মুসলিম জাহানের খবর লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মুসলিম জাহানের খবর লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অস্ট্রেলিয়ায় ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ছে ইসলাম
প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার
করতে ভুলবেন না
অস্ট্রেলিয়ায়
ধর্মবিশ্বাসীর সংখ্যা ব্যাপক
হারে কমলেও অন্যান্য ধর্মের
তুলনায় ইসলাম সবচেয়ে ব্যাপক
হারে ছড়িয়ে পড়ছে বলে এক জরিপ
থেকে জানা গেছে। দেশটির
আদমশুমারিতে দেখা গেছে, ২০০৬
সালের আদমশুমারির পর
থেকে সেখানে মুসলমানের
সংখ্যা শতকরা ৪০ ভাগ বেড়েছে।
অন্যদিকে খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারীর
সংখ্যা ১৯৭৬ সালের পর থেকে গত
৩৫ বছরে কমে শতকরা ৬১
ভাগে দাঁড়িয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ায় ১৯৭৬
সালে মুসলমানের সংখ্যা ছিল মাত্র
৪৪ হাজার ৭১ জন। কিন্তু এখন
দেশটিতে মুসলমানের সংখ্যা ৪ লাখ
৭৬ হাজার ২৯১ জন। অর্থাত্
তখন থেকে এ পর্যন্ত
দেশটিতে মুসলমানের সংখ্যা দশগুণ
বেড়েছে। মুসলমানরা এখন
অস্ট্রেলিয়ার মোট জনসংখ্যার
শতকরা ২ দশমিক ২ ভাগ। গত ৫
বছরে তাদের
সংখ্যা বেড়েছে শতকরা ৪০ ভাগ।
অমুসলিমদের মধ্যে ধর্মবিশ্বাসীর
সংখ্যা কমছে।
২০০৬ সালের পর
থেকে কোনো ধর্মে বিশ্বাসী নন এমন
নাগরিকের
সংখ্যা বেড়েছে শতকরা ২৯ ভাগ।
২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার
শতকরা ১৮ ভাগ নাগরিক (৩৭
লাখ) বলেছিলেন,
তারা কোনো ধর্মে বিশ্বাস করেন না।
আসলে বহু বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ায়
ধর্মবিশ্বাসীর সংখ্যা কমে আসছে।
কমে আসছে খ্রিস্টানের সংখ্যাও।
১৯১১ সালে দেশটির শতকরা ৯৬
ভাগ নাগরিক ছিলেন খ্রিস্টান।
১৯৭৬ সালে এ হার ছিল
শতকরা ৮৯ ভাগ। ৩৫ বছর পর
এখন দেশটিতে এ হার ৬১ শতাংশ।
সূত্রঃ আমার দেশ , আল-জাজিরা
শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More
করতে ভুলবেন না
অস্ট্রেলিয়ায়
ধর্মবিশ্বাসীর সংখ্যা ব্যাপক
হারে কমলেও অন্যান্য ধর্মের
তুলনায় ইসলাম সবচেয়ে ব্যাপক
হারে ছড়িয়ে পড়ছে বলে এক জরিপ
থেকে জানা গেছে। দেশটির
আদমশুমারিতে দেখা গেছে, ২০০৬
সালের আদমশুমারির পর
থেকে সেখানে মুসলমানের
সংখ্যা শতকরা ৪০ ভাগ বেড়েছে।
অন্যদিকে খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারীর
সংখ্যা ১৯৭৬ সালের পর থেকে গত
৩৫ বছরে কমে শতকরা ৬১
ভাগে দাঁড়িয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ায় ১৯৭৬
সালে মুসলমানের সংখ্যা ছিল মাত্র
৪৪ হাজার ৭১ জন। কিন্তু এখন
দেশটিতে মুসলমানের সংখ্যা ৪ লাখ
৭৬ হাজার ২৯১ জন। অর্থাত্
তখন থেকে এ পর্যন্ত
দেশটিতে মুসলমানের সংখ্যা দশগুণ
বেড়েছে। মুসলমানরা এখন
অস্ট্রেলিয়ার মোট জনসংখ্যার
শতকরা ২ দশমিক ২ ভাগ। গত ৫
বছরে তাদের
সংখ্যা বেড়েছে শতকরা ৪০ ভাগ।
অমুসলিমদের মধ্যে ধর্মবিশ্বাসীর
সংখ্যা কমছে।
২০০৬ সালের পর
থেকে কোনো ধর্মে বিশ্বাসী নন এমন
নাগরিকের
সংখ্যা বেড়েছে শতকরা ২৯ ভাগ।
২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার
শতকরা ১৮ ভাগ নাগরিক (৩৭
লাখ) বলেছিলেন,
তারা কোনো ধর্মে বিশ্বাস করেন না।
আসলে বহু বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ায়
ধর্মবিশ্বাসীর সংখ্যা কমে আসছে।
কমে আসছে খ্রিস্টানের সংখ্যাও।
১৯১১ সালে দেশটির শতকরা ৯৬
ভাগ নাগরিক ছিলেন খ্রিস্টান।
১৯৭৬ সালে এ হার ছিল
শতকরা ৮৯ ভাগ। ৩৫ বছর পর
এখন দেশটিতে এ হার ৬১ শতাংশ।
সূত্রঃ আমার দেশ , আল-জাজিরা
শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
ব্রিটিশ নারীদের ইসলাম ধর্ম গ্রহণের প্রবণতা বাড়ছে
ব্রিটেনে গত দশ বছরে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ ধর্ম ান্তরিত হয়েছে। তাদের মধ্যে এগিয়ে রয়েছে নারীরা। তারা মূলত ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে। ‘ফেথ ম্যাটার্স’ একটি ব্রিটিশ সংস্থা। এই সংস্থাটি সম্প্রতি একটি জরিপে চালিয়ে এ তথ্য জানায়।
ব্রিটেনে শ্বেতাঙ্গরা, বিশেষ করে মেয়েরা খ্রিস্টান ধর্ম ছেড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছে। ফলে রক্ষণশীল ব্রিটিশরা বেশ চিন্তিত হয়ে পড়েছে। ইসলাম ধর্ম নিয়ে কাজ করছে ‘ফেথ ম্যাটার্স’ নামক সংস্থা। সেই সংস্থা একটি জরিপে জানিয়েছে, গত ১০ বছরে ব্রিটেনে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ ধর্মান্তরিত হয়েছে এবং এদের প্রায় সবাই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে। জরিপে জানানো হয়, যারা ধর্মান্তরিত হয়েছে তাদের কারো বয়সই ২৭-এর বেশি নয়। এদের মধ্যে মেয়েদের সংখ্যা প্রায় ৬২ শতাংশ। ফ্রাঞ্চেসকা ডিগম্যান কেন্টের মেয়ে। সেখানে বড় হয়েছেন। পড়াশোনা করছেন লেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখান থেকে সম্প্রতি তিনি গ্র্যাজুয়েশনসম্পন্ন করেছেন। তিনি বললেন, ‘আমি বিশেষ কোনো ধর্মের সন্ধান করছিলাম না। ইসলাম ধর্ম সম্পর্কেও বিশেষ কোনো ধারণা আমার ছিল না। আমি ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে জানতে পারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর। বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি পরিচিত হই বেশ কিছু মুসলমান ছাত্রছাত্রীর সঙ্গে। তখনই প্রথম আমি জানতে পারি ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে, ধর্মের বিভিন্নদিক সম্পর্কে। সবাই যেভাবে কথাবলে, আরেকজনের সঙ্গে মেশে, তা দেখে আমি অভিভূত হই। বিশেষ করে ছেলেরা অত্যন্ত অমায়িক এবং তারা মেয়েদের প্রতি যথেষ্ট সম্মান প্রদর্শন করে। কীভাবে ফ্রাঞ্চেসকা ইসলাম ধর্ম ের প্রতি ঝুঁকে পড়লেন? তিনি বলেন, এসব দেখে তিনি আগ্রহী হন ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে আরও কিছু জানতে। যত গভীরে তিনি যেতে থাকেন, ততই তিনি মুগ্ধ হতে থাকেন। ধর্ম কী বলছে, সৃষ্টিকর্তা কে, তিনি কী বলেছেন, কীভাবে এবং কেন পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, ইসলাম ধর্মের এসব বিশ্বাস প্রচণ্ডভাবে প্রভাবিত করেফ্রাঞ্চেসকাকে। ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ফ্রাঞ্চেসকা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ফেথ ম্যাটার্স-এর জরিপ অনুযায়ী ব্রিটেনে গত বছর প্রায় পা ঁচ হাজার মানুষ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে। ইসলাম ধর্ম নিয়ে পশ্চি মা বিশ্ব সবসময়ই সমালোচনায় মুখরিত। সমালোচকরা চিন্তিত এই ভেবে যে, বর্তমানে যেখানে ইসলাম ধর্মকে ঘিরে এত বিতর ্ক চলছে, তার মধ্যে কীভাবে এই ধর্মের প্রতি এত আগ্রহী হওয়া যায়?
ইসলাম ধর্ম বিশেষজ্ঞরা জানান, যে সব সংখ্যা তাদের কাছে হাজির করা হচ্ছে তাতে তারা বিস্মিত। তাদের তথ্যের মূল উত্স হলো লন্ডনের মসজিদগুলো। মসজিদগুলো সবচেয়ে ভালো খবর রাখে এসব বিষয়ে।বাতুল আল তোমা আয়ারল্যান্ডের মেয়ে। তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশনে একটি প্রকল্পে কাজ করছেন। তিনি বললেন, ‘আমরা লেস্টারে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে গবেষণা করছি। আমরা জানতে পেরেছি যে, মসজিদগুলো সব মুসলমানের সংখ্যা নির্ভুলভাবে লিপিবদ্ধ করে না। যারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে অথচ মসজিদ ে যায়নি তাদের কথা কোন মসজিদই জানে না। এসব মুসলমানকে ‘শাহদাহ’ সার্টিফিকেটও প্রদান করা হয়নি। তাই আমাদের কাজের সঙ্গে মসজিদের দেয়া তথ্যের পার্থক্য অনেক বেশি। অনেক কিছুই বাদ গেছে মসজিদের তালিকা থেকে।’ তবে বাতুল আল তোমা জানান, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছে অনেক বেশি মানুষ এবং তাদের বেশিরভাগই মহিলা। আগে দেখা যেত, বিবাহ িত মহিলারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছে। কারণ স্বামী মুসলমান। অথচ এখন অবিবাহিত মেয়েরাই এগিয়ে আসছে। নির্ভরতার কারণে নয়, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই, সচেতনভাবে তারা গ্রহণ করছে ইসলাম ধর্মকে।
সূত্রঃ আলজাজিরা ওয়েবসাইট
ওয়েব সম্পাদনাঃ মোঃ মাহমুদ -ই- গাফফার
শেয়ার করে আপনিও হন ইসলামের প্রচারক ।
আমরা সবাই একাজটি করলে জানার পাশাপাশি সওয়াব হবে ।
যে ব্যাক্তি ইসলামের একটি কথা শিখবে তাকে আল্লাহ দশটি নেকী দেবেন ।
যে শিখাবে তাকেও দশটি নেকী দেওয়া হবে ।
তাই আসুন আমরা নিজেও জানি, অন্যদেরকেও জানাই ।
Read More
ব্রিটেনে শ্বেতাঙ্গরা, বিশেষ করে মেয়েরা খ্রিস্টান ধর্ম ছেড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছে। ফলে রক্ষণশীল ব্রিটিশরা বেশ চিন্তিত হয়ে পড়েছে। ইসলাম ধর্ম নিয়ে কাজ করছে ‘ফেথ ম্যাটার্স’ নামক সংস্থা। সেই সংস্থা একটি জরিপে জানিয়েছে, গত ১০ বছরে ব্রিটেনে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ ধর্মান্তরিত হয়েছে এবং এদের প্রায় সবাই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে। জরিপে জানানো হয়, যারা ধর্মান্তরিত হয়েছে তাদের কারো বয়সই ২৭-এর বেশি নয়। এদের মধ্যে মেয়েদের সংখ্যা প্রায় ৬২ শতাংশ। ফ্রাঞ্চেসকা ডিগম্যান কেন্টের মেয়ে। সেখানে বড় হয়েছেন। পড়াশোনা করছেন লেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখান থেকে সম্প্রতি তিনি গ্র্যাজুয়েশনসম্পন্ন করেছেন। তিনি বললেন, ‘আমি বিশেষ কোনো ধর্মের সন্ধান করছিলাম না। ইসলাম ধর্ম সম্পর্কেও বিশেষ কোনো ধারণা আমার ছিল না। আমি ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে জানতে পারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর। বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি পরিচিত হই বেশ কিছু মুসলমান ছাত্রছাত্রীর সঙ্গে। তখনই প্রথম আমি জানতে পারি ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে, ধর্মের বিভিন্নদিক সম্পর্কে। সবাই যেভাবে কথাবলে, আরেকজনের সঙ্গে মেশে, তা দেখে আমি অভিভূত হই। বিশেষ করে ছেলেরা অত্যন্ত অমায়িক এবং তারা মেয়েদের প্রতি যথেষ্ট সম্মান প্রদর্শন করে। কীভাবে ফ্রাঞ্চেসকা ইসলাম ধর্ম ের প্রতি ঝুঁকে পড়লেন? তিনি বলেন, এসব দেখে তিনি আগ্রহী হন ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে আরও কিছু জানতে। যত গভীরে তিনি যেতে থাকেন, ততই তিনি মুগ্ধ হতে থাকেন। ধর্ম কী বলছে, সৃষ্টিকর্তা কে, তিনি কী বলেছেন, কীভাবে এবং কেন পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, ইসলাম ধর্মের এসব বিশ্বাস প্রচণ্ডভাবে প্রভাবিত করেফ্রাঞ্চেসকাকে। ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ফ্রাঞ্চেসকা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ফেথ ম্যাটার্স-এর জরিপ অনুযায়ী ব্রিটেনে গত বছর প্রায় পা ঁচ হাজার মানুষ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে। ইসলাম ধর্ম নিয়ে পশ্চি মা বিশ্ব সবসময়ই সমালোচনায় মুখরিত। সমালোচকরা চিন্তিত এই ভেবে যে, বর্তমানে যেখানে ইসলাম ধর্মকে ঘিরে এত বিতর ্ক চলছে, তার মধ্যে কীভাবে এই ধর্মের প্রতি এত আগ্রহী হওয়া যায়?
