নারীর স্বাস্থ্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
নারীর স্বাস্থ্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

গর্ভবতী নারীদের কোষ্ঠকাঠিন্য রোগের সমস্যা ও সমাধান



গর্ভাবস্থায় ঘিরে রয়েছে নানান সমস্যা। তাঁর মধ্যে কোষ্ঠকাঠিন্য একটি অতিসাধারণ ঘটনা । তাই গর্ভবতী মায়েরা জেনে নিন গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্য হলে করণীয় সমূহ।

Read More

বিয়ের পর মেয়েরা কেনো মোটা হয়? জেনে নিন কারণ

বিয়ের পরে মেয়েদের মোটা হওয়ার প্রবণতা লক্ষ করা যায়। তা দেখে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে যে বিয়ের পর মেয়েরা কেনো মোটা হয়ে যায়? বিয়ের পর মেয়েরা ৮টি কারণে মোটা হয়ে যায়। জেনে নিন সেসব কারণ।
পড়তে ক্লিক করুনঃ বিয়ের পর মেয়েরা মোটা হয়ে যাওয়ার কারণ



Read More

মনোপজে এইচ আর টি

মেয়েদের রজঃস্রাব শুরু হয় সাধারণত ১৩ বৎসর বয়সে।

এটি খুবই স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক শরীরবৃত্তিয় ঘটনা। আবার স্বাভাবিক নিয়মেই এই রজোস্রাবের নিবৃত্তি হয় বয়স যখন ৪০ থেকে ৫০।
মেয়েদের এই রজঃস্রাব বন্ধ হওয়াকেই মনোপজ বলে। 
বিস্তারিত : মনোপজ কি

Read More

শিশুকে ব্রেস্ট ফিডিং না করার ক্ষতি

শিশুর স্বাস্থ্য বা পুষ্টির কথা ভেবে আজকাল ডাক্তাররা বেশি করে ব্রেস্টফিডিং করানোর পরমার্শ দেন। সব মায়েরাই যে ডাক্তারের কথা শোনেন, এমনটা নয়। নানা ভ্রান্ত ধারণায়, নিজের ফিগার ধরে রাখতে, অনেক মা-ই বাচ্চাকে স্তন্যপান থেকে বিরত থাকেন। কিন্তু ঘটনা হল, মায়ের নিজের বেঁচে থাকার জন্যই বাচ্চাকে স্তন্যপান করানো জরুরি। স্তন্যপানে যতটা বাচ্চার উপকার হয়, তার চেয়ে অনেক বেশি উপকার হয় মায়ের। হ্যাঁ, এমনটাই বলছে রিসার্চ। গবেষকদের কথায়, স্তন্যদান আসলে মায়েরই 'লাইফসেভার'।

অনলাইনে গবেষণা রিপোর্টটি প্রকাশ করেছে 'মেটারন্যাল অ্যান্ড চাইল্ড নিউট্রিশন'। সেখানে স্পষ্ট করে উল্লেখ রয়েছে, শিশুর স্বাস্থ্যের সঙ্গে যদি তুলনা করা যায়, তা হলে বলতে হয়, শিশুর থেকে মায়ের নিজের স্বাস্থ্যের কারণে ব্রেস্টফিডিং করানো জরুরি। কারণ, তা অকাল মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচায়। যে কারণে অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের উদ্দেশ্যে গবেষকরা পরমর্শ দিয়েছেন, বাচ্চাকে স্তন্যপান করান।

এই গবেষণায় উল্লেখ করা হয়, আমেরিকায় মা ও শিশুর বছরে ৩,৪০০ অকালমৃত্যুর ঘটনা ঘটে। যার সঙ্গে যোগ রয়েছে সাবঅপটিমাল ব্রেস্টফিডিং-এর। ছ-মাসের কম সময় তাঁরা বাচ্চাকে বুকের দুধ দিয়েছেন। হার্ট অ্যাটাক, ডায়াবেটিস ও ইনফ্যান্ট ডেথ সিনড্রোমই এই অকালমৃত্যুর কারণ। যার নেপথ্যে রয়েছে অপর্যাপ্ত ব্রেস্টফিডিং।

এই গবেষক দলের অন্যতম ডক্টর মেলিসা বার্টিক বলেন, এর সঙ্গে 'ভালো মা' বা 'খারাপ মা' হওয়ার কোনও সম্পর্ক নেই। বাচ্চার প্রতি মা কতটা কেয়ারিং সেসব ভেবে ব্রেস্টফিডিং করানোর চেয়ে বরং নিজেদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবেন বাচ্চাকে স্তন্যপান করান।
সুত্রঃ বাচ্ছাকে বুকের দুধ না পান করালে মায়ের অকাল মৃত্য হয়!
Read More

