দাম্পত্য জীবনঃ---- লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
দাম্পত্য জীবনঃ---- লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আপনার স্ত্রী কি আপনার প্রতি উদাসীন?
আপনার স্ত্রী কি আপনার প্রতি উদাসীন?
কোনো কোনো লোককে অনেক সময় আক্ষেপের সুরে বলতে শুনা যায় যে, ভাই! আমার স্ত্রী আমার সাথে দিনে যেমন দুর্ব্যবহার করে, রাতেও তেমন দুর্ব্যবহার করে। সে ভালোবাসা না দিতে জানে, না নিতে জানে। আমার প্রতি সে সম্পূর্ণ উদাসীন।
মানুষ বিয়ে করে শান্তি ও ভালোবাসার জন্য । সুতরাং এই শান্তি ও ভালোবাসাই যদি আমি নাই তবে কি বউ দিয়ে আমি ঘরের খুঁটি লাগাব?
মাতা-পিতার প্রতি আমাদেরকর্তব্য সমুহ
মাতা-পিতার প্রতি আমাদের কর্তব্য সমুহঃ
দুনিয়া ও আখেরাতে নাজাত পেতে হলে নিম্মোক্ত উপদেশগুলি পালন করতে হবেঃ
১. মাতা পিতার সাথে ভদ্র ভাবে কথা বলতে হবে। তাদেরকে উহ! শব্দটিও পর্যন্ত বলবে না।
২. সর্বদা মাতা পিতার আদেশ নিষেধ পালন করতে তৎপর হবে, তবে কোন পাপের কাজ ব্যতিত। কারন শ্রষ্টার সাথে কোন পাপের কাজে কোন সৃষ্টির আনুগত্য করা যাবে না।
৩. তাদের সঙ্গে উত্তম ব্যবহার করবে। কখন ও তাদের সম্মুখে বিয়াদবী করবে না। কখনও তাদের প্রতি রাগের সাথে দৃষ্টি নিক্ষেপ করবে না।
৪. সর্বদা পিতা-মাতার সুনাম, সম্মান ও ধন সম্পদের হিফাজতে সচেষ্ট হবে। আর তাদের অনুমতি ব্যতীত কোন টাকা পয়সা ধরবে না ।
৫. এমন কাজে তৎপর হও যাতে তারা খুশী হন। যদিও তারা সেসবের হুকুম না ও করে থাকেন। যেমন তাদের খেদমত করা এবং তাদের প্রয়োজনীয় জিনিষ ক্রয় করে দেয়া। আর সব সময় জ্ঞান অর্জনে সচেষ্ট হবে।
৬. তোমরা সর্ববিধ কাজে তাদের সাথে পরামর্শ করবে। আর যদি কোন অবস্থায় তাদের বিরোধিতা করতে তবে তাদের নিকট ওজর পেশ করবে।
৭. সর্বদা তাদের ডাকে হাসি-মুখেউপস্থিত হবে।
৮. তাদের বন্ধূ বান্ধব ও আত্বীয়স্বজনদের সম্মান করতে হবে তাদের জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পরেও।
৯. তাদের সাথে ঝগড়া করবেনা এবং তাদের ভূল ভ্রান্তি খুজতে তৎপরহবে না।
১০. তাদের অবাধ্য হবে না। তাদেরসম্মুখে উচ্চস্বরে কথা বলবেনা।তাদের সাথে উত্তম ব্যবহার করবে।
১১. যখনই তাদের কেউ তোমার সম্মুখে উপস্থিত হন তখনই তাদেরসম্মানে দাড়িয়ে যাবে।
১২. বাড়ীতে মাতাকে তার কাজে সর্বদা সহযোগিতা করবে। আর পিতার কাজে সহযোগিতা করতে কখনওপিছপা হবে না।
১৩. মাতা পিতার অনুমতি ব্যতিত কোথাও বের হবে না।
১৪. অনুমতি ব্যতিত কখনও তাদের ঘরে প্রবেশ করবে না। বিশেষ করে তাদের ঘুম বা বিশ্রামের সময়।
১৫. তাদের পূর্বে খাবার গ্রহন করবে না। খানা পিনার সময় তাদের একরাম করতে সচেষ্ট থাকবে।
১৬. তাদের সম্মুখে কখন ও মিথ্যাকথা বলবে না । তাদের কোন কাজ তোমার পছন্দ না হলে তাদের দোষ বের করতে তৎপর হবে না।
১৭. তাদের সম্মুখে স্ত্রী বা সন্তানদের প্রাধান্য দিবে না। সর্ব অবস্থায় তাদের রাজী খুশী রাখতে তৎপর হবে।
১৮. তাদের সম্মুখে কোন উচু স্থানে উপবেশন করবে না। তাদের সম্মুখে কখনও অহংকারের সাথে পদদয়কে লম্বা করে দিবে না।
১৯. কখনও পিতার সম্মুখে বড়ত্ব দেখাবে না।২০. তাদের জন্য খরচের ব্যাপারে কখনও এত কৃপনতা করবে না, যাতে তারা কোন অভিযোগ উত্থাপন করে।
২১. বেশী বেশী করে মাতা পিতার দেখাশুনা করবে, তাদের সর্বদা হাদিয়া উপহার দিতে তৎপর হবে তারা যে কষ্ট করে তোমাকে প্রতি পালন করেছেন তজ্জন্য শুকরিয়া আদায়ে তৎপর হবে। তুমি যেমন আজ তোমার সন্তানদের আদর কর এবং তাদের জন্য কষ্ট কর, একদা তারা ও তোমার জন্য ঐরকম কষ্ট করতেন।
২২. তোমার নিকট সর্বাধিক সম্মানিত ও হকদার হলেন তোমার মাতা। তারপর তোমার পিতা। মনে রেখ মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত।
২৩. মাতা পিতার অবাধ্যচরণ ও তাদের সাথে রাগারাগি করা থেকে বিরত থাকবে। অন্যথায় তুমি দুনিয়া ও আখেরাতে দু:খ কষ্টের মধ্য পড়বে।
২৪. যদি তুমি তাদের নিকট কোন কিছু চাও, তবে নম্র ভাবে তা চাও। আর যখন তুমি তা তাদের নিকটহতে পাবে, তখন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে।
২৫. যখন তুমি রিযক উপার্জক্ষম হবে, তখন হতেই রিযক অন্বেষণে তৎপর হও। আর সাথে সাথে মাতা পিতাকে সাহায্য করতে চেষ্টা কর।
২৬. মাতা পিতার সাক্ষাত করতে থাক জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পরেও। তাদের পক্ষ হতে দান খয়রাত করতে থাক। সর্বদা তাদের জন্য এই বলে বেশী বেশী দুআ করতেথাক।
হে আমার রব! আমাকে এবং আমার মাতাপিতাকে এবং ঈমানসহ যারা আমার ঘরে প্রবেশ করে তাদেরকে এবং অন্যান্য মুমিন নারী পুরূষদেরকে ক্ষমা করে দাও। (সুরা নুহ ২৯ আয়াত)
==================== ===================
............................মোহাম্মদ জামালউদ্দীন, দুবাই ইউ এ ই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: বিবিধ
পারিবারিক জীবনঃ--যাদের উছিলায় আজ আমরা দুনিয়াতে বীরদর্পে হেটে বেড়াচ্ছি তাদেরকে এত অবহেলা করি কেন?

মা-বাবার কাছে সন্তান হচ্ছে শ্রেষ্ট ধন। কলিজার টুকরার টুকরা। সন্তানদের জন্যই মা-বাবা বেঁচে থাকার জন্য মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে প্রার্থনা করে থাকে। সন্তানের জন্মের পূর্ব থেকেই মা-বাবাকে কঠিন পথ পাড়ি দিয়ে হয়। দশ মাস দশ দিন সন্তানকে পেটে ধারন করে মাকে সংসারের যাবতীয় কাজ করতে হয়। সন্তানের ফুটফুটে মুখ দেখার জন্য বাবা অপেক্ষায় থাকে। আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে সন্তান দুনিয়ায় আগমন করলে মা-বাবা ও পরিবারে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। মায়ের সেবায় সন্তান আস্তে আস্তে বড় হতে থাকে। আর বাবা সন্তানের জন্য যা যা দরকার এনে দিতে প্রস্তুত থাকে। তারপর সন্তান চার/পাঁচ বয়সে স্কুলে যায়। মা-বাবা সন্তানকে সুশিক্ষিত করার জন্য দিন রাত পরিশ্রম করে থাকে। তারপর উচ্চবিদ্যালয় তারপর মহাবিদ্যালয় তারপর কর্ম জীবনে সন্তানকে প্রবেশ করিয়ে বা মেয়ে হলে যোগ্য পাত্রের হাতে তুলে দিয়ে মা-বাবা একটু বিশ্রাম নিতে চাই। একটি সন্তানকে তৈরী করতে মা-বাবাকে অক্লান্ত পরিশ্রম করতে হয়। অনেক অর্থ খরচ করতে হয়। অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। আর সেই সন্তান একসময় বিয়ে করে বউ নিয়ে আলাদা থাকে। মা-বাবাকে বোঝা মনে করে গ্রামের বাড়ীতে রেখে বউ নিয়ে শহরে পাড়ি দিয়ে থাকে। প্রতি মাসে মা-বাবার কিছু টাকা পাঠিয়ে দিয়ে দায়িত্ব শেষ মনে থাকে। অনেকে মা-বাবাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে দেয়। এই রকম দৃশ্য আমাদের সমাজে দেখতে পাচ্ছি। ইদানিং সমাজে মা-বাবারসাথে সন্তানের দুরত্ব বাড়ছে। যৌথ পরিবার ভেঙ্গে যাচ্ছে।
শিক্ষিত সন্তানেরা মা-বাবাকে গ্রামের বাড়ীতে বা বৃদ্ধাশ্রমেরেখে কিভাবে বউ নিয়ে শহরের বসবাস করছে? তাদের কি একবারও মা-বাবার পরিশ্রমের কথা, ছোট বেলার লালন পালনের কথা মনে পড়ে না? আমরা এখন কোন সমাজে বসবাস করছি? যাদের উছিলায় আজ আমরা দুনিয়াতে বীরদর্পে হেটে বেড়াচ্ছি তাদেরকে এত অবহেলা করছি কেন? একবারও কি ভেবে দেখেছেন এই অবহেলার চিত্র একসময় আমাদের জীবনেও আসতে পারে। এক সময় আমাদের সন্তানেরাও আমাদেরকে বৃদ্ধাশ্রমে অথবা গ্রামের বাড়ীতে রেখে আসবে। তখন কেমন লাগবে? মনে রাখবেন মাতা-পিতাকেকষ্ট্ দেবার ফল মৃত্যুর পূর্বেই ভোগ করতে হবে।
তাই আসুন.. হে ভাই ও বোনেরা! যেখানে থাকি না কেন মা-বাবাকে সাথে নিয়ে থাকার চেষ্টা করি। ছেলে হলে অবশ্যই মা-বাবা-স্ত্রী-সন্তানদের এক সাথে বসবাস করবেন। আর মেয়ে হলে বিবাহিত জীবন থেকেও মা-বাবার সেবা করা যায়। নিয়মিত মা-বাবার সাথে যোগাযোগ রাখুন।ছেলে হলে অবশ্যই মা-বাবা-স্ত্রী-সন্তানদের এক সাথে বসবাস করবেন। আর মেয়ে হলে বিবাহিত জীবন থেকেও মা-বাবার সেবা করা যায়। নিয়মিত মা-বাবার সাথে যোগাযোগ রাখুন। আর প্রবাসী হলে অবশ্যই প্রতি সপ্তাহে মা-বাবার সাথে ফোনে কথা বলুন। হে আল্লাহ আমাদেরকে মা-বাবার সেবার করা তওফিক দান করুন।
-নিজ পরিবারকে গোনাহ থেকে বাঁচান
মানুষ সম্পূর্নভাবে গোনাহ থেকে বাঁচতে হলে. তাকে সর্বপ্রথম নিজের পরিবারকে ঠিক করতে হবে। যদি কোন ব্যক্তির স্ত্রী-সন্তান ভুল পথে চলে এবং গোনাহের কাজে লিপ্ত হয়। কিন্তুসে তাদের প্রতি কোন ভ্রক্ষেপ না করে। সে ব্যাপারে কোন চিন্তা-ফিকির না করে। তাহলে সে ব্যক্তি গোনাহ থেকে বেঁচে থাকার যতই চেষ্টা করুক না, গোনাহ থেকে বেঁচে থাকতে পারবে না ।কারন এ বউ-বাচ্চা তাকেও একদিন গোনাহের কাজে লিপ্ত করিয়ে ছাড়বে। তাই মানুষের জন্যযেমনিভাবে নিজে গোনাহ থেকে বেঁচে থাকা জরুরী, তেমনিভাবে স্ত্রী-সন্তানদেরকেও বাচিয়ে রাখা জরুরী।
আর এ কাজে মহিলাদেরই ভুমিকাই সবচেয়ে বড় দখল। যদি মহিলাদের অন্তরে এ চিন্তা আসে যে, আমরা আমাদের জীবনকে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সাঃ) এর আদেশ অনুযায়ী চালাবো এবং গোনাহ থেকে বেঁচে থাকবো। তাহলে ঘরের পরিবেশ ঠিক হয়ে যাবে। কারন মহিলারাই হচ্ছেঘরের প্রধান পরিচালিকা। আর যদিমহিলাদের অব্স্থা এমন হয় যে, তারা গোনাহের কাজ থেকে বেঁচে থাকে না। পর্দার কোন তোয়াক্কা করে না, সর্বদা গোনাহে লিপ্ত থাকে, তবে ঘরের পরিবেশ খুব খারাপ হবে। সবাই গোনাহে লিপ্ত হবে।
সুত্রঃ গোনাহও তওবা
মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী
================ ==================
------------------মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দুবাই, ইউ এ ই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: নারী
Read More
আর এ কাজে মহিলাদেরই ভুমিকাই সবচেয়ে বড় দখল। যদি মহিলাদের অন্তরে এ চিন্তা আসে যে, আমরা আমাদের জীবনকে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সাঃ) এর আদেশ অনুযায়ী চালাবো এবং গোনাহ থেকে বেঁচে থাকবো। তাহলে ঘরের পরিবেশ ঠিক হয়ে যাবে। কারন মহিলারাই হচ্ছেঘরের প্রধান পরিচালিকা। আর যদিমহিলাদের অব্স্থা এমন হয় যে, তারা গোনাহের কাজ থেকে বেঁচে থাকে না। পর্দার কোন তোয়াক্কা করে না, সর্বদা গোনাহে লিপ্ত থাকে, তবে ঘরের পরিবেশ খুব খারাপ হবে। সবাই গোনাহে লিপ্ত হবে।
সুত্রঃ গোনাহও তওবা
মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ তাকী উসমানী
================ ==================
------------------মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দুবাই, ইউ এ ই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: নারী
মাতা-পিতাদের প্রতি---ঘরে বেহায়াপনা মেনে নেয়ার পরিণাম কি?
”তিন শ্রেণীর লোকের জন্য আল্লাহ তায়ালা জান্নাত হারাম করে দিয়েছেন। অব্যাহতভাবে মদ পানকারী, পিতা-মাতার অবাধ্যজন এবং এমন বেহায়া যে তার পরিবারের অশ্নীলতাকে মেনে নেয়।”
(ইবনে উমার (রাঃ) থেকে মার্ফু সুত্রে বর্ণিত) আহমদ, সহীহুল জামে ৩০৪৭
আর বর্তমানে নির্লজ্জতার ও অশ্নীলতার স্বরূপ হল, পিতার দেখেও না দেখার ভান করা যখন কন্যা বা স্ত্রী টেলিফোনে পরপুরুষের সাথে কথোপকথনে রত থাকে । তার পরিবারের কোন মহিলার কোন অন্য পুরুষের সাথে একান্তে থাকাতে সে মেনে নেয়। অনুরূপ তার বাড়ীর কোন মহিলাকে গায়র মাহরাম ড্রাইভারের সাথে একা যেতে ছেড়ে দেয়। আর (তার বাড়ির) মহিলাদের বেপর্দা ঘুরা-ফেরা করতে অনুমতি দেয়। ফলে সকাল ও সন্ধ্যায় আগমন ও প্রত্যাগমনকারীরা তাদের খুব পরিদর্শন করে। অনুরূপ নোংরা সিনেমা, অথবা (অশ্নীলতায় ভরা) পত্র পত্রিকা ঘরে আনে, যা থেকে ফিৎনা ও ফ্যাসাদ এবং এমন নির্লজ্জকর জিনিষ সংঘটিত হয়, যাউল্লেখ যোগ্য নয়।
সুত্রঃ কতিপয় হারাম বস্তু যা অনেকে নগন্য ভাবে, পৃষ্টা -৬৫
=============মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, ইউ,এ,ই==================
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: নারী
Read More
(ইবনে উমার (রাঃ) থেকে মার্ফু সুত্রে বর্ণিত) আহমদ, সহীহুল জামে ৩০৪৭
আর বর্তমানে নির্লজ্জতার ও অশ্নীলতার স্বরূপ হল, পিতার দেখেও না দেখার ভান করা যখন কন্যা বা স্ত্রী টেলিফোনে পরপুরুষের সাথে কথোপকথনে রত থাকে । তার পরিবারের কোন মহিলার কোন অন্য পুরুষের সাথে একান্তে থাকাতে সে মেনে নেয়। অনুরূপ তার বাড়ীর কোন মহিলাকে গায়র মাহরাম ড্রাইভারের সাথে একা যেতে ছেড়ে দেয়। আর (তার বাড়ির) মহিলাদের বেপর্দা ঘুরা-ফেরা করতে অনুমতি দেয়। ফলে সকাল ও সন্ধ্যায় আগমন ও প্রত্যাগমনকারীরা তাদের খুব পরিদর্শন করে। অনুরূপ নোংরা সিনেমা, অথবা (অশ্নীলতায় ভরা) পত্র পত্রিকা ঘরে আনে, যা থেকে ফিৎনা ও ফ্যাসাদ এবং এমন নির্লজ্জকর জিনিষ সংঘটিত হয়, যাউল্লেখ যোগ্য নয়।
সুত্রঃ কতিপয় হারাম বস্তু যা অনেকে নগন্য ভাবে, পৃষ্টা -৬৫
=============মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, ইউ,এ,ই==================
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: নারী
কিভাবে আমরা আমাদের সন্তানদের লালন-পালন করব?
