স্বাস্থ্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
স্বাস্থ্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বিয়ের পর মেয়েরা কেনো মোটা হয়? জেনে নিন কারণ

বিয়ের পরে মেয়েদের মোটা হওয়ার প্রবণতা লক্ষ করা যায়। তা দেখে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে যে বিয়ের পর মেয়েরা কেনো মোটা হয়ে যায়? বিয়ের পর মেয়েরা ৮টি কারণে মোটা হয়ে যায়। জেনে নিন সেসব কারণ।
পড়তে ক্লিক করুনঃ বিয়ের পর মেয়েরা মোটা হয়ে যাওয়ার কারণ



Read More

সুস্থ থাকার উপায়। ১৫ টি টিপস

সুস্থ্যতাই সকল আনন্দ ও সুখের মূল। অসুস্থতা জীবনের আনন্দ ও সুখ কেড়ে নেয়। রোগের চিকিৎসা করানোর চেয়ে রোগ প্রতিরোধ জরুরী। তাই জেনে নিন সুস্থ থাকার ১৫ টি উপায়।


Read More

কলার পুষ্টিগুণ ও কলা খাওয়ার উপকারিতা


বারো মাসই পাওয়া যায় এমন একটি ফলের নাম হচ্ছে কলা। কলা খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি রয়েছে এর নানাবিধ পুষ্টিগুণ।


Read More

তুলসি পাতার উপকারিতা

বহু গুণে গুণানিত তুলসি পাতা। তুলসি পাতা প্রাকৃতিক মহৌঔষুধ। তুলসি পাতা সেবনে নানান রোগ থেকে পরিক্রাণ পাওযা যায়।

বিস্তারত পড়ুন তুলসি পাতার উপকারিতা
Read More

লাউ শাক কেনো খাবেন? জেনে নিন লাউ শাকের উপকারিতা

লাউ শাকে রয়েছে নানান রকমের উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ। লাউ শাক গর্ভস্থ শিশু,সংক্রমণ,কোষ্ঠকাঠিন্য সহ অন্যান্য রোগ-প্রতিরোধে কর্যকরী ভূমিকা রাখে। জেনে নিন লাউ শাকের সেসব উপকারিতার সম্পর্কে।



Read More

ভালো ঘুম হওয়ার উপায়

ঘুম সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে এবং শরীর তরতাজা করে। কিছু পদার্থ আছে যা ভালো ঘুমের জন্য সহায়ক।  আর এসব পদার্থ আছে আমাদের নিত্য দিনের খাবারেও। জেনে নিন কি কি খাবার ভালো ঘুমের জন্য সহায়ক। 
Read More

জেনে নিন হঠাৎ পায়ের রগে বা পেশিতে টান ধরলে করণীয়

Read More

ডায়াবেটিস থেকে কিডনি অকেজো।

শামিম আরা টলি। ৭৩-৭৫ সালের ট্র্যাকের দুর্দান্ত দ্রুততম মানবী। আজ ডায়াবেটিসজনিত কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে দুইটি কিডনি হারিয়েন
বিস্তারিত ডায়াবেটিস থেকে কিডনি রোগী
Read More

মুখে দুর্গন্ধের কারন ও দুর্গন্ধ দূর করার উপায়

Read More

গ্যাস্টিক সমস্যা থেকে বাঁচার সাতটি সহজ উপায়

গ্যাস্টিক সমস্যা থেকে বাঁচার সাতটি সহজ উপায় দেওয়া হয়েছে।  গ্যাস্ট্রিক এর ঔষধ খাওয়া ব্যতীতই গ্যাস্টিক সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। গ্যাস্ট্রিক এর সহজ সমাধান 

Read More

যেসব ভুল থেকে দূরে থাকা উচিত

আমরা নিজের অজান্তেই অনেক ভুল করে বসি। অভ্যাস কিংবা সময়ের স্বল্পতা থেকে ওইসব ভুল হয়ে থাকে। আর এতে ক্ষতি হয় আমাদেরই। তাই অবশ্যই ওইসব ভুল এড়িয়ে চলতে হবে। আমাদের প্রতিদিন যে ভুলগুলো হয়, তার কয়েকটি নিচে তুলে ধরার প্রয়াস পেয়েছি।
ফ্লস ব্যবহার না করা: অনেকেই দাঁত পরিষ্কারের জন্য শুধু ব্রাশ করেন।তবে ব্রাশের মতোই গুরুত্বপূর্ণ হলো ফ্লস (দাঁত পরিষ্কারের জন্য এক রকম সুতো) ব্যবহার। কারণ টুথব্রাশ অনেক সময় দাঁতের মধ্যবর্তী স্থানে জমে থাকা খাদ্যকণা পরিষ্কার করতে পারে না। সে ক্ষেত্রে ডেন্টাল ফ্লস দিনে একবার ব্যবহার করলে দাঁতের মাঝে জমে থাকা খাদ্যকণা পরিষ্কার হয়ে যায়। নিয়মিত ফ্লস না করলে সহজেই দাঁতে গর্ত হয় এবং ব্যথা ও প্রদাহ তৈরি করে। তাই অবশ্যই এ ভুলটি এড়িয়ে চলা উচিৎ সবারই।
ভারি ব্যাগ বহন : কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়াদের বই-খাতা নেওয়ার জন্য প্রতিদিন ভারি ব্যাগ বইতে হয়। চাকরিজীবীদেরও অনেক সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ভারি ব্যাগ টানতে হয়। কিন্তু কাঁধের একপাশে ভারি ব্যাগ বহন করলে মেরুদণ্ড ও শরীর ভারসাম্য হারায়। এরফলে পিঠে ব্যাথা হতে পারে।
নির্দিষ্ট সময়ে না ঘুমানো: প্রত্যেকের জন্য ঘুম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দেওয়ার জন্য ঘুম প্রয়োজন। তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া উচিত। অনেকেই দেরিতে ঘুমাতে যান অথবা খুব অল্প সময় ঘুমান। তারা ভাবেন, পরে বেশি সময় ঘুমিয়ে তা পুষিয়ে নেবেন। বাস্তবতা হলো, নিয়ম করে না ঘুমালে যে ক্ষতি হয়, বাড়তি সময় ঘুমিয়ে তা পুষিয়ে নেওয়া যায় না।
নাস্তা না করা : সকালের নাস্তা সারাদিনের যেকোন খাবারের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দিনের শুরুতে নাস্তা শরীরে সারাদিনের প্রয়োজনীয় শক্তি যোগান দেয়। আর নাস্তা না করলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে অনেকটাই। তাই যদি সকালে নাস্তা না করার অভ্যাস থাকে তবে তা পরিত্যাগ করা উচিৎ।
অতিরিক্ত ব্যায়াম : ব্যায়াম করা ভালো; কিন্তু অতিরিক্ত ব্যায়াম করা ভালো না। অতিরিক্ত ব্যায়াম শরীর সুস্থ রাখার চেয়ে শরীরকে অনেক বেশি অসুস্থ করে দেয়। এমনকি নিয়মিত অতিরিক্ত ব্যায়াম করলে নানা ধরনের অসুখ দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত ব্যায়ামের কারণে সারাক্ষণ ক্লান্তি লাগতে পারে, ঘুম কম হবে এবং অল্পতেই বিরক্তির উদ্রেগ হতে পারে। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।
Read More