বুকের দুধ বাড়ানোর উপায়


বুকের দুধ বাড়ানোর জন্য শিশুকে বারে বারে স্তন চুষাতে হবে। যত বেশি শিশু খাবে, তত দুধ আসবে। যাদের যমজ সন্তান হয়েছে, তারাও শুধু মাত্র বুকের দুধ দিয়ে প্রথম পাঁচ/ছয় মাস শিশুকে বড় করতে পারেন। মনে রাখতে হবে-শিশুর চাহিদা অনুযায়ীই দুধ আসে। বিস্তারিত পড়ুন

Read More

প্রশ্নঃ গর্ভপাত কি? গর্ভপাত কেনো হয়?


Read More

হলুদ দিয়ে রূপচর্চা


Read More

প্রশ্নঃ আমি বিবাহিত মহিলা, আমার প্রতি সপ্তাহে দুই দিন স্বপ্নদোষ হয় এবং সাদা স্রাব ভাঙ্গে। আমাকে পরামর্শ দিন, আমাকে কি করতে হবে?

সাদা স্রাব কি? সাদা স্রাব কেনো হয়? সাদা স্রাব নিয়ে ভ্রান্ত ধারণা


সাদা স্রাব নিয়ে অনেক রোগণীর অভিযোগের শেষ নেই। চিকিৎসকের কাছে গেলে অন্য সমস্যার পাশাপাশি তারা সাদা স্রাব এর চিকিৎসাবিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বলে থাকেন এবং সে সঙ্গে এও বলেন যে এর ফলে তাদের স্বাস্থ্যহানি হচ্ছে। এ কারণে তারা মানসিকভাবেও উৎকণ্ঠিত থাকেন। 
সাদা স্রাব কি? সাদা স্রাব কেনো হয়? সাদা স্রাব নিয়ে ভ্রান্ত ধারণা

Read More

মেয়েদের গোসল করার নিয়ম

Read More

মেয়েদের মাসিকের ৭ টি সমস্যা'র করণীয়

ন্যাপকিন মানেই কিন্তু চিন্তামুক্ত নন


Read More

গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়ের বিশেষ যত্ন

Read More

গর্ভাবস্থায় নারীদের ৮ অস্বস্তিকর বিষয়!


গর্ভবতী মেয়েদের ছবি
সন্তান জন্মদানে একজন নারীর জীবনে আনন্দের বিষয় হলেও গর্ভাবস্থায় তার মাঝে এমন কিছু পরিবর্তন আসে যা বেশ বিব্রতকরও বটে। গর্ভবতী হবার আগে এসব ব্যাপারে জানা থাকে না অনেকেরই। তাই গর্ভাবস্থার শুরুতে এসব পরিবর্তনে একেবারে আকাশ থেকে পড়েন তারা।
০১. অযথাই সারা দিন বমি বমি ভাব :- ব্যাপারটাকে মর্নিং সিকনেস বলা হলেও সারাদিন ধরে আপনার বমি পেলে অবাক হবেন না। অনেক সময়ে ডেলিভারির আগে পর্যন্ত চলতে পারে এই সমস্যা।

০২. ব্রণের সমস্যা :- যারা মনে করেন টিনেজ বয়স পার হয়ে গেছেন বলে ব্রণ আর ভোগাবে না, তাদের জন্য আছে দুঃসংবাদ। গর্ভাবস্থায় সিস্টিক অ্যাকনি দেখা দিতে পারে আপনার ঘাড়ে, কানের পেছনে, থুতনি জুড়ে, এমনকি বুক ও পিঠে। গর্ভাবস্থার পুরো সময়টা জুড়ে যদি আপনার ত্বক থাকে ঝকঝকে,তবে এমনটাও হতে পারে যে সন্তান জন্ম নেবার পর পরই আপনার মুখ ভরে যাবে ব্রণে।

০৩. নাক হয়ে উঠবে আপনার শত্রু :- যেন সুপার পাওয়ার পেয়ে যাবে আপনার নাক। গন্ধ শুঁকে দূর থেকে আপনি বুঝে যাবেন আপনার স্বামী বাইরে থেকে কি খেয়ে এসেছেন! কিছু খাবার খাওয়ার জন্য সময়ে অসময়ে আওনার মন ছটফট করবে। আবার কিছু খাবারের গন্ধ এতো তীব্র মনে হবে যে সেগুলো খাওয়া বন্ধ করে দিতে হবে আপনাকে। কি খেতে পারবেন কি পারবেন না, তার পেছনে কোনো কারণ থাকবে না। চিকেন ফ্রাই এর গন্ধ আপনার কাছে অসহ্য লাগতে পারে। আবার কাঁচা বাঁধাকপির প্রতি বেড়ে যেতে পারে ভালোবাসা।

