স্ত্রীর লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
স্ত্রীর লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
স্ত্রী খারাপ আচরণ করলে আপনি কি করবেন?
স্ত্রী যদি স্বামীর সাথে খারাপ আচরণ করে তাহলে অনেকে স্ত্রীকে ডাণ্ডা মেরে মারধর করে ঠাণ্ডা করতে চায়। অথচ বাস্তব সত্য এই যে, স্ত্রীকে কখনোই মারধর করে ডাণ্ডা মেরে ঠিক করা যায় না।
বিস্তারিত পড়ুনঃ স্ত্রী খারাপ আচরণ করলে আপনি কি করবেন?
বিয়ের আগে ছেলেদের ও মেয়েদের প্রস্তুতি
বিয়ে মানেই নানা ধরনের প্রস্তুতি। আয়োজন চলতে থাকে দিনের পর দিন। এসব প্রস্তুতির তোড়জোড়ে হয়তো বর—কনের
মনের খবর জানার অবকাশ হয় না। অনুষ্ঠান আয়োজন কিংবা আনুষঙ্গিক বিষয়ে আগে থেকে প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এসবের সঙ্গে যে বর—কনের মানসিক প্রস্তুতির দরকার হয়, তা অনেকেই জানেন না। প্রয়োজনীয় অনেক বিষয়ে আমরা আগেরভাগে প্রস্তুতি নিই। কিন্তু বিয়ের মতো বিষয়ে ছেলেমেয়ের আগাম কোনো মানসিক প্রস্তুতি থাকে না। নানাভাবে বিয়ে হয়। পারিবারিক ভাবে আয়োজিত, যেখানে হয়তো ছেলেমেয়ে পরস্পরকে জানার সুযোগ হয় না। আবার প্রেমের বিয়ে পরবর্তী সময় সেটি হয়তো পরিবারের সম্মতিতেই হয়। এ ধরণের বিয়েতে অভিভাবকেরা মনে করেন, যেহেতু তারা পূর্বপরিচিত, তাই নতুন করে প্রস্তুতির দরকার কী। এ ধারণা ঠিক নয়।
মনের খবর জানার অবকাশ হয় না। অনুষ্ঠান আয়োজন কিংবা আনুষঙ্গিক বিষয়ে আগে থেকে প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এসবের সঙ্গে যে বর—কনের মানসিক প্রস্তুতির দরকার হয়, তা অনেকেই জানেন না। প্রয়োজনীয় অনেক বিষয়ে আমরা আগেরভাগে প্রস্তুতি নিই। কিন্তু বিয়ের মতো বিষয়ে ছেলেমেয়ের আগাম কোনো মানসিক প্রস্তুতি থাকে না। নানাভাবে বিয়ে হয়। পারিবারিক ভাবে আয়োজিত, যেখানে হয়তো ছেলেমেয়ে পরস্পরকে জানার সুযোগ হয় না। আবার প্রেমের বিয়ে পরবর্তী সময় সেটি হয়তো পরিবারের সম্মতিতেই হয়। এ ধরণের বিয়েতে অভিভাবকেরা মনে করেন, যেহেতু তারা পূর্বপরিচিত, তাই নতুন করে প্রস্তুতির দরকার কী। এ ধারণা ঠিক নয়।
যতই চেনাজানা হোক না কেন, বিয়ের পর বাস্তব জীবনের মুখোমুখি হতে হতে হয়। তখন স্বপ্ন ভেঙ্গে যায় কারও । তাই বিয়ের আগে থেকে রোমান্টিকতার পাশাপাশি বাস্তবিক চিন্তাগুলোক্ব করতে হবে। মেয়ে বা ছেলে আগে থেকেই বুঝবে না। তাই মা কিংবা কাছের অভিজ্ঞ কেউ তাকে ইতিবাচকভাবে জীবনের বাস্তবতা বুঝিয়ে বলতে পারে। ছেলেমেয়ে দুজনকেই পরস্পরের পরিবারের সঙ্গে মানিয়ে চলার মানসিকতা থাকতে হবে। তা হলে দাম্পত্য জীবনে অনেক সমস্যা এড়িয়ে চলা যাবে। নিজের পরিবার ও সমাজের প্রতি দায়িত্ববান হতে হবে। নিজের স্বভাবের কোনো নেতিবাচক দিক থাকলে সেগুলো সংশোধনের চেষ্টা করতে হবে। পারিপার্শ্বিকতার ভিন্নতা থাকে। প্রতিটি পরিবারের আলাদা নিয়মকানুন, আচার-ব্যবহার থাকে। সেসব আগে থেকে একটু জানলে পরবর্তী সময় নতুন সদস্যের বুঝতে সহজ হয়। এসব ক্ষেত্রে শুধু মেয়েরাই মানিয়ে চলবে, তা নয়। ছেলেটিকেই বরং সহযোগিতাপরায়ণ হতে হবে। মেয়েটি সব ছেড়ে তাদের পরিবারে আসছে। ছেলেটির পরিবারকে এ বিষয়ে বড় ভূমিকা পালন করতে হবে। ছেলেকে বোঝাতে হবে সামান্য বিষয় নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া না করতে। যেকোনো সমস্যা হলে তারা যেন খোলাখুলি আলোচনা করে নেয়। শাশুড়ি নিয়ে অনেক মেয়ের মন শঙ্কা থাকে। বিয়ের আগে সুযোগ থাকলে মেয়ের সঙ্গে ছেলের পরিবার কথা বলে নিতে পারেন। তবে শুরুতেই মেয়েকে নেতিবাচক কোনো বিষয় বলা উচিত নয়।
আসলে মানসিক প্রস্তুতিটা নেওয়া দরকার বিয়ে—পরিবর্তী জীবনে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য। শুধু মানসিক নয়, শারীরিক প্রস্তুতিটাও নিতে হবে। দাম্পত্য জীবনে শারীরিক সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। কাছের কেউ বা চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে নেওয়া যেতে পারে। ছেলের বিয়ের আগেই পরিবারের সদস্যদের মন—মানসিকতায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। ছেলের স্ত্রীকে নিয়ে তারা যেন উচ্চাকাঙ্ক্ষী না হন। এমনকি ছেলেও উচ্চাকাঙ্ক্ষী হওয়া উচিত নয়। অনেক সময় কল্পনা আর বাস্তবতা মিলে যায় না। তখন সমস্যার সৃষ্টি হয়। একটু সচেতন, সহযোগিতাপরায়ণ ও বোঝাপড়া ভালো হলে দাম্পত্য জীবন সুন্দর হতে বাধ্য। এটি নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
সম্পাদকের পরামর্শঃ
বিয়ের আগে শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি হিসেবে প্রথমে যৌন জ্ঞান অর্জন করা জরুরী। সঠিক যৌন জ্ঞান জানা থাকলে যৌন জীবন কে ভালো ভাবে উপভোগ করা যায়। এর জন্য আপনি পড়তে পারেন আমাদের স্বামী স্ত্রীর বই গুলো। এই বই আপনার দাম্পত্য ও যৌন জ্ঞানের জন্য বেশ সহায়ক হবে। বই গুলো পড়া যাবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। পড়তে এখানে ক্লিক করুন। যৌন জ্ঞানের সকল উপকরণ পাবেন এখানে।
সূত্রঃ বিয়ের আগের প্রস্তুতি।আমার বাংলা পোস্ট
স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক খারাপ হওয়ার কারণ
স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক ভালো রাখতে উভয়ের ভূমিকা থাকা চাই। তবে এ কথাও সত্য, মায়া-মমতা ভালোবাসা আর দায়ীত্বশীলতা দিয়ে স্ত্রীর যেভাবে তার সংসার আগলে রাখতে পারে, স্বামী ততটা পারে না। তাই সংসারে সুখ শান্তি বজায় রাখতে স্ত্রীর আচরণের গুরুত্ব অপরিহার্য। কিন্তু অনেক সময় তার ব্যতিক্রম দেখা যায়। স্ত্রীর কিছু আচরণে দিনের পর দিন স্বামীর অনীহা বেড়ে চলে । আসুন জেনে নেয়া যাক তেমন কিছু আচরণ সম্পর্কে-
আরো পড়ুন : স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক ভালো রাখার উপায়
স্ত্রীর অধিকার সমূহ
স্বামী স্ত্রীর মিলন রহস্য অন্যের নিকট প্রকাশ করা ইসলামের বিধান
স্বামী-স্ত্রীর মাঝে কত রকমের যৌন – রহস্য আছে, প্রেম-রহস্য আছে।
কত আনন্দ আছে, কত তৃপ্তি আছে। কিন্তু সেই তৃপ্তির কথা অপরের কাছে বলে কোন কোন মহিলা অধিক তৃপ্তি লাভ করে। কেউ গায় নিজ স্বামীর যৌনশক্তির আতিশয্যের কথা, আবার কেউ গায় নিজ স্বামীর যৌন – দুর্বলতা বা অক্ষমতার কথা। অথচ মহিলা তার এই তৃপ্তিরস উদগিরণে অবিবাহিতা আর একজন সখীর চরিত্র খারাপ করে। অনেক রহস্যে কোন কোন যুবতী পুরুষদের ব্যাপারে কুধারণা পায়।
অনেক মহিলার মনে তার স্বামীর গুপ্ত প্রেম বাসা বাঁধে।মিলনে স্বামীর প্রশংসা করলে নিজের ক্ষতি করা হয়।
বিস্তারিত পড়ুন ঃ স্বামী স্ত্রীর যৌন রহস্য প্রকাশ-আমার বাংলা পোস্ট এবিছানায় স্বামীকে খুশি করার উপায়
কিভাবে সন্তান নিতে হয়? সন্তান নিতে চাইলে নবদম্পতিদের করণীয় বিষয়!
বাচ্চা নেয়ার উপযুক্ত সময়
বদমেজাজী স্বামীকে বশ করার উপায়
স্বামীকে আদর করার নিয়ম
আপনার স্ত্রী কি আপনার প্রতি উদাসীন?
আপনার স্ত্রী কি আপনার প্রতি উদাসীন?
কোনো কোনো লোককে অনেক সময় আক্ষেপের সুরে বলতে শুনা যায় যে, ভাই! আমার স্ত্রী আমার সাথে দিনে যেমন দুর্ব্যবহার করে, রাতেও তেমন দুর্ব্যবহার করে। সে ভালোবাসা না দিতে জানে, না নিতে জানে। আমার প্রতি সে সম্পূর্ণ উদাসীন।
মানুষ বিয়ে করে শান্তি ও ভালোবাসার জন্য । সুতরাং এই শান্তি ও ভালোবাসাই যদি আমি নাই তবে কি বউ দিয়ে আমি ঘরের খুঁটি লাগাব?
বিয়ের জন্য কেমন প্রস্তুতি চাই-মুফতি মুহাম্মাদ শোয়াইব
বিয়ের প্রস্তুতি বলতে সাধারণত আমরা বুঝি টাকা-পয়সা জোগাড় করা বা বিয়ের
প্রয়োজনীয় সাজসরঞ্জাম কেনাকাটা ইত্যাদি। বাস্তবে বিয়ের প্রস্তুতি হলো
বিয়ে-পরবর্তী বিরূপ পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ
করা। বিয়ে করার পর অনেককেই প্রতিকূল পরিস্থিতি ও বিভিন্ন পেরেশানিতে পড়তে
হয়। পারিবারিক দ্বন্দ্ব এর অন্যতম। বিয়ে করার সাথে সাথেই অনেকের বাবা-মা,
ভাইবোন, আত্মীয়স্বজনের সাথে মানসিক দূরত্ব সৃষ্টি হয়।
মায়ের অভিযোগ হলো, ছেলে বিয়ে করার পর বউ ছাড়া কিছুই বোঝে না। ভাইবোনদের
অনুযোগ হলো, ভাই বিয়ে করার পর আমাদের খোঁজখবর রাখে না। এভাবে একেক
আত্মীয়ের একেক অভিযোগ। এ ধরনের হাজারও অভিযোগ ও অনুযোগে ‘বেচারা’ বিয়ে করেই
চরম হতাশায় পড়ে যায়। তাই বিয়ের আগেই উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয়
পদক্ষেপ নেয়া ও মানসিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার প্রস্তুতি গ্রহণ করার
নামই হচ্ছে বিয়ের প্রস্তুতি। একটি যুবক ছেলে এত দিন যে জীবন পার করে আসছিল,
বিয়ের মাধ্যমে সে সেই জীবন পরিত্যাগ করে দায়িত্বশীল একটি জীবনে পদার্পণ
করে। এ জীবনে তার কিছু দায়িত্ব আছে, কিছু পেরেশানি আছে। তাই বিয়ে এক দিকে
যেমন আনন্দের, অন্য দিকে তা দায়িত্বের। আজকের যুবক, বিয়ে করার সাথে সাথে
হয়ে যাবে দায়িত্ববান স্বামী। তার থাকবে স্ত্রীর প্রতি দায়িত্ব, বাবা-মায়ের
প্রতি দায়িত্ব, ভাইবোন, আত্মীয়স্বজনের প্রতি দায়িত্ব। মোট কথা, বিয়ে মানেই
দায়িত্ববান একজন মানুষে পরিণত হওয়া। স্বামী-স্ত্রীকে মনে রাখতে হবে,
প্রাকৃতিক নিয়মে স্বামী-স্ত্রী হয়ে যাওয়া সহজ; তবে আদর্শ স্বামী-স্ত্রী
হওয়ার জন্য প্রয়োজন দীর্ঘ দিনের শিক্ষা ও দীক্ষা। দাম্পত্যজীবনে যারা
বেশখানিকটা পথ পাড়ি দিয়েছেন বা যারা দাম্পত্যের পড়ন্ত বিকেল পার করার
প্রতীক্ষায় আছেন, তাদের কাছ থেকে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করা। আফসোসের বিষয় হলো,
আমাদের সমাজের বেশির ভাগ স্বামী-স্ত্রী এ দিকটির প্রতি চরম অনাগ্রহী। ক’জন
স্বামী-স্ত্রী আদর্শ স্বামী-স্ত্রী হতে প্রস্তুত? স্বামী-স্ত্রী হওয়ার অল্প
কিছু দিনের মধ্যেই আসে বাবা-মায়ের অধ্যায়। সেটা আরো জটিল ও কঠিন অধ্যায়।
বাবা-মা তার সন্তানের সাথে কেমন আচরণ করবে, কিভাবে তার নবাগত সন্তানকে
শিক্ষাদীক্ষায় বড় করে গড়ে তুলবে, বাবা-মাকে তার সব কিছুই শিখতে হয়।
বিয়ের পর একজন নবাগত নারী স্বামীর জীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে আগমন
করেন। যিনি তার বাবা-মা, ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন, শৈশব স্মৃতি সব কিছু ফেলে
এমন একজন পুরুষের হাত ধরে চলে আসে, যার সাথে তার না ছিল কোনো পরিচয়, না ছিল
কোনো আত্মীয়তা। শুধু একটি পবিত্র বন্ধনের ফলে তারা একত্র জীবনযাপনে
প্রস্তুত হয়ে যায়। জীবনসঙ্গিনী হিসেবে যে নারী আসে সে যেমন স্বামীর দুঃখেরও
সঙ্গী হয়, সুখেরও সঙ্গী। সারা জীবন একসাথে কাটে একজন পুরুষ ও একজন নারীর
জীবন। তাই স্বভাবতই স্বামীর কাছ থেকে নারীর অনেক কিছু চাওয়া-পাওয়ার থাকে।
চাওয়ার থাকে স্বামীর আদর-সোহাগ, প্রেম-ভালোবাসা।
অপর দিকে বেশির ভাগ পরিবারে ছেলেরা বিয়ে করলে মায়ের সাথে দূরত্ব সৃষ্টি হয়ে
যায়। কারণ, মা দেখেন তার ছেলে এত দিন তার ছেলে থাকলেও ছেলের বউ রূপে তার
ঘরে যে মেয়েটির অনুপ্রবেশ ঘটেছে সে তার ছেলেকে এখন তার থেকে দূরে সরিয়ে
রাখতে চাইছে। ছেলে এখন মায়ের নেই; নবাগত বউয়ের। এত দিন যে ছেলের ওপর মায়ের
ছিল অখণ্ড অধিকার, এখন তার ওপর প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে স্ত্রী-পরিচয়ে এক নারীর
অধিকার। আর মায়ের অধিকার খণ্ডিত হতে চলেছে। এই বাস্তবতা মা না পারেন মেনে
নিতে, না পারেন অস্বীকার করতে। এই সময় মায়েরা এক অন্তর্জ্বালায় ভোগেন, যা
তিনি কাউকে বোঝাতে পারেন না; এমনকি নিজের ছেলেকেও না। তাই সামান্য থেকে
সামান্য কারণে তিনি খুব সংবেদনশীল হয়ে পড়েন, তার অনুভূতি চরমভাবে আহত হয়। এ
সময় যদি ছেলে বা ছেলের বউয়ের কাছ থেকে কোনো অমার্জিত ও অশোভন আচরণ পান,
তখনই মায়ের মনে পড়ে যায় প্রসববেদনা থেকে নিজের জীবনকে তিলে তিলে ক্ষয় করে
সন্তানকে গড়ে তোলার সব কষ্ট। মায়ের মনে কষ্টের আর শেষ থাকে না। সুতরাং
বিয়ের সবচেয়ে বড় প্রস্তুতি হলো, মা ও স্ত্রীর অনুযোগ ও অভিযোগগুলোকে সামাল
দেয়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি নেয়া। হেকমতের সাথে তাদেরকে বোঝানো।
স্ত্রীকে বোঝাতে হবে যে, তুমি আমার জীবনসঙ্গিনী। তোমার সুখ-দুঃখে আমি পাশে
আছি। আমার সুখ-দুঃখে তুমি পাশে থাকবে। তুমি আমার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ,
আমি তোমার জীবনের অপরিহার্য অধ্যায়। সুতরাং আমাদের মাঝে ভালোবাসা, যা মূলত
ঐশী নেয়ামত তা চির অটুট থাকবে। অপর দিকে মাকে বোঝাতে হবে, মা! আমি তোমার
ছিলাম, তোমার আছি, তোমারই থাকব। এত দিন তোমার সেবায় আমি একা নিয়োজিত ছিলাম।
এখন তোমার সেবা করার জন্য মহান আল্লাহ তায়ালা আমার সহযোগী দান করেছেন। তাই
তুমি আমাদেরকে যখন যা লাগবে, বলবে। তোমার সেবাযত্নে আমাদের সহযোগিতা করবে
পরামর্শ দিয়ে, শাসন দিয়ে। আরেকটি কথা মা! আমি তোমার সন্তান, তোমাকে আমি মা
বলে ডাকি। এই ডাকটি পাওয়ার জন্য তুমি কত কষ্ট করেছ! দশ মাস দশ দিন গর্ভে
ধারণ করেছ। আমার সব আবর্জনা তুমি পরিষ্কার করেছ। শীতের রাতে
প্রস্রাব-পায়খানা করে তোমাকে কষ্ট দিয়েছি, তুমি এসব কষ্ট হাসিমুখে বরণ
করেছ। এখন আমি তোমাকে মা বলে ডাকি। আর তোমার ঘরের নবাগত যে মেহমান এসেছে,
তার জন্য তুমি কিছুই করনি। অন্যের ঘরে লালিতপালিত একটি মেয়ে। তার পরও সে
তোমাকে মা বলে ডাকে। এর চেয়ে তুমি আর কী চাও? সুতরাং তুমি মনে রেখো মা!