ইসলাম ধর্ম বিশেষজ্ঞরা জানান, যে সব সংখ্যা তাদের কাছে হাজির করা হচ্ছে তাতে তারা বিস্মিত। তাদের তথ্যের মূল উত্স হলো লন্ডনের মসজিদগুলো। মসজিদগুলো সবচেয়ে ভালো খবর রাখে এসব বিষয়ে।বাতুল আল তোমা আয়ারল্যান্ডের মেয়ে। তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশনে একটি প্রকল্পে কাজ করছেন। তিনি বললেন, ‘আমরা লেস্টারে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে গবেষণা করছি। আমরা জানতে পেরেছি যে, মসজিদগুলো সব মুসলমানের সংখ্যা নির্ভুলভাবে লিপিবদ্ধ করে না। যারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে অথচ মসজিদ ে যায়নি তাদের কথা কোন মসজিদই জানে না। এসব মুসলমানকে ‘শাহদাহ’ সার্টিফিকেটও প্রদান করা হয়নি। তাই আমাদের কাজের সঙ্গে মসজিদের দেয়া তথ্যের পার্থক্য অনেক বেশি। অনেক কিছুই বাদ গেছে মসজিদের তালিকা থেকে।’ তবে বাতুল আল তোমা জানান, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছে অনেক বেশি মানুষ এবং তাদের বেশিরভাগই মহিলা। আগে দেখা যেত, বিবাহ িত মহিলারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছে। কারণ স্বামী মুসলমান। অথচ এখন অবিবাহিত মেয়েরাই এগিয়ে আসছে। নির্ভরতার কারণে নয়, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই, সচেতনভাবে তারা গ্রহণ করছে ইসলাম ধর্মকে।
সূত্রঃ আলজাজিরা ওয়েবসাইট
ওয়েব সম্পাদনাঃ মোঃ মাহমুদ -ই- গাফফার
শেয়ার করে আপনিও হন ইসলামের প্রচারক ।
আমরা সবাই একাজটি করলে জানার পাশাপাশি সওয়াব হবে ।
যে ব্যাক্তি ইসলামের একটি কথা শিখবে তাকে আল্লাহ দশটি নেকী দেবেন ।
যে শিখাবে তাকেও দশটি নেকী দেওয়া হবে ।
তাই আসুন আমরা নিজেও জানি, অন্যদেরকেও জানাই ।
যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদ বাড়ছে : মুসলিমরা আসছে মূলধারায়
যুক্তরাষ্ট্রে দিন দিন মসজিদের সংখ্যা বাড়ছে। এর পাশাপাশি দেশটির মুসলমান সম্প্রদায়ও অনেক বেশি মূলধারার সঙ্গে যুক্ত হতে শুরু করেছে। নতুন এক জরিপে দেখা গেছে, দেশটিতে বর্তমানে মসজিদ রয়েছে দু’হাজার একশ’ ছয়টি। এ সংখ্যা ২০০০ সালের চেয়ে শতকরা ৭৪ ভাগ বেশি। এর মধ্যে নিউইয়র্ক শহরেরয়েছে ১৯২টি মসজিদ, দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়াতে ১২০টি, ফ্লোরিডায় ১১৮টি এবং টেক্সাসে রয়েছে ১৬৬টি মসজিদ। এমনকি মন্টানা যেখানে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বাইরের জনসংখ্যা হচ্ছে—শতকরা এক ভাগেরও কম, সেখানেও দু’টি মসজিদ রয়েছে। ২০০২ সালে মসজিদের সংখ্যা ছিল এক হাজার ২০৯টি। আর ২০০২ সালে যেখানে ঈদের জামাতে অংশ নিয়েছিলেন ২০ লাখ মুসুল্লি সেখানে ২০১১ সালে এ সংখ্যা ছিল ২৬ লাখ।
যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদ ও মুসলমানদেরসংখ্যা বেড়ে যাওয়া নিয়ে সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে কথিত সন্ত্রাসী হামলার পরও মসজিদ এবং মুসলমানের সংখ্যা বাড়ার বিষয়ে কোনো ছেদ পড়েনি। অবশ্য, ওই হামলার পর মুসলমানদের ওপর নির্যাতনের মাত্রা ব্যাপক হারে বেড়ে গিয়েছিল। এর আগে, ২০০০ সালের এক জরিপে ৫৪ ভাগ মুসলমান বলেছিলেন, ‘মার্কিন সমাজ ইসলামের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে।’ এদিকে, দেশটিতে বসবাসরত মুসলমানদের মধ্যে বিরাটসংখ্যক তরুণ নিয়মিত মসজিদে যায়। এসব তরুণ সম্পর্কে পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো অপপ্রচার চালাচ্ছে যে, তারা মৌলবাদ ও চরমপন্থার দিকে ঝুঁকে পড়ছে। কিন্তু, দেশটির শতকরা৮৭ ভাগ মুসলিম নেতা ও ইমাম তাদের নিজেদের অভিজ্ঞতার আলোকে বলেছেন, ‘মুসলিম তরুণদের মধ্যে চরমপন্থা বাড়ছে না। এছাড়া, এবারের জরিপে অংশ নেয়া মুসলিম নেতাদের মধ্যে শতকরা ৯৮ ভাগবলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত মুসলমানদের উচিত মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোতে জড়িত হওয়া।’ নিউইয়র্কের পুলিশ বিভাগ ২০০৭ সালে প্রতিবেশী নিউআর্ক শহরে বসবাসরত মুসলমানদের ওপর বিশেষ গোয়েন্দাবৃত্তি ও নজরদারি চালিয়েছে বলে খবর বের হওয়ার এক সপ্তাহ পর এ জরিপ প্রকাশ হলো।
উৎসঃ আমার দেশ/ রয়টার্স
Read More
যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদ ও মুসলমানদেরসংখ্যা বেড়ে যাওয়া নিয়ে সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে কথিত সন্ত্রাসী হামলার পরও মসজিদ এবং মুসলমানের সংখ্যা বাড়ার বিষয়ে কোনো ছেদ পড়েনি। অবশ্য, ওই হামলার পর মুসলমানদের ওপর নির্যাতনের মাত্রা ব্যাপক হারে বেড়ে গিয়েছিল। এর আগে, ২০০০ সালের এক জরিপে ৫৪ ভাগ মুসলমান বলেছিলেন, ‘মার্কিন সমাজ ইসলামের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে।’ এদিকে, দেশটিতে বসবাসরত মুসলমানদের মধ্যে বিরাটসংখ্যক তরুণ নিয়মিত মসজিদে যায়। এসব তরুণ সম্পর্কে পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো অপপ্রচার চালাচ্ছে যে, তারা মৌলবাদ ও চরমপন্থার দিকে ঝুঁকে পড়ছে। কিন্তু, দেশটির শতকরা৮৭ ভাগ মুসলিম নেতা ও ইমাম তাদের নিজেদের অভিজ্ঞতার আলোকে বলেছেন, ‘মুসলিম তরুণদের মধ্যে চরমপন্থা বাড়ছে না। এছাড়া, এবারের জরিপে অংশ নেয়া মুসলিম নেতাদের মধ্যে শতকরা ৯৮ ভাগবলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত মুসলমানদের উচিত মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোতে জড়িত হওয়া।’ নিউইয়র্কের পুলিশ বিভাগ ২০০৭ সালে প্রতিবেশী নিউআর্ক শহরে বসবাসরত মুসলমানদের ওপর বিশেষ গোয়েন্দাবৃত্তি ও নজরদারি চালিয়েছে বলে খবর বের হওয়ার এক সপ্তাহ পর এ জরিপ প্রকাশ হলো।
