যোনি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
যোনি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সঙ্গমকালীন যোনি শুষ্কতা বিষয়ক সাধারণ প্রশ্নোত্তর
প্রশ্নঃ আমি একজন নারী।আমার বয়স ৪০ সবেমাত্র পেরিয়েছে আমার স্বাস্থ্যভাল। ইদানীং আমি সঙ্গমকালীন সময়ে স্বামীরসাথে পরিপূর্ণ যৌনতৃপ্তিঅনুভব করি না। আমার যোনি শৃঙ্গারের সময় বা চরমপুলকের সময়ও পর্যাপ্তপরিমাণে পিচ্ছিল হয় না। এটা কি আমার বয়সজনিত কারণে হচ্ছে?
উত্তরঃ হঠাৎ কোনো একবারযোনিতে শুষ্কতা বিরাজ করা খুব একটা অস্বাভাবিক ঘটনা নয়। স্ট্রেস বা মনোদৈহিক কারণে এমনটি ঘটতেই পারে। পরিসংখ্যানগত গবেষণায় দেখা গেছে শতকরা ৯৫ ভাগ যৌন সক্ষম নারী স্ট্রেস ডিসফাংশনের জন্যে যোনির শুষকতা জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে দেখা গেছে। আমি মনে করি না এক্ষেত্রেআপনার বয়স যোনি শুষ্কতা এবং চরমপুলক অনুভূতি লাভের মূল প্রতিবন্ধক। যখন নারী যৌনভাবে শিহরিত হয় তখন তার মস্তিষ্ক যোনিপ্রাচীর এবং যোনি সংলগ্ন বা বার্থোলিন গ্রন্থিদ্বয়ের এক ধরনের সংকেত বা সিগন্যাল পাঠায়। যার ফলে যোনি রস নিঃসৃত হয়ে আর্দ্রতা বাড়ায়। মনোদৈহিক চাপ বা অন্যান্য মানসিক চাপের কারণে মস্তিষ্ক থেকে কোনো ধরনের সিগন্যাল বা সংকেত যোনিতে নাও আসতে পারে। এজন্য যোনিতে শুষকতা বিরাজ করতে পারে এবং সাথে চরমপুলক অনুভূতি বা যৌন শিহরণে ঘাটতি দেখা দিতে পারে। আমার মনে হয় আপনার ক্ষেত্রে এটি মূল সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ সমস্যা উত্তরণের জন্য আপনি অবিলম্বে একজন অভিজ্ঞ মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
প্রশ্নঃ আমার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে কয়েক বছর আগে। এখন আমার বয়স ৫৭ বছর। সম্প্রতি আমি আমার এক বয়ফ্রেন্ডের সাথে যৌনসঙ্গম এবং অন্যান্য যৌন আচরণ করে থাকি। সে আমার চেয়ে কয়েক বছরের ছোট। যৌন মিলনের জন্য সে সদা তৎপর আচরণ করে। কিন্তু যৌন সঙ্গম করার পরআমি অনুভব করি আমার যোনিতে শুষ্কতার কারণে এবং পেনিসের ঘর্ষণজনিত কারণে এক ধরনের ঘা হয়ে গেছে। ফলে আমার কয়েকদিন পর্যন্ত হাঁটতে অসুবিধা হয়।
উত্তরঃ এ সমস্যাটি হওয়ার পেছনে মূলত আপনার যোনিতে তীব্র শুষ্কতাই মূল কারণ। তীব্র শুষ্কতা অনেক মেডিকেল জটিলতার কারণে হতে পারে। আপনার ক্ষেত্রে ডিভোর্স বা বিবাহ বিচ্ছেদ একটি গুরুত্বপূর্ণ মানসিক চাপহিসেবে ভূমিকা রাখছে সেই সাথে দেখতে পাচ্ছি আপনার মনোপজ বা রজঃনিবৃত্তিও হয়ে গেছে। এই উভয় কারণে যোনি শুষ্কতার ব্যাপারটিআপনার ক্ষেত্রে অতি তীব্র। আপনার উচিত যৌনমিলনের পূর্বে অথবা যৌনমিলনের সময় আর্দ্রতাকারক তরল বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত। তবে যে প্রোডাক্টস আপনি ব্যবহারকরবেন তা ‘পিএইচ’ জেনে নিনএবং আপনার জন্য তা এ্যালার্জি বা স্পর্শকাতরতার সূচনা করবে কিনা তা জেনে নিন। যৌনমিলনের পূর্বে ভুলেও কখনও ক্ষারধর্মী সাবান বা এসিডধর্মী কোনো প্রোডাক্টস দিয়ে যোনি পরিষকার করবেন না। এতে করে যোনিতে এরিটেশন বা জ্বালাপোড়ার উদ্রেক হতে পারে। আরেকটি ব্যাপার আপনার ক্ষেত্রে জেনে রাখা প্রয়োজন সেটি হল যোনির কোষকলা বয়সজনিত কারণে কিছুটা পাতলা হয়ে যায় এবং স্থিতিস্থাপকতাওআগের চেয়ে কমে যায়। তাই আপনি অবশ্যই সঙ্গম করতে হলে ভাল লুব্রিকেন্টস ব্যবহার করবেন
প্রশ্নঃ আমার বয়স ৪২ বছর। যৌনমিলনকালীন সময়ে আমার যোনিতে শুষ্কতা বিরাজ করে। এটির মাত্রা এতই বেশি যে, ইন্টারকোর্সের সময় আমি ব্যথা অনুভব করি এবং প্রত্যেকবার স্বামী যখন সঙ্গমের জন্য আমায় ডাকে আমি তার ডাকে সাড়া দিতে ভয় পাই। আমি টেন্স অনুভব করি শুষ্কতা আরো বেড়ে যায়আমার কি করা উচিত?