কিভাবে আমরা আমাদের সন্তানদের লালন -পালন করবঃ
আল্লাহ তায়ালা বলেন, “হে ঈমানদারগন! তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিজনদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা কর।” (সূরা তাহরীম ৬৬:৬ আয়াত)
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ যখন কেউ মারা যায় তখন তিন ধরনের আমলব্যতীত অন্যান্য সমস্ত আমলের সওয়াব বন্ধ হয়ে যায়। তা হল- ছদকায়ে জারীয়া, উপকারী ইলম এবং নেককার সন্তান। যে তার মাতা পিতার জন্য দোয়া করে। (মুসলিম)
তাই প্রথমে নিজের সংশোধনে সচেষ্ট হোন অন্যান্য কর্মের আগেই। সন্তানদের সম্মুখে আপনি যে ভাল কাজ করবেন তাই উত্তম। যাখারাপ তা পরিত্যাগ করুন। যদি শিক্ষক ও মাতাপিতা তাদের সন্তানদের সম্মুখে উত্তম চরিত্র ও ব্যবহারে মাধুর্যময়ী হন, তবেই তারা উত্তম শিক্ষা পাবে। তাই নিন্মোক্ত বিষয় সমুহের ব্যাপারে আমাদের বিশেষ ভাবে খেয়াল রাখা অতীব প্রয়োজন।
১. প্রথমে বাচ্চাদের “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলল্লাহ” পড়তে শিক্ষা দেয়া।অত:পর যখন তারা বড় হবে, তখন তাদের এই কালেমার অর্থ শিক্ষা দেয়া।
২. সর্বদা সন্তানদের হূদয়ে আল্লাহর প্রতি ঈমান ও তাঁর প্রতি ভালবাসা সৃষ্টি করতে
আন্তারিক হওয়া।
৩. সন্তানদের জান্নাতের প্রবেশের ব্যাপারে উদ্ধদ্ধ করাযে যারা সালাত আদায় করবে, সওম পালন করবে, মাতাপিতার বাধ্য থাকবে, আর আল্লাহ যাতে রাজী খুশী হন সে সব কাজ করবে, তারাই জান্নাতে প্রবেশ করবে। সাথে সাথে জান্নামের ব্যাপারে ভয় ভীতি প্রদর্শন করতে হবে।
৪. সর্বদা বাচ্চাদের এ শিক্ষা দিতে হবে যে, একমাত্র আল্লাহর নিকট দু’আ করতে হবে, এবং একমাত্র তারই নিকট সাহায্য প্রার্থনা করতে হবে।
৫. সন্তানদের সালাত ও কোরআন শিক্ষা দিতে হবে।
৬. সন্তানদের হারাম কাজ হতে নিবৃত্ত রাখতে হবে। ঘুষ, সুদ, চুরি, দুর্ণিতি ইত্যাদি থেকে বিরত থাকার জন্য পরামর্শ দিবে।
৭. সন্তানদের আজে বাজে পত্রিকা পড়া ও গান শুনা থেকে নিবৃত্ত রাখতে হবে।
৮. সন্তানদের ধুমপান ও মাদক দ্রব্য ব্যবহারের ব্যাপারে নিষেধ করতে হবে।
৯. সন্তানদের সর্বদা কথা ও কাজেসত্যবাদী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
১০. বন্ধু নির্বাচনের সাবধানতা অবলম্বনের জন্য তাদেরকে সতর্ক থাকতে বলতে হবে।
===================== ===================
.................................মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দুবাই, ইউ এ ই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: নারী
Read More
আল্লাহ তায়ালা বলেন, “হে ঈমানদারগন! তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিজনদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা কর।” (সূরা তাহরীম ৬৬:৬ আয়াত)
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ যখন কেউ মারা যায় তখন তিন ধরনের আমলব্যতীত অন্যান্য সমস্ত আমলের সওয়াব বন্ধ হয়ে যায়। তা হল- ছদকায়ে জারীয়া, উপকারী ইলম এবং নেককার সন্তান। যে তার মাতা পিতার জন্য দোয়া করে। (মুসলিম)
তাই প্রথমে নিজের সংশোধনে সচেষ্ট হোন অন্যান্য কর্মের আগেই। সন্তানদের সম্মুখে আপনি যে ভাল কাজ করবেন তাই উত্তম। যাখারাপ তা পরিত্যাগ করুন। যদি শিক্ষক ও মাতাপিতা তাদের সন্তানদের সম্মুখে উত্তম চরিত্র ও ব্যবহারে মাধুর্যময়ী হন, তবেই তারা উত্তম শিক্ষা পাবে। তাই নিন্মোক্ত বিষয় সমুহের ব্যাপারে আমাদের বিশেষ ভাবে খেয়াল রাখা অতীব প্রয়োজন।
১. প্রথমে বাচ্চাদের “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলল্লাহ” পড়তে শিক্ষা দেয়া।অত:পর যখন তারা বড় হবে, তখন তাদের এই কালেমার অর্থ শিক্ষা দেয়া।
২. সর্বদা সন্তানদের হূদয়ে আল্লাহর প্রতি ঈমান ও তাঁর প্রতি ভালবাসা সৃষ্টি করতে
আন্তারিক হওয়া।
৩. সন্তানদের জান্নাতের প্রবেশের ব্যাপারে উদ্ধদ্ধ করাযে যারা সালাত আদায় করবে, সওম পালন করবে, মাতাপিতার বাধ্য থাকবে, আর আল্লাহ যাতে রাজী খুশী হন সে সব কাজ করবে, তারাই জান্নাতে প্রবেশ করবে। সাথে সাথে জান্নামের ব্যাপারে ভয় ভীতি প্রদর্শন করতে হবে।
৪. সর্বদা বাচ্চাদের এ শিক্ষা দিতে হবে যে, একমাত্র আল্লাহর নিকট দু’আ করতে হবে, এবং একমাত্র তারই নিকট সাহায্য প্রার্থনা করতে হবে।
৫. সন্তানদের সালাত ও কোরআন শিক্ষা দিতে হবে।
৬. সন্তানদের হারাম কাজ হতে নিবৃত্ত রাখতে হবে। ঘুষ, সুদ, চুরি, দুর্ণিতি ইত্যাদি থেকে বিরত থাকার জন্য পরামর্শ দিবে।
৭. সন্তানদের আজে বাজে পত্রিকা পড়া ও গান শুনা থেকে নিবৃত্ত রাখতে হবে।
৮. সন্তানদের ধুমপান ও মাদক দ্রব্য ব্যবহারের ব্যাপারে নিষেধ করতে হবে।
৯. সন্তানদের সর্বদা কথা ও কাজেসত্যবাদী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
১০. বন্ধু নির্বাচনের সাবধানতা অবলম্বনের জন্য তাদেরকে সতর্ক থাকতে বলতে হবে।
===================== ===================
.................................মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দুবাই, ইউ এ ই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: নারী
সন্তানের সাথে মাতা-পিতার আচরণ (মানবতা বিরোধী কার্যকলাপ হতে মাকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে)
ইসলামই একমাত্র ধর্ম যা সঠিক ও রুচিশীল পদ্ধতিতে সন্তানদের লালন-পালন করার শিক্ষা দেয়। সুতারাং আমাদের সন্তানদের লালনপালনও ঐ সোনালী পদ্ধতিতেই করা বাঞ্চনীয়। সন্তান প্রতিপালনে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ন হলো মাতা-পিতার। যদি মাতা-পিতা আন্তরিকভাবে কামনা করেন ও দোয়াকরেন, তাহলে তাদের সন্তানও সুসন্তান হবে। এটাতো বাস্তব সত্য যে, সন্তানদের প্রাথমিক বিদ্যালয় হল মায়ের কোল।
শিশুদের অনর্থক জিদ্দিপনার কারনে অথবা কথা না মানার কারনে কিংবা সারাক্ষণ বিরক্ত করার কারনে মায়ের প্রচন্ড ক্রোধের উদ্রেক হয়। তখন মায়ের মুখ দ্বারা এমন ভুল, ক্ষতিকারক ও ধ্বংসাত্মক বাক্য নিসৃত হয় , যাশিশুর ভবিষ্যত জীবনের উপর কুপ্রভাব পড়ে। যেমনঃ
১. “তুই জন্ম নেয়ার সময় মরে গেলেই ভাল হত।”
২. “কতই না ভাল হত, যদি তুই আমার সন্তান না হতি।”
৩. “তোর ছেলে-মেয়েরা ও যেন তোরেএমন জ্বালায়।”
৪. “তোরে কলেরা ধরে না কেন?”
৫. আজরাঈল তোকে নেই না কেন? ইত্যাদি ইত্যাদি।
এই বদ দু’আ সম্বলিত বাক্যগুলো ছাড়াও মায়ের ভূল সিদ্ধান্ত হল, ক্রোধ, মাত্রাতিরিক্ত শাস্তি দেয়া। যেমনঃ
১. জামা-কাপড় খুলে বিবস্ত্র অবস্থায় ঘরের বাইরে দাড় করিয়ে রাখা,
২. সারাদিন কিছু খেতে না দেয়া,
৩. বুভু অবস্থায় বাথরুমে বেঁধে রাখা, ষ্টোর রুমে বেঁধে রাখা ইত্যাদি।
৪. প্রহার করে আধমরা করে ফেলা,
৫. চেহেরা মুখাবয়বে অথবা শরীরেরকোন স্থানে স্বজোরে এমন থাপ্পড়মারা যদ্ধারা দাগ প্রকাশ পেয়ে যায়।
৬. পাতলা ছুরি, চাকু বা কোন স্কেল দ্বারা এমন ভাবে প্রহার করা, যার কারনে রক্ত জমে যায়, ইত্যাদি ইত্যাদি।
মানবতা বিরোধী এহেন কার্যকলাপ হতে মাকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। যদি শিশুর জিদ্দিপনা বা এক গুয়েমির কারনে মাথায় মাত্রাতিরিক্ত ক্রোধ চেপে বসে, তাহলে নীরবতা পালন করুন। কেননা,নীরবতা ও চুপ থাকা ক্রোধাগ্নি প্রশমনের জন্য উত্তম চিকিৎসা। আর বিশ্ব মানবতার মহান চিকিৎসক,মহান মনোবিজ্ঞানী প্রিয় নবীজী(সাঃ) ইরশাদ করেন, “যখন তোমাদের কেউ রাগাম্বিত হয়, সে যেন চুপ থাকে। (মুসনাদে আহমদ)
নবী করিম (সাঃ) যদি কোন সাহাবীকে নিজ সন্তানের প্রতি বে-রহম, দয়ামায়াহীন দেখতেন, তাহলে তাকে সাবধান করতেন। হযরতআয়েশা (রাঃ) বলেন, একদা এক গ্রাম্য লোক নবীজীর (সাঃ) দরবারে উপস্থিত হল এবং বলল, আপনারা আদর সোহাগচ্ছলে নিজ সন্তানদের চুম্বন করেন? আমরা তো চুম্বন করি না। তখন মহানবী (সাঃ) ইরশাদ করেন, “যদি আল্লাহ তায়ালা তোমাদের অন্তর থেকে দয়া-মায়া দুর করে দেন, তাহলে আমি কি আর করতে পারি?”তাই প্রতিটি আদর্শ মায়ের কর্তব্য এই যে, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলতে-ফিরতে, উঠতে-বসতে, কথা-বার্তায় সন্তানদের সাথে দুর্ব্যবহার, মারপিট, কুশাষন ও অশালীন আচরণ না করে বরং তাদেরকে আল্লাহ প্রদত্ত স্নেহ-মায়া, আদর সোহাগ দিয়ে ইসলামী অনুশাসনের মাধ্যমেআদর্শ সন্তান হিসেবে গড়ে তোলারচেষ্টা করবেন।
শিশুদের আনন্দিত রাখার ফযিলতঃ
শিশুদের আনন্দ দেয়ার ফযিলত সম্বলিত একটি হাদিস কানযুল উম্মাল গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।
মহানবী (সাঃ) ইরশাদ করেন- “জান্নাতে একটি গৃহ রয়েছে, যাকেদারুল ফারহ (আনন্দের ঘর) বলা হয়। তাতে ঐ সমস্ত লোকেরা প্রবেশ করবে, যারা নিজ সন্তানদের সন্তুষ্ট রাখবে।
উল্লেখিত হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) নিজ সন্তানদের সন্তুষ্ট রাখার প্রতিদান স্বরুপ জান্নাতের শুভ সংবাদ দান করেছেন। এতে জানা গেল যে, সন্তানদের সন্তুষ্ট রাখা আল্লাহ তায়ালা সন্তুষ্টির কারন।
শিশুদের সন্তুষ্ট রাখার কয়েকটিপন্থা রয়েছে, যেমনঃ
১. শিশুরা যখন খেলা-ধূলা করবে, তখন তাদের সাথে খেলা-ধুলায় শরীক হওয়া।
২. শিশুদের ছোট ছোট বৈধ আবদার ও দাবীসমুহ পূর্ন করা।
৩. শিশুদের সাথে সুন্দর ব্যবহারও হাসিমুখে কথা বলা।
৪. শিশুদেরকে এমন এমন কেচ্ছা-কাহিনী ও কৌতুক শুনানো যাতে হেসে লুটোপুটো খায়। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে যে, হাসি কৌতুকযেন মিথ্যায় ভরা না হয় এবং এর দ্বারা কারো অপমান উদ্দেশ্য নাহয়।
===========মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দুবাই, ইউ এ ই================
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: নারী
Read More
শিশুদের অনর্থক জিদ্দিপনার কারনে অথবা কথা না মানার কারনে কিংবা সারাক্ষণ বিরক্ত করার কারনে মায়ের প্রচন্ড ক্রোধের উদ্রেক হয়। তখন মায়ের মুখ দ্বারা এমন ভুল, ক্ষতিকারক ও ধ্বংসাত্মক বাক্য নিসৃত হয় , যাশিশুর ভবিষ্যত জীবনের উপর কুপ্রভাব পড়ে। যেমনঃ
১. “তুই জন্ম নেয়ার সময় মরে গেলেই ভাল হত।”
২. “কতই না ভাল হত, যদি তুই আমার সন্তান না হতি।”
৩. “তোর ছেলে-মেয়েরা ও যেন তোরেএমন জ্বালায়।”
৪. “তোরে কলেরা ধরে না কেন?”
৫. আজরাঈল তোকে নেই না কেন? ইত্যাদি ইত্যাদি।
এই বদ দু’আ সম্বলিত বাক্যগুলো ছাড়াও মায়ের ভূল সিদ্ধান্ত হল, ক্রোধ, মাত্রাতিরিক্ত শাস্তি দেয়া। যেমনঃ
১. জামা-কাপড় খুলে বিবস্ত্র অবস্থায় ঘরের বাইরে দাড় করিয়ে রাখা,
২. সারাদিন কিছু খেতে না দেয়া,
৩. বুভু অবস্থায় বাথরুমে বেঁধে রাখা, ষ্টোর রুমে বেঁধে রাখা ইত্যাদি।
৪. প্রহার করে আধমরা করে ফেলা,
৫. চেহেরা মুখাবয়বে অথবা শরীরেরকোন স্থানে স্বজোরে এমন থাপ্পড়মারা যদ্ধারা দাগ প্রকাশ পেয়ে যায়।
৬. পাতলা ছুরি, চাকু বা কোন স্কেল দ্বারা এমন ভাবে প্রহার করা, যার কারনে রক্ত জমে যায়, ইত্যাদি ইত্যাদি।
মানবতা বিরোধী এহেন কার্যকলাপ হতে মাকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। যদি শিশুর জিদ্দিপনা বা এক গুয়েমির কারনে মাথায় মাত্রাতিরিক্ত ক্রোধ চেপে বসে, তাহলে নীরবতা পালন করুন। কেননা,নীরবতা ও চুপ থাকা ক্রোধাগ্নি প্রশমনের জন্য উত্তম চিকিৎসা। আর বিশ্ব মানবতার মহান চিকিৎসক,মহান মনোবিজ্ঞানী প্রিয় নবীজী(সাঃ) ইরশাদ করেন, “যখন তোমাদের কেউ রাগাম্বিত হয়, সে যেন চুপ থাকে। (মুসনাদে আহমদ)
নবী করিম (সাঃ) যদি কোন সাহাবীকে নিজ সন্তানের প্রতি বে-রহম, দয়ামায়াহীন দেখতেন, তাহলে তাকে সাবধান করতেন। হযরতআয়েশা (রাঃ) বলেন, একদা এক গ্রাম্য লোক নবীজীর (সাঃ) দরবারে উপস্থিত হল এবং বলল, আপনারা আদর সোহাগচ্ছলে নিজ সন্তানদের চুম্বন করেন? আমরা তো চুম্বন করি না। তখন মহানবী (সাঃ) ইরশাদ করেন, “যদি আল্লাহ তায়ালা তোমাদের অন্তর থেকে দয়া-মায়া দুর করে দেন, তাহলে আমি কি আর করতে পারি?”তাই প্রতিটি আদর্শ মায়ের কর্তব্য এই যে, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলতে-ফিরতে, উঠতে-বসতে, কথা-বার্তায় সন্তানদের সাথে দুর্ব্যবহার, মারপিট, কুশাষন ও অশালীন আচরণ না করে বরং তাদেরকে আল্লাহ প্রদত্ত স্নেহ-মায়া, আদর সোহাগ দিয়ে ইসলামী অনুশাসনের মাধ্যমেআদর্শ সন্তান হিসেবে গড়ে তোলারচেষ্টা করবেন।
শিশুদের আনন্দিত রাখার ফযিলতঃ
শিশুদের আনন্দ দেয়ার ফযিলত সম্বলিত একটি হাদিস কানযুল উম্মাল গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।
মহানবী (সাঃ) ইরশাদ করেন- “জান্নাতে একটি গৃহ রয়েছে, যাকেদারুল ফারহ (আনন্দের ঘর) বলা হয়। তাতে ঐ সমস্ত লোকেরা প্রবেশ করবে, যারা নিজ সন্তানদের সন্তুষ্ট রাখবে।
উল্লেখিত হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) নিজ সন্তানদের সন্তুষ্ট রাখার প্রতিদান স্বরুপ জান্নাতের শুভ সংবাদ দান করেছেন। এতে জানা গেল যে, সন্তানদের সন্তুষ্ট রাখা আল্লাহ তায়ালা সন্তুষ্টির কারন।
শিশুদের সন্তুষ্ট রাখার কয়েকটিপন্থা রয়েছে, যেমনঃ
১. শিশুরা যখন খেলা-ধূলা করবে, তখন তাদের সাথে খেলা-ধুলায় শরীক হওয়া।
২. শিশুদের ছোট ছোট বৈধ আবদার ও দাবীসমুহ পূর্ন করা।
৩. শিশুদের সাথে সুন্দর ব্যবহারও হাসিমুখে কথা বলা।
৪. শিশুদেরকে এমন এমন কেচ্ছা-কাহিনী ও কৌতুক শুনানো যাতে হেসে লুটোপুটো খায়। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে যে, হাসি কৌতুকযেন মিথ্যায় ভরা না হয় এবং এর দ্বারা কারো অপমান উদ্দেশ্য নাহয়।
===========মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দুবাই, ইউ এ ই================
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: নারী
মুসলিম নারীদের প্রতি) শিশুদের আরবী ভাষার প্রতি ভালবাসা সৃষ্টি করুন
প্রতিটি মায়ের একথা অবগত হওয়া উচিত যে ইসলাম ধর্মে আরবী ভাষার কত গুরত্ব। প্রিয় নবীজী (সাঃ) ইসলামের দাওয়াত আরবী ভাষায় আরম্ভ করেছিলেন। যার ফলশ্রতিতে আজ সমগ্র বিশ্ব জগতের দেশে-দেশে, শহরে-শহরে, গ্রামে-গ্রামে, মহল্লায় একত্বাবাদী মুসলমান বিদ্যমান। পবিত্র হাদীস শরীফে আরবী ভাষারমুহব্বতের তাকীদ এসেছে।
মহানবী (সাঃ) ইরশাদ করেন, “তিন কারনে আরবী ভাষাকে ভালবাস। ১. পবিত্র কোরআনের ভাষা আরবী ২. জান্নাতের ভাষা আরবী ৩. আমার ভাষাও আরবী।”
সুতারাং দুর্ভাগ্য বশতঃ আপনি যদি আরবী ভাষা না বুঝেন বা পড়তেও না পারেন, তাহলে কমপক্ষে নিজ সন্তানদের আরবী শিক্ষা দিন। যাতে করে আপনার সন্তান কুরআন-হাদীসের হুকুম-আহকামকে সঠিকরূপে শিক্ষা লাভ করতে পারেএবং কুরআন ও হাদীসে যত দু’আ রয়েছে, সেগুলো হতে স্বল্প সংখ্যক হলেও যেন তার অর্থ ও ভাবার্থ বুঝতে পারে, হূদয়ঙ্গম করতে পারে আমল করতে পারে। নিঃসন্দেহে বিশ্বের সকল ভাষাই আল্লাহ প্রদত্ত ভাষা। তাই তার কোন ভাষা বুঝতে আমাদের অসুবিধাহয় না। তথাপি যে দু’আ আরবী ভাষায় করা হয়, আল্লাহ তায়ালা তাতে খুব খূশী হন।