উৎসঃ আমার দেশ/ রয়টার্স
ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থার দাবিতে তিউনিশিয়ায় ১০হাজার মানুষের বিক্ষোভ
সূত্রঃ রয়টার্স,
ইরনা, আমারদেশ
তিউনিশিয়ায় ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থার দাবিতে রোববার রাজধানী তিউনিসে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভকারীরা তিউনিশিয়াকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করে ইসলামী শিক্ষার ভিত্তিতে সংবিধান প্রণয়নের দাবি জানান। বিক্ষোভে অন্তত ১০ হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেছেন বলে বিভিন্ন বার্তা সংস্থা খবর দিয়েছে।
তিউনিশিয়ায় ২০১১ সালের জানুয়ারি মাসে প্রবল গণঅত্যুত্থানে সাবেক সেক্যুলার স্বৈরশাসক জয়নুল আবেদিন বেন আলির পতন ঘটে। বেন আলির প্রায় তিন দশকের শাসনামলে তিউনিশিয়ার ইসলামপ্রিয় জনগণ স্বাধীনভাবে ধর্ম ীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারতেন না। কাজেই ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা তার সেক্যুলার শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণআন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েন।
আজকের বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা ‘জনগণ ইসলামী রাষ্ট্র চায়’, ‘জনগণ শরীয়াভিত্তিক আইন চায়’ বলে স্লেম্লা গান দেন। বিক্ষোভকারীরা তিউনিশিয়ায় সামপ্রতিক পবিত্র কোরআন অবমাননারও তীব্র নিন্দা জানান। গত সপ্তাহে তিউনিশিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর বেন গুয়েরদানের একটি মসজিদে কয়েকটি কোরআনের কপি ছেঁড়া অবস্থায় পাওয়া যায়। এছাড়া মসজিদটির দেয়ালে দুর্বৃত্তদের নিক্ষিপ্ত ডিম দেখতে পাওয়া যায়।
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2012/03/27/138040
http://www.tunisia-live.net/2012/03/15/islamic-tunisian-associations-organize-protest-calling-for-sharia-law/
http://www.euronews.com/2012/03/16/tunisian-protesters-call-for-sharia-law/
http://www.alarabiya.net/articles/2012/03/17/201161.html
শেয়ার করে আপনিও হন ইসলামের প্রচারক ।
আমরা সবাই একাজটি করলে জানার পাশাপাশি সওয়াব হবে ।
যে ব্যাক্তি ইসলামের একটি কথা শিখবে তাকে আল্লাহ দশটি নেকী দেবেন ।
যে শিখাবে তাকেও দশটি নেকী দেওয়া হবে ।
তাই আসুন আমরা নিজেও জানি, অন্যদেরকেও জানাই ।
Read More
ইরনা, আমারদেশ
তিউনিশিয়ায় ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থার দাবিতে রোববার রাজধানী তিউনিসে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভকারীরা তিউনিশিয়াকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করে ইসলামী শিক্ষার ভিত্তিতে সংবিধান প্রণয়নের দাবি জানান। বিক্ষোভে অন্তত ১০ হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেছেন বলে বিভিন্ন বার্তা সংস্থা খবর দিয়েছে।
তিউনিশিয়ায় ২০১১ সালের জানুয়ারি মাসে প্রবল গণঅত্যুত্থানে সাবেক সেক্যুলার স্বৈরশাসক জয়নুল আবেদিন বেন আলির পতন ঘটে। বেন আলির প্রায় তিন দশকের শাসনামলে তিউনিশিয়ার ইসলামপ্রিয় জনগণ স্বাধীনভাবে ধর্ম ীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারতেন না। কাজেই ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা তার সেক্যুলার শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণআন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়েন।
আজকের বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা ‘জনগণ ইসলামী রাষ্ট্র চায়’, ‘জনগণ শরীয়াভিত্তিক আইন চায়’ বলে স্লেম্লা গান দেন। বিক্ষোভকারীরা তিউনিশিয়ায় সামপ্রতিক পবিত্র কোরআন অবমাননারও তীব্র নিন্দা জানান। গত সপ্তাহে তিউনিশিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর বেন গুয়েরদানের একটি মসজিদে কয়েকটি কোরআনের কপি ছেঁড়া অবস্থায় পাওয়া যায়। এছাড়া মসজিদটির দেয়ালে দুর্বৃত্তদের নিক্ষিপ্ত ডিম দেখতে পাওয়া যায়।
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2012/03/27/138040
http://www.tunisia-live.net/2012/03/15/islamic-tunisian-associations-organize-protest-calling-for-sharia-law/
