা বোন হতে পারে আমাদের না ।কথা ঠিক কিনা বলেন?


Next post ধূমপানে আসক্ত কলেজের ছাত্রীরাও

হায়রে নারীর স্বাধীনতা কাপড় পড়ে যায়না যৌনাঙ্গ ডাকা......

ব্লগের প্রকাশিত পোস্ট গুলি ফেসবুকে শেয়ার করে আমাদের চলার পথকে আরো গতিময় করে তুলুন ।আমরা দিন রাত খাটিয়ে পোস্ট গুলি লেখি ।ব্লগে প্রকাশ করে আপনাদেরকে উপহার দেয় ।আপনারা যদি শেয়ার না করেন?তাহলে আমরা তো সামনে এগিয়ে যেতে পারবোনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

ধূমপানে আসক্ত কলেজের ছাত্রীরাও



প্রশ্ন হলো এরা কলেজে যায় কি শিখতে? লেখা পড়া শিখতে নাকি বিড়ি সিগারেট খাওয়া শিখতে ।নারী স্বাধীনতার ভয়াবহর চিত্রের নমুনা ।সময়ে আরো কত কি দেখতে হবে ।এমন সময় আসবে এরা রাস্তায় ঝাঁটার বারিও খাবে ।
আরো পোস্ট দেখুনহায়রে নারীর স্বাধীনতা কাপড় পড়ে যায়না যৌনাঙ্গ ডাকা .......

ব্লগের প্রকাশিত পোস্ট গুলি ফেসবুকে শেয়ার করে আমাদের চলার পথকে আরো গতিময় করে তুলুন ।আমরা দিন রাত খাটিয়ে পোস্ট গুলি লেখি ।ব্লগে প্রকাশ করে আপনাদেরকে উপহার দেয় ।আপনারা যদি শেয়ার না করেন?তাহলে আমরা তো সামনে এগিয়ে যেতে পারবোনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More