উত্তরঃ একটু আগেই আমরা উল্লেখ করেছি যে, যোনি শুষ্কতা একটি খুব প্রচলিত মেডিকেল জটিলতা যা শতকরা ৯৫ ভাগ নারীর জীবনে কোনো না কোনো পর্যায়ে ঘটতে পারে। এটির মূল কারণ হরমোন লেবেলের তারতম্যতা। যখন এস্ট্রোজেন লেবেল কমে যায় তখন সংবেদনশীল ও স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে আর্দ্রতাও অনেক মাত্রায় হ্রাস পায়। অনেক ধরনের মেডিকেল কন্ডিশনের জন্য এস্ট্রোজেন হরমোনের লেবেল কমতে পারে। এর মাঝেরজঃনিবৃত্তি বা মনোপজ একটি উল্লেখযোগ্য কারণ। অন্যান্য কারণের মাঝে রয়েছে খাদ্যাভ্যাসজতি নানা সমস্যা, স্ট্রেস বা মনোদৈহিক চাপ, শরীরের অস্ত্রোপচার যেমন-জরায়ু বা ওভারি অপসারণ করা, কেমোথেরাপি জাতীয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদির কারণে যোনিতে শুষ্কতা বিরাজ করতে পারে। আপনার ক্ষেত্রে একেবারে সঠিক কারণ কোনটি তা আন্দাজ করে বলা মুশকিল। তবে টেন্স অনুভব করা বা অতিরিক্ত টেনশন বামানসিক চাপ এক্ষেত্রে মুল ভূমিকা রাখতে পারে। আপনি যেহেতু ইন্টারকোর্সের সময় ব্যথাঅনুভব করেন তাই আপনার উচিত অবিলম্বে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া।
যৌনিতে শুষ্কতা বিরাজ করা একটি মেডিকেল জটিলতা। কতক দম্পতিদের ক্ষেত্রে এই সাধারণ মেডিকেল জটিলতা দাম্পত্যজীবনে কলহসহ ডিভোর্স বা বিবাহ বিচ্ছেদ পর্যন্ত করাতে পারে। অধিকন্তু যাদের অতিরিক্ত মাত্রায় যৌনিতে শুষকতা সবসময় বিরাজ করে তাদের ক্ষেত্রে যোনিতে জীবাণুজনিত সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। তাই উপযুক্ত সময়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া দম্পতিদেরঅবশ্যই কর্তব্য।
অধ্যাপক ডা. এ এইচ মোহাম্মদ ফিরোজ
এমবিবিএস এফসিপিএস এমআরসিপি এফআরসিপি
E-mail : professorfiroz@yahoo.com
Read More
উত্তরঃ হঠাৎ কোনো একবারযোনিতে শুষ্কতা বিরাজ করা খুব একটা অস্বাভাবিক ঘটনা নয়। স্ট্রেস বা মনোদৈহিক কারণে এমনটি ঘটতেই পারে। পরিসংখ্যানগত গবেষণায় দেখা গেছে শতকরা ৯৫ ভাগ যৌন সক্ষম নারী স্ট্রেস ডিসফাংশনের জন্যে যোনির শুষকতা জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে দেখা গেছে। আমি মনে করি না এক্ষেত্রেআপনার বয়স যোনি শুষ্কতা এবং চরমপুলক অনুভূতি লাভের মূল প্রতিবন্ধক। যখন নারী যৌনভাবে শিহরিত হয় তখন তার মস্তিষ্ক যোনিপ্রাচীর এবং যোনি সংলগ্ন বা বার্থোলিন গ্রন্থিদ্বয়ের এক ধরনের সংকেত বা সিগন্যাল পাঠায়। যার ফলে যোনি রস নিঃসৃত হয়ে আর্দ্রতা বাড়ায়। মনোদৈহিক চাপ বা অন্যান্য মানসিক চাপের কারণে মস্তিষ্ক থেকে কোনো ধরনের সিগন্যাল বা সংকেত যোনিতে নাও আসতে পারে। এজন্য যোনিতে শুষকতা বিরাজ করতে পারে এবং সাথে চরমপুলক অনুভূতি বা যৌন শিহরণে ঘাটতি দেখা দিতে পারে। আমার মনে হয় আপনার ক্ষেত্রে এটি মূল সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ সমস্যা উত্তরণের জন্য আপনি অবিলম্বে একজন অভিজ্ঞ মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
প্রশ্নঃ আমার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে কয়েক বছর আগে। এখন আমার বয়স ৫৭ বছর। সম্প্রতি আমি আমার এক বয়ফ্রেন্ডের সাথে যৌনসঙ্গম এবং অন্যান্য যৌন আচরণ করে থাকি। সে আমার চেয়ে কয়েক বছরের ছোট। যৌন মিলনের জন্য সে সদা তৎপর আচরণ করে। কিন্তু যৌন সঙ্গম করার পরআমি অনুভব করি আমার যোনিতে শুষ্কতার কারণে এবং পেনিসের ঘর্ষণজনিত কারণে এক ধরনের ঘা হয়ে গেছে। ফলে আমার কয়েকদিন পর্যন্ত হাঁটতে অসুবিধা হয়।