http://www.euronews.com/2012/03/16/tunisian-protesters-call-for-sharia-law/
http://www.alarabiya.net/articles/2012/03/17/201161.html
শেয়ার করে আপনিও হন ইসলামের প্রচারক ।
আমরা সবাই একাজটি করলে জানার পাশাপাশি সওয়াব হবে ।
যে ব্যাক্তি ইসলামের একটি কথা শিখবে তাকে আল্লাহ দশটি নেকী দেবেন ।
যে শিখাবে তাকেও দশটি নেকী দেওয়া হবে ।
তাই আসুন আমরা নিজেও জানি, অন্যদেরকেও জানাই ।
কুরআনের ভালোবাসায় রুশনারীর ইসলাম গ্রহণ এবং রুশ ভাষায় কুরআনের ভাষান্তর
বিশ বছরের অধিককাল আগে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। বর্তমানে তাঁর করা কুরআনের অর্থানুবাদকে বিশেষজ্ঞ ও গবেষকরা অন্যতম সেরা এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুবাদ হিসেবে গণ্য করছেন। তিনিই এগিয়ে এসেছেন রাশিয়ায় কুরআনুল কারীমেরক্ষেত্রে অনেক গবেষণাকারী ও বিজ্ঞজনদের মৃত্যুজনিত অভাব পূরণে।
তিনি হলেন রাশিয়ান নারী ভেলেরিয়া বোরোচভা (Valeria Borochva)। নিজের কুরআন অনুবাদ সম্পর্কে তিনি বলেন,
‘পবিত্র কুরআনের তিলাওয়াত আমাকে তার প্রেমিক বানিয়েছে আর এ ভালোবাসাই আমাকে তা রুশ ভাষায় অনুবাদে অনুপ্রাণিত করেছে।’
ভেলেরিয়া বোরোচভা কিন্তু কোনো আলেমা বা ইসলামবিশেষজ্ঞ নন। ইসলামের আইনশাস্ত্র বা ফিকহ বিষয়েও তিনি কোনো ডিগ্রিধারী নন। হ্যা, তাঁর বিশেষত্ব হলো তিনি রাশিয়ান ভাষায় পবিত্র কুরআনের অনুবাদ সমাপ্ত করেছেন। সাবেক সোভিয়েত রাশিয়ার ৬০ মিলিয়ন মুসলিমের জন্য যা এক গুরুত্বপূর্ণ কীর্তি হিসেবে বরিত ও প্রশংসিত হচ্ছে।
আল-আরাবিয়া ডট নেটকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি তাঁর রুশ ভাষায় মহাগ্রন্থ আল-কুরআন অনুবাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী সিরিয়ার দামেস্ক শহরে বসবাসকারী এক আরব। তাঁর সঙ্গেআমি ১০ বছর কাটাই দামেস্কে। ইতোপূর্বে আমি আরবী জানতাম না। সেখানেই আরবী শিখি। আরবী শেখার পর সেখানে আমি একটি আরবী-রুশ অভিধান রচনা করি।তিনি আরও বলেন, ‘আমার শ্বশুর একজন ধার্মিক পুরুষ ছিলেন। তাঁর একটি বড় লাইব্রেরি ছিল। সেখানে নিয়মিত অধ্যয়নের পাশাপাশি আমি পূর্ণ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কুরআন তরজমায় মনোনিবেশ করি। দামেস্ক থেকে ফি বছর মিশরের আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন একটি গবেষণা একাডেমির উদ্দেশ্যে সফর করতাম। একাডেমিতে ছিল একটি অনুবাদ দপ্তর। দশ পারা অনুবাদ সম্পন্ন করার পর একাডেমির আলেমগণ পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি রিভিউ কমিটি গঠন করেন। আরবী ও রুশ ভাষা জানা তিন বিজ্ঞ আরব ও দুই রাশান আলেম সদস্যের এ কমিটি খুব ভালোভাবেআমার তরজমা পর্যবেক্ষণ করতে থাকেন।’
বোরোচভা উল্লেখ করেন, প্রথমে এ বোর্ড তাঁর তরজমা সম্পর্কে অনেক টীকা যোগ করেন। পাশাপাশি তাঁরা অনুবাদের ভূয়সী প্রশংসাও করেন। তাঁরা বলেন, অনুবাদ হয়েছে প্রথম শ্রেণীর। এ কারণেই আমরা এর অধ্যয়নও মূল্যায়ন চালিয়ে যেতে পারছি। এর মধ্যে যদি অনেক ভুল-ভ্রান্তি পেতাম তবে পর্যবেক্ষণে আর ধৈর্য ধরে রাখতে পারতাম না। প্রতিবারই তাঁরা অনুবাদ সম্পর্কে বৈঠক বসতেন এবং এ নিয়ে বিস্তর আলোচনা করতেন।’
তিনি জানান, তাঁকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। তবে সিরিয়ায় বসবাসের সুবাদে তা সহজেই ডিঙ্গানো সম্ভব হয়েছে। সিরিয়ার সাবেক মুফতী শায়খ আহমদ কিফতারো এবং তার পুত্র শায়খ মাহমুদ কিফতারো সবসময় তাকে সাহায্য করেছেন। প্রেরণা এবং দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেন,‘আমি প্রতিনিয়ত অনেক বিষয়ে তাঁদের জিজ্ঞেস করেছি। প্রয়োজনীয় সব কিছুই তাঁদের কাছ থেকে জেনে নিয়েছি। তেমনি ড. যুহাইলিরও সাহায্য নিয়েছি, যার কাছে কুরআনুল কারীমের তাফসীর সংক্রান্ত অনেক কিতাব ছিল।’
তিনি যোগ করেন, ‘বহু আলেম আমাকে সাহায্য করেছেন। ‘আমি ভেলেরিয়া যদি একা একা বসে থাকতাম তাহলে কুরআনের তরজমায় অনেক ভুল হত।’ নিজের ইসলাম গ্রহণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আসমানী গ্রন্থ পবিত্র কুরআনের ভালোবাসাই আমাকে ইসলামে দীক্ষিত হতে প্রেরণা ও চেতনা জুগিয়েছে। আমার বিশ্বাস, খোলা মন নিয়ে যিনিই এ কুরআন শেষ পর্যন্ত পড়বেন, শেষাবধি তাকে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ বলতেই হবে।
অনুবাদের মুদ্রণ ব্যয় সংগ্রহ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘শেখ যায়েদ ইবন সুলতান (আল্লাহ তার ওপর রহমত করুন) আল-আজহার একাডেমির কাছে একটিচিঠি পাঠান, তরজমা যথার্থ কি-না তিনি তা জানতে চান। নিশ্চিত হবার পর ২৫ হাজার কপি অনুবাদ ছাপার খরচ বহনে আগ্রহ প্রকাশ করেন শেখ যায়েদ। এ পর্যন্ত অর্ধ মিলিয়নকপি অনুবাদ ছাপা হয়েছে । সৌদি আরবের শায়খ খালেদ কাসেমীও অনেক কপি ছাপিয়েছেন। লিবিয়া ও কাতারে থেকেও এ অনুবাদ ছাপা হয়েছে।’
সূত্র : ইন্টারনেট
লেখকঃ আলী হাসান তৈয়ব | সম্পাদনা : ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