০৪. শারীরিক অবস্থার চাইতেও খারাপ হয় মানসিক অবস্থা :- বিজ্ঞাপন দেখে কান্নায় ভেঙ্গে পড়বেন আপনি। ট্রাফিক জ্যামে আটকা পড়লে রাগে চিৎকার করতে ইচ্ছে হবে। এটা-সেটা ভুলে যাবেন খুব সহজেই।

০৫. মুখের ওপর থাকে না নিয়ন্ত্রণ :- আগে হয়তো নাক ডাকতেন না আপনি। কিন্তু এখন দেখা যাবে এতো জোরে নাক ডাকছেন আপনি যে তার শব্দে নিজেই ঘুম থেকে উঠে গেছেন। খাবারের স্বাদ পালটে যাবে একেবারেই। স্বাভাবিক সব খাবারের স্বাদ লাগবে অস্বাভাবিক। কখনো কখনো মনে হবে আপনি খাবারের বদলে লোহার টুকরো গলাধঃকরণ করার চেষ্টা চালাচ্ছেন।

০৬. হঠাৎ করেই ঘামের পরিমাণ বেড়ে যায় :- হরমোনের প্রভাব দেখা যায় আপনার শরীর জুড়ে। সব সময়ে ঘামতে থাকবেন আপানি, ঘামের পরিমাণও বেড়ে যাবে। এ ছাড়াও বেড়ে যাবে শরীর জুড়ে রোমের পরিমাণ।

০৭. টয়লেটে যাওয়া মানে এক বিভীষিকা :- অল্প একটু নড়াচড়া করতেই প্রস্রাব পাবে আর টয়লেটে যাবার দরকার হবে আপনার। কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা যাওয়াটাও খুব স্বাভাবিক। আর এ সবের ফলে টয়লেটে যাওয়ার ব্যাপারটাকে রীতিমত দুঃস্বপ্ন মনে হবে আপনার।

০৮. শরীর হয়ে পড়ে দুর্বল :- অকারণেই শরীর হয়ে পড়ে দুর্বল। মাথাব্যাথা, পিঠে ব্যাথা, বুক জ্বালাপোড়ার পরিমাণ বেড়ে যায়। শরিরে পানি আসে আর পা ফেলতেও হয় কষ্ট।
Read More

ঠিক মতো কাজ করছে না ‘নারীদের ভায়াগ্রা’


http://www.amarbanglapost.com/?s=%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE
ঠিক মতো কাজ করছে না নারীদের জন্য উদ্ভাবিত ভায়াগ্রা। এক বছর আগে ফ্লিবানসেরিন নামের ওই ভায়াগ্রা উদ্ভাবন করা হয় নারীদের জন্য। বাজারে এর নাম দেযা হয় ‘আদি’। যেসব নারীর মধ্যে যৌন কামনা কম তাদের জন্য এটি ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এক বছরের মাথায় এসে বলা হচ্ছে, তা ঠিকমতো কাজ করছে না। এ ওষুধটি সেবন করে ফল পাওয়া যাচ্ছে খুবই কম। জেএএমএ ইন্টারনাল মেডিসেনে প্রকাশিত নতুন এক গবেষণায় এ কথা বলা হয়েছে। গত আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) ফ্লিবানসেরিন অনুমোদন দেয়। প্রথম দিকে যেসব নারীর হাইপো একটিভ সেক্সুয়াল ডিজায়ার ডিজঅর্ডার অথবা (এইচএসডিডি) রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে এটি বেশ ভাল ফল দেয়। গ্রিন সিগন্যাল পেয়ে এ ওষুধ বাজারজাত করা হয়। কিন্তু নেদারল্যান্ডের গবেষকরা এটি ব্যবহার নিরাপদ কিনা এবং কতটুকু কার্যকর সে বিষয়ে পর্যালোচনা করেন। তারা মোট ৬০০০ নারীর ওপর গবেষণা চালান। দেখতে পান কার্যকারিতার মাত্রা খুবই কম। তবে এ বিষয়ে তারা আর বিস্তারিত কিছু জানান নি। গবেষণা মতে, এই ওষুধটি বেশির ভাগ নারীর যৌন জীবনকে সমৃদ্ধ করতে পারে নি। উপরন্তু এটি সেবন করলে নিদ্রাভাব আসে। মাথা ঝিমঝিম করে। অবসাদ ভাব দেখা দেয়। বমি বমি লাগে। ফ্লিবানসেরিন ওষুধটি আদি নামে তৈরি করে বাজারে ছেড়েছে ভ্যালেন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস। এ কোম্পানির প্রধান মেডিকেল কর্মকর্তা তাগে রামাকৃষ্ণন, এমডি বলেছেন, পরীক্ষায় এ ওষুধ ব্যবহারকারীদের মধ্যে সন্তুষ্টি বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এইজএসডিডি সমস্যায় যেসব নারী ভুগছেন তাদের উচিত হবে এ বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া।
আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।
Read More