মধুমাসের মধুফল কাঁঠালের ৬ স্বাস্থ্য উপকারিতা

মধুমাসের মধুফল কাঁঠাল। বাংলাদেশের জাতীয় এ ফলটির স্বাস্থ্য উপকারিতা নিয়ে সারা বিশ্বে বহু গবেষণা হয়েছে। ফলটি খেতে যেমন সুস্বাদু, এর স্বাস্থ্য উপকারিতাও কম নয়। শক্তিবর্ধক, আঁশযুক্ত, মিনারেল ও ভিটামিনসমৃদ্ধ এ ফলটির ফলনের সময় গ্রীষ্মকাল। কাঁঠালের অসংখ্য গুণের মধ্যে ৬টি উপকারি দিক নিয়ে এখানে আলোচনা করা হলো:
এক. রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে: সর্দি-কাশি, জ্বরের মতো সাধারণ নানা রোগকে প্রতিহত করে কাঁঠাল। ভিটামিন সি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের দারুণ উৎস এটি।
দুই. শক্তির উৎস: কাঁঠালে যথেষ্ট পরিমাণে শর্করা, ক্যালোরি, ফ্রুক্টোজ ও সুক্রোজ রয়েছে, যা দ্রুত শক্তি বাড়ায়। একই সঙ্গে এতে কোন কোলেস্টেরোল জাতীয় উপাদান নেই। সে কারণে এ ফলটিকে বেশ স্বাস্থ্যকর ফলের তালিকায় স্থান দেয়া হয়।
তিন. স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমাতে: কাঁঠালে রয়েছে পর্যাপ্ত পটাসিয়াম, যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে এবং এর ফলে স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে হ্রাস পায়।
চার. হজমশক্তি বাড়াতে: হজমের জন্য উপাদেয় ফল কাঁঠাল এবং এটি কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিহত করে। কারণ, এতে রয়েছে হজমে সহায়ক আঁশ।
পাঁচ. মলাশয়ের ক্যান্সার প্রতিরোধে ও চিকিৎসায়: কাঁঠালে যে ডায়েটারি ফ্যাট উপাদান রয়েছে, তা মলাশয় থেকে বিষাক্ত উপাদানসমূহ পরিষ্কার করে। এভাবে মলাশয়ের ওপর বিষাক্ত উপাদানসমূহের ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে দেয় না এবং মলাশয়ের ক্যান্সার প্রতিহত করে।
ছয়. চোখের জন্য: কাঁঠালে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন এ, যা চোখের জন্য অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান। কাঁঠাল খাওয়ার অভ্যাসে দৃষ্টিশক্তি ভালো হয় এবং এটি ত্বকের বলিরেখা বা ভাঁজ প্রতিহত করে। যেহেতু, কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে, এটি চোখের রেটিনা বা অক্ষিপটের ক্ষতি প্রতিহত করে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।
Read More

দিনে একটি ডিম দূরে রাখবে টাইপ-২ ডায়াবেটিস

আপনি যদি ডিম খেতে পছন্দ করেন এবং খাদ্যটির সঙ্গে আপনার বিপাকীয় বা হজম প্রক্রিয়ার কোনরকম দ্বন্দ্ব বা শত্রুতা না থাকে, তবে আপনার জন্য সুখবর! নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন একটি করে ডিম খাওয়ার অভ্যাস আপনাকে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিকে কমিয়ে দেয়। গবেষণাপত্রটি ‘অ্যামেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিকাল নিউট্রিশন’-এ প্রকাশিত হয়েছে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা আইএএনএস। যে পুরুষরা সপ্তাহে গড়ে ৪টি করে ডিম খান, তাদের ক্ষেত্রে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৩৭ শতাংশ কম। যারা সপ্তাহে একটি মাত্র ডিম খান, তাদের সঙ্গে তুলনামূলক পর্যালোচনার পর এ সিদ্ধান্তে উপনীত হন বিশেষজ্ঞরা। তবে ৪টির বেশি ডিম খেলে, খুব একটা লাভ নেই। কারণ, তাতে উপকারের দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ কোন পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি। বিশ্বে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার হার দ্রুত বাড়ছে। ইউনিভার্সিটি অব ইস্টার্ন ফিনল্যান্ডের গবেষকরা ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত ৪২ থেকে ৬০ বছর বয়সী ২ হাজার ৩৩২ জন পুরুষের খাদ্যাভ্যাসের ওপর এ গবেষণা চালান। তবে নারীদের ক্ষেত্রে সপ্তাহে ৪টি ডিম খাওয়ার এ অভ্যাস টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কতোটা কমবে, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। এর মধ্যে পরবর্তী ১৯ বছরে ৪৩২ জন টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন। গবেষকরা দেখতে পান, ডিম খাওয়ার অভ্যাস টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি হ্রাস করে এবং রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমিয়ে দেয়। শারীরিক সক্রিয়তা, ওজন ও উচ্চতা অনুযায়ী শরীরের মাপ, ধূমপান এবং ফল ও সবজি খাওয়ার ইত্যাদি বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়েই ডিমের অপরিহার্যতার বিষয়টি উল্লেখ করছেন তারা। কোলেস্টেরোলসহ ডিমে উপকারি বহু পুষ্টি-উপাদান রয়েছে, যা টাইপ-২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বয়স ও শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে ডিমের সাদা অংশ কুসুমসহ খাবেন কিনা। তাই বয়সভেদে কিভাবে ডিম খাওয়া উচিত, তা নির্ধারণ করতে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে এবং একই সঙ্গে নিজে সচেতন হতে ইন্টারনেট থেকে তথ্য যাচাই করে নিতে হবে। by: মানব জমিন