কত আফসোস ও দুঃখের কথা, যেই মহান স্বত্তা (সাঃ) আমাদের জন্যকত কষ্ট-যন্ত্রনা, নির্যাতন, নিপীড়তন অকাতরে সহ্য সয়ে গেছেন। ক্রন্দন করে অশ্র“তে নয়নযুগল প্রবাহিত করে আল্লাহ তায়ালার নিকট দুআ করেছেন, আমাদেরকে জান্নাতে যাওয়ার সহজ সঠিক পথ প্রদর্শন করেছেন, আমরা সেই মহান স্বত্তার প্রিয় আরবী ভাষা সম্পর্কে মোটেও অবগত নই। হুজুর আকরাম (সাঃ) স্বীয় পবিত্রআয়াতে যত ইরশাদ ফরমায়েছেন, সবই তো আরবী ভাষার। আমরা তাও অনুধাবন করতে এবং সেগুলোর অর্থবুঝতে সক্ষম নই।
সুতারাং সন্তানদেরকে শৈশবকাল হতেই আরবী ভাষা শিক্ষা দিন।
====================== ====================
....................................মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দুবাই ইউ এ ই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: নারী
Read More
মহানবী (সাঃ) ইরশাদ করেন, “তিন কারনে আরবী ভাষাকে ভালবাস। ১. পবিত্র কোরআনের ভাষা আরবী ২. জান্নাতের ভাষা আরবী ৩. আমার ভাষাও আরবী।”
সুতারাং দুর্ভাগ্য বশতঃ আপনি যদি আরবী ভাষা না বুঝেন বা পড়তেও না পারেন, তাহলে কমপক্ষে নিজ সন্তানদের আরবী শিক্ষা দিন। যাতে করে আপনার সন্তান কুরআন-হাদীসের হুকুম-আহকামকে সঠিকরূপে শিক্ষা লাভ করতে পারেএবং কুরআন ও হাদীসে যত দু’আ রয়েছে, সেগুলো হতে স্বল্প সংখ্যক হলেও যেন তার অর্থ ও ভাবার্থ বুঝতে পারে, হূদয়ঙ্গম করতে পারে আমল করতে পারে। নিঃসন্দেহে বিশ্বের সকল ভাষাই আল্লাহ প্রদত্ত ভাষা। তাই তার কোন ভাষা বুঝতে আমাদের অসুবিধাহয় না। তথাপি যে দু’আ আরবী ভাষায় করা হয়, আল্লাহ তায়ালা তাতে খুব খূশী হন।
কত আফসোস ও দুঃখের কথা, যেই মহান স্বত্তা (সাঃ) আমাদের জন্যকত কষ্ট-যন্ত্রনা, নির্যাতন, নিপীড়তন অকাতরে সহ্য সয়ে গেছেন। ক্রন্দন করে অশ্র“তে নয়নযুগল প্রবাহিত করে আল্লাহ তায়ালার নিকট দুআ করেছেন, আমাদেরকে জান্নাতে যাওয়ার সহজ সঠিক পথ প্রদর্শন করেছেন, আমরা সেই মহান স্বত্তার প্রিয় আরবী ভাষা সম্পর্কে মোটেও অবগত নই। হুজুর আকরাম (সাঃ) স্বীয় পবিত্রআয়াতে যত ইরশাদ ফরমায়েছেন, সবই তো আরবী ভাষার। আমরা তাও অনুধাবন করতে এবং সেগুলোর অর্থবুঝতে সক্ষম নই।
সুতারাং সন্তানদেরকে শৈশবকাল হতেই আরবী ভাষা শিক্ষা দিন।
====================== ====================
....................................মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দুবাই ইউ এ ই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: নারী
দাম্পত্য জীবনঃ------ দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়ার কয়েকটি সহজ উপায়------
দিনগুলো সুখে কাটবে—এমন আশাতেই ঘর বাঁধে নর-নারী। কিন্তু সেই প্রত্যাশা বা স্বপ্ন সব সময় পূরণ হয় না। প্রাণোচ্ছল, উচ্ছ্বাসে ভরা দিনগুলো দুজনের কাছেই একসময় হয়ে পড়ে একঘেয়ে, অবসন্ন, নীরস। সবকিছুই পুরোনো মনে হয়। হয়তো দুজনেরই হারিয়ে যাওয়া সেসব দিনকে আবার রঙিন করে তুলতে, হারিয়ে যাওয়া দিনগুলোকে ফিরে পেতে ইচ্ছা করে সবার। নানা কাজের চাপে হয়ে ওঠে না।
জীবনটা প্রাণোচ্ছল রাখতে খুব বেশি উদ্যোগের দরকার নেই। একটুমনে রাখা, একটু চেষ্টাতেই জীবনটা হয়ে উঠতে পারে বর্ণিল। যারা আগ্রহী, তারা এবার একটু নড়েচড়ে বসুন। প্রথমেই যা মনে রাখতে হবে, তা হলো প্রেমের কোনোবয়স নেই। বরং যতই বয়স বাড়বে, প্রেমের বন্ধন ততই দৃঢ় হবে। আর এই প্রেমের প্রকাশ ঘটাতে খুব বেশি কিছুর প্রয়োজন নেই। সঙ্গীবা সঙ্গিনীর হাতে একটু হাত রাখা, হালকা স্পর্শ, জড়িয়ে ধরা ব্যস—এতেই পরস্পর অনুভব করতে পারেন হারিয়ে যাওয়া প্রেমের অনুভূতি।
মাঝেমধ্যেই বেরিয়ে পড়তে পারেন ছুটিতে। শুধু দুজনে। এতে করে একে অপরের কাছাকাছি আসবেন। না বলা অনেক কথা হয়তো বলা যাবে। মনে পড়বে বিয়ের শুরুর প্রেম। সম্পর্ক হয়ে উঠবে সজীব। আর সম্পর্ক সজীব রাখতে হলে একসঙ্গে কাজ করার কোনো বিকল্প নেই। সংসার মানেই ভাগাভাগি। স্বামী, স্ত্রী একসঙ্গে রান্না করতে পারেন, ঘর গুছাতে পারেন, ঘর পরিষ্কার করতে পারেন। এমনকিসঙ্গী বা সঙ্গিনীর পছন্দের খাবারও রান্না করতে পারেন একসঙ্গে। মাঝেমধ্যে ঘরেই আয়োজনকরতে পারেন ছোটখাটো অনুষ্ঠানের। স্বামী, স্ত্রী দুজনেরই বন্ধুস্থানীয় কয়েকজনকে ডাকতে পারেন। কাছের স্বজনদেরও ডাকতে পারেন। সময় কাটাতে পারেন একসঙ্গে।
সঙ্গীকে কখনো কখনো দিন উপহার। সেটি হতে পারে একগুচ্ছ ফুল অথবা ছোট্ট একটা চিরকুট। কিন্তু এতেই প্রকাশ পাবে একে অপরের প্রতি ভালোবাসা। সঙ্গী বা সঙ্গিনীর প্রশংসা করতে হবে মন খুলে। যত ছোট ব্যাপারই হোক, প্রশংসা করুন।
সারা দিনের কর্মব্যস্ততায় হয়তোআপনি ভীষণ ক্লান্ত। কিছুটা বিরক্তও। তবু মুখে একটু হাসি রাখার চেষ্টা করুন। দেখবেন ধীরে ধীরে সবকিছুই অনেক হালকা মনে হবে।
একে অপরকে সময় দিন। অন্তত যেকোনো এক বেলার খাবার একসঙ্গেখান। এতে করে একে অপরের সঙ্গে চিন্তাভাবনা ভাগ করে নিতে পারবেন সহজেই।
সবচেয়ে যা জরুরি, তা হলো ভুলেও কারও সঙ্গে সঙ্গী বা সঙ্গিনীর তুলনা করবেন না। মনে রাখবেন, প্রত্যেক মানুষই তার নিজের মতো। কাজেই সঙ্গী যেমনই হোক, তাকে তার মতো করেই ভালোবাসুন।ছোটখাটো এসব বিষয় মাথায় রাখলেইজীবনটা হয়ে উঠতে পারে আরও সুন্দর। ছোট্ট নীড় হয়ে উঠতে পারে সত্যিই শান্তির। প্রাণখুলে গেয়ে উঠতে পারেন, ‘নীড় ছোট ক্ষতি নেই, আকাশ তো বড়।’
সংগ্রহঃ----নেট থেকে---------
----------------------------মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দুবাই ইউ এই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: বিবিধ
Read More
জীবনটা প্রাণোচ্ছল রাখতে খুব বেশি উদ্যোগের দরকার নেই। একটুমনে রাখা, একটু চেষ্টাতেই জীবনটা হয়ে উঠতে পারে বর্ণিল। যারা আগ্রহী, তারা এবার একটু নড়েচড়ে বসুন। প্রথমেই যা মনে রাখতে হবে, তা হলো প্রেমের কোনোবয়স নেই। বরং যতই বয়স বাড়বে, প্রেমের বন্ধন ততই দৃঢ় হবে। আর এই প্রেমের প্রকাশ ঘটাতে খুব বেশি কিছুর প্রয়োজন নেই। সঙ্গীবা সঙ্গিনীর হাতে একটু হাত রাখা, হালকা স্পর্শ, জড়িয়ে ধরা ব্যস—এতেই পরস্পর অনুভব করতে পারেন হারিয়ে যাওয়া প্রেমের অনুভূতি।
মাঝেমধ্যেই বেরিয়ে পড়তে পারেন ছুটিতে। শুধু দুজনে। এতে করে একে অপরের কাছাকাছি আসবেন। না বলা অনেক কথা হয়তো বলা যাবে। মনে পড়বে বিয়ের শুরুর প্রেম। সম্পর্ক হয়ে উঠবে সজীব। আর সম্পর্ক সজীব রাখতে হলে একসঙ্গে কাজ করার কোনো বিকল্প নেই। সংসার মানেই ভাগাভাগি। স্বামী, স্ত্রী একসঙ্গে রান্না করতে পারেন, ঘর গুছাতে পারেন, ঘর পরিষ্কার করতে পারেন। এমনকিসঙ্গী বা সঙ্গিনীর পছন্দের খাবারও রান্না করতে পারেন একসঙ্গে। মাঝেমধ্যে ঘরেই আয়োজনকরতে পারেন ছোটখাটো অনুষ্ঠানের। স্বামী, স্ত্রী দুজনেরই বন্ধুস্থানীয় কয়েকজনকে ডাকতে পারেন। কাছের স্বজনদেরও ডাকতে পারেন। সময় কাটাতে পারেন একসঙ্গে।
সঙ্গীকে কখনো কখনো দিন উপহার। সেটি হতে পারে একগুচ্ছ ফুল অথবা ছোট্ট একটা চিরকুট। কিন্তু এতেই প্রকাশ পাবে একে অপরের প্রতি ভালোবাসা। সঙ্গী বা সঙ্গিনীর প্রশংসা করতে হবে মন খুলে। যত ছোট ব্যাপারই হোক, প্রশংসা করুন।
সারা দিনের কর্মব্যস্ততায় হয়তোআপনি ভীষণ ক্লান্ত। কিছুটা বিরক্তও। তবু মুখে একটু হাসি রাখার চেষ্টা করুন। দেখবেন ধীরে ধীরে সবকিছুই অনেক হালকা মনে হবে।
একে অপরকে সময় দিন। অন্তত যেকোনো এক বেলার খাবার একসঙ্গেখান। এতে করে একে অপরের সঙ্গে চিন্তাভাবনা ভাগ করে নিতে পারবেন সহজেই।
সবচেয়ে যা জরুরি, তা হলো ভুলেও কারও সঙ্গে সঙ্গী বা সঙ্গিনীর তুলনা করবেন না। মনে রাখবেন, প্রত্যেক মানুষই তার নিজের মতো। কাজেই সঙ্গী যেমনই হোক, তাকে তার মতো করেই ভালোবাসুন।ছোটখাটো এসব বিষয় মাথায় রাখলেইজীবনটা হয়ে উঠতে পারে আরও সুন্দর। ছোট্ট নীড় হয়ে উঠতে পারে সত্যিই শান্তির। প্রাণখুলে গেয়ে উঠতে পারেন, ‘নীড় ছোট ক্ষতি নেই, আকাশ তো বড়।’
সংগ্রহঃ----নেট থেকে---------
----------------------------মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দুবাই ইউ এই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: বিবিধ
দাম্পত্য জীবনঃ----নারীরা অধিকহারে জাহান্নামে যাবে কেন?
নারীরা অধিকহারে জাহান্নামে যাবে
হাদীসে এসেছে-
عن أسامة بن زيد رضي الله عنهماعن النبي صلى الله عليه وسلم قال: قمت على باب الجنة ، فكان عامة من دخلها المساكين ، وأصحاب الجد محبوسون ، غير أن أصحاب النار قد أمر بهم إلى النار ، وقمت على باب النار فإذا عامة من دخلها النساء.
উসামা ইবনে যায়েদ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: আমি জান্নাতেরগেটে দাড়ালাম, দেখলাম যারা তাতেপ্রবেশ করেছে তারা অধিকাংশ ছিলদুনিয়াতে দরিদ্র অসহায়। আর ধনীও প্রভাবশালীদের আটকে দেয়া হয়েছে। তবে তাদের মধ্যে যাদের জাহান্নামে যাওয়ার ফয়সালা হয়ে গেছে তাদের কথা আলাদা। আর আমি জাহান্নামের প্রবেশ পথে দাড়ালাম। দেখলাম, যারা প্রবেশ করছে তাদের অধিকাংশ নারী। (বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম)
কেন নারীরা পুরুষদের তুলনায় অধিকহারে জাহান্নামে যাবে?
অন্য একটি হাদীসে এ সম্পর্কে এসেছে-
عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: يا معشر النساء! تصدقن وأكثرن الاستغفار . فإني رأيتكن أكثر أهل النار . فقالت امرأة منهن ، جزلة : وما لنا يا رسول الله أكثر أهل النار . قال : تكثرن اللعن . وتكفرن العشير . رواه مسلم.
আব্দুল্লাহ ইবনে উমার রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন : হে নারীগণ! তোমরা দান-সদাক করো। বেশী বেশী করে আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। কেননা আমি জাহান্নামে তোমাদের অধিকহারে দেখেছি। এ কথা শোনার পর উপস্থিত মহিলাদের মধ্য থেকে একজন -যার নাম ছিল জাযলা- প্রশ্ন করলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদের কেন এ অবস্থা? কেন জাহান্নামে আমরা বেশী সংখ্যায় যাবো? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: তোমরা স্বামীর প্রতি বেশী অকৃতজ্ঞ ও অভিশাপ দাও বেশী। (বর্ণনায় : মুসলিম)
বলতে খারাপ শুনালেও আসলে আমাদের সমাজের নারীদের বাস্তব চিত্র এ রকমই যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন। আমি দাম্পত্য জীবনে অনেক সুখী নারীকে দেখেছিতারা স্বামীর প্রতি অনেক সময় চরম অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে থাকে। অনেক সময় সামান্য বিরক্তহলে নিজ সন্তানদেরও অভিশাপ দেয়। নারীদের জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য এ দুটো স্বভাব পরিহার করতে হবে অবশ্যই। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বলার উদ্দেশ্য এটাই।নারীদের খাটো করা বা তাদের ভূমিকা অবমুল্যায়নের জন্য বলেননি।
সূত্রঃ
কেয়ামতের ভয়াবহতা ও তারপর
আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
অনুবাদ: আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
====================== ===================
...................................মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দু্বাই, ইউ এ ই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: নারী
Read More
হাদীসে এসেছে-
عن أسامة بن زيد رضي الله عنهماعن النبي صلى الله عليه وسلم قال: قمت على باب الجنة ، فكان عامة من دخلها المساكين ، وأصحاب الجد محبوسون ، غير أن أصحاب النار قد أمر بهم إلى النار ، وقمت على باب النار فإذا عامة من دخلها النساء.
উসামা ইবনে যায়েদ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: আমি জান্নাতেরগেটে দাড়ালাম, দেখলাম যারা তাতেপ্রবেশ করেছে তারা অধিকাংশ ছিলদুনিয়াতে দরিদ্র অসহায়। আর ধনীও প্রভাবশালীদের আটকে দেয়া হয়েছে। তবে তাদের মধ্যে যাদের জাহান্নামে যাওয়ার ফয়সালা হয়ে গেছে তাদের কথা আলাদা। আর আমি জাহান্নামের প্রবেশ পথে দাড়ালাম। দেখলাম, যারা প্রবেশ করছে তাদের অধিকাংশ নারী। (বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম)
কেন নারীরা পুরুষদের তুলনায় অধিকহারে জাহান্নামে যাবে?
অন্য একটি হাদীসে এ সম্পর্কে এসেছে-
عن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: يا معشر النساء! تصدقن وأكثرن الاستغفار . فإني رأيتكن أكثر أهل النار . فقالت امرأة منهن ، جزلة : وما لنا يا رسول الله أكثر أهل النار . قال : تكثرن اللعن . وتكفرن العشير . رواه مسلم.
আব্দুল্লাহ ইবনে উমার রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন : হে নারীগণ! তোমরা দান-সদাক করো। বেশী বেশী করে আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। কেননা আমি জাহান্নামে তোমাদের অধিকহারে দেখেছি। এ কথা শোনার পর উপস্থিত মহিলাদের মধ্য থেকে একজন -যার নাম ছিল জাযলা- প্রশ্ন করলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদের কেন এ অবস্থা? কেন জাহান্নামে আমরা বেশী সংখ্যায় যাবো? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: তোমরা স্বামীর প্রতি বেশী অকৃতজ্ঞ ও অভিশাপ দাও বেশী। (বর্ণনায় : মুসলিম)
বলতে খারাপ শুনালেও আসলে আমাদের সমাজের নারীদের বাস্তব চিত্র এ রকমই যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন। আমি দাম্পত্য জীবনে অনেক সুখী নারীকে দেখেছিতারা স্বামীর প্রতি অনেক সময় চরম অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে থাকে। অনেক সময় সামান্য বিরক্তহলে নিজ সন্তানদেরও অভিশাপ দেয়। নারীদের জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য এ দুটো স্বভাব পরিহার করতে হবে অবশ্যই। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বলার উদ্দেশ্য এটাই।নারীদের খাটো করা বা তাদের ভূমিকা অবমুল্যায়নের জন্য বলেননি।
সূত্রঃ
কেয়ামতের ভয়াবহতা ও তারপর
আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
অনুবাদ: আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
====================== ===================
...................................মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দু্বাই, ইউ এ ই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: নারী
পুরুষের কাছে নারীর চাওয়া
বয়স যখনঃ ১৩-১৯
...........অনন্ত চাওয়া.........গুনে শেষ করা সম্ভব নয়.........তাই শুরু করা হলো না.......