Read More
তিনি হলেন রাশিয়ান নারী ভেলেরিয়া বোরোচভা (Valeria Borochva)। নিজের কুরআন অনুবাদ সম্পর্কে তিনি বলেন,
‘পবিত্র কুরআনের তিলাওয়াত আমাকে তার প্রেমিক বানিয়েছে আর এ ভালোবাসাই আমাকে তা রুশ ভাষায় অনুবাদে অনুপ্রাণিত করেছে।’
ভেলেরিয়া বোরোচভা কিন্তু কোনো আলেমা বা ইসলামবিশেষজ্ঞ নন। ইসলামের আইনশাস্ত্র বা ফিকহ বিষয়েও তিনি কোনো ডিগ্রিধারী নন। হ্যা, তাঁর বিশেষত্ব হলো তিনি রাশিয়ান ভাষায় পবিত্র কুরআনের অনুবাদ সমাপ্ত করেছেন। সাবেক সোভিয়েত রাশিয়ার ৬০ মিলিয়ন মুসলিমের জন্য যা এক গুরুত্বপূর্ণ কীর্তি হিসেবে বরিত ও প্রশংসিত হচ্ছে।
আল-আরাবিয়া ডট নেটকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি তাঁর রুশ ভাষায় মহাগ্রন্থ আল-কুরআন অনুবাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী সিরিয়ার দামেস্ক শহরে বসবাসকারী এক আরব। তাঁর সঙ্গেআমি ১০ বছর কাটাই দামেস্কে। ইতোপূর্বে আমি আরবী জানতাম না। সেখানেই আরবী শিখি। আরবী শেখার পর সেখানে আমি একটি আরবী-রুশ অভিধান রচনা করি।তিনি আরও বলেন, ‘আমার শ্বশুর একজন ধার্মিক পুরুষ ছিলেন। তাঁর একটি বড় লাইব্রেরি ছিল। সেখানে নিয়মিত অধ্যয়নের পাশাপাশি আমি পূর্ণ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কুরআন তরজমায় মনোনিবেশ করি। দামেস্ক থেকে ফি বছর মিশরের আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন একটি গবেষণা একাডেমির উদ্দেশ্যে সফর করতাম। একাডেমিতে ছিল একটি অনুবাদ দপ্তর। দশ পারা অনুবাদ সম্পন্ন করার পর একাডেমির আলেমগণ পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি রিভিউ কমিটি গঠন করেন। আরবী ও রুশ ভাষা জানা তিন বিজ্ঞ আরব ও দুই রাশান আলেম সদস্যের এ কমিটি খুব ভালোভাবেআমার তরজমা পর্যবেক্ষণ করতে থাকেন।’
বোরোচভা উল্লেখ করেন, প্রথমে এ বোর্ড তাঁর তরজমা সম্পর্কে অনেক টীকা যোগ করেন। পাশাপাশি তাঁরা অনুবাদের ভূয়সী প্রশংসাও করেন। তাঁরা বলেন, অনুবাদ হয়েছে প্রথম শ্রেণীর। এ কারণেই আমরা এর অধ্যয়নও মূল্যায়ন চালিয়ে যেতে পারছি। এর মধ্যে যদি অনেক ভুল-ভ্রান্তি পেতাম তবে পর্যবেক্ষণে আর ধৈর্য ধরে রাখতে পারতাম না। প্রতিবারই তাঁরা অনুবাদ সম্পর্কে বৈঠক বসতেন এবং এ নিয়ে বিস্তর আলোচনা করতেন।’
তিনি জানান, তাঁকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। তবে সিরিয়ায় বসবাসের সুবাদে তা সহজেই ডিঙ্গানো সম্ভব হয়েছে। সিরিয়ার সাবেক মুফতী শায়খ আহমদ কিফতারো এবং তার পুত্র শায়খ মাহমুদ কিফতারো সবসময় তাকে সাহায্য করেছেন। প্রেরণা এবং দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেন,‘আমি প্রতিনিয়ত অনেক বিষয়ে তাঁদের জিজ্ঞেস করেছি। প্রয়োজনীয় সব কিছুই তাঁদের কাছ থেকে জেনে নিয়েছি। তেমনি ড. যুহাইলিরও সাহায্য নিয়েছি, যার কাছে কুরআনুল কারীমের তাফসীর সংক্রান্ত অনেক কিতাব ছিল।’
তিনি যোগ করেন, ‘বহু আলেম আমাকে সাহায্য করেছেন। ‘আমি ভেলেরিয়া যদি একা একা বসে থাকতাম তাহলে কুরআনের তরজমায় অনেক ভুল হত।’ নিজের ইসলাম গ্রহণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আসমানী গ্রন্থ পবিত্র কুরআনের ভালোবাসাই আমাকে ইসলামে দীক্ষিত হতে প্রেরণা ও চেতনা জুগিয়েছে। আমার বিশ্বাস, খোলা মন নিয়ে যিনিই এ কুরআন শেষ পর্যন্ত পড়বেন, শেষাবধি তাকে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ বলতেই হবে।
অনুবাদের মুদ্রণ ব্যয় সংগ্রহ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘শেখ যায়েদ ইবন সুলতান (আল্লাহ তার ওপর রহমত করুন) আল-আজহার একাডেমির কাছে একটিচিঠি পাঠান, তরজমা যথার্থ কি-না তিনি তা জানতে চান। নিশ্চিত হবার পর ২৫ হাজার কপি অনুবাদ ছাপার খরচ বহনে আগ্রহ প্রকাশ করেন শেখ যায়েদ। এ পর্যন্ত অর্ধ মিলিয়নকপি অনুবাদ ছাপা হয়েছে । সৌদি আরবের শায়খ খালেদ কাসেমীও অনেক কপি ছাপিয়েছেন। লিবিয়া ও কাতারে থেকেও এ অনুবাদ ছাপা হয়েছে।’
সূত্র : ইন্টারনেট
লেখকঃ আলী হাসান তৈয়ব | সম্পাদনা : ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
ইউরোপে মুসলিম বিদ্বেষ বাড়ছে
মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, ইউরোপ জুড়েমুসলি মদ ের একটা গৎবাঁধা নেতিবাচক ছবি তুলে ধরার কারণে তাদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ এবং বৈষম্য আরও বাড়ছে।
রিপোর্টে মুসলিমদের বিরুদ্ধ বৈষম্যের বিস্তারিত চিত্রতুলে ধরে বলা হয়, ইউরোপে এখন মুসলিম মহিলারা কেবল মাত্র হিজাব পরার কারণে চাকুরি পাচ্ছে না, মেয়েদের স্কুলে যেতে বাধা দেয়া হচ্ছে। মুসলিম পুরুষরা কেবল মাত্র দাড়ি রাখার কারণে চাকুরিচ্যূত হচ্ছেন।
ইউরোপে মুসলিমরা যে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন এটা নতুন কোন অভিযোগ নয়। কিন্তু এই বৈষম্যের সার্বিক চিত্র নিয়ে অ্যামনেস্টির মতো একটি মানবাধিকার সংস্থার তরফ থেকে এরকম ব্যাপক এবং পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট এটাই প্রথম বলা যেতে পারে।