উত্তরঃ এ সমস্যাটি হওয়ার পেছনে মূলত আপনার যোনিতে তীব্র শুষ্কতাই মূল কারণ। তীব্র শুষ্কতা অনেক মেডিকেল জটিলতার কারণে হতে পারে। আপনার ক্ষেত্রে ডিভোর্স বা বিবাহ বিচ্ছেদ একটি গুরুত্বপূর্ণ মানসিক চাপহিসেবে ভূমিকা রাখছে সেই সাথে দেখতে পাচ্ছি আপনার মনোপজ বা রজঃনিবৃত্তিও হয়ে গেছে। এই উভয় কারণে যোনি শুষ্কতার ব্যাপারটিআপনার ক্ষেত্রে অতি তীব্র। আপনার উচিত যৌনমিলনের পূর্বে অথবা যৌনমিলনের সময় আর্দ্রতাকারক তরল বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত। তবে যে প্রোডাক্টস আপনি ব্যবহারকরবেন তা ‘পিএইচ’ জেনে নিনএবং আপনার জন্য তা এ্যালার্জি বা স্পর্শকাতরতার সূচনা করবে কিনা তা জেনে নিন। যৌনমিলনের পূর্বে ভুলেও কখনও ক্ষারধর্মী সাবান বা এসিডধর্মী কোনো প্রোডাক্টস দিয়ে যোনি পরিষকার করবেন না। এতে করে যোনিতে এরিটেশন বা জ্বালাপোড়ার উদ্রেক হতে পারে। আরেকটি ব্যাপার আপনার ক্ষেত্রে জেনে রাখা প্রয়োজন সেটি হল যোনির কোষকলা বয়সজনিত কারণে কিছুটা পাতলা হয়ে যায় এবং স্থিতিস্থাপকতাওআগের চেয়ে কমে যায়। তাই আপনি অবশ্যই সঙ্গম করতে হলে ভাল লুব্রিকেন্টস ব্যবহার করবেন
প্রশ্নঃ আমার বয়স ৪২ বছর। যৌনমিলনকালীন সময়ে আমার যোনিতে শুষ্কতা বিরাজ করে। এটির মাত্রা এতই বেশি যে, ইন্টারকোর্সের সময় আমি ব্যথা অনুভব করি এবং প্রত্যেকবার স্বামী যখন সঙ্গমের জন্য আমায় ডাকে আমি তার ডাকে সাড়া দিতে ভয় পাই। আমি টেন্স অনুভব করি শুষ্কতা আরো বেড়ে যায়আমার কি করা উচিত?
উত্তরঃ একটু আগেই আমরা উল্লেখ করেছি যে, যোনি শুষ্কতা একটি খুব প্রচলিত মেডিকেল জটিলতা যা শতকরা ৯৫ ভাগ নারীর জীবনে কোনো না কোনো পর্যায়ে ঘটতে পারে। এটির মূল কারণ হরমোন লেবেলের তারতম্যতা। যখন এস্ট্রোজেন লেবেল কমে যায় তখন সংবেদনশীল ও স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে আর্দ্রতাও অনেক মাত্রায় হ্রাস পায়। অনেক ধরনের মেডিকেল কন্ডিশনের জন্য এস্ট্রোজেন হরমোনের লেবেল কমতে পারে। এর মাঝেরজঃনিবৃত্তি বা মনোপজ একটি উল্লেখযোগ্য কারণ। অন্যান্য কারণের মাঝে রয়েছে খাদ্যাভ্যাসজতি নানা সমস্যা, স্ট্রেস বা মনোদৈহিক চাপ, শরীরের অস্ত্রোপচার যেমন-জরায়ু বা ওভারি অপসারণ করা, কেমোথেরাপি জাতীয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদির কারণে যোনিতে শুষ্কতা বিরাজ করতে পারে। আপনার ক্ষেত্রে একেবারে সঠিক কারণ কোনটি তা আন্দাজ করে বলা মুশকিল। তবে টেন্স অনুভব করা বা অতিরিক্ত টেনশন বামানসিক চাপ এক্ষেত্রে মুল ভূমিকা রাখতে পারে। আপনি যেহেতু ইন্টারকোর্সের সময় ব্যথাঅনুভব করেন তাই আপনার উচিত অবিলম্বে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া।
যৌনিতে শুষ্কতা বিরাজ করা একটি মেডিকেল জটিলতা। কতক দম্পতিদের ক্ষেত্রে এই সাধারণ মেডিকেল জটিলতা দাম্পত্যজীবনে কলহসহ ডিভোর্স বা বিবাহ বিচ্ছেদ পর্যন্ত করাতে পারে। অধিকন্তু যাদের অতিরিক্ত মাত্রায় যৌনিতে শুষকতা সবসময় বিরাজ করে তাদের ক্ষেত্রে যোনিতে জীবাণুজনিত সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। তাই উপযুক্ত সময়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া দম্পতিদেরঅবশ্যই কর্তব্য।
অধ্যাপক ডা. এ এইচ মোহাম্মদ ফিরোজ
এমবিবিএস এফসিপিএস এমআরসিপি এফআরসিপি
E-mail : professorfiroz@yahoo.com
যোনির শুষ্কতা এবং নারী-পুরুষের সম্পর্কজনিত সমস্যা