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।
Read More

প্রতিদিন ১ চামচ মধু খাওয়ার ১২টি স্বাস্থ্য উপকারিতা

মধু তার অসাধারণ ঔষধি গুনের কারনে প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মধুর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, আয়োডিন, জিংক ও কপার সহ অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যা আমাদের শুধুমাত্র দেহের বাহ্যিক দিকের জন্যই নয়, দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ প্রত্যঙ্গের সুরক্ষায় কাজ করে।
সর্বগুন সম্পন্ন এই মধুর গুনের কথা বলে শেষ করা যাবে না। স্বাস্থ্য সুরক্ষা, চিকিৎসা, সৌন্দর্য চর্চা- কোথায় নেই মধুর ব্যবহার? আসুন দেখে নেয়া যাক মাত্র এক চামচ মধু কি কি অসাধারণ উপকারে লাগতে পারে আপনার।
১) মধু হিউম্যাকটেন্ট যৌগে সমৃদ্ধ। এই যৌগটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার কাজ করে এবং ত্বকের উপরিভাগের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখে। হিউম্যাকটেন্ট যৌগটি ত্বককে নমনীয় করতেও সাহায্য করে। ফলে ত্বক থাকে দীর্ঘদিন বার্ধক্যের ছাপ মুক্ত। প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু রঙ চা কিংবা দুধের সাথে খেতে পারেন। সেই সাথে আপনার রোজকার ফেস প্যাকেও ব্যবহার করতে পারেন মাত্র এক চামচ মধু। মধু ত্বকের উপরিভাগের মৃত কোষ দূর করে ও মুখের ত্বকে ভাঁজ পড়া রোধ করে।
২) মধু শরীরের ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। মধুতে মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গায় ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে। কোথাও পুরে, কেটে গেলে ক্ষত স্থানে মধুর একটি পাতলা প্রলেপ দিয়ে দিন। ব্যথা কমবে ও দ্রুত নিরাময় হবে। মধুতে আছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যা ক্ষত পরিষ্কার হতে সাহায্য করে ও ব্যথা, ঘ্রাণ, পূঁজ ইত্যাদি হ্রাস করে দ্রুত ক্ষত নিরাময় করে।
৩) মধুতে রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান যা ছত্রাক ও অন্যান্য কারনে ক্ষতিগ্রস্থ ত্বককে ঠিক করতে সাহায্য করে ও নতুন ত্বক গঠনে ভূমিকা রাখে। চর্মরোগ হলে নিয়মিত আক্রান্ত স্থানে মধু লাগান। এক চামচ মধুর সাথে অল্প পানি মিশিয়ে ব্যবহার করুন।
৪) মধুতে আছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহ যা সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির বিরুদ্ধে কাজ করে শরীরের চামড়াকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। অনেকটা প্রাকৃতিক সানস্ক্রিনের কাজ করে মধু। রোদে পোড়া ত্বককে স্বাভাবিক করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এক চামচ মধুর সাথে পানি মিশিয়ে প্রতিদিন মুখে ফেস প্যাকের মতন লাগান। রোদে পোড়া জনিত কালো দাগ দূর হয়ে চেহারা হবে ঝলমলে।
৫) মধুতে বিদ্যমান গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ এবং শর্করা শরীরে শক্তি সবরাহের কাজ করে। প্রতিদিন সকালে ১ চামচ মধু সারাদিনের জন্য দেহের পেশীর ক্লান্তি দূর করতে সহায়তা করে ও আপনাকে রাখে এনার্জিতে ভরপুর।
৬) প্রতিদিন ১ গ্লাস পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে মধুতে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম রক্তে প্রবেশ করে। এবং রক্তে হিমোগ্লোবিনের ভারসাম্য বজায় রাখে। এভাবে মধু রক্তস্বল্পতা রোগকে প্রতিরোধ করে।
৭) মধু ঠোঁটের ওপরের শুষ্ক ত্বক ও কালচে ভাব দূর করে ঠোঁটকে নরম ও গোলাপি করে তুলতে সহায়তা করে। রাতে ঘুমের পূর্বে নিয়মিত ঠোঁটে মধু লাগান। ঠোঁট হয়ে উঠবে নজর কাড়া সুন্দর।
৮) মধুর ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, সি কপার , আয়োডিন ও জিংক দেহে এইচডিএল (ভালো) কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। ফলে মধু কোলেস্টেরল সংক্রান্ত রোগ থকে দেহকে মুক্ত রাখে। দিনে অন্তত এক চামচ মধু খেয়ে নিন,যেভাবে আপনার ভালো লাগে।
৯) সাইনাসের কিংবা শ্বাসপ্রশ্বাসের যে কোন সমস্যা থেকে মধুর প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহ দেহকে মুক্ত রাখে। চা কিংবা উষ্ণ পানির সাথে মধু মিশিয়ে প্রতিদিন পান করলে উপকার পাওয়া যাবে।
১০) প্রতিদিন মধু খাওয়া হলে দেহের ইমিউন সিস্টেমের উন্নতি হয়। ফলে আমাদের দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। সহজে অসুখ বিসুখ ও জীবাণুর সংক্রমণ হয় না।
১১) মধু ওজন কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে আমাদের হজম শক্তি বাড়ে ও ফলে খাবারের ক্যালোরি দ্রুত ক্ষয় হয়। এতে ওজন কমে যায়। চিনির বদলে মধুর ব্যবহার মুটিয়ে যাওয়ার হাত থেকেও রক্ষা করে।
১২) যাদের খুসখুসে কাশির সমস্যা আছে, তারা প্রতিদিন এক চামচ আদার রসের সাথে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন। দ্রুত আরোগ্য হবে।
তথ্যসূত্র: প্রিয় লাইফ