বয়স যখনঃ ২০-২৯
১. সুদর্শন হতে হবে।
২. মুগ্ধ শ্রোতা হতে হবে ১০০ ভাগ।
৩. ফ্যাশন সচেতন হওয়া জরুরী।
৪. রোমান্টিক হতে হবে।
৫. শিল্পানুরাগী না হলেও ধারনা থাকতে হবে।
৬. সেন্স অব হিউমার থাকতে হবে প্রবল।
৭. আর্থিকভাবে সচ্চল পরিবারের ছেলে হতে হবে।
৮. রোমান্সের জন্য জিম করা ফিগার থাকা প্রয়োজন।
বয়স যখনঃ ৩০-৩৯
১. ভাল ব্যাংক ব্যালান্স থাকা জরুরী।
২. কথা বলার থেকে শুনবে বেশী।
৩. জোকসে হাসতে হবে (হাসি না এলেও)।
৪. রান্না খেয়ে প্রশংসা করতে হবে (অখাদ্য হলেও)।
৫. কাজ সবাই করে , ওটার বাহানা দেয়া চলবে না।
৬. কারের দরজা খোলা, শপিং মলে ব্যাগ বহন করা ইত্যাদিন ম্যানার (!) জানতে হবে।
৭. জন্মদিন এবং এ্যানিভার্সারি ভোলা চলবে না।
বয়স যখনঃ ৪০-৪৯
১. নোংরা থাকা চলবে না।
২. টয়লেট সীট নামিয়ে আসতে হবে।
৩. অন্তত উইক-এন্ডে সেভ করতে হবে।
৪. অফিস আগে, মাঝে মধ্যে ডিনারে যাওয়া যেতে পারে।
৫. সংসারের খরচের টাকাটা যেন ঠিকমত আয় করতে পারে।
৬. স্ত্রীর কথা শুনে সব সময়"হাঁ"সূচক মাথা নাড়তে হবে।
৭. এমন একটা শাট পরতে হবে যেটা পেট (ভুরি) ঢেকে রাখতে সক্ষম।
৮. নিয়মিত ফার্ণিচার রিএ্যারেন্জ করার মত শারীরিক শক্তি থাকতে হবে।
বয়স যখনঃ ৫০-৫৯
১. নাক ও কানের চুল নিয়মিত পরিস্কার করতে হবে।
২. পরিস্কার মোজা ও আন্ডারওয়্যার পরতে হবে।
৩. মাঝে মধ্যে সেভ করা জরুরী।
৪. কথা শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়া চলবে না।
৫. একই জোকস তিন বারের বেশী রিপিট করা চলবে না।
৬. নাক ডাকা চলবে না।
৭. বেশী বেশী ধার না করাই ভাল।
৮. সপ্তাহে একদিন সঙ্গে বসে চা খাওয়ার মতো শারীরিক শক্তি থাকতে হবে।
বয়স যখনঃ ৬০-৬৯
১. বাথরুম কোথায় সেটা মনে রাখতেহবে।
২. ঘুমের সময় নাট ডাকার শব্দ একটু কম হতে হবে।
৩. হাসার সময় বুঝতে হবে কেন সে হাসছে।
৪. দাঁত (কৃত্রিম) কোথায় রেখেছেমনে রাখতে হবে।
৫. খাওয়া নিয়ে য্ন্ত্রনা করা চলবে না।
৬. টাকা-পয়সার চিন্তা বাদ দিয়ে বউয়ের উপর ভার ছেড়ে দিতে হবে।
৭. ছোট বাচ্চাদের ভয়ের কারন হওয়া চলবে না।
৮. উইক এন্ড মনে রাখার মত শারীরিক শক্তি থাকতে হবে।
বয়স যখনঃ ৭০-৭৯
১. টয়লেট যেন টয়লেটে হয় সেটা মনে রাখতে হবে।.........(চাওয়াওয়ালা নারীর ও মনে পড়ছে না!.)....
২. শ্বাস নেয়ার মত শারীরিক শক্তি থাকতে হবে।
৩. কাউকে কষ্ট না দিয়ে হুট করে মরে যেতে হবে ।
৪. মরার আগে বেশী খরচের অছিয়ত করে যাওয়া চলবে না ।৫. মরার আগেই সব সম্পত্তি চুলচেরা হিসাব করে ভাগ করে দিতে হবে ।
৬. জুমাবারে কবরের পাড়ে গিয়ে জিয়ারত না করলে রাগ করা চলবে না।
ফেইসবুক থেকে পাওয়া........................
==================== =====================
................................মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, ইউ এ ই
বিষয়শ্রেণী: বিবিধ
Read More
...........অনন্ত চাওয়া.........গুনে শেষ করা সম্ভব নয়.........তাই শুরু করা হলো না.......
বয়স যখনঃ ২০-২৯
১. সুদর্শন হতে হবে।
২. মুগ্ধ শ্রোতা হতে হবে ১০০ ভাগ।
৩. ফ্যাশন সচেতন হওয়া জরুরী।
৪. রোমান্টিক হতে হবে।
৫. শিল্পানুরাগী না হলেও ধারনা থাকতে হবে।
৬. সেন্স অব হিউমার থাকতে হবে প্রবল।
৭. আর্থিকভাবে সচ্চল পরিবারের ছেলে হতে হবে।
৮. রোমান্সের জন্য জিম করা ফিগার থাকা প্রয়োজন।
বয়স যখনঃ ৩০-৩৯
১. ভাল ব্যাংক ব্যালান্স থাকা জরুরী।
২. কথা বলার থেকে শুনবে বেশী।
৩. জোকসে হাসতে হবে (হাসি না এলেও)।
৪. রান্না খেয়ে প্রশংসা করতে হবে (অখাদ্য হলেও)।
৫. কাজ সবাই করে , ওটার বাহানা দেয়া চলবে না।
৬. কারের দরজা খোলা, শপিং মলে ব্যাগ বহন করা ইত্যাদিন ম্যানার (!) জানতে হবে।
৭. জন্মদিন এবং এ্যানিভার্সারি ভোলা চলবে না।
বয়স যখনঃ ৪০-৪৯
১. নোংরা থাকা চলবে না।
২. টয়লেট সীট নামিয়ে আসতে হবে।
৩. অন্তত উইক-এন্ডে সেভ করতে হবে।
৪. অফিস আগে, মাঝে মধ্যে ডিনারে যাওয়া যেতে পারে।
৫. সংসারের খরচের টাকাটা যেন ঠিকমত আয় করতে পারে।
৬. স্ত্রীর কথা শুনে সব সময়"হাঁ"সূচক মাথা নাড়তে হবে।
৭. এমন একটা শাট পরতে হবে যেটা পেট (ভুরি) ঢেকে রাখতে সক্ষম।
৮. নিয়মিত ফার্ণিচার রিএ্যারেন্জ করার মত শারীরিক শক্তি থাকতে হবে।
বয়স যখনঃ ৫০-৫৯
১. নাক ও কানের চুল নিয়মিত পরিস্কার করতে হবে।
২. পরিস্কার মোজা ও আন্ডারওয়্যার পরতে হবে।
৩. মাঝে মধ্যে সেভ করা জরুরী।
৪. কথা শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়া চলবে না।
৫. একই জোকস তিন বারের বেশী রিপিট করা চলবে না।
৬. নাক ডাকা চলবে না।
৭. বেশী বেশী ধার না করাই ভাল।
৮. সপ্তাহে একদিন সঙ্গে বসে চা খাওয়ার মতো শারীরিক শক্তি থাকতে হবে।
বয়স যখনঃ ৬০-৬৯
১. বাথরুম কোথায় সেটা মনে রাখতেহবে।
২. ঘুমের সময় নাট ডাকার শব্দ একটু কম হতে হবে।
৩. হাসার সময় বুঝতে হবে কেন সে হাসছে।
৪. দাঁত (কৃত্রিম) কোথায় রেখেছেমনে রাখতে হবে।
৫. খাওয়া নিয়ে য্ন্ত্রনা করা চলবে না।
৬. টাকা-পয়সার চিন্তা বাদ দিয়ে বউয়ের উপর ভার ছেড়ে দিতে হবে।
৭. ছোট বাচ্চাদের ভয়ের কারন হওয়া চলবে না।
৮. উইক এন্ড মনে রাখার মত শারীরিক শক্তি থাকতে হবে।
বয়স যখনঃ ৭০-৭৯
১. টয়লেট যেন টয়লেটে হয় সেটা মনে রাখতে হবে।.........(চাওয়াওয়ালা নারীর ও মনে পড়ছে না!.)....
২. শ্বাস নেয়ার মত শারীরিক শক্তি থাকতে হবে।
৩. কাউকে কষ্ট না দিয়ে হুট করে মরে যেতে হবে ।
৪. মরার আগে বেশী খরচের অছিয়ত করে যাওয়া চলবে না ।৫. মরার আগেই সব সম্পত্তি চুলচেরা হিসাব করে ভাগ করে দিতে হবে ।
৬. জুমাবারে কবরের পাড়ে গিয়ে জিয়ারত না করলে রাগ করা চলবে না।
ফেইসবুক থেকে পাওয়া........................
==================== =====================
................................মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, ইউ এ ই
বিষয়শ্রেণী: বিবিধ
দাম্পত্য জীবনঃ------"দেবর-ভাসুর মৃত্যু সমতূল্য ভয়ানক বিষয়।"
পত্রিকার পাতা খুললেই বিভিন্ন বিচিত্র সংবাদ দেখতে পাই। এই যেমন পরকীয়া প্রেম, দেবরের সাথেভাবী পলায়ন, ভাসুরের সাথে ছোট ভাইয়ের বউয়ের অনৈতিক সম্পর্ক, ভাসুরের ছেলের সাথে চাচীর প্রেম কাহিনী, চাচা-ভাতিজীর প্রেম, মামীর সাথে ভাগিনার প্রেম-পিরিতির খবর.. এই সব ঘটনা আমাদের সমাজে অহরহ ঘটছে। দিন দিন সমাজ কুলষিত হয়ে পড়ছে। নোবেল বই, টিভি নাটক ও সিনেমায় এই যাততীয় সম্পর্ককে সহজ ভাবে তুলে ধরছে। ধর্মীয় বিধি-নিষেধকে উপেক্ষা করে আমাদের মুসলিম সমাজে এই দুঃখজনক ঘটনা গুলি ঘটছে।
দেবর-ভাবীর সম্পর্কের ব্যাপারে রাসুল (সাঃ) এর একটি গুরত্বপূর্ণ হাদিস পেশ করলাম।
হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন,"দেবর-ভাসুর মৃত্যু সমতূল্য ভয়ানক বিষয়।" অর্থ্যাৎ মৃত্যু যেমন জীবনে জন্য ভয়ানক, অনূরূপ ভাবে চাচাতো, মামাতো, ফুফাতো, খালাতো ভাইবোন ও দেবর ভাবী ও শালিকা-দুলাভাইয়ের সাক্ষাত ঈমান আমলের জন্য তদ্রুপ ভয়ানক।
পরিবারে নিরাপদ থাকার সহজ উপায়ঃ----------------------
১. নিজের স্বামীকে এবং পরিবারেরলোকদেরকে এবং সমস্ত মানুষদের থেকে লজ্জা করতে চেষ্টা করুন।
২. দেবর-ভাসুরের সাথে আজে বাজে কথা বলবেন না। অশ্লীল কথা যেন মুখ দিয়ে বের না হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখবেন।
৩. এমন কোন কাজ করবেন না অথবা এমন কোন কথা বলবেন না যা আপনার সম্ভ্রমকে ধূলিসাৎ করে দেয়। কারণ লজ্জার সবটুকু উত্তম উহা মঙ্গল বয়ে আনে।
৪. নিজের লজ্জা সম্ভ্রমের হিফাযত করুন।
৫. নিজের কথা বার্তাকে সুন্দর করুন।
৬. চোখের দৃস্টি হিফাযত করবেন।
৭. কোন অবস্থাতেই চুল খোলা রাখবেন না। ওড়না দিয়ে সর্বদা মাথা ঢেকে রাখুন।
৮. বিশেষ প্রয়োজন দেখা না দিলে ঘর হতে বের হবেন না।
৯. আর আপনার বাড়ীতে যদি কোন মেহমান থাকে, সে যেন আপনার কণ্ঠস্বর শুনতে না পায়।
১০. আপনার যে সকল গায়েব মাহরিম আত্মীয় রয়েছে, তাদেরকে আপনার সাথে দেখা সাক্ষাতের কিংবা পর্দা লংঘনের জন্য অনুমতি দেবেন না।
১১. তাদের সাথে একাকী অবস্থান করবেন না।
১২. তাদের সাথে হাতে হাত মিলাবেন না। কারণ, তারা গায়েরে মাহরিম আত্মীয় স্বজন।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নিকট দুআ করি, তিনি যেন আপনাদের সঠিকজ্ঞানের অধিকারী হওয়ার তাওফীক দান করেন এবং আমল করার তাওফীক দেন। পালনীয় কাজগুলো খুবই সহজ যদি আল্লাহ তাআলা আপনার জন্য উহা সহজ করে দেন। তাই এ কাজগুলিপালন করার জন্য আল্লাহর তাওফিককামনা করুন।
১. পাঁচ ওয়াক্ত সালাত সর্বদা সঠিক সময়ে আদায় করতে চেষ্টা করুন। ২. সবসময় স্বামীর অনুগত থাকবেন।
৩. আপনি যদি সন্তানের মা হন, তাহলে সন্তানের উত্তমরূপে প্রতিপালন করবেন।
৪. আপনার উপর দায়িত্ব হচ্ছে, বাড়ীকে সুন্দরভাবে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। জিনিসপত্রসমূহ সুন্দর করে গুছিয়ে রাখা, খাদ্য দ্রব্য ইত্যাদি তৈরী করা। কাজগুলি করবেন ধীরস্থিরভাবে, কোন রকম চেচামেচি কিংবা তাড়াহুড়ো করবেননা, যাতে অন্যের শান্তিতে কোন বিঘ্ন অথবা কারো কোন দু:খ কষ্টের কারণ না হয়ে দাড়ান।
৫. মাতা পিতার হক্ক আদায় করা এবং আত্মীয় স্বজনদের সাথে সদ্ব্যবহার করা। এগুলি খুব গুরুত্ববহ ওয়াজিব।
৬. প্রতিবেশিনী মেয়েদের খোজ খবরনেয়া এবং তাদের প্রতি দরদ ও সহানুভূতি দেখান। তাদেরকে কোন রকম কষ্ট না দেয়া। যদি তাদের প্রয়োজন হয়, তাহলে তাদের সাহায্য সহায়তা করা।
হে প্রিয় বোন, পুরুষ হৃদয়ে ঝড়তোলা লাস্যময় চলন আর মনোযোগ আকৃষ্ট করা কোমল বচন ত্যাগ করি। আল্লাহর কাছে এ থেকে তাওবা করি। তাওবা করি অশ্লীল পোশাক ও সৌন্দর্য বিকাশকারী লেবাস থেকে। তাওবা করি পুরুষদের সাদৃশ্য গ্রহণ, পুরুষদের বেশ ধারণ থেকে।
আসুন হে বোন, আল্লাহর নির্দেশ মত পরিপূর্ণ পর্দা ও পবিত্রতারজীবন যাপন করি। আল্লাহ তা‘আলা আমাদের সবার মা-বোনকে ইসলামের প্রথম যুগের নেককার নারীদের মতো পর্দানশীল ও দীনদার হবার তাওফীক দিন। আল্লাহ তাদের সকলকে পঙ্কিল জীবনের স্পর্শ থেকে দূরে রাখুন। আমীন। ইয়া রব্বাল আলামীন।
=================== ===============
--------------------মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দুবাই ইউ এ ই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: নারী
Read More
দেবর-ভাবীর সম্পর্কের ব্যাপারে রাসুল (সাঃ) এর একটি গুরত্বপূর্ণ হাদিস পেশ করলাম।
হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন,"দেবর-ভাসুর মৃত্যু সমতূল্য ভয়ানক বিষয়।" অর্থ্যাৎ মৃত্যু যেমন জীবনে জন্য ভয়ানক, অনূরূপ ভাবে চাচাতো, মামাতো, ফুফাতো, খালাতো ভাইবোন ও দেবর ভাবী ও শালিকা-দুলাভাইয়ের সাক্ষাত ঈমান আমলের জন্য তদ্রুপ ভয়ানক।
পরিবারে নিরাপদ থাকার সহজ উপায়ঃ----------------------
১. নিজের স্বামীকে এবং পরিবারেরলোকদেরকে এবং সমস্ত মানুষদের থেকে লজ্জা করতে চেষ্টা করুন।
২. দেবর-ভাসুরের সাথে আজে বাজে কথা বলবেন না। অশ্লীল কথা যেন মুখ দিয়ে বের না হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখবেন।
৩. এমন কোন কাজ করবেন না অথবা এমন কোন কথা বলবেন না যা আপনার সম্ভ্রমকে ধূলিসাৎ করে দেয়। কারণ লজ্জার সবটুকু উত্তম উহা মঙ্গল বয়ে আনে।
৪. নিজের লজ্জা সম্ভ্রমের হিফাযত করুন।
৫. নিজের কথা বার্তাকে সুন্দর করুন।
৬. চোখের দৃস্টি হিফাযত করবেন।
৭. কোন অবস্থাতেই চুল খোলা রাখবেন না। ওড়না দিয়ে সর্বদা মাথা ঢেকে রাখুন।
৮. বিশেষ প্রয়োজন দেখা না দিলে ঘর হতে বের হবেন না।
৯. আর আপনার বাড়ীতে যদি কোন মেহমান থাকে, সে যেন আপনার কণ্ঠস্বর শুনতে না পায়।
১০. আপনার যে সকল গায়েব মাহরিম আত্মীয় রয়েছে, তাদেরকে আপনার সাথে দেখা সাক্ষাতের কিংবা পর্দা লংঘনের জন্য অনুমতি দেবেন না।
১১. তাদের সাথে একাকী অবস্থান করবেন না।
১২. তাদের সাথে হাতে হাত মিলাবেন না। কারণ, তারা গায়েরে মাহরিম আত্মীয় স্বজন।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নিকট দুআ করি, তিনি যেন আপনাদের সঠিকজ্ঞানের অধিকারী হওয়ার তাওফীক দান করেন এবং আমল করার তাওফীক দেন। পালনীয় কাজগুলো খুবই সহজ যদি আল্লাহ তাআলা আপনার জন্য উহা সহজ করে দেন। তাই এ কাজগুলিপালন করার জন্য আল্লাহর তাওফিককামনা করুন।
১. পাঁচ ওয়াক্ত সালাত সর্বদা সঠিক সময়ে আদায় করতে চেষ্টা করুন। ২. সবসময় স্বামীর অনুগত থাকবেন।
৩. আপনি যদি সন্তানের মা হন, তাহলে সন্তানের উত্তমরূপে প্রতিপালন করবেন।
৪. আপনার উপর দায়িত্ব হচ্ছে, বাড়ীকে সুন্দরভাবে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। জিনিসপত্রসমূহ সুন্দর করে গুছিয়ে রাখা, খাদ্য দ্রব্য ইত্যাদি তৈরী করা। কাজগুলি করবেন ধীরস্থিরভাবে, কোন রকম চেচামেচি কিংবা তাড়াহুড়ো করবেননা, যাতে অন্যের শান্তিতে কোন বিঘ্ন অথবা কারো কোন দু:খ কষ্টের কারণ না হয়ে দাড়ান।
৫. মাতা পিতার হক্ক আদায় করা এবং আত্মীয় স্বজনদের সাথে সদ্ব্যবহার করা। এগুলি খুব গুরুত্ববহ ওয়াজিব।
৬. প্রতিবেশিনী মেয়েদের খোজ খবরনেয়া এবং তাদের প্রতি দরদ ও সহানুভূতি দেখান। তাদেরকে কোন রকম কষ্ট না দেয়া। যদি তাদের প্রয়োজন হয়, তাহলে তাদের সাহায্য সহায়তা করা।
হে প্রিয় বোন, পুরুষ হৃদয়ে ঝড়তোলা লাস্যময় চলন আর মনোযোগ আকৃষ্ট করা কোমল বচন ত্যাগ করি। আল্লাহর কাছে এ থেকে তাওবা করি। তাওবা করি অশ্লীল পোশাক ও সৌন্দর্য বিকাশকারী লেবাস থেকে। তাওবা করি পুরুষদের সাদৃশ্য গ্রহণ, পুরুষদের বেশ ধারণ থেকে।
আসুন হে বোন, আল্লাহর নির্দেশ মত পরিপূর্ণ পর্দা ও পবিত্রতারজীবন যাপন করি। আল্লাহ তা‘আলা আমাদের সবার মা-বোনকে ইসলামের প্রথম যুগের নেককার নারীদের মতো পর্দানশীল ও দীনদার হবার তাওফীক দিন। আল্লাহ তাদের সকলকে পঙ্কিল জীবনের স্পর্শ থেকে দূরে রাখুন। আমীন। ইয়া রব্বাল আলামীন।
=================== ===============
--------------------মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দুবাই ইউ এ ই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: নারী
দাম্পত্য জীবনঃ----আপনারস্বামীকে কিভাবে কাবু করবেন?