অনেক পুরুষই বিশ্বাস করেন যে, নারীকে যখন যৌনভাবে পূর্ণ শিহরিত বা পুলকিত না করা হয় তখন তারা বুঝি যোনমিলনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। তারা অনেক সময় ধরে নেয় যে, অন্তরঙ্গ যৌন পার্টনারটিতার সঙ্গে সেক্সুয়াল সম্পর্ক বজায় রাখতে চাচ্ছে না। এটি আসলে একটিএকতরফা সিদ্ধান্ত। এতে করে যৌন পার্টনারদের মধ্যেও সম্পর্কজনিত নানাজটিলতা দেখা দিতে পারে। নারী-পুরুষের পারসপরিক সম্পর্কজনিত জটিলতার ফলশ্রুতিতে সঙ্গমের সময় বা তার পূর্ব মুহুর্তে যোনিতে শুষ্কতা দেখা দিতে পারে।
আবার কতক নারীর একটি ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। সেটি হল তারা ধরেই নেয় যে, যৌন সঙ্গমকালীন বা যৌন সঙ্গমের ঠিক পূর্ব মুহুর্তে যোনি পর্যাপ্ত পরিমাণে আর্দ্র বা ভেজা হওয়া চায়। এটিও একটি ভুল ধারণা। কাজেই দেখা যাচ্ছে উভয় পার্টনারের ভ্রান্ত ধারণাজনিত কারণেযোনিতে শুষকতা দেখা দিতে পারে। প্রায় সময়েই এস্ট্রোজেন হরমোনের ঘাটতিজনিত কারণে নারী যোনিতে আর্দ্রতার কিছু অভাব উপলব্ধি করতে পারে। এজন্য এস্ট্রোজেনকে বলা হয় প্রাথমিক ফিমেল হরমোন। এটি সারাজীবনব্যাপী নারীর ওভারি বা গর্ভাশয় থেকে ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় উৎপন্ন এবং নিঃসৃত হয়। একটু আগেই উল্লেখ করা হয়েছে বাচ্চা জন্মদানের পর এস্ট্রোজেন লেবেল খুব কমে যায়। যেসব নারীদের মনোপজ বা রজঃনিবৃত্তি হয়ে গেছে তাদের গর্ভাশয়েরও এস্ট্রোজেন উৎপাদনের মাত্রা আগের চেয়ে অনেক কমে যায়। তবে যোনিতে শুষকতার আরো অনেক কারণ থাকতে পারে যার মাঝেমনোদৈহিক চাপ বা স্ট্রেস অন্যতম। পরিসংখ্যানগত ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে পরিলক্ষিত হয়েছে যে, মনোদৈহিক চাপজনিত কারণে জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে শতকরা ৯৫ ভাগ নারী যোনি শুষকতা নানা উপসর্গ ও লক্ষণে ভুগে থাকে।
কেমোথেরাপি, হিস্টেরেকটমি এবং যোনি শুষ্কতা
আমেরিকাতে পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে যে, প্রায়ই ১৪ মিলিয়ন নারী কেমোথেরাপি নামক চিকিৎসানিচ্ছে। এই কেমোথেরাপির চিকিৎসা ব্যবস্থাজনিত কারণে যোনিতে তীব্রমাত্রা শুষকতা বিরাজ করতে পারে। বিশেষত এতে যদি পেলভিক বা শ্রোণিএলাকা জড়িত থাকে। এই চিকিৎসা জটিলতার কারণে হরমোন উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় এবং আর্দ্রতা সাথে সাথে আগের চেয়ে অনেক কমে যায়। ফলশ্রুতিতে নারী-পুরুষেরযৌনমিলন অস্বাচ্ছন্দ্যকর এমনকি ব্যাথাপূর্ণ হতে পারে। অনেক নারী রয়েছে যারা এই সমস্যায় পড়ে তাদের জীবন থেকে সঙ্গমমূলক বা ইন্টারকোর্স জাতীয় যৌন আচরণ সম্পূর্ণভাবে পরিহার করে চলে। এসব নারীরাও তাদের যোনির শুষকতা এড়াতে কোনো ভাল লুব্রিকেন্টের সহায়তা নিতে পারে। প্রায় ১২.৫ মিলিয়ন আমেরিকান নারীর জরায়ু বা ইউটেরাস অথবা ওভারি সার্জারির মাধ্যমে অপসারণ করা হয়েছে। যেহেতু ওভারি থেকে মূলত এস্ট্রোজেন হরমোনটি উৎপত্তি লাভ করে সেখানে ওভারি কেটে ফেলে দিলে কি ঘটতে পারে তাতো বুঝতেই পারছেন। এসময়ে যোনির তীব্র শুষ্কতাজনিত কারণেঅস্বাচ্ছন্দ্যবোধ, ব্যথাঅথবা সঙ্গমকালীন সময়ে যোনি দিয়ে রক্তপাতও হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই এসকল নারীরা এস্ট্রোজেন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি বা ইআরটি-এর সহায়তা নিতে পারে না। কেননা এতে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাই যেসকল নারীর জরায়ু বা গর্ভাশয় কেটে ফেলা হয়েছে তাদের ক্ষেত্রেও যৌন মিলনের সময় কোনো ভাল লুব্রিকেন্টস ব্যবহার করা আবশ্যক।
পরিসংখ্যানজনিত আগ্রহ
নারীরা কি তাদের যৌন অন্তরঙ্গতাকে উন্নীত করতে চান?