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।

 এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?
Read More

যে ৬ টি কারণে আনারস খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো

 
স্বাস্থ্য ডেস্ক : বাজারে এখন চোখ বুলালেই চোখে পড়ে ছোট ছোট আনারস। ছোট্ট এবং হলদে প্রায় আনারসগুলো যে কারো নজর কাড়তে বাধ্য। শুধু নজর কাড়া নয় এই আনারসগুলো স্বাদেও বেশ অতুলনীয়। এক টুকরো আনারস মুখে দিলে অমৃতের স্বাদ পাওয়া যায়। যে কোনো ধরনের ফাস্টফুড জাতীয় খাবারের তুলনায় এই ছোট্ট ছোট্ট একেকটা আনারস অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর তা বলাই বাহুল্য। তারপরও অনেকে জেনে শুনে আনারস খেতে চান না। কিন্তু এই সময়ে আনারস খাওয়া শরীরে জন্য অত্যন্ত জরুরী। জানতে চান আনারসের স্বাস্থ্য উপকারিতা? চলুন তবে দেখে নেয়া যাক আনারস খাওয়া কেন আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য জরুরী।
দেহের পুষ্টির অভাব দূর করে আনারস
আনারস পুষ্টির বেশ বড় একটি উৎস। আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস। এই সকল উপাদান আমাদের দেহের পুষ্টির অভাব পূরণে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন অল্প পরিমানে আনারস খেলে দেহে এইসকল পুষ্টি উপাদানের অভাব থাকবে না।
ওজন কমায় আনারস
শুনতে বেশ অবাক লাগলেও আনারস আমাদের ওজন কমানোয় বেশ সাহায্য করে। কারন আনারসে প্রচুর ফাইবার রয়েছে এবং অনেক কম ফ্যাট। সকালের যে সময়ে ফলমূল খাওয়া হয় সে সময় আনারস এবং সালাদে আনারস ব্যবহার অথবা আনারসের জুস অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। তাই ওজন কমাতে চাইলে আনারস খান।
হাড়ের সুস্থতায় আনারস
আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম ও ম্যাংগানিজ। ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠনে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং ম্যাংগানিজ হাড়কে করে তোলে মজবুত। প্রতিদিনের খাবার তালিকায় পরিমিত পরিমান আনারস রাখলে হাড়ের সমস্যাজনিত যে কোনো রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষায় আনারস
আনারসের ক্যালসিয়াম দাঁতের সুরক্ষায় কাজ করে। মাড়ির যে কোনো সমস্যা সমাধান করতে বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন আনারস খেলে দাঁতে জীবাণুর আক্রমণ কম হয় এবং দাঁত ঠিক থাকে।
চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায় আনারস
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায় যে আনারস ম্যাক্যুলার ডিগ্রেডেশন হওয়া থেকে আমাদের রক্ষা করে। এই রোগটি আমাদের চোখের রেটিনা নষ্ট করে দেয় এবং আমরা ধীরে ধীরে অন্ধ হয়ে যাই। আনারসে রয়েছে বেটা ক্যারোটিন। প্রতিদিন আনারস খেলে এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। এতে সুস্থ থাকে আমাদের চোখ।
হজমশক্তি বৃদ্ধি করে আনারস
আনারস আমাদের হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে বেশ কার্যকরী। আনারসে রয়েছে ব্রোমেলিন যা আমাদের হজমশক্তিকে উন্নত করতে সাহায্য করে। বদহজম বা হজম জনিত যে কোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন আনারস খাওয়া অত্যন্ত জরুরী।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।

 এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?
Read More

মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়ায় গ্রিন টি

 index
 
বিজ্ঞান ডেস্ক : গবেষকেরা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছেন গ্রিন টির নির্যাসে এমন উপাদান রয়েছে যা মস্তিস্কের কার্যাবলীকে প্রভাবিত করে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে৷ ইউনিভার্সিটি হসপিটারল অফ বেসেলের অধ্যাপক ক্রিস্টোফার বেগলিঙ্গার ও সাইক্রিয়াটিক ইউনিভার্সিটি ক্লিনিকের অধ্যাপক স্টিফান বর্গওয়াডর্ট নতুন এই গবেষণায় দেখেছেন, গ্রিন টিয়ের নির্যাস মস্কিষ্কের কার্যকরী সংযোগকে বাড়িয়ে দিতে পারে৷ সংযাগকারী এই প্রভাব প্রকৃত কর্মক্ষমতাকে উন্নত করতে সাহায করে৷
এই মেমরি টাস্কে পরীক্ষা করার জন্য বেশকিছু স্বাস্থবান পুরুষকে কোমল পানীয় খেতে দেওয়া হয় যাতে বিভিন্ন পরিমাণে গ্রিন টিয়ের নির্যাস মেশানো ছিল৷ এর পরই এমআরআইয়ের মাধ্যমে পরীক্ষা করে দেখা যায় পুরুষদেরদের মস্তিষ্কে এটি কতটা প্রভাব বিস্তার করেছে৷
এতে দেখা যায় মস্কিষ্কের পার্শ্বগঠনকারী প্রাচীর ও সম্মুখ বহিরাবরনের মধ্যে সংযোগ বেড়ে গিয়েছে৷ অধ্যাপক বর্গওয়াডর্ট জানিয়েছেন, তাদের এই গবেষণা থেকে জানা গেছে গ্রিন টি মস্কিষ্কে স্বল্পমেয়াদী তথ্যবহুল নমনীয়তা বাড়াতে পারে৷
সম্প্রতি এই গবেষণাটি সাইকোফার্মাকোলজি-র একটি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে৷