আমার কাছ থেকে তুমি যতটুকু আশা করতে পারো, তার কাছ থেকে ততটুকু আশা করতে
পারো না। সে তোমাকে ততটুকু দেবে না, যতটুকু আমি দেবো। সেটা মেনে নিয়েই জীবন
চালাতে হবে মা! এভাবে মাকে বোঝাতে হবে। এভাবে বোঝাতে পারলে সাংসারিক
জীবনের অনেক ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকতে পারব, ইনশাআল্লাহ।
লেখক : খতিব
আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।
আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।
স্বামী তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করার সময় কি বলবে?
“বিসমিল্লাহির রাহ্ মানির রাহীম ”
সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য।
দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের
প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর পরিবার
এবং তাঁর সকল সাহাবীর উপর। মহান
আল্লাহ
তাআলা আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন
এবং প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে আমাদের
মাঝে প্রেরণ করেছেন শিক্ষক স্বরূপ।
স্বামী তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করার
সময় কি বলবে এই বিষয়েও
তিনি আমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন।
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা:)
হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সালাম বলেন:
»ﺃَﻣَﺎ ﻟَﻮْ ﺃَﻥَّ ﺃَﺣَﺪَﻫُﻢْ ﻳَﻘُﻮﻝُ ﺣِﻴﻦَ
ﻳَﺄْﺗِﻲ ﺃَﻫْﻠَﻪُ: ﺑِﺎﺳْﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ، ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ
ﺟَﻨِّﺒْﻨِﻲ ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ، ﻭَﺟَﻨِّﺐِ
ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ ﻣَﺎ ﺭَﺯَﻗْﺘَﻨَﺎ، ﺛُﻢَّ ﻗُﺪِّﺭَ
ﺑَﻴْﻨَﻬُﻤَﺎ ﻓِﻲ ﺫَﻟِﻚَ ﺃَﻭْ ﻗُﻀِﻲَ ﻭَﻟَﺪٌ، ﻟَﻢْ
ﻳَﻀُﺮَّﻩُ ﺷَﻴْﻄَﺎﻥٌ ﺃَﺑَﺪًﺍ.«
)ﺑﺨﺎﺭﻯ(5165:
” তোমাদের কেউ যদি স্ত্রী সহবাসের
সময় এই দুআ পড়ে:
“ ﺑﺎﺳْﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺃَﻟﻠَُّﻬُﻢَّ ﺟَﻨِّﺒْﻨِﻲ
ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ ﻭَﺟَﻨِّﺐْ ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ ﻣَﺎ
ﺭَﺯَﻗْﺘَﻨَﺎ”
“আল্লাহুর নামে মিলন করছি,
হে আল্লাহ্! তুমি আমাকে শয়তান
থেকে দূরে রাখ।
এবং আমাদেরকে যে সন্তান তুমি দান
করবে তার থেকেও শয়তানকে দূরে রাখ।
অতঃপর এ সহবাসের মাধ্যমে কোন
সন্তান দেয়া হলে শয়তান কখনও তার
কোন ক্ষতি করতে সক্ষম হবে না।
More Post
Next post "Next post "হরিণ একটি বান্ধা ছিল গাছেরি তলায়
ব্লগের প্রকাশিত পোস্ট গুলি ফেসবুকে শেয়ার করে আমাদের চলার পথকে আরো গতিময় করে তুলুন ।আমরা দিন রাত খাটিয়ে পোস্ট গুলি লেখি ।ব্লগে প্রকাশ করে আপনাদেরকে উপহার দেয় ।আপনারা যদি শেয়ার না করেন?তাহলে আমরা তো সামনে এগিয়ে যেতে পারবোনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য।
দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের
প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর পরিবার
এবং তাঁর সকল সাহাবীর উপর। মহান
আল্লাহ
তাআলা আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন
এবং প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে আমাদের
মাঝে প্রেরণ করেছেন শিক্ষক স্বরূপ।
স্বামী তার স্ত্রীর সাথে সহবাস করার
সময় কি বলবে এই বিষয়েও
তিনি আমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন।
আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা:)
হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সালাম বলেন:
»ﺃَﻣَﺎ ﻟَﻮْ ﺃَﻥَّ ﺃَﺣَﺪَﻫُﻢْ ﻳَﻘُﻮﻝُ ﺣِﻴﻦَ
ﻳَﺄْﺗِﻲ ﺃَﻫْﻠَﻪُ: ﺑِﺎﺳْﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ، ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ
ﺟَﻨِّﺒْﻨِﻲ ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ، ﻭَﺟَﻨِّﺐِ
ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ ﻣَﺎ ﺭَﺯَﻗْﺘَﻨَﺎ، ﺛُﻢَّ ﻗُﺪِّﺭَ
ﺑَﻴْﻨَﻬُﻤَﺎ ﻓِﻲ ﺫَﻟِﻚَ ﺃَﻭْ ﻗُﻀِﻲَ ﻭَﻟَﺪٌ، ﻟَﻢْ
ﻳَﻀُﺮَّﻩُ ﺷَﻴْﻄَﺎﻥٌ ﺃَﺑَﺪًﺍ.«
)ﺑﺨﺎﺭﻯ(5165:
” তোমাদের কেউ যদি স্ত্রী সহবাসের
সময় এই দুআ পড়ে:
“ ﺑﺎﺳْﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺃَﻟﻠَُّﻬُﻢَّ ﺟَﻨِّﺒْﻨِﻲ
ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ ﻭَﺟَﻨِّﺐْ ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ ﻣَﺎ
ﺭَﺯَﻗْﺘَﻨَﺎ”
“আল্লাহুর নামে মিলন করছি,
হে আল্লাহ্! তুমি আমাকে শয়তান
থেকে দূরে রাখ।
এবং আমাদেরকে যে সন্তান তুমি দান
করবে তার থেকেও শয়তানকে দূরে রাখ।
অতঃপর এ সহবাসের মাধ্যমে কোন
সন্তান দেয়া হলে শয়তান কখনও তার
কোন ক্ষতি করতে সক্ষম হবে না।
More Post
Next post "Next post "হরিণ একটি বান্ধা ছিল গাছেরি তলায়
ব্লগের প্রকাশিত পোস্ট গুলি ফেসবুকে শেয়ার করে আমাদের চলার পথকে আরো গতিময় করে তুলুন ।আমরা দিন রাত খাটিয়ে পোস্ট গুলি লেখি ।ব্লগে প্রকাশ করে আপনাদেরকে উপহার দেয় ।আপনারা যদি শেয়ার না করেন?তাহলে আমরা তো সামনে এগিয়ে যেতে পারবোনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
নারীদের উত্তরাধিকার
সাধারণত নারীদের উপর নিজের
এবং অন্য কারো ভরণপোষণের
অথবা অন্য কোন প্রকার খরচ বহনের
দায়িত্ব রাখা হয়নি। উপরন্তু তাদের
বিভিন্নভাবে উত্তরাধিকারী করা
হয়েছে।
১. মা জননী হিসেবে তারা কোন সময়
৩ ভাগের ১ ভাগ আবার কোন সময় ৬
ভাগের ১ ভাগ পায়।
২. দাদী হিসেবে কোন সময় ৩ ভাগের ১
ভাগ আবার কোন সময় ৬ ভাগের ১
ভাগ পায়, অথবা এর কম পায়।
৩. নানী হিসেবে কোন সময় ৩ ভাগের
আবার কোন সময় ৬ ভাগের ১ ভাগ
অথবা কিছু কম পায়।
৪. মেয়ে হিসেবে যদি একা হয় এবং আর
ভাই না থাকে অর্ধেক পায় যদি দুই
অথবা এর অধিক কেবল মেয়ে হয়,
তাহলে সবাই ৩ ভাগের ২ ভাগ পায়।
যদি এক মেয়ে অথবা একাধিক মেয়ে হয়
আর ভাই থাকে তাহলে ছেলেরা মেয়েদের
দ্বিগুণ পাবে।
৫. মেয়ে নাতনী হিসেবে কোন সময়
দাদার অংশ থেকে ২ ভাগের ১ ভাগ
কোন সময় ৬ ভাগের ১ ভাগ। কোন
সময় ভায়ের অংশ থেকে অর্ধেক।
যদি একাধিক কেবল নাতনী হয়,
তাহলে সবাই ৩ ভাগের ২ ভাগ পায়,
যদি মৃত ব্যক্তির সরাসরি সন্তান
না থাকে।
৬. আপন বোন হিসেবে কোন সময় ২
ভাগের ১ ভাগ কোন সময় ৩ ভাগের ২
ভাগ কোন সময় এক ভায়ের অংশ
থেকে অর্ধেক আর যদি বোন দুইজন
অথবা দুয়ের অধিক হয়,
তাহলে সমষ্টিগতভাবে সবাই ৩ ভাগের
২ভাগ।
৭. বৈপিত্রেয় বোন হিসেবে কোন সময়
৬ ভাগের ১ ভাগ, কোন সময়
তারা সংখ্যায় একাধিক হলে ৩ ভাগের
১ অংশ পায়।
৮. বৈমাত্রেয় বোন হিসেবে কোন সময়
৬ ভাগের ১ ভাগ। কোন সময়
তারা সংখ্যায় একাধিক হলে ৩ ভাগের
২ অংশ পায়। আবার অন্য সহোদর
বোন না থাকলে অর্ধেক সম্পত্তি লাভ
করে থাকে।
৯. স্ত্রী হিসেবে কোন সময় ৪ ভাগের
১ ভাগ কোন সময় ৮ ভাগের ১ ভাগ
পায়।
এখানে ঐক্যমত ভিত্তিক অংশগুলোর
বর্ণনা করা হয়েছে। এছাড়াও
পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে নারীগণ অংশ
পায়। তবে মনে রাখতে হবে যে,
উপরোক্ত প্রত্যেকটি নিয়মে সব সময়
অংশ পাওয়া জরুরী নয়। কেননা অনেক
সময় মৃত ব্যক্তির নিকটতম আত্মীয়
দূরবর্তীদের অংশের জন্য বাঁধার কারণ
হয়ে দাঁড়ায়। পরিণামে দূরবর্তী আত্মীয়
অংশ পায় না। এই ব্যাপারে পুরুষ
এবং নারীদের বেলায় কোন পার্থক্য
নেই। পরিত্যক্ত সহায় সম্পদের
মধ্যে নারীদের অংশের উক্ত বিবরণ
জানার পর তাদের অংশ কম নির্ধারিত
হয়েছেÑ বলার অবকাশ তো থাকেই
না বরং এসব অংশ তাদের জন্য গনীমত
মনে করা হয়। কেননা মনে করুন, কোন
ব্যক্তি এক ছেলে এবং এক
মেয়ে রেখে মৃত্যুবরণ করলো। আর তার
পরিত্যক্ত তিন হাজার
টাকা থেকে ছেলে দুইহাজার
এবং মেয়ে এক হাজারের অধিকারী হলো।
তারপর ছেলে বিবাহ করার সময় দুই
হাজার টাকা মহর নির্ধারণ
করলো এবং স্ত্রীকে মহর দিয়ে দিল।
অপর দিকে মেয়ের বিবাহেও দুই হাজার
টাকা মহর নির্ধারণ করে সম্পাদন
করা হলো এবং সে স্বামীর পক্ষ
থেকে দুই হাজার মহর বাবদ আদায়
করে নিলো। এতে দেখা যাবে মেয়ের
সম্পদের পরিমান ৩০০০ হয়েছে।
অথচ ছেলের হাতে যা ছিল তা মহর
বাবদ খরচ হয়ে এখন সে খালি হাতে দিন
গণণা করছে। চিন্তা করে দেখুন
কে অধিক টাকার অধিকারী হলো।
এ ক্ষেত্রে যদি কেউ বলে, নারীর
পরিবর্তে পুরুষের উপর জুলুম
হচ্ছে আর জুলুম অবিচার
কারো প্রতি করা ঠিক নয়,
সুতরাং পুরুষের প্রতিই জুলুব হবে কেন?
এ ধরনের আপত্তি উত্থাপন
করা নেহায়েত
বোকামী এবং বুদ্ধিহীনতার পরিচায়ক,
কেননা আল্লাহপাক
পুরুষদেরকে উপার্জন ক্ষমতা দান
করেছেন। এই ক্ষমতার অধিকারী কেবল
পুরুষগণই। এই ক্ষমতা এবং উপার্জন
যোগ্যতা প্রকৃতপক্ষে সমস্ত
অর্থনৈতিক দায়িত্ব এবং খরচ
পাতি বহনেরই বদলা বরং উত্তম
বদলা। এই বিরাট নেয়ামতের মুকাবেলায়
অর্থের পাহাড় এবং অস্থায়ী সহায়
সম্পদ যতই অধিক হোক না কেন
তা আসলে মুল্যহীন।
অপরপক্ষে আল্লাহপাক
নারীকে বাসাবাড়ীর ব্যবস্থাপক
এবং শোভা বানিয়েছেন
এবং তাকে শহরে-বাজারে, কল-
কারখানা এবং ফ্যক্টরীতে শক্তি
পরীক্ষা-
নিরীক্ষা করা এবং উপার্জনের
কষ্টকর মরুভূমিতে দৌড়াদৌড়ি করার
জন্য সৃষ্টিগতভাবেই তৈরি করেন নাই।
কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস যে,
নব্য শিক্ষিত ও
প্রগতিবাদীরা নারীদের প্রতি এমন
অসহনীয় জুলুম ও অবিচার
করে আসছে যে, তাদেরকে সমান
অধিকারের আবাস্তব
ধারনা দিয়ে তাদের দেহগত, স্বভাব গত
এবং সৃষ্টিগত
দুর্বলতা এবং যোগ্যতা সম্পর্কে সঠিক
বিবেচনা না করেই কর্মস্থলে অসহনীয়
কষ্ট করার জন্য তাদেরকে দাঁড়
করিয়ে দিয়েছে। পরিতাপের বিষয়
হচ্ছে এই যে, তারা তাদের এই
বোকামীকে উন্নতি এবং সফলতার পথ
বলে ঘোষণা করেছে।
এর অনিবার্য পারিনাম কোন আলেমের