@ হে রমনীগণ!!! অত্যন্ত ভাল ভাবে স্বরণ রাখবেন যে, আল্লাহ তায়ালা পুরুষকে সিংহ করে সৃষ্টি করেছেন।
@ তাই চাপ ও শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে তাকে কখনও কাবু করা সম্ভব নয়। পুরুষকে কাবু করার সহজ উপায় হলো..............
@ তার তোষামোদ করা, আনুগত্য করা, বিনয় ও নম্রতার সাথে তার সামনে নিজেকে পেশ করা।
@ ক্রোধ-উত্তেজনা, চাপ ও শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে তাকে বশে আনার চেষ্টা করা চরম নিবুদ্ধিতা ও অপরিণামদর্শীতা ছাড়া কিছুই নয়।
@ এর অশুভ পরিণতি তৎক্ষনাৎ বোধগম্য না হলেও অচিরেই যখন স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে চীড় ধরবে এবং উভয়ের মাঝে মনোমানিল্য সৃষ্টি হবে, তখন হাড়ে হাড়ে টের পাবেন।
তাই তো বলি.. সংসার সুখের হয় রমণীর গুনে..আপনার অকৃত্রিম ভালবাসা, ধয্য, ও ত্যাগের মাধ্যমে একটি সুন্দর সংসার রচনা করতে পারেন ...তাহলেই অনাবিল শান্তি আর শান্তি!!!
===================== =====================
...................................মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দুবাই, ইউ এ ই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: নারী
Read More
@ তাই চাপ ও শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে তাকে কখনও কাবু করা সম্ভব নয়। পুরুষকে কাবু করার সহজ উপায় হলো..............
@ তার তোষামোদ করা, আনুগত্য করা, বিনয় ও নম্রতার সাথে তার সামনে নিজেকে পেশ করা।
@ ক্রোধ-উত্তেজনা, চাপ ও শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে তাকে বশে আনার চেষ্টা করা চরম নিবুদ্ধিতা ও অপরিণামদর্শীতা ছাড়া কিছুই নয়।
@ এর অশুভ পরিণতি তৎক্ষনাৎ বোধগম্য না হলেও অচিরেই যখন স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে চীড় ধরবে এবং উভয়ের মাঝে মনোমানিল্য সৃষ্টি হবে, তখন হাড়ে হাড়ে টের পাবেন।
তাই তো বলি.. সংসার সুখের হয় রমণীর গুনে..আপনার অকৃত্রিম ভালবাসা, ধয্য, ও ত্যাগের মাধ্যমে একটি সুন্দর সংসার রচনা করতে পারেন ...তাহলেই অনাবিল শান্তি আর শান্তি!!!
===================== =====================
...................................মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দুবাই, ইউ এ ই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: নারী
দাম্পত্য জীবনঃ---------দুনিয়াতে যত ধন পুরুষের আছে---সব থেকে মুল্যবান নারী তার কাছে--
কিছু শোন ওগো ভালবাসা বোন
পুরুষের কাছে নারী অমূল্য রতন।
দুনিয়াতে যত ধন পুরুষের আছে
সব থেকে মুল্যবান নারী তার কাছে।
কিন্তু সেই নারী বটে নেক হওয়া চায়
ইহ-পরকালে তবে হবে সুখময়।
দুনিয়াতে জাহান্নাম বদ নারী যার
ইহ পরকাল তার হবে ছারখার।
কষা জুতা পরে চলা যত কষ্টকর
তার থেকে বেশী কষ্ট বদ নারী যার।
জান্নাতি রমণীর কতিপয় আলামতঃ
১. জান্নাতি রমণী নেক ও পূন্যেরকাজে অংশ নেয় এবং আপন পালন কর্তার ইবাদত করে তাঁর হক আদায় করে।
২. জান্নাতী রমণী এমন ক্ষেত্রে স্বামীর আনুগত্য করবে যাতে আল্লাহর নাফরমানী নেই।
৩. নিজের ইজ্জতের হেফাযত করবে -বিশেষ করে স্বামীর অনুপস্থিতিতে।
৪. স্বামীর সম্পদের হেফাযত করবেও তার সন্তানদের সঠিক ভাবে লালন-পালন করবে।
৫. সর্বদা এমনভাবে স্বামীর সম্মুখবর্তী হবে যাতে তিনি খুশি হন এবং এ জন্য নিজের অতিরিক্ত
সৌন্দর্য ও হাসি মুখ তার সামনে প্রকাশ করতে সচেষ্ট হবে।
৬. স্বামী রাগাম্বিত হলে যে কোনপ্রকারে তাকে খুশি করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করবে। কেননা সেই তার জান্নাত অথবা জাহান্নাম।
৭. স্বামী তার সঙ্গ চাইলে কোনভাবেই তাকে বাধা দেয়ার চেষ্টা করবে না । তার ডাকে সাড়াদিবে এবং পরিপূর্ণরুপে নিজেকে তার কাছে সমর্পন করবে।
জান্নাতের অঙ্গীকারঃ
উল্লোখিত কাজগুলো করলেই প্রিয় নবিজীর ভাষায় তার জন্য জান্নাতে প্রবেশ করার অঙ্গীকাররয়েছে। যেমনটি তিনি এরশাদ করেনঃ
স্ত্রী যদিঃ
১. স্ত্রী যদি পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করে।
২. রামাযানের সিয়াম পালন করে।
৩. নিজ লজ্জাস্থানের হেফাযত করে। (ব্যভিচার প্রভৃতি থেকে বিরত থাকে।) এবং
৪. স্বামীর আনুগত্য করে।
তবে তাকে বলা হবে জান্নাতের আটটির দরজার যে কোনটি দ্বারা জান্নাতে প্রবেশ করে। (মুসনাদেআহমদ হা/১৫৭৩)
================== ================
--------------------মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দুবাই, ইউ এ ই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : ইসলাম ও নারী
বিষয়শ্রেণী: নারী
Read More
পুরুষের কাছে নারী অমূল্য রতন।
দুনিয়াতে যত ধন পুরুষের আছে
সব থেকে মুল্যবান নারী তার কাছে।
কিন্তু সেই নারী বটে নেক হওয়া চায়
ইহ-পরকালে তবে হবে সুখময়।
দুনিয়াতে জাহান্নাম বদ নারী যার
ইহ পরকাল তার হবে ছারখার।
কষা জুতা পরে চলা যত কষ্টকর
তার থেকে বেশী কষ্ট বদ নারী যার।
জান্নাতি রমণীর কতিপয় আলামতঃ
১. জান্নাতি রমণী নেক ও পূন্যেরকাজে অংশ নেয় এবং আপন পালন কর্তার ইবাদত করে তাঁর হক আদায় করে।
২. জান্নাতী রমণী এমন ক্ষেত্রে স্বামীর আনুগত্য করবে যাতে আল্লাহর নাফরমানী নেই।
৩. নিজের ইজ্জতের হেফাযত করবে -বিশেষ করে স্বামীর অনুপস্থিতিতে।
৪. স্বামীর সম্পদের হেফাযত করবেও তার সন্তানদের সঠিক ভাবে লালন-পালন করবে।
৫. সর্বদা এমনভাবে স্বামীর সম্মুখবর্তী হবে যাতে তিনি খুশি হন এবং এ জন্য নিজের অতিরিক্ত
সৌন্দর্য ও হাসি মুখ তার সামনে প্রকাশ করতে সচেষ্ট হবে।
৬. স্বামী রাগাম্বিত হলে যে কোনপ্রকারে তাকে খুশি করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করবে। কেননা সেই তার জান্নাত অথবা জাহান্নাম।
৭. স্বামী তার সঙ্গ চাইলে কোনভাবেই তাকে বাধা দেয়ার চেষ্টা করবে না । তার ডাকে সাড়াদিবে এবং পরিপূর্ণরুপে নিজেকে তার কাছে সমর্পন করবে।
জান্নাতের অঙ্গীকারঃ
উল্লোখিত কাজগুলো করলেই প্রিয় নবিজীর ভাষায় তার জন্য জান্নাতে প্রবেশ করার অঙ্গীকাররয়েছে। যেমনটি তিনি এরশাদ করেনঃ
স্ত্রী যদিঃ
১. স্ত্রী যদি পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করে।
২. রামাযানের সিয়াম পালন করে।
৩. নিজ লজ্জাস্থানের হেফাযত করে। (ব্যভিচার প্রভৃতি থেকে বিরত থাকে।) এবং
৪. স্বামীর আনুগত্য করে।
তবে তাকে বলা হবে জান্নাতের আটটির দরজার যে কোনটি দ্বারা জান্নাতে প্রবেশ করে। (মুসনাদেআহমদ হা/১৫৭৩)
================== ================
--------------------মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দুবাই, ইউ এ ই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : ইসলাম ও নারী
বিষয়শ্রেণী: নারী
দাম্পত্য জীবনঃ---হে বাংলার জামাইরা তোমাদেরকে বলছি--
১. প্রথমে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সাঃ) কে তারপর মা-বাবাকে তারপরবউকে তারপর সন্তান তারপর আত্বীয়-স্বজনকে ভালবাসুন।
২. বউয়ের সাথে ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হবেন না। হাসি-মুখে তার সকল আবদার পুরুন করার চেষ্টা করুন। বউকে সবসময় উপহার দিয়ে খূশীতে রাখুন।
৩. ছুটির দিনে শূধু বউকে না নিয়ে মা-বাবা ভাই-বোন সবাইকে নিয়ে ভ্রমণ করুন।
৪. প্রথমে নিজের ভাই-বোনদের প্রতি যত্নবান হোন, তাদের সাথে ভাল ব্যবহার করুন। তাদের পড়ালেখার দিকে খেয়াল রাখুন।
৫. বিয়ের পর জামাইরা নিজের ভাই-বোনদেরকে অবহেলা করে শালা-শালীদেরকে বেশী গুরত্ব দিয়ে থাকে। এই কাজটি মোটেও ভাল নয়।
৬. আপনার বেকার ভাইকে চাকরী দিয়ে বা ব্যবসায় আর্থিক সহযোগিতা করুন তারপর শালাকে ও প্রতিষ্টিত করুন।
৭. নিজের মা-বাবাকে ভালবাসুন, শ্রদ্ধা করুন ও শাশুর-শাশুড়ীকেও যথাযথ সস্মান করুন। তাদের কাউকে কষ্ট দেয়া উচিত নয়।
৮. বউকে যৌতুকের জন্য মারধর করবেন না, শশুরবাড়ী থেকে কোন কিছু পাওয়ার আশা না করে নিজের যোগ্যতা ও মেধা দিয়ে সংসার পরিচালনা করুন।
৯. কখনও বউকে আগের প্রেম-পিরিতের কথা বলবেন না। তাতে করে বউ অনেক কষ্ট পাবে, আপনার প্রতি বিশ্বাস হারাবে। (পুরুষরা বিয়ের পরে বউকে নিজের অতীতের কাহিনীগুলো প্রকাশ করে দেয়, বউরা কিন্তু প্রকাশ করে না)
১০. কখনও বউয়ের সাথে মিথ্যা কথাবলবেন না, সব সময় সত্য কথা বলুন। তাতে করে সত্যর জয় হবে। পজিটিভ চিন্তা করুন।
১১. বউয়ের সামনে সিগারেট ,মদ বা অন্য নেশা জাতীয় দ্রব্য খাবেন না। কারণ বেশীর ভাগ বউরা এইসব ঘৃন্য বদঅভ্যাস পছন্দ করে না।
১২. বউকে সবসময় নামায পড়তে, কোরআন শরীফ ও হাদীস শরীফ পড়তে বলবেন। অবসব সময়ে দুজনেই পড়াশুনা করুন।
১৩. আপনার উপার্জিত অর্থ বউকে না দিয়ে আপনার মা-বাবার হাতে তুলে দিন । এবং যৌথ পরিবারে বসবাস করার চেষ্টা করুন।
১৪. সংসারে কোন গুরত্বপূর্ন কাজবা সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হলে প্রথমে মা-বাবা তারপর বউকে শেয়ার করুন।
১৫. আপনার বৃদ্ধ মা-বাবাকে কখনওঅবহেলা করবেন না, তাদেরকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাবেন না বা তাদেরকে গ্রামে রেখে আপনি শহরেবউ নিয়ে বসবাস করবেন না। বউকে আপনার মা-বাবাকে সেবা করতে বলুন।
১৬ . একটি সংসারকে গতিশীল রাখতেনারীর চাইতে পুরুষদের অবদান অনেক বেশী।
=================== =================
............................মোহাম্মদ জামালউদ্দীন, দুবাই ইউ এ ই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: নারী
Read More
২. বউয়ের সাথে ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হবেন না। হাসি-মুখে তার সকল আবদার পুরুন করার চেষ্টা করুন। বউকে সবসময় উপহার দিয়ে খূশীতে রাখুন।
৩. ছুটির দিনে শূধু বউকে না নিয়ে মা-বাবা ভাই-বোন সবাইকে নিয়ে ভ্রমণ করুন।
৪. প্রথমে নিজের ভাই-বোনদের প্রতি যত্নবান হোন, তাদের সাথে ভাল ব্যবহার করুন। তাদের পড়ালেখার দিকে খেয়াল রাখুন।
৫. বিয়ের পর জামাইরা নিজের ভাই-বোনদেরকে অবহেলা করে শালা-শালীদেরকে বেশী গুরত্ব দিয়ে থাকে। এই কাজটি মোটেও ভাল নয়।
৬. আপনার বেকার ভাইকে চাকরী দিয়ে বা ব্যবসায় আর্থিক সহযোগিতা করুন তারপর শালাকে ও প্রতিষ্টিত করুন।
৭. নিজের মা-বাবাকে ভালবাসুন, শ্রদ্ধা করুন ও শাশুর-শাশুড়ীকেও যথাযথ সস্মান করুন। তাদের কাউকে কষ্ট দেয়া উচিত নয়।
৮. বউকে যৌতুকের জন্য মারধর করবেন না, শশুরবাড়ী থেকে কোন কিছু পাওয়ার আশা না করে নিজের যোগ্যতা ও মেধা দিয়ে সংসার পরিচালনা করুন।
৯. কখনও বউকে আগের প্রেম-পিরিতের কথা বলবেন না। তাতে করে বউ অনেক কষ্ট পাবে, আপনার প্রতি বিশ্বাস হারাবে। (পুরুষরা বিয়ের পরে বউকে নিজের অতীতের কাহিনীগুলো প্রকাশ করে দেয়, বউরা কিন্তু প্রকাশ করে না)
১০. কখনও বউয়ের সাথে মিথ্যা কথাবলবেন না, সব সময় সত্য কথা বলুন। তাতে করে সত্যর জয় হবে। পজিটিভ চিন্তা করুন।
১১. বউয়ের সামনে সিগারেট ,মদ বা অন্য নেশা জাতীয় দ্রব্য খাবেন না। কারণ বেশীর ভাগ বউরা এইসব ঘৃন্য বদঅভ্যাস পছন্দ করে না।
১২. বউকে সবসময় নামায পড়তে, কোরআন শরীফ ও হাদীস শরীফ পড়তে বলবেন। অবসব সময়ে দুজনেই পড়াশুনা করুন।
১৩. আপনার উপার্জিত অর্থ বউকে না দিয়ে আপনার মা-বাবার হাতে তুলে দিন । এবং যৌথ পরিবারে বসবাস করার চেষ্টা করুন।
১৪. সংসারে কোন গুরত্বপূর্ন কাজবা সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হলে প্রথমে মা-বাবা তারপর বউকে শেয়ার করুন।
১৫. আপনার বৃদ্ধ মা-বাবাকে কখনওঅবহেলা করবেন না, তাদেরকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠাবেন না বা তাদেরকে গ্রামে রেখে আপনি শহরেবউ নিয়ে বসবাস করবেন না। বউকে আপনার মা-বাবাকে সেবা করতে বলুন।
১৬ . একটি সংসারকে গতিশীল রাখতেনারীর চাইতে পুরুষদের অবদান অনেক বেশী।
=================== =================
............................মোহাম্মদ জামালউদ্দীন, দুবাই ইউ এ ই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: নারী
দাম্পত্য জীবনঃ----মুসলিম নারীদের শ্বশুরালয়ে বসবাস করার নিয়ম পদ্ধতি
এক সময় এমন এসেই যায়, যখন কিশোরী ছোট মেয়েটিকে নববধূর সাজে সাজতে হয়। অনেক আদর সোহাগে লালিত কন্যাকে মাতা-পিতা অপরিচিত এক যুবকের হাতে অর্পণ করেন। আদরের দুলালীস্বীয় মাতা-পিতা, ভাই-বোন হতে পৃথক হয়ে স্বামীর সাথে নতুন জীবন শুরু করে। যেখানকার পরিবেশ পিত্রালয়ের পরিবেশ থেকেসম্পূর্ন ব্যতিক্রমধর্মী হয়ে থাকে। সেখানে এ নববধুর বিভিন্নপ্রকার লোকদের বিভিন্ন প্রকার মেজাজের মানুষদের উঠা-বসা করতেহয়। টক-মিষ্টি-ঝাল-তিক্ত ফেকাসে কড়া স্বভাবের আদম সন্তাদের সম্মখীন হতে হয়। শাশুড়ী ও ননদের মন রক্ষা করা প্রাণ-প্রিয় জীবন সাথীর মান-অভিমান সামাল দেওয়া, সন্তানদের দেখাশুনা এবং গৃহের দায়িত্বের বিরাট বোঝা চেপে বসে। এজন্য তাকে একজন আদর্শ মেয়ে, আদর্শ বোন, আদর্শ বধূ এবং আদর্শ মা হওয়ার প্রশিক্ষণ নিতেহয়। এটা মায়েরই কর্তব্য। নিজ কন্যার উজ্ঝল ভবিষ্যতকে উজ্ঝলতর করার নিমিত্তে মাকে এইকাজটি করতে হয়।