মুসলিমদের প্রতি অসিহষ্ণুতা
১২৩ পৃষ্ঠার এই রিপোর্টে অ্যামনেস্টি বলছে, ইউরোপ জুড়ে মুসলিমরা তাদের ধর্ম পালন থেকে শুরু করে শিক্ষা , কর্মক্ষেত্র —সবজায়গাতেই বৈষম্যের শিকার হচ্ছে।
অ্যামনেস্টির রিপোর্টের ভাষায়, ইউরোপীয় দেশগুলো অর্থনৈতিক সংকটের পাশাপাশি অন্য এক সংকটের মুখে , সেটা হচ্ছে মানবিক মূল্যবোধের সংকট এবং এইসংকটের প্রকাশ দেখা যাচ্ছে মুসলিমদের প্রতি তাদের অসহিষ্ণু আচরণে।
ইউরোপ এখন অর্থনৈতিক সংকটের পাশাপাশি ভুগছে মানবিক মূল্যবোধের সংকটে এবং এই সংকটের প্রকাশ দেখা যাচ্ছে মুসলিমদের প্রতি অসহিষ্ণু আচরণে (অ্যামনেষ্টি ইন্টারন্যাশনালের রিপোর্ট)এরকম একটা বিষয় নিয়ে অ্যামনেস্টি এই মূহুর্তে কেন এই রিপোর্ট প্রকাশ করলো, সে প্রশ্নের উত্তরে সংস্থার মুখপাত্র ইউযেরটা টি গান ি বলেন, “শুধু অ্যামনেস্টি নয়, অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠনগুলোর পর্যবেক্ষণেও দেখা যাচ্ছে যে ইউরোপের মুসলি মদ ের বিরুদ্ধে বৈষম্য দিনে দিনে বাড়ছে,তারা তাদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা, ধর্ম পালন ের স্বাধীনতা এবং ধর্মবিশ্বাসের অধিকার প্রয়োগ করতে পারছে না। এ কারণেই অ্যামনেস্টি এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে।“
ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এখন বাস করেনপ্রায় সাড়ে চার কোটি মুসলিম এবং কোন কোন দেশে তারা এখন জনসংখ্যার এক উল্লেখযোগ্য অংশ।
তবে এই রিপোর্টে নজর দেয়া হয়েছে মূলত পা ঁচটি ইউরোপীয় দেশ –বেলজিয়াম, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, সুইটজারল্যান্ড এবং স্পেনের মুসলমানদের অবস্থার দিকে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মুখপাত্র ইউযেরটা টিগানি এ প্রসঙ্গে বলেন, “ এই পাঁচটি দেশকে বাছাই করা হয়েছে এই কারণে যে এসব দেশে সম্প্রতি আমরা মুসলিমদের ব্যাপারে আচরণে একটা প্রবণতা লক্ষ্য করছি। যেমন ধরুণ মুসলিম মহিলাদের মুখঢাকা বোরকা পড়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা। এই রিপোর্টে আমরা দেখানোর চেষ্টা করেছি এসব দেশেমুসলিমরা কিভাবে শিক্ষা, কর্মক্ষেত্র সহ বিভিন্ন জায়গায় বৈষম্যের শিকার হচ্ছে ।“ধর্ম পালনে বাধা
ইসলাম সম্পর্কে গতানুগতিক নেতিবাচক ধারণা ব্যবহার করে রাজনৈতিক দলগুলো ভোট বাড়াতে চাইছে (ইউযেরটা টিগানি, অ্যামনেষ্টি ইন্টারন্যাশনাল)
আ্যামনেস্টি মুখপাত্র ইউযেরটাটিগানি আরও বলেন, ধর্মপালনের অধিকার মানুষের মৌলিক মানবাধিকারগুলোর একটি। ইউরোপের এই দেশগুলোর সব কটির সংবিধানে ধর্মপালনের অধিকারেরস্বীকৃতি রয়েছে। অথচ বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, মুসলিমরা তাদের দৈনন্দিন প্রার্থনা করতে গিয়েও সেখানে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেনস্পেনের উদাহারণ দিয়ে ইউযেরটা টি গান ি বলেন, “সেখানে কাতালোনিয়া অঞ্চলে আমরা দেখেছি, সেখানে মুসলমানদের প্রার্থনা করার মতো মসজিদ নেই বললেই চলে। নাম াজ পড়ার মতো এখন যে জায়গাগুলো আছে, সেগুলো হয় খুবই অপরিসর, সবার জায়গা হয় না, তাই লোকজনকে বাইরে খোলা জায়গায় জড়ো হয়ে নামাজ পড়তে হয়। আর সুইটজারল্যান্ডে তো ওরা সংবিধান সংশোধন করে মসজিদের মিনার তৈরীই নিষিদ্ধ করেছে। ইসলাম সম্পর্কে যে স্টিরিওটাইপ বা গতানুগতিক ধারণা এখন বিরাজ করছে, রাজনৈতিক দলগুলোও যে তা ব্যবহার করে ভোট বাড়াতে চাইছে, এ হচ্ছে তারএকটা বড় উদাহারণ।“
অ্যামনেস্টি রিপোর্টে বলা হয়, ইউরোপ জুড়ে এই মুসলিম বিদ্বেষ মোকাবেলায় সরকারগুলোর নীতি যে খুব সহায়ক, তা বলা যাবে না। কোন কোন ক্ষেত্রে সরকারী নীতি এই নেতিবাচক ভাবমূর্তিকে বরং আরও দৃঢ় করছে।
রিপোর্টে বলা হয়, বেলজিয়াম, ফ্রান্স এবং নেদারল্যান্ডসে মুসলিমরা কর্মক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হলেও সেখানে এরকম বৈষম্যবিরোধী আইন থাকার পরও তা প্রয়োগ করা হয়নি। এই ইসলাম বিদ্বেষের সঙ্গে এখন আবার যুক্ত হয়েছে বর্ণবাদী দৃষ্টিভঙ্গী।
মুসলি মদ ের বিরুদ্ধে এই বিদ্বেষ এবং নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গীর বিরুদ্ধে একটা জোরালো অবস্থান নেয়ার জন্য অ্যামনেস্টি ইউরোপীয়দেশগুলোর সরকারগুলোর প্রতি আহ্বানজানিয়েছে।
উৎসঃ বিবিসি বাংলা
শেয়ার করে আপনিও হন ইসলামের প্রচারক ।
আমরা সবাই একাজটি করলে জানার পাশাপাশি সওয়াব হবে ।
যে ব্যাক্তি ইসলামের একটি কথা শিখবে তাকে আল্লাহ দশটি নেকী দেবেন ।
যে শিখাবে তাকেও দশটি নেকী দেওয়া হবে ।
তাই আসুন আমরা নিজেও জানি, অন্যদেরকেও জানাই ।
Read More
রিপোর্টে মুসলিমদের বিরুদ্ধ বৈষম্যের বিস্তারিত চিত্রতুলে ধরে বলা হয়, ইউরোপে এখন মুসলিম মহিলারা কেবল মাত্র হিজাব পরার কারণে চাকুরি পাচ্ছে না, মেয়েদের স্কুলে যেতে বাধা দেয়া হচ্ছে। মুসলিম পুরুষরা কেবল মাত্র দাড়ি রাখার কারণে চাকুরিচ্যূত হচ্ছেন।