মুখে নয় বরং ইউরোপীয় এক
বিজ্ঞানী অর্থবিদের মুখে শুনুন,
তিনি বলেন, নারী এখন আর ঘরের
রাণী নয় বরং মিল কারখানার পরিস্কার
পরিচ্ছন্নতা ও হরেক রকমের
পণ্যদ্রব্য প্রস্তুত করা সহ বিভিন্ন
পরিশ্রমের কাজ-কর্ম সম্পাদনের
মেশিনারীতে পরিণত হয়েছে।
তারা রাজপ্রাসাদের রানীর মর্যাদায়
তুষ্ট না হয়ে সরকারী অফিস-
আদালতে সেবাদাসীনীর স্বাদ আস্বাদন
করতে সাজ-সজ্জা করে পথে নেমেছে।
এর বিনিময়ে কি পায় তারা? মাত্র
কয়েকটি টাকা! এই সামান্য
কয়েকটি পয়সার লোভে সে বংশীয়
ঐতিহ্যকে ধ্বংস এবং কলংকিত করছে।
নারীর উপার্জনের অল্প হলেও
একটি অংশ অবশ্যই পুরুষে পায়। কিন্তু
এটাও তো চিন্তা করুন যে, নারীগণ
পুরুষদেরকে ধাক্কা দিয়ে পিছনে রেখেই
তো এই পয়সা অর্জন করছে।
সুতরাং পুরুষদের পয়সা গুলোই যেন
তারা লুট করেছে।তবে হ্যাঁ,নিম্নমানের
কাজ-কর্ম ছাড়াও কিছু কিছু
নারী উন্নত মানের কাজও করে, যেমন:
বানিজ্যিক ভবন, আদালত, শিক্ষা,
টেলিগ্রাম, রেলওয়ে, ও অন্যান্য
বিভাগে নারীগণ কাজ-কর্ম করে থাকে।
কিন্তু উচ্চমানের এই
পদাবলী তাদেরকে স্বীয় বংশ
এবং বংশগত ঐতিহ্য থেকে পরিপূর্ণ
ভাবে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে।
( ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﺑﻴﻦ ﺍﻟﻔﻘﻪ ﻭﺍﻟﻘﺎﻧﻮﻥ
ﺹ১৭৬)
তাছাড়া নারী স্বাধীনতা এবং যুবক
যুবতীদের অবাধ মেলা মেশার
কারণে যে ভয়াবহ
পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে,
তা লিখতে গেলে কলম কেঁপে উঠে। এ
সম্পর্কে এক মহিলা লেডী কোকের
বক্তব্য পড়–ন। তিনি লিখেছেন, পুরুষ
এবং নারীর অবাধ মেলা মেশায়
নারীরা পুরুষদের চিত্ত বিনোদনের
উপকরণে পরিণত হয়েছে। অবাধ
মেলা মেশার পরিণামে অবৈধ সন্তানের
সংখ্যা মারাত্মক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
যা নারীদের জন্য মহা বিপদের কারণ।
( ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﺑﻴﻦ ﺍﻟﻔﻘﻪ ﻭﺍﻟﻘﺎﻧﻮﻥ
ﺹ১৯০ )
১৯৬৩ ইং সনের জাতিসংঘের রিপোর্ট
অনুযায়ী কতক শহরে অবৈধ সন্তানের
শতকরা ত্রিশভাগ।
( ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﺑﻴﻦ ﺍﻟﻔﻘﻪ ﻭﺍﻟﻘﺎﻧﻮﻥ
ﺹ২৪২ )
আর আত্মহত্যা এবং তালাক সমস্যাও
মারাত্মক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আমেরিকায় ১৮৯০ সনে তালাক ছিল
শতকরা ছয় ভাগ যা ১৯৪৮
সনে শতকরা চল্লিশভাগে উন্নিত
হয়েছে।
(ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﺑﻴﻦ ﺍﻟﻔﻘﻪ ﻭﺍﻟﻘﺎﻧﻮﻥ
ﺹ২৮৭ )
এই ভয়াবহ অবস্থার কারণে ইউরোপের
দুরদর্শী এবং জ্ঞানী মহল প্রকম্পিত
হয়ে উঠেছে এবং মহিলারা দ্রুত
গতিতে ঘরের পরিবেশে ফিরে যেতে শুরু
করেছে। এক পরিসংখ্যানে আমেরিকান
নারীদের শতকরা ৬৪জনই গৃহিনীর
জীবনকে প্রাধান্য দিয়েছে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More
এবং অন্য কারো ভরণপোষণের
অথবা অন্য কোন প্রকার খরচ বহনের
দায়িত্ব রাখা হয়নি। উপরন্তু তাদের
বিভিন্নভাবে উত্তরাধিকারী করা
হয়েছে।
১. মা জননী হিসেবে তারা কোন সময়
৩ ভাগের ১ ভাগ আবার কোন সময় ৬
ভাগের ১ ভাগ পায়।
২. দাদী হিসেবে কোন সময় ৩ ভাগের ১
ভাগ আবার কোন সময় ৬ ভাগের ১
ভাগ পায়, অথবা এর কম পায়।
৩. নানী হিসেবে কোন সময় ৩ ভাগের
আবার কোন সময় ৬ ভাগের ১ ভাগ
অথবা কিছু কম পায়।
৪. মেয়ে হিসেবে যদি একা হয় এবং আর
ভাই না থাকে অর্ধেক পায় যদি দুই
অথবা এর অধিক কেবল মেয়ে হয়,
তাহলে সবাই ৩ ভাগের ২ ভাগ পায়।
যদি এক মেয়ে অথবা একাধিক মেয়ে হয়
আর ভাই থাকে তাহলে ছেলেরা মেয়েদের
দ্বিগুণ পাবে।
৫. মেয়ে নাতনী হিসেবে কোন সময়
দাদার অংশ থেকে ২ ভাগের ১ ভাগ
কোন সময় ৬ ভাগের ১ ভাগ। কোন
সময় ভায়ের অংশ থেকে অর্ধেক।
যদি একাধিক কেবল নাতনী হয়,
তাহলে সবাই ৩ ভাগের ২ ভাগ পায়,
যদি মৃত ব্যক্তির সরাসরি সন্তান
না থাকে।
৬. আপন বোন হিসেবে কোন সময় ২
ভাগের ১ ভাগ কোন সময় ৩ ভাগের ২
ভাগ কোন সময় এক ভায়ের অংশ
থেকে অর্ধেক আর যদি বোন দুইজন
অথবা দুয়ের অধিক হয়,
তাহলে সমষ্টিগতভাবে সবাই ৩ ভাগের
২ভাগ।
৭. বৈপিত্রেয় বোন হিসেবে কোন সময়
৬ ভাগের ১ ভাগ, কোন সময়
তারা সংখ্যায় একাধিক হলে ৩ ভাগের
১ অংশ পায়।
৮. বৈমাত্রেয় বোন হিসেবে কোন সময়
৬ ভাগের ১ ভাগ। কোন সময়
তারা সংখ্যায় একাধিক হলে ৩ ভাগের
২ অংশ পায়। আবার অন্য সহোদর
বোন না থাকলে অর্ধেক সম্পত্তি লাভ
করে থাকে।
৯. স্ত্রী হিসেবে কোন সময় ৪ ভাগের
১ ভাগ কোন সময় ৮ ভাগের ১ ভাগ
পায়।
এখানে ঐক্যমত ভিত্তিক অংশগুলোর
বর্ণনা করা হয়েছে। এছাড়াও
পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে নারীগণ অংশ
পায়। তবে মনে রাখতে হবে যে,
উপরোক্ত প্রত্যেকটি নিয়মে সব সময়
অংশ পাওয়া জরুরী নয়। কেননা অনেক
সময় মৃত ব্যক্তির নিকটতম আত্মীয়
দূরবর্তীদের অংশের জন্য বাঁধার কারণ
হয়ে দাঁড়ায়। পরিণামে দূরবর্তী আত্মীয়
অংশ পায় না। এই ব্যাপারে পুরুষ
এবং নারীদের বেলায় কোন পার্থক্য
নেই। পরিত্যক্ত সহায় সম্পদের
মধ্যে নারীদের অংশের উক্ত বিবরণ
জানার পর তাদের অংশ কম নির্ধারিত
হয়েছেÑ বলার অবকাশ তো থাকেই
না বরং এসব অংশ তাদের জন্য গনীমত
মনে করা হয়। কেননা মনে করুন, কোন
ব্যক্তি এক ছেলে এবং এক
মেয়ে রেখে মৃত্যুবরণ করলো। আর তার
পরিত্যক্ত তিন হাজার
টাকা থেকে ছেলে দুইহাজার
এবং মেয়ে এক হাজারের অধিকারী হলো।
তারপর ছেলে বিবাহ করার সময় দুই
হাজার টাকা মহর নির্ধারণ
করলো এবং স্ত্রীকে মহর দিয়ে দিল।
অপর দিকে মেয়ের বিবাহেও দুই হাজার
টাকা মহর নির্ধারণ করে সম্পাদন
করা হলো এবং সে স্বামীর পক্ষ
থেকে দুই হাজার মহর বাবদ আদায়
করে নিলো। এতে দেখা যাবে মেয়ের
সম্পদের পরিমান ৩০০০ হয়েছে।
অথচ ছেলের হাতে যা ছিল তা মহর
বাবদ খরচ হয়ে এখন সে খালি হাতে দিন
গণণা করছে। চিন্তা করে দেখুন
কে অধিক টাকার অধিকারী হলো।
এ ক্ষেত্রে যদি কেউ বলে, নারীর
পরিবর্তে পুরুষের উপর জুলুম
হচ্ছে আর জুলুম অবিচার
কারো প্রতি করা ঠিক নয়,
সুতরাং পুরুষের প্রতিই জুলুব হবে কেন?
এ ধরনের আপত্তি উত্থাপন
করা নেহায়েত
বোকামী এবং বুদ্ধিহীনতার পরিচায়ক,
কেননা আল্লাহপাক
পুরুষদেরকে উপার্জন ক্ষমতা দান
করেছেন। এই ক্ষমতার অধিকারী কেবল
পুরুষগণই। এই ক্ষমতা এবং উপার্জন
যোগ্যতা প্রকৃতপক্ষে সমস্ত
অর্থনৈতিক দায়িত্ব এবং খরচ
পাতি বহনেরই বদলা বরং উত্তম
বদলা। এই বিরাট নেয়ামতের মুকাবেলায়
অর্থের পাহাড় এবং অস্থায়ী সহায়
সম্পদ যতই অধিক হোক না কেন
তা আসলে মুল্যহীন।
অপরপক্ষে আল্লাহপাক
নারীকে বাসাবাড়ীর ব্যবস্থাপক
এবং শোভা বানিয়েছেন
এবং তাকে শহরে-বাজারে, কল-
কারখানা এবং ফ্যক্টরীতে শক্তি
পরীক্ষা-
নিরীক্ষা করা এবং উপার্জনের
কষ্টকর মরুভূমিতে দৌড়াদৌড়ি করার
জন্য সৃষ্টিগতভাবেই তৈরি করেন নাই।
কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস যে,
নব্য শিক্ষিত ও
প্রগতিবাদীরা নারীদের প্রতি এমন
অসহনীয় জুলুম ও অবিচার
করে আসছে যে, তাদেরকে সমান
অধিকারের আবাস্তব
ধারনা দিয়ে তাদের দেহগত, স্বভাব গত
এবং সৃষ্টিগত
দুর্বলতা এবং যোগ্যতা সম্পর্কে সঠিক
বিবেচনা না করেই কর্মস্থলে অসহনীয়
কষ্ট করার জন্য তাদেরকে দাঁড়
করিয়ে দিয়েছে। পরিতাপের বিষয়
হচ্ছে এই যে, তারা তাদের এই
বোকামীকে উন্নতি এবং সফলতার পথ
বলে ঘোষণা করেছে।
এর অনিবার্য পারিনাম কোন আলেমের
মুখে নয় বরং ইউরোপীয় এক
বিজ্ঞানী অর্থবিদের মুখে শুনুন,
তিনি বলেন, নারী এখন আর ঘরের
রাণী নয় বরং মিল কারখানার পরিস্কার
পরিচ্ছন্নতা ও হরেক রকমের
পণ্যদ্রব্য প্রস্তুত করা সহ বিভিন্ন
পরিশ্রমের কাজ-কর্ম সম্পাদনের
মেশিনারীতে পরিণত হয়েছে।
তারা রাজপ্রাসাদের রানীর মর্যাদায়
তুষ্ট না হয়ে সরকারী অফিস-
আদালতে সেবাদাসীনীর স্বাদ আস্বাদন
করতে সাজ-সজ্জা করে পথে নেমেছে।
এর বিনিময়ে কি পায় তারা? মাত্র
কয়েকটি টাকা! এই সামান্য
কয়েকটি পয়সার লোভে সে বংশীয়
ঐতিহ্যকে ধ্বংস এবং কলংকিত করছে।
নারীর উপার্জনের অল্প হলেও
একটি অংশ অবশ্যই পুরুষে পায়। কিন্তু
এটাও তো চিন্তা করুন যে, নারীগণ
পুরুষদেরকে ধাক্কা দিয়ে পিছনে রেখেই
তো এই পয়সা অর্জন করছে।
সুতরাং পুরুষদের পয়সা গুলোই যেন
তারা লুট করেছে।তবে হ্যাঁ,নিম্নমানের
কাজ-কর্ম ছাড়াও কিছু কিছু
নারী উন্নত মানের কাজও করে, যেমন:
বানিজ্যিক ভবন, আদালত, শিক্ষা,
টেলিগ্রাম, রেলওয়ে, ও অন্যান্য
বিভাগে নারীগণ কাজ-কর্ম করে থাকে।
কিন্তু উচ্চমানের এই
পদাবলী তাদেরকে স্বীয় বংশ
এবং বংশগত ঐতিহ্য থেকে পরিপূর্ণ
ভাবে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে।
( ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﺑﻴﻦ ﺍﻟﻔﻘﻪ ﻭﺍﻟﻘﺎﻧﻮﻥ
ﺹ১৭৬)
তাছাড়া নারী স্বাধীনতা এবং যুবক
যুবতীদের অবাধ মেলা মেশার
কারণে যে ভয়াবহ
পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে,
তা লিখতে গেলে কলম কেঁপে উঠে। এ
সম্পর্কে এক মহিলা লেডী কোকের
বক্তব্য পড়–ন। তিনি লিখেছেন, পুরুষ
এবং নারীর অবাধ মেলা মেশায়
নারীরা পুরুষদের চিত্ত বিনোদনের
উপকরণে পরিণত হয়েছে। অবাধ
মেলা মেশার পরিণামে অবৈধ সন্তানের
সংখ্যা মারাত্মক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
যা নারীদের জন্য মহা বিপদের কারণ।
( ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﺑﻴﻦ ﺍﻟﻔﻘﻪ ﻭﺍﻟﻘﺎﻧﻮﻥ
ﺹ১৯০ )
১৯৬৩ ইং সনের জাতিসংঘের রিপোর্ট
অনুযায়ী কতক শহরে অবৈধ সন্তানের
শতকরা ত্রিশভাগ।
( ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﺑﻴﻦ ﺍﻟﻔﻘﻪ ﻭﺍﻟﻘﺎﻧﻮﻥ
ﺹ২৪২ )
আর আত্মহত্যা এবং তালাক সমস্যাও
মারাত্মক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আমেরিকায় ১৮৯০ সনে তালাক ছিল
শতকরা ছয় ভাগ যা ১৯৪৮
সনে শতকরা চল্লিশভাগে উন্নিত
হয়েছে।
(ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﺑﻴﻦ ﺍﻟﻔﻘﻪ ﻭﺍﻟﻘﺎﻧﻮﻥ
ﺹ২৮৭ )
এই ভয়াবহ অবস্থার কারণে ইউরোপের
দুরদর্শী এবং জ্ঞানী মহল প্রকম্পিত