সম্প্রতি পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে শতকরা ৫৪ ভাগ বা তার চেয়ে বেশি নারী তাদের যৌন উৎকর্ষতা ও যৌনানন্দ বাড়াতে তীব্র আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এদের মাঝে ছিল ১৮-৭৫ বছর বয়সী ৭৩ মিলিয়নেরও বেশি যৌন ক্রিয়ায় সক্ষম নারী। এদের বেশিরভাগই এমন কোনো প্রোডাক্টস বা ওষুধ চায় যা তাদের যৌনমিলনকে আরো মধুর ও তীব্রময় করে তুলবে।
১৯৯০ সালে গেলআপ সার্ভিস থেকে দেখা যায় যে, যৌন উৎকর্ষতা এবং যৌনানন্দ বাড়াতে দম্পতিদের নিম্নোক্ত পরিসংখ্যানঃ
*. ৫৩% মনে করে বিয়ে টিকিয়ে রাখার জন্য সেক্স করা জরুরি।
*. ৫১% জীবনকে অতিরিক্ত ভালোবাসা ও রোমাঞ্চে ভরিয়ে তুলতে চায়।
*. ৪৮% যৌথভাবে খেলাচ্ছলে যৌন আচরণে অভ্যস্ত।
*. ৪৫% সেক্স নিয়ে মরাল বা নৈতিকতার প্রশ্ন নিয়ে মাথা খাটায়।
*. ৩৯% সেক্স লাইফ বা যৌনজীবনকে উন্নীত করণে অনেক চেষ্টা করে থাকে
*. ২৮% যৌন আচরণের সময় পারসপরিক সাহচর্যার ভিত্তিতে একজন আরেকজনের পশ্চাৎদেশ মেসেজ করে দেয়।
*. ২৭% মনে করে পূর্বের তুলনায় যৌন আত্মবিশ্বাস অনেক কমে গেছে।
*. ২৬% যৌন আচরণে কোনো রকম বিধিনিষেধ বা প্রতিবন্ধকতাকে সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলে।
*. মনোদৈহিক চাপ/ স্ট্রেস যেভাবে যৌন অন্তরঙ্গতাকে প্রভাবিতকরে
যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৪৭ মিলিয়ন নারী রয়েছে যাদের বয়স ১৮-৩৯ বছরের ভেতরে এবং ২৬ মিলিয়ন নারী রয়েছেযাদের বয়স ৪০-৭৫-এর ভেতরে। এরা যৌনক্রিয়ায় সক্ষম। তাহলে এদের মোট সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৭১ মিলিয়ন। নারীদের যোনিতে শুষ্কতা বিরাজ করার সাথে সরাসরি যে হরমোনটি জড়িত সেটি হল এস্ট্রোজেন এবং আর্দ্রতাজনিত ফ্যাক্টর হল বাথো
বার্থোলিন গ্রন্থি মূলত শরীরের চাহিদা অনুযায়ী অন্তরঙ্গ সম্পর্ক স্থাপনের পূর্বে পর্যাপ্ত পরিমাণে তরল নিঃসৃত করে থাকে। যদিও এইগ্রন্থিগুলো মস্তিষক থেকে সিগন্যাল বা সংকেত পেয়ে থাকে। তথাপি এটিও সত্য যে, অনেক নারীর ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, কোনো পর্যায়ে এই ক্ষুদ্রগ্রন্থিদ্বয় অকার্যকর বা ডিসফাংশনাল হয়ে যেতে পারে। একটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে, শতকরা ৯৫ ভাগ যৌন সক্ষম নারীর কোনো না কোনো পর্যায়ে ডিসফাংশন দেখা দিয়েছে। এই অকার্যকারিতাবা ডিসফাংশনের মূলে রয়েছেঃ স্ট্রেস বা মনোদৈহিক চাপ, অন্যান্য মানসিক চাপ যেমন- অন্তঃসম্পর্কজনিত টেনশন,অর্থনৈতিক বা বাণিজ্যিক চাপ, চাকরিজনিত নানা মানসিক চাপ এবং আধুনিক জীবনের দৈনন্দিন স্ট্রেস। আবার অনেক নারীর বেলায় দেখা যায় যে যোনিতে একবার শুষকতা বিরাজ করলে এরা প্রচন্ড ঘাবড়িয়ে যায়। এরা মনে মনেধারণা করতে থাকে আবারো একই ঘটনা ঘটতে পারে। এটি বিশেষত অল্প বয়সের নারীদের মাঝে বেশি দেখা যায়। এসকল নানা চাপজনিত কারণেই বা অন্যান্য শারীরিক কারণেই হোক না কেন লুব্রিকেন্টস যোনির শুষ্কতা কমাতে তাৎক্ষণিকভাবে সহায়তা করে এবং এতে উভয় সেক্স পার্টনার অন্তরঙ্গ অনুভূতি লাভ করে থাকে।
Read More
আবার কতক নারীর একটি ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। সেটি হল তারা ধরেই নেয় যে, যৌন সঙ্গমকালীন বা যৌন সঙ্গমের ঠিক পূর্ব মুহুর্তে যোনি পর্যাপ্ত পরিমাণে আর্দ্র বা ভেজা হওয়া চায়। এটিও একটি ভুল ধারণা। কাজেই দেখা যাচ্ছে উভয় পার্টনারের ভ্রান্ত ধারণাজনিত কারণেযোনিতে শুষকতা দেখা দিতে পারে। প্রায় সময়েই এস্ট্রোজেন হরমোনের ঘাটতিজনিত কারণে নারী যোনিতে আর্দ্রতার কিছু অভাব উপলব্ধি করতে পারে। এজন্য এস্ট্রোজেনকে বলা হয় প্রাথমিক ফিমেল হরমোন। এটি সারাজীবনব্যাপী নারীর ওভারি বা গর্ভাশয় থেকে ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় উৎপন্ন এবং নিঃসৃত হয়। একটু আগেই উল্লেখ করা হয়েছে বাচ্চা জন্মদানের পর এস্ট্রোজেন লেবেল খুব কমে যায়। যেসব নারীদের মনোপজ বা রজঃনিবৃত্তি হয়ে গেছে তাদের গর্ভাশয়েরও এস্ট্রোজেন উৎপাদনের মাত্রা আগের চেয়ে অনেক কমে যায়। তবে যোনিতে শুষকতার আরো অনেক কারণ থাকতে পারে যার মাঝেমনোদৈহিক চাপ বা স্ট্রেস অন্যতম। পরিসংখ্যানগত ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে পরিলক্ষিত হয়েছে যে, মনোদৈহিক চাপজনিত কারণে জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে শতকরা ৯৫ ভাগ নারী যোনি শুষকতা নানা উপসর্গ ও লক্ষণে ভুগে থাকে।
