মেয়েদের মাসিক বা পিরিওড। লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মেয়েদের মাসিক বা পিরিওড। লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

স্যানিটারী প্যাড 'টেম্পুন'এর সুবিধা।


ক্ছবিতে যে জিনিসটা দেখতে পাচ্ছেন
তার নাম 'টেম্পুন'।
এটি স্যানিটারী প্যাডের অন্যতম
বিকল্প।
স্যানিটারী প্যাডসমুহ অনেক সময়
ভালো ফিটিং হয় না এবং তা পরিবহন
এং চেঞ্জেও অসুবিধা। তাই টইয়াম্পুন
ব্যবহারের সুবিধা অনেক। বাইরের
দেশগুলোতে স্যানিটারই প্যাড এখন আর
ব্যবহার হয় না। ট্যাম্পুনের
সুবিধাগুলো হলো-
*এটির শোষণ ক্ষমতা অনেক বেশি
* এটার ফিটিং ভালো
* এটির সাইজ ছোট
বলে একসাথে অনেকগুলো ব্যাগেরাখা যায়
ব্যবহারের কৌশলঃ
এটি ব্যবহারের
আগে আগে চেয়ারে বসুন। দু'পা ফাঁক
করে ট্যাম্পু্নটি যোনীমুখে স্থাপন
করুন। এরপর এর গোড়ায় আঙ্গুল
দিয়ে চাপ দিন।
তা আস্তে আস্তে ভিতরে ঢুকে যাবে।
এর
বাইরের সুতাটি বাইরে থাকবে।
ট্যাম্পুন পরা অবস্থায়চলাফেরায়
আপনার মোটেও অসুবিধা হবে না।
ট্যাম্পুনটি সম্পূর্ন রক্তপূর্ণ
হলে সুতাটি টেনে ট্যাম্পুন বের
করে আনুন।
মনে রাখবেন, ট্যাম্পুন ব্যবহারের
মোটেও আপনার সতীচ্ছদ বা হাইমেন
ছিড়বে না। নিশ্চিন্ত থাকুন :)

শেয়ার করে আপনার বন্ধুদেরকে জানান ।এটা আপনার আমার সকলের দ্বায়িত্ব ।

প্রকাশক ও সম্পাদক সৈয়দ রুবেল উদ্দিন
Read More

নারীস্বাস্থ্য সমস্যা – অনিয়মিত মাসিক

সমস্যা: আমার বয়স ২১। অবিবাহিত।
আমার অনিয়মিত মাসিক সমস্যা।
প্রায় দুই বছর ধরে দু-তিন মাস পর
মাসিক হচ্ছে। আমি দুজন স্ত্রীরোগ
বিশেষজ্ঞকে দেখিয়েছি। প্রথম জন
তিন মাস আয়রন জিফক্স
খেতে বলেছিলেন এবং দুই মাস খাওয়ার
পর মাসিক হয় এবং পরের মাসেও হয়,
তাই আর ওষুধ খাইনি।
কিন্তু এর পর থেকে আবার
সমস্যা হয়। দ্বিতীয়বার আরেকজন
বিশেষজ্ঞকে দেখালে তিনি আমাকে
আল্ট্রাসনোগ্রাফ, রক্ত
পরীক্ষা করিয়ে কোনো সমস্যা পাননি।
তিনি আমাকে সাত দিন নরকুলেট
খেতে বলেন। খাওয়ার পর মাসিক হয়
এবং পরের মাস থেকে আবার
সমস্যা দেখা দেয়। ওষুধ খেলে মাসিক
হয়।
আপা, আমি এর স্থায়ী সমাধান চাই।
আমার মাসিক হওয়ার
আগে বা পরে কোনো ব্যথা বা অসুস্থতা
অনুভব করি না। আগে মাসিক সাত দিন
হতো, এখন চার দিন হয়। খুব
বেশি রক্ত যায় না। কিছুতেই
স্বস্তি পাচ্ছি না। আপনি সমাধান
দিয়ে আমার মানসিক কষ্ট দূর করবেন
আশা করি।
মনি
ঠিকানা প্রকাশে অনিচ্ছুক
পরামর্শ: তোমার অনিয়মিত মাসিক
হচ্ছে। এটা মেয়েদের সাধারণ সমস্যার
একটি। চিঠিতে তোমার ওজন ও
উচ্চতা লেখনি। অনিয়মিত মাসিকের
সঙ্গে স্থূলতার একটা সম্পর্ক রয়েছে।
আয়রন ট্যাবলেট মাসিক নিয়মিত
করার ওষুধ নয়। ট্যাবলেট নরকুলেট
খেলে শুধু ওই মাসেই তোমার উইথড্রল
ব্লিডিং হবে, কিন্তু
এটা কোনো স্থায়ী সমাধান দেবে না।
তোমার রক্তের
কী পরীক্ষা করিয়েছে তাও জানাওনি।
রক্তে হরমোনের
মাত্রা পরীক্ষা করা জরুরি। ওজন
বেশি থাকলে ওজনও কমাতে হবে।
হরমোন পরীক্ষার ফলাফল
অনুযায়ী চিকিত্সা নিলে স্থায়ী সমাধান
পাবে বলে আশা করি। তুমি স্ত্রীরোগ
বিশেষজ্ঞ অথবা হরমোন বিশেষজ্ঞের
সঙ্গেও আবার যোগাযোগ করতে পারো।
পরামর্শ দিয়েছেন
রওশন আরা খানম
সহকারী অধ্যাপক, স্ত্রীরোগ ও
প্রসূতিবিদ্যা বিভাগ
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও
হাসপাতাল ঢাকা।



সূত্রঃ বাংলা হেলথ ।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

উর্বর সময় (ফারটাইল পিরিওড) ও নিরাপদ সময় (সেফ পিরিওড)