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।

 এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?
Read More

মাছ ও মুরগির মাংসে ক্যানসারের উপাদান


 চাষ করা মাছ ও ফার্মের মুরগির মাংসে মাত্রাতিরিক্ত ক্যানসারের উপাদান পাওয়া গেছে। বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য থেকে তৈরি হচ্ছে  মাছ ও মুরগির খাবার। এর নাম দেশী মিট ‘বোন বা ‘পোলট্রি ফিড’। আর এই ফিডের ভেতরেই ক্যানসার, কিডনি, লিভারের জটিল রোগের অন্যতম কারণ ক্রোমিয়ামের অস্তিত্ব পেয়েছেন গবেষকরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের এক গবেষণায় ভয়ঙ্কর এ তথ্য উঠে এসেছে। রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল হোসেনের নেতৃত্বে ওই গবেষণাটি পরিচালিত হয়। গবেষণাটির শিরোনাম ছিল ‘ট্রান্সফার অব ক্রোমিয়াম ফ্রম ট্রেনারি টু হিউম্যান বডি’। গবেষণায় দেখা যায়, চাষ করা মাছ ও ফার্মের মুরগির মাংসে উচ্চ পরিমাণে ক্রোমিয়াম রয়েছে। যা ক্যানসারের অন্যতম সহায়ক উপাদান। এসব মাছ ও মাংস খাওয়ার ফলে ব্লাড, ব্রেন, স্কিন, পাকস্থলি, লিভারসহ বিভিন্ন ধরনের ক্যানসার হচ্ছে বলে জানান অধ্যাপক আবুল হোসেন। ক্যানসারের অন্যতম কারণ হলো খাবারে উচ্চ পরিমাণে ক্রোমিয়াম। ট্যানারি বর্জ্য থেকে তৈরী ক্রোমিয়ামযুক্ত বিষাক্ত খাবার মুরগির চামড়া, মাংস, কলিজা, রক্ত, মস্তিষ্ক ও হাড়ে জমা হতে থাকে। মাছ ও মুরগির বয়স বাড়লে ক্রোমিয়ামের উপস্থিতি বাড়ে দ্রুতহারে। মাত্রাতিরিক্ত ক্রোমিয়াম মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গ, বিশেষ করে লিভার ও কিডনিতে জমা হতে থাকে। এক পর্যায়ে লিভার ও কিডনির কার্যক্রম ব্যাহত করে জটিল রোগের সৃষ্টি করে। মানবদেহের কোষই এক পর্যায়ে বিকল করে দেয়। গবেষণার  উপাদান ফার্ম থেকে ও নিজে উৎপাদন করে প্রমাণ করা হয়। গবেষণা থেকে জানা যায়, মাছ ও মুরগির খাবারের জন্য যেসব উপাদান ব্যবহার করা হয় তাতেই রয়েছে ক্রোমিয়ামের উপস্থিতি। পোলট্রি ফিড তৈরির জন্য গরু, ছাগল, মহিষ, ভেড়াসহ অন্যান্য প্রাণীর চামড়ার অতিরিক্ত অংশ ব্যবহার করা হয়। চামড়া সতেজ ও দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য ব্যবহার করা হয় ক্রোমিয়াম। চামড়া বাজারজাত করার জন্য লেজ, মাথা, হাত-পা, শিং কেটে ফেলা হয়। আর বিভিন্ন অঞ্চলের ট্যানারি ব্যবসায়ীরা এসব অংশ ওষুধ দিয়ে মিশিয়ে গুঁড়ো করে ফেলেন এবং তার সঙ্গে অল্প পরিমাণে শুঁটকি মিশিয়ে তৈরি করেন মাছ ও মুরগির খাবার। এর নাম দেয়া হয় ‘দেশী মিট বোন’।  বর্জ্য অংশ ও গরু-ছাগল, মহিষ ও অন্যান্য প্রাণীর অতিরিক্ত অংশ থেকে যে খাবার তৈরি করা হয় তাতে প্রতিকেজি খাবারে রয়েছে ১৪ হাজার মিলিগ্রাম ক্রোমিয়ামের উপস্থিতি। আর মার্কেটে যে দেশী মিট বোন পাওয়া যায় তাতে রয়েছে ৮২০০ মিলিগ্রাম ক্রোমিয়ামের উপস্থিতি। অথচ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও আমেরিকার এনভারমেন্টাল প্রটেকশন অব এজেন্সির (ইপিএ) আইন অনুযায়ী একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষ সারাদিনে সর্বোচ্চ ৩৫ মাইক্রোগ্রাম ক্রোমিয়াম সহ্য করতে পারে। ১০০০ মাইক্রোগ্রামে হয় এক মিলিগ্রাম। আর মানুষ দৈনিক প্রতিকেজি মাছ-মাংস থেকে কমপক্ষে ৫০০ মাইক্রোগ্রাম ক্রোমিয়াম খাচ্ছে। পৃথিবীতে ১২টি পদার্থকে অত্যন্ত বিষাক্ত পদার্থ হিসেবে ধরা হয়। এরমধ্যে ক্রোমিয়াম একটি। মাছ-মাংস ছাড়াও, চাল, সাক-সবজি ও ফলমূলেও ক্রোমিয়ামের উপস্থিতি থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মাছ ও মুরগির বয়স যত বাড়তে থাকে ক্রোমিয়ামের পরিমাণও বাড়তে থাকে বলে প্রমাণিত হয়েছে গবেষণায়। বিষয়টি প্রমাণ করার জন্য বাজার থেকে ২০-২৫টি মুরগির বাচ্চা পালন শুরু করেন অধ্যাপক আবুল হোসেন। তাদের খাবারের জন্য বাজার থেকে কেনেন দেশী খাবার। কিন্তু ওই খাবার খেয়ে এক মাসের আগেই ছোট কয়েকটি মুরগি মারা যায়। এক মাস পর কয়েকটি মুরগি জবাই করে ৭টি অংশ পরীক্ষা করা হয়। তাতে দেখা যায় রক্তে দশমিক ৭ মিলিগ্রাম, ব্রেনে দশমিক ৮ মিলিগ্রাম, মাংসে দশমিক ৩ মিলিগ্রাম, হাড়ে এক মিলিগ্রাম, কলিজা ও চামড়ায় দশমিক ৬ মিলিগ্রাম এবং মলে ৭০.৪ মিলিগ্রাম ক্রোমিয়াম পাওয়া যায়। দুই মাস পর আরও কয়েকটি মুরগি জবাই করে পরীক্ষা করে দেখা যায় ৬টি অংশেই ক্রোমিয়ামের উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে মস্তিষ্কে। এখানে হয়েছে ৪.৬ মিলিগ্রাম। রক্তে হয়েছে দশমিক ৮ মিলিগ্রাম, মাংসে দশমিক ৫ মিলিগ্রাম, হাড়ে প্রায় ২ মিলিগ্রাম। কলিজায় আগের দশমিক ৬ মিলিগ্রামই রয়েছে। আর মলে বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৭৪ মিলিগ্রাম। প্রক্রিয়া না করেই কখনও কখনও চামড়ার বর্জ্য ও উচ্ছিষ্ট অংশ সরাসরি মাছের খাবারের জন্য ব্যবহার করা হয়। যা আরও ভয়ঙ্কর। রাজধানীর হাজারীবাগ ও রায়েরবাজারেই রয়েছে কয়েক শতাধিক পোলট্রি ফিড তৈরির কারখানা। গবেষক অধ্যাপক আবুল হোসেন মানবজমিনকে বলেন, ক্রোমিয়াম কখনই শেষ হয়ে যায় না। এ পদার্থ মানুষের শরীরের রক্ত, ব্রেন, পাকস্থলী, হাড় কিডনি, চামড়াসহ বিভিন্ন অংশে জমা হয়ে কোষ বিকল করে দেয়। তিনি বলেন, খাবারে ক্রোমিয়ামের মাত্রারিক্ত উপস্থিতির কারণেই দেশব্যাপী ক্যানসারের রোগী দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ড. আবুল হোসেন  বলেন, এই গবেষণা করার সময় ট্যানারির বর্জ্য থেকে উৎপাদিত বিভিন্ন পোলট্রি ফিডের নমুনা বাজার থেকে কেনা হয়েছে। এ ছাড়া সরাসরি কারখানা থেকেও নমুনা সংগ্রহ করা হয়। যেসব কারখানায় ট্যানারির বর্জ্য থেকে পোলট্রি ফিড উৎপাদন হচ্ছে তার মধ্যে ক্রোমিয়াম থাকবেই। তবে ট্যানারি বর্জ্য ছাড়াও অন্য উপাদান ব্যবহার করে দেশে পোলট্রি ফিড তৈরি হয়। সেখানে ক্রোমিয়ামের উপাদান থাকার সম্ভাবনা কম। তিনি জানান, ঢাকার ট্যানারি শিল্প এলাকা হাজারীবাগের আশপাশেই রয়েছে শতাধিক পোলট্রি ফিডের কারখানা। এগুলোতে তৈরি প্রায় সব খাবারেই রয়েছে মাত্রাতিরিক্ত ক্রোমিয়ামের উপস্থিতি। তিনি বলেন, যে তাপমাত্রায় মাছ-মুরগি রান্না হয় তাতে ক্রোমিয়ামের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয় না। এই রাসায়নিক উপাদান মানবকোষের ডিএনএ’র গঠন ভেঙে জেনেটিক্যাল রোগেরও সৃষ্টি করে। 
ট্যানারি থেকে উৎপাদিত খাবার ব্যবহারের কারণ: প্রধানত দু’টি কারণে ট্যানারি থেকে উৎপাদিত ‘দেশী মিট বোন’ কিনে মাছ ও মুরগিকে খাওয়ানো হয়। এগুলো দামে কম। প্রতিকেজি মাত্র ১৭-১৮ টাকা। অন্যদিকে অন্যান্য পদার্থে তৈরী (চাল, গম, ভুট্টা, ও শুঁটকি) প্রতিকেজির দাম ৪০-৪২ টাকা আর বিদেশী খাবার প্রতিকেজির দাম ৫০-৫২ টাকা। এছাড়া ট্যানারিতে তৈরী খাবার খেয়ে মাছ ও মুরগি দ্রুত বাড়ে। 
অন্যান্য বস্তুতেও স্থানান্তরের আশঙ্কা: শুধু মাছ-মাংসই নয়, অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপকরণেও ক্রোমিয়ারের বিস্তারের আশঙ্কা রয়েছে। যেমন, চাল, সবজি, গমসহ অন্যান্য। কেননা মুরগির পায়খানা বা বিষ্ঠা সাধারণত শাকসবজি ও ধান উৎপাদনের জন্য ব্যবহার করা হয়। এছাড়া উচ্ছিষ্ট চামড়ার একটা অংশ কাপড় কাঁচার সাবান তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়। এর ফলে স্কিন ক্যানসারের ঝুঁকি থেকে যায়। খবরঃ মানব জমিন
আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।

 এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?
Read More

পেটে চর্বি, কী করবেন?

পেটে চর্বি, কী করি!
ছেলে-বুড়ো-মেয়ে সবাই পেটের চর্বি নিয়ে ভোগেন। এবার জেনে নিন পেটের চর্বি দূর করার কয়েকটি ঘরোয়া টিপস।
এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে লেবু চিপে নিন। তারপর একটু লবণ মিশিয়ে শরবত তৈরি করে প্রতিদিন সকালে খান। চর্বি দৌড়ে পালাবে।
সকালে দুই-তিন কোয়া কাঁচা রসুন খেতে পারেন। লেবুর শরবত পান করার পর পর রসুন খেয়ে নিলে ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে। এ অভ্যাসটি আপনার শরীরের ওজন এবং পেটের চর্বি কমানোর প্রক্রিয়াটি দ্বিগুণ করবে। শরীরের রক্ত সঞ্চালনও হবে সাবলীল গতিতে।
সকালের নাশতায় শক্ত খাবারের পরিমাণ কমিয়ে ফলের জায়গা করে দিন। নিয়মিত সকালে এক বাটি ফল আপনার পেটের চর্বি কমাতে দারুণ সাহায্য করবে।
পেটের চর্বি থেকে মুক্তি চাইলে পানির সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে হবে। কারণ পানি আপনার শরীরের পরিপাক ক্ষমতা বাড়িয়ে দিয়ে শরীর থেকে ক্ষতিকর পদার্থ বের করতে সাহায্য করে।
দৈনন্দিন খাবার তালিকা থেকে সাদা চালের ভাত বাদ দিন। এর পরিবর্তে আটার তৈরি খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন।
নানা রকম মসলা না দিয়ে খাবারে দারুচিনি, আদা, কাঁচা মরিচ বেশি ব্যবহার করে রান্না করুন। এগুলো শরীরের রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে রাখবে।
চিনি জাতীয় খাবার শরীরে চর্বি জমতে সাহায্য করে। তাই চিনি খাওয়া বাদ দিতে হবে। পেটের চর্বি থেকে রেহাই পেতে হলে চিনির সঙ্গে শত্রুতা ছাড়া উপায় নেই।
টিপসগুলো এখন থেকেই মেনে চলুন আর পেটের চর্বি দূর করে হয়ে উঠুন দারুণ স্লিম।
এসবিএ/এএ সৌজন্যঃ পরিবর্তন ডট কম। 