কেমোথেরাপি, হিস্টেরেকটমি এবং যোনি শুষ্কতা
আমেরিকাতে পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে যে, প্রায়ই ১৪ মিলিয়ন নারী কেমোথেরাপি নামক চিকিৎসানিচ্ছে। এই কেমোথেরাপির চিকিৎসা ব্যবস্থাজনিত কারণে যোনিতে তীব্রমাত্রা শুষকতা বিরাজ করতে পারে। বিশেষত এতে যদি পেলভিক বা শ্রোণিএলাকা জড়িত থাকে। এই চিকিৎসা জটিলতার কারণে হরমোন উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় এবং আর্দ্রতা সাথে সাথে আগের চেয়ে অনেক কমে যায়। ফলশ্রুতিতে নারী-পুরুষেরযৌনমিলন অস্বাচ্ছন্দ্যকর এমনকি ব্যাথাপূর্ণ হতে পারে। অনেক নারী রয়েছে যারা এই সমস্যায় পড়ে তাদের জীবন থেকে সঙ্গমমূলক বা ইন্টারকোর্স জাতীয় যৌন আচরণ সম্পূর্ণভাবে পরিহার করে চলে। এসব নারীরাও তাদের যোনির শুষকতা এড়াতে কোনো ভাল লুব্রিকেন্টের সহায়তা নিতে পারে। প্রায় ১২.৫ মিলিয়ন আমেরিকান নারীর জরায়ু বা ইউটেরাস অথবা ওভারি সার্জারির মাধ্যমে অপসারণ করা হয়েছে। যেহেতু ওভারি থেকে মূলত এস্ট্রোজেন হরমোনটি উৎপত্তি লাভ করে সেখানে ওভারি কেটে ফেলে দিলে কি ঘটতে পারে তাতো বুঝতেই পারছেন। এসময়ে যোনির তীব্র শুষ্কতাজনিত কারণেঅস্বাচ্ছন্দ্যবোধ, ব্যথাঅথবা সঙ্গমকালীন সময়ে যোনি দিয়ে রক্তপাতও হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই এসকল নারীরা এস্ট্রোজেন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি বা ইআরটি-এর সহায়তা নিতে পারে না। কেননা এতে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাই যেসকল নারীর জরায়ু বা গর্ভাশয় কেটে ফেলা হয়েছে তাদের ক্ষেত্রেও যৌন মিলনের সময় কোনো ভাল লুব্রিকেন্টস ব্যবহার করা আবশ্যক।
পরিসংখ্যানজনিত আগ্রহ
নারীরা কি তাদের যৌন অন্তরঙ্গতাকে উন্নীত করতে চান?
সম্প্রতি পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে শতকরা ৫৪ ভাগ বা তার চেয়ে বেশি নারী তাদের যৌন উৎকর্ষতা ও যৌনানন্দ বাড়াতে তীব্র আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এদের মাঝে ছিল ১৮-৭৫ বছর বয়সী ৭৩ মিলিয়নেরও বেশি যৌন ক্রিয়ায় সক্ষম নারী। এদের বেশিরভাগই এমন কোনো প্রোডাক্টস বা ওষুধ চায় যা তাদের যৌনমিলনকে আরো মধুর ও তীব্রময় করে তুলবে।
১৯৯০ সালে গেলআপ সার্ভিস থেকে দেখা যায় যে, যৌন উৎকর্ষতা এবং যৌনানন্দ বাড়াতে দম্পতিদের নিম্নোক্ত পরিসংখ্যানঃ
*. ৫৩% মনে করে বিয়ে টিকিয়ে রাখার জন্য সেক্স করা জরুরি।
*. ৫১% জীবনকে অতিরিক্ত ভালোবাসা ও রোমাঞ্চে ভরিয়ে তুলতে চায়।
*. ৪৮% যৌথভাবে খেলাচ্ছলে যৌন আচরণে অভ্যস্ত।
*. ৪৫% সেক্স নিয়ে মরাল বা নৈতিকতার প্রশ্ন নিয়ে মাথা খাটায়।
*. ৩৯% সেক্স লাইফ বা যৌনজীবনকে উন্নীত করণে অনেক চেষ্টা করে থাকে
*. ২৮% যৌন আচরণের সময় পারসপরিক সাহচর্যার ভিত্তিতে একজন আরেকজনের পশ্চাৎদেশ মেসেজ করে দেয়।
*. ২৭% মনে করে পূর্বের তুলনায় যৌন আত্মবিশ্বাস অনেক কমে গেছে।
*. ২৬% যৌন আচরণে কোনো রকম বিধিনিষেধ বা প্রতিবন্ধকতাকে সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলে।
*. মনোদৈহিক চাপ/ স্ট্রেস যেভাবে যৌন অন্তরঙ্গতাকে প্রভাবিতকরে
যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৪৭ মিলিয়ন নারী রয়েছে যাদের বয়স ১৮-৩৯ বছরের ভেতরে এবং ২৬ মিলিয়ন নারী রয়েছেযাদের বয়স ৪০-৭৫-এর ভেতরে। এরা যৌনক্রিয়ায় সক্ষম। তাহলে এদের মোট সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৭১ মিলিয়ন। নারীদের যোনিতে শুষ্কতা বিরাজ করার সাথে সরাসরি যে হরমোনটি জড়িত সেটি হল এস্ট্রোজেন এবং আর্দ্রতাজনিত ফ্যাক্টর হল বাথো