হয়ে উঠেছে এবং মহিলারা দ্রুত
গতিতে ঘরের পরিবেশে ফিরে যেতে শুরু
করেছে। এক পরিসংখ্যানে আমেরিকান
নারীদের শতকরা ৬৪জনই গৃহিনীর
জীবনকে প্রাধান্য দিয়েছে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
অসীয়তের বিধান - মহিলা এবং পুরুষের অংশ
অসীয়তের বিধান
এতীমদের সাহায্য সহযোগিতার জন্য
উপরোক্ত বিধি-বিধান ব্যতীত আর
একটি উত্তম ব্যবস্থা অসিয়তের
নামে বিদ্যমান রয়েছে।
যারা উত্তরাধিকারী হয় তাদের
ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য নয়।
কেননা হাদীসে বলা হয়েছে ﻻ ﻭﺻﻴﺔ
ﻟﻮﺍﺭﺙ আর যারা পরিত্যক্ত
সম্পত্তির অংশীদার হয়
না তাদেরকে উত্তরাধিকারীর
সমপরিমান অংশের অধিক পরিমান
অসীয়ত বিধির মাধ্যমে প্রদান
করা যেতে পারে। কেননা উত্তরাধিকার
বন্টন ব্যবস্থা শরীয়ত কতৃক
নির্ধারিত হওয়ার কারণে নিকটতম
আত্মীয় ওয়ারিশদের জন্য অসীয়তের
বিধান কার্যতঃ রহিত করা হলেও
যারা ওয়ারিশ নয় তাদের জন্য
সর্বসম্মতভাবেই অসীয়তের
মাধ্যমে সাহায্য করা মুস্তাহাব
হিসেবে বিবেচিত রয়েছে। আল্লামাহ
শা’রানী বলেন-
ﺍﺟﻤﻌﻮﺍ ﻋﻠﻲ ﺍﻥ ﺍﻟﻮﺻﻴﺔ
ﻣﺴﺘﺤﺒﺔ)ﺍﻟﻤﻴﺰﺍﻥ ﻟﻠﺸﻌﺮﺍﻧﻲ )
অনেক সাহাবা এবং ফকীহদের
মতে যারা ওয়ারিশ নয় তাদের জন্য
অসীযত করা ওয়াজিব। তাদের
মতে পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছেÑ
ﻛُﺘِﺐَ ﻋَﻠَﻴْﻜُﻢْ ﺇِﺫَﺍ ﺣَﻀَﺮَ ﺃَﺣَﺪَﻛُﻢُ
ﺍﻟْﻤَﻮْﺕُ ﺇِﻥْ ﺗَﺮَﻙَ ﺧَﻴْﺮًﺍ ﺍﻟْﻮَﺻِﻴَّﺔُ
ﻟِﻠْﻮَﺍﻟِﺪَﻳْﻦِ ﻭَﺍﻟْﺄَﻗْﺮَﺑِﻴﻦَ ﺑِﺎﻟْﻤَﻌْﺮُﻭﻑِ
)ﺍﻟﺒﻘﺮﺓ )
তোমাদের মধ্যে যারা সহায় সম্পদ
রেখে মৃত্যুবরণ করবে তাদের জন্য
অসীয়ত করা জরুরী।
এক হিসেবে এই আয়াতের অসীয়তের
হুকুম উত্তরাধিকারীর জন্য রহিত
হয়েছে বটে, কিন্তু
যারা মিরাসে উত্তরাধিকারী নয়,
তাদের বেলায় অসীয়তের হুকুম রহিত হয়
নি। আল্লামা আইনী বলেনঃ
ﻭﻣﻨﻬﻢ ﻣﻦ ﻗﺎﻝ ﺍﻧﻬﺎ ﻣﻨﺴﻮﺧﺔ
ﻓﻴﻤﻦ ﻳﺮﺙ ﺛﺎﺑﺘﺔ ﻓﻴﻤﻦ ﻻﻳﺮﺙ
ﻭﻫﻮ ﻣﺬﻫﺐ ﺍﺑﻦ ﻋﺒﺎﺱ ﻭﺣﺴﻦ
ﻭﻣﺴﺮﻭﻕ ﻭﻣﺴﻠﻢ ﺑﻦ ﻳﺴﺎﺭ
ﻭﺍﻟﻌﻼﺀ ﺑﻦ ﺯﻳﺎﺩ ﻭﻗﺎﻝ ﺍﺑﻦ ﻛﺜﻴﺮ
ﻭﺑﻪ ﻗﺎﻝ ﻭﺳﻊ ﺑﻦ ﺍﻧﺲ ﻭﻣﻘﺎﺗﻞ
ﺍﺑﻦ ﺣﻴﺎﻥ )ﻋﻤﺪﺓ ﺍﻟﻘﺎﺭﻱ
ﺝ ৬ﺹ৪৭২)
এই আয়াতে উল্লেখিত অসিয়তের হুকুম
অনেকের নিকট ওয়ারিশদের বেলায়
রহিত হলেও যারা ওয়ারিশ নয় তাদের
ক্ষেত্রে রহিত করা হয় নাই।
ইবনে আব্বাস, হাসান, মাসরুক,
আলা ইবনে যিয়াদ জেহাক এবং মুসলিম
ইবনে ইয়াসার এইরূপ মতামত প্রকাশ
করেছেন। আর ইবনে কাসীর উল্লেখ
করেছেন যে, সাইদ ইবনে জুবাইর
রাবী ইবনে আনাস এবং মুকাতিল
ইবনে হাইয়্যানও এই মতামতকেই
সমর্থন করেছেন। এতীমদের লালন
পালনের কোন ব্যবস্থাই
যদি না থাকে তাহলে অপরাগতা এবং
বিশেষ প্রয়োজনে ওলামা মাশায়েখদের
সাথে পরামর্শক্রমে এতীমদের জন্য
অসীয়ত করা বাধ্যতকামূলক
করা যেতে পারে। যদি এরপরও
দাদা অসীয়ত না করে মৃত্যুবরণ
করে তাহলে ইবনে হুমামের মতামত
অনুসারে অসীয়ত পরিমান সম্পদ দাদার
পরিত্যক্ত সম্পত্তি থেকে অসহায়
এতীমদেরকে দেয়া যেতে পারে।
জাহেরী মাজহাবের ইমাম ইবনে হাযমের
নিকট যেহেতু অসীয়ত করা ওয়াজিব,
তাই তার মতে অসীয়ত
না করে মৃত্যুবরণ
করলে মৃতব্যক্তি যাকে অসীয়ত
অর্থাৎ প্রতিনিধি করে যায়
অংশীদারদের পরামর্শে যে পরিমান
অংশ অসীয়তের জন্য নির্ধারিত হয় ঐ
পরিমান এতীমদেরকে দেয়া যেতে পারে।
ﻭﻓﺮﺽ ﻋﻠﻰ ﻛﻞ ﻣﺴﻠﻢ ﺃﻥ
ﻳﻮﺻﻲ ﻟﻘﺮﺍﺑﺘﻪ ﺍﻟﺬﻳﻦ ﻻ ﻳﺮﺛﻮﻥ،
ﺇﻣﺎ ﻟﺮﻕ، ﻭﺃﻣﺎ ﻟﻜﻔﺮ، ﻭﺃﻣﺎ ﻷﻥ
ﻫﻨﺎﻟﻚ ﻣﻦ ﻳﺤﺠﺒﻬﻢ، ﻋﻦ
ﺍﻟﻤﻴﺮﺍﺙ ﺃﻭ ﻷﻧﻬﻢ ﻻ ﻳﺮﺛﻮﻥ
ﻓﻴﻮﺻﻲ ﻟﻬﻢ ﺑﻤﺎ ﻃﺎﺑﺖ ﺑﻪ
ﻧﻔﺴﻪ، ﻻ ﺣﺪ ﻓﻲ ﺫﻟﻚ، ﻓﺈﻥ ﻟﻢ
ﻳﻔﻌﻞ ﺃﻋﻄﻮﺍ، ﻭﻻ ﺑﺪ ﻣﺎ ﺭﺁﻩ
ﺍﻟﻮﺭﺛﺔ، ﺃﻭ ﺍﻟﻮﺻﻲ. ﻓﺈﻥ ﻛﺎﻥ
ﻭﺍﻟﺪﺍﻩ، ﺃﻭ ﺃﺣﺪﻫﻤﺎ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﻜﻔﺮ،
ﺃﻭ ﻣﻤﻠﻮﻛﺎ ﻓﻔﺮﺽ ﻋﻠﻴﻪ ﺃﻳﻀﺎ ﺃﻥ
ﻳﻮﺻﻲ ﻟﻬﻤﺎ، ﺃﻭ ﻷﺣﺪﻫﻤﺎ ﺇﻥ ﻟﻢ
ﻳﻜﻦ ﺍﻵﺧﺮ ﻛﺬﻟﻚ، ﻓﺈﻥ ﻟﻢ ﻳﻔﻌﻞ
ﺃﻋﻄﻲ، ﺃﻭ ﺃﻋﻄﻴﺎ ﻣﻦ ﺍﻟﻤﺎﻝ، ﻭﻻ
ﺑﺪ، )ﺍﻟﻤﺤﻠﻲ ﻻﺑﻦ ﺣﺰﻡ
ﺝ ৯ﺹ৩১৪)
মিরাছ থেকে বঞ্চিত এতীমদের জন্য
অসীয়ত করা প্রত্যেক মুসলমানের
উপর ফরয। বঞ্চিত হওয়ার কারণ
কৃতদাস বা কাফের হোক
কিংবা নিকটতম অংশীদারের
কারণে হোক, মিরাছ দাতার উপর
জরুরী সে মৃত্যুর পূর্বে বঞ্চিতদের
জন্য ইচ্ছামত অসীয়ত করে যাবে।
কিন্তু যদি সে অসীয়ত
না করে মৃত্যুবরণ করে, তাহলে মৃত্যুর
পর অসীয়ত অথবা অংশীদারদের মনমত
নির্ধারিত পরিমান
বঞ্চিতদেরকে অবশ্যই প্রদান
করতে হবে। যদি মৃত্যুবরণ কারীর
মা এবং পিতা দুজনই অথবা কোন
একজন কাফের হয় অথবা কৃতদাস হয়
তাহলে দুইজনের অথবা এক জনের জন্য
অসীয়ত করা বাধ্যতামূলক হবে। আর
একজন তো মুসলমান হওয়ার
কারণে অংশ পাবেই। কিন্তু যদি তবুও
অসীয়ত না করেই মৃত্যু বরণ
করে তাহলেও দুজন
কে অথবা একজনকে অবশ্যই মালের
অংশ দিতে হবে।
মহিলা এবং পুরুষের অংশ
উত্তারিধকার বন্টনের শরীয়তগত
বিধি-বিধান যেমন নিকটতম
হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঠিক
তেমনিভাবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে মহিলার
তুলনায় পুরুষের দ্বিগুণ অংশ পাওয়ার
বিধানটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এতে কারো মত বিরোধ নাই এবং এই
সিদ্ধান্ত কিয়াসগত নয় বরং পবিত্র
কুরআন দ্বারা অকাট্য ভাবে সাব্যস্ত।
ﻟﻠﺬﻛﺮ ﻣﺜﻞ ﺣﻆ ﺍﻻﻧﺜﻴﻴﻦ “মহিলার
তুলনায় পুরুষের অংশ দ্বীগুণ”।
বর্তমান যুগে নারী পুরুষের সমান
অধিকারের
জোড়ালো দাবী জানানো হচ্ছে। ইসলামের
অনেক হুকুম আহকামের মত দাবীদারগণ
এই বিধানের মধ্যেও সমান অধিকার
লংঘিত হবার আপত্তি করে থাকে। আর
ইসলামের উত্তরাধিকার বন্টন
বিধানকে মারাত্মক জুলুম এবং অবিচার
পূর্ণ বিধান বলে হৈহল্লা করে বেড়ায়
এবং পরিবর্তনের জন্য আন্দোলন
পরিচালনা করে থাকে।
ইতিপূর্বে একাধিক স্ত্রী বিবাহ-বিধান
আলোচনা প্রসঙ্গে তাদের যুক্তিহীন
অবান্তর দাবী এবং জুলূমের অপবাদের
প্রকৃতি উদঘাটন করা হয়েছে। তাই
অধিক কোন কিছু বলার প্রয়োজনই
নেই। তবে এতটুকু বলে রাখা প্রয়োজন
যে, তাদের সমালোচনার সময়
ইসলামী কানূনের সমস্ত
দিকগুলো তাদের সম্মুখে থাকে না।
অন্যথায় তাদের জানা উচিত যে,
পরিত্যক্ত সহায় সম্পদ
থেকে যে পরিমান অংশই মহিলারা পায়
সেই অংশটুকু হয়ত কোন বিশেষ
অবস্থায় কাজে লাগিয়ে থাকে। নচেৎ
সাধারণত তা পড়েই থাকে আর ব্যাংক
ব্যালেন্স বৃদ্ধির কারণ হয়। এই
প্রেক্ষিতে বলা অনুচিত হবে না যে,
পরিত্যক্ত অর্থ সম্পদের
মধ্যে নারীদের অংশ মূলত:
তাদেরকে সান্ত্বনা প্রদান এবং মনজয়
করার জন্য নির্ধারিত হয়েছে।
এতে সমাজে তাদের সম্মানজনক
অবস্থান সৃষ্টি করাই শরীয়তের মূখ্য
উদ্দেশ্য।
নতুবা যারা শরীয়তের বিধি বিধানের
বিস্তারিত জ্ঞান রাখে তারা জানে যে,
শরীয়তের বিধি-বিধানের
পুরাপুরি অনুসরণ করা হলে অপারগতার
অল্প কিছু
অবস্থা ছাড়া নারীদেরকে কারো এমনকি
স্বয়ং তাদের নিজেদের ভরণ পোষণের
দায়িত্বও শরীয়তগত ভাবে তাদের
উঠাতে হয় না। কেননা বিবাহের
পূর্বে পিতা অথবা ভাইদের উপর আর
বিবাহের পর স্বামীর উপর, স্বামীর
মৃত্যু
হলে অথবা তালাকপ্রাপ্তা হলে পুনরায়
পিতা অথবা অন্যান্য আত্মীয়
স্বজনদের অথবা আপন সন্তানদের
উপর তাদের ভরণ পোষণের দায়িত্ব
ফরজ করা হয়েছে। উপরন্তু বিবাহের
মূহূর্তে মহরের অধিকারী হয়।
কেননা স্বামীর উপর বাধ্যতামূলক
ভাবে মহর আদায় করা ধার্য
করা হয়েছে।
মূর্খতা এবং অদূরদর্শীতার
কারণে যদি স্ত্রী তার মহর স্বেচ্ছায়
আদায় না করে অথবা ক্ষমা করে দেয়
তাহলে বলার কিছু নেই। অন্যথায়
শরীয়তের সিদ্ধান্ত মতে মহর
বাধ্যতামূলক ভাবে ধার্য করা হয়েছে।
যদি স্বামী মৃত্যুবরণ করে তাহলে তার
পরিত্যক্ত অর্থসম্পদের
মধ্যে বিধবা স্ত্রীর জন্য
উত্তরাধিকার সুনিশ্চিত করা হয়েছে।
অপর পক্ষে পুরুষের অবস্থা এই যে,
বালেগ হওয়ার এবং উপার্জনে সক্ষম
হওয়ার সাথে সাথে কেবল নিজের নয়
বরং স্ত্রী, সন্তানাদি এমনকি অনেক
ক্ষেত্রে মাতা-পিতা এবং আত্মীয়দের
প্রয়োজন পূরা করার দায়িত্বও তাদের
উপর আসে। বিবাহের পর স্ত্রীর
সমস্ত খরচ স্বামীকে এককভাবে বহন
করতে হয়। উপরন্তু মহরের এক বিরাট
অংক স্ত্রীকে প্রদান করতে হয়।
এসবদিক বিবেচনা করার পর
স্ত্রীকে যদি চার ভাগের এক ভাগ
প্রদানের কথা বলা হতো, তবুও জুলুম
করা হয়েছে বলে উক্তি করা সমীচীন
হতো না বলেই মনে হয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More
এতীমদের সাহায্য সহযোগিতার জন্য
উপরোক্ত বিধি-বিধান ব্যতীত আর
একটি উত্তম ব্যবস্থা অসিয়তের
নামে বিদ্যমান রয়েছে।
যারা উত্তরাধিকারী হয় তাদের
ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য নয়।
কেননা হাদীসে বলা হয়েছে ﻻ ﻭﺻﻴﺔ
ﻟﻮﺍﺭﺙ আর যারা পরিত্যক্ত
সম্পত্তির অংশীদার হয়
না তাদেরকে উত্তরাধিকারীর
সমপরিমান অংশের অধিক পরিমান
অসীয়ত বিধির মাধ্যমে প্রদান
করা যেতে পারে। কেননা উত্তরাধিকার
বন্টন ব্যবস্থা শরীয়ত কতৃক
নির্ধারিত হওয়ার কারণে নিকটতম
আত্মীয় ওয়ারিশদের জন্য অসীয়তের
বিধান কার্যতঃ রহিত করা হলেও
যারা ওয়ারিশ নয় তাদের জন্য
সর্বসম্মতভাবেই অসীয়তের
মাধ্যমে সাহায্য করা মুস্তাহাব
হিসেবে বিবেচিত রয়েছে। আল্লামাহ
শা’রানী বলেন-
ﺍﺟﻤﻌﻮﺍ ﻋﻠﻲ ﺍﻥ ﺍﻟﻮﺻﻴﺔ
ﻣﺴﺘﺤﺒﺔ)ﺍﻟﻤﻴﺰﺍﻥ ﻟﻠﺸﻌﺮﺍﻧﻲ )
অনেক সাহাবা এবং ফকীহদের
মতে যারা ওয়ারিশ নয় তাদের জন্য
অসীযত করা ওয়াজিব। তাদের
মতে পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছেÑ
ﻛُﺘِﺐَ ﻋَﻠَﻴْﻜُﻢْ ﺇِﺫَﺍ ﺣَﻀَﺮَ ﺃَﺣَﺪَﻛُﻢُ
ﺍﻟْﻤَﻮْﺕُ ﺇِﻥْ ﺗَﺮَﻙَ ﺧَﻴْﺮًﺍ ﺍﻟْﻮَﺻِﻴَّﺔُ
ﻟِﻠْﻮَﺍﻟِﺪَﻳْﻦِ ﻭَﺍﻟْﺄَﻗْﺮَﺑِﻴﻦَ ﺑِﺎﻟْﻤَﻌْﺮُﻭﻑِ
)ﺍﻟﺒﻘﺮﺓ )
তোমাদের মধ্যে যারা সহায় সম্পদ
রেখে মৃত্যুবরণ করবে তাদের জন্য
অসীয়ত করা জরুরী।
এক হিসেবে এই আয়াতের অসীয়তের
হুকুম উত্তরাধিকারীর জন্য রহিত
হয়েছে বটে, কিন্তু
যারা মিরাসে উত্তরাধিকারী নয়,
তাদের বেলায় অসীয়তের হুকুম রহিত হয়
নি। আল্লামা আইনী বলেনঃ
ﻭﻣﻨﻬﻢ ﻣﻦ ﻗﺎﻝ ﺍﻧﻬﺎ ﻣﻨﺴﻮﺧﺔ
ﻓﻴﻤﻦ ﻳﺮﺙ ﺛﺎﺑﺘﺔ ﻓﻴﻤﻦ ﻻﻳﺮﺙ
ﻭﻫﻮ ﻣﺬﻫﺐ ﺍﺑﻦ ﻋﺒﺎﺱ ﻭﺣﺴﻦ
ﻭﻣﺴﺮﻭﻕ ﻭﻣﺴﻠﻢ ﺑﻦ ﻳﺴﺎﺭ
ﻭﺍﻟﻌﻼﺀ ﺑﻦ ﺯﻳﺎﺩ ﻭﻗﺎﻝ ﺍﺑﻦ ﻛﺜﻴﺮ
ﻭﺑﻪ ﻗﺎﻝ ﻭﺳﻊ ﺑﻦ ﺍﻧﺲ ﻭﻣﻘﺎﺗﻞ
ﺍﺑﻦ ﺣﻴﺎﻥ )ﻋﻤﺪﺓ ﺍﻟﻘﺎﺭﻱ
ﺝ ৬ﺹ৪৭২)
এই আয়াতে উল্লেখিত অসিয়তের হুকুম
অনেকের নিকট ওয়ারিশদের বেলায়