 বিষয় সমূহঃ >আল কোরআন/আরবী থেকে-বাংলা-ইংরেজী সহ<+>ইসলাম< +>আদর্শ নারী Adarsha Nari <+>নারী পুরুষের যৌন সমস্যা সমাধান<+>নারীস্বাস্থ্য সমস্যা ও পরামর্শ<+>মাসিক মনোজগত<+>যৌন শিক্ষা/যৌন মিলন/জন্মনিয়ন্ত্রন<+>ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর কর্তব্য ও মধুর মিলন।<+>কামসূত্র (সংক্ষিপ্ত)<+>দাম্পত্য জীবন/বিবাহ<+>কারবালার করুণ ইতিহাস<+>ডাঃজাকির নায়েকের লেকচার।<+>কম্পিউটার/মোবাইল/ইন্টারনেট<+>সর্বাধিক পঠিত<+>সোনা মনিদের মজার মজার গল্পের ভাণ্ডার(আন লিমিটেড)<+>হাসির দুনিয়া -কৌতুক এবং জোকস(আন লিমিটেড)<+>এই পোস্ট গুলি কি আপনি পড়েছেন?<+>আমাদের রাজনিতি/মিডিয়া <



আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।

 এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?
Read More

অতিরিক্ত ফলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি

অতিরিক্ত ফলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি
ফল শরীরের জন্য উপকারী হলেও অতিমাত্রায় ফল খাওয়া মোটেও স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। বরং খুব বেশি মাত্রায় ফল খেলে শরীরে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়। কিছুদিন আগে জার্মানির অ্যাস্থমা অ্যাসোসিয়েশন এ তথ্যটি জানিয়েছে।
তাদের মতে, একজন সুস্থ মানুষ ২৫ গ্রামের বেশি ফ্রুকটোজ শরীরে নিতে পারে না। এ ফ্রুকটোজের মাত্রা যখন ২৫ গ্রাম ছাড়িয়ে যায় তখন শরীরে গ্যাস, কলেরাসহ নানা উপদ্রব দেখা দেয়।
তাছাড়া পেটে টিউমার হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। অনেক সময় শক্তি বাড়ানোর জন্য শিশুদের বেশি করে ফল খাওয়ানো হয়। কিন্তু খাওয়ানোর সময় অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে যেন ফল খাওয়ানোর মাত্রাটা অত্যধিক না হয়ে যায়।
চিকিৎসকরা বলছেন, পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তিরা প্রতিদিন ৫০০ গ্রাম ফল খেতে পারেন। অপরদিকে শিশুদের ক্ষেত্রে সে পরিমাণটা হলো ২৫০ গ্রাম।
কানাডার বারলিংটনের ড. বেন কিন জানান, যারা ফল খাবারে ভারসাম্য বজায় রাখতে পারেন তাদের ক্ষেত্রে ফল বরং বেশ উপকারী। বেশির ভাগ মারাত্মক চ্যালেঞ্জগুলো ছিল দাঁতের ক্ষয়, ওস্টেওপরোসিস, মাসেলের টিস্যু নষ্ট হয়ে যাওয়া, ওজন রক্ষায় অক্ষমতা, স্থায়ী ক্লান্তি, ত্বক সমস্যা, চুল কৃশে হয়ে যাওয়া, নখের দুর্বল হয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত রুষ্টতা ও বিষণ্নতা ইত্যাদি।
কিন বলেন, “বেশি ফল খাওয়ার পরও যাদের গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ নাই এমন একজনেরও দেখা পাইনি দু বছরেরও অধিক গবেষণায়।
কিন জানান, অতিরিক্ত ফল খাওয়ায় যে সমস্যাগুলো দেখা দেয়, তার মধ্যে হরমোন জনিত সমস্যা অন্যতম। হরমোনের সমস্যার কারণে রক্তের চিনির নিয়ন্ত্রণে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়।
শাতৈ/যাকা সূত্রঃ পরিবর্তন ডট কম 

 বিষয় সমূহঃ >আল কোরআন/আরবী থেকে-বাংলা-ইংরেজী সহ<+>ইসলাম< +>আদর্শ নারী Adarsha Nari <+>নারী পুরুষের যৌন সমস্যা সমাধান<+>নারীস্বাস্থ্য সমস্যা ও পরামর্শ<+>মাসিক মনোজগত<+>যৌন শিক্ষা/যৌন মিলন/জন্মনিয়ন্ত্রন<+>ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর কর্তব্য ও মধুর মিলন।<+>কামসূত্র (সংক্ষিপ্ত)<+>দাম্পত্য জীবন/বিবাহ<+>কারবালার করুণ ইতিহাস<+>ডাঃজাকির নায়েকের লেকচার।<+>কম্পিউটার/মোবাইল/ইন্টারনেট<+>সর্বাধিক পঠিত<+>সোনা মনিদের মজার মজার গল্পের ভাণ্ডার(আন লিমিটেড)<+>হাসির দুনিয়া -কৌতুক এবং জোকস(আন লিমিটেড)<+>এই পোস্ট গুলি কি আপনি পড়েছেন?<+>আমাদের রাজনিতি/মিডিয়া <



আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।

 এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?
Read More

ক্যানসার কোষ ধ্বংস করবে ভাইরাস

ক্যানসার কোষ ধ্বংস করবে ভাইরাস
এবার ক্যানসারে আক্রান্ত টিউমার সেল বা ক্যানসারের কোষ ধ্বংস করবে ভাইরাস। শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এটি কতটা কার্যকর তা নিয়েই কাজ করছেন জার্মান বিজ্ঞানীরা।
ভাইরাসের মাধ্যমে ক্যানসারের কোষ ধংসের এ প্রক্রিয়াকে ‘অনকোলাইসিস' বলেছেন বিজ্ঞানীরা। এ প্রক্রিয়ায় ভাইরাসগুলো ক্যানসার কোষের ভেতর প্রবেশ করে নিজেদের পাল্টা বংশবৃদ্ধি করতে থাকে এবং ওসব কোষকে ধ্বংস করে দেয়৷
জার্মানির ট্যুবিঙ্গেন ইউনিভার্সিটি মেডিকেল ক্লিনিকের উলরিশ লাওয়ের নেতৃত্বে গবেষণাটি পরিচালিত হচ্ছে।
তবে এধরনের গবেষণা নতুন নয়। আগেও হয়েছে। উলরিশ লাওয়ের জানিয়েছেন, অন্তত ১০০ বছর ধরে এই প্রক্রিয়াটি পর্যবেক্ষণ করছেন বিজ্ঞানীরা।
ভাইরাসের এ ধরনের প্রক্রিয়ায় পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, ক্যানসার আক্রান্ত রোগীর দেহে ভাইরাসের প্রবল সংক্রমণ হয়, তাদের ক্যানসার কোষগুলোর বিস্তার বন্ধ হয়ে যায় এবং টিউমার ছোট হতে থাকে৷ এমনকি কয়েকজন রোগীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে, ক্যানসার কোষ পুরোই নির্মূল হয়ে গেছে।
এই প্রক্রিয়ায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ট্যুবিঙ্গেন ক্লিনিক এবং পল এরলিচ ইনস্টিটিউট একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে৷ তারা একটি ‘অনকোলাইটিস্ট মিজেলস ভ্যাকসিন' আবিষ্কারের চেষ্টা করছে৷ জার্মান শিক্ষা এবং গবেষণা মন্ত্রণালয় এই প্রকল্পের অর্থায়ন করছে৷
লাওয়ের জানান, তারাই প্রথমবারের মতো ভাইরাসকে রূপান্তরের চেষ্টা করেছেন যেন এটি টিউমার কোষগুলোকে আক্রমণ করতে সক্ষম হয়। অনকোলাইটিক ভাইরাসগুলো সেইভাবে রূপান্তর করা হবে যাতে তার ক্যানসারের কোষগুলোকে আক্রমণ করে এবং তাদের মেরে ফেলে।
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা জীনগত প্রকৌশলের মাধ্যমে ভাইরাসকে রূপান্তর করা সম্ভব বলে জানান লাওয়ের৷
বিজ্ঞানীরা বেশিরভাগ ভাইরাসের জীনগত গঠন পর্যবেক্ষণ করে রূপান্তরের চেষ্টা করছেন৷ ভাইরাসটি রূপান্তরের পর রোগীর দেহে প্রবেশ করিয়ে এরপর রক্ত পরীক্ষা করা হয়৷ তখন দেখা হয়, ভাইরাসটি আসলেই রোগীর দেহে সংক্রমিত হয়েছে কিনা, আর সেটা কতদিন রোগীর দেহে অবস্থান করছে৷
লাওয়ের জানান, রূপান্তরের আসল কাজটা হলো ভাইরাসগুলো কত দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে এবং ক্যানসার কোষকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে৷ তবে যেসব ক্যানসার রোগী ছোটবেলায় মিসেল ভ্যাকসিন বা বসন্তের টিকা নিয়ে থাকেন, তাদের এক ধরনের সমস্যা দেখা দেয় বলে জানালেন বিজ্ঞানী৷
তিনি বলেন, যদি ভ্যাকসিন দেয়া থাকে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সম্ভাবনা থাকে, ভাইরাস দেহে প্রবেশ করা মাত্র ক্যানসার কোষকে আক্রমণের আগেই তাকে আটকে দেয় ভ্যাকসিন৷
যেসব রোগীকে অনকোলাইটিক চিকিৎসা দেয়া হবে, খুবই স্বাভাবিক যে তাঁরা রেডিয়েশন থেরাপি এবং কেমোথেরাপির মধ্য দিয়ে যাবেন৷ তাই বিজ্ঞানীরা এটাও পর্যবেক্ষণ করছেন ভাইরাস দেহে প্রবেশ করালে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে কিনা৷
লাওয়ের বললেন, যেহেতু তারা প্রকল্পের একেবারে প্রথম ধাপে রয়েছেন, তাই এখনোই এ সম্পর্কে বলাটা কঠিন৷
তবে ক্যানসার চিকিৎসার পরবর্তীতে ভাইরাসটি রোগীর দেহে থেকে যায় কিনা, বা যেসব চিকিৎসক এই প্রক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট বা পরিবারের সদস্যদের সংক্রমণের সম্ভাবনা আছে কিনা, সেসবও পর্যবেক্ষণ করছেন তাঁরা৷
ট্যুবিঙ্গেন ক্লিনিকের অ্যাবডোমিনাল ক্যানসার রোগীদের দেহে ২০১২ সালের এপ্রিল থেকে এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে৷
সেখানে রোগীদের তলপেটে সরাসরি ভাইরাস ভ্যাকসিন প্রবেশ করানো হয়, যাতে ভাইরাসটি খুব দ্রুত ক্যানসার কোষের সংস্পর্শে আসে৷ তবে লাওয়ের বেশ আশাবাদী৷ তাঁর ধারণা, ভবিষ্যতে ‘অনকোলাইসিস' ক্যানসারের চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে৷ সুত্রঃ পরিবর্তন ডট কম 

 বিষয় সমূহঃ >আল কোরআন/আরবী থেকে-বাংলা-ইংরেজী সহ<+>ইসলাম< +>আদর্শ নারী Adarsha Nari <+>নারী পুরুষের যৌন সমস্যা সমাধান<+>নারীস্বাস্থ্য সমস্যা ও পরামর্শ<+>মাসিক মনোজগত<+>যৌন শিক্ষা/যৌন মিলন/জন্মনিয়ন্ত্রন<+>ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর কর্তব্য ও মধুর মিলন।<+>কামসূত্র (সংক্ষিপ্ত)<+>দাম্পত্য জীবন/বিবাহ<+>কারবালার করুণ ইতিহাস<+>ডাঃজাকির নায়েকের লেকচার।<+>কম্পিউটার/মোবাইল/ইন্টারনেট<+>সর্বাধিক পঠিত<+>সোনা মনিদের মজার মজার গল্পের ভাণ্ডার(আন লিমিটেড)<+>হাসির দুনিয়া -কৌতুক এবং জোকস(আন লিমিটেড)<+>এই পোস্ট গুলি কি আপনি পড়েছেন?<+>আমাদের রাজনিতি/মিডিয়া <



আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।

 এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?
Read More