বার্থোলিন গ্রন্থি মূলত শরীরের চাহিদা অনুযায়ী অন্তরঙ্গ সম্পর্ক স্থাপনের পূর্বে পর্যাপ্ত পরিমাণে তরল নিঃসৃত করে থাকে। যদিও এইগ্রন্থিগুলো মস্তিষক থেকে সিগন্যাল বা সংকেত পেয়ে থাকে। তথাপি এটিও সত্য যে, অনেক নারীর ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, কোনো পর্যায়ে এই ক্ষুদ্রগ্রন্থিদ্বয় অকার্যকর বা ডিসফাংশনাল হয়ে যেতে পারে। একটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে, শতকরা ৯৫ ভাগ যৌন সক্ষম নারীর কোনো না কোনো পর্যায়ে ডিসফাংশন দেখা দিয়েছে। এই অকার্যকারিতাবা ডিসফাংশনের মূলে রয়েছেঃ স্ট্রেস বা মনোদৈহিক চাপ, অন্যান্য মানসিক চাপ যেমন- অন্তঃসম্পর্কজনিত টেনশন,অর্থনৈতিক বা বাণিজ্যিক চাপ, চাকরিজনিত নানা মানসিক চাপ এবং আধুনিক জীবনের দৈনন্দিন স্ট্রেস। আবার অনেক নারীর বেলায় দেখা যায় যে যোনিতে একবার শুষকতা বিরাজ করলে এরা প্রচন্ড ঘাবড়িয়ে যায়। এরা মনে মনেধারণা করতে থাকে আবারো একই ঘটনা ঘটতে পারে। এটি বিশেষত অল্প বয়সের নারীদের মাঝে বেশি দেখা যায়। এসকল নানা চাপজনিত কারণেই বা অন্যান্য শারীরিক কারণেই হোক না কেন লুব্রিকেন্টস যোনির শুষ্কতা কমাতে তাৎক্ষণিকভাবে সহায়তা করে এবং এতে উভয় সেক্স পার্টনার অন্তরঙ্গ অনুভূতি লাভ করে থাকে।
যোনির শুষ্কতা বিষয়ক প্রশ্ন ও উত্তর- ছবি সহ
যোনির শুষ্কতা ব্যাপারটি নারীদের নানা যৌন আচরণে একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়। এটি যৌন জীবনে চরম অসুখী অভিজ্ঞতার জন্ম দিতে পারে। যোনির শুষকতা জনিত কারণে অনেক নারী যৌনমিলনে পরিতৃপ্তি বা সঙ্গমের সময় চরমপুলক অনুভূতি লাভ করতে পারে না। এতে করে যৌনতা সম্পর্কে তাদের বেদনাদায়ক ও নেতিবাচক অনুভূতির জন্ম নেয়। কিন্তু যোনির শুষ্কতা কেন হয়? এ নিয়ে যৌন বিশেষজ্ঞরা নানা পর্যায়েঅনেক গবেষণা চালিয়েছে। বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের নানা গবেষণায় যা বেরিয়ে এসেছে তা হলো-
নারীর যৌনজীবনে এস্ট্রোজেন নামক হরমোনটিবিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ এস্ট্রোজেন হরমোনের লেবেল বাচ্চা জন্মের পর স্বাভাবিকের তুলনায় অনেককমে যায়। এস্ট্রোজেন হরমোনের ঘাটতিজনিত কারণেতীব্র মাত্রার যোনি শুষকতা দেখা দিতে পারে। অবশ্য এ মেডিকেল জটিলতাটি ধীরে ধীরে সেরে ওঠে।
যেসকল নারীদের মনোপজ বা রজঃনিবৃত্তি হয়ে গেছে তাদের রক্তে এস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা ধীরে ধীরে নিঃশেষিত হয়। ফলশ্রুতিতে যোনির কোষকলাগুলো পাতলা হয়ে যায় এবং এরা স্থিতিস্থাপকতা হারিয়ে ফেলে। নারী যখন যোনিতে শুষকতার অনুভব করে তখন স্বভাবতই যোনি ও তৎপার্শ্ববর্তী এলাকার আর্দ্রতা বা ভেজা ভেজা ভাব কমে যায়। ফলে তারা যোনিতে চুলকানি, ব্যথা ব্যথা ভাব, যোনি ফুলে যাওয়া এবং যৌন আচরণে অস্বাচ্ছন্দ্যবোধ ইত্যাদিতে ভুগে থাকে।
যোনির শুষ্কতার আর একটি মূল কারণ হল স্ট্রেস বা মনোদৈহিক চাপ। বিভিন্ন পরিসংখ্যানগত ট্রায়ালে পরিলক্ষিত হয়েছে যে, শতকরা ৯৫ ভাগ নারী জীবনেরকোনো না কোনো পর্যায়ে মনোদৈহিক চাপজনিত কারণে সঙ্গমের সময় যোনিতে শুষকতা অনুভব করেছে। অবশ্য এটাও ঠিক যে, স্ট্রেস বা মনোদৈহিক চাপের কারণে রক্তে এস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রাও কমে যেতে পারে। এস্ট্রোজেন হরমোন মূলত ওভারি বা গর্ভাশয় থেকে উৎপন্ন হয়। তবে সব সময় এইউৎপন্ন হওয়ার মাত্রা একরকম থাকে না। কোনো বিশেষ দিনে নারীর এস্ট্রোজেন হরমোন মাত্রাকমে গেলে তারা হঠাৎ করে যোনিতে আর্দ্রতার অভাব লক্ষ্য করতে পারে। বিশেষত সঙ্গমকালীন বা তার পূর্বে। এখানে এটি বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য যে, এটি ১৫-৮৫ বছর বয়স পর্যন্ত যেকোনো নারীর জীবনেই ঘটতে পারে।