রহিত হলেও যারা ওয়ারিশ নয় তাদের
ক্ষেত্রে রহিত করা হয় নাই।
ইবনে আব্বাস, হাসান, মাসরুক,
আলা ইবনে যিয়াদ জেহাক এবং মুসলিম
ইবনে ইয়াসার এইরূপ মতামত প্রকাশ
করেছেন। আর ইবনে কাসীর উল্লেখ
করেছেন যে, সাইদ ইবনে জুবাইর
রাবী ইবনে আনাস এবং মুকাতিল
ইবনে হাইয়্যানও এই মতামতকেই
সমর্থন করেছেন। এতীমদের লালন
পালনের কোন ব্যবস্থাই
যদি না থাকে তাহলে অপরাগতা এবং
বিশেষ প্রয়োজনে ওলামা মাশায়েখদের
সাথে পরামর্শক্রমে এতীমদের জন্য
অসীয়ত করা বাধ্যতকামূলক
করা যেতে পারে। যদি এরপরও
দাদা অসীয়ত না করে মৃত্যুবরণ
করে তাহলে ইবনে হুমামের মতামত
অনুসারে অসীয়ত পরিমান সম্পদ দাদার
পরিত্যক্ত সম্পত্তি থেকে অসহায়
এতীমদেরকে দেয়া যেতে পারে।
জাহেরী মাজহাবের ইমাম ইবনে হাযমের
নিকট যেহেতু অসীয়ত করা ওয়াজিব,
তাই তার মতে অসীয়ত
না করে মৃত্যুবরণ
করলে মৃতব্যক্তি যাকে অসীয়ত
অর্থাৎ প্রতিনিধি করে যায়
অংশীদারদের পরামর্শে যে পরিমান
অংশ অসীয়তের জন্য নির্ধারিত হয় ঐ
পরিমান এতীমদেরকে দেয়া যেতে পারে।
ﻭﻓﺮﺽ ﻋﻠﻰ ﻛﻞ ﻣﺴﻠﻢ ﺃﻥ
ﻳﻮﺻﻲ ﻟﻘﺮﺍﺑﺘﻪ ﺍﻟﺬﻳﻦ ﻻ ﻳﺮﺛﻮﻥ،
ﺇﻣﺎ ﻟﺮﻕ، ﻭﺃﻣﺎ ﻟﻜﻔﺮ، ﻭﺃﻣﺎ ﻷﻥ
ﻫﻨﺎﻟﻚ ﻣﻦ ﻳﺤﺠﺒﻬﻢ، ﻋﻦ
ﺍﻟﻤﻴﺮﺍﺙ ﺃﻭ ﻷﻧﻬﻢ ﻻ ﻳﺮﺛﻮﻥ
ﻓﻴﻮﺻﻲ ﻟﻬﻢ ﺑﻤﺎ ﻃﺎﺑﺖ ﺑﻪ
ﻧﻔﺴﻪ، ﻻ ﺣﺪ ﻓﻲ ﺫﻟﻚ، ﻓﺈﻥ ﻟﻢ
ﻳﻔﻌﻞ ﺃﻋﻄﻮﺍ، ﻭﻻ ﺑﺪ ﻣﺎ ﺭﺁﻩ
ﺍﻟﻮﺭﺛﺔ، ﺃﻭ ﺍﻟﻮﺻﻲ. ﻓﺈﻥ ﻛﺎﻥ
ﻭﺍﻟﺪﺍﻩ، ﺃﻭ ﺃﺣﺪﻫﻤﺎ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﻜﻔﺮ،
ﺃﻭ ﻣﻤﻠﻮﻛﺎ ﻓﻔﺮﺽ ﻋﻠﻴﻪ ﺃﻳﻀﺎ ﺃﻥ
ﻳﻮﺻﻲ ﻟﻬﻤﺎ، ﺃﻭ ﻷﺣﺪﻫﻤﺎ ﺇﻥ ﻟﻢ
ﻳﻜﻦ ﺍﻵﺧﺮ ﻛﺬﻟﻚ، ﻓﺈﻥ ﻟﻢ ﻳﻔﻌﻞ
ﺃﻋﻄﻲ، ﺃﻭ ﺃﻋﻄﻴﺎ ﻣﻦ ﺍﻟﻤﺎﻝ، ﻭﻻ
ﺑﺪ، )ﺍﻟﻤﺤﻠﻲ ﻻﺑﻦ ﺣﺰﻡ
ﺝ ৯ﺹ৩১৪)
মিরাছ থেকে বঞ্চিত এতীমদের জন্য
অসীয়ত করা প্রত্যেক মুসলমানের
উপর ফরয। বঞ্চিত হওয়ার কারণ
কৃতদাস বা কাফের হোক
কিংবা নিকটতম অংশীদারের
কারণে হোক, মিরাছ দাতার উপর
জরুরী সে মৃত্যুর পূর্বে বঞ্চিতদের
জন্য ইচ্ছামত অসীয়ত করে যাবে।
কিন্তু যদি সে অসীয়ত
না করে মৃত্যুবরণ করে, তাহলে মৃত্যুর
পর অসীয়ত অথবা অংশীদারদের মনমত
নির্ধারিত পরিমান
বঞ্চিতদেরকে অবশ্যই প্রদান
করতে হবে। যদি মৃত্যুবরণ কারীর
মা এবং পিতা দুজনই অথবা কোন
একজন কাফের হয় অথবা কৃতদাস হয়
তাহলে দুইজনের অথবা এক জনের জন্য
অসীয়ত করা বাধ্যতামূলক হবে। আর
একজন তো মুসলমান হওয়ার
কারণে অংশ পাবেই। কিন্তু যদি তবুও
অসীয়ত না করেই মৃত্যু বরণ
করে তাহলেও দুজন
কে অথবা একজনকে অবশ্যই মালের
অংশ দিতে হবে।
মহিলা এবং পুরুষের অংশ
উত্তারিধকার বন্টনের শরীয়তগত
বিধি-বিধান যেমন নিকটতম
হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঠিক
তেমনিভাবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে মহিলার
তুলনায় পুরুষের দ্বিগুণ অংশ পাওয়ার
বিধানটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এতে কারো মত বিরোধ নাই এবং এই
সিদ্ধান্ত কিয়াসগত নয় বরং পবিত্র
কুরআন দ্বারা অকাট্য ভাবে সাব্যস্ত।
ﻟﻠﺬﻛﺮ ﻣﺜﻞ ﺣﻆ ﺍﻻﻧﺜﻴﻴﻦ “মহিলার
তুলনায় পুরুষের অংশ দ্বীগুণ”।
বর্তমান যুগে নারী পুরুষের সমান
অধিকারের
জোড়ালো দাবী জানানো হচ্ছে। ইসলামের
অনেক হুকুম আহকামের মত দাবীদারগণ
এই বিধানের মধ্যেও সমান অধিকার
লংঘিত হবার আপত্তি করে থাকে। আর
ইসলামের উত্তরাধিকার বন্টন
বিধানকে মারাত্মক জুলুম এবং অবিচার
পূর্ণ বিধান বলে হৈহল্লা করে বেড়ায়
এবং পরিবর্তনের জন্য আন্দোলন
পরিচালনা করে থাকে।
ইতিপূর্বে একাধিক স্ত্রী বিবাহ-বিধান
আলোচনা প্রসঙ্গে তাদের যুক্তিহীন
অবান্তর দাবী এবং জুলূমের অপবাদের
প্রকৃতি উদঘাটন করা হয়েছে। তাই
অধিক কোন কিছু বলার প্রয়োজনই
নেই। তবে এতটুকু বলে রাখা প্রয়োজন
যে, তাদের সমালোচনার সময়
ইসলামী কানূনের সমস্ত
দিকগুলো তাদের সম্মুখে থাকে না।
অন্যথায় তাদের জানা উচিত যে,
পরিত্যক্ত সহায় সম্পদ
থেকে যে পরিমান অংশই মহিলারা পায়
সেই অংশটুকু হয়ত কোন বিশেষ
অবস্থায় কাজে লাগিয়ে থাকে। নচেৎ
সাধারণত তা পড়েই থাকে আর ব্যাংক
ব্যালেন্স বৃদ্ধির কারণ হয়। এই
প্রেক্ষিতে বলা অনুচিত হবে না যে,
পরিত্যক্ত অর্থ সম্পদের
মধ্যে নারীদের অংশ মূলত:
তাদেরকে সান্ত্বনা প্রদান এবং মনজয়
করার জন্য নির্ধারিত হয়েছে।
এতে সমাজে তাদের সম্মানজনক
অবস্থান সৃষ্টি করাই শরীয়তের মূখ্য
উদ্দেশ্য।
নতুবা যারা শরীয়তের বিধি বিধানের
বিস্তারিত জ্ঞান রাখে তারা জানে যে,
শরীয়তের বিধি-বিধানের
পুরাপুরি অনুসরণ করা হলে অপারগতার
অল্প কিছু
অবস্থা ছাড়া নারীদেরকে কারো এমনকি
স্বয়ং তাদের নিজেদের ভরণ পোষণের
দায়িত্বও শরীয়তগত ভাবে তাদের
উঠাতে হয় না। কেননা বিবাহের
পূর্বে পিতা অথবা ভাইদের উপর আর
বিবাহের পর স্বামীর উপর, স্বামীর
মৃত্যু
হলে অথবা তালাকপ্রাপ্তা হলে পুনরায়
পিতা অথবা অন্যান্য আত্মীয়
স্বজনদের অথবা আপন সন্তানদের
উপর তাদের ভরণ পোষণের দায়িত্ব
ফরজ করা হয়েছে। উপরন্তু বিবাহের
মূহূর্তে মহরের অধিকারী হয়।
কেননা স্বামীর উপর বাধ্যতামূলক
ভাবে মহর আদায় করা ধার্য
করা হয়েছে।
মূর্খতা এবং অদূরদর্শীতার
কারণে যদি স্ত্রী তার মহর স্বেচ্ছায়
আদায় না করে অথবা ক্ষমা করে দেয়
তাহলে বলার কিছু নেই। অন্যথায়
শরীয়তের সিদ্ধান্ত মতে মহর
বাধ্যতামূলক ভাবে ধার্য করা হয়েছে।
যদি স্বামী মৃত্যুবরণ করে তাহলে তার
পরিত্যক্ত অর্থসম্পদের
মধ্যে বিধবা স্ত্রীর জন্য
উত্তরাধিকার সুনিশ্চিত করা হয়েছে।
অপর পক্ষে পুরুষের অবস্থা এই যে,
বালেগ হওয়ার এবং উপার্জনে সক্ষম
হওয়ার সাথে সাথে কেবল নিজের নয়
বরং স্ত্রী, সন্তানাদি এমনকি অনেক
ক্ষেত্রে মাতা-পিতা এবং আত্মীয়দের
প্রয়োজন পূরা করার দায়িত্বও তাদের
উপর আসে। বিবাহের পর স্ত্রীর
সমস্ত খরচ স্বামীকে এককভাবে বহন
করতে হয়। উপরন্তু মহরের এক বিরাট
অংক স্ত্রীকে প্রদান করতে হয়।
এসবদিক বিবেচনা করার পর
স্ত্রীকে যদি চার ভাগের এক ভাগ
প্রদানের কথা বলা হতো, তবুও জুলুম
করা হয়েছে বলে উক্তি করা সমীচীন
হতো না বলেই মনে হয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
পরিত্যক্ত সম্পদ - দিকনির্দেশনামূলক বিধান
পরিত্যক্ত সম্পদ
পরিত্যক্ত শব্দের দ্বারা একটি বিষয়
সুস্পষ্টভাবে বুঝা যায় যে, কোন
ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করার পর
সে যে সহায় সম্পত্তি রেখে যায় সেই
সম্পত্তির বন্টন
বিধানকে উত্তরাধিকার বিধান বলে।
এতে বুঝা যায় যে, মৃত্যুর পূর্ব
পর্যন্ত মাল সম্পদে উত্তরাধিকারীর
অধিকার লাভ হয় না। বরং মৃত্যুর পরই
এই অধিকার অর্জন হয় এবং তখন
যারা তার নিকটতম আত্মীয়
থাকে কেবল তারাই এর অধিকারী হয়।
আর যারা তার জীবদ্দশায় মৃত্যুবরণ
করেছেন তারা (বর্তমানে যারা জীবিত
আছে তাদের তুলনায় অধিক নিকটতম
হলেও) উত্তরাধিকারী হবে না।
সুতরাং তাদের কোন নিকটতম জীবিত
লোক মোটেই এই
সূত্রে উত্তরাধিকারী হবে না।
পরিত্যক্ত সম্পত্তির বন্টন বিধান
নির্ধারণ করেই শরীয়ত ক্ষান্ত হয়
নাই। এ সম্পর্কে অনেক
জরুরী বিষয়াদীকে বিস্তারিতভাবে
বর্ণনা করেছে। আর এসব
বর্ণনা গভীরভাবে বিবেচনা করলে বুঝা
হয় যে, এগুলো অত্যন্ত
যুক্তিযুক্ত,বাস্তব ভিত্তিক ও
স্বভাব সম্মত। যেমন বলা হয়েছে যে,
মৃত্যুর সময় বংশসূত্রে যে তার
সর্বাধিক নিকটতম, পরিত্যক্ত সম্পদ
বন্টনের বেলায়
সেই নিকটতম বিবেচিত হবে। আর
যে দূরে, তাকে দূরের বিবেচনা করা হবে।
আর যেখানে জ্ঞানের
আলোকে নিকটতম এবং দূরতম
বিবেচনা কঠিন হয় সেখানে নিকটতম
এবং দূরতমকে শরীয়ত
স্বয়ং পরিস্কারভাবে নিধারণ
করে দিয়েছে। যেমন মৃত ব্যক্তির
পিতা এবং পুত্র দুজনই বংশ
সূত্রে নিকটতম হওয়ার
ব্যাপারে বাহ্যিক দৃষ্টিতে সমান।
মানবিক জ্ঞানের দ্বারা কে নিকটতম
আর কে দূরতম এই সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত
করা কঠিন, তাই এ ব্যাপারে শরীয়ত
সরাসরি সিদ্ধান্ত দান করেছে,
যা উত্তরাধিকারী সংক্রান্ত
কিতাবাদীতে বিদ্যমান রয়েছে।
দিকনির্দেশনামূলক বিধান
ইসলামী বিধান সম্পর্কে অবগতির
পরও প্রচলিত উত্তরাধিকারী আইনের
সংশোধিত বিধানকে গ্রহণ করার
প্রতি বিশেষ জোর দেয়া হচ্ছে।
এবং সেই সংশোধিত বিধান মুতাবিক
উত্তরাধিকারী নির্ধারণের
কথা বলা হচ্ছে অথচ এই বিধান
কার্যকর করা হলে শরীয়তের মৌলিক
বিধান সম্পূর্ণভাবে খতম হয়ে যাবে।
এই সংশোধিত বিধানে পিতার
জীবদ্দশায় মৃত পুত্রের সন্তানদের
জন্যও অংশ ধার্য করা হয়েছে।
ইসলামী বিধান বিশ্বাসীদের জন্য এই
বিধান মোটেই গ্রহণযোগ্য
হতে পারে না। এ কারণেই মুসলিম
আইনবিদগণ এই সংশোধিত আইনের
বিরুদ্ধে ঐক্যমত পোষণ করে গেছেন।
প্রসিদ্ধ ফেকাহবিদ আবু বকর জাচ্ছাছ
বলেন-
ﻭﻟﻢ ﻳﺨﺘﻠﻒ ﺃﻫﻞ ﺍﻟﻌﻠﻢ ﻓﻲ ﺃﻥ
ﺍﻟﻤﺮﺍﺩ ﺑﻘﻮﻟﻪ ﺗﻌﺎﻟﻰ ﻳﻮﺻﻴﻜﻢ
ﺍﻟﻠﻪ ﻓﻲ ﺃﻭﻻﺩﻛﻢ ﺃﻭﻻﺩ ﺍﻟﺼﻠﺐ
ﻭﺇﻥ ﻭﻟﺪ ﺍﻟﻮﻟﺪ ﻏﻴﺮ ﺩﺍﺧﻞ ﻣﻊ ﻭﻟﺪ
ﺍﻟﺼﻠﺐ ﻭﺃﻧﻪ ﺇﺫﺍ ﻟﻢ ﻳﻜﻦ ﻭﻟﺪ
ﺍﻟﺼﻠﺐ ﻓﺎﻟﻤﺮﺍﺩ ﺃﻭﻻﺩ ﺍﻟﺒﻨﻴﻦ ﺩﻭﻥ
ﺃﻭﻻﺩ ﺍﻟﺒﻨﺎﺕ )ﺍﺣﻜﺎﻡ ﺍﻟﻘﺮﺍﻥ
ﺝ ২ﺹ৮)
আদিকাল থেকে অদ্যাবধি সমস্ত
আইনবিদগণ একমত রয়েছেন যে, এই
আয়াতের উদ্দেশ্য পিতার আপন
সন্তানগণ। তাই পিতার আপন পুত্র
জীবিত থাকাবস্থায় নাতিগণ এর
অন্তর্ভুক্ত নয়। যদি আপন কোন
পুত্র না থাকে কেবল তখনই নাতি,
নাতনীগণ উত্তরাধিকারী নির্ধারিত
হবে। আর মেয়ের সন্তানরা তখনও
উত্তরাধিকারী নয়। ফারায়েজ বিদ্যায়
বিশেষজ্ঞানের অধিকারী সাহাবী যায়েদ
ইবনে সাবেত কর্তৃক বর্ণিত হাদীস
বুখারী শরীফে সুস্পষ্টভাবে উদ্ধৃত
হয়েছে যে,
ﻭﻗﺎﻝ ﺯﻳﺪ ﻭﻟﺪ ﺍﻷﺑﻨﺎﺀ ﺑﻤﻨﺰﻟﺔ ﺍﻟﻮﻟﺪ
ﺇﺫﺍ ﻟﻢ ﻳﻜﻦ ﺩﻭﻧﻬﻢ ﻭﻟﺪ ﺫﻛﺮ
ﺫﻛﺮﻫﻢ ﻛﺬﻛﺮﻫﻢ ﻭﺃﻧﺜﺎﻫﻢ
ﻛﺄﻧﺜﺎﻫﻢ ﻳﺮﺛﻮﻥ ﻛﻤﺎ ﻳﺮﺛﻮﻥ
ﻭﻳﺤﺠﺒﻮﻥ ﻛﻤﺎ ﻳﺤﺠﺒﻮﻥ ﻭﻻ ﻳﺮﺙ
ﻭﻟﺪ ﺍﻻﺑﻦ ﻣﻊ ﺍﻻﺑﻦ )ﺑﺨﺎﺭﻱ
ﺝ ২ﺹ৯৯৭) ﻭﻗﺎﻝ ﺍﻟﻌﻴﻨﻲ ﻓﻲ
ﺍﻟﻌﻤﺪﺓ )ﺝ ১১ﺹ৯৯৭ ) ﻭﻫﺬﺍ
ﺍﻟﺬﻱ ﻗﺎﻟﻪ ﺯﻳﺪ ﺇﺟﻤﺎﻉ
পুত্র না থাকলে নাতিগণ সন্তানের
স্থলাভিষিক্ত হয়, আর পুত্র
থাকাবস্থায় নাতিগণ অংশীদার হয় না।
আল্লামাহ আইনী উমদাতুল
কারীতে বলেন, যায়েদ রা. এই মতের
উপর উম্মতের ঐক্যমত রয়েছে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More
পরিত্যক্ত শব্দের দ্বারা একটি বিষয়
সুস্পষ্টভাবে বুঝা যায় যে, কোন
ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করার পর
সে যে সহায় সম্পত্তি রেখে যায় সেই
সম্পত্তির বন্টন
বিধানকে উত্তরাধিকার বিধান বলে।
এতে বুঝা যায় যে, মৃত্যুর পূর্ব
পর্যন্ত মাল সম্পদে উত্তরাধিকারীর
অধিকার লাভ হয় না। বরং মৃত্যুর পরই
এই অধিকার অর্জন হয় এবং তখন
যারা তার নিকটতম আত্মীয়
থাকে কেবল তারাই এর অধিকারী হয়।
আর যারা তার জীবদ্দশায় মৃত্যুবরণ
করেছেন তারা (বর্তমানে যারা জীবিত
আছে তাদের তুলনায় অধিক নিকটতম
হলেও) উত্তরাধিকারী হবে না।
সুতরাং তাদের কোন নিকটতম জীবিত
লোক মোটেই এই
সূত্রে উত্তরাধিকারী হবে না।
পরিত্যক্ত সম্পত্তির বন্টন বিধান
নির্ধারণ করেই শরীয়ত ক্ষান্ত হয়
নাই। এ সম্পর্কে অনেক
জরুরী বিষয়াদীকে বিস্তারিতভাবে
বর্ণনা করেছে। আর এসব
বর্ণনা গভীরভাবে বিবেচনা করলে বুঝা
হয় যে, এগুলো অত্যন্ত
যুক্তিযুক্ত,বাস্তব ভিত্তিক ও
স্বভাব সম্মত। যেমন বলা হয়েছে যে,
মৃত্যুর সময় বংশসূত্রে যে তার
সর্বাধিক নিকটতম, পরিত্যক্ত সম্পদ
বন্টনের বেলায়
সেই নিকটতম বিবেচিত হবে। আর
যে দূরে, তাকে দূরের বিবেচনা করা হবে।
আর যেখানে জ্ঞানের
আলোকে নিকটতম এবং দূরতম
বিবেচনা কঠিন হয় সেখানে নিকটতম
এবং দূরতমকে শরীয়ত
স্বয়ং পরিস্কারভাবে নিধারণ
করে দিয়েছে। যেমন মৃত ব্যক্তির
পিতা এবং পুত্র দুজনই বংশ
সূত্রে নিকটতম হওয়ার
ব্যাপারে বাহ্যিক দৃষ্টিতে সমান।
মানবিক জ্ঞানের দ্বারা কে নিকটতম
আর কে দূরতম এই সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত
করা কঠিন, তাই এ ব্যাপারে শরীয়ত
সরাসরি সিদ্ধান্ত দান করেছে,
যা উত্তরাধিকারী সংক্রান্ত
কিতাবাদীতে বিদ্যমান রয়েছে।
দিকনির্দেশনামূলক বিধান
ইসলামী বিধান সম্পর্কে অবগতির
পরও প্রচলিত উত্তরাধিকারী আইনের
সংশোধিত বিধানকে গ্রহণ করার
প্রতি বিশেষ জোর দেয়া হচ্ছে।
এবং সেই সংশোধিত বিধান মুতাবিক
উত্তরাধিকারী নির্ধারণের
কথা বলা হচ্ছে অথচ এই বিধান
কার্যকর করা হলে শরীয়তের মৌলিক
বিধান সম্পূর্ণভাবে খতম হয়ে যাবে।
এই সংশোধিত বিধানে পিতার
জীবদ্দশায় মৃত পুত্রের সন্তানদের
জন্যও অংশ ধার্য করা হয়েছে।
ইসলামী বিধান বিশ্বাসীদের জন্য এই
বিধান মোটেই গ্রহণযোগ্য
হতে পারে না। এ কারণেই মুসলিম
আইনবিদগণ এই সংশোধিত আইনের
বিরুদ্ধে ঐক্যমত পোষণ করে গেছেন।
প্রসিদ্ধ ফেকাহবিদ আবু বকর জাচ্ছাছ
বলেন-
ﻭﻟﻢ ﻳﺨﺘﻠﻒ ﺃﻫﻞ ﺍﻟﻌﻠﻢ ﻓﻲ ﺃﻥ
ﺍﻟﻤﺮﺍﺩ ﺑﻘﻮﻟﻪ ﺗﻌﺎﻟﻰ ﻳﻮﺻﻴﻜﻢ
ﺍﻟﻠﻪ ﻓﻲ ﺃﻭﻻﺩﻛﻢ ﺃﻭﻻﺩ ﺍﻟﺼﻠﺐ
ﻭﺇﻥ ﻭﻟﺪ ﺍﻟﻮﻟﺪ ﻏﻴﺮ ﺩﺍﺧﻞ ﻣﻊ ﻭﻟﺪ
ﺍﻟﺼﻠﺐ ﻭﺃﻧﻪ ﺇﺫﺍ ﻟﻢ ﻳﻜﻦ ﻭﻟﺪ
ﺍﻟﺼﻠﺐ ﻓﺎﻟﻤﺮﺍﺩ ﺃﻭﻻﺩ ﺍﻟﺒﻨﻴﻦ ﺩﻭﻥ
ﺃﻭﻻﺩ ﺍﻟﺒﻨﺎﺕ )ﺍﺣﻜﺎﻡ ﺍﻟﻘﺮﺍﻥ
ﺝ ২ﺹ৮)
আদিকাল থেকে অদ্যাবধি সমস্ত
আইনবিদগণ একমত রয়েছেন যে, এই
আয়াতের উদ্দেশ্য পিতার আপন
সন্তানগণ। তাই পিতার আপন পুত্র
জীবিত থাকাবস্থায় নাতিগণ এর
অন্তর্ভুক্ত নয়। যদি আপন কোন
পুত্র না থাকে কেবল তখনই নাতি,
নাতনীগণ উত্তরাধিকারী নির্ধারিত
হবে। আর মেয়ের সন্তানরা তখনও
উত্তরাধিকারী নয়। ফারায়েজ বিদ্যায়
বিশেষজ্ঞানের অধিকারী সাহাবী যায়েদ
ইবনে সাবেত কর্তৃক বর্ণিত হাদীস
বুখারী শরীফে সুস্পষ্টভাবে উদ্ধৃত
হয়েছে যে,
ﻭﻗﺎﻝ ﺯﻳﺪ ﻭﻟﺪ ﺍﻷﺑﻨﺎﺀ ﺑﻤﻨﺰﻟﺔ ﺍﻟﻮﻟﺪ
ﺇﺫﺍ ﻟﻢ ﻳﻜﻦ ﺩﻭﻧﻬﻢ ﻭﻟﺪ ﺫﻛﺮ
ﺫﻛﺮﻫﻢ ﻛﺬﻛﺮﻫﻢ ﻭﺃﻧﺜﺎﻫﻢ
ﻛﺄﻧﺜﺎﻫﻢ ﻳﺮﺛﻮﻥ ﻛﻤﺎ ﻳﺮﺛﻮﻥ
ﻭﻳﺤﺠﺒﻮﻥ ﻛﻤﺎ ﻳﺤﺠﺒﻮﻥ ﻭﻻ ﻳﺮﺙ
ﻭﻟﺪ ﺍﻻﺑﻦ ﻣﻊ ﺍﻻﺑﻦ )ﺑﺨﺎﺭﻱ
ﺝ ২ﺹ৯৯৭) ﻭﻗﺎﻝ ﺍﻟﻌﻴﻨﻲ ﻓﻲ
ﺍﻟﻌﻤﺪﺓ )ﺝ ১১ﺹ৯৯৭ ) ﻭﻫﺬﺍ
ﺍﻟﺬﻱ ﻗﺎﻟﻪ ﺯﻳﺪ ﺇﺟﻤﺎﻉ
পুত্র না থাকলে নাতিগণ সন্তানের
স্থলাভিষিক্ত হয়, আর পুত্র
থাকাবস্থায় নাতিগণ অংশীদার হয় না।
আল্লামাহ আইনী উমদাতুল
কারীতে বলেন, যায়েদ রা. এই মতের
উপর উম্মতের ঐক্যমত রয়েছে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
মহিলাদের অধিকার না থাকার উপকারিতা - অনর্থক তালাকের পরিণাম
মহিলাদের অধিকার না থাকার
উপকারিতা
মহিলাদেরকে তালাকের অধিকার
না দেয়ার মধ্যেই রয়েছে উপকারিতা ও
কল্যাণ। এ সম্পর্কে প্রসিদ্ধ
হানাফী ফকীহ ইবনে হুমামের বক্তব্য
অত্যন্ত প্রণিধানযোগ্য তিনি বলেন,
ﺟﻌﻠﻪ ﺑﻴﺪ ﺍﻟﺮﺟﺎﻝ ﺩﻭﻥ ﺍﻟﻨﺴﺎﺀ
ﻻﺧﺘﺼﺎﺻﻬﻦ ﺑﻨﻘﺼﺎﻥ ﺍﻟﻌﻘﻞ
ﻭﻏﻠﺒﺔ ﺍﻟﻬﻮﻯ ، ﻭﻋﻦ ﺫﻟﻚ ﺳﺎﺀ
ﺍﺧﺘﻴﺎﺭﻫﻦ ﻭﺳﺮﻉ ﺍﻏﺘﺮﺍﺭﻫﻦ
ﻭﻧﻘﺼﺎﻥ ﺍﻟﺪﻳﻦ ، ﻭﻋﻨﻪ ﻛﺎﻥ ﺃﻛﺜﺮ
ﺷﻐﻠﻬﻦ ﺑﺎﻟﺪﻧﻴﺎ ﻭﺗﺮﺗﻴﺐ ﺍﻟﻤﻜﺎﻳﺪ
ﻭﺇﻓﺸﺎﺀ ﺳﺮ ﺍﻷﺯﻭﺍﺝ ﻭﻏﻴﺮ ﺫﻟﻚ ،
তালাকের অধিকার পুরুষদের
হাতে রাখার বিভিন্ন কারণ সমূহের
মধ্যে অন্যতম কয়েকটি এই যে,
ক. বুদ্ধি এবং দূরদর্শিতার
স্বল্পতা এবং অধিক আবেগপূর্ণ
হওয়ার কারণে অধিকার প্রয়োগে ভুল
করে বসা এবং সহজেই ষড়যন্ত্রের
শিকার হওয়া।
খ. আর ধর্মীয় ব্যাপারে দুর্বলতা হেতু
সাজ সজ্জা এবং ফ্যাশন
ইত্যাদিতে অধিক নিমগ্ন থাকা, যার
পরিণামে অতি সহজে ষড়যন্ত্রকারীদের
ষড়যন্ত্রের শিকার হওয়া। অনেক
ক্ষেত্রে আপন উদ্দেশ্য সফল করার
জন্য অযৌক্তিক তাল বাহানা শুরু
করা আর স্বামীর গোপনভেদের
কথাবার্তা অন্যদের নিকট ফাঁস
করে দেয়া। এসব ছাড়াও অনেক কারণ
এবং রহস্য রয়েছে যা মানুষের জন্য
অনুধাবন করা সম্ভব নয়।
কেননা আল্লাহ পাকের কর্মকাণ্ডের
এবং তার সিদ্ধান্তাবলির সমস্ত কারণ
এবং রহস্যসমূহ সীমিত জ্ঞানের
অধিকারী মানুষের জন্য
বুঝা এবং অনুধাবন
করা কী করে সম্ভব হতে পারে?
একথাও মনে রাখা প্রয়োজন যে, পুরুষের
বুদ্ধি এবং ধর্মশক্তি ও সঠিক প্রয়োগ
ক্ষমতার কারণে তাদেরকে তালাকের
পুরাপুরি অধিকার দেয়া হয়েছে। অবশ্য
এর পাশাপাশি তালাকের অধিকার
প্রয়োগের জন্য বহুবিধ শর্তাবলীর
পাবন্দ করা হয়েছে। এবং যথাসম্ভব
তালাক না দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।
অনর্থক তালাকের পরিণাম
রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
ﺍﺑﻐﺾ ﺍﻟﺤﻼﻝ ﺍﻟﻄﻼﻕ অর্থাৎ
বিশেষ প্রয়োজনে যে সমস্ত কাজের
অনুমতি প্রদান করা হয়েছে সে গুলির
মধ্যে সর্বাধিক অপছন্দনীয় কাজ
হচ্ছে তালাক প্রদান করা। (আবু দাউদ
১/৩১২)
এ কারণেই অনর্থক তালাক
দেয়াকে গোনাহের কাজ বলে মন্তব্য
করা হয়েছে। প্রসিদ্ধ আরিফ বিল্লাহ
এবং প্রখ্যাত ফকীহ
আল্লামা শা’রানী রহ. বলেন,
ﺍﺗﻔﻘﻮﺍﻋﻠﻲ ﺍﻥ ﺍﻟﻄﻼﻕ ﻣﻜﺮﻭﻩ
ﻓﻲ ﺣﺎﻝ ﺍﺳﺘﻘﺎﻣﺔ ﺍﻟﺰﻭﺟﻴﻦ ﺑﻞ
ﻗﺎﻝ ﺍﺑﻮ ﺣﻨﻴﻔﺔ ﺑﺘﺤﺮﻳﻤﻪ- ﺍﻟﻤﻴﺰﺍﻥ
ﻟﻠﺸﻌﺮﺍﻧﻲ ﺝ২ﺹ১৩৫
এ বিষয়ে সমস্ত ওলামা ফকীহগণ
একমত রয়েছেন,
অযৌক্তিকভাবে তালাক প্রদান
করা অত্যন্ত অপছন্দনীয় কাজ। আর
ইমাম আবু হানীফা অযৌক্তিক তালাক
দেয়াকে হারাম বলেছেন।
আল্লামা ইবনে হুমাম বলেন :
ﻭﻻﻳﺨﻔﻲ ﺍﻥ ﻛﻼﻣﻬﻢ ﻓﻴﻤﺎ
ﺳﻴﺎﺗﻲ ﻣﻦ ﺍﻟﺘﻌﺎﻟﻴﻞ ﻳﺼﺮﺡ ﺑﺎﻧﻪ
ﻣﺤﻈﻮﺭ ﻟﻤﺎ ﻓﻴﻪ ﻣﻦ ﻛﻔﺮﺍﻥ
ﻧﻌﻤﺔ ﺍﻟﻨﻜﺎﺡ-ﻓﺘﺢ ﺍﻟﻘﺪﻳﺮ
ﺝ ২ﺹ১৪৬
ফকীহদের কথাবার্তা দ্বারা প্রতীয়মান
হয় যে, উপযুক্ত কারণ ব্যতীত তালাক
দেয়া নিষিদ্ধ। কেননা এতে বিবাহের মত
আল্লাহ প্রদত্ত নেয়ামত
এবং ইহসানের অবমূল্যায়ন
এবং অক”তজ্ঞতা প্রকাশ পায়।
ইবনে হুমাম আরো বলেন যে,
ﺍﻻﺻﺢ ﺣﻈﺮﻩ ﺍﻻﻟﺤﺎﺟﺔ প্রয়োজন
ব্যতীত তালাক দেয়া নিষেধ এটাই
সঠিক মতামত। এরূপই
দুররে মুখতারে বলা হয়েছে যে, ﺍﻻﺻﺢ
ﺣﻈﺮﻩ ﺍﻱ ﺍﻟﻄﻼﻕ
ﺑﻼﺿﺮﻭﺭﺓ অর্থাৎ
অপ্রয়োজনে তালাক দেয়া নিষেধ। এটাই
সঠিক মতামত। আল্লামাহ শামীও এই
মতটিকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
(শামী ২/২৬১)
হানাফী ফিকহের প্রসিদ্ধ কিতাব
হেদায়াতেও তালাককে নিষেধ বলে কেবল
প্রয়োজনের সময় তালাক
দেয়াকে জায়েয বলা হয়েছে-
ﺃﻥ ﺍﻷﺻﻞ ﻓﻲ ﺍﻟﻄﻼﻕ ﻫﻮ
ﺍﻟﺤﻈﺮ ﻟﻤﺎ ﻓﻴﻪ ﻣﻦ ﻗﻄﻊ ﺍﻟﻨﻜﺎﺡ
ﺍﻟﺬﻱ ﺗﻌﻠﻘﺖ ﺑﻪ ﺍﻟﻤﺼﺎﻟﺢ ﺍﻟﺪﻳﻨﻴﺔ
ﻭﺍﻟﺪﻧﻴﻮﻳﺔ ﻭﺍﻹﺑﺎﺣﺔ ﻟﻠﺤﺎﺟﺔ ﺇﻟﻰ
ﺍﻟﺨﻼﺹ
আসলে তালাক দেয়া নিষেধ, কেননা এর
দ্বারা বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন হয়,
অথচ বিবাহের সাথে ইহকাল পরকালের
অসংখ্য উপকারিতা সম্পৃক্ত রয়েছে।
অবশ্য প্রয়োজনে বৈধ করা হয়েছে।
হাম্বলী প্রসিদ্ধ ফকীহ ইবনে কুদামাহ
বলেন-
ﺍﻟﻄﻼﻕ ﻋﻠﻰ ﺧﻤﺴﺔ ﺃﺿﺮﺏ
)ﻭﺍﻟﺜﺎﻧﻲ( ﻣﻜﺮﻭﻩ ﻭﻫﻮ ﺍﻟﻄﻼﻕ
ﻣﻦ ﻏﻴﺮ ﺣﺎﺟﺔ ﻟﻘﻮﻝ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ
ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ " ﺃﺑﻐﺾ ﺍﻟﺤﻼﻝ
ﺇﻟﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﻄﻼﻕ ﻭﻋﻨﻪ ﺃﻧﻪ
ﻣﺤﺮﻡ ﻻﻧﻪ ﺿﺮﺭ ﺑﻨﻔﺴﻪ ﻭﺯﻭﺟﺘﻪ
ﻭﺍﻋﺪﺍﻡ ﻟﻠﻤﺼﻠﺤﺔ ﺍﻟﺤﺎﺻﻠﺔ ﻟﻬﻤﺎ
ﻣﻦ ﻏﻴﺮ ﺣﺎﺟﺔ ﺇﻟﻴﻪ ﻭﻟﻘﻮﻝ ﺍﻟﻨﺒﻲ
ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ " ﻻ ﺿﺮﺭ
ﻭﻻ ﺍﺿﺮﺍﺭ-ﺍﻟﻄﺎﻓﻲ ) ﺍﻟﺸﺮﺡ
ﺍﻟﻜﺒﻴﺮ ﻻﺑﻦ ﻗﺪﺍﻣﺔ ﺝ৮ﺹ২৩৪)
অর্থাৎ যেহেতু তালাক অত্যন্ত
অপছন্দনীয় এবং স্বামী-স্ত্রী উভয়ের
জন্যই অত্যন্ত ক্ষতির কারণ তাই
ইমাম আহমদের একমত অনুসারে তালাক
দেয়া হারাম। কেননা রাসূলে পাক
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
ইরশাদ করেছেন যে, নিজেও
ক্ষতিগ্রস্ত হয়ো না এবং অন্যকেও
ক্ষতিগ্রস্ত করো না।
সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More
উপকারিতা
মহিলাদেরকে তালাকের অধিকার
না দেয়ার মধ্যেই রয়েছে উপকারিতা ও
কল্যাণ। এ সম্পর্কে প্রসিদ্ধ
হানাফী ফকীহ ইবনে হুমামের বক্তব্য
অত্যন্ত প্রণিধানযোগ্য তিনি বলেন,
ﺟﻌﻠﻪ ﺑﻴﺪ ﺍﻟﺮﺟﺎﻝ ﺩﻭﻥ ﺍﻟﻨﺴﺎﺀ
ﻻﺧﺘﺼﺎﺻﻬﻦ ﺑﻨﻘﺼﺎﻥ ﺍﻟﻌﻘﻞ
ﻭﻏﻠﺒﺔ ﺍﻟﻬﻮﻯ ، ﻭﻋﻦ ﺫﻟﻚ ﺳﺎﺀ
ﺍﺧﺘﻴﺎﺭﻫﻦ ﻭﺳﺮﻉ ﺍﻏﺘﺮﺍﺭﻫﻦ
ﻭﻧﻘﺼﺎﻥ ﺍﻟﺪﻳﻦ ، ﻭﻋﻨﻪ ﻛﺎﻥ ﺃﻛﺜﺮ
ﺷﻐﻠﻬﻦ ﺑﺎﻟﺪﻧﻴﺎ ﻭﺗﺮﺗﻴﺐ ﺍﻟﻤﻜﺎﻳﺪ
ﻭﺇﻓﺸﺎﺀ ﺳﺮ ﺍﻷﺯﻭﺍﺝ ﻭﻏﻴﺮ ﺫﻟﻚ ،
তালাকের অধিকার পুরুষদের
হাতে রাখার বিভিন্ন কারণ সমূহের
মধ্যে অন্যতম কয়েকটি এই যে,
ক. বুদ্ধি এবং দূরদর্শিতার
স্বল্পতা এবং অধিক আবেগপূর্ণ
হওয়ার কারণে অধিকার প্রয়োগে ভুল
করে বসা এবং সহজেই ষড়যন্ত্রের
শিকার হওয়া।
খ. আর ধর্মীয় ব্যাপারে দুর্বলতা হেতু
সাজ সজ্জা এবং ফ্যাশন
ইত্যাদিতে অধিক নিমগ্ন থাকা, যার
পরিণামে অতি সহজে ষড়যন্ত্রকারীদের
ষড়যন্ত্রের শিকার হওয়া। অনেক
ক্ষেত্রে আপন উদ্দেশ্য সফল করার
জন্য অযৌক্তিক তাল বাহানা শুরু
করা আর স্বামীর গোপনভেদের
কথাবার্তা অন্যদের নিকট ফাঁস
করে দেয়া। এসব ছাড়াও অনেক কারণ
এবং রহস্য রয়েছে যা মানুষের জন্য
অনুধাবন করা সম্ভব নয়।
কেননা আল্লাহ পাকের কর্মকাণ্ডের
এবং তার সিদ্ধান্তাবলির সমস্ত কারণ
এবং রহস্যসমূহ সীমিত জ্ঞানের
অধিকারী মানুষের জন্য
বুঝা এবং অনুধাবন
করা কী করে সম্ভব হতে পারে?