ইউরোপে মুসলিমরা যে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন এটা নতুন কোন অভিযোগ নয়। কিন্তু এই বৈষম্যের সার্বিক চিত্র নিয়ে অ্যামনেস্টির মতো একটি মানবাধিকার সংস্থার তরফ থেকে এরকম ব্যাপক এবং পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট এটাই প্রথম বলা যেতে পারে।
মুসলিমদের প্রতি অসিহষ্ণুতা
১২৩ পৃষ্ঠার এই রিপোর্টে অ্যামনেস্টি বলছে, ইউরোপ জুড়ে মুসলিমরা তাদের ধর্ম পালন থেকে শুরু করে শিক্ষা , কর্মক্ষেত্র —সবজায়গাতেই বৈষম্যের শিকার হচ্ছে।
অ্যামনেস্টির রিপোর্টের ভাষায়, ইউরোপীয় দেশগুলো অর্থনৈতিক সংকটের পাশাপাশি অন্য এক সংকটের মুখে , সেটা হচ্ছে মানবিক মূল্যবোধের সংকট এবং এইসংকটের প্রকাশ দেখা যাচ্ছে মুসলিমদের প্রতি তাদের অসহিষ্ণু আচরণে।
ইউরোপ এখন অর্থনৈতিক সংকটের পাশাপাশি ভুগছে মানবিক মূল্যবোধের সংকটে এবং এই সংকটের প্রকাশ দেখা যাচ্ছে মুসলিমদের প্রতি অসহিষ্ণু আচরণে (অ্যামনেষ্টি ইন্টারন্যাশনালের রিপোর্ট)এরকম একটা বিষয় নিয়ে অ্যামনেস্টি এই মূহুর্তে কেন এই রিপোর্ট প্রকাশ করলো, সে প্রশ্নের উত্তরে সংস্থার মুখপাত্র ইউযেরটা টি গান ি বলেন, “শুধু অ্যামনেস্টি নয়, অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠনগুলোর পর্যবেক্ষণেও দেখা যাচ্ছে যে ইউরোপের মুসলি মদ ের বিরুদ্ধে বৈষম্য দিনে দিনে বাড়ছে,তারা তাদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা, ধর্ম পালন ের স্বাধীনতা এবং ধর্মবিশ্বাসের অধিকার প্রয়োগ করতে পারছে না। এ কারণেই অ্যামনেস্টি এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে।“
ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এখন বাস করেনপ্রায় সাড়ে চার কোটি মুসলিম এবং কোন কোন দেশে তারা এখন জনসংখ্যার এক উল্লেখযোগ্য অংশ।
তবে এই রিপোর্টে নজর দেয়া হয়েছে মূলত পা ঁচটি ইউরোপীয় দেশ –বেলজিয়াম, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, সুইটজারল্যান্ড এবং স্পেনের মুসলমানদের অবস্থার দিকে।
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মুখপাত্র ইউযেরটা টিগানি এ প্রসঙ্গে বলেন, “ এই পাঁচটি দেশকে বাছাই করা হয়েছে এই কারণে যে এসব দেশে সম্প্রতি আমরা মুসলিমদের ব্যাপারে আচরণে একটা প্রবণতা লক্ষ্য করছি। যেমন ধরুণ মুসলিম মহিলাদের মুখঢাকা বোরকা পড়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা। এই রিপোর্টে আমরা দেখানোর চেষ্টা করেছি এসব দেশেমুসলিমরা কিভাবে শিক্ষা, কর্মক্ষেত্র সহ বিভিন্ন জায়গায় বৈষম্যের শিকার হচ্ছে ।“ধর্ম পালনে বাধা
ইসলাম সম্পর্কে গতানুগতিক নেতিবাচক ধারণা ব্যবহার করে রাজনৈতিক দলগুলো ভোট বাড়াতে চাইছে (ইউযেরটা টিগানি, অ্যামনেষ্টি ইন্টারন্যাশনাল)
আ্যামনেস্টি মুখপাত্র ইউযেরটাটিগানি আরও বলেন, ধর্মপালনের অধিকার মানুষের মৌলিক মানবাধিকারগুলোর একটি। ইউরোপের এই দেশগুলোর সব কটির সংবিধানে ধর্মপালনের অধিকারেরস্বীকৃতি রয়েছে। অথচ বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, মুসলিমরা তাদের দৈনন্দিন প্রার্থনা করতে গিয়েও সেখানে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেনস্পেনের উদাহারণ দিয়ে ইউযেরটা টি গান ি বলেন, “সেখানে কাতালোনিয়া অঞ্চলে আমরা দেখেছি, সেখানে মুসলমানদের প্রার্থনা করার মতো মসজিদ নেই বললেই চলে। নাম াজ পড়ার মতো এখন যে জায়গাগুলো আছে, সেগুলো হয় খুবই অপরিসর, সবার জায়গা হয় না, তাই লোকজনকে বাইরে খোলা জায়গায় জড়ো হয়ে নামাজ পড়তে হয়। আর সুইটজারল্যান্ডে তো ওরা সংবিধান সংশোধন করে মসজিদের মিনার তৈরীই নিষিদ্ধ করেছে। ইসলাম সম্পর্কে যে স্টিরিওটাইপ বা গতানুগতিক ধারণা এখন বিরাজ করছে, রাজনৈতিক দলগুলোও যে তা ব্যবহার করে ভোট বাড়াতে চাইছে, এ হচ্ছে তারএকটা বড় উদাহারণ।“
অ্যামনেস্টি রিপোর্টে বলা হয়, ইউরোপ জুড়ে এই মুসলিম বিদ্বেষ মোকাবেলায় সরকারগুলোর নীতি যে খুব সহায়ক, তা বলা যাবে না। কোন কোন ক্ষেত্রে সরকারী নীতি এই নেতিবাচক ভাবমূর্তিকে বরং আরও দৃঢ় করছে।
রিপোর্টে বলা হয়, বেলজিয়াম, ফ্রান্স এবং নেদারল্যান্ডসে মুসলিমরা কর্মক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হলেও সেখানে এরকম বৈষম্যবিরোধী আইন থাকার পরও তা প্রয়োগ করা হয়নি। এই ইসলাম বিদ্বেষের সঙ্গে এখন আবার যুক্ত হয়েছে বর্ণবাদী দৃষ্টিভঙ্গী।
মুসলি মদ ের বিরুদ্ধে এই বিদ্বেষ এবং নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গীর বিরুদ্ধে একটা জোরালো অবস্থান নেয়ার জন্য অ্যামনেস্টি ইউরোপীয়দেশগুলোর সরকারগুলোর প্রতি আহ্বানজানিয়েছে।
উৎসঃ বিবিসি বাংলা
শেয়ার করে আপনিও হন ইসলামের প্রচারক ।
আমরা সবাই একাজটি করলে জানার পাশাপাশি সওয়াব হবে ।
যে ব্যাক্তি ইসলামের একটি কথা শিখবে তাকে আল্লাহ দশটি নেকী দেবেন ।
যে শিখাবে তাকেও দশটি নেকী দেওয়া হবে ।
তাই আসুন আমরা নিজেও জানি, অন্যদেরকেও জানাই ।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি
(
Atom
)