খাদ্যাভ্যাসজনিত নানা সমস্যা বা ডিসঅর্ডারে ভোগে এরকম নারীর সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়। আহারজনিত সমস্যার কারণে হরমোন লেবেলের ইম্বেলেন্স বা হেরফের হওয়া স্বাভাবিক। এর ফলে যোনিতে শুষ্কতা দেখা দিতে পারে।যেসকল নারী বিভিন্ন ধরনের ওষুধ বা মেডিকেশন যেমন- কোনো এন্টিবায়োটিকবা ব্যাকটেরিয়াবিরোধী ওষুধ সেবন করছে তাদের ক্ষেত্রেও যৌন এলাকায় শুষ্কতা দেখা দিতে পারে। এন্টিবায়োটিকগুলো সাধারণত হরমোনের ক্রিয়ারওপর প্রভাব ফেলে এবং যোনির আর্দ্রতা কমায়। যৌন এলাকায় লুব্রিকেশন বা তেলতেলে ভাব মূলত দুইটি ছোট গ্রন্থির নিঃসরণজনিত রসের কারণে হয়ে থাকে। বিজ্ঞানী বার্থোলন-এর নামানুসারে এই গ্রন্থিগুলোকে বলা হয় বার্থোলিন গ্ল্যান্ড। অবশ্য যোনি প্রাচীর বা যোনি দেয়াল থেকেও কতক পরিমাণ রস নিঃসৃত হয়ে থাকে। যোনির শুষ্কতাজনিতকারণে লালচে ভাব এবং অস্বাচ্ছন্দ্যবোধ থাকাই স্বাভাবিক। আবার নানা গবেষণায় এটিও প্রতীয়মান হয়েছে যে, যেসকল নারী যোনি শুষ্কতাজনিত সমস্যায় ভোগে তাদের ক্ষেত্রে ভ্যাজাইনাল ইনফেকশন বা যোনিতে জীবাণু সংক্রমণও অধিকতর বেশিমাত্রায় হয়ে থাকে।
এথলেট নারী বা যেসব নারীরা অতিরিক্ত পরিমাণেশারীরিক ব্যায়াম করে থাকে তাদের হরমোনাল সাইকেল বা এস্ট্রোজেন হরমোন চক্রের গন্ডগোলজনিত কারণে যোনিতে শুষ্কতা দেখা দিতে পারে। যোনিতে শুষ্কতা দেখা দিলে স্বাভাবতই কোষকলাগুলোতে স্পর্শকাতরতা বিরাজ করে।এক্ষেত্রে আমরা উপযুক্ত লুব্রিকেশনের জন্য ‘কে ওয়াই জেলি’ প্রেসক্রাইব করে থাকি। যারা লুব্রিকেশন ব্যবহার করেনতাদের জন্য আর একটি সতর্কসংকেত হল- চর্বিতে দ্রবণীয় লুব্রিকেন্টস ব্যবহার করা স্বাস্থ্যেরপক্ষে ক্ষতিকর। পানিতে বা জলীয় দ্রবণীয় পিচ্ছিলকারক পদার্থ ব্যবহার করাই স্বাস্থ্যপ্রদ।
নানা ধরনের জন্মবিরতিকরণপিল এবং স্পঞ্জ ইত্যাদির কারণেও যোনির আর্দ্রতা কিছু পরিমাণে হ্রাস পেতে পারে।
নানা ধরনের শারীরিক অসুস্থতা যেমন-ভাইরাস বাব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ, খাদ্যাভ্যাসজনিত নানা ডিসঅর্ডার ইত্যাদির কারণে হরমোনের লেবেলে তারতম্য ঘটতে পারে। এতে করে যোনিতে শুষ্ক এবং অস্বাচ্ছন্দ্যভাব বিরাজ করে এবং অন্তরঙ্গ সম্পর্ক বিনষ্ট হয়।
আন্তঃসম্পর্কজনিত টেনশন বা মানসিক চাপের কারণে যোনিতে শুষ্কতা বিরাজ করতে পারে।
লুব্রিকেন্টস বা জলে দ্রবণীয় কে ওয়াই জেলিতে যোনির আর্দ্রতা সাময়িক সময়ের জন্য ফিরে আসে এতে করে নারীর-পুরুষের যৌনজীবন আর অন্তরঙ্গ মধুর হয়ে ওঠে, যৌন আনন্দ এবং যৌন তৃপ্তি আগের চেয়েঅনেক মাত্রায় বেড়ে যায়। যৌন শিহরণ, শৃঙ্গার, যৌনতা সম্পর্কে আত্মবিশ্বাস, দাম্পত্য জীবনে পরিতৃপ্তি, যৌন মিলনে নতুন মাত্রা যোগ করে।এটি নারী-পুরুষের পারসপরিক হস্থমৈথুন বা মাস্টারবেশনেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। এটি প্রেমিক-প্রেমিকা বা
স্বামী স্ত্রীর মাঝে প্রেম নিবেদনে এবং উত্তেজনার উদ্রেক করতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।
কিভাবে যোনির শুষ্কতা তাৎক্ষণিকভাবে দূর করবেন?
যোনির শুষ্কতা দূর করার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে আপনিকোনো ভাল লুব্রিকেন্ট বা পিচ্ছিলকারক তরল ব্যবহারকরতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে চর্বিতে দ্রবণীয় পিচ্ছিলকার তরল স্বাস্থ্যের জন্য অহিতকর। তাই পানিতে দ্রবণীয় কে ওয়াই জেলি ব্যবহার করতে পারেন যা একটু আগেই আমরা উল্লেখ করেছি। এটি ব্যবহারে পুরুষ যদি কনডম সহকারে যৌনসঙ্গম করতে চায় তাতেও কোনোরকম অসুবিধা সৃষ্টি করে না। তবে দীর্ঘমেয়াদিভাবে যোনিতে শুষ্কতা বিরাজ করলে যেহেতু যোনির স্পর্শকাতরতা বা সংবেদনশীলতা কমে যেতে থাকে তাই অবিলম্বে গাইনোকোলজিস্ট বা স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন। তিনি সম্পূর্ণ মেডিকেল ইতিহাস এবং যোনিতে আঙ্গুল ঢুকিয়ে একটি পরীক্ষা করতে পারেন। এতে উপযুক্ত কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া না গেলে ধরে নিতে হবে যে, মানসিক চাপ, দ্বন্দ্ব বা অন্য কোনো অসুখের জন্য এ সমস্যা হচ্ছে। তখন স্থায়ীভাবে সমস্যাটি লাঘব করতে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। এতে করে যৌনমিলনে অন্তরঙ্গতাএবং যৌন পরিতৃপ্তি আগের চেয়ে অনেক বাড়বে।
আরো প্রশ্নঃ
০১ যোনি চুষা কি ভালো? যোনি চুষে কি স্ত্রীকে তৃপ্তি দেওয়া যাবে?
০২ মেয়েদের যোনি কতপ্রকার?
০৩ মেয়েদের যোনি বিষয়ক আরো ১৩০ টি পোস্ট
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি
(
Atom
)