একথাও মনে রাখা প্রয়োজন যে, পুরুষের
বুদ্ধি এবং ধর্মশক্তি ও সঠিক প্রয়োগ
ক্ষমতার কারণে তাদেরকে তালাকের
পুরাপুরি অধিকার দেয়া হয়েছে। অবশ্য
এর পাশাপাশি তালাকের অধিকার
প্রয়োগের জন্য বহুবিধ শর্তাবলীর
পাবন্দ করা হয়েছে। এবং যথাসম্ভব
তালাক না দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।
অনর্থক তালাকের পরিণাম
রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
ﺍﺑﻐﺾ ﺍﻟﺤﻼﻝ ﺍﻟﻄﻼﻕ অর্থাৎ
বিশেষ প্রয়োজনে যে সমস্ত কাজের
অনুমতি প্রদান করা হয়েছে সে গুলির
মধ্যে সর্বাধিক অপছন্দনীয় কাজ
হচ্ছে তালাক প্রদান করা। (আবু দাউদ
১/৩১২)
এ কারণেই অনর্থক তালাক
দেয়াকে গোনাহের কাজ বলে মন্তব্য
করা হয়েছে। প্রসিদ্ধ আরিফ বিল্লাহ
এবং প্রখ্যাত ফকীহ
আল্লামা শা’রানী রহ. বলেন,
ﺍﺗﻔﻘﻮﺍﻋﻠﻲ ﺍﻥ ﺍﻟﻄﻼﻕ ﻣﻜﺮﻭﻩ
ﻓﻲ ﺣﺎﻝ ﺍﺳﺘﻘﺎﻣﺔ ﺍﻟﺰﻭﺟﻴﻦ ﺑﻞ
ﻗﺎﻝ ﺍﺑﻮ ﺣﻨﻴﻔﺔ ﺑﺘﺤﺮﻳﻤﻪ- ﺍﻟﻤﻴﺰﺍﻥ
ﻟﻠﺸﻌﺮﺍﻧﻲ ﺝ২ﺹ১৩৫
এ বিষয়ে সমস্ত ওলামা ফকীহগণ
একমত রয়েছেন,
অযৌক্তিকভাবে তালাক প্রদান
করা অত্যন্ত অপছন্দনীয় কাজ। আর
ইমাম আবু হানীফা অযৌক্তিক তালাক
দেয়াকে হারাম বলেছেন।
আল্লামা ইবনে হুমাম বলেন :
ﻭﻻﻳﺨﻔﻲ ﺍﻥ ﻛﻼﻣﻬﻢ ﻓﻴﻤﺎ
ﺳﻴﺎﺗﻲ ﻣﻦ ﺍﻟﺘﻌﺎﻟﻴﻞ ﻳﺼﺮﺡ ﺑﺎﻧﻪ
ﻣﺤﻈﻮﺭ ﻟﻤﺎ ﻓﻴﻪ ﻣﻦ ﻛﻔﺮﺍﻥ
ﻧﻌﻤﺔ ﺍﻟﻨﻜﺎﺡ-ﻓﺘﺢ ﺍﻟﻘﺪﻳﺮ
ﺝ ২ﺹ১৪৬
ফকীহদের কথাবার্তা দ্বারা প্রতীয়মান
হয় যে, উপযুক্ত কারণ ব্যতীত তালাক
দেয়া নিষিদ্ধ। কেননা এতে বিবাহের মত
আল্লাহ প্রদত্ত নেয়ামত
এবং ইহসানের অবমূল্যায়ন
এবং অক”তজ্ঞতা প্রকাশ পায়।
ইবনে হুমাম আরো বলেন যে,
ﺍﻻﺻﺢ ﺣﻈﺮﻩ ﺍﻻﻟﺤﺎﺟﺔ প্রয়োজন
ব্যতীত তালাক দেয়া নিষেধ এটাই
সঠিক মতামত। এরূপই
দুররে মুখতারে বলা হয়েছে যে, ﺍﻻﺻﺢ
ﺣﻈﺮﻩ ﺍﻱ ﺍﻟﻄﻼﻕ
ﺑﻼﺿﺮﻭﺭﺓ অর্থাৎ
অপ্রয়োজনে তালাক দেয়া নিষেধ। এটাই
সঠিক মতামত। আল্লামাহ শামীও এই
মতটিকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
(শামী ২/২৬১)
হানাফী ফিকহের প্রসিদ্ধ কিতাব
হেদায়াতেও তালাককে নিষেধ বলে কেবল
প্রয়োজনের সময় তালাক
দেয়াকে জায়েয বলা হয়েছে-
ﺃﻥ ﺍﻷﺻﻞ ﻓﻲ ﺍﻟﻄﻼﻕ ﻫﻮ
ﺍﻟﺤﻈﺮ ﻟﻤﺎ ﻓﻴﻪ ﻣﻦ ﻗﻄﻊ ﺍﻟﻨﻜﺎﺡ
ﺍﻟﺬﻱ ﺗﻌﻠﻘﺖ ﺑﻪ ﺍﻟﻤﺼﺎﻟﺢ ﺍﻟﺪﻳﻨﻴﺔ
ﻭﺍﻟﺪﻧﻴﻮﻳﺔ ﻭﺍﻹﺑﺎﺣﺔ ﻟﻠﺤﺎﺟﺔ ﺇﻟﻰ
ﺍﻟﺨﻼﺹ
আসলে তালাক দেয়া নিষেধ, কেননা এর
দ্বারা বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন হয়,
অথচ বিবাহের সাথে ইহকাল পরকালের
অসংখ্য উপকারিতা সম্পৃক্ত রয়েছে।
অবশ্য প্রয়োজনে বৈধ করা হয়েছে।
হাম্বলী প্রসিদ্ধ ফকীহ ইবনে কুদামাহ
বলেন-
ﺍﻟﻄﻼﻕ ﻋﻠﻰ ﺧﻤﺴﺔ ﺃﺿﺮﺏ
)ﻭﺍﻟﺜﺎﻧﻲ( ﻣﻜﺮﻭﻩ ﻭﻫﻮ ﺍﻟﻄﻼﻕ
ﻣﻦ ﻏﻴﺮ ﺣﺎﺟﺔ ﻟﻘﻮﻝ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ
ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ " ﺃﺑﻐﺾ ﺍﻟﺤﻼﻝ
ﺇﻟﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﻄﻼﻕ ﻭﻋﻨﻪ ﺃﻧﻪ
ﻣﺤﺮﻡ ﻻﻧﻪ ﺿﺮﺭ ﺑﻨﻔﺴﻪ ﻭﺯﻭﺟﺘﻪ
ﻭﺍﻋﺪﺍﻡ ﻟﻠﻤﺼﻠﺤﺔ ﺍﻟﺤﺎﺻﻠﺔ ﻟﻬﻤﺎ
ﻣﻦ ﻏﻴﺮ ﺣﺎﺟﺔ ﺇﻟﻴﻪ ﻭﻟﻘﻮﻝ ﺍﻟﻨﺒﻲ
ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ " ﻻ ﺿﺮﺭ
ﻭﻻ ﺍﺿﺮﺍﺭ-ﺍﻟﻄﺎﻓﻲ ) ﺍﻟﺸﺮﺡ
ﺍﻟﻜﺒﻴﺮ ﻻﺑﻦ ﻗﺪﺍﻣﺔ ﺝ৮ﺹ২৩৪)
অর্থাৎ যেহেতু তালাক অত্যন্ত
অপছন্দনীয় এবং স্বামী-স্ত্রী উভয়ের
জন্যই অত্যন্ত ক্ষতির কারণ তাই
ইমাম আহমদের একমত অনুসারে তালাক
দেয়া হারাম। কেননা রাসূলে পাক
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
ইরশাদ করেছেন যে, নিজেও
ক্ষতিগ্রস্ত হয়ো না এবং অন্যকেও
ক্ষতিগ্রস্ত করো না।
সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
মহিলা স্বভাব - তালাকের অধিকার
মহিলা স্বভাব
মহিলাদের অনুভূতি শিশুদের মতই
উচ্ছ্বাসপ্রবণ। যে কোন কর্ম-ক্রিয়া,
প্রভাব অতি সহজেই তাদের ভেতর দাগ
কাটে। তাদের জ্ঞানও সে ক্ষেত্রে হার
মেনে অতীতের কথা ভুলে যায়। তাদের
এই স্বভাবের কথা পবিত্র হাদীসেও
বলা হয়েছে বুখারী শরীফের
হাদীসে আছে-
ﻟﻮ ﺍﺣﺴﻨﺖ ﺍﻟﻲ ﺍﺣﺪﻫﻦ ﺍﻟﺪﻫﺮ
ﺛﻢ ﺭﺃﺕ ﻣﻨﻚ ﺷﻴﺌﺎ ﻗﺎﻟﺖ ﻣﺎﺭﺋﻴﺖ
ﻣﻨﻚ ﺧﻴﺮﺍﻗﻂ
তোমরা নারীদের সাথে জীবন ভর
সদাচারণ করো এবং তাদের
প্রতি এহসান করতে থাকো না কেন
ঘটনাক্রমে যদি কোন দিন সামান্য
পরিমাণ তাদের চাহিদার খেলাফ কোন
কিছু হয়ে যায়,
তাহলে সাথে সাথে বলে উঠবে যে, আজ
পর্যন্ত কোন দিন তোমার তরফ
থেকে আমি শান্তি বলতে কিছু পাইনি,
ভাল কোন কিছু দেখি নি। (ফাতহুল
বারি ১/৭৮)
হাদীসের এই তত্ত্ব অত্যন্ত
বাস্তবসম্মত। আর এই
বাস্তবতাকে পাশ্চাত্য পন্ডিতগণও
স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে। তাই
দেখা যায় বিশ্বকোষে বলা হয়েছে যে,
পুরুষগণ দেহগত শক্তির দিক
দিয়ে মহিলাদের তুলনায় অধিক
শক্তিশালী হয়। ডক্টর দুকারীনী বলেন,
সর্ব প্রকার পুরুষই নারীদের তুলনায়
দেহগতভাবে অধিক শক্তিশালী হয়।
আমিরিকার বর্বর এবং প্যারিসের
প্রগতিবাদী সভ্যদের মধ্যেও একই
অবস্থান। আর মনোবিজ্ঞানের
মাধ্যমে এই কথা সাব্যস্ত হয়েছে যে,
পুরুষদের ধীশক্তির তুলনায় নারীদের
ধীশক্তি একশত গ্রাম কম।
ধীশক্তি এবং দেহের সমতার ক্ষেত্রেও
এই পার্থক্য বিদ্যমান, পুরুষের দেমাগ
ধীশক্তি এবং দেহের সমতার পরিমান
হচ্ছে চল্লিশ ভাগের এক ভাগ, আর
নারীদের হচ্ছে ৪৪ ভাগের ১ ভাগ। এ
কারণেই পুরুষগণ অধিক তেজ
এবং ধীশক্তির অধিকারী হয়ে থাকে।
একারণেই মহিলাগণ মানসিক
ভাবে অল্পতে অধিক প্রভাবিত হয়।
(বিশ্বকোষ ৮/৬০১)
তালাকের অধিকার
একথা জানা যায় প্রয়োজন যে,
পুরুষদেরকে প্রদত্ব তালাকের অধিকার
কিয়াস অথবা ইজতেহাদের
ভিত্তিতে নয় এবং এতে কোন মত
বিরোধও নাই বরং শরীয়ত কর্তৃক
অকাট্য প্রমানাদির দ্বারাই পুরুষের
জন্য এই অধিকার নির্ধারণ
করা হয়েছে। এ
ব্যাপারে উম্মতে মুসলিমার ঐক্যমত
রয়েছে। পবিত্র কুরআনের তালাক
সংক্রান্ত সমস্ত আয়াতেই তালাকের
অধিকার পুরুষের জন্য সুনিশ্চিত
করা হয়েছে। পক্ষান্তরে সম্পর্ক
স্থাপনের ব্যাপারে শুধু স্বামী-
স্ত্রী নয়Ñ বরং স্বামী-স্ত্রী উভয়ের
ইজাব এবং কবূলের শর্তারোপ
করা হয়েছে।
সুরায়ে বাকারাতে বলা হয়েছে ﺍﻟﺬﻱ
ﺑﻴﺪﻩ ﻋﻘﺪﺓ ﺍﻟﻨﻜﺎﺡ-
এতে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে,
বিবাহের বন্ধন পুরাপুরি পুরুষের
অধিকারে রাখা হয়েছে।
বন্ধনকে স্থায়ী করা অথবা খুলে দেয়ার
একমাত্র অধিকার পুরুষের। এ
ক্ষেত্রে নারীদের তালাক দেবার সুযোগ
সীমিত। পক্ষপাতিত্ব এবং হঠকারিতার
পথ পরিহার
করে দূরদর্শী এবং নিরপেক্ষভাবে চিন্তা
করলে দেখা যাবে যে, তালাকের অধিকার
সম্পূর্ণরূপে পুরুষের হাতে থাকাই
যুক্তিযুক্ত এবং ন্যায়সঙ্গত।
সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More
মহিলাদের অনুভূতি শিশুদের মতই
উচ্ছ্বাসপ্রবণ। যে কোন কর্ম-ক্রিয়া,
প্রভাব অতি সহজেই তাদের ভেতর দাগ
কাটে। তাদের জ্ঞানও সে ক্ষেত্রে হার
মেনে অতীতের কথা ভুলে যায়। তাদের
এই স্বভাবের কথা পবিত্র হাদীসেও
বলা হয়েছে বুখারী শরীফের
হাদীসে আছে-
ﻟﻮ ﺍﺣﺴﻨﺖ ﺍﻟﻲ ﺍﺣﺪﻫﻦ ﺍﻟﺪﻫﺮ
ﺛﻢ ﺭﺃﺕ ﻣﻨﻚ ﺷﻴﺌﺎ ﻗﺎﻟﺖ ﻣﺎﺭﺋﻴﺖ
ﻣﻨﻚ ﺧﻴﺮﺍﻗﻂ
তোমরা নারীদের সাথে জীবন ভর
সদাচারণ করো এবং তাদের
প্রতি এহসান করতে থাকো না কেন
ঘটনাক্রমে যদি কোন দিন সামান্য
পরিমাণ তাদের চাহিদার খেলাফ কোন
কিছু হয়ে যায়,
তাহলে সাথে সাথে বলে উঠবে যে, আজ
পর্যন্ত কোন দিন তোমার তরফ
থেকে আমি শান্তি বলতে কিছু পাইনি,
ভাল কোন কিছু দেখি নি। (ফাতহুল
বারি ১/৭৮)
হাদীসের এই তত্ত্ব অত্যন্ত
বাস্তবসম্মত। আর এই
বাস্তবতাকে পাশ্চাত্য পন্ডিতগণও
স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে। তাই
দেখা যায় বিশ্বকোষে বলা হয়েছে যে,
পুরুষগণ দেহগত শক্তির দিক
দিয়ে মহিলাদের তুলনায় অধিক
শক্তিশালী হয়। ডক্টর দুকারীনী বলেন,
সর্ব প্রকার পুরুষই নারীদের তুলনায়
দেহগতভাবে অধিক শক্তিশালী হয়।
আমিরিকার বর্বর এবং প্যারিসের
প্রগতিবাদী সভ্যদের মধ্যেও একই
অবস্থান। আর মনোবিজ্ঞানের
মাধ্যমে এই কথা সাব্যস্ত হয়েছে যে,
পুরুষদের ধীশক্তির তুলনায় নারীদের
ধীশক্তি একশত গ্রাম কম।
ধীশক্তি এবং দেহের সমতার ক্ষেত্রেও
এই পার্থক্য বিদ্যমান, পুরুষের দেমাগ
ধীশক্তি এবং দেহের সমতার পরিমান
হচ্ছে চল্লিশ ভাগের এক ভাগ, আর
নারীদের হচ্ছে ৪৪ ভাগের ১ ভাগ। এ
কারণেই পুরুষগণ অধিক তেজ
এবং ধীশক্তির অধিকারী হয়ে থাকে।
একারণেই মহিলাগণ মানসিক
ভাবে অল্পতে অধিক প্রভাবিত হয়।
(বিশ্বকোষ ৮/৬০১)
তালাকের অধিকার
একথা জানা যায় প্রয়োজন যে,
পুরুষদেরকে প্রদত্ব তালাকের অধিকার
কিয়াস অথবা ইজতেহাদের
ভিত্তিতে নয় এবং এতে কোন মত
বিরোধও নাই বরং শরীয়ত কর্তৃক
অকাট্য প্রমানাদির দ্বারাই পুরুষের
জন্য এই অধিকার নির্ধারণ
করা হয়েছে। এ
ব্যাপারে উম্মতে মুসলিমার ঐক্যমত
রয়েছে। পবিত্র কুরআনের তালাক
সংক্রান্ত সমস্ত আয়াতেই তালাকের
অধিকার পুরুষের জন্য সুনিশ্চিত
করা হয়েছে। পক্ষান্তরে সম্পর্ক
স্থাপনের ব্যাপারে শুধু স্বামী-
স্ত্রী নয়Ñ বরং স্বামী-স্ত্রী উভয়ের
ইজাব এবং কবূলের শর্তারোপ
করা হয়েছে।
সুরায়ে বাকারাতে বলা হয়েছে ﺍﻟﺬﻱ
ﺑﻴﺪﻩ ﻋﻘﺪﺓ ﺍﻟﻨﻜﺎﺡ-
এতে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে,
বিবাহের বন্ধন পুরাপুরি পুরুষের
অধিকারে রাখা হয়েছে।
বন্ধনকে স্থায়ী করা অথবা খুলে দেয়ার
একমাত্র অধিকার পুরুষের। এ
ক্ষেত্রে নারীদের তালাক দেবার সুযোগ
সীমিত। পক্ষপাতিত্ব এবং হঠকারিতার
পথ পরিহার
করে দূরদর্শী এবং নিরপেক্ষভাবে চিন্তা
করলে দেখা যাবে যে, তালাকের অধিকার
সম্পূর্ণরূপে পুরুষের হাতে থাকাই
যুক্তিযুক্ত এবং ন্যায়সঙ্গত।
সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
নারীর তালাকের অধিকার - অধিকার দেয়ার পরিণাম
নারীর তালাকের অধিকার
হ্যাঁ একথা বাস্তব যে, স্বামীকেই শুধু
তালাকের অধিকার
দেয়া হয়েছে স্ত্রীকে সরাসরি তালাকের
অধিকার দেয়া হয় নাই। এর আসল
ইল্লত এবং কারণ আল্লাহপাকই
জানেন। মানুষের পক্ষে এর কারণ সমূহ
জানা সম্ভব নয় এবং প্রয়োজনও নাই,
তবে যতটুকু হেকমত এবং তাৎপর্য
অতি সহজেই প্রতীয়মান হয় তার
মধ্যে অন্যতমঃ
(ক) পুরুষগণ সৃষ্টিগতভাবে নারীদের
তুলনায় অধিক ন্যায়পরায়ন হয়।
চিন্তা-ভাবনা করে,
ধীরস্থিরভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
স্বভাবগতভাবে বুদ্ধিমান
এবং ধৈর্যশীল হয়। তাদের সিদ্ধান্ত
গ্রহণ ক্ষমতা অধিক
এবং বাস্তবসম্মত হয়। আর নারীদের
ব্যাপারে জানা আছে যে, নারীগণ
কোমলমতি সম্পনা, তাদের
অনুভূতি অল্পতেই বিনষ্ট হয়,
তারা অধিক ভাবপ্রবণ ও দুর্বলমনা।
সামান্য ব্যাপারে উত্তেজিত ও
উত্তপ্ত হয়ে উঠে। জেদ এবং রাগ
করে বসে। সামান্য স্বভাববিরোধী কিছু
ঘটলে হঠাৎ করে শেষ পদক্ষেপ
নিয়ে বসে। তাদের স্বভাবগত এই
সমস্ত দুর্বলতার কারণেই শরীয়ত
কর্তৃক তালাকের অধিকার
তাদেরকে দেয়া হয়নি এবং না দেয়াই
সমীচীন হয়েছে। অন্যথায় বৈবাহিক
বরকতময় এই সম্পর্ক দৈনন্দিন
সামান্য ছলছুতায় ছিন্নভিন্ন
হয়ে যেতো এবং খেলায় পরিণত হত।
তারা এই বাস্তবতার স্বীকার করে না।
যারা বর্তমান বিশ্ব এবং পাশ্চাত্য
সমাজের নারীদের অবস্থান
সম্পর্কে যৎসামান্যও অবগত আছে,
তাদের জন্য এ সকল বাস্তব
বিষয়াদিকে অস্বীকার
করা এবং সমালোচনা কারীদের
ভিত্তিহীন কথাবার্তা এবং হায়
হুতাশের সমর্থন করা খুবই কঠিন। এ
সম্পর্কে ইসলামী চিন্তাধারার
বাস্তবতা এবং এর পক্ষে অকাট্য
প্রমাণ হিসেবে পাশ্চাত্য দেশ
সমূহে নারী ঘটিত নানা দুর্ঘটনা ও
কীর্তিকলাপই যথেষ্ট। একথা আর
কারো অজানা নেই যে, ঐ সমস্ত
দেশগুলোতে মেয়েদেরকে তালাক হাসিলের
বিষয়টি কেবল সহজ করেই দেয়া হয় নাই
বরং তাদেরকে সমানভাবে তালাক দেয়ার
অধিকারী করা হয়েছে। যার
পরিণামে শতকরা চল্লিশভাগ বিবাহ
সম্পর্ক বিচ্ছিন্নতায় রূপান্তরিত
হচ্ছে। বৃটিশ
পরিসংখ্যানে দেয়া রিপোর্ট মুতাবিক
১৯৬১ সনে তালাকের
সংখ্যা ১৫০০০- ছিল আর ১৯৭১
ইং সনে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৭৫০০০০-
হয়েছে (ছুবহে জাদীদ) অথচ মিসর ও
কায়রো যেখানে ইসলামী দেশ সমূহের
মাঝে তুলনামূলক সর্বাধিক তালাক
সংগঠিত হয়, সেখানে এর
শতকরা দুইভাগও হয় না। (র্হুরিয়্যাতুয
যাওজাইন খ:২ পৃ:১০৬)
অধিকার দেয়ার পরিণাম
চিন্তা করার বিষয় যে,
নারীদেরকে তালাকের পুরাপুরি অধিকার
দেয়া হয় নাই তারপরও সমাজ
ব্যবস্থা কি পরিমান ভয়াবহ অবস্থার
সম্মুখীন হয়েছে। মাত্র দশ
বৎসরে তালাকের হার কত ভয়াবহ
হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এরপরও
কি ইউরোপীয় সমাজ ব্যবস্থার অন্ধ
অনুসরনের কোন যৌক্তিকতা আছে?