আদরের কন্যারা! নারীদেরকে শ্বশুরালয়ে অবস্থান করতেই হয়। এটা নারীর জন্মের ভাগ্যের লিখন। তাই খুব সতর্কতার সাথে মেহমান স্বরূপ অবস্থান করতে হবে। এবং নিন্মেক্ত বিষয়গুলি অবশ্যই মনে রাখতে হবে।
১. লজ্জিত, অপমানিত ও ধিকৃত হতে হয় এমন কাজ কখনো করবে না।
২. শ্বশুরালয়ে যখন যা ভাগ্যে জোটে, তা খেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে।
৩. কোন জিনিষ অপছন্দ হলে অসন্তোস প্রকাশ করবে না।
৪. শ্বাশুড়ীতে নিজ মা জননীর মত এবং শ্বশুরকে নিজ পিতার মত শ্রদ্ধা করবে।
৫. ননদদেরকে আপন ভগ্নীর চেয়েও বেশী আদর করবে। তারাও একদিন তোমার মত পিত্রালয় ছেড়ে পরের ঘরে চলে যাবে। তাই তাদের মনে দুঃখ দিও না।
৬. প্রত্যেক ব্যাপারে তাদের সাথে পরামর্শ কর। এমন কথা বলবে না বা কাজ করবে না , যাতে তাদের অন্তরে সন্দেহ-সংশয় সৃষ্টি হয়।
৭. পিত্রালয় থেকে কিছু এলে তা গোপন করে রাখবে না। তবে একান্ত গোপনীয় বিষয় হলে ভিন্ন কথা।
৮. শাশুড়ী বা ননদদের থেকে গৃহেরকাজ কর্মের দায়িত্ব বুঝে নিবে।
৯. কি কি রান্না করতে হয়? কিভাবে বন্টন করতে হয়? পানাহারের নিয়ম পদ্ধতি কি? মেহমানদের সাথে আদর-আপ্যায়নের ব্যবস্থা এ বাড়ীতে কেমন ধরনের হয়? এ সব কিছু গুরত্বের সাথে পর্যবেক্ষন, নিরীক্ষন ও লক্ষ্য করবে।
১০. শরীয়ত পরীপন্থী কুপ্রথা সমুহে কোন প্রকার সহযোগিতা করবে না। প্রকাশ্য বিরোধীতা ও করবে না। বরং ধীরে ধীরে ভালবাসা, নম্রতা-ভদ্রতা দ্বারাআলোচনার মাধ্যমে বুঝাতে থাকবে। ১১. অবসর সময়ে স্বামীর গৃহের এবং প্রতিবেশী মুসলমান মেয়েদেরনিয়ে একত্রিত হয়ে বসে নিজের জানা মাসয়ালা-মাসায়েল ও দ্বীনের আলোচনা করবে।
১২. আদব ইলম এ প্রজ্ঞাভরা কথায় তোমার মন ভরে যাবে এবং তাদের ও অজানা অনেক কিছু জানা হয়ে যাবে।
১৩. তোমার ভাই-বোন বেড়াতে এলে আনন্দচিত্তে তাদের স্বাগত জানাও। তাদের আদর আপ্যায়নে কৃপনতা করবে না। ফিরে যাওয়ার সময় কিছু উপহার সামগ্রী সঙ্গে দিয়ে দিও।
১৪. পিত্রালয় থেকে আগমনকারী কারো সাথে কানাকানি করবে না।
১৫. আশে-পাশের থেকে আগত সাক্ষাতকারীদের সাথে সদ্ব্যবহার করবে।
১৬. ছোট-ছোট মেয়েদেরকে জরুরী মাসয়ালা-মাসায়েল শিক্ষা দিবে। দ্বীনের আলোচনা করবে। বড় হওয়ারপর এরা সকলেই তোমাকে সম্মান করবে।
১৭. শ্বাশুড়ী ও ননদদের প্রতি লক্ষ্য রাখবে। তোমাকে কিছু জিজ্ঞেস করলে আদবের সাথে উত্তরদিবে। সময় পেলে তাদের কাজ করে দিবে।
১৮. বাড়ীতে কাউকে দাওয়াত করলে কাজ কর্মে অগ্রনী ভূমিকা পালন করবে।
১৯. স্বামীর ভাই-বোনদেরকে সম্মান প্রদর্শন ও তাদের সন্তান-সন্ততিকে আদর সোহাগ করবে।
২০. শিশুদের পারস্পরিক ঝগড়া-বিবাদ হলে কোন পক্ষপাতিত্ব করবে না। এতে এক মা সন্তুষ্ট এবং অন্য মা অসন্তুষ্ট হবে নিঃসন্দেহে।
২১. শ্বশুরালয়ের কোন কথা প্রতিবেশী বা পিত্রালয়ের কারো নিকট প্রকাশ করবে না।
২২. অন্য কারো নিকট থেকেও শ্বশুরালয়ের নিন্দা শ্রবণ করবেনা। বরং পরিস্কার ভাষায় বলে দিবে যে, বোন! আজকের পরে আমার সম্মুখে আর কোন দিন এমন কথা বলবে না।
২৩. পরিবারের সদস্যদের পারস্পরিক ঝগড়ায় কোন পক্ষপাতিত্ব বা অংশগ্রহন করবে না।
২৪. স্বামীর ধন-সম্পদ রক্ষা করবে। স্বামীর অনুমতি ছাড়া কখনো বাইরে যাবে না। অবশ্যই পর্দা প্রথা মেনে চলবে।
২৫. নিয়মিত নামায পড়বে ও কোরআন তেলোয়াত করবে এবং স্বামীকে ও পালন করতে উৎসাহ দিবে। স্বামীকে হালাল উপার্জন করতে বলবে।
মোট কথা, একজন সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের আদর্শ মেয়ে, বধু বা মা রূপে যা কিছু শোভা পায়, সেভাবে জীবন যাপন করবে এবংনিজের চাল-চলন, আচার-আচরণ ব্যবহার এমন অমায়িক রাখবে যে, পরিবারের সকলের মন জয় করে নিতে পার। সকলেই যেন তোমার দেওয়ানা হয়ে যায়।
================= ===================
--------------------মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দুবাই, ইউ এ ই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: বিবিধ
Read More
আদরের কন্যারা! নারীদেরকে শ্বশুরালয়ে অবস্থান করতেই হয়। এটা নারীর জন্মের ভাগ্যের লিখন। তাই খুব সতর্কতার সাথে মেহমান স্বরূপ অবস্থান করতে হবে। এবং নিন্মেক্ত বিষয়গুলি অবশ্যই মনে রাখতে হবে।
১. লজ্জিত, অপমানিত ও ধিকৃত হতে হয় এমন কাজ কখনো করবে না।
২. শ্বশুরালয়ে যখন যা ভাগ্যে জোটে, তা খেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে।
৩. কোন জিনিষ অপছন্দ হলে অসন্তোস প্রকাশ করবে না।
৪. শ্বাশুড়ীতে নিজ মা জননীর মত এবং শ্বশুরকে নিজ পিতার মত শ্রদ্ধা করবে।
৫. ননদদেরকে আপন ভগ্নীর চেয়েও বেশী আদর করবে। তারাও একদিন তোমার মত পিত্রালয় ছেড়ে পরের ঘরে চলে যাবে। তাই তাদের মনে দুঃখ দিও না।
৬. প্রত্যেক ব্যাপারে তাদের সাথে পরামর্শ কর। এমন কথা বলবে না বা কাজ করবে না , যাতে তাদের অন্তরে সন্দেহ-সংশয় সৃষ্টি হয়।
৭. পিত্রালয় থেকে কিছু এলে তা গোপন করে রাখবে না। তবে একান্ত গোপনীয় বিষয় হলে ভিন্ন কথা।
৮. শাশুড়ী বা ননদদের থেকে গৃহেরকাজ কর্মের দায়িত্ব বুঝে নিবে।
৯. কি কি রান্না করতে হয়? কিভাবে বন্টন করতে হয়? পানাহারের নিয়ম পদ্ধতি কি? মেহমানদের সাথে আদর-আপ্যায়নের ব্যবস্থা এ বাড়ীতে কেমন ধরনের হয়? এ সব কিছু গুরত্বের সাথে পর্যবেক্ষন, নিরীক্ষন ও লক্ষ্য করবে।
১০. শরীয়ত পরীপন্থী কুপ্রথা সমুহে কোন প্রকার সহযোগিতা করবে না। প্রকাশ্য বিরোধীতা ও করবে না। বরং ধীরে ধীরে ভালবাসা, নম্রতা-ভদ্রতা দ্বারাআলোচনার মাধ্যমে বুঝাতে থাকবে। ১১. অবসর সময়ে স্বামীর গৃহের এবং প্রতিবেশী মুসলমান মেয়েদেরনিয়ে একত্রিত হয়ে বসে নিজের জানা মাসয়ালা-মাসায়েল ও দ্বীনের আলোচনা করবে।
১২. আদব ইলম এ প্রজ্ঞাভরা কথায় তোমার মন ভরে যাবে এবং তাদের ও অজানা অনেক কিছু জানা হয়ে যাবে।
১৩. তোমার ভাই-বোন বেড়াতে এলে আনন্দচিত্তে তাদের স্বাগত জানাও। তাদের আদর আপ্যায়নে কৃপনতা করবে না। ফিরে যাওয়ার সময় কিছু উপহার সামগ্রী সঙ্গে দিয়ে দিও।
১৪. পিত্রালয় থেকে আগমনকারী কারো সাথে কানাকানি করবে না।
১৫. আশে-পাশের থেকে আগত সাক্ষাতকারীদের সাথে সদ্ব্যবহার করবে।
১৬. ছোট-ছোট মেয়েদেরকে জরুরী মাসয়ালা-মাসায়েল শিক্ষা দিবে। দ্বীনের আলোচনা করবে। বড় হওয়ারপর এরা সকলেই তোমাকে সম্মান করবে।
১৭. শ্বাশুড়ী ও ননদদের প্রতি লক্ষ্য রাখবে। তোমাকে কিছু জিজ্ঞেস করলে আদবের সাথে উত্তরদিবে। সময় পেলে তাদের কাজ করে দিবে।
১৮. বাড়ীতে কাউকে দাওয়াত করলে কাজ কর্মে অগ্রনী ভূমিকা পালন করবে।
১৯. স্বামীর ভাই-বোনদেরকে সম্মান প্রদর্শন ও তাদের সন্তান-সন্ততিকে আদর সোহাগ করবে।
২০. শিশুদের পারস্পরিক ঝগড়া-বিবাদ হলে কোন পক্ষপাতিত্ব করবে না। এতে এক মা সন্তুষ্ট এবং অন্য মা অসন্তুষ্ট হবে নিঃসন্দেহে।
২১. শ্বশুরালয়ের কোন কথা প্রতিবেশী বা পিত্রালয়ের কারো নিকট প্রকাশ করবে না।
২২. অন্য কারো নিকট থেকেও শ্বশুরালয়ের নিন্দা শ্রবণ করবেনা। বরং পরিস্কার ভাষায় বলে দিবে যে, বোন! আজকের পরে আমার সম্মুখে আর কোন দিন এমন কথা বলবে না।
২৩. পরিবারের সদস্যদের পারস্পরিক ঝগড়ায় কোন পক্ষপাতিত্ব বা অংশগ্রহন করবে না।
২৪. স্বামীর ধন-সম্পদ রক্ষা করবে। স্বামীর অনুমতি ছাড়া কখনো বাইরে যাবে না। অবশ্যই পর্দা প্রথা মেনে চলবে।
২৫. নিয়মিত নামায পড়বে ও কোরআন তেলোয়াত করবে এবং স্বামীকে ও পালন করতে উৎসাহ দিবে। স্বামীকে হালাল উপার্জন করতে বলবে।
মোট কথা, একজন সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের আদর্শ মেয়ে, বধু বা মা রূপে যা কিছু শোভা পায়, সেভাবে জীবন যাপন করবে এবংনিজের চাল-চলন, আচার-আচরণ ব্যবহার এমন অমায়িক রাখবে যে, পরিবারের সকলের মন জয় করে নিতে পার। সকলেই যেন তোমার দেওয়ানা হয়ে যায়।
================= ===================
--------------------মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দুবাই, ইউ এ ই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: বিবিধ
দাম্পত্য জীবনঃ-----প্লিজ আমাকে বোরকা পরতে বাধ্য করবে না
স্বামী-স্ত্রী দুজনেই চাকরীজীবি। স্বামী একটি কলেজেরপ্রভাষক। আর স্ত্রী একটি ব্যাংকের অফিসার। স্ত্রী বিয়েরআগে বোরকা পরত না। তাদের পরিবারে ও কেউ বোরকা পরত না। বিয়ের পর স্বামীর কাছ থেকে ইসলামের বিভিন্ন মাসআলা শিখার পর স্ত্রী বোরকা পরে অফিসে যায়। এবং পরিবারের অন্যরা ও বোরকা পরে বাইরে যায়। ইসলামী বিধান মোতাবেক তাদের সাংসারিক জীবন চলতে থাকে।
আজ বাংলাদেশ ধর্মনিরপেক্ষ। যে দেশের ৮৫ ভাগের ও বেশী মুসলমান, হঠাৎ করে একটি আইন হলো বোরকা পরতে কাউকে বাধ্য করা যাবে না। বাধ্য করলে জেল-জরিমানা হবে। কি কি শাস্তি হবে সেই ব্যাপারে আগামীতে দিক নির্দেশনা আসবে। এতদিন মহিলারা স্বামীর অনুরোধেবা পিতা-মাতার অনুরোধে বোরকা পরত। কিন্তু এখন আর তাদেরকে বোরকা পরতে বাধ্য করা যাবে না। বোরকা পরতে আদেশ দিতে পারবে না। আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ অনুযায়ী মহিলারা চলতে পারবে না। যেমন-খুশী তেমন করে সাজতে পারবে। কেউ বাধা দিতে পারবেনা।যে দেশে রাষ্ট্র প্রধান নারী যিনি প্রতিবছর হজ্জ করে থাকেন তিনি কিভাবে এই আদেশ দিলেন একমাত্র আল্লাহই জানেন। কাদেরকে খুশী করার জন্য এই আইনটি করা হয়েছে? এখন যদি বাংলাদেশের প্রতিটি মুসলিম পরিবারে শিরোনামের মত
" প্লিজ আমাকে বোরকা পরতে বাধ্য করবে না.." এই শব্দটি উচ্চারিত হয় তখন প্রধানমন্ত্রীআর বিরোধী নেত্রীর কেমন লাগবে?জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন রইল।
হিজাব কি?
হিজাব অর্থ হলো ছতরের ঢাকনা, বোরকা বা শরীরের আচ্ছাদন।
পর্দা সম্পর্কে আল্লাহ রাব্বুলআলামীন তার প্রিয় রাসুল হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)কে সুরা আহযাবের ৫৯ আয়াতে এরশাদ করেছেনঃ
হে নবী! আপনি আপনার স্ত্রীগনকে,কন্যাগনকে ও মুমিন মহিলাগনকে বলে দিন, তারা যেন উপর দিক থেকে (নিজেদের মুখমন্ডল ও বক্ষদেশেরউপর) নিজেদের চাদরের আচঁল ঝুলিয়ে দেয়, এতে তাদের চেনা সহজতর হবে। ফলে তাদের উত্যক্ত করা হবেনা। আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।
(আল-কোরআন, সুরা আযহাব, ৩৩ঃ আয়াত ৫৯)
আল্লাহ তায়ালা আল-কোরআনে আরো এরশাদ করেছেনঃ বৃদ্ধা নারী, যারা বিবাহের আশা রাখে না তারা যদি নিজেদের চাদর খুলে রাখে, তাহলে তাদের কোন (অপরাধ) গুনাহ হবে না। তবে শর্ত হলো, তারা স্বীয় রূপ-সৌন্দর্যের প্রদশনকারিনী হিসেবে তা খুলতে পারবেনা। তবে এ থেকে বিরত থাকাই উত্তম। আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। (সুরা নূর, ২৪, আয়াত ৬০)মহান আল্লাহ পাক পবিত্র আল-কোরআনে ঘোষণা করেছেন-"(হে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আপনি) ঈমানদার পুরুষদের বলে দিন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি অবনমিত রাখে এবং যৌন পবিত্রতা রক্ষা করে চলে। ইহাই তাদরে জন্য পবিত্রতম পন্থা। নিশ্চয়ই তারা যা কিছু করে, আল্লাহ পাক তা জানেন এবং মুমিন নারীদের বলে দিন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং যৌনাঙ্গের হেফাযত করে, তার যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান তা ব্যতীত তাদের সৌন্দর্য, বেশ-ভূষা ও অলংকারাদী প্রকাশ না করে এবং তারা যেন তাদের মাথায় ওড়না বক্ষদেশ পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখে। আর তারা যেন স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভাই, ভাইয়ের পুত্র, বোনের পুত্র, স্ত্রীলো , অধিকারভুক্ত বাদী, য়ৌন কামনামুক্ত পুরুষ ও বালক যারা নারীদের গুপ্তাঙ্গ সর্ম্পকে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো নিকট তাদের সাজ-সজ্জা, পোশাক প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজসজ্জা প্রকাশ করার জন্য (রাস্তা-ঘাটে) জোরে পদচারণা না করে, হে ঈমানদারগণ! তোমরা সকলে আল্লাহর দরবারে তওবা কর যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার।" (সূরা-নূর, আয়াত-৩০-৩১)
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আরো বলেন-"জাহিলিয়াতের যুগের যে ধরনের সাজ-সজ্জা ও ঠাট-ঠমক করা হত এখন তা কর না।" (সূরা-আহযাব, আয়াত-৩৩)
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আরো বলেন-"যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, তবে পরপুরুষের সাথে কোমল ও আকর্ষণীয় ভঙ্গিতে বাক্যালাপ করো না, কারণ তাতে অন্তরে ব্যধি রয়েছে সে কু-বাসনা করে।" (সূরা-আহযাব, আয়াত-৩২)
পবিত্র আল-কোরআনের আলোকে নারী-পুরুষদের পর্দার আবশ্যকিয়তা কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ তা উপরের লিখিত আল্লাহর বানীতেই প্রমাণিত।
পর্দা সম্পর্কে প্রিয় নবী হযরতমহাম্মদ (স.) এর বানীঃ
==========================================
একবার উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা (রাঃ)রাসুল (সাঃ)কে প্রশ্ন করেছিলেন, মেয়েরা নিজেদের কাপড়কে (পোষাক বা বোরকা) কতটুকু নিচের দিকে ঝুলিয়ে দিবে?