মাসিক ঋতুচক্রের মাঝামাঝি (অর্থাৎ
১৪ দিনের মাথায়) লুটিনাইজিং হরমোন
(LH) ক্ষরণের ৩৬-৩৮ ঘন্টার
মধ্যে ডিম্বকোষ (Ovum) নির্গত
হয়। এই বেরুনর পর ডিম্বকোষ
যদি ৩৬ ঘন্টার মধ্যে উপযুক্ত
সংখ্যক শুক্রকোষ পায় তবে তার
একটির সাথে মিলিত হয়ে সন্তান
দিতে পারে। তবে ডিম্বকোষটি জীবিত
থাকে আরো প্রায় ৩৬ ঘন্টা অর্থাৎ
ডিম্বকোষের আয়ু সর্বমোট ৭২
ঘন্টা বা তিনদিন।
অন্যদিকে যৌনমিলনের পর জরায়ু
তথা ডিম্বনালীতে প্রবেশের পর
শুক্রকোষও (spermatorza)
জীবিত থাকতে পারে সর্বাধিক ৭২
ঘন্টা। তাই ২৮ দিনের মাসিক
ঋতুচক্রের মাঝামাঝি মোট প্রায়
১২০ ঘন্টা (৫দিন) হচ্ছে উর্বর
সময়,–এই সময় যৌনমিলন
হলে সন্তানের জন্ম হতে পারে।
মোটামুটি মাসিকের ১৪ দিনের মাথায়
ডিম্বকোষ হচ্ছে ধরে নিয়ে তার ২-৩
দিন আগে ও ২-৩ দিন পরে হচ্ছে এই
উর্বর সময়।
তবে যারা সন্তান নিতে চান না, তাদের
এটিও জেনে রাখা দরকার যে, এই
ডিম্বকোষের নির্গমনের
(ovalution) দিনটি প্রচণ্ড
পালটায়। তাই এর সঙ্গে আগে ও
পরে আরো দু’একদিন যোগ করা ভাল।
তবু মাসিক ঋতুচক্রের ৯ম দিনের
আগের ও ২০শ দিনের পরেকার
সময়কে মোটামুটি নিরাপদ সময়
বলে ধরা যায়। এই সময় যৌনমিলন
ঘটলে তার থেকে সন্তান ধারণের
তথা গর্ভবতী হওয়ার
সম্বাবনা থাকে না, কারণ এই সময়
ডিম্বকোষ বেরোয়ই না।
কিন্তু বিরল হলেও এটিও দেখা গেছে যে,
মাসিক চক্রের যে কোনওদিন
(তথাকথিত ঐ নিরাপদ সময়ের
দিনগুলিসহ) মাত্র একবারের
যৌনমিলনেও
নারী গর্ভবতী হতে পারে অর্থাৎ বিরল
ক্ষেত্রের মাসিক চক্রের যে কোন
সময়ই ডিম্বকোষ বেরুতে পারে। তাই এই
হিসাবে তথাকথিত নিরাপদ সময়
বলে কিছু নেই। তবে এটি নেহাৎই
ব্যতিক্রম।
সাধারণভাবে ৯ম দিনের আগে ও ২০শ
দিনের পরের সময়টি নিরাপদ সময়
এবং ৯ম-২০শ দিনের মধ্যকার
সময়টিকে উর্বর সময়
হিসাবে ধরা যায়, আর এর মধ্যেও
দ্বাদশ থেকে ষোড়শ (মতান্তরে ১৩ম
থেকে ১৭ম) দিনটি উর্বরতম সময়।
সূত্র: বিজ্ঞানের আলোয়
সংস্কারমুক্ত যৌনতা –
ডাঃ ভবানীপ্রসাদ সাহু


শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

মাসিকের সময় তলপেটে ব্যথা – কী করণীয়?

মাসিকের সময় তলপেটে ব্যথা আমাদের
দেশে একটা কমন ব্যাপার। কিন্তু একটু
সচেতন হলেই এই
ব্যথা এড়িয়ে চলা যায়।
কোন বোতলে গরম পানি ভরে বা কাপড়
গরম করে তলপেটে ২০/২৫ মিনিট
ছ্যাক লাগাতে হবে।
এটা সপ্তাহে টানা ৩/৪ দিন
করে করতে হবে।
এতে ধীরে ধীরে মাসিকের সময়
ব্যাথা কমে যাবে।
এছাড়া আরেকটা পদ্ধতি আছে- সিজ
বাথ। ৩ মিনিট গরম পানিতে কোমর
ডুবিয়ে বসে থাকতে হবে। পরের ২/১
মিনিট ঠাণ্ডা পানিতে।
এভাবে ২০/২৫ মিনিট সিজ বাথ
নিতে হবে। এটাও
সপ্তাহে টানা ৩/৪দিন নিতে হবে। শুধু
পানি বা পানিতে কিছু লবন,
বেকিং সোডা বা ভিনেগারও ব্যবহার
করা যায়।
আরেকটা পদ্ধতি আছে- কেজেল
ব্যায়াম। এটাও খুব উপকারী।
এগুলো করলে যোনি মধ্যে রক্ত চলাচল
প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত না হয়ে আবার
ঠিকঠাক হয়ে যাবে, ব্যাথাও কমে যাবে।
আমাদের দেশের অনেক মেয়েদেরই
শারীরিক ফিটনেস ভালো নয়
বলে এরকম সমস্যা বেশি হয়।
একে একে এই পদ্ধতিগুলোর
কথা সবাইকে বলে দিন। একজন
আরেকজনকে বলে দিন। এই অবাঞ্চিত
সমস্যা থেকে মুক্ত থাকুক আমাদের
নারী সমাজ।


সূত্রঃ বাংলা হেলথ ।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More