অনেক সময় এমন হাস্যকর
কথা বার্তার উপর পাশ্চাত্য নারীগণ
তালাকের অধিকার প্রয়োগ
করে বসে যে, বিশ্বাস করাই দুষ্কর
হয়ে পড়ে। যেমন তাদের একাধিক
পত্রিকায় প্রকাশিত
খবরে বলা হয়েছে যে, এক
মহিলা আদালতে এই কারণে তালাকের
অধিকার প্রয়োগ করে যে, তার
স্বামী তার প্রিয় কুকুরকে অপছন্দ
করে। দৈনন্দিন এ ধরনের নারীঘটিত
অগণিত ঘটনাবলী সংগঠিত
হওয়া সত্ত্ব্যেও পুরুষদের
সমালোচনা করা এক শ্রেণীর মানুষের
ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। সর্ব
ব্যাপারেই কেবল
পুরুষদেরকে দায়ী করা হয়,
তাদেরকে জালেম
এবং অত্যাচারী বলা হয়। আর
মহিলাদের অসহিষ্ণু আচরণের
প্রতি একটু ভ্রুক্ষেপও করা হয় না।
অথচ যদি সত্যিকার অর্থে পুরুষ
প্রদত্ত্ব তালাকের কারণ
সম্পর্কে সঠিক
এবং নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হয়,
তাহলে দেখা যাবে যে, কমপক্ষে অর্ধেক
পরিমাণ তালাক মহিলাদের সীমালঙ্গন
এবং অসাদাচরণের কারণে সংঘটিত
হয়েছে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More
হ্যাঁ একথা বাস্তব যে, স্বামীকেই শুধু
তালাকের অধিকার
দেয়া হয়েছে স্ত্রীকে সরাসরি তালাকের
অধিকার দেয়া হয় নাই। এর আসল
ইল্লত এবং কারণ আল্লাহপাকই
জানেন। মানুষের পক্ষে এর কারণ সমূহ
জানা সম্ভব নয় এবং প্রয়োজনও নাই,
তবে যতটুকু হেকমত এবং তাৎপর্য
অতি সহজেই প্রতীয়মান হয় তার
মধ্যে অন্যতমঃ
(ক) পুরুষগণ সৃষ্টিগতভাবে নারীদের
তুলনায় অধিক ন্যায়পরায়ন হয়।
চিন্তা-ভাবনা করে,
ধীরস্থিরভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
স্বভাবগতভাবে বুদ্ধিমান
এবং ধৈর্যশীল হয়। তাদের সিদ্ধান্ত
গ্রহণ ক্ষমতা অধিক
এবং বাস্তবসম্মত হয়। আর নারীদের
ব্যাপারে জানা আছে যে, নারীগণ
কোমলমতি সম্পনা, তাদের
অনুভূতি অল্পতেই বিনষ্ট হয়,
তারা অধিক ভাবপ্রবণ ও দুর্বলমনা।
সামান্য ব্যাপারে উত্তেজিত ও
উত্তপ্ত হয়ে উঠে। জেদ এবং রাগ
করে বসে। সামান্য স্বভাববিরোধী কিছু
ঘটলে হঠাৎ করে শেষ পদক্ষেপ
নিয়ে বসে। তাদের স্বভাবগত এই
সমস্ত দুর্বলতার কারণেই শরীয়ত
কর্তৃক তালাকের অধিকার
তাদেরকে দেয়া হয়নি এবং না দেয়াই
সমীচীন হয়েছে। অন্যথায় বৈবাহিক
বরকতময় এই সম্পর্ক দৈনন্দিন
সামান্য ছলছুতায় ছিন্নভিন্ন
হয়ে যেতো এবং খেলায় পরিণত হত।
তারা এই বাস্তবতার স্বীকার করে না।
যারা বর্তমান বিশ্ব এবং পাশ্চাত্য
সমাজের নারীদের অবস্থান
সম্পর্কে যৎসামান্যও অবগত আছে,
তাদের জন্য এ সকল বাস্তব
বিষয়াদিকে অস্বীকার
করা এবং সমালোচনা কারীদের
ভিত্তিহীন কথাবার্তা এবং হায়
হুতাশের সমর্থন করা খুবই কঠিন। এ
সম্পর্কে ইসলামী চিন্তাধারার
বাস্তবতা এবং এর পক্ষে অকাট্য
প্রমাণ হিসেবে পাশ্চাত্য দেশ
সমূহে নারী ঘটিত নানা দুর্ঘটনা ও
কীর্তিকলাপই যথেষ্ট। একথা আর
কারো অজানা নেই যে, ঐ সমস্ত
দেশগুলোতে মেয়েদেরকে তালাক হাসিলের
বিষয়টি কেবল সহজ করেই দেয়া হয় নাই
বরং তাদেরকে সমানভাবে তালাক দেয়ার
অধিকারী করা হয়েছে। যার
পরিণামে শতকরা চল্লিশভাগ বিবাহ
সম্পর্ক বিচ্ছিন্নতায় রূপান্তরিত
হচ্ছে। বৃটিশ
পরিসংখ্যানে দেয়া রিপোর্ট মুতাবিক
১৯৬১ সনে তালাকের
সংখ্যা ১৫০০০- ছিল আর ১৯৭১
ইং সনে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৭৫০০০০-
হয়েছে (ছুবহে জাদীদ) অথচ মিসর ও
কায়রো যেখানে ইসলামী দেশ সমূহের
মাঝে তুলনামূলক সর্বাধিক তালাক
সংগঠিত হয়, সেখানে এর
শতকরা দুইভাগও হয় না। (র্হুরিয়্যাতুয
যাওজাইন খ:২ পৃ:১০৬)
অধিকার দেয়ার পরিণাম
চিন্তা করার বিষয় যে,
নারীদেরকে তালাকের পুরাপুরি অধিকার
দেয়া হয় নাই তারপরও সমাজ
ব্যবস্থা কি পরিমান ভয়াবহ অবস্থার
সম্মুখীন হয়েছে। মাত্র দশ
বৎসরে তালাকের হার কত ভয়াবহ
হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এরপরও
কি ইউরোপীয় সমাজ ব্যবস্থার অন্ধ
অনুসরনের কোন যৌক্তিকতা আছে?
অনেক সময় এমন হাস্যকর
কথা বার্তার উপর পাশ্চাত্য নারীগণ
তালাকের অধিকার প্রয়োগ
করে বসে যে, বিশ্বাস করাই দুষ্কর
হয়ে পড়ে। যেমন তাদের একাধিক
পত্রিকায় প্রকাশিত
খবরে বলা হয়েছে যে, এক
মহিলা আদালতে এই কারণে তালাকের
অধিকার প্রয়োগ করে যে, তার
স্বামী তার প্রিয় কুকুরকে অপছন্দ
করে। দৈনন্দিন এ ধরনের নারীঘটিত
অগণিত ঘটনাবলী সংগঠিত
হওয়া সত্ত্ব্যেও পুরুষদের
সমালোচনা করা এক শ্রেণীর মানুষের
ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। সর্ব
ব্যাপারেই কেবল
পুরুষদেরকে দায়ী করা হয়,
তাদেরকে জালেম
এবং অত্যাচারী বলা হয়। আর
মহিলাদের অসহিষ্ণু আচরণের
প্রতি একটু ভ্রুক্ষেপও করা হয় না।
অথচ যদি সত্যিকার অর্থে পুরুষ
প্রদত্ত্ব তালাকের কারণ
সম্পর্কে সঠিক
এবং নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হয়,
তাহলে দেখা যাবে যে, কমপক্ষে অর্ধেক
পরিমাণ তালাক মহিলাদের সীমালঙ্গন
এবং অসাদাচরণের কারণে সংঘটিত
হয়েছে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
তালাকের বিধান - তালাকের গলদ প্রয়োগ
তালাকের বিধান
মুসলমানদের বৈবাহিক বিধি-বিধানের
মধ্যে তালাকের বিষয়টি বহুল
আলোচিত। এ
ব্যাপারে সমালোচনাকারীগণ
বলে থাকে যে,
ইসলামে পুরুষদেরকে তালাকের
ব্যাপারে বল্গাহীনভাবে অধিকার
দেয়া হয়েছে এবং এই অধিকার
থেকে মহিলাদের সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত
করে জুলুম করা হয়েছে।
সামাজিকভাবে অধিক তালাকের
কারণে এই মাসলাটি সর্বাধিক আলোচ্য
এবং সমালোচনার বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছি।
যারা সমালোচনা করে থাকে তারা বাস্তব
অবাস্তব ঘটনাবলীর আশ্রয়ে নারীদের
অধিকার খর্বের
এবং পুরুষদেরকে অযাচিত অধিকার
দেয়ার প্রোপাগাণ্ডা করত:
প্রমাণাদি পেশ করার পরিবর্তে আবেগ
বশীভূত করে সমাজকে বিব্রত করার
প্রচেষ্টা চালায়।
তারা এক্ষেত্রে অনেক সময় অত্যন্ত
অদূরদর্শীতার পরিচয় দেয়। অথচ
একথা সর্বজনস্বীকৃত যে, দুনিয়ার
যে কোন উত্তম এবং উপকারী বিধানের
অপপ্রয়োগ ঘটলে ভয়াবহ পরিণাম
সৃষ্টি হতে পারে। কিন্তু গলদ প্রয়োগের
কারণে এক দুইটি দুঃখজনক পরিণামের
কারণে কোন
বিধানকে অপকারী অথবা জুলুমের
বিধান বলে আখ্যা দেয়া মোটেই সমীচীন
হয় না।
কোন বিধানের পরীক্ষা নিরীক্ষার
নিয়ম
ইসলামের অন্যান্য বিধি বিধানের ন্যায়
তালাকের ব্যাপারেও আরোপিত শর্ত
সমূহের অনুসরণ
করে সঠিকভাবে বিবেচনা করা হলে
তালাকের বিধানেও কোন
ত্রুটি গোচরীভূত হবে না,
বরং প্রয়োজনীয়তা এবং উপকারিতাও
দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট হয়ে উঠবে।
আর অযৌক্তিক প্রোপাগাণ্ডার
কারণে সৃষ্ট গলদ অনুভূতির
পরিবর্তে ইসলামের অন্যান্য
নীতিমালার মত তালাক বিধানের
বৈশিষ্টসমূহও উজ্জল হয়ে উঠবে।
তালাকের গলদ প্রয়োগ
একথা সত্য যে, সমাজের
সর্বস্তরে সৃষ্ট
অরাজকতা এবং উচ্ছৃংখলতার
প্রভাবে বর্তমান যুগের শিক্ষিত
লোকেরাও শরীয়ত প্রদত্ত্ব তালাকের
অধিকারকে অধিক পরিমাণে প্রয়োজন
ব্যতীত বরং অনর্থক প্রয়োগ
করে থাকে। কিন্তু
গভীরভাবে চিন্তা করা প্রয়োজন যে,
কোন লোকের ভুল পদক্ষেপ
এবং মূর্খতার জন্য তাকে দোষারোপ
এবং দায়ী করার পরিবর্তে ইসলাম
এবং শরীয়তের
সমালোচনা করা এবং তালাকের
বিধানকেই অযৌক্তিক বলার
যৌক্তিকতা কোথায়? এ ধরনের
সমালোচনা সঠিক হবে কী করে?
নেহায়েত অনন্যোপায় অবস্থায় শেষ
পর্যায়ে বাধ্য হয়ে বিশেষ প্রয়োজনের
সময় স্বামী স্ত্রীর কল্যাণ
চিন্তা করেই কেবল তালাকের
অনুমতি দেয়া হয়েছে এবং স্বামীর জন্য
স্বীয় তালাকের অধিকার
প্রয়োগকে বৈধ করা হয়েছে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More
মুসলমানদের বৈবাহিক বিধি-বিধানের
মধ্যে তালাকের বিষয়টি বহুল
আলোচিত। এ
ব্যাপারে সমালোচনাকারীগণ
বলে থাকে যে,
ইসলামে পুরুষদেরকে তালাকের
ব্যাপারে বল্গাহীনভাবে অধিকার
দেয়া হয়েছে এবং এই অধিকার
থেকে মহিলাদের সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত
করে জুলুম করা হয়েছে।
সামাজিকভাবে অধিক তালাকের
কারণে এই মাসলাটি সর্বাধিক আলোচ্য
এবং সমালোচনার বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছি।
যারা সমালোচনা করে থাকে তারা বাস্তব
অবাস্তব ঘটনাবলীর আশ্রয়ে নারীদের
অধিকার খর্বের
এবং পুরুষদেরকে অযাচিত অধিকার
দেয়ার প্রোপাগাণ্ডা করত:
প্রমাণাদি পেশ করার পরিবর্তে আবেগ
বশীভূত করে সমাজকে বিব্রত করার
প্রচেষ্টা চালায়।
তারা এক্ষেত্রে অনেক সময় অত্যন্ত
অদূরদর্শীতার পরিচয় দেয়। অথচ
একথা সর্বজনস্বীকৃত যে, দুনিয়ার
যে কোন উত্তম এবং উপকারী বিধানের
অপপ্রয়োগ ঘটলে ভয়াবহ পরিণাম
সৃষ্টি হতে পারে। কিন্তু গলদ প্রয়োগের
কারণে এক দুইটি দুঃখজনক পরিণামের
কারণে কোন
বিধানকে অপকারী অথবা জুলুমের
বিধান বলে আখ্যা দেয়া মোটেই সমীচীন
হয় না।
কোন বিধানের পরীক্ষা নিরীক্ষার
নিয়ম
ইসলামের অন্যান্য বিধি বিধানের ন্যায়
তালাকের ব্যাপারেও আরোপিত শর্ত
সমূহের অনুসরণ
করে সঠিকভাবে বিবেচনা করা হলে
তালাকের বিধানেও কোন
ত্রুটি গোচরীভূত হবে না,
বরং প্রয়োজনীয়তা এবং উপকারিতাও
দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট হয়ে উঠবে।
আর অযৌক্তিক প্রোপাগাণ্ডার
কারণে সৃষ্ট গলদ অনুভূতির
পরিবর্তে ইসলামের অন্যান্য
নীতিমালার মত তালাক বিধানের
বৈশিষ্টসমূহও উজ্জল হয়ে উঠবে।
তালাকের গলদ প্রয়োগ
একথা সত্য যে, সমাজের
সর্বস্তরে সৃষ্ট
অরাজকতা এবং উচ্ছৃংখলতার
প্রভাবে বর্তমান যুগের শিক্ষিত
লোকেরাও শরীয়ত প্রদত্ত্ব তালাকের
অধিকারকে অধিক পরিমাণে প্রয়োজন
ব্যতীত বরং অনর্থক প্রয়োগ
করে থাকে। কিন্তু
গভীরভাবে চিন্তা করা প্রয়োজন যে,
কোন লোকের ভুল পদক্ষেপ
এবং মূর্খতার জন্য তাকে দোষারোপ
এবং দায়ী করার পরিবর্তে ইসলাম
এবং শরীয়তের
সমালোচনা করা এবং তালাকের
বিধানকেই অযৌক্তিক বলার
যৌক্তিকতা কোথায়? এ ধরনের
সমালোচনা সঠিক হবে কী করে?
নেহায়েত অনন্যোপায় অবস্থায় শেষ
পর্যায়ে বাধ্য হয়ে বিশেষ প্রয়োজনের
সময় স্বামী স্ত্রীর কল্যাণ
চিন্তা করেই কেবল তালাকের
অনুমতি দেয়া হয়েছে এবং স্বামীর জন্য
স্বীয় তালাকের অধিকার
প্রয়োগকে বৈধ করা হয়েছে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ
(
Atom
)