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ তারা স্বীয় পদতালুর সামনে অথ্যাৎ গোড়ালীর নিচে রেখে কাপড় পরবে। উম্মুল মুমিনীন পুনঃ প্রশ্ন করলেন যে, যখন তারা লম্বা কদমে হাটবে? (তখন কাপড় তো উঠে যাবে, সে সময় কি করবে?) উত্তরে রাসুল (সাঃ) বললেন, তারা কখনও এক হাতের বেশী লম্বা কদমে হাটতে না। (বুখারী ও মুসলিম)
কিন্তু আল্লাহর নির্দেশ অস্বীকার বা অমান্য করলে কিংবাপর্দা মেনে না চলার পরিণাম কী?
=============================================আল্লাহ পাক বলেন-"যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর মিথ্যা বলে এবং তার নিকট সত্য পৌঁছার পর তাকে (সত্যকে) মিথ্যা সাব্যস্ত করে তার চেয়ে অধিক অত্যাচারী আর কে হতে পারে? কাফেরদের বাসস্থান জাহান্নামে নয় কি?" (সূরা-যুমার, আয়াত-৩২)
"যারা কিতাবরে কিছু অংশ মান্য করে আর কিছু অংশ মেনে চলে না তাদের জন্য রয়েছে দুনিয়াতে লাঞ্চণা-গঞ্চণা, অপমান আর পরকালে রয়েছে কঠিন শাস্তি।" (সূরা-মায়েদা)
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলিম নারীর পোষাকঃ
বাংলাদেশী মুসলিম নারী...
মিশরের মুসলিম নারী...
সিরিয়ার মুসলিম নারী...
ইন্দোশিয়ান মুসলিম নারী...
মালয়েশিয়ান মুসলিম নারী..
ওমানের মুসলিম নারী...
ভ্রমনরত মুসলিম নারী...
আরব আমিরাতের মুসলিম নারী..
চীনের মুসলিম নারী...
অফিসে মুসলিম নারী..
================== ===============
...................................মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দুবাই, ইউ এ ই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: নারী
Read More
আজ বাংলাদেশ ধর্মনিরপেক্ষ। যে দেশের ৮৫ ভাগের ও বেশী মুসলমান, হঠাৎ করে একটি আইন হলো বোরকা পরতে কাউকে বাধ্য করা যাবে না। বাধ্য করলে জেল-জরিমানা হবে। কি কি শাস্তি হবে সেই ব্যাপারে আগামীতে দিক নির্দেশনা আসবে। এতদিন মহিলারা স্বামীর অনুরোধেবা পিতা-মাতার অনুরোধে বোরকা পরত। কিন্তু এখন আর তাদেরকে বোরকা পরতে বাধ্য করা যাবে না। বোরকা পরতে আদেশ দিতে পারবে না। আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ অনুযায়ী মহিলারা চলতে পারবে না। যেমন-খুশী তেমন করে সাজতে পারবে। কেউ বাধা দিতে পারবেনা।যে দেশে রাষ্ট্র প্রধান নারী যিনি প্রতিবছর হজ্জ করে থাকেন তিনি কিভাবে এই আদেশ দিলেন একমাত্র আল্লাহই জানেন। কাদেরকে খুশী করার জন্য এই আইনটি করা হয়েছে? এখন যদি বাংলাদেশের প্রতিটি মুসলিম পরিবারে শিরোনামের মত
" প্লিজ আমাকে বোরকা পরতে বাধ্য করবে না.." এই শব্দটি উচ্চারিত হয় তখন প্রধানমন্ত্রীআর বিরোধী নেত্রীর কেমন লাগবে?জাতির বিবেকের কাছে প্রশ্ন রইল।
হিজাব কি?
হিজাব অর্থ হলো ছতরের ঢাকনা, বোরকা বা শরীরের আচ্ছাদন।
পর্দা সম্পর্কে আল্লাহ রাব্বুলআলামীন তার প্রিয় রাসুল হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)কে সুরা আহযাবের ৫৯ আয়াতে এরশাদ করেছেনঃ
হে নবী! আপনি আপনার স্ত্রীগনকে,কন্যাগনকে ও মুমিন মহিলাগনকে বলে দিন, তারা যেন উপর দিক থেকে (নিজেদের মুখমন্ডল ও বক্ষদেশেরউপর) নিজেদের চাদরের আচঁল ঝুলিয়ে দেয়, এতে তাদের চেনা সহজতর হবে। ফলে তাদের উত্যক্ত করা হবেনা। আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।
(আল-কোরআন, সুরা আযহাব, ৩৩ঃ আয়াত ৫৯)
আল্লাহ তায়ালা আল-কোরআনে আরো এরশাদ করেছেনঃ বৃদ্ধা নারী, যারা বিবাহের আশা রাখে না তারা যদি নিজেদের চাদর খুলে রাখে, তাহলে তাদের কোন (অপরাধ) গুনাহ হবে না। তবে শর্ত হলো, তারা স্বীয় রূপ-সৌন্দর্যের প্রদশনকারিনী হিসেবে তা খুলতে পারবেনা। তবে এ থেকে বিরত থাকাই উত্তম। আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। (সুরা নূর, ২৪, আয়াত ৬০)মহান আল্লাহ পাক পবিত্র আল-কোরআনে ঘোষণা করেছেন-"(হে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আপনি) ঈমানদার পুরুষদের বলে দিন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি অবনমিত রাখে এবং যৌন পবিত্রতা রক্ষা করে চলে। ইহাই তাদরে জন্য পবিত্রতম পন্থা। নিশ্চয়ই তারা যা কিছু করে, আল্লাহ পাক তা জানেন এবং মুমিন নারীদের বলে দিন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং যৌনাঙ্গের হেফাযত করে, তার যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান তা ব্যতীত তাদের সৌন্দর্য, বেশ-ভূষা ও অলংকারাদী প্রকাশ না করে এবং তারা যেন তাদের মাথায় ওড়না বক্ষদেশ পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখে। আর তারা যেন স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভাই, ভাইয়ের পুত্র, বোনের পুত্র, স্ত্রীলো , অধিকারভুক্ত বাদী, য়ৌন কামনামুক্ত পুরুষ ও বালক যারা নারীদের গুপ্তাঙ্গ সর্ম্পকে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো নিকট তাদের সাজ-সজ্জা, পোশাক প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজসজ্জা প্রকাশ করার জন্য (রাস্তা-ঘাটে) জোরে পদচারণা না করে, হে ঈমানদারগণ! তোমরা সকলে আল্লাহর দরবারে তওবা কর যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার।" (সূরা-নূর, আয়াত-৩০-৩১)
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আরো বলেন-"জাহিলিয়াতের যুগের যে ধরনের সাজ-সজ্জা ও ঠাট-ঠমক করা হত এখন তা কর না।" (সূরা-আহযাব, আয়াত-৩৩)
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আরো বলেন-"যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, তবে পরপুরুষের সাথে কোমল ও আকর্ষণীয় ভঙ্গিতে বাক্যালাপ করো না, কারণ তাতে অন্তরে ব্যধি রয়েছে সে কু-বাসনা করে।" (সূরা-আহযাব, আয়াত-৩২)
পবিত্র আল-কোরআনের আলোকে নারী-পুরুষদের পর্দার আবশ্যকিয়তা কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ তা উপরের লিখিত আল্লাহর বানীতেই প্রমাণিত।
পর্দা সম্পর্কে প্রিয় নবী হযরতমহাম্মদ (স.) এর বানীঃ
==========================================
একবার উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা (রাঃ)রাসুল (সাঃ)কে প্রশ্ন করেছিলেন, মেয়েরা নিজেদের কাপড়কে (পোষাক বা বোরকা) কতটুকু নিচের দিকে ঝুলিয়ে দিবে?
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেনঃ তারা স্বীয় পদতালুর সামনে অথ্যাৎ গোড়ালীর নিচে রেখে কাপড় পরবে। উম্মুল মুমিনীন পুনঃ প্রশ্ন করলেন যে, যখন তারা লম্বা কদমে হাটবে? (তখন কাপড় তো উঠে যাবে, সে সময় কি করবে?) উত্তরে রাসুল (সাঃ) বললেন, তারা কখনও এক হাতের বেশী লম্বা কদমে হাটতে না। (বুখারী ও মুসলিম)
কিন্তু আল্লাহর নির্দেশ অস্বীকার বা অমান্য করলে কিংবাপর্দা মেনে না চলার পরিণাম কী?
=============================================আল্লাহ পাক বলেন-"যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর মিথ্যা বলে এবং তার নিকট সত্য পৌঁছার পর তাকে (সত্যকে) মিথ্যা সাব্যস্ত করে তার চেয়ে অধিক অত্যাচারী আর কে হতে পারে? কাফেরদের বাসস্থান জাহান্নামে নয় কি?" (সূরা-যুমার, আয়াত-৩২)
"যারা কিতাবরে কিছু অংশ মান্য করে আর কিছু অংশ মেনে চলে না তাদের জন্য রয়েছে দুনিয়াতে লাঞ্চণা-গঞ্চণা, অপমান আর পরকালে রয়েছে কঠিন শাস্তি।" (সূরা-মায়েদা)
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলিম নারীর পোষাকঃ
বাংলাদেশী মুসলিম নারী...
মিশরের মুসলিম নারী...
সিরিয়ার মুসলিম নারী...
ইন্দোশিয়ান মুসলিম নারী...
মালয়েশিয়ান মুসলিম নারী..
ওমানের মুসলিম নারী...
ভ্রমনরত মুসলিম নারী...
আরব আমিরাতের মুসলিম নারী..
চীনের মুসলিম নারী...
অফিসে মুসলিম নারী..
================== ===============
...................................মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দুবাই, ইউ এ ই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: নারী
দাম্পত্য জীবনঃ----বউয়েরমুখ থেকে স্বামীকে তিনটি কমন বাক্য শুনতে হয়
১. তোমার সংসারে আমি কি পেলাম......................................?
২. আমি বলে তোমার সংসার করছি অন্য কেউ হলে.................?
৩. আমি আর এই সংসারে থাকব না......................................?
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মাঝে মধ্যে ঝগড়া হয়েই থাকে। উত্তেজনা বা রাগের মূহুত্বে স্ত্রীরা উপরোক্ত কথা গুলো স্বামীদেরকে শুনিয়ে থাকে। আমি দেখেছি বেশীর স্ত্রী স্বামীর কাছ থেকে বেশী কিছু আশা করে থাকে। স্বামীদের পকেট খালি করতে পারলেই বউরা খুশী হয়। তারা বুঝতে চাইনা যে স্বামীকে কত কষ্ট করে সংসার চালাতে হয়। কত কষ্ট করে উপার্জন করতে হয়। স্বামীরা কত কষ্ট করে তাদেরকে স্ত্রীদের সাজিয়ে-গুছিয়ে রাখার চেষ্টা করে । আর স্ত্রীরা শুধুমাত্র পাশের বাসার ভাবী কি কিনছে কি করছে তাই দেখে থাকে। নিজের স্বামীর উপার্জন ক্ষমতার দিকে খেয়াল নাকরে নানান রকম আবদার করে থাকে। একসময় স্বামীর সাথে তর্ক-বিতর্ক সৃষ্টি হয়। অনেক সময় স্বামী স্ত্রীকে মারধর ও করে থাকে। আবার লোভী স্ত্রীরা আরেকজনের হাত ধরে পালিয়ে যেতেওদ্বিধাবোধ করে না। আমার তো মনে হয় স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক অনেক গভীর, দুজন শুধুই দুজনার। আমৃত্যু একি ছাদের নীচে দুজনকেবসবাস করতে হয়। যা একমাত্র আল্লাহ তায়ালা বিশেষ রহমতের কারনেই হয়ে থাকে। সংসারে অভাব-অনটন, ভূল-বুঝাবুঝি থাকবেই। তবে স্ত্রীদেরকে স্বামীর সৎ উপার্জনের উপর সন্তুষ্ট থাকতে হবে। স্বামীকে অসৎ উপায়ে উপার্জন করতে নিষেধ করতে হবে। সব সময় সৎ থাকতে উৎসাহিত করতে হবে। নামায পড়তে বলবে। সিগারেট খেতে নিষেধ করবে। অন্য কোন নারীর ছলনা থেকে দুরে থাকতে বলবে। এটাইতো একজন সৎ স্ত্রীর গুনাবলী হওয়া উচিৎ নয়কি?
******************************************************************************
নারীরা অধিকহারে জাহান্নামে যাবে কেন?
হাদীসে এসেছে-
উসামা ইবনে যায়েদ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: আমি জান্নাতেরগেটে দাড়ালাম, দেখলাম যারা তাতেপ্রবেশ করেছে তারা অধিকাংশ ছিলদুনিয়াতে দরিদ্র অসহায়। আর ধনীও প্রভাবশালীদের আটকে দেয়া হয়েছে। তবে তাদের মধ্যে যাদের জাহান্নামে যাওয়ার ফয়সালা হয়ে গেছে তাদের কথা আলাদা। আর আমি জাহান্নামের প্রবেশ পথে দাড়ালাম। দেখলাম, যারা প্রবেশ করছে তাদের অধিকাংশ নারী। (বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম)
কেন নারীরা পুরুষদের তুলনায় অধিকহারে জাহান্নামে যাবে?
অন্য একটি হাদীসে এ সম্পর্কে এসেছে-আব্দুল্লাহ ইবনে উমার রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন : হে নারীগণ! তোমরা দান-সদাক করো। বেশী বেশী করে আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। কেননা আমি জাহান্নামে তোমাদের অধিকহারে দেখেছি। এ কথা শোনার পর উপস্থিত মহিলাদের মধ্য থেকে একজন -যার নাম ছিল জাযলা- প্রশ্ন করলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদের কেন এ অবস্থা? কেন জাহান্নামে আমরা বেশী সংখ্যায় যাবো? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: তোমরা স্বামীর প্রতি বেশী অকৃতজ্ঞ ও অভিশাপ দাও বেশী। (বর্ণনায় : মুসলিম)
বলতে খারাপ শুনালেও আসলে আমাদের সমাজের নারীদের বাস্তব চিত্র এ রকমই যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন। আমি দাম্পত্য জীবনে অনেক সুখী নারীকে দেখেছিতারা স্বামীর প্রতি অনেক সময় চরম অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে থাকে। অনেক সময় সামান্য বিরক্তহলে নিজ সন্তানদেরও অভিশাপ দেয়। নারীদের জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য এ দুটো স্বভাব পরিহার করতে হবে অবশ্যই। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বলার উদ্দেশ্য এটাই। তিনি নারীদের স্বভাব সংশোধন করার জন্যই এ কথা বলেছেন। নারীদের খাটো করা বা তাদের ভূমিকা অবমুল্যায়নের জন্য বলেননি।
==================== =====================
.............................মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দুবাই, ইউ এ ই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: নারী
Read More
২. আমি বলে তোমার সংসার করছি অন্য কেউ হলে.................?
৩. আমি আর এই সংসারে থাকব না......................................?
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মাঝে মধ্যে ঝগড়া হয়েই থাকে। উত্তেজনা বা রাগের মূহুত্বে স্ত্রীরা উপরোক্ত কথা গুলো স্বামীদেরকে শুনিয়ে থাকে। আমি দেখেছি বেশীর স্ত্রী স্বামীর কাছ থেকে বেশী কিছু আশা করে থাকে। স্বামীদের পকেট খালি করতে পারলেই বউরা খুশী হয়। তারা বুঝতে চাইনা যে স্বামীকে কত কষ্ট করে সংসার চালাতে হয়। কত কষ্ট করে উপার্জন করতে হয়। স্বামীরা কত কষ্ট করে তাদেরকে স্ত্রীদের সাজিয়ে-গুছিয়ে রাখার চেষ্টা করে । আর স্ত্রীরা শুধুমাত্র পাশের বাসার ভাবী কি কিনছে কি করছে তাই দেখে থাকে। নিজের স্বামীর উপার্জন ক্ষমতার দিকে খেয়াল নাকরে নানান রকম আবদার করে থাকে। একসময় স্বামীর সাথে তর্ক-বিতর্ক সৃষ্টি হয়। অনেক সময় স্বামী স্ত্রীকে মারধর ও করে থাকে। আবার লোভী স্ত্রীরা আরেকজনের হাত ধরে পালিয়ে যেতেওদ্বিধাবোধ করে না। আমার তো মনে হয় স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক অনেক গভীর, দুজন শুধুই দুজনার। আমৃত্যু একি ছাদের নীচে দুজনকেবসবাস করতে হয়। যা একমাত্র আল্লাহ তায়ালা বিশেষ রহমতের কারনেই হয়ে থাকে। সংসারে অভাব-অনটন, ভূল-বুঝাবুঝি থাকবেই। তবে স্ত্রীদেরকে স্বামীর সৎ উপার্জনের উপর সন্তুষ্ট থাকতে হবে। স্বামীকে অসৎ উপায়ে উপার্জন করতে নিষেধ করতে হবে। সব সময় সৎ থাকতে উৎসাহিত করতে হবে। নামায পড়তে বলবে। সিগারেট খেতে নিষেধ করবে। অন্য কোন নারীর ছলনা থেকে দুরে থাকতে বলবে। এটাইতো একজন সৎ স্ত্রীর গুনাবলী হওয়া উচিৎ নয়কি?
******************************************************************************
নারীরা অধিকহারে জাহান্নামে যাবে কেন?
হাদীসে এসেছে-
উসামা ইবনে যায়েদ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: আমি জান্নাতেরগেটে দাড়ালাম, দেখলাম যারা তাতেপ্রবেশ করেছে তারা অধিকাংশ ছিলদুনিয়াতে দরিদ্র অসহায়। আর ধনীও প্রভাবশালীদের আটকে দেয়া হয়েছে। তবে তাদের মধ্যে যাদের জাহান্নামে যাওয়ার ফয়সালা হয়ে গেছে তাদের কথা আলাদা। আর আমি জাহান্নামের প্রবেশ পথে দাড়ালাম। দেখলাম, যারা প্রবেশ করছে তাদের অধিকাংশ নারী। (বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম)
কেন নারীরা পুরুষদের তুলনায় অধিকহারে জাহান্নামে যাবে?
