বিয়ে লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিয়ে লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সবচেয়ে বরকতময় বিবাহ


Read More

বিয়ের জন্য কেমন প্রস্তুতি চাই-মুফতি মুহাম্মাদ শোয়াইব

বিয়ের প্রস্তুতি বলতে সাধারণত আমরা বুঝি টাকা-পয়সা জোগাড় করা বা বিয়ের প্রয়োজনীয় সাজসরঞ্জাম কেনাকাটা ইত্যাদি। বাস্তবে বিয়ের প্রস্তুতি হলো বিয়ে-পরবর্তী বিরূপ পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করা। বিয়ে করার পর অনেককেই প্রতিকূল পরিস্থিতি ও বিভিন্ন পেরেশানিতে পড়তে হয়। পারিবারিক দ্বন্দ্ব এর অন্যতম। বিয়ে করার সাথে সাথেই অনেকের বাবা-মা, ভাইবোন, আত্মীয়স্বজনের সাথে মানসিক দূরত্ব সৃষ্টি হয়। মায়ের অভিযোগ হলো, ছেলে বিয়ে করার পর বউ ছাড়া কিছুই বোঝে না। ভাইবোনদের অনুযোগ হলো, ভাই বিয়ে করার পর আমাদের খোঁজখবর রাখে না। এভাবে একেক আত্মীয়ের একেক অভিযোগ। এ ধরনের হাজারও অভিযোগ ও অনুযোগে ‘বেচারা’ বিয়ে করেই চরম হতাশায় পড়ে যায়। তাই বিয়ের আগেই উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া ও মানসিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার প্রস্তুতি গ্রহণ করার নামই হচ্ছে বিয়ের প্রস্তুতি। একটি যুবক ছেলে এত দিন যে জীবন পার করে আসছিল, বিয়ের মাধ্যমে সে সেই জীবন পরিত্যাগ করে দায়িত্বশীল একটি জীবনে পদার্পণ করে। এ জীবনে তার কিছু দায়িত্ব আছে, কিছু পেরেশানি আছে। তাই বিয়ে এক দিকে যেমন আনন্দের, অন্য দিকে তা দায়িত্বের। আজকের যুবক, বিয়ে করার সাথে সাথে হয়ে যাবে দায়িত্ববান স্বামী। তার থাকবে স্ত্রীর প্রতি দায়িত্ব, বাবা-মায়ের প্রতি দায়িত্ব, ভাইবোন, আত্মীয়স্বজনের প্রতি দায়িত্ব। মোট কথা, বিয়ে মানেই দায়িত্ববান একজন মানুষে পরিণত হওয়া। স্বামী-স্ত্রীকে মনে রাখতে হবে, প্রাকৃতিক নিয়মে স্বামী-স্ত্রী হয়ে যাওয়া সহজ; তবে আদর্শ স্বামী-স্ত্রী হওয়ার জন্য প্রয়োজন দীর্ঘ দিনের শিক্ষা ও দীক্ষা। দাম্পত্যজীবনে যারা বেশখানিকটা পথ পাড়ি দিয়েছেন বা যারা দাম্পত্যের পড়ন্ত বিকেল পার করার প্রতীক্ষায় আছেন, তাদের কাছ থেকে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করা। আফসোসের বিষয় হলো, আমাদের সমাজের বেশির ভাগ স্বামী-স্ত্রী এ দিকটির প্রতি চরম অনাগ্রহী। ক’জন স্বামী-স্ত্রী আদর্শ স্বামী-স্ত্রী হতে প্রস্তুত? স্বামী-স্ত্রী হওয়ার অল্প কিছু দিনের মধ্যেই আসে বাবা-মায়ের অধ্যায়। সেটা আরো জটিল ও কঠিন অধ্যায়। বাবা-মা তার সন্তানের সাথে কেমন আচরণ করবে, কিভাবে তার নবাগত সন্তানকে শিক্ষাদীক্ষায় বড় করে গড়ে তুলবে, বাবা-মাকে তার সব কিছুই শিখতে হয়। বিয়ের পর একজন নবাগত নারী স্বামীর জীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে আগমন করেন। যিনি তার বাবা-মা, ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন, শৈশব স্মৃতি সব কিছু ফেলে এমন একজন পুরুষের হাত ধরে চলে আসে, যার সাথে তার না ছিল কোনো পরিচয়, না ছিল কোনো আত্মীয়তা। শুধু একটি পবিত্র বন্ধনের ফলে তারা একত্র জীবনযাপনে প্রস্তুত হয়ে যায়। জীবনসঙ্গিনী হিসেবে যে নারী আসে সে যেমন স্বামীর দুঃখেরও সঙ্গী হয়, সুখেরও সঙ্গী। সারা জীবন একসাথে কাটে একজন পুরুষ ও একজন নারীর জীবন। তাই স্বভাবতই স্বামীর কাছ থেকে নারীর অনেক কিছু চাওয়া-পাওয়ার থাকে। চাওয়ার থাকে স্বামীর আদর-সোহাগ, প্রেম-ভালোবাসা। অপর দিকে বেশির ভাগ পরিবারে ছেলেরা বিয়ে করলে মায়ের সাথে দূরত্ব সৃষ্টি হয়ে যায়। কারণ, মা দেখেন তার ছেলে এত দিন তার ছেলে থাকলেও ছেলের বউ রূপে তার ঘরে যে মেয়েটির অনুপ্রবেশ ঘটেছে সে তার ছেলেকে এখন তার থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে চাইছে। ছেলে এখন মায়ের নেই; নবাগত বউয়ের। এত দিন যে ছেলের ওপর মায়ের ছিল অখণ্ড অধিকার, এখন তার ওপর প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে স্ত্রী-পরিচয়ে এক নারীর অধিকার। আর মায়ের অধিকার খণ্ডিত হতে চলেছে। এই বাস্তবতা মা না পারেন মেনে নিতে, না পারেন অস্বীকার করতে। এই সময় মায়েরা এক অন্তর্জ্বালায় ভোগেন, যা তিনি কাউকে বোঝাতে পারেন না; এমনকি নিজের ছেলেকেও না। তাই সামান্য থেকে সামান্য কারণে তিনি খুব সংবেদনশীল হয়ে পড়েন, তার অনুভূতি চরমভাবে আহত হয়। এ সময় যদি ছেলে বা ছেলের বউয়ের কাছ থেকে কোনো অমার্জিত ও অশোভন আচরণ পান, তখনই মায়ের মনে পড়ে যায় প্রসববেদনা থেকে নিজের জীবনকে তিলে তিলে ক্ষয় করে সন্তানকে গড়ে তোলার সব কষ্ট। মায়ের মনে কষ্টের আর শেষ থাকে না। সুতরাং বিয়ের সবচেয়ে বড় প্রস্তুতি হলো, মা ও স্ত্রীর অনুযোগ ও অভিযোগগুলোকে সামাল দেয়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি নেয়া। হেকমতের সাথে তাদেরকে বোঝানো। স্ত্রীকে বোঝাতে হবে যে, তুমি আমার জীবনসঙ্গিনী। তোমার সুখ-দুঃখে আমি পাশে আছি। আমার সুখ-দুঃখে তুমি পাশে থাকবে। তুমি আমার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ, আমি তোমার জীবনের অপরিহার্য অধ্যায়। সুতরাং আমাদের মাঝে ভালোবাসা, যা মূলত ঐশী নেয়ামত তা চির অটুট থাকবে। অপর দিকে মাকে বোঝাতে হবে, মা! আমি তোমার ছিলাম, তোমার আছি, তোমারই থাকব। এত দিন তোমার সেবায় আমি একা নিয়োজিত ছিলাম। এখন তোমার সেবা করার জন্য মহান আল্লাহ তায়ালা আমার সহযোগী দান করেছেন। তাই তুমি আমাদেরকে যখন যা লাগবে, বলবে। তোমার সেবাযত্নে আমাদের সহযোগিতা করবে পরামর্শ দিয়ে, শাসন দিয়ে। আরেকটি কথা মা! আমি তোমার সন্তান, তোমাকে আমি মা বলে ডাকি। এই ডাকটি পাওয়ার জন্য তুমি কত কষ্ট করেছ! দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারণ করেছ। আমার সব আবর্জনা তুমি পরিষ্কার করেছ। শীতের রাতে প্রস্রাব-পায়খানা করে তোমাকে কষ্ট দিয়েছি, তুমি এসব কষ্ট হাসিমুখে বরণ করেছ। এখন আমি তোমাকে মা বলে ডাকি। আর তোমার ঘরের নবাগত যে মেহমান এসেছে, তার জন্য তুমি কিছুই করনি। অন্যের ঘরে লালিতপালিত একটি মেয়ে। তার পরও সে তোমাকে মা বলে ডাকে। এর চেয়ে তুমি আর কী চাও? সুতরাং তুমি মনে রেখো মা! আমার কাছ থেকে তুমি যতটুকু আশা করতে পারো, তার কাছ থেকে ততটুকু আশা করতে পারো না। সে তোমাকে ততটুকু দেবে না, যতটুকু আমি দেবো। সেটা মেনে নিয়েই জীবন চালাতে হবে মা! এভাবে মাকে বোঝাতে হবে। এভাবে বোঝাতে পারলে সাংসারিক জীবনের অনেক ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকতে পারব, ইনশাআল্লাহ। লেখক : খতিব 
আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।
Read More

নারীদের উত্তরাধিকার

সাধারণত নারীদের উপর নিজের
এবং অন্য কারো ভরণপোষণের
অথবা অন্য কোন প্রকার খরচ বহনের
দায়িত্ব রাখা হয়নি। উপরন্তু তাদের
বিভিন্নভাবে উত্তরাধিকারী করা
হয়েছে।
১. মা জননী হিসেবে তারা কোন সময়
৩ ভাগের ১ ভাগ আবার কোন সময় ৬
ভাগের ১ ভাগ পায়।
২. দাদী হিসেবে কোন সময় ৩ ভাগের ১
ভাগ আবার কোন সময় ৬ ভাগের ১
ভাগ পায়, অথবা এর কম পায়।
৩. নানী হিসেবে কোন সময় ৩ ভাগের
আবার কোন সময় ৬ ভাগের ১ ভাগ
অথবা কিছু কম পায়।
৪. মেয়ে হিসেবে যদি একা হয় এবং আর
ভাই না থাকে অর্ধেক পায় যদি দুই
অথবা এর অধিক কেবল মেয়ে হয়,
তাহলে সবাই ৩ ভাগের ২ ভাগ পায়।
যদি এক মেয়ে অথবা একাধিক মেয়ে হয়
আর ভাই থাকে তাহলে ছেলেরা মেয়েদের
দ্বিগুণ পাবে।
৫. মেয়ে নাতনী হিসেবে কোন সময়
দাদার অংশ থেকে ২ ভাগের ১ ভাগ
কোন সময় ৬ ভাগের ১ ভাগ। কোন
সময় ভায়ের অংশ থেকে অর্ধেক।
যদি একাধিক কেবল নাতনী হয়,
তাহলে সবাই ৩ ভাগের ২ ভাগ পায়,
যদি মৃত ব্যক্তির সরাসরি সন্তান
না থাকে।
৬. আপন বোন হিসেবে কোন সময় ২
ভাগের ১ ভাগ কোন সময় ৩ ভাগের ২
ভাগ কোন সময় এক ভায়ের অংশ
থেকে অর্ধেক আর যদি বোন দুইজন
অথবা দুয়ের অধিক হয়,
তাহলে সমষ্টিগতভাবে সবাই ৩ ভাগের
২ভাগ।
৭. বৈপিত্রেয় বোন হিসেবে কোন সময়
৬ ভাগের ১ ভাগ, কোন সময়
তারা সংখ্যায় একাধিক হলে ৩ ভাগের
১ অংশ পায়।
৮. বৈমাত্রেয় বোন হিসেবে কোন সময়
৬ ভাগের ১ ভাগ। কোন সময়
তারা সংখ্যায় একাধিক হলে ৩ ভাগের
২ অংশ পায়। আবার অন্য সহোদর
বোন না থাকলে অর্ধেক সম্পত্তি লাভ
করে থাকে।
৯. স্ত্রী হিসেবে কোন সময় ৪ ভাগের
১ ভাগ কোন সময় ৮ ভাগের ১ ভাগ
পায়।
এখানে ঐক্যমত ভিত্তিক অংশগুলোর
বর্ণনা করা হয়েছে। এছাড়াও
পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে নারীগণ অংশ
পায়। তবে মনে রাখতে হবে যে,
উপরোক্ত প্রত্যেকটি নিয়মে সব সময়
অংশ পাওয়া জরুরী নয়। কেননা অনেক
সময় মৃত ব্যক্তির নিকটতম আত্মীয়
দূরবর্তীদের অংশের জন্য বাঁধার কারণ
হয়ে দাঁড়ায়। পরিণামে দূরবর্তী আত্মীয়
অংশ পায় না। এই ব্যাপারে পুরুষ
এবং নারীদের বেলায় কোন পার্থক্য
নেই। পরিত্যক্ত সহায় সম্পদের
মধ্যে নারীদের অংশের উক্ত বিবরণ
জানার পর তাদের অংশ কম নির্ধারিত
হয়েছেÑ বলার অবকাশ তো থাকেই
না বরং এসব অংশ তাদের জন্য গনীমত
মনে করা হয়। কেননা মনে করুন, কোন
ব্যক্তি এক ছেলে এবং এক
মেয়ে রেখে মৃত্যুবরণ করলো। আর তার
পরিত্যক্ত তিন হাজার
টাকা থেকে ছেলে দুইহাজার
এবং মেয়ে এক হাজারের অধিকারী হলো।
তারপর ছেলে বিবাহ করার সময় দুই
হাজার টাকা মহর নির্ধারণ
করলো এবং স্ত্রীকে মহর দিয়ে দিল।
অপর দিকে মেয়ের বিবাহেও দুই হাজার
টাকা মহর নির্ধারণ করে সম্পাদন
করা হলো এবং সে স্বামীর পক্ষ
থেকে দুই হাজার মহর বাবদ আদায়
করে নিলো। এতে দেখা যাবে মেয়ের
সম্পদের পরিমান ৩০০০ হয়েছে।
অথচ ছেলের হাতে যা ছিল তা মহর
বাবদ খরচ হয়ে এখন সে খালি হাতে দিন
গণণা করছে। চিন্তা করে দেখুন
কে অধিক টাকার অধিকারী হলো।
এ ক্ষেত্রে যদি কেউ বলে, নারীর
পরিবর্তে পুরুষের উপর জুলুম
হচ্ছে আর জুলুম অবিচার
কারো প্রতি করা ঠিক নয়,
সুতরাং পুরুষের প্রতিই জুলুব হবে কেন?
এ ধরনের আপত্তি উত্থাপন
করা নেহায়েত
বোকামী এবং বুদ্ধিহীনতার পরিচায়ক,
কেননা আল্লাহপাক
পুরুষদেরকে উপার্জন ক্ষমতা দান
করেছেন। এই ক্ষমতার অধিকারী কেবল
পুরুষগণই। এই ক্ষমতা এবং উপার্জন
যোগ্যতা প্রকৃতপক্ষে সমস্ত
অর্থনৈতিক দায়িত্ব এবং খরচ
পাতি বহনেরই বদলা বরং উত্তম
বদলা। এই বিরাট নেয়ামতের মুকাবেলায়
অর্থের পাহাড় এবং অস্থায়ী সহায়
সম্পদ যতই অধিক হোক না কেন
তা আসলে মুল্যহীন।
অপরপক্ষে আল্লাহপাক
নারীকে বাসাবাড়ীর ব্যবস্থাপক
এবং শোভা বানিয়েছেন
এবং তাকে শহরে-বাজারে, কল-
কারখানা এবং ফ্যক্টরীতে শক্তি
পরীক্ষা-
নিরীক্ষা করা এবং উপার্জনের
কষ্টকর মরুভূমিতে দৌড়াদৌড়ি করার
জন্য সৃষ্টিগতভাবেই তৈরি করেন নাই।
কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস যে,
নব্য শিক্ষিত ও
প্রগতিবাদীরা নারীদের প্রতি এমন
অসহনীয় জুলুম ও অবিচার
করে আসছে যে, তাদেরকে সমান
অধিকারের আবাস্তব
ধারনা দিয়ে তাদের দেহগত, স্বভাব গত
এবং সৃষ্টিগত
দুর্বলতা এবং যোগ্যতা সম্পর্কে সঠিক
বিবেচনা না করেই কর্মস্থলে অসহনীয়
কষ্ট করার জন্য তাদেরকে দাঁড়
করিয়ে দিয়েছে। পরিতাপের বিষয়
হচ্ছে এই যে, তারা তাদের এই
বোকামীকে উন্নতি এবং সফলতার পথ
বলে ঘোষণা করেছে।
এর অনিবার্য পারিনাম কোন আলেমের
মুখে নয় বরং ইউরোপীয় এক
বিজ্ঞানী অর্থবিদের মুখে শুনুন,
তিনি বলেন, নারী এখন আর ঘরের
রাণী নয় বরং মিল কারখানার পরিস্কার
পরিচ্ছন্নতা ও হরেক রকমের
পণ্যদ্রব্য প্রস্তুত করা সহ বিভিন্ন
পরিশ্রমের কাজ-কর্ম সম্পাদনের
মেশিনারীতে পরিণত হয়েছে।
তারা রাজপ্রাসাদের রানীর মর্যাদায়
তুষ্ট না হয়ে সরকারী অফিস-
আদালতে সেবাদাসীনীর স্বাদ আস্বাদন
করতে সাজ-সজ্জা করে পথে নেমেছে।
এর বিনিময়ে কি পায় তারা? মাত্র
কয়েকটি টাকা! এই সামান্য
কয়েকটি পয়সার লোভে সে বংশীয়
ঐতিহ্যকে ধ্বংস এবং কলংকিত করছে।
নারীর উপার্জনের অল্প হলেও
একটি অংশ অবশ্যই পুরুষে পায়। কিন্তু
এটাও তো চিন্তা করুন যে, নারীগণ
পুরুষদেরকে ধাক্কা দিয়ে পিছনে রেখেই
তো এই পয়সা অর্জন করছে।
সুতরাং পুরুষদের পয়সা গুলোই যেন
তারা লুট করেছে।তবে হ্যাঁ,নিম্নমানের
কাজ-কর্ম ছাড়াও কিছু কিছু
নারী উন্নত মানের কাজও করে, যেমন:
বানিজ্যিক ভবন, আদালত, শিক্ষা,
টেলিগ্রাম, রেলওয়ে, ও অন্যান্য
বিভাগে নারীগণ কাজ-কর্ম করে থাকে।
কিন্তু উচ্চমানের এই
পদাবলী তাদেরকে স্বীয় বংশ
এবং বংশগত ঐতিহ্য থেকে পরিপূর্ণ
ভাবে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে।
( ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﺑﻴﻦ ﺍﻟﻔﻘﻪ ﻭﺍﻟﻘﺎﻧﻮﻥ
ﺹ১৭৬)
তাছাড়া নারী স্বাধীনতা এবং যুবক
যুবতীদের অবাধ মেলা মেশার
কারণে যে ভয়াবহ
পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে,
তা লিখতে গেলে কলম কেঁপে উঠে। এ
সম্পর্কে এক মহিলা লেডী কোকের
বক্তব্য পড়–ন। তিনি লিখেছেন, পুরুষ
এবং নারীর অবাধ মেলা মেশায়
নারীরা পুরুষদের চিত্ত বিনোদনের
উপকরণে পরিণত হয়েছে। অবাধ
মেলা মেশার পরিণামে অবৈধ সন্তানের
সংখ্যা মারাত্মক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
যা নারীদের জন্য মহা বিপদের কারণ।
( ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﺑﻴﻦ ﺍﻟﻔﻘﻪ ﻭﺍﻟﻘﺎﻧﻮﻥ
ﺹ১৯০ )
১৯৬৩ ইং সনের জাতিসংঘের রিপোর্ট
অনুযায়ী কতক শহরে অবৈধ সন্তানের
শতকরা ত্রিশভাগ।
( ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﺑﻴﻦ ﺍﻟﻔﻘﻪ ﻭﺍﻟﻘﺎﻧﻮﻥ
ﺹ২৪২ )
আর আত্মহত্যা এবং তালাক সমস্যাও
মারাত্মক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আমেরিকায় ১৮৯০ সনে তালাক ছিল
শতকরা ছয় ভাগ যা ১৯৪৮
সনে শতকরা চল্লিশভাগে উন্নিত
হয়েছে।
(ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﺑﻴﻦ ﺍﻟﻔﻘﻪ ﻭﺍﻟﻘﺎﻧﻮﻥ
ﺹ২৮৭ )
এই ভয়াবহ অবস্থার কারণে ইউরোপের
দুরদর্শী এবং জ্ঞানী মহল প্রকম্পিত
হয়ে উঠেছে এবং মহিলারা দ্রুত
গতিতে ঘরের পরিবেশে ফিরে যেতে শুরু
করেছে। এক পরিসংখ্যানে আমেরিকান
নারীদের শতকরা ৬৪জনই গৃহিনীর
জীবনকে প্রাধান্য দিয়েছে।


সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

অসীয়তের বিধান - মহিলা এবং পুরুষের অংশ

অসীয়তের বিধান
এতীমদের সাহায্য সহযোগিতার জন্য
উপরোক্ত বিধি-বিধান ব্যতীত আর
একটি উত্তম ব্যবস্থা অসিয়তের
নামে বিদ্যমান রয়েছে।
যারা উত্তরাধিকারী হয় তাদের
ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য নয়।
কেননা হাদীসে বলা হয়েছে ﻻ ﻭﺻﻴﺔ
ﻟﻮﺍﺭﺙ আর যারা পরিত্যক্ত
সম্পত্তির অংশীদার হয়
না তাদেরকে উত্তরাধিকারীর
সমপরিমান অংশের অধিক পরিমান
অসীয়ত বিধির মাধ্যমে প্রদান
করা যেতে পারে। কেননা উত্তরাধিকার
বন্টন ব্যবস্থা শরীয়ত কতৃক
নির্ধারিত হওয়ার কারণে নিকটতম
আত্মীয় ওয়ারিশদের জন্য অসীয়তের
বিধান কার্যতঃ রহিত করা হলেও
যারা ওয়ারিশ নয় তাদের জন্য
সর্বসম্মতভাবেই অসীয়তের
মাধ্যমে সাহায্য করা মুস্তাহাব
হিসেবে বিবেচিত রয়েছে। আল্লামাহ
শা’রানী বলেন-
ﺍﺟﻤﻌﻮﺍ ﻋﻠﻲ ﺍﻥ ﺍﻟﻮﺻﻴﺔ
ﻣﺴﺘﺤﺒﺔ)ﺍﻟﻤﻴﺰﺍﻥ ﻟﻠﺸﻌﺮﺍﻧﻲ )
অনেক সাহাবা এবং ফকীহদের
মতে যারা ওয়ারিশ নয় তাদের জন্য
অসীযত করা ওয়াজিব। তাদের
মতে পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছেÑ
ﻛُﺘِﺐَ ﻋَﻠَﻴْﻜُﻢْ ﺇِﺫَﺍ ﺣَﻀَﺮَ ﺃَﺣَﺪَﻛُﻢُ
ﺍﻟْﻤَﻮْﺕُ ﺇِﻥْ ﺗَﺮَﻙَ ﺧَﻴْﺮًﺍ ﺍﻟْﻮَﺻِﻴَّﺔُ
ﻟِﻠْﻮَﺍﻟِﺪَﻳْﻦِ ﻭَﺍﻟْﺄَﻗْﺮَﺑِﻴﻦَ ﺑِﺎﻟْﻤَﻌْﺮُﻭﻑِ
)ﺍﻟﺒﻘﺮﺓ )
তোমাদের মধ্যে যারা সহায় সম্পদ
রেখে মৃত্যুবরণ করবে তাদের জন্য
অসীয়ত করা জরুরী।
এক হিসেবে এই আয়াতের অসীয়তের
হুকুম উত্তরাধিকারীর জন্য রহিত
হয়েছে বটে, কিন্তু
যারা মিরাসে উত্তরাধিকারী নয়,
তাদের বেলায় অসীয়তের হুকুম রহিত হয়
নি। আল্লামা আইনী বলেনঃ
ﻭﻣﻨﻬﻢ ﻣﻦ ﻗﺎﻝ ﺍﻧﻬﺎ ﻣﻨﺴﻮﺧﺔ
ﻓﻴﻤﻦ ﻳﺮﺙ ﺛﺎﺑﺘﺔ ﻓﻴﻤﻦ ﻻﻳﺮﺙ
ﻭﻫﻮ ﻣﺬﻫﺐ ﺍﺑﻦ ﻋﺒﺎﺱ ﻭﺣﺴﻦ
ﻭﻣﺴﺮﻭﻕ ﻭﻣﺴﻠﻢ ﺑﻦ ﻳﺴﺎﺭ
ﻭﺍﻟﻌﻼﺀ ﺑﻦ ﺯﻳﺎﺩ ﻭﻗﺎﻝ ﺍﺑﻦ ﻛﺜﻴﺮ
ﻭﺑﻪ ﻗﺎﻝ ﻭﺳﻊ ﺑﻦ ﺍﻧﺲ ﻭﻣﻘﺎﺗﻞ
ﺍﺑﻦ ﺣﻴﺎﻥ )ﻋﻤﺪﺓ ﺍﻟﻘﺎﺭﻱ
ﺝ ৬ﺹ৪৭২)
এই আয়াতে উল্লেখিত অসিয়তের হুকুম
অনেকের নিকট ওয়ারিশদের বেলায়
রহিত হলেও যারা ওয়ারিশ নয় তাদের
ক্ষেত্রে রহিত করা হয় নাই।
ইবনে আব্বাস, হাসান, মাসরুক,
আলা ইবনে যিয়াদ জেহাক এবং মুসলিম
ইবনে ইয়াসার এইরূপ মতামত প্রকাশ
করেছেন। আর ইবনে কাসীর উল্লেখ
করেছেন যে, সাইদ ইবনে জুবাইর
রাবী ইবনে আনাস এবং মুকাতিল
ইবনে হাইয়্যানও এই মতামতকেই
সমর্থন করেছেন। এতীমদের লালন
পালনের কোন ব্যবস্থাই
যদি না থাকে তাহলে অপরাগতা এবং
বিশেষ প্রয়োজনে ওলামা মাশায়েখদের
সাথে পরামর্শক্রমে এতীমদের জন্য
অসীয়ত করা বাধ্যতকামূলক
করা যেতে পারে। যদি এরপরও
দাদা অসীয়ত না করে মৃত্যুবরণ
করে তাহলে ইবনে হুমামের মতামত
অনুসারে অসীয়ত পরিমান সম্পদ দাদার
পরিত্যক্ত সম্পত্তি থেকে অসহায়
এতীমদেরকে দেয়া যেতে পারে।
জাহেরী মাজহাবের ইমাম ইবনে হাযমের
নিকট যেহেতু অসীয়ত করা ওয়াজিব,
তাই তার মতে অসীয়ত
না করে মৃত্যুবরণ
করলে মৃতব্যক্তি যাকে অসীয়ত
অর্থাৎ প্রতিনিধি করে যায়
অংশীদারদের পরামর্শে যে পরিমান
অংশ অসীয়তের জন্য নির্ধারিত হয় ঐ
পরিমান এতীমদেরকে দেয়া যেতে পারে।
ﻭﻓﺮﺽ ﻋﻠﻰ ﻛﻞ ﻣﺴﻠﻢ ﺃﻥ
ﻳﻮﺻﻲ ﻟﻘﺮﺍﺑﺘﻪ ﺍﻟﺬﻳﻦ ﻻ ﻳﺮﺛﻮﻥ،
ﺇﻣﺎ ﻟﺮﻕ، ﻭﺃﻣﺎ ﻟﻜﻔﺮ، ﻭﺃﻣﺎ ﻷﻥ
ﻫﻨﺎﻟﻚ ﻣﻦ ﻳﺤﺠﺒﻬﻢ، ﻋﻦ
ﺍﻟﻤﻴﺮﺍﺙ ﺃﻭ ﻷﻧﻬﻢ ﻻ ﻳﺮﺛﻮﻥ
ﻓﻴﻮﺻﻲ ﻟﻬﻢ ﺑﻤﺎ ﻃﺎﺑﺖ ﺑﻪ
ﻧﻔﺴﻪ، ﻻ ﺣﺪ ﻓﻲ ﺫﻟﻚ، ﻓﺈﻥ ﻟﻢ
ﻳﻔﻌﻞ ﺃﻋﻄﻮﺍ، ﻭﻻ ﺑﺪ ﻣﺎ ﺭﺁﻩ
ﺍﻟﻮﺭﺛﺔ، ﺃﻭ ﺍﻟﻮﺻﻲ. ﻓﺈﻥ ﻛﺎﻥ
ﻭﺍﻟﺪﺍﻩ، ﺃﻭ ﺃﺣﺪﻫﻤﺎ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﻜﻔﺮ،
ﺃﻭ ﻣﻤﻠﻮﻛﺎ ﻓﻔﺮﺽ ﻋﻠﻴﻪ ﺃﻳﻀﺎ ﺃﻥ
ﻳﻮﺻﻲ ﻟﻬﻤﺎ، ﺃﻭ ﻷﺣﺪﻫﻤﺎ ﺇﻥ ﻟﻢ
ﻳﻜﻦ ﺍﻵﺧﺮ ﻛﺬﻟﻚ، ﻓﺈﻥ ﻟﻢ ﻳﻔﻌﻞ
ﺃﻋﻄﻲ، ﺃﻭ ﺃﻋﻄﻴﺎ ﻣﻦ ﺍﻟﻤﺎﻝ، ﻭﻻ
ﺑﺪ، )ﺍﻟﻤﺤﻠﻲ ﻻﺑﻦ ﺣﺰﻡ
ﺝ ৯ﺹ৩১৪)
মিরাছ থেকে বঞ্চিত এতীমদের জন্য
অসীয়ত করা প্রত্যেক মুসলমানের
উপর ফরয। বঞ্চিত হওয়ার কারণ
কৃতদাস বা কাফের হোক
কিংবা নিকটতম অংশীদারের
কারণে হোক, মিরাছ দাতার উপর
জরুরী সে মৃত্যুর পূর্বে বঞ্চিতদের
জন্য ইচ্ছামত অসীয়ত করে যাবে।
কিন্তু যদি সে অসীয়ত
না করে মৃত্যুবরণ করে, তাহলে মৃত্যুর
পর অসীয়ত অথবা অংশীদারদের মনমত
নির্ধারিত পরিমান
বঞ্চিতদেরকে অবশ্যই প্রদান
করতে হবে। যদি মৃত্যুবরণ কারীর
মা এবং পিতা দুজনই অথবা কোন
একজন কাফের হয় অথবা কৃতদাস হয়
তাহলে দুইজনের অথবা এক জনের জন্য
অসীয়ত করা বাধ্যতামূলক হবে। আর
একজন তো মুসলমান হওয়ার
কারণে অংশ পাবেই। কিন্তু যদি তবুও
অসীয়ত না করেই মৃত্যু বরণ
করে তাহলেও দুজন
কে অথবা একজনকে অবশ্যই মালের
অংশ দিতে হবে।
মহিলা এবং পুরুষের অংশ
উত্তারিধকার বন্টনের শরীয়তগত
বিধি-বিধান যেমন নিকটতম
হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঠিক
তেমনিভাবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে মহিলার
তুলনায় পুরুষের দ্বিগুণ অংশ পাওয়ার
বিধানটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এতে কারো মত বিরোধ নাই এবং এই
সিদ্ধান্ত কিয়াসগত নয় বরং পবিত্র
কুরআন দ্বারা অকাট্য ভাবে সাব্যস্ত।
ﻟﻠﺬﻛﺮ ﻣﺜﻞ ﺣﻆ ﺍﻻﻧﺜﻴﻴﻦ “মহিলার
তুলনায় পুরুষের অংশ দ্বীগুণ”।
বর্তমান যুগে নারী পুরুষের সমান
অধিকারের
জোড়ালো দাবী জানানো হচ্ছে। ইসলামের
অনেক হুকুম আহকামের মত দাবীদারগণ
এই বিধানের মধ্যেও সমান অধিকার
লংঘিত হবার আপত্তি করে থাকে। আর
ইসলামের উত্তরাধিকার বন্টন
বিধানকে মারাত্মক জুলুম এবং অবিচার
পূর্ণ বিধান বলে হৈহল্লা করে বেড়ায়
এবং পরিবর্তনের জন্য আন্দোলন
পরিচালনা করে থাকে।
ইতিপূর্বে একাধিক স্ত্রী বিবাহ-বিধান
আলোচনা প্রসঙ্গে তাদের যুক্তিহীন
অবান্তর দাবী এবং জুলূমের অপবাদের
প্রকৃতি উদঘাটন করা হয়েছে। তাই
অধিক কোন কিছু বলার প্রয়োজনই
নেই। তবে এতটুকু বলে রাখা প্রয়োজন
যে, তাদের সমালোচনার সময়
ইসলামী কানূনের সমস্ত
দিকগুলো তাদের সম্মুখে থাকে না।
অন্যথায় তাদের জানা উচিত যে,
পরিত্যক্ত সহায় সম্পদ
থেকে যে পরিমান অংশই মহিলারা পায়
সেই অংশটুকু হয়ত কোন বিশেষ
অবস্থায় কাজে লাগিয়ে থাকে। নচেৎ
সাধারণত তা পড়েই থাকে আর ব্যাংক
ব্যালেন্স বৃদ্ধির কারণ হয়। এই
প্রেক্ষিতে বলা অনুচিত হবে না যে,
পরিত্যক্ত অর্থ সম্পদের
মধ্যে নারীদের অংশ মূলত:
তাদেরকে সান্ত্বনা প্রদান এবং মনজয়
করার জন্য নির্ধারিত হয়েছে।
এতে সমাজে তাদের সম্মানজনক
অবস্থান সৃষ্টি করাই শরীয়তের মূখ্য
উদ্দেশ্য।
নতুবা যারা শরীয়তের বিধি বিধানের
বিস্তারিত জ্ঞান রাখে তারা জানে যে,
শরীয়তের বিধি-বিধানের
পুরাপুরি অনুসরণ করা হলে অপারগতার
অল্প কিছু
অবস্থা ছাড়া নারীদেরকে কারো এমনকি
স্বয়ং তাদের নিজেদের ভরণ পোষণের
দায়িত্বও শরীয়তগত ভাবে তাদের
উঠাতে হয় না। কেননা বিবাহের
পূর্বে পিতা অথবা ভাইদের উপর আর
বিবাহের পর স্বামীর উপর, স্বামীর
মৃত্যু
হলে অথবা তালাকপ্রাপ্তা হলে পুনরায়
পিতা অথবা অন্যান্য আত্মীয়
স্বজনদের অথবা আপন সন্তানদের
উপর তাদের ভরণ পোষণের দায়িত্ব
ফরজ করা হয়েছে। উপরন্তু বিবাহের
মূহূর্তে মহরের অধিকারী হয়।
কেননা স্বামীর উপর বাধ্যতামূলক
ভাবে মহর আদায় করা ধার্য
করা হয়েছে।
মূর্খতা এবং অদূরদর্শীতার
কারণে যদি স্ত্রী তার মহর স্বেচ্ছায়
আদায় না করে অথবা ক্ষমা করে দেয়
তাহলে বলার কিছু নেই। অন্যথায়
শরীয়তের সিদ্ধান্ত মতে মহর
বাধ্যতামূলক ভাবে ধার্য করা হয়েছে।
যদি স্বামী মৃত্যুবরণ করে তাহলে তার
পরিত্যক্ত অর্থসম্পদের
মধ্যে বিধবা স্ত্রীর জন্য
উত্তরাধিকার সুনিশ্চিত করা হয়েছে।
অপর পক্ষে পুরুষের অবস্থা এই যে,
বালেগ হওয়ার এবং উপার্জনে সক্ষম
হওয়ার সাথে সাথে কেবল নিজের নয়
বরং স্ত্রী, সন্তানাদি এমনকি অনেক
ক্ষেত্রে মাতা-পিতা এবং আত্মীয়দের
প্রয়োজন পূরা করার দায়িত্বও তাদের
উপর আসে। বিবাহের পর স্ত্রীর
সমস্ত খরচ স্বামীকে এককভাবে বহন
করতে হয়। উপরন্তু মহরের এক বিরাট
অংক স্ত্রীকে প্রদান করতে হয়।
এসবদিক বিবেচনা করার পর
স্ত্রীকে যদি চার ভাগের এক ভাগ
প্রদানের কথা বলা হতো, তবুও জুলুম
করা হয়েছে বলে উক্তি করা সমীচীন
হতো না বলেই মনে হয়।


সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

পরিত্যক্ত সম্পদ - দিকনির্দেশনামূলক বিধান

পরিত্যক্ত সম্পদ
পরিত্যক্ত শব্দের দ্বারা একটি বিষয়
সুস্পষ্টভাবে বুঝা যায় যে, কোন
ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করার পর
সে যে সহায় সম্পত্তি রেখে যায় সেই
সম্পত্তির বন্টন
বিধানকে উত্তরাধিকার বিধান বলে।
এতে বুঝা যায় যে, মৃত্যুর পূর্ব
পর্যন্ত মাল সম্পদে উত্তরাধিকারীর
অধিকার লাভ হয় না। বরং মৃত্যুর পরই
এই অধিকার অর্জন হয় এবং তখন
যারা তার নিকটতম আত্মীয়
থাকে কেবল তারাই এর অধিকারী হয়।
আর যারা তার জীবদ্দশায় মৃত্যুবরণ
করেছেন তারা (বর্তমানে যারা জীবিত
আছে তাদের তুলনায় অধিক নিকটতম
হলেও) উত্তরাধিকারী হবে না।
সুতরাং তাদের কোন নিকটতম জীবিত
লোক মোটেই এই
সূত্রে উত্তরাধিকারী হবে না।
পরিত্যক্ত সম্পত্তির বন্টন বিধান
নির্ধারণ করেই শরীয়ত ক্ষান্ত হয়
নাই। এ সম্পর্কে অনেক
জরুরী বিষয়াদীকে বিস্তারিতভাবে
বর্ণনা করেছে। আর এসব
বর্ণনা গভীরভাবে বিবেচনা করলে বুঝা
হয় যে, এগুলো অত্যন্ত
যুক্তিযুক্ত,বাস্তব ভিত্তিক ও
স্বভাব সম্মত। যেমন বলা হয়েছে যে,
মৃত্যুর সময় বংশসূত্রে যে তার
সর্বাধিক নিকটতম, পরিত্যক্ত সম্পদ
বন্টনের বেলায়
সেই নিকটতম বিবেচিত হবে। আর
যে দূরে, তাকে দূরের বিবেচনা করা হবে।
আর যেখানে জ্ঞানের
আলোকে নিকটতম এবং দূরতম
বিবেচনা কঠিন হয় সেখানে নিকটতম
এবং দূরতমকে শরীয়ত
স্বয়ং পরিস্কারভাবে নিধারণ
করে দিয়েছে। যেমন মৃত ব্যক্তির
পিতা এবং পুত্র দুজনই বংশ
সূত্রে নিকটতম হওয়ার
ব্যাপারে বাহ্যিক দৃষ্টিতে সমান।
মানবিক জ্ঞানের দ্বারা কে নিকটতম
আর কে দূরতম এই সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত
করা কঠিন, তাই এ ব্যাপারে শরীয়ত
সরাসরি সিদ্ধান্ত দান করেছে,
যা উত্তরাধিকারী সংক্রান্ত
কিতাবাদীতে বিদ্যমান রয়েছে।
দিকনির্দেশনামূলক বিধান
ইসলামী বিধান সম্পর্কে অবগতির
পরও প্রচলিত উত্তরাধিকারী আইনের
সংশোধিত বিধানকে গ্রহণ করার
প্রতি বিশেষ জোর দেয়া হচ্ছে।
এবং সেই সংশোধিত বিধান মুতাবিক
উত্তরাধিকারী নির্ধারণের
কথা বলা হচ্ছে অথচ এই বিধান
কার্যকর করা হলে শরীয়তের মৌলিক
বিধান সম্পূর্ণভাবে খতম হয়ে যাবে।
এই সংশোধিত বিধানে পিতার
জীবদ্দশায় মৃত পুত্রের সন্তানদের
জন্যও অংশ ধার্য করা হয়েছে।
ইসলামী বিধান বিশ্বাসীদের জন্য এই
বিধান মোটেই গ্রহণযোগ্য
হতে পারে না। এ কারণেই মুসলিম
আইনবিদগণ এই সংশোধিত আইনের
বিরুদ্ধে ঐক্যমত পোষণ করে গেছেন।
প্রসিদ্ধ ফেকাহবিদ আবু বকর জাচ্ছাছ
বলেন-
ﻭﻟﻢ ﻳﺨﺘﻠﻒ ﺃﻫﻞ ﺍﻟﻌﻠﻢ ﻓﻲ ﺃﻥ
ﺍﻟﻤﺮﺍﺩ ﺑﻘﻮﻟﻪ ﺗﻌﺎﻟﻰ ﻳﻮﺻﻴﻜﻢ
ﺍﻟﻠﻪ ﻓﻲ ﺃﻭﻻﺩﻛﻢ ﺃﻭﻻﺩ ﺍﻟﺼﻠﺐ
ﻭﺇﻥ ﻭﻟﺪ ﺍﻟﻮﻟﺪ ﻏﻴﺮ ﺩﺍﺧﻞ ﻣﻊ ﻭﻟﺪ
ﺍﻟﺼﻠﺐ ﻭﺃﻧﻪ ﺇﺫﺍ ﻟﻢ ﻳﻜﻦ ﻭﻟﺪ
ﺍﻟﺼﻠﺐ ﻓﺎﻟﻤﺮﺍﺩ ﺃﻭﻻﺩ ﺍﻟﺒﻨﻴﻦ ﺩﻭﻥ
ﺃﻭﻻﺩ ﺍﻟﺒﻨﺎﺕ )ﺍﺣﻜﺎﻡ ﺍﻟﻘﺮﺍﻥ
ﺝ ২ﺹ৮)
আদিকাল থেকে অদ্যাবধি সমস্ত
আইনবিদগণ একমত রয়েছেন যে, এই
আয়াতের উদ্দেশ্য পিতার আপন
সন্তানগণ। তাই পিতার আপন পুত্র
জীবিত থাকাবস্থায় নাতিগণ এর
অন্তর্ভুক্ত নয়। যদি আপন কোন
পুত্র না থাকে কেবল তখনই নাতি,
নাতনীগণ উত্তরাধিকারী নির্ধারিত
হবে। আর মেয়ের সন্তানরা তখনও
উত্তরাধিকারী নয়। ফারায়েজ বিদ্যায়
বিশেষজ্ঞানের অধিকারী সাহাবী যায়েদ
ইবনে সাবেত কর্তৃক বর্ণিত হাদীস
বুখারী শরীফে সুস্পষ্টভাবে উদ্ধৃত
হয়েছে যে,
ﻭﻗﺎﻝ ﺯﻳﺪ ﻭﻟﺪ ﺍﻷﺑﻨﺎﺀ ﺑﻤﻨﺰﻟﺔ ﺍﻟﻮﻟﺪ
ﺇﺫﺍ ﻟﻢ ﻳﻜﻦ ﺩﻭﻧﻬﻢ ﻭﻟﺪ ﺫﻛﺮ
ﺫﻛﺮﻫﻢ ﻛﺬﻛﺮﻫﻢ ﻭﺃﻧﺜﺎﻫﻢ
ﻛﺄﻧﺜﺎﻫﻢ ﻳﺮﺛﻮﻥ ﻛﻤﺎ ﻳﺮﺛﻮﻥ
ﻭﻳﺤﺠﺒﻮﻥ ﻛﻤﺎ ﻳﺤﺠﺒﻮﻥ ﻭﻻ ﻳﺮﺙ
ﻭﻟﺪ ﺍﻻﺑﻦ ﻣﻊ ﺍﻻﺑﻦ )ﺑﺨﺎﺭﻱ
ﺝ ২ﺹ৯৯৭) ﻭﻗﺎﻝ ﺍﻟﻌﻴﻨﻲ ﻓﻲ
ﺍﻟﻌﻤﺪﺓ )ﺝ ১১ﺹ৯৯৭ ) ﻭﻫﺬﺍ
ﺍﻟﺬﻱ ﻗﺎﻟﻪ ﺯﻳﺪ ﺇﺟﻤﺎﻉ
পুত্র না থাকলে নাতিগণ সন্তানের
স্থলাভিষিক্ত হয়, আর পুত্র
থাকাবস্থায় নাতিগণ অংশীদার হয় না।
আল্লামাহ আইনী উমদাতুল
কারীতে বলেন, যায়েদ রা. এই মতের
উপর উম্মতের ঐক্যমত রয়েছে।


সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

মহিলাদের অধিকার না থাকার উপকারিতা - অনর্থক তালাকের পরিণাম

মহিলাদের অধিকার না থাকার
উপকারিতা
মহিলাদেরকে তালাকের অধিকার
না দেয়ার মধ্যেই রয়েছে উপকারিতা ও
কল্যাণ। এ সম্পর্কে প্রসিদ্ধ
হানাফী ফকীহ ইবনে হুমামের বক্তব্য
অত্যন্ত প্রণিধানযোগ্য তিনি বলেন,
ﺟﻌﻠﻪ ﺑﻴﺪ ﺍﻟﺮﺟﺎﻝ ﺩﻭﻥ ﺍﻟﻨﺴﺎﺀ
ﻻﺧﺘﺼﺎﺻﻬﻦ ﺑﻨﻘﺼﺎﻥ ﺍﻟﻌﻘﻞ
ﻭﻏﻠﺒﺔ ﺍﻟﻬﻮﻯ ، ﻭﻋﻦ ﺫﻟﻚ ﺳﺎﺀ
ﺍﺧﺘﻴﺎﺭﻫﻦ ﻭﺳﺮﻉ ﺍﻏﺘﺮﺍﺭﻫﻦ
ﻭﻧﻘﺼﺎﻥ ﺍﻟﺪﻳﻦ ، ﻭﻋﻨﻪ ﻛﺎﻥ ﺃﻛﺜﺮ
ﺷﻐﻠﻬﻦ ﺑﺎﻟﺪﻧﻴﺎ ﻭﺗﺮﺗﻴﺐ ﺍﻟﻤﻜﺎﻳﺪ
ﻭﺇﻓﺸﺎﺀ ﺳﺮ ﺍﻷﺯﻭﺍﺝ ﻭﻏﻴﺮ ﺫﻟﻚ ،
তালাকের অধিকার পুরুষদের
হাতে রাখার বিভিন্ন কারণ সমূহের
মধ্যে অন্যতম কয়েকটি এই যে,
ক. বুদ্ধি এবং দূরদর্শিতার
স্বল্পতা এবং অধিক আবেগপূর্ণ
হওয়ার কারণে অধিকার প্রয়োগে ভুল
করে বসা এবং সহজেই ষড়যন্ত্রের
শিকার হওয়া।
খ. আর ধর্মীয় ব্যাপারে দুর্বলতা হেতু
সাজ সজ্জা এবং ফ্যাশন
ইত্যাদিতে অধিক নিমগ্ন থাকা, যার
পরিণামে অতি সহজে ষড়যন্ত্রকারীদের
ষড়যন্ত্রের শিকার হওয়া। অনেক
ক্ষেত্রে আপন উদ্দেশ্য সফল করার
জন্য অযৌক্তিক তাল বাহানা শুরু
করা আর স্বামীর গোপনভেদের
কথাবার্তা অন্যদের নিকট ফাঁস
করে দেয়া। এসব ছাড়াও অনেক কারণ
এবং রহস্য রয়েছে যা মানুষের জন্য
অনুধাবন করা সম্ভব নয়।
কেননা আল্লাহ পাকের কর্মকাণ্ডের
এবং তার সিদ্ধান্তাবলির সমস্ত কারণ
এবং রহস্যসমূহ সীমিত জ্ঞানের
অধিকারী মানুষের জন্য
বুঝা এবং অনুধাবন
করা কী করে সম্ভব হতে পারে?
একথাও মনে রাখা প্রয়োজন যে, পুরুষের
বুদ্ধি এবং ধর্মশক্তি ও সঠিক প্রয়োগ
ক্ষমতার কারণে তাদেরকে তালাকের
পুরাপুরি অধিকার দেয়া হয়েছে। অবশ্য
এর পাশাপাশি তালাকের অধিকার
প্রয়োগের জন্য বহুবিধ শর্তাবলীর
পাবন্দ করা হয়েছে। এবং যথাসম্ভব
তালাক না দেয়ার জন্য বলা হয়েছে।
অনর্থক তালাকের পরিণাম
রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
ﺍﺑﻐﺾ ﺍﻟﺤﻼﻝ ﺍﻟﻄﻼﻕ অর্থাৎ
বিশেষ প্রয়োজনে যে সমস্ত কাজের
অনুমতি প্রদান করা হয়েছে সে গুলির
মধ্যে সর্বাধিক অপছন্দনীয় কাজ
হচ্ছে তালাক প্রদান করা। (আবু দাউদ
১/৩১২)
এ কারণেই অনর্থক তালাক
দেয়াকে গোনাহের কাজ বলে মন্তব্য
করা হয়েছে। প্রসিদ্ধ আরিফ বিল্লাহ
এবং প্রখ্যাত ফকীহ
আল্লামা শা’রানী রহ. বলেন,
ﺍﺗﻔﻘﻮﺍﻋﻠﻲ ﺍﻥ ﺍﻟﻄﻼﻕ ﻣﻜﺮﻭﻩ
ﻓﻲ ﺣﺎﻝ ﺍﺳﺘﻘﺎﻣﺔ ﺍﻟﺰﻭﺟﻴﻦ ﺑﻞ
ﻗﺎﻝ ﺍﺑﻮ ﺣﻨﻴﻔﺔ ﺑﺘﺤﺮﻳﻤﻪ- ﺍﻟﻤﻴﺰﺍﻥ
ﻟﻠﺸﻌﺮﺍﻧﻲ ﺝ২ﺹ১৩৫
এ বিষয়ে সমস্ত ওলামা ফকীহগণ
একমত রয়েছেন,
অযৌক্তিকভাবে তালাক প্রদান
করা অত্যন্ত অপছন্দনীয় কাজ। আর
ইমাম আবু হানীফা অযৌক্তিক তালাক
দেয়াকে হারাম বলেছেন।
আল্লামা ইবনে হুমাম বলেন :
ﻭﻻﻳﺨﻔﻲ ﺍﻥ ﻛﻼﻣﻬﻢ ﻓﻴﻤﺎ
ﺳﻴﺎﺗﻲ ﻣﻦ ﺍﻟﺘﻌﺎﻟﻴﻞ ﻳﺼﺮﺡ ﺑﺎﻧﻪ
ﻣﺤﻈﻮﺭ ﻟﻤﺎ ﻓﻴﻪ ﻣﻦ ﻛﻔﺮﺍﻥ
ﻧﻌﻤﺔ ﺍﻟﻨﻜﺎﺡ-ﻓﺘﺢ ﺍﻟﻘﺪﻳﺮ
ﺝ ২ﺹ১৪৬
ফকীহদের কথাবার্তা দ্বারা প্রতীয়মান
হয় যে, উপযুক্ত কারণ ব্যতীত তালাক
দেয়া নিষিদ্ধ। কেননা এতে বিবাহের মত
আল্লাহ প্রদত্ত নেয়ামত
এবং ইহসানের অবমূল্যায়ন
এবং অক”তজ্ঞতা প্রকাশ পায়।
ইবনে হুমাম আরো বলেন যে,
ﺍﻻﺻﺢ ﺣﻈﺮﻩ ﺍﻻﻟﺤﺎﺟﺔ প্রয়োজন
ব্যতীত তালাক দেয়া নিষেধ এটাই
সঠিক মতামত। এরূপই
দুররে মুখতারে বলা হয়েছে যে, ﺍﻻﺻﺢ
ﺣﻈﺮﻩ ﺍﻱ ﺍﻟﻄﻼﻕ
ﺑﻼﺿﺮﻭﺭﺓ অর্থাৎ
অপ্রয়োজনে তালাক দেয়া নিষেধ। এটাই
সঠিক মতামত। আল্লামাহ শামীও এই
মতটিকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
(শামী ২/২৬১)
হানাফী ফিকহের প্রসিদ্ধ কিতাব
হেদায়াতেও তালাককে নিষেধ বলে কেবল
প্রয়োজনের সময় তালাক
দেয়াকে জায়েয বলা হয়েছে-
ﺃﻥ ﺍﻷﺻﻞ ﻓﻲ ﺍﻟﻄﻼﻕ ﻫﻮ
ﺍﻟﺤﻈﺮ ﻟﻤﺎ ﻓﻴﻪ ﻣﻦ ﻗﻄﻊ ﺍﻟﻨﻜﺎﺡ
ﺍﻟﺬﻱ ﺗﻌﻠﻘﺖ ﺑﻪ ﺍﻟﻤﺼﺎﻟﺢ ﺍﻟﺪﻳﻨﻴﺔ
ﻭﺍﻟﺪﻧﻴﻮﻳﺔ ﻭﺍﻹﺑﺎﺣﺔ ﻟﻠﺤﺎﺟﺔ ﺇﻟﻰ
ﺍﻟﺨﻼﺹ
আসলে তালাক দেয়া নিষেধ, কেননা এর
দ্বারা বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন হয়,
অথচ বিবাহের সাথে ইহকাল পরকালের
অসংখ্য উপকারিতা সম্পৃক্ত রয়েছে।
অবশ্য প্রয়োজনে বৈধ করা হয়েছে।
হাম্বলী প্রসিদ্ধ ফকীহ ইবনে কুদামাহ
বলেন-
ﺍﻟﻄﻼﻕ ﻋﻠﻰ ﺧﻤﺴﺔ ﺃﺿﺮﺏ
)ﻭﺍﻟﺜﺎﻧﻲ( ﻣﻜﺮﻭﻩ ﻭﻫﻮ ﺍﻟﻄﻼﻕ
ﻣﻦ ﻏﻴﺮ ﺣﺎﺟﺔ ﻟﻘﻮﻝ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ
ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ " ﺃﺑﻐﺾ ﺍﻟﺤﻼﻝ
ﺇﻟﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﻄﻼﻕ ﻭﻋﻨﻪ ﺃﻧﻪ
ﻣﺤﺮﻡ ﻻﻧﻪ ﺿﺮﺭ ﺑﻨﻔﺴﻪ ﻭﺯﻭﺟﺘﻪ
ﻭﺍﻋﺪﺍﻡ ﻟﻠﻤﺼﻠﺤﺔ ﺍﻟﺤﺎﺻﻠﺔ ﻟﻬﻤﺎ
ﻣﻦ ﻏﻴﺮ ﺣﺎﺟﺔ ﺇﻟﻴﻪ ﻭﻟﻘﻮﻝ ﺍﻟﻨﺒﻲ
ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ " ﻻ ﺿﺮﺭ
ﻭﻻ ﺍﺿﺮﺍﺭ-ﺍﻟﻄﺎﻓﻲ ) ﺍﻟﺸﺮﺡ
ﺍﻟﻜﺒﻴﺮ ﻻﺑﻦ ﻗﺪﺍﻣﺔ ﺝ৮ﺹ২৩৪)
অর্থাৎ যেহেতু তালাক অত্যন্ত
অপছন্দনীয় এবং স্বামী-স্ত্রী উভয়ের
জন্যই অত্যন্ত ক্ষতির কারণ তাই
ইমাম আহমদের একমত অনুসারে তালাক
দেয়া হারাম। কেননা রাসূলে পাক
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
ইরশাদ করেছেন যে, নিজেও
ক্ষতিগ্রস্ত হয়ো না এবং অন্যকেও
ক্ষতিগ্রস্ত করো না।

সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

মহিলা স্বভাব - তালাকের অধিকার

মহিলা স্বভাব
মহিলাদের অনুভূতি শিশুদের মতই
উচ্ছ্বাসপ্রবণ। যে কোন কর্ম-ক্রিয়া,
প্রভাব অতি সহজেই তাদের ভেতর দাগ
কাটে। তাদের জ্ঞানও সে ক্ষেত্রে হার
মেনে অতীতের কথা ভুলে যায়। তাদের
এই স্বভাবের কথা পবিত্র হাদীসেও
বলা হয়েছে বুখারী শরীফের
হাদীসে আছে-
ﻟﻮ ﺍﺣﺴﻨﺖ ﺍﻟﻲ ﺍﺣﺪﻫﻦ ﺍﻟﺪﻫﺮ
ﺛﻢ ﺭﺃﺕ ﻣﻨﻚ ﺷﻴﺌﺎ ﻗﺎﻟﺖ ﻣﺎﺭﺋﻴﺖ
ﻣﻨﻚ ﺧﻴﺮﺍﻗﻂ
তোমরা নারীদের সাথে জীবন ভর
সদাচারণ করো এবং তাদের
প্রতি এহসান করতে থাকো না কেন
ঘটনাক্রমে যদি কোন দিন সামান্য
পরিমাণ তাদের চাহিদার খেলাফ কোন
কিছু হয়ে যায়,
তাহলে সাথে সাথে বলে উঠবে যে, আজ
পর্যন্ত কোন দিন তোমার তরফ
থেকে আমি শান্তি বলতে কিছু পাইনি,
ভাল কোন কিছু দেখি নি। (ফাতহুল
বারি ১/৭৮)
হাদীসের এই তত্ত্ব অত্যন্ত
বাস্তবসম্মত। আর এই
বাস্তবতাকে পাশ্চাত্য পন্ডিতগণও
স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে। তাই
দেখা যায় বিশ্বকোষে বলা হয়েছে যে,
পুরুষগণ দেহগত শক্তির দিক
দিয়ে মহিলাদের তুলনায় অধিক
শক্তিশালী হয়। ডক্টর দুকারীনী বলেন,
সর্ব প্রকার পুরুষই নারীদের তুলনায়
দেহগতভাবে অধিক শক্তিশালী হয়।
আমিরিকার বর্বর এবং প্যারিসের
প্রগতিবাদী সভ্যদের মধ্যেও একই
অবস্থান। আর মনোবিজ্ঞানের
মাধ্যমে এই কথা সাব্যস্ত হয়েছে যে,
পুরুষদের ধীশক্তির তুলনায় নারীদের
ধীশক্তি একশত গ্রাম কম।
ধীশক্তি এবং দেহের সমতার ক্ষেত্রেও
এই পার্থক্য বিদ্যমান, পুরুষের দেমাগ
ধীশক্তি এবং দেহের সমতার পরিমান
হচ্ছে চল্লিশ ভাগের এক ভাগ, আর
নারীদের হচ্ছে ৪৪ ভাগের ১ ভাগ। এ
কারণেই পুরুষগণ অধিক তেজ
এবং ধীশক্তির অধিকারী হয়ে থাকে।
একারণেই মহিলাগণ মানসিক
ভাবে অল্পতে অধিক প্রভাবিত হয়।
(বিশ্বকোষ ৮/৬০১)
তালাকের অধিকার
একথা জানা যায় প্রয়োজন যে,
পুরুষদেরকে প্রদত্ব তালাকের অধিকার
কিয়াস অথবা ইজতেহাদের
ভিত্তিতে নয় এবং এতে কোন মত
বিরোধও নাই বরং শরীয়ত কর্তৃক
অকাট্য প্রমানাদির দ্বারাই পুরুষের
জন্য এই অধিকার নির্ধারণ
করা হয়েছে। এ
ব্যাপারে উম্মতে মুসলিমার ঐক্যমত
রয়েছে। পবিত্র কুরআনের তালাক
সংক্রান্ত সমস্ত আয়াতেই তালাকের
অধিকার পুরুষের জন্য সুনিশ্চিত
করা হয়েছে। পক্ষান্তরে সম্পর্ক
স্থাপনের ব্যাপারে শুধু স্বামী-
স্ত্রী নয়Ñ বরং স্বামী-স্ত্রী উভয়ের
ইজাব এবং কবূলের শর্তারোপ
করা হয়েছে।
সুরায়ে বাকারাতে বলা হয়েছে ﺍﻟﺬﻱ
ﺑﻴﺪﻩ ﻋﻘﺪﺓ ﺍﻟﻨﻜﺎﺡ-
এতে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে,
বিবাহের বন্ধন পুরাপুরি পুরুষের
অধিকারে রাখা হয়েছে।
বন্ধনকে স্থায়ী করা অথবা খুলে দেয়ার
একমাত্র অধিকার পুরুষের। এ
ক্ষেত্রে নারীদের তালাক দেবার সুযোগ
সীমিত। পক্ষপাতিত্ব এবং হঠকারিতার
পথ পরিহার
করে দূরদর্শী এবং নিরপেক্ষভাবে চিন্তা
করলে দেখা যাবে যে, তালাকের অধিকার
সম্পূর্ণরূপে পুরুষের হাতে থাকাই
যুক্তিযুক্ত এবং ন্যায়সঙ্গত।

সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

নারীর তালাকের অধিকার - অধিকার দেয়ার পরিণাম

নারীর তালাকের অধিকার
হ্যাঁ একথা বাস্তব যে, স্বামীকেই শুধু
তালাকের অধিকার
দেয়া হয়েছে স্ত্রীকে সরাসরি তালাকের
অধিকার দেয়া হয় নাই। এর আসল
ইল্লত এবং কারণ আল্লাহপাকই
জানেন। মানুষের পক্ষে এর কারণ সমূহ
জানা সম্ভব নয় এবং প্রয়োজনও নাই,
তবে যতটুকু হেকমত এবং তাৎপর্য
অতি সহজেই প্রতীয়মান হয় তার
মধ্যে অন্যতমঃ
(ক) পুরুষগণ সৃষ্টিগতভাবে নারীদের
তুলনায় অধিক ন্যায়পরায়ন হয়।
চিন্তা-ভাবনা করে,
ধীরস্থিরভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
স্বভাবগতভাবে বুদ্ধিমান
এবং ধৈর্যশীল হয়। তাদের সিদ্ধান্ত
গ্রহণ ক্ষমতা অধিক
এবং বাস্তবসম্মত হয়। আর নারীদের
ব্যাপারে জানা আছে যে, নারীগণ
কোমলমতি সম্পনা, তাদের
অনুভূতি অল্পতেই বিনষ্ট হয়,
তারা অধিক ভাবপ্রবণ ও দুর্বলমনা।
সামান্য ব্যাপারে উত্তেজিত ও
উত্তপ্ত হয়ে উঠে। জেদ এবং রাগ
করে বসে। সামান্য স্বভাববিরোধী কিছু
ঘটলে হঠাৎ করে শেষ পদক্ষেপ
নিয়ে বসে। তাদের স্বভাবগত এই
সমস্ত দুর্বলতার কারণেই শরীয়ত
কর্তৃক তালাকের অধিকার
তাদেরকে দেয়া হয়নি এবং না দেয়াই
সমীচীন হয়েছে। অন্যথায় বৈবাহিক
বরকতময় এই সম্পর্ক দৈনন্দিন
সামান্য ছলছুতায় ছিন্নভিন্ন
হয়ে যেতো এবং খেলায় পরিণত হত।
তারা এই বাস্তবতার স্বীকার করে না।
যারা বর্তমান বিশ্ব এবং পাশ্চাত্য
সমাজের নারীদের অবস্থান
সম্পর্কে যৎসামান্যও অবগত আছে,
তাদের জন্য এ সকল বাস্তব
বিষয়াদিকে অস্বীকার
করা এবং সমালোচনা কারীদের
ভিত্তিহীন কথাবার্তা এবং হায়
হুতাশের সমর্থন করা খুবই কঠিন। এ
সম্পর্কে ইসলামী চিন্তাধারার
বাস্তবতা এবং এর পক্ষে অকাট্য
প্রমাণ হিসেবে পাশ্চাত্য দেশ
সমূহে নারী ঘটিত নানা দুর্ঘটনা ও
কীর্তিকলাপই যথেষ্ট। একথা আর
কারো অজানা নেই যে, ঐ সমস্ত
দেশগুলোতে মেয়েদেরকে তালাক হাসিলের
বিষয়টি কেবল সহজ করেই দেয়া হয় নাই
বরং তাদেরকে সমানভাবে তালাক দেয়ার
অধিকারী করা হয়েছে। যার
পরিণামে শতকরা চল্লিশভাগ বিবাহ
সম্পর্ক বিচ্ছিন্নতায় রূপান্তরিত
হচ্ছে। বৃটিশ
পরিসংখ্যানে দেয়া রিপোর্ট মুতাবিক
১৯৬১ সনে তালাকের
সংখ্যা ১৫০০০- ছিল আর ১৯৭১
ইং সনে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৭৫০০০০-
হয়েছে (ছুবহে জাদীদ) অথচ মিসর ও
কায়রো যেখানে ইসলামী দেশ সমূহের
মাঝে তুলনামূলক সর্বাধিক তালাক
সংগঠিত হয়, সেখানে এর
শতকরা দুইভাগও হয় না। (র্হুরিয়্যাতুয
যাওজাইন খ:২ পৃ:১০৬)
অধিকার দেয়ার পরিণাম
চিন্তা করার বিষয় যে,
নারীদেরকে তালাকের পুরাপুরি অধিকার
দেয়া হয় নাই তারপরও সমাজ
ব্যবস্থা কি পরিমান ভয়াবহ অবস্থার
সম্মুখীন হয়েছে। মাত্র দশ
বৎসরে তালাকের হার কত ভয়াবহ
হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এরপরও
কি ইউরোপীয় সমাজ ব্যবস্থার অন্ধ
অনুসরনের কোন যৌক্তিকতা আছে?
অনেক সময় এমন হাস্যকর
কথা বার্তার উপর পাশ্চাত্য নারীগণ
তালাকের অধিকার প্রয়োগ
করে বসে যে, বিশ্বাস করাই দুষ্কর
হয়ে পড়ে। যেমন তাদের একাধিক
পত্রিকায় প্রকাশিত
খবরে বলা হয়েছে যে, এক
মহিলা আদালতে এই কারণে তালাকের
অধিকার প্রয়োগ করে যে, তার
স্বামী তার প্রিয় কুকুরকে অপছন্দ
করে। দৈনন্দিন এ ধরনের নারীঘটিত
অগণিত ঘটনাবলী সংগঠিত
হওয়া সত্ত্ব্যেও পুরুষদের
সমালোচনা করা এক শ্রেণীর মানুষের
ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। সর্ব
ব্যাপারেই কেবল
পুরুষদেরকে দায়ী করা হয়,
তাদেরকে জালেম
এবং অত্যাচারী বলা হয়। আর
মহিলাদের অসহিষ্ণু আচরণের
প্রতি একটু ভ্রুক্ষেপও করা হয় না।
অথচ যদি সত্যিকার অর্থে পুরুষ
প্রদত্ত্ব তালাকের কারণ
সম্পর্কে সঠিক
এবং নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হয়,
তাহলে দেখা যাবে যে, কমপক্ষে অর্ধেক
পরিমাণ তালাক মহিলাদের সীমালঙ্গন
এবং অসাদাচরণের কারণে সংঘটিত
হয়েছে।


সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

তালাকের বিধান - তালাকের গলদ প্রয়োগ

তালাকের বিধান
মুসলমানদের বৈবাহিক বিধি-বিধানের
মধ্যে তালাকের বিষয়টি বহুল
আলোচিত। এ
ব্যাপারে সমালোচনাকারীগণ
বলে থাকে যে,
ইসলামে পুরুষদেরকে তালাকের
ব্যাপারে বল্গাহীনভাবে অধিকার
দেয়া হয়েছে এবং এই অধিকার
থেকে মহিলাদের সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত
করে জুলুম করা হয়েছে।
সামাজিকভাবে অধিক তালাকের
কারণে এই মাসলাটি সর্বাধিক আলোচ্য
এবং সমালোচনার বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছি।
যারা সমালোচনা করে থাকে তারা বাস্তব
অবাস্তব ঘটনাবলীর আশ্রয়ে নারীদের
অধিকার খর্বের
এবং পুরুষদেরকে অযাচিত অধিকার
দেয়ার প্রোপাগাণ্ডা করত:
প্রমাণাদি পেশ করার পরিবর্তে আবেগ
বশীভূত করে সমাজকে বিব্রত করার
প্রচেষ্টা চালায়।
তারা এক্ষেত্রে অনেক সময় অত্যন্ত
অদূরদর্শীতার পরিচয় দেয়। অথচ
একথা সর্বজনস্বীকৃত যে, দুনিয়ার
যে কোন উত্তম এবং উপকারী বিধানের
অপপ্রয়োগ ঘটলে ভয়াবহ পরিণাম
সৃষ্টি হতে পারে। কিন্তু গলদ প্রয়োগের
কারণে এক দুইটি দুঃখজনক পরিণামের
কারণে কোন
বিধানকে অপকারী অথবা জুলুমের
বিধান বলে আখ্যা দেয়া মোটেই সমীচীন
হয় না।
কোন বিধানের পরীক্ষা নিরীক্ষার
নিয়ম
ইসলামের অন্যান্য বিধি বিধানের ন্যায়
তালাকের ব্যাপারেও আরোপিত শর্ত
সমূহের অনুসরণ
করে সঠিকভাবে বিবেচনা করা হলে
তালাকের বিধানেও কোন
ত্রুটি গোচরীভূত হবে না,
বরং প্রয়োজনীয়তা এবং উপকারিতাও
দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট হয়ে উঠবে।
আর অযৌক্তিক প্রোপাগাণ্ডার
কারণে সৃষ্ট গলদ অনুভূতির
পরিবর্তে ইসলামের অন্যান্য
নীতিমালার মত তালাক বিধানের
বৈশিষ্টসমূহও উজ্জল হয়ে উঠবে।
তালাকের গলদ প্রয়োগ
একথা সত্য যে, সমাজের
সর্বস্তরে সৃষ্ট
অরাজকতা এবং উচ্ছৃংখলতার
প্রভাবে বর্তমান যুগের শিক্ষিত
লোকেরাও শরীয়ত প্রদত্ত্ব তালাকের
অধিকারকে অধিক পরিমাণে প্রয়োজন
ব্যতীত বরং অনর্থক প্রয়োগ
করে থাকে। কিন্তু
গভীরভাবে চিন্তা করা প্রয়োজন যে,
কোন লোকের ভুল পদক্ষেপ
এবং মূর্খতার জন্য তাকে দোষারোপ
এবং দায়ী করার পরিবর্তে ইসলাম
এবং শরীয়তের
সমালোচনা করা এবং তালাকের
বিধানকেই অযৌক্তিক বলার
যৌক্তিকতা কোথায়? এ ধরনের
সমালোচনা সঠিক হবে কী করে?
নেহায়েত অনন্যোপায় অবস্থায় শেষ
পর্যায়ে বাধ্য হয়ে বিশেষ প্রয়োজনের
সময় স্বামী স্ত্রীর কল্যাণ
চিন্তা করেই কেবল তালাকের
অনুমতি দেয়া হয়েছে এবং স্বামীর জন্য
স্বীয় তালাকের অধিকার
প্রয়োগকে বৈধ করা হয়েছে।

সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

পাশ্চাত্য পণ্ডিতের অভিমত - পাশ্চাত্য সমাজ

পাশ্চাত্য পণ্ডিতের অভিমত
শরীয়ত তথা কুরআন হাদীস
এবং মুসলিম উম্মাহর গবেষকদের
মতামতের যথার্থতা এখন
পশ্চিমা পণ্ডিত এবং স্বাস্থ্য
বিজ্ঞানীদের নিকটও স্বীকৃত
হয়ে চলেছে। বিশ্বকোষে ডক্টর
দোকারিনী বলেন, দেহগতভবে নারীগণ
পুরুষের তুলনায় তিনভাগের এক ভাগ
দুর্বল হয়। স্বভাবগতভাবেও মহিলাগণ
দুর্বল এবং সমতাহীন হয়। মানুষের
অন্তর, যে অন্তর জীবনের কেন্দ্র
বিন্দু, পুরুষের তুলনায় নারীদের প্রায়
৬০ গ্রাম পরিমাণ ছোট
এবং হালকা পাতলা হয়। তার শ্বাস-
প্রশ্বাসও পুরুষদের তুলনায় দুর্বল হয়।
তাপমাত্রাও কম হয়। (বিশ্বকোর্ষ
৮/৬৯৯
পাশ্চাত্য সমাজ
পাশ্চাত্য সমাজ যেখান থেকে একাধিক
বিবাহের বিরুদ্ধে আওয়াজ
উঠেছে এবং একাধিক
বিবাহকে মহিলাদের প্রতি অবিচার
এবং জুলুম বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে,
তাদের সমাজ ব্যবস্থায় নারীদের
প্রতি তাদের ন্যায়নিষ্ঠ আচরণ
কতটুকু তা তাদের জ্ঞানী-
গুণী পণ্ডিতদের
পর্যালোচনা এবং বক্তব্যের
আলোকে বুঝাপড়া করা যেতে পারে।
সবচেয়ে বড় কথা হলো যে, পাশ্চাত্যের
বর্তমান চিন্তাধারার কিছু পূর্বের
ইতিহাস অধ্যয়ন করলে দেখা যায় যে,
একাধিক বিবাহের বিষয়টি কোন
ধর্মে কোন দেশেই অযৌক্তিক বিবেচিত
ছিল না। বিশ্বকোষের প্রবন্ধকারের
মতে খৃষ্টানপোপগণ একাধিক
বিবাহকে কখনোই সমালোচনার
দৃষ্টিতে দেখেন নাই। তাওরাতেও
একাধিক বিবাহের
প্রতি নিষেধাজ্ঞা আরোপিত হয় নাই।
ইঞ্জিলে ও কোন প্রকার নিষেধবাণীর
উল্লেখ নাই। বরং ইয়াহুদীদের
মধ্যে আদিকাল থেকে একাধিক বিবাহ
প্রথা চালু রয়েছে। আর
ইয়াহুদী পন্ডিতগণ কখনই একাধিক
বিবাহকে তাদের উচ্চ আদর্শ ও নীতির
পরিপন্থি মনে করে না।
(ENCYCLOPEDIA ৪৩৪৭/৮)
পাশ্চাত্য বিশ্বের
ভ্রমণকারী এবং বিশেষ জ্ঞান ও
অভিজ্ঞতার অধিকারী ডক্টর
মুস্তফা সাব্বায়ী তার পাশ্চাত্য
অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে রচিত
কিতাবে(আল-মারআতু বাইনাল
ফীকহি ওয়াল কানূন) লিখেন, একাধিক
বিবাহের অনুমতি প্রদান ইসলাম
থেকে শুরু হয় নাই বরং ইসলামের বহু
পূর্বকাল থেকেই ইউনানী, চীনী, হিন্দু
বাবুলী, আশুরী,
মেদুরী ইত্যাদি সমাজে এই প্রথা চালু
ছিল। এ সমস্ত সমাজে অধিকাংশের
মধ্যে একাধিক বিবাহ এতো অধিক ছিল
যে, তাদের স্ত্রীদের সংখ্যাই নিরূপন
করা মুশকিল হয়ে পড়তো।
চীনা লোকদের মধ্যে একশত ত্রিশজন
স্ত্রী রাখার অনুমতি ছিল। আর অনেক
চীনা প্রধানগণ প্রায় তিন হাজার
স্ত্রী গ্রহণ করতেন।
এমনিভাবে ইয়াহুদীদের মধ্যেও অসংখ্য
স্ত্রী গ্রহণের অনুমতি ছিল। বৈবাহিক
ব্যাপারে অভিজ্ঞ ঐতিহাসিক পন্ডিত
মিষ্টার ওইষ্টার মার্ক বলেন, খৃষ্টীয়
১৭ শতাব্দি পর্যন্ত গীর্জার পক্ষ
থেকে একাধিক বিবাহের
অনুমতি প্রদত্ত হয়। আয়েড়ল্যেন্ডের
প্রশাসক ডাইরম্যাটের দুইজন
স্ত্রী এবং দুইজন বাঁদী ছিল। আর
শরলামানেরও দুই স্ত্রী এবং অসংখ্য
বাঁদী ছিল। (আল-মারআতু বাইনাল
ফীকহি ওয়াল কানূন ৭২) ডক্টর
আব্বাস মাহমুদ লিখেছেন যে, অনেক
খৃষ্টান সম্প্রদায়ের মতে একাধিক
বিবাহকে জরুরী মনে করা হতো।
(ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ ﻓﻲ ﺍﻟﻘﺮﺍﻥ)
সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ
এবং শরীয়তে ইসলামীর
বাস্তবতা প্রমাণকারী ঘটনা ১৯৪৮
সালে ঘটে। জার্মানের ঐতিহাসিক শহর,
বর্তমানে যে শহর অলিম্পিক ক্রীড়ার
জন্য প্রসিদ্ধ। যেখানে যুবকদের
বিশ্বসংগঠনের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল-
সেখানে বিশ্বযুদ্ধের পরিণামে মহিলাদের
অসাধারণ সংখ্যা বৃদ্ধি এবং পুরুষদের
সংখ্যা কমে যাবার কারণে সৃষ্ট
সমস্যা নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনার
পর তারা এই সিদ্ধান্তে পৌছে যে,
একাধিক বিবাহ প্রথা চালু করা ব্যতীত
এই সমস্যার কোন সমাধান নাই।
অবশেষে সভায় সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত
সিদ্ধান্তের
সুবাদে ১৯৪৯ইং সনে জার্মানের
রাজধানী “বনের” অধিবাসীগণ
প্রশাসনের নিকট দাবী পেশ
করে সাংবিধানিকভাবে একাধিক
স্ত্রী রাখার বিল পাশ করার উপর চাপ
সৃষ্টি করে। চাপের
পরিপ্রেক্ষিতে জার্মান কর্তৃপক্ষ
সরকারী ভাবে মিসরের আজহার বিশ্ব
বিদ্যালয়ের শাইখের কাছে একাধিক
বিবাহের ইসলামী আইন বিধানের
বিস্তারিত বিবরণ
প্রার্থনা করে আবেদন জানায় এবং এই
উদ্দেশ্যে একটি টিম প্রেরণ করে।
(আল-মারআতু বাইনাল ফীকহি ওয়াল
কানূন ৭৫)
পাশ্চাত্য বিশ্বে নারীদের সংখ্যাধিক্য
এক মহাসমস্যায় পরিণত হয়েছে। এম. এ
আকরামুল্লাহ খান তার কিতাব
“ফরীবে তামাদ্দুনে” লিখেন, ১৯৬১
সনে ইংল্যাণ্ডে ২০ থেকে ৬০
বৎসরের অবিবাহিতা মহিলার
সংখ্যা পুরুষের তুলনায় পাঁচ লক্ষ্যাধিক
বেশী ছিল (১৫৬)। যার ফলে পরিবেশ
বিষাক্ত বরং চরিত্রগতভাবে ধ্বংস
হয়ে পড়েছে। আর এর অন্যতম কারণ
হচ্ছে যে, বৈধভাবে একাধিক
বিবাহকে অবৈধ করে অথবা একাধিক
স্ত্রীদের অধিকার আদায়ের দায়
দায়িত্ব এড়িয়ে প্রত্যেক পুরুষই
একাধিক বরং অসংখ্য নারীদের
সাথে যৌন সঙ্গমে মিলিত হয়।
এমনকি প্রত্যেক দিন নতুন নারীর
সাথে যৌন মিলনে মিলিত হয়। যার
ফলে অসংখ্য অবৈধ সন্তান জন্ম নেয়।
আর অসংখ্য নারীরা পরুষদের যৌন
শিকারে পথহারা হয়। এই বাস্তব
ভয়ংকর এবং লজ্জাকর পরিস্থিতির
প্রতি ঘৃণা পোষণ এবং বাদ-প্রতিবাদ
পাশ্চাত্য চিন্তাবিদগণকেও অতিষ্ঠ
করে তুলে। মিষ্টার নাসীরুদ্দীন
দ্বীনিয়াহ যিনি প্রথমে নাস্তিক ছিলেন
পরে ইসলাম গ্রহণের সৌভাগ্য অর্জন
করেন, তিনি এক প্রবন্ধে উল্লেখ
করেন যে, একাধিক স্ত্রী গ্রহণের
বৈধতার বিষয়টি একটি বাস্তব
এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীক”ত
বিষয়। যতদিন পৃথিবী থাকবে এই
প্রথাও প্রচলিত থাকবে। এর
প্রতিরোধে যত ধরনের আইন প্রণিত
হোক না কেন, যত কঠোর
পাবন্দী লাগানো হোক না কেন তা কোন
কাজে আসবে না। তাই
গভীরভাবে চিন্তা করা জরুরী যে, এক
নির্ধারিত পরিমাণ স্ত্রী রাখার
অনুমতি দেয়া উত্তম না কি কোন
ধরনের শর্ত ও দায়িত্বভার গ্রহণ
করা ছাড়া মুনাফেকী তরীকায়
গোপনে যৌন লিপ্সা পূরণের দ্বার
উন্মুক্ত রাখা উত্তম। এই
উপলব্ধি বর্তমানে পাশ্চাত্য
বিবেচকদের মধ্যেও প্রখর হয়ে উঠেছে।
বিশেষ করে যারা মুসলিম দেশ
সমূহে ভ্রমণ করে থাকে তাদের
মধ্যে একাধিক বিবাহ প্রথার
প্রয়োজনীয়তার অনুভূতি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এক প্রসিদ্ধ মহিলা পর্যটক মিসেস
লেডী মুরজান দ্বিধাহীন চিত্তে এই
সত্যকে স্বীকার করে বলেন, ইসলামের
একাধিক বিবাহ প্রথার অনুমতি তাদের
চরিত্র এবং সমাজ বিধ্বংসের এতটুকু
কারণ হয় নাই, যে পরিমান বিধ্বংস
একাধিক বিবাহের অনুমতি না দেয়ার
কারণে অসংখ্য মহিলাদের সাথে যৌন
সম্পর্কের পরিণামে পাশ্চাত্য
সমাজকে কলংকিত করেছে। আশ্চর্য
যে, তারা একাধিক
স্ত্রী গ্রহণকে অবৈধ করে থাকে অথচ
এই হারাম ফলের স্বাদ আস্বাদনেও
মত্ত থাকে। উপরন্তু অনেক পাশ্চাত্য
পণ্ডিত একাধিক বিবাহ চালু করার
প্রকাশ্যে পরামর্শ দেয়া শুরু করেছে।
যেমন প্রসিদ্ধ
ইংরেজী পত্রিকা ডেইলী মেইল এ
ব্যাপারে প্রবন্ধ প্রকাশ করেছে।
প্রবন্ধে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে,
ইংল্যাণ্ডে পুরুষদের তুলনায় নারীদের
সংখ্যা অনেক বেশি। এই মহা সমস্যার
একমাত্র সমাধান
আইনগতভাবে একাধিক স্ত্রী রাখার
অনুমতি দান। (আল-মারআতু বাইনাল
ফীকহি ওয়াল কানূন ২২৭)
একজন ফ্রান্সীস চিন্তাবিদ
লজ্জা এবং পরিতাপ মিশ্রিত
প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে লিখেন-
একটি বাস্তব কথা এই যে, একজন
অর্থশালী ফ্রান্সী নাগরিক দুই
অথবা আরো অধিক নারীর সাথে যৌন
সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে।
তবে তা গোপনে, প্রকাশ্যে নয়।
যে কারণে এই ফ্রান্সী নাগরিকের
চারিত্রিক অবস্থান ঐ মুসলমানের
তুলনায় অনেক নিম্ন মানের হয়,
যে একাধিক নারীকে বিবাহ করে অথচ
বিষয়টি গোপন করতে হয় না। এই
পার্থক্যের অনিবার্য ফলাফল এই
দাঁড়ায় যে, এই ধরনের মুসলমানদের
সন্তান-সন্তুতী সামাজিক
এবং আইনগতভাবে সমমানের মর্যাদার
অধিকারী হয় এবং মুসলমানগণ
বিনা সংকোচে জনবল
নিয়ে সন্তানদেরকে সন্তান বলে গৌরব
বোধ করতে পারে অথচ ফ্রান্সের
নাগরিক গোপনভাবে যৌন মিলনের পর
সন্তান জন্মিলে সন্তানকে নিজ
সন্তান হিসেবে বরণ করতে পারে না।
এই স্বভাববিরোধী বরং স্বভাবসংঘাতী
জীবন বিধানের অনিবার্য ফলাফল এই
হয়েছে যে, সেই পরিবেশের
দূরদর্শী নারী সমাজ বিরক্ত ও
অতিষ্ঠ হয়ে অসংখ্য পুরুষদের যৌন
শিকার না হয়ে কোন পুরুষের দ্বিতীয়
স্ত্রী হওয়াকেই অগ্রাধিকার দিতে শুরু
করেছে। তাই দেখা যায় যে, অনেক
পাশ্চাত্য দেশসমূহে বিশেষ
করে জার্মানে মহিলা সংগঠনের পক্ষ
থেকে প্রকাশ্যে দাবী উত্থাপিত হচ্ছে,
একাধিক স্ত্রী গ্রহণের
অনুমতি দেয়া হোক। জার্মান পত্র
পত্রিকায় মহিলাদের অসংখ্য প্রবন্ধ
এবং চিঠিপত্র প্রকাশিত হচ্ছে,
যেগুলোতে একাধিক
বিবাহকে আইনগতভাবে স্বীকৃতি দেয়ার
দাবী করা হচ্ছে। ঐ সমস্তত প্রবন্ধ
এবং চিঠিপত্রে একাধিক বিবাহ
প্রথা চালুকে ইযযত-সম্মানের
সাথে জীবন যাপনের একমাত্র
ব্যবস্থা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এখানে লন্ডনের এক পত্রিকায়
প্রকাশিত মহিলার একটি প্রবন্ধের
অনুবাদ পেশ করা হলো।
আমাদের যুবতীদের
উচ্ছৃংখলতা চরমভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং
পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক
হয়ে উঠছে। অথচ বুদ্ধিজীবিদের এর
কারণ সমূহ অনুসন্ধানের কোন
মাথা ব্যথা নেই। আমি একজন
নারী হিসেবে যুবতীদের চারিত্রিক
অধঃপতনের অবস্থা প্রত্যক্ষ
করে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হচ্ছি।
কিন্তু কেবল দুঃখ প্রকাশ এবং পরিতাপ
মোটেই এই ভয়াবহ সমস্যার সমাধান
নয়। এই দুর্গন্ধময় ঘৃণ্য
চরিত্রহীনতার সয়লাব প্রতিহত
করতে কার্যকর কর্মসূচী গ্রহণ করার
অত্যাধিক প্রয়োজন। খোদা টমাসের
ভাল করুন যে, তিনি এই রোগের
কারণসমূহ চিহ্নিত করেছেন এবং সঠিক
সুন্দর চিকিৎসার প্রতিও দিক-
নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে,
পুরুষদেরকে একাধিক বিবাহের
অনুমতি দেয়া হোক। একাধিক বিবাহ
প্রথা চালুর মাধ্যমে অবশ্যই এই
মুসীবত এবং বিপদ থেকে মুক্তি লাভ
হবে এবং আমাদের নারী সমাজ গৃহবধুর
সম্মানজনক আসনে সমাসীন
হতে পারবে। মোটকথা বড় বিপদ
হচ্ছে ইউরোপীয় পুরুষদেরকে একজন
স্ত্রী রাখার উপর বাধ্য করা। (আল-
মারআতু বাইনাল ফীকহি ওয়াল কানূন
২২৭)
উপরোক্ত আলোচনার মাধ্যমে স্পষ্ট
হয়ে উঠে যে, একাধিক বিবাহের
অনুমতি প্রদানই যৌনচাহিদা পূরনের
একমাত্র মানবোচিত
ব্যবস্থা এবং নারী সংখ্যাধিক্যজনিত
সমস্যাবলির উপযুুক্ত সমাধান।
অপরপক্ষে একাধিক বিবাহ
প্রথাকে আইনগতভাবে অবৈধ
ঘোষণা করে অসংখ্য নারীদের
সাথে যৌন মিলনের পথ সুগম করা কেবল
ইসলামের বিধান মতেই নয় বরং মানব
সভ্যতার জন্য বড়ই ন্যক্কার জনক।


সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

সমান অধিকারীদের উক্তি - বংশসূত্রের সংরক্ষণ

সমান অধিকারীদের উক্তি
সমান অধিকারের দাবীদারগণ স্বীয়
মতামতের পক্ষে এমন
একটি প্রমাণেরও অবতারণা করে থাকে,
যা উল্লেখ করা অত্যাবশ্যক
এবং আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন
মানুষের জন্য অস্বস্তিকরও
বটে যে,পুরুষদেরকে একাধিক
স্ত্রী রাখার অধিকার দান
করে মহিলাদেরকে একাধিক স্বামীর
স্বাদ গ্রহণ থেকে বঞ্চিত করা মূলত
তাদের অধিকারে হস্তক্ষেপ ও সমান
অধিকারকে খর্ব করার নামান্তর। এ
ধরনের মন মানসিকতার অধিকারীদের
ব্যাপারে জ্ঞানী এবং হক ও সত্যনিষ্ঠ
মানুষের খেদমতে এতটুকু বলাই যথেষ্ট
মনে হয় যে, যেই নারী একাধিক স্বামীর
সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনকে সমান
অধিকারের প্রতীক
মনে করে অথবা জীবনের
সফলতা এবং উন্নতির নিদর্শন
মনে করে, আসলে এরা নারী নয়। এ
ধরনের নারী কোন দিন কোন স্বামীর
সঙ্গিনী এবং আদর্শ
স্ত্রী হতে পারে না। হওয়ার যোগ্যও
নয়। এরূপ নারীর স্বামীদের সন্তান
সন্ততিদের ভরণ পোষণের দায়িত্ব
কে গ্রহণ করবে এবং সন্তান-
সন্ততিদের পিতৃপরিচয়ই বা কি হবে?
আর যদি অংশীদার স্বামীগণ সকলেই
ভরণ পোষণ এবং সন্তানাদির বংশগত
দায়িত্বভার নিতে প্রস্তুত হয়
তাহলে অগ্রাধিকার দেয়ার নিয়ম
কি হবে ? না কি যৌথ বংশ নীতি হবে?
আসলে বংশ সূত্রের সংরক্ষণ এবং এর
প্রয়োজনীয়তা ও
উপকারিতা এবং রহস্য তাৎপর্য
সম্পর্কে ইসলাম যে গুরুত্বারোপ
করেছে তা ঐ সমস্ত
বুদ্ধিজীবিরা কোনক্রমেই অনুধাবন
করতে সক্ষম হতে পারে না।
যারা অন্যের সন্তানকে নিজের সন্তান
বলে কুলে নিতে লজ্জাবোধ
করে না এবং খোদায়ী কুদরতের স
¤পর্ককে গর্হিত তরিকার
মাধ্যমে পরিবর্তন করাকে খিয়ানত
মনে করে না।
বংশসূত্রের সংরক্ষণ
যেহেতু ইসলামী আইনে নসব
এবং বংশসূত্রের সংরক্ষণ অত্যাধিক
জরুরী এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই
এমন কোন বিষয় যার
মাধ্যমে বংশসুত্রে চুল পরিমাণ সন্দেহ
সৃষ্টি হতে পারে, ইসলাম তা কিছুতেই
গ্রাহ্য করে না। একারণেই তালাকের
পর অথবা স্বামীর মৃত্যু হলে ইদ্দত
পূরণ হওয়ার পূর্বে বৈবাহিক সম্বন্ধ
স্থাপন সম্পূর্ণরূপে নিষেধ করা হয়েছে।
নিষেধ করার কারণ এটাই যে, স্ত্রীর
গর্ভে প্রথম স্বামীর কোন সন্তান
আছে কি না তা নিশ্চিত হওয়া,
যাতে বংশসূত্রে সন্দেহ সৃষ্টি না হয়।
ইসলামী বিধান মতে নসব সূত্রের
সুসংরক্ষণ দুনিয়ার
ব্যাপারে তো প্রয়োজন আছেই
আখেরাতের বেলায়ও এর প্রয়োজন
অত্যাধিক। মুসনাদে আহমাদ এবং আবূ
দাউদ শরীফে বলা হয়েছে-
ﺗﺪﻋﻮﻥ ﻳﻮﻡ ﺍﻟﻘﻴﺎﻣﺔ ﺑﺎﺳﻤﺎﺋﻜﻢ
ﻭﺍﺳﻤﺎﺀ ﺍﺑﺎﺋﻜﻢ )ﻣﺸﻜﻮﺓ )
কিয়ামতের দিন তোমাদেরকে তোমাদের
এবং তোমাদের পিতার নামে ডাকা হবে।

সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

প্রতিযোগিতার বিধান - মহিলাদের ধর্মীয় অবস্থান

প্রতিযোগিতার বিধান
তুলনামূলক বিশ্লেষণ
এবং প্রতিযোগিতার এই শর্ত
এবং নিয়ম সর্বক্ষেত্রে স্বীকৃত হলেও
দাম্ভিকতা এবং হঠকারিতা অনেক
ক্ষেত্রে এই নিয়মের অনুসরণের জন্য
বাধা হয়ে দাঁড়ায়। নারী পুরুষদের
তুলনামূলক বিচার-বিশ্লেষণের
ক্ষেত্রে পরশ্রীকাতরদের এ ধরনের
নজীর বিরল নয়। কতিপয়
বুদ্ধিজীবি নারী ও পুরুষদের
মধ্যে তুলনা করার সময় উক্ত শর্ত
এবং নিয়মকে সম্মুখে রাখেন না।
রাখতে সম্মত হন না বরং ভুলে যান।
এবং কতিপয় প্রসিদ্ধ বিশেষ শ্রেণীর
নারীদের সাথে নিম্নশ্রেণীর
পুরুষদেরকে তুলনা করে সিদ্ধান্ত
গ্রহণে প্রয়াসী হন। অন্যথায়
উপরোক্ত শর্ত এবং নিয়ম অনুসরণ
করা হলে বর্তমান অত্যাধুনিক
এবং উন্নত বিজ্ঞানের যুগেও
প্রত্যেক বিভাগে তা রাজনৈতিক হোক,
অরাজনৈতিক হোক, ব্যবসা-বাণিজ্য,
শিল্প-কারখানা, জ্ঞান-বিজ্ঞান সর্ব
ক্ষেত্রে পুরুষের চিন্তা ও কর্মশক্তির
শ্রেষ্ঠত্বের কথা স্বীকার করতেই
হবে। এমনকি যে সমস্ত কাজ-কর্ম
মহিলা স্বভাবের জন্য উপযোগী আর
তারা কর্মক্ষম হওয়ার পর থেকে ঐ
সমস্ত কাজেই নিয়োজিত ,ঐ সমস্ত
কর্মক্ষেত্রেও পুরুষগণই প্রথম
স্থানের অধিকারী রয়েছেন।
হ্যাঁ হতে পারে যে, প্রথম শ্রেণীর কোন
মহিলাকে তৃতীয় শ্রেণীর কোন পুরুষের
সাথে তুলনা করা হলে প্রথম শ্রেণীর
মহিলাকে উন্নত মনে হবে। কিন্তু এ
ধরনের
তুলনাকে প্রকৃতপক্ষে তুলনা বলা যায়
না, আর এরূপ
তুলনা করে একজনকে অন্যজনের উপর
প্রাধান্য দেওয়া মোটেই যুক্তি যুক্ত
নয়।
মহিলাদের ধর্মীয় অবস্থান
ধর্মীয় ব্যাপারেও মহিলাদের একই
অবস্থান। যদি প্রথম শ্রেণীর কোন
মহিলাকে দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় শ্রেণীর
পুরুষের সাথে তুলনা করা হয়,
তাহলে হতে পারে মহিলা কে উন্নত
এবং প্রাধান্যপ্রাপ্তা মনে হবে। কিন্তু
যদি কোন প্রথম শ্রেণীর পুরুষের
সাথে তুলনা করা হয়। তাহলে পুরুষকেই
অগ্রাধিকার দিতে হবে, যেমন
মনে করেন, মহিলাদের মধ্যে জ্ঞান,
অভিজ্ঞতা ও বিভিন্ন ধর্মীয় বিষয়ের
বিবেচনায় হযরত আয়শার স্থান অনেক
উর্দ্ধে বরং অগনিত আউলিয়া ও
সাহাবাদেরও উর্দ্ধে তাঁর অবস্থান।
কিন্তু সর্ব দিকদিয়ে হযরত আবু বকর
ও হযরত ওমরের ওপরও কি কেউ
তাকে মর্যাদা দান করেছে?
মোটকথা এসকল ক্ষেত্রে সংখ্যার দিক
দিয়ে পুরুষের সংখ্যাই অধিক।
রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন যে,
ﻛﻤﻞ ﻣﻦ ﺍﻟﺮﺟﺎﻝ ﻛﺜﻴﺮ، ﻭﻟﻢ
ﻳﻜﻤﻞ ﻣﻦ ﺍﻟﻨﺴﺎﺀ: ﺇﻻ ﻣﺮﻳﻢ ﺍﺑﻨﺔ
ﻋﻤﺮﺍﻥ، ﻭﺁﺳﻴﺔ ﺍﻣﺮﺃﺓ ﻓﺮﻋﻮﻥ
)ﻣﺘﻔﻖ ﻋﻠﻴﻪ )
অর্থাৎ পুরুষদের মধ্যে ধর্মীয়
ব্যাপারে পরিপূর্ণতা অর্জনকারীর
সংখ্যা অনেক বেশি আর মহিলাদের
মধ্যে এই সংখ্যা খুবই নগণ্য। যেমন
হযরত মারয়ম,
আসিয়া এবং আয়শা প্রমুখ।
এমতাবস্থায় কয়েকজন প্রথম সারির
মহিলাদের নাম
নিয়ে মহিলাদেরকে পুরুষদের সমকক্ষ
সাব্যস্ত করা কেবল বিভ্রান্ত করাই
নয় বরং রীতিমত মুর্খতার পরিচায়কও
বটে।
এতো হলো একটি পর্যালোচনা এবং
মহিলাদের নিজস্ব যোগ্যতার
ভিত্তিতে গৃহিত সিদ্ধান্ত, অন্যথায়
যে সমস্ত মহিলাদের নাম নিয়ে পুরুষদের
সমকক্ষতা সাব্যস্ত করার প্রয়াস
চালানো হয়, তাদের ঐতিহাসিক
পটভূমি পর্যালোচনা করলে দেখা যায়
যে, মহিলারা স্বীয় বৈশিষ্টের
কারণে নয় বরং পিতা, দাদা,
অথবা স্বামীর বৈশিষ্টের কারণে স্বীয়
অবস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে।
আমাদের এশিয়া এবং পাক-ভারত ও
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক
ক্ষেত্রে অবস্থান সৃষ্টিকারী নারীদের
বিষয় চিন্তা করলেই
বিষয়টি দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্ট
হয়ে উঠবে। উপরন্তু কতিপয় নারীদের
ত্যাগ তীতিক্ষার প্রতি শ্রদ্ধাপোষণ
করে একথা বলতে দ্বিধান্বিত হওয়ার
কোন অবকাশই নেই যে, আজ এশিয়ার
এই করুন পরিণতি ও অবস্থান নারীর
ক্ষমতায়নের কারনে বলে অতি সহজেই
প্রতীয়মান হয়। এ কথা আজ
অনস্বীকার্য।


সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

ওলামাদের বক্তব্য - ভুলের অবসান

ওলামাদের বক্তব্য
মুফাসসির কাজী সানাউল্লাহ রহ.
তাফসীরে মাজহারীতে উক্ত আয়াতের
তাফসীর করে বলেন, নারীদের উপর
পুরুষের দুই কারণে প্রাধান্য রয়েছে-
ﺑﻤﺎ ﻓﻀﻞ ﺍﻟﻠﻪ ﺑﻌﻀﻬﻢ ﻋﻠﻲ
ﺑﻌﺾ- ﻳﻌﻨﻲ ﻋﻠﻲ ﺍﻟﻨﺴﺎﺀ ﻓﻲ
ﺍﺻﻞ ﺍﻟﺨﻠﻘﺔ ﺑﻜﻤﺎﻝ ﺍﻟﻌﻘﻞ
ﻭﺣﺴﻦ ﺍﻟﺘﺪﺑﻴﺮ ﻭﺑﺴﻄﺔ ﻓﻲ
ﺍﻟﻌﻠﻢ ﻭﺍﻟﺠﺴﻢ ﻭﻣﺰﻳﺪﺍﻟﻘﻮﺓ ﻓﻲ
ﺍﻻﻋﻤﺎﻝ ﻭﻋﻠﻮ ﺍﻻﺳﺘﻌﺪﺍﺩ ﻭﻟﺬﺍﻟﻚ
ﺧﺼﻮﺍﺑﺎﻟﻨﺒﻮﺓ ﻭﺍﻻﻣﺎﻣﺔ ﻭﺯﻳﺎﺩﺓ
ﺍﻟﺴﻬﻢ ﻓﻲ ﺍﻻﺭﺙ ﻭﻣﺎﻟﻜﻴﺔ ﺍﻟﻨﻜﺎﺡ
ﻭﺗﻌﺪﺍﺩﺍﻟﻤﻨﻜﻮﺣﺎﺕ ﻭﺍﻻﺳﺘﺒﺪﺍﺩ
ﺑﺎﻟﻄﻼﻕ ﻭﻏﻴﺮ ﺫﺍﻟﻚ ﻭﻫﺬﺍﺍﻣﺮ
ﻭﻫﺒﻲ-ﻭﺑﻤﺎ ﺍﻧﻔﻘﻮﺍ ﻣﻦ ﺍﻣﻮﺍﻟﻬﻢ -
ﻓﻲ ﻧﻜﺎﺣﻬﻦ ﻣﻦ
ﺍﻟﻤﻬﻮﺭﻭﺍﻟﻨﻔﻘﺎﺕ ﺍﻟﺮﺍﺗﺒﺔ ﻭﻫﺬﺍ
ﺍﻣﺮﻛﺴﺒﻲ
)ﻣﻈﻬﺮﻱ ﺝ ২ﺹ৮৫ )
ক. অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে,
ওয়াহবী অর্থাৎ আল্লাহ
প্রদত্ত,যাতে পুরুষদের নিজস্ব কোন
দখল নাই। সেটি হচ্ছে, আল্লাহপাক
জ্ঞান অভিজ্ঞতা, উত্তম
ব্যবস্থা গ্রহণ, দেহ এবং বুদ্ধির
পরিপূর্ণতা, কর্মকাজ সম্পাদনের
শক্তি সাহস এবং যোগ্যতা নারীদের
তুলনায় পুরুষদেরকে অধিক দান
করেছেন। নবুওত কেবল পুরুষদের কেই
দান করেছেন। পরিত্যক্ত
সম্পদে তাদেরকে অধিক অংশ দান
করেছেন। বিবাহের ব্যাপারে অধিক
অধিকার দান তথা একাধিক
স্ত্রী গ্রহন ইত্যাদি বিষয়ে পুরুষদের
বিশেষত্ব রয়েছে। এসব হচ্ছে আল্লাহ
প্রদত্ত্ব বৈশিষ্ট সমূহ।
খ. এছাড়া বিবাহের সময়
মহরানা দেয়া এবং স্ত্রীর যাবতীয়
খরচপাতী বহন করা ইত্যাদি পুরুষদের
প্রাধান্য লাভের কার্যকরী কারণ।
ইবনুল কাইয়্যুম জাওযিয়া বলেন-
ﻭﻫﻮ ﺳﺒﺤﺎﻧﻪ ﺍﻣﺮ ﺑﺎﺷﻬﺎﺩ
ﺍﻣﺮﺃﺗﻴﻦ ﻟﺘﻮﻛﻴﺪ ﺍﻟﺤﻔﻆ ﻻﻥ ﻋﻘﻞ
ﺍﻟﻤﺮﺃﺗﻴﻦ ﻭﺣﻔﻈﻬﻤﺎ ﻳﻘﻮﻡ ﻣﻘﺎﻡ
ﻋﻘﻞ ﺭﺟﻞ ﻭﺣﻔﻈﻪ ﻭﻟﺬﺍ ﺟﻌﻠﺖ
ﻋﻠﻲ ﺍﻟﻨﺼﻒ ﻣﻦ ﺍﻟﺮﺟﻞ ﻓﻲ
ﺍﻟﻤﻴﺮﺍﺙ ﻭﺍﻟﺪﻳﺔ ﻭﺍﻟﻌﻘﻴﻘﺔ ) ﺍﻋﻼﻡ
ﺍﻟﻤﻮﻗﻌﻴﻦ ﺝ১ﺹ১১১)
আল্লাহ পাক একজন পুরুষের
স্থলে দুইজন মহিলাকে সাক্ষ্য দেয়ার
হুকুম এই জন্য দিয়েছেন যে,
যাতে নারীদের স্মরণশক্তির
ত্রুটি নিরসন ও পুষিয়ে নেয়া যায়।
কেননা সাধারণত দুজন মহিলার
স্মরণশক্তি এবং সংরক্ষণক্ষমতা
একজন পুরুষের
স্মরণশক্তি এবং সংরক্ষণ ক্ষমতার
সমান হয়।
এ কারণেই পুরুষের মুকাবিলায় নারীগণ
মিরাছ,রক্তপন ও আকীকায় অর্ধেক
অংশের অধিকারী হয়। আর হাদীসের
আলোকে একজন পুরুষ গোলাম আযাদ
করা দুইজন বান্দী আযাদের সমান।
রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দিক
নির্দেশনার রহস্য এবং তাৎপর্য এখন
যৌন বিজ্ঞানী এবং স্বাস্থ্য
বিজ্ঞানীদের নিকট যুক্তিযুক্ত
হয়ে চলেছে। তাই বিশ্ব
কোষে বলা হয়েছে যে, নারীদের দেহগত
অবস্থান প্রায় শিশুদের মত। এ
কারণেই তারা শিশুদের মত তরিত
প্রক”তির হয়ে থাকে। খুশী কষ্ট, ভয়,
আনন্দ ইত্যাদির
অনুভূতি তাদেরকে তাড়াতাড়ি প্রভাবিত
করে। আর যেহেতু এ সমস্ত
ব্যাপারে জ্ঞান, চিন্তা-ভাবনার
গভীরতার বিশেষ দখল থাকে না, তাই
অতি অল্প
সময়ে এবং তাড়াতাড়ি নারীদের
মধ্যে অধিক পরিলক্ষিত হয়। প্রসিদ্ধ
সমাজতন্ত্রী দার্শনিক বেডিন বলেন,
নারীদের উপলব্ধি ক্ষমতা পুরুষদের
তুলনায় কম। এর কারণ পুরুষের তুলনায়
নারীদের জ্ঞানের স্বল্পতা। তাদের
চারিত্রিক ও মানসিক দ”ঢ়তাও পুরুষের
নীরিখে ভিন্ন হয়। তাই
তারা যে জিনিসকে উত্তম বলবে, সেটাই
উত্তম হওয়া জরুরী নয়। (বিশ্ব কোষ
ফরীদ ওয়াজদী ৮/৫৭৬)
ভুলের অবসান
অনেকের মনে সন্দেহ
জাগতে পারে বরং অনেকেই বলে থাকেন
যে, মহিলাগণ জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতার
দিক দিয়ে পরুষের তুলনায় কম এই
কথাটি বাস্তবতার পরিপন্থি।
বাস্তবে দেখা যায় অনেক মহিলা জ্ঞান
ও অভিজ্ঞতার প্রশ্নে পুরুষদের
তুলনায় অধিক যোগ্যতার অধিকারী।
বর্তমান বিশ্বেও এর নজীর বিরল নয়।
বিশেষ করে এশিয়া মহাদেশ, পাক-ভারত
এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক
এবং প্রশাসনিক অবস্থান থেকেও এর
যথার্থতা প্রমাণিত হয়। কিন্তু
যারা চিন্তা-ভাবনা করেন
এবং বিতর্কে নামেন তারা সাধারণত:
তুলনা করার সময় একটি অন্যতম
এবং অত্যবশ্যকীয় শর্তের কথা স্মরণ
রাখেন না। কেননা এ
কথাটি সাধারনভাবেই জ্ঞানগত
এবং দৈনন্দিন কার্য সম্পাদনের
বিধি মুতাবিক যে, দুইটি জিনিসের
মধ্যে তুলনা করার সময় উভয়ের
মধ্যে পূর্ব থেকে বিভিন্ন দিক
দিয়ে সমতার বিষয়টি প্রথম শর্ত।
অন্যথায় অগ্রাধিকার দানের
বিষয়টি ভুল প্রমানিত হবে বরং অনেক
সময় মুর্খতার পরিচায়ক বলে বিবেচিত
হবে। উপমাস্বরূপ বলা যায় যে,
যদি কোন ব্যক্তি একজন মেট্রিক পাশ
আর একজন এম এ পাশ দুজনের
মধ্যে কার যোগ্যতা অধিক তা নিরূপন
করতে চায়, তাহলে তা কেবল ভুল
প্রমাণিত হবে না বরং মূর্খতা হিসেবেই
বিবেচিত হবে। আর এই অযৌক্তিক
তুলনার পরিনামে এম. এ পাশ
করা ব্যক্তির জন্য প্রাধান্য
লাভে সম্মানিত হওয়া তো দূরের
কথা বরং মেট্রিক পাশের
সাথে তুলনা এবং প্রতিযোগিতায় অংশ
গ্রহণ করাই তার জন্য যথেষ্ট অপমান
এবং লজ্জার কারণ হয়ে দাঁড়াবে। হ্যাঁ,
যদি তুলনা দুজন মেট্রিক পাশ
অথবা দুজন এম. এ পাশের মধ্যে হয়
এবং একজনের প্রাধান্য সাব্যস্ত হয়,
তাহলে বাস্তবেই এই প্রাধান্য তার
জন্য সুনাম এবং গৌরবের কারণ
বলে বিবেচিত হবে।

সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

স্ত্রীর ভরণ পোষণ - সমান অধিকারে ইসলাম

স্ত্রীর ভরণ পোষণ
পৃথিবীর অনেক সমৃদ্ধশালী দেশে আইন
রয়েছে যে, স্ত্রীর ভরণপোষণের
দায়িত্ব হচ্ছে স্বামীর। কিন্তু এমন
কোন আইন কোন দেশেই চুড়ান্ত হয়
নি যে, স্বামীর ভরণ পোষণের দায়িত্ব
স্ত্রীর উপর। মূলত নারী পুরুষের
মধ্যে বিদ্যমান সৃষ্টি ও স্বভাবগত
পার্থক্যই এর কারণ । এমতাবস্থায়
তাদেরকে জাতীসংঘ সনদে বর্ণিত
আইনের বিরোধী বলা যাবে কি? যদি শুধু
স্বামী তার স্ত্রীর ভরণ পোষণের
দায়িত্ব পালন করবে আর
স্ত্রী স্বমীর ভরণ পোষণের দায়িত্ব
পালন করবে না তাহলে সমান অধীকার
কিভাবে হলো?মূর্খতা এবং হঠকারিতার
কোন শেষ নাই।উপরোক্ত
বাস্তবভিত্তিক তত্ত্বের
পরিপ্রেক্ষিতে কোন
জ্ঞানী এবং বুদ্ধিমানের জন্য নারী-
পুরুষ সমান অধিকারের দাবী করা কোন
মতেই সংগত হতে পারে না।
সমান অধিকারে ইসলাম
নারী এবং পুরুষের মধ্যে সৃষ্টিগত,
দৈহিক ও স্বভাবজাত পার্থক্যের
কারণেই তাদের দায়িত্ব, কর্ম
পরিধি এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে আইন
কানূনের পার্থক্য অত্যন্ত জরুরী।
আর জরুরী বলেই এ সম্পর্কে ইসলাম
বিশেষ দৃষ্টি দিয়েছে। এ
সম্পর্কে ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গির
বিস্তারিত পর্যালোচনা পবিত্র
কুরআন ও হাদীস এবং মুসলিম
মনীষীদের বক্তব্য থেকে গ্রহণ
করা যায়। পবিত্র কুরআনে এক
জায়গায় বলা হয়েছে, পুরুষদের নারীদের
উপর প্রধান্য রয়েছে।
ﺍﻟﺮِّﺟَﺎﻝُ ﻗَﻮَّﺍﻣُﻮﻥَ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻨِّﺴَﺎﺀِ ﺑِﻤَﺎ
ﻓَﻀَّﻞَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﺑَﻌْﻀَﻬُﻢْ ﻋَﻠَﻰٰ ﺑَﻌْﺾٍ
ﻭَﺑِﻤَﺎ ﺃَﻧْﻔَﻘُﻮﺍ ﻣِﻦْ ﺃَﻣْﻮَﺍﻟِﻬِﻢْ -
ﺍﻟﻨﺴﺎﺀ৩৩
হাদীসে পাকে বলা হয়েছে-
ﻣﺎ ﺭﺃﻳﺖ ﻣﻦ ﻧﺎﻗﺼﺎﺕ ﻋﻘﻞ ﻭﺩﻳﻦ
ﺃﺫﻫﺐ ﻟﻠﺐ ﺍﻟﺮﺟﻞ ﺍﻟﺤﺎﺯﻡ
)ﻣﺘﻔﻖ ﻋﻠﻴﻪ )
বিবেক-বুদ্ধি, দ্বীনের
ব্যাপারে ত্র“টিপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও
নারীদের তুলনায় অধিক জ্ঞানীপুরুষদের
বুদ্ধিশূন্যকারী আর কাউকে দেখি নাই।
ﺍﺳﺘﻮﺻﻮﺍ ﺑﺎﻟﻨﺴﺎﺀ ﻓﺈﻥ ﺍﻟﻤﺮﺃﺓ
ﺧﻠﻘﺖ ﻣﻦ ﺿﻠﻊ ﻭﺇﻥ ﺃﻋﻮﺝ
ﺷﻲﺀ ﻓﻲ ﺍﻟﻀﻠﻊ ﺃﻋﻼﻩ ﻓﺈﻥ
ﺫﻫﺒﺖ ﺗﻘﻴﻤﻪ ﻛﺴﺮﺗﻪ ﻭﺇﻥ ﺗﺮﻛﺘﻪ
ﻟﻢ ﻳﺰﻝ ﺃﻋﻮﺝ )ﻣﺘﻔﻖ ﻋﻠﻴﻪ )
তোমরা নারীদের সাথে উত্তম আচরণ
করো, তাদেরকে বক্র
হাড্ডি থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে,
যদি সোজা করতে চেষ্টা করো তাহলে
ভেঙ্গে যাবে, সোজা হবে না। আর
যদি ছেড়ে রাখো, বক্র হয়ে থাকবে।
অর্থাৎ নারীদের স্বভাবে কিছু জেদ,
অভিমান আছে যা বিভিন্ন সময়
প্রকাশ পায়।
এভাবে তাদেরকে ক্ষমা এবং উদার
দৃষ্টিতে দেখবে। কারণ, এটা তাদের
জন্মগত দুর্বলতা, হাজার
চেষ্টা করলেও দূর হবে না, দূরকরার
অধিক চেষ্টা করলে পরিণামে অধিক
ক্ষতির দিকে যাবে।

সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

সমান অধিকারের প্রপাগাণ্ডা - নারী পুরুষ সমান অধিকারের অর্থ

সমান অধিকারের প্রপাগাণ্ডা
জাতীসংঘ সনদে নারী পুরুষ সমান
অধিকারের প্রস্তাব গ”হিত হয়েছে।
এর দোহাই তুলে অনেকেই ইসলামী আইন
বিধানের উপর আপত্তি উত্থাপন
করে থাকেন, তাদেরকে প্রশ্ন
করা যেতে পারে যে, সমান অধিকারের
মাপকাঠি অথবা সংজ্ঞা কী? নারী পুরুষ
সৃষ্টি এবং স্বভাবগত পার্থক্য
বাকী রেখে সর্বাবস্থায়
সর্বক্ষেত্রে নারী পুরুষদের
মধ্যে সমান অধিকার
প্রতিষ্ঠা করা হবে না কি?
যদি হ্যাঁ উত্তর হয়, তাহলে দ্বিতীয়
প্রশ্ন হচ্ছে যে, আপনারা এ ধরনের
সমতার দৃষ্টান্ত— কোথায় কোথায়
স্থাপন করেছেন। ইউরোপীয়ান
দেশসমূহে বসবাসকারী নারী পুরুষদের
কারা কতভাগ সমান অধিকারের
ভিত্তিতে সরকারী বেসরকারী বিভিন্ন
প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পদে কমরত
আছে? কতজন মহিলাকে এ পর্যন্ত
প্রধানমন্ত্রী করা হয়েছে? সামরিক
বাহিনীতে তাদের কতজন উচ্চপদের
অধিকারী হয়েছেন? কমণ্ডো ইনচিপ
কতজন? পাইলট কতজন? উচ্চ পদের
কথা বাদই যাক, সাধারণ পদে কতজন
মহিলাকে নিয়োগ করা হয়েছে? বিশ্বাস
করুন, যদি উত্তর দেয়া হয়
তাহলে উত্তর এটাই হবে যে, না, কোন
পদেই সমতার নজীর নাই। তাই কোন
ধরনের বাদানুবাদ, তর্ক-বিতর্ক
পরিহার করে নির্দ্বিধায়
বলা যেতে পারে যে, নারীপুরুষের দৈহিক
গঠন, জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত
নানা অবস্থা এবং উভয়ের আবেগ-
অনুভূতি থেকে সুস্পষ্টভাবে বোঝা যায়
যে, সম্পূর্ণ ভিন্ন ভিন্ন স্বভাব
প্রক”তি দিয়ে তাদের
সৃষ্টি করা হয়েছে এবং প্রক”তিও
তাদের কর্মক্ষেত্র ভিন্ন ভিন্ন
দেখতে চায়। এ প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্র ও
সমাজের সকল ক্ষেত্রে নারী পুরুষের
সমতা প্রতিষ্ঠার ধ্বনি নিছক আবেগ
এবং অদূরদর্শীতা ছাড়া আর
কি হতে পারে?
নারী পুরুষ সমান অধিকারের অর্থ
এই মুহূর্তে প্রখ্যাত দার্শনিক আলেম
ইবরাহীম বেলয়াভী সাহেবের উক্তির
উদ্ধৃতি যথার্থ মনে হয়। তিনি বলেন,
ইসলামী চিন্তাধারা মতে সমান
অধিকারের অর্থ আইন কানুনের বেলায়
নয় বরং আইন কানুন প্রয়োগের
ক্ষেত্রে সমতা রক্ষা করা।
আল্লামা ইবরাহীম বেলয়াভীর উক্তির
অর্থ এই যে, নারী পুরুষদের মধ্য
সৃষ্টিগত এবং স্বভাবগত বিরাট
পার্থক্যের কারণে উভয়ের জন্য এক
ধরনের আইনকানুন প্রণয়ন তো মোটেই
উপকারী নয় এবং হতেও
পারে না বরং উভয়ের উপকারের
তাগীদে অনেক আইন কানুনে পার্থক্য
থাকা জরুরী। তবে এই পার্থক্যের
অজুহাতে কাউকে অগ্রাধিকার
দেয়া সমীচীন
হবে না এবং কারো অধিকার খর্ব
করা যাবে না। অতীব গুরুত্বপূর্ণ এই
বক্তব্যের আলোকে নির্দ্বিধায়
বলা যেতে পারে যে, জাতীসংঘের সমান
অধিকার আইন যদি অভিজ্ঞ
এবং দুরদর্শী পণ্ডিতগণ
এভাবে প্রণয়ন করে থাকেন যে,
আইনে উভয়ের মধ্যে সমতা কার্যকর
করার প্রতি গুরুত্বারোপ
করা হয়েছে,এবং এর অর্থও উনিশ বিশ
পার্থক্যের সাথে আইনের প্রয়োগই
হওয়া উচিত। সর্বক্ষেত্রে উভয়ের
জন্য এক ধরনের আইন প্রণয়নের
কথা মোটেই উদ্দেশ্য
নয়,তাহলে তা যথার্থ। অন্যথায় তাদের
এই সিদ্ধান্ত না জ্ঞানসম্মত বিবেচিত
হবে,না বাস্তবতার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ
হবে।

সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

জুলুম নিরসনের উপায়

তবে জুলুমের হার যতই কম হোক
না কেন এর নিরসনের
প্রচেষ্টা করা জরুরী। তাই এ
সম্পর্কে কিছু সমাধান দেয়া হচ্ছে।
আসলে ভদ্র পরিবারের মধ্য
থেকে তারাই সাধারণত দ্বিতীয় বিবাহ
করতে হিম্মত করে যারা দৈহিক শক্তির
সাথে সাথে অর্থনৈতিকভাবেও
স্বাবলম্বী। এই
বিষয়টিকে সম্মুখে রেখে বলা যায় যে,
১. দ্বিতীয় বিবাহের
মুহূর্তে স্বয়ং স্বামী অথবা মেয়ের
অভিভাবকদের প্রস্তাব
অনুপাতে জায়গা জমী কিংবা চাকরীর
অর্থের এক অংশ স্ত্রীর
নামে রেজিষ্ট্রি করে নেয়া যেতে পারে।
স্বামীর পক্ষ থেকে স্ত্রীর অধিকার
আদায়ে বিড়ম্বনা দেখা দিলে
রেজিষ্ট্রারিকৃত সম্পদের
দ্বারা তা পূরণ করা যেতে পারে।
২. বিবাহের সময় দ্বিতীয় বিবাহ
না করার শর্ত আরোপ
করা যেতে পারে। শর্ত না মানার
কারণে ইমাম আহমাদের মাজহাব
অনুযায়ী মেয়েকে বিবাহ রহিতকরণের
অধিকার দেয়া যেতে পারে। ইবনুল
কাইয়্যুম জাউজিয়াহ বলেন-
ﻭﺍﺧﺘﻠﻒ ﻓﻲ ﺷﺮﻁ ﺍﻥ ﻻ ﻳﺸﺘﺮﻱ
ﻋﻠﻴﻬﺎﻭﻻﻳﺘﺰﻭﺝ ﻋﻠﻴﻬﺎﻓﺎﻭﺟﺐ
ﺍﺣﻤﺪ ﻭﻏﻴﺮﻩ ﺍﻟﻮﻓﺎﺀﺑﻪ ﻭﺍﻻ ﻓﻠﻬﺎ
ﺍﻟﻔﺴﺦ ﻋﻨﺪ ﺍﺣﻤﺪ )ﺯﺍﺩ ﺍﻟﻤﻌﺎﺩ
ﺝ ৪ ﺹ৬)
বিবাহের সময়ের শর্তাবলি পূরণ
করা জরুরী কি না এ
ব্যাপারে মতবিরোধ রয়েছে, ইমাম
আহমাদ দ্বিতীয় বিবাহ
না করা এবং দাসী গ্রহণ না করার
শর্ত পূরণ করা কে জরুরী বলেন।
তিনি বলেন স্বামী এই শর্ত পূরণ
না করলে স্ত্রীর জন্য বিবাহ
রহিতকরণের অধিকার থাকবে।
তবে ভিন্ন মাজহাবের উপর আমলের
ব্যাপারে হক্কানী উলামাদের এই
পরামর্শ বিশেষ প্রয়োজনে কার্যকর
করা যেতে পারে, সাধারণ অবস্থায় নয়।
৩. স্বামী তার স্ত্রীর অধিকার
আদায়ে উদাসীন হলে স্ত্রী বর্ণিত
তরীকায় বিবাহ রহিত করণের জন্য
আইনের আশ্রয় নিতে পারে।

সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

সমালোচকদের মেধা - ইউরোপীয় সভ্যতা

সমালোচকদের মেধা
এই মুহূর্তে তিক্ত হলেও
যে বিষয়টি পরিস্কারভাবে বলা
প্রয়োজন তা হলো, একাধিক বিবাহ
সম্পর্কে যারা সমালোচনা করে তাদের
মেধা এবং বোধ-বুদ্ধি,
যিনা এবং ব্যাভিচারের মত নির্লজ্জ
অপরাধকে মোটেই অপরাধ মনে করে না।
তাদের নিকট যিনা কোন অপরাধই নয়।
তা না হলে জ্ঞানী মাত্রই
উপলব্ধি করতে পারে যে, এক স্ত্রীর
মাধ্যমে সব ধরনের পুরুষের পরিত”প্ত
হওয়া জরুরী নয়।
হ্যাঁ যারা মানুষকে কেবল একধরনের
জীবজন্তু
মনে করে এবং নারীকে যে কোন
উপায়ে সম্মত করত: যৌন
কামনা চরিতার্থ করে এবং পশুর ন্যায়
সম্পর্ক গড়ে আর ছিন্ন করে। এরপর
কারো সুখ দুঃখের সাথী হওয়ার
প্রয়োজন মনে করে না। নারীর
মুসীবতের সময় কাছে আসে না। তার
কলংকময় জীবনে সহায়ক হয় না।
কেননা তার যা স্বার্থ এবং উদ্দেশ্য
ছিল তা উদ্ধার হয়েছে, তাদের নিকট
যিনা কোন অপরাধ বলেই অনুভূত হয়
না। কিন্তু ইসলাম হচ্ছে মানুষের জন্য
স্বভাবসম্মত পাক পবিত্র বিধান।
যে বিধানে মানুষকে সামগ্রিকভাবে
সুসভ্য করে গড়ে তোলার
ব্যাবস্থা রয়েছে। এই বিধানে মানবতার
নামে পশুত্বের অবকাশ নেই।
বন্ধুত্বের সুবাদে জুলুম অত্যাচার
করার কোন উপায় নেই। তাই ইসলাম
কোন নারী থেকে উপকৃত হতে হলে তার
অধিকার আদায় করা এবং সুখ-দুঃখ
সর্বাবস্থায় মৃত্যু পর্যন্ত
সঙ্গী হওয়ার
প্রতিশ্র“তি প্রদানকে পূর্বশর্ত
হিসেবে আরোপ করেছে। যদি কোন
নারীর সাথে সম্পর্ক করণের ইচ্ছা হয়
তাহলে পারস্পরিক ইযযত, সম্মান
প্রদানের
মনমানসিকতা নিয়ে সবঅধিকার
আদায়ের আন্তরিকতা নিয়ে সম্পর্ক
করতে পারে। নারীর ন্যায্য প্রয়োজন
মিটানোর দায়িত্ব গ্রহণের
মাধ্যমে বৈবাহিক সম্পর্ক
করতে পারে অন্যথায় নয়। ইসলাম
এবং অন্যান্য ধর্মের
বিধানকে সম্মুখে রেখে জ্ঞান
এবং অভিজ্ঞতার
আলোকে তুলনা করলে পরিস্কার
ভাবে প্রস্ফুটিত হবে যে, উভয়
বিধানের মধ্যে কোনটি মানবতার
বিধান, আর কোনটি মানবতাবিবর্জিত
পশুত্বের বিধান! বুঝে আসবে যে, কোন
বিধানটির
সংশোধনী আনা অত্যাবশ্যক।
কোনটিকে রহিত করা দরকার আর
কোনটিকে স্থায়ীভাবে কার্যকর
করা প্রয়োজন।
ইউরোপীয় সভ্যতা
যারা একাধিক বিবাহকে কেন্দ্র
করে বৈবাহিক ইসলামী বিধানের
সমালোচনা করে তৃপ্তি বোধ করে,
তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি,
নারী অধিকার এবং নারীর সমান
অধিকারের বহুল প্রচারিত শ্লোগান
ধ্বনির আড়ালে নারীদের সম্মান ও
মর্যাদা হানিকর চিত্র কী আপনাদের
দৃষ্টিতে আসে না? পাশ্চাত্যের নারী-
পুরুষের সমান অধিকারের মোহনীয়
শ্লোগানে আপ্লুত এক শ্রেণীর
মানুষেরা একাধিক স্ত্রী গ্রহণের
ইসলামী বিধানের সমালোচনা করে থাকে,
অথচ তাদের সমাজে বয়ফ্রেণ্ড,
গার্লফ্রেণ্ড ইত্যাদি নামে অগণিত
নারী ভোগকে তারা কোন অপরাধ
মনে করে না। বরং একাধিক
বিবাহকে আপত্তিকর বলে মেয়েদের
ন্যায্য অধিকার আদায়ের ভার ও
দায়িত্ব
থেকে তারা নিজেদেরকে সুকৌশলে দুরে
রেখে অসংখ্য নারীকে ভোগের
পণ্যে পরিণত করেছে যারা আজ
অসহায়, ভিখারী। অবৈধ সন্তানের
পরিমান ভয়াবহ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে,
প্রসূত হতভাগ্য শিশু জানে না তার
মা জননী কে? আর তার
পিতাকে চিহ্নিত করাতো আইগত ভাবেই
নিষিদ্ধ। ১৯৫৯ জাতীয় সংসদ
বাৎসরিক জেমুগ্রাফ
রিপোর্টে বলা হয়েছে :
ক.
ইউরোপকান্ট্রি এবং পানামাতে শতকরা
৬০জন সন্তান অবৈধ জন্ম গ্রহণ
করে বরং শতকরা ৭৫জন
অবৈধভাবে জন্ম গ্রহণ করে।
খ. আমেরিকা এবং ইংল্যণ্ডে অবৈধ
সন্তানের জন্মহার আরো অধিক। অথচ
মুসলিম দেশগুলোতে শতকরা একজনও
অবৈধ সন্তান জন্ম নেয়
না বলে মন্তব্য। উক্ত রিপোর্টে এর
কারণ উল্লেখ করে বলা হয়েছে যে,
মুসলিম দেশসমূহে একাধিক বিবাহ চালু
থাকার কারণে সেখানে অবৈধ সন্তানের
অবকাশ নেই।
অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে,
যারা একাধিক বিবাহের
সমালোচনা করে এবং খোদায়ী আইনে
পরিবর্তন ও সংশোধনী আনার
প্রচেষ্টায় রত রয়েছে। তারা এই
সমস্ত তথ্য থেকে শিক্ষা গ্রহণ
করে না, এবং করতে চায় না।

সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

এতীমার বিবাহ

যারা একাধিক বিবাহের অনুমতির
পক্ষে নয় তাদের অনেকে আয়াতের
এমন অর্থ করে থাকে যা কোনভাবেই
যুক্তিযুক্ত মনে হয় না। যেমন
বলে থাকে যে, এতীম নাবালেগাদের
সাথে একাধিক বিবাহের
অনুমতি দেয়া হয়েছে, অন্যদের বেলায়
এর অনুমতি নাই, আর এর উদ্দেশ্য
হচ্ছে অভিভাবকদের সমস্যার সমাধান
করা।
অথচ স্বয়ং যার প্রতি ওহী নাযিল
হয়েছে, যাকে পবিত্র কুরআনের অর্থ
এবং হুকুম আহকাম বয়ান করার জন্য
আদেশ করা হয়েছে, তার নিকট
থেকে সরাসরি অর্থ ও
শিক্ষা গ্রহণকারিনী, তাঁর
জীবনসঙ্গীনী হযরত
আয়েশা সিদ্দীকা এই আয়াতের
শানে নুযুল বর্ণনা করেছেন যে,
জাহেলী যুগে এতীম
নাবালেগাদেরকে বিবাহ করে তাদের
উপর জুলুম করা হতো।
আসলে এতীমদের সহায় সম্পদ
আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যই তাদের
অভিভাবকগণ বাহানা স্বরূপ
এতীমদেরকে বিবাহ করে নিতো, আসল
উদ্দেশ্য বিবাহ নয়
কিংবা স্ত্রী হিসাবে তাদের অধিকার
আদায় করাও নয়। বরং এতিমদের পক্ষ
থেকে যেহেতু স্ত্রী হিসাবে অধিকার
আদায়ের ব্যাপারে কোন চাপ প্রয়োগ
বা শংকা নেই, তাই অতি সহজে বিবাহের
মাধ্যমে তারা এতিমদের সম্পদ
আত্মসাৎ করার পেছনে পড়তো। তাই
এই এতিমদের অধিকার সংরক্ষণের
জন্য কুরআন পাকে তাদেরকে নির্দেশ
করা হয়েছে যে, এ সমস্ত
এতীমদেরকে ছাড়াও পৃথিবীতে অনেক
নারী রয়েছে যাদেরকে বিবাহ
করা হালাল। তাদের
মধ্যে যাদেরকে পছন্দ হয়,
তোমরা তাদেরকে বিবাহ করে নাও।
তাদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক কর।
অনর্থক এতীমদেরকে কষ্ট দিয়োনা।
তাদের অর্থ সম্পদ হস্তগত করার
লোভে নাম মাত্র বিবাহ করে এতীমদের
জীবনকে ধ্বংস করো না। এই আয়াতের
সঠিক অর্থ নিরূপনের জন্য নিম্নোক্ত
হাদীসটি উদ্ধৃত করা হলো, হযরত
ওরওয়া বলেন, আমি হযরত
আয়েশাকে এই আয়াতের অর্থ
সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম-
ﻭﺍﻥ ﺧﻔﺘﻢ ﺍﻥ ﻻﺗﻘﺴﻄﻮ ﻓﻲ
ﺍﻟﻴﺘﻤﻲ
“যদি এতীমদের প্রতি ইনসাফের
ব্যাপারে তোমাদের আশংকা বোধ হয়”
এর উদ্দেশ্য কী? তখন হযরত
আয়েশা রা. বললেন যে হে আমার
ভাগ্নে!
ﻫﺬﻩ ﺍﻟﻴﺘﻴﻤﺔ ﺗﻜﻮﻥ ﻓﻲ ﺣﺠﺮ
ﻭﻟﻴﻬﺎ ﺗﺸﺮﻛﻪ ﻓﻲ ﻣﺎﻟﻪ ﻭﻳﻌﺠﺒﻪ
ﻣﺎﻟﻬﺎ ﻭﺟﻤﺎﻟﻬﺎ ﻓﻴﺮﻳﺪ ﻭﻟﻴﻬﺎ ﺃﻥ
ﻳﺘﺰﻭﺟﻬﺎ ﺑﻐﻴﺮ ﺃﻥ ﻳﻘﺴﻂ ﻓﻲ
ﺻﺪﺍﻗﻬﺎ ﻓﻴﻌﻄﻴﻬﺎ ﻣﺜﻞ ﻣﺎ ﻳﻌﻄﻴﻬﺎ
ﻏﻴﺮﻩ ﻓﻨﻬﻮﺍ ﻋﻦ ﺃﻥ ﻳﻨﻜﺤﻮﻫﻦ
ﺇﻻ ﺃﻥ ﻳﻘﺴﻄﻮﺍ ﻟﻬﻦ ﻭﻳﺒﻠﻐﻮﺍ ﻟﻬﻦ
ﺃﻋﻠﻰ ﺳﻨﺘﻬﻦ ﻓﻲ ﺍﻟﺼﺪﺍﻕ
ﻓﺄﻣﺮﻭﺍ ﺃﻥ ﻳﻨﻜﺤﻮﺍ ﻣﺎ ﻃﺎﺏ ﻟﻬﻢ
ﻣﻦ ﺍﻟﻨﺴﺎﺀ ﺳﻮﺍﻫﻦ-ﺑﺨﺎﺭﻱ
ﺝ ২ﺹ২৮৫
অনেক সময় কোন এতীমদের
গায়রেমাহরাম মুরব্বী থাকে। এতীম সেই
মুরুব্বীর অর্থ সম্পদের অংশীদার হয়,
আর মুরুব্বীর নিকট এতীমার রূপ
পছন্দনীয় হয়, এমন
পরিস্থিতিতে মুরুব্বীর দৃষ্টি ঐ
এতীমার সম্পদের প্রতি হয়, তখন
সে ঐ এতীমাকে বিবাহ
করতে ইচ্ছা করে আর
পুরা মহরানা আদায় করার
এবং স্ত্রী হিসাবে অধিকার দেয়ার
ইচ্ছা রাখে না। অথচ অন্যের নিকট
বিবাহ হলে এই গুলো পুরা হতো। এই
কারণে এ ধরনের জুলুমের বিবাহ
থেকে মুরুব্বীদেরকে বিরত থাকার
নির্দেশ করা হয়েছে। হ্যাঁ,
যদি মুরুব্বীগণ এতীমদের সাথে ইনসাফ
করে এবং উপযুক্ত মহরানা আদায়
করে তাহলে বিবাহ করতে কোন প্রকার
বাধা নেই। অন্যথায় তাদেরকে হুকুম
করা হয়েছে যে, তারা যেন অন্য
নারীদেরকে বিবাহ করে। মুসলিম
শরীফের হাদীসে আরো অধিক বিশদ
বিবরণ বিদ্যমান রয়েছে। সেখানে উক্ত
আয়াতের তাফসীর করে হযরত
আয়েশা বলেন-
ﻗﺎﻟﺖ ﺃﻧﺰﻟﺖ ﻓﻰ ﺍﻟﺮﺟﻞ ﺗﻜﻮﻥ ﻟﻪ
ﺍﻟﻴﺘﻴﻤﺔ ﻭﻫﻮ ﻭﻟﻴﻬﺎ ﻭﻭﺍﺭﺛﻬﺎ ﻭﻟﻬﺎ
ﻣﺎﻝ ﻭﻟﻴﺲ ﻟﻬﺎ ﺃﺣﺪ ﻳﺨﺎﺻﻢ
ﺩﻭﻧﻬﺎ ﻓﻼ ﻳﻨﻜﺤﻬﺎ ﻟﻤﺎﻟﻬﺎ ﻓﻴﻀﺮ ﺑﻬﺎ
ﻭﻳﺴﻰﺀ ﺻﺤﺒﺘﻬﺎ ﻓﻘﺎﻝ ) ﺇﻥ
ﺧﻔﺘﻢ ﺃﻥ ﻻ ﺗﻘﺴﻄﻮﺍ ﻓﻰ
ﺍﻟﻴﺘﺎﻣﻰ ﻓﺎﻧﻜﺤﻮﺍ ﻣﺎ ﻃﺎﺏ ﻟﻜﻢ
ﻣﻦ ﺍﻟﻨﺴﺎﺀ( ﻳﻘﻮﻝ ﻣﺎ ﺃﺣﻠﻠﺖ ﻟﻜﻢ
ﻭﺩﻉ ﻫﺬﻩ ﺍﻟﺘﻰ ﺗﻀﺮ ﺑﻬﺎ-.ﻣﺴﻠﻢ
ﺝ ২ﺹ৪২০
এই আয়াতটি এমন লোক
সম্পর্কে নাযিল হয়েছে, যার
তত্ত্বাবধানে সম্পদের
অধিকারী এতীম রয়েছে। আর এই লোক
ঐ এতীমার ওয়ারিছ এবং মুরুব্বীও
বটে। অপর পক্ষে এই এতীমার কোন
শুভাকাংখী এবং অধিকার
আদায়কারী কেউ নেই। এদিকে এই
মুরুব্বী সম্পদের লোভে এই
এতীমাকে অন্যত্র বিবাহ
দেয়া থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকে।
বরং ঐ এতীমাকে নিজে বিবাহ করে তার
সাথে অসদাচরণ এবং জুলুম করে। তাই
আল্লাহ পাক হুকুম নাযিল করেছেন,
যদি এতীমাদের সাথে ইনসাফ না করার
আশংকা হয়,
তাহলে তাদেরকে ছাড়া তোমাদের
পছন্দমত অন্য নারীদেরকে বিবাহ
করো। আর এতীমাদের থেকে বিরত
থাক, তোমাদের বিবাহের কারণে যাদের
ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। হযরত
আয়েশার এই তাফসীর হাদীসের
কিতাবসমূহে তো আছেই
তাছাড়া (ইবনে কাসীর : ১/৪৪৯,
দুররুল মানছুর ১/১১৮,
মাজহারী ২/২৬৫, কাবীর ৩/১৬৩,
আহকামুল কুরআন জাসসাস ২/৫০,
আহকামুল কুরআন লি ইবনুল
আরাবী ১/১২৯, তাফসীরে খাযেন
১/৩০১)সহ প্রায় সমস্ত তাফসীরের
কিতাবে বিদ্যমান রয়েছে।


সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

দুইজন স্ত্রী রাখার অভিমত

এখানে শিয়া এবং জাহেরী সম্প্রদায়ের
মত উল্লেখ করার উদ্দেশ্য মোটেই
তাদের সমর্থন করা নয়, আর এরূপ
বিভ্রান্তকর মতকে সমর্থনের প্রশ্নই
আসে না বরং এই দুই সম্প্রদায়ের
মতামত উল্লেখ এজন্য করা হয়েছে যে,
আলোচ্য আয়াতের
দ্বারা যারা একাধিক স্ত্রী রাখার
অনুমতি সীমিত করণ সাব্যস্ত
করে থাকে তাদের বুঝা উচিত যে,
আরবী ভাষাগতভাবে সীমিত করণের
স্থলে অসীমিত করণ সাব্যস্ত করার
সুযোগ অনেকেই গ্রহণ করেছেন কিন্তু
উপযুক্ত কারণেই মুসলিম উম্মাহ
তাদের মতামত কে গ্রহণ করেন নাই।
সুতরাং মুসলিম উম্মাহের ঐক্যমতের
বিরোধী কতিপয় লোকের একাধিক
স্ত্রী রাখার অনুমতি সীমিত করণের
মতামত মুসলিম উম্মাহের নিকট মোটেই
গ্রহণযোগ্য নয়, বরং ইনসাফ
এবং সমতার শর্তে চার পর্যন্ত
স্ত্রী রাখার অনুমতি আছে, আর এক
সাথে চারের অধিক স্ত্রী রাখার
অনুমতি নাই। এ সম্পর্কে উলামাদের
বিস্তারিত মতামত তো আছেই তবে এ
সম্পর্কে আল্লামা মাহমুদ আলূসী তার
প্রসিদ্ধ তাফসীর রুহুল
মাআনীতে (৪:১৯১-১৯৩)
বিস্তারিত আলোচনা করেছেন
এবং দলীল প্রমাণাদির
দ্বারা আহলে সুন্নতের
মতামতকে প্রমাণিত করেছেন।
মুফাসসীর আলূসীর পূর্বে এই আয়াতের
বিশদ বিবরণ দিতে গেয়ে অপর একজন
মুফাসসির আল্লামা যাহেদী দুইজন
স্ত্রী একসাথে রাখাকে মুস্তাহাব
বলে দাবী করেছেন,
তাফসীরে আহমাদীতে মুল্লা জীয়ূন
বলেনÑ
ﻭﻗﺎﻝ ﺍﻻﻣﺎﻡ ﺍﻟﺰﺍﻫﺪﻱ ﺍﻥ ﻓﻲ
ﺑﺪﺍﻳﺔ ﺍﻻﺛﻨﻴﻦ ﺩﻭﻥ ﺍﻟﻮﺍﺣﺪ ﺩﻟﻴﻞ
ﻋﻠﻲ ﺍﺳﺘﺤﺒﺎﺑﻬﺎ
অর্থাৎ আয়াতের মধ্যে এক
সংখ্যা উল্লেখ না করে দুই
সংখ্যা থেকে শুরু করার
দ্বারা দুইজনকে একসাথে স্ত্রী হিসেবে
গ্রহণ করা মুস্তাহাব প্রমাণিত হয়।
মোটকথা এই আয়াতের দ্বারা একাধিক
স্ত্রী রাখার অনুমতির
ব্যাপারে মুসলিম উম্মাহের কোন
প্রকার মতবিরোধ নেই। অনেকেই
দুইজন রাখাকে মুস্তাহাব বলেও মন্তব্য
করেছেন। সুতরাং যারা একাধিক
স্ত্রী রাখার বিপক্ষে অবস্থান গ্রহণ
করেছে তাদের মতামত মোটেই
গ্রহণযোগ্য নয়।
আর
যদি দাবী অনুযায়ী একথা মেনে নেয়া হয়
যে, একাধিক স্ত্রী রাখার
অনুমতিকে সীমিতকরণের
পরিপ্রেক্ষিতেই আলোচ্য
আয়াতটি নাযিল হয়েছে তবুও এক
স্ত্রী রাখতে বাধ্য করার
অথবা একাধিক স্ত্রী রাখার উপর
আইনী বাধ্যবাধকতার কোন অবকাশ
নেই, কেননা এই মুলনীতি সর্বজন
স্বীকৃত যে,
ﺍﻟﻌﺒﺮﺓ ﻟﻌﻤﻮﻡ ﺍﻟﻤﻌﻨﻲ
ﻻﻟﺨﺼﻮﺹ ﺍﻟﺴﺒﺐ- ﻧﻮﺭ ﺍﻻﻧﻮﺍﺭ
হুকুম সববের সাথে সীমিত হয়
না বরং অর্থের ব্যাপকতা গ্রহণযোগ্য
হয়। প্রসিদ্ধ মুফাসসির আবু বকর
জাস্সাসও একথা বলেছেন-
ﻟﻮﻧﺰﻟﺖ ﻋﻠﻲ ﺳﺒﺐ ﺧﺎﺹ ﻟﻢ
ﻳﻮﺟﺐ ﺫﺍﻟﻚ ﺗﺨﺼﻴﺺ ﻋﻤﻮﻡ
ﺍﻟﻠﻔﻆ ﺑﻞ ﺍﻟﺤﻜﻢ ﺩﻭﻥ ﺍﻟﺴﺒﺐ
ﻋﻨﺪﻧﺎ ﻓﻨﺰﻭﻟﻬﺎ ﻋﻠﻲ ﺳﺒﺐ ﻭﻧﺰﻭﻟﻬﺎ
ﻣﺒﺘﺪﺃﺓ ﻣﻦ ﻏﻴﺮ ﺳﺒﺐ ﺳﻮﺍﺀ
)ﺍﺣﻜﺎﻡ ﺍﻟﻘﺮﺍﻥ )
অর্থাৎ আয়াতের হুকুম শানে নুযুলের
সাথে খাছ হয় না, বরং হুকুম ব্যাপক
অর্থে গৃহিত হয়। তাই
শানেনুযুলভিত্তিক আয়াত
এবং শানে নুযুল বিহীন আয়াত অর্থের
প্রশ্নে বরাবর।
মোটকথা, যারা আলোচ্য আয়াতের
দ্বারা চারের অধিক স্ত্রী এক
সাথে রাখার অনুমতি উদ্ভাবন
করে থাকে, অথবা যারা একাধিক
স্ত্রী এক সাথে রাখাকে নাজায়েয
মনে করে তারা উভয়ই সীমালংঘন
করছে। আর আসল হুকুম তাই
যা জমহুরে উম্মতে মুসলিমাহ গ্রহণ
করেছে।

সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

চারজন স্ত্রী রাখার সূত্র - ভিত্তিহীন উক্তি

চারজন স্ত্রী রাখার সূত্র
পবিত্র আয়াত এবং অসংখ্য হাদীসের
দ্বারা ইনসাফের শর্তে চারজন পর্যন্ত
স্ত্রী রাখার অনুমতি সাব্যস্ত হয়।
এবং এই অনুমতি কোন সময় রহিত
হয়নি এবং হওয়ার নয়। এ
ব্যাপারে উম্মতের ঐক্যমত রয়েছে।
আল্লামা মুফাসসির আলোসী বলেন-
ﻣﺎ ﻳﺸﻌﺮﺑﻪ ﺍﻟﺴﻴﺎﻕ ﻣﻦ ﺍﻟﺘﻮﺳﻌﺔ
ﻭﻭﺟﻪ ﺍﺷﻌﺎﺭﻩ ﺑﺬﺍﻟﻚ ﺍﻧﻪ ﺍﻃﻠﻖ
ﻗﻮﻟﻪ ﺳﺒﺤﺎﻧﻪ ﻣﺎﻃﺎﺏ ﻟﻜﻢ ﻣﻦ
ﺍﻟﻨﺴﺎﺀ ﺛﻢ ﺟﺎﺀ ﻣﺜﻨﻲ ﻭﺛﻼﺙ
ﻭﺭﺑﺎﻉ ﻛﺎﻧﻪ ﺑﻴﺎﻥ ﻟﻤﺎ ﻭﻗﻊ ﺍﻃﻼﻗﻪ
ﻋﻠﻲ ﻧﻮﻉ ﻣﻦ ﺍﻟﺘﻘﻴﻴﺪ ﺍﺫ ﻟﻮﻛﺎﻥ
ﺍﻟﻤﺮﺍﺩ ﺍﻟﺘﻀﻴﻴﻖ ﻟﻜﺎﻥ ﺍﻟﺘﻘﻴﻴﺪ ﻣﻦ
ﺍﻻﻭﻝ ﺍﻭﻗﻊ ﻓﻴﻪ ﻭﺍﻣﺲ ﺑﻪ ) ﺭﻭﺡ
ﺍﻟﻤﻌﺎﻧﻲ ﺝ২ﺹ৩০৫ )
অর্থাৎ আয়াতের মূল অর্থের
দ্বারা একাধিক স্ত্রী গ্রহণের
বিষয়ে প্রশস্ততা প্রতীয়মান হয়।
তবে ২, ৩, ও ৪ সংখ্যা উল্লেখ
করে প্রশস্ততার পরিধি নিরুপন
করা হয়েছে। যদি একের অধিক
স্ত্রী গ্রহণের
অনুমতি না হতো তাহলে আয়াতের
প্রথম অংশেই বলা হতো।
ভিত্তিহীন উক্তি
ক. একাধিক স্ত্রী রাখার অনুমতির
ব্যাপারে যে আয়াত পেশ করা হয়
অনেকের মতে এই আয়াতের
দ্বারা একাধিক স্ত্রী রাখার
ব্যাপারে প্রশস্ততা নয় বরং সীমিত
করণ সাব্যস্ত হয়, হানাফী ফেকাহের
কিতাব সমূহে ﻓﺎﻧﻜﺤﻮﺍ ﻣﺎﻃﺎﺏ ﻟﻜﻢ
এই আয়াত কে সংখ্যার সীমিত করণের
দৃষ্টান্ত— হিসেবেও পেশ
করা হয়ে থাকে। কিন্তু সেখানে এই
কথাও বলা হয়েছে যে, চার পর্যন্ত
বিবাহর অনুমতি আয়াতের
দ্বারা অবশ্যই প্রমাণিত হয়।
(তানভীহ : ১২৪)এর দ্বারা প্রমাণিত
হয় যে, চার পর্যন্ত অনুমতির
প্রশস্ততা এবং অধিকের
ক্ষেত্রে সীমিত করণের অর্থের
মধ্যে কোন প্রকার বিরোধ নাই।
খ. তাছাড়া বাদশাহ আলমগীরের উস্তাদ
মুল্লা আহমদ জিয়োন তার প্রসিদ্ধ
কিতাব তাফসীরে আহমদীতে আলোচ্য
আয়াতের তিনটি বিশদ বিবরণ পেশ
করেছেন এবং বলেছেন যে, আয়াতের
দ্বারা একাধিক স্ত্রী রাখার
অনুমতি সীমিত করণ কেবল এক ধরনের
বিবরণের দ্বারা প্রমাণিত হয়, অথচ
অন্য বিবরণ অনুযায়ী অনুমতির
প্রশস্ততাই সাব্যস্ত হয়।
তিনি লিখেন-
ﺍﻣﺎﻣﺎﺫﻛﺮ ﺍﻫﻞ ﺍﻻﺻﻮﻝ
ﺑﺎﺟﻤﻌﻬﻢ ﻓﻲ ﺑﺤﺚ ﺍﻟﻈﺎﻫﺮ
ﻭﺍﻟﻨﺺ ﻣﻦ ﺍﻥ ﻗﻮﻟﻪ ﺗﻌﺎﻟﻲ
ﻓﺎﻧﻜﺤﻮﺍ ﺍﻻﺥ ﻇﺎﻫﺮ ﻓﻲ ﺍﺑﺎﺣﺖ
ﺍﻟﻨﻜﺎﺡ ﻧﺺ ﻓﻲ ﺑﻴﺎﻥ ﺍﻟﻌﺪﺩ ﺍﺫﻟﻪ
ﺍﻟﺴﻮﻕ ﻓﻲ ﺍﻻﻳﺔ ﻓﺎﻧﻤﺎ ﺗﺴﺘﻘﻴﻢ
ﺫﺍﻟﻚ ﻋﻠﻲ ﺍﻟﺘﻮﺟﻴﻪ ﺍﻻﺧﻴﺮ ﻓﻘﻂ
ﻻﻧﻪ ﻋﻠﻲ ﺍﻟﺘﻮﺟﻪ ﺍﻻﻭﻝ ﻇﺎﻫﺮ
ﻓﻲ ﺍﺣﻼﻝ ﺍﻟﻨﻜﺎﺡ ﻧﺺ ﻓﻲ ﺣﻖ
ﺍﻟﻌﺪﺩ
অর্থাৎ উল্লেখ্য বিবরনের মধ্যে শেষ
বিবরণের দ্বারা সংখ্যার সীমিত করণ
প্রতীয়মান হলেও সর্ব প্রথম
বিবরণের দ্বারা একাধিক স্ত্রী রাখার
অনুমতির প্রশস্ততা সাব্যস্ত হয়।

সূত্রঃ বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তরদাওয়াতি সংগঠন মজলিসে দাওয়াতুলহক। এর মৌল উদ্দেশ্য মানব জীবনেসকল ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত ওআদর্শের প্রতিফলন ঘটানো।কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়াসাল্লামের ইত্তিবা-অনুসরণের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলারইবাদত আনুগত্যের দাবি পূরণ করাই হলএকজন মুসলমানের ইহকালীন জীবনেরমূল উদ্দেশ্য।।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More