অন্য একটি হাদীসে এ সম্পর্কে এসেছে-আব্দুল্লাহ ইবনে উমার রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন : হে নারীগণ! তোমরা দান-সদাক করো। বেশী বেশী করে আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। কেননা আমি জাহান্নামে তোমাদের অধিকহারে দেখেছি। এ কথা শোনার পর উপস্থিত মহিলাদের মধ্য থেকে একজন -যার নাম ছিল জাযলা- প্রশ্ন করলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদের কেন এ অবস্থা? কেন জাহান্নামে আমরা বেশী সংখ্যায় যাবো? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: তোমরা স্বামীর প্রতি বেশী অকৃতজ্ঞ ও অভিশাপ দাও বেশী। (বর্ণনায় : মুসলিম)
বলতে খারাপ শুনালেও আসলে আমাদের সমাজের নারীদের বাস্তব চিত্র এ রকমই যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন। আমি দাম্পত্য জীবনে অনেক সুখী নারীকে দেখেছিতারা স্বামীর প্রতি অনেক সময় চরম অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে থাকে। অনেক সময় সামান্য বিরক্তহলে নিজ সন্তানদেরও অভিশাপ দেয়। নারীদের জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য এ দুটো স্বভাব পরিহার করতে হবে অবশ্যই। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বলার উদ্দেশ্য এটাই। তিনি নারীদের স্বভাব সংশোধন করার জন্যই এ কথা বলেছেন। নারীদের খাটো করা বা তাদের ভূমিকা অবমুল্যায়নের জন্য বলেননি।
==================== =====================
.............................মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দুবাই, ইউ এ ই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
বিষয়শ্রেণী: নারী
দাম্পত্য জীবনঃ------ দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়ার কয়েকটি সহজ উপায়------
দিনগুলো সুখে কাটবে—এমন আশাতেই ঘর বাঁধে নর-নারী। কিন্তু সেই প্রত্যাশা বা স্বপ্ন সব সময় পূরণ হয় না। প্রাণোচ্ছল, উচ্ছ্বাসে ভরা দিনগুলো দুজনের কাছেই একসময় হয়ে পড়ে একঘেয়ে, অবসন্ন, নীরস। সবকিছুই পুরোনো মনে হয়। হয়তো দুজনেরই হারিয়ে যাওয়া সেসব দিনকে আবার রঙিন করে তুলতে, হারিয়ে যাওয়া দিনগুলোকে ফিরে পেতে ইচ্ছা করে সবার। নানা কাজের চাপে হয়ে ওঠে না।
জীবনটা প্রাণোচ্ছল রাখতে খুব বেশি উদ্যোগের দরকার নেই। একটুমনে রাখা, একটু চেষ্টাতেই জীবনটা হয়ে উঠতে পারে বর্ণিল। যারা আগ্রহী, তারা এবার একটু নড়েচড়ে বসুন। প্রথমেই যা মনে রাখতে হবে, তা হলো প্রেমের কোনোবয়স নেই। বরং যতই বয়স বাড়বে, প্রেমের বন্ধন ততই দৃঢ় হবে। আর এই প্রেমের প্রকাশ ঘটাতে খুব বেশি কিছুর প্রয়োজন নেই। সঙ্গীবা সঙ্গিনীর হাতে একটু হাত রাখা, হালকা স্পর্শ, জড়িয়ে ধরা ব্যস—এতেই পরস্পর অনুভব করতে পারেন হারিয়ে যাওয়া প্রেমের অনুভূতি।
মাঝেমধ্যেই বেরিয়ে পড়তে পারেন ছুটিতে। শুধু দুজনে। এতে করে একে অপরের কাছাকাছি আসবেন। না বলা অনেক কথা হয়তো বলা যাবে। মনে পড়বে বিয়ের শুরুর প্রেম। সম্পর্ক হয়ে উঠবে সজীব। আর সম্পর্ক সজীব রাখতে হলে একসঙ্গে কাজ করার কোনো বিকল্প নেই। সংসার মানেই ভাগাভাগি। স্বামী, স্ত্রী একসঙ্গে রান্না করতে পারেন, ঘর গুছাতে পারেন, ঘর পরিষ্কার করতে পারেন। এমনকিসঙ্গী বা সঙ্গিনীর পছন্দের খাবারও রান্না করতে পারেন একসঙ্গে। মাঝেমধ্যে ঘরেই আয়োজনকরতে পারেন ছোটখাটো অনুষ্ঠানের। স্বামী, স্ত্রী দুজনেরই বন্ধুস্থানীয় কয়েকজনকে ডাকতে পারেন। কাছের স্বজনদেরও ডাকতে পারেন। সময় কাটাতে পারেন একসঙ্গে।
সঙ্গীকে কখনো কখনো দিন উপহার। সেটি হতে পারে একগুচ্ছ ফুল অথবা ছোট্ট একটা চিরকুট। কিন্তু এতেই প্রকাশ পাবে একে অপরের প্রতি ভালোবাসা। সঙ্গী বা সঙ্গিনীর প্রশংসা করতে হবে মন খুলে। যত ছোট ব্যাপারই হোক, প্রশংসা করুন।
সারা দিনের কর্মব্যস্ততায় হয়তোআপনি ভীষণ ক্লান্ত। কিছুটা বিরক্তও। তবু মুখে একটু হাসি রাখার চেষ্টা করুন। দেখবেন ধীরে ধীরে সবকিছুই অনেক হালকা মনে হবে।
একে অপরকে সময় দিন। অন্তত যেকোনো এক বেলার খাবার একসঙ্গেখান। এতে করে একে অপরের সঙ্গে চিন্তাভাবনা ভাগ করে নিতে পারবেন সহজেই।
সবচেয়ে যা জরুরি, তা হলো ভুলেও কারও সঙ্গে সঙ্গী বা সঙ্গিনীর তুলনা করবেন না। মনে রাখবেন, প্রত্যেক মানুষই তার নিজের মতো। কাজেই সঙ্গী যেমনই হোক, তাকে তার মতো করেই ভালোবাসুন।ছোটখাটো এসব বিষয় মাথায় রাখলেইজীবনটা হয়ে উঠতে পারে আরও সুন্দর। ছোট্ট নীড় হয়ে উঠতে পারে সত্যিই শান্তির। প্রাণখুলে গেয়ে উঠতে পারেন, ‘নীড় ছোট ক্ষতি নেই, আকাশ তো বড়।’
সংগ্রহঃ----নেট থেকে---------
----------------------------মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দুবাই ইউ এই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
Read More
জীবনটা প্রাণোচ্ছল রাখতে খুব বেশি উদ্যোগের দরকার নেই। একটুমনে রাখা, একটু চেষ্টাতেই জীবনটা হয়ে উঠতে পারে বর্ণিল। যারা আগ্রহী, তারা এবার একটু নড়েচড়ে বসুন। প্রথমেই যা মনে রাখতে হবে, তা হলো প্রেমের কোনোবয়স নেই। বরং যতই বয়স বাড়বে, প্রেমের বন্ধন ততই দৃঢ় হবে। আর এই প্রেমের প্রকাশ ঘটাতে খুব বেশি কিছুর প্রয়োজন নেই। সঙ্গীবা সঙ্গিনীর হাতে একটু হাত রাখা, হালকা স্পর্শ, জড়িয়ে ধরা ব্যস—এতেই পরস্পর অনুভব করতে পারেন হারিয়ে যাওয়া প্রেমের অনুভূতি।
মাঝেমধ্যেই বেরিয়ে পড়তে পারেন ছুটিতে। শুধু দুজনে। এতে করে একে অপরের কাছাকাছি আসবেন। না বলা অনেক কথা হয়তো বলা যাবে। মনে পড়বে বিয়ের শুরুর প্রেম। সম্পর্ক হয়ে উঠবে সজীব। আর সম্পর্ক সজীব রাখতে হলে একসঙ্গে কাজ করার কোনো বিকল্প নেই। সংসার মানেই ভাগাভাগি। স্বামী, স্ত্রী একসঙ্গে রান্না করতে পারেন, ঘর গুছাতে পারেন, ঘর পরিষ্কার করতে পারেন। এমনকিসঙ্গী বা সঙ্গিনীর পছন্দের খাবারও রান্না করতে পারেন একসঙ্গে। মাঝেমধ্যে ঘরেই আয়োজনকরতে পারেন ছোটখাটো অনুষ্ঠানের। স্বামী, স্ত্রী দুজনেরই বন্ধুস্থানীয় কয়েকজনকে ডাকতে পারেন। কাছের স্বজনদেরও ডাকতে পারেন। সময় কাটাতে পারেন একসঙ্গে।
সঙ্গীকে কখনো কখনো দিন উপহার। সেটি হতে পারে একগুচ্ছ ফুল অথবা ছোট্ট একটা চিরকুট। কিন্তু এতেই প্রকাশ পাবে একে অপরের প্রতি ভালোবাসা। সঙ্গী বা সঙ্গিনীর প্রশংসা করতে হবে মন খুলে। যত ছোট ব্যাপারই হোক, প্রশংসা করুন।
সারা দিনের কর্মব্যস্ততায় হয়তোআপনি ভীষণ ক্লান্ত। কিছুটা বিরক্তও। তবু মুখে একটু হাসি রাখার চেষ্টা করুন। দেখবেন ধীরে ধীরে সবকিছুই অনেক হালকা মনে হবে।
একে অপরকে সময় দিন। অন্তত যেকোনো এক বেলার খাবার একসঙ্গেখান। এতে করে একে অপরের সঙ্গে চিন্তাভাবনা ভাগ করে নিতে পারবেন সহজেই।
সবচেয়ে যা জরুরি, তা হলো ভুলেও কারও সঙ্গে সঙ্গী বা সঙ্গিনীর তুলনা করবেন না। মনে রাখবেন, প্রত্যেক মানুষই তার নিজের মতো। কাজেই সঙ্গী যেমনই হোক, তাকে তার মতো করেই ভালোবাসুন।ছোটখাটো এসব বিষয় মাথায় রাখলেইজীবনটা হয়ে উঠতে পারে আরও সুন্দর। ছোট্ট নীড় হয়ে উঠতে পারে সত্যিই শান্তির। প্রাণখুলে গেয়ে উঠতে পারেন, ‘নীড় ছোট ক্ষতি নেই, আকাশ তো বড়।’
সংগ্রহঃ----নেট থেকে---------
----------------------------মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দুবাই ইউ এই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : দাম্পত্য জীবন
দাম্পত্য জীবনঃ----হে বাংলার বউরা..... তোমাদেরকে বলছি.
১. একটি সংসারকে গতিশীল রাখতে পুরুষের পাশাপাশি নারীর অবদান কম নয় বরং অনেক বেশী।
২. পিতা সংসারের ব্যয়ভার বহন করেন, কিন্ত মাকে সংসারের যাবতীয় কাজের পাশাপাশি সন্তানকে স্কুলে, প্রাইভেট স্যারের বাসায় আনা-নেয়া থেকে শুরু করে সন্তানের অসুস্থতায় বিনিদ্র রজনীও হাসিমুখে পার করতে হয়।
৩. কোন ও কিছুতেই যেন মায়ের ক্লান্তি নেই। শত অভাবে ও সব সময় সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাতে ও তাদের চাহিদা পূরণ করতে ব্যস্ত থাকেন।
৪. সবচেয়ে ভালো জিনিষটি সন্তানের মুখে তুলে দিতে পারলেমায়ের মুখে তৃপ্তির হাসিরেখা ফুটে উঠে।
৫. স্বপ্ন দেখতে থাকেন তার সন্তান বড় হবে, ভালো রোজগার করবে, সংসারে আরো সুখ শান্তি আসবে।
৬. তারপর একদিন ঘর আলো করা বউ আসবে, বৃদ্ধ বয়সে ছেলে-ব্উয়ের সেবা-যত্নে বাকী জীবনটা পরম সুখে কাটিয়ে দেবেন।
কিন্তু..................................
৭. বাস্তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তার চিত্র হয় উল্টো। বউ ঘরে আসার পর পাল্টাতে থাকে ছেলে, পাল্টায় ঘরের পরিবেশ। বাবা-মা, ছোট ভাই-বোন সব যেন পর হতে থাকে। অবশ্য এর ব্যতিক্রম ও আছে।
তবে বেশীর ভাগ চিত্রটা কিন্ত এমন।
৮. ছেলে বাবা-মাকে সঙ্গ দিক, তাদের প্রতি আগের মত টান থাকুক,তা সহ্য করতে পারে না বেশীর ভাগবউ।
৯. তারা মনে করেন, স্বামীটি তার নিজস্ব সম্পতি, তার উপর বাবা-মা, ছোট ভাই-বোন কারও কোনওঅধিকার নেই।
১০. বউয়ের সঙ্গে দ্বন্দ মিটাতে বাবা-মা, ভাইবোনদের কাছ থেকে দুরে চলে যান ছেলে।
১১. নিজের বাবা-মাকে বাদ দিয়ে ছেলে শ্বশুর-শাশুড়ী,শ্যালক-শালিকা নিয়ে মেতে থাকে। আর মায়ের অনেক কষ্টের সংসারে আস্তে আস্তে তার অধিকার কমতে থাকে।
১২. ভাইকে পড়াশোনা করানোর জন্য মা'র সঙ্গে যে বোনেরা সংসারে শ্রম দিয়েছে--ভাইয়ের ঘর ঘোছানো, কাপড় ধোয়া আর ও কতভাবে সেবা করেছে যে বোনেরা, স্বপ্ন দেখত ভাই লেখাপড়া শেষ করে ভালো চাকরী করে বোনদের আবদার মিটাবে,সেই আদরের ভাই হারিয়ে যায় চোখের সামনে থেকেও।
১৩. বাবা-মা, ভাই-বোনকে বাড়তি ঝামলো মনে করেন বউ-ছেলে।
১৪. একসময় বৃদ্ধ বয়সে একা হয়ে যান বাবা-মা। অনেকে বয়সের ভারে,আর নানা রোগব্যধিতে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে যান। এই সময় তাদের প্রয়োজন একটু ভালবাসা, একটু মমতা, প্রিয়জনের একটু সঙ্গ।
১৫. এ সময় অনেক বৃদ্ধ-বৃদ্ধাকে হোমে পাঠানো হয়, কারন বউরা চান না এ ঝামেলা ঘরে রাখতে।
১৬. হোমে নিঃসঙ্গতা ও একাকিত্ব তাদের সঙ্গী হয়। প্রিয়জনকে একটু দেখার, তাদের ছোঁয়া পাওয়ারজন্য তারা ব্যাকুল হয়ে উঠেন
তাদের এ আকুলতা আমরা কি বুঝতে পারিনা? তাই হে বাংলার বউমাদের বলছি, আজসে যে সংসার, যে মানুষকে নিয়ে জীবন উপভোগ করছ,তার যারা কারিগরতাদের অবহেলা করোনা। তোমার বাবা-মাকে যতখানি ভালবাস তাদেরপ্রতিও ঠিক ততখানি ভালবাসা প্রাপ্য। তোমার সন্তানের জন্য তুমি যে কষ্ট করছ, তোমার শাশুড়ীও তোমার স্বামীর জন্য একই কষ্ট করেছেন। তাই বলছি শেষ বয়সে তাদের অবহেলা না করে একটু ভালবাস।
সুত্রঃ
যুগান্তর থেকে-----------------
==================== ==================
...
Read More
২. পিতা সংসারের ব্যয়ভার বহন করেন, কিন্ত মাকে সংসারের যাবতীয় কাজের পাশাপাশি সন্তানকে স্কুলে, প্রাইভেট স্যারের বাসায় আনা-নেয়া থেকে শুরু করে সন্তানের অসুস্থতায় বিনিদ্র রজনীও হাসিমুখে পার করতে হয়।
৩. কোন ও কিছুতেই যেন মায়ের ক্লান্তি নেই। শত অভাবে ও সব সময় সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাতে ও তাদের চাহিদা পূরণ করতে ব্যস্ত থাকেন।
৪. সবচেয়ে ভালো জিনিষটি সন্তানের মুখে তুলে দিতে পারলেমায়ের মুখে তৃপ্তির হাসিরেখা ফুটে উঠে।
৫. স্বপ্ন দেখতে থাকেন তার সন্তান বড় হবে, ভালো রোজগার করবে, সংসারে আরো সুখ শান্তি আসবে।
৬. তারপর একদিন ঘর আলো করা বউ আসবে, বৃদ্ধ বয়সে ছেলে-ব্উয়ের সেবা-যত্নে বাকী জীবনটা পরম সুখে কাটিয়ে দেবেন।
কিন্তু..................................
৭. বাস্তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তার চিত্র হয় উল্টো। বউ ঘরে আসার পর পাল্টাতে থাকে ছেলে, পাল্টায় ঘরের পরিবেশ। বাবা-মা, ছোট ভাই-বোন সব যেন পর হতে থাকে। অবশ্য এর ব্যতিক্রম ও আছে।
তবে বেশীর ভাগ চিত্রটা কিন্ত এমন।
৮. ছেলে বাবা-মাকে সঙ্গ দিক, তাদের প্রতি আগের মত টান থাকুক,তা সহ্য করতে পারে না বেশীর ভাগবউ।
৯. তারা মনে করেন, স্বামীটি তার নিজস্ব সম্পতি, তার উপর বাবা-মা, ছোট ভাই-বোন কারও কোনওঅধিকার নেই।
১০. বউয়ের সঙ্গে দ্বন্দ মিটাতে বাবা-মা, ভাইবোনদের কাছ থেকে দুরে চলে যান ছেলে।
১১. নিজের বাবা-মাকে বাদ দিয়ে ছেলে শ্বশুর-শাশুড়ী,শ্যালক-শালিকা নিয়ে মেতে থাকে। আর মায়ের অনেক কষ্টের সংসারে আস্তে আস্তে তার অধিকার কমতে থাকে।
১২. ভাইকে পড়াশোনা করানোর জন্য মা'র সঙ্গে যে বোনেরা সংসারে শ্রম দিয়েছে--ভাইয়ের ঘর ঘোছানো, কাপড় ধোয়া আর ও কতভাবে সেবা করেছে যে বোনেরা, স্বপ্ন দেখত ভাই লেখাপড়া শেষ করে ভালো চাকরী করে বোনদের আবদার মিটাবে,সেই আদরের ভাই হারিয়ে যায় চোখের সামনে থেকেও।
১৩. বাবা-মা, ভাই-বোনকে বাড়তি ঝামলো মনে করেন বউ-ছেলে।
১৪. একসময় বৃদ্ধ বয়সে একা হয়ে যান বাবা-মা। অনেকে বয়সের ভারে,আর নানা রোগব্যধিতে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে যান। এই সময় তাদের প্রয়োজন একটু ভালবাসা, একটু মমতা, প্রিয়জনের একটু সঙ্গ।
১৫. এ সময় অনেক বৃদ্ধ-বৃদ্ধাকে হোমে পাঠানো হয়, কারন বউরা চান না এ ঝামেলা ঘরে রাখতে।
১৬. হোমে নিঃসঙ্গতা ও একাকিত্ব তাদের সঙ্গী হয়। প্রিয়জনকে একটু দেখার, তাদের ছোঁয়া পাওয়ারজন্য তারা ব্যাকুল হয়ে উঠেন
তাদের এ আকুলতা আমরা কি বুঝতে পারিনা? তাই হে বাংলার বউমাদের বলছি, আজসে যে সংসার, যে মানুষকে নিয়ে জীবন উপভোগ করছ,তার যারা কারিগরতাদের অবহেলা করোনা। তোমার বাবা-মাকে যতখানি ভালবাস তাদেরপ্রতিও ঠিক ততখানি ভালবাসা প্রাপ্য। তোমার সন্তানের জন্য তুমি যে কষ্ট করছ, তোমার শাশুড়ীও তোমার স্বামীর জন্য একই কষ্ট করেছেন। তাই বলছি শেষ বয়সে তাদের অবহেলা না করে একটু ভালবাস।
সুত্রঃ
যুগান্তর থেকে-----------------
==================== ==================
...
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি
(
Atom
)