সেই সাহসী নারীকে সালাম

বাংলাদেশের মাতৃমৃত্যুর কারণ নির্ণয়
করতে গিয়ে তিনটি বিলম্বকে চিহ্নিত
করা হয়েছে। প্রথম বিলম্বটি হয়
বাড়িতে অর্থাৎ চিকিৎসার
ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি।
দ্বিতীয়টি সেবাকেন্দ্রে পৌঁছাতে বিলম্ব
এবং তৃতীয়টি পৌঁছানোর পর
সেবা পেতে বিলম্ব।
বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আমাদের
পরিবারে এবং সমাজে নারীর স্থান খুব
উঁচুতে থাকে না। সিদ্ধান্ত নেওয়ার
ক্ষমতাও তাদের হাতে থাকে না। তাই
গর্ভবতী মহিলারা যখন বিপজ্জনক
অবস্থায় উপনীত হন, তখনো তাঁদের
পরিবারের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হয়।
পরিণতিতে শিশুর মৃত্যু, মাতৃমৃত্যু
বা মায়ের স্বল্প বা দীর্ঘ
মেয়াদি জটিলতায় চোখের
পানি ফেলা ছাড়া তেমন কিছুই করার
থাকে না। এ গল্প সবারই জানা। আজ
একজন প্রতিবাদী নারীর
কথা বলতে চাইছি।
ওই নারী ঢাকার বাইরে থেকে এসেছেন,
লেখাপড়া জানেন না, বয়স ৩২ বছর।
১৮ বছরের বিবাহিত জীবন,
নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবার। সন্তান
নিতে চাইছেন তিন বছর ধরে, কিন্তু
না হওয়ায় তিনি চিকিৎসার জন্য
এসেছেন।
এত দিন পর
তিনি চিকিৎসা নিতে আগ্রহী হলেন
কেন, জানতে চাইলাম। তিনি জানালেন,
বিয়ের ১৫ বছর পর তাঁর
গর্ভে একটি সন্তান এসেছিল। নিয়মিত
গর্ভকালীন চেকআপের কোনো সুযোগ
তিনি পাননি। পরিবার
থেকে বাড়তি কোনো যত্নও পাননি।
প্রসব ব্যথা শুরু হওয়ার পর তিনি তাঁর
স্বামীকে অনেক অনুরোধ করেছিলেন
হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য, যেন
তাঁর এত দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সন্তানের
কোনো ক্ষতি না হয়। শ্বশুরবাড়ির
লোকজন তাঁর কথা কানেই তোলেনি।
স্বামী একজন
ধাত্রীকে সঙ্গে নিয়ে এলেন আর
তাঁকে থাকতে হলো বাড়িতেই। অনেক
ব্যথা-কষ্টের পর তিনি একটি মৃত
পুত্রসন্তান প্রসব করলেন। পরিবারের
লোকজন সন্তান না হওয়া, মৃত সন্তান
প্রসব করা নিয়ে নানা কথা বলল।
স্বামী চুপ করে রইলেন। সন্তান
হারানোর
বেদনা ধীরে ধীরে তাঁকে প্রতিবাদী করে
তুলল। মনে মনে তিনি সিদ্ধান্ত
চূড়ান্ত করে ফেললেন।
সুস্থ হওয়ার পরই তিনি আদালতের
দ্বারস্থ হলেন এবং আদালতের
মাধ্যমে স্বামীকে তালাক দিলেন। তাঁর
ভাষ্যমতে, ‘সারাটা জীবন তাঁর
সংসারে খাটলাম আর আমার বা আমার
সন্তানের জন্য তাঁর কোনো দায়িত্ব
নাই, কোনো চিন্তা নাই। এ রকম
স্বামী দিয়া কী করুম?’
এ নারীকে সেদিন কেউ
সহযোগিতা করেনি। এমনকি তাঁর মা-
বাবাও না। তবুও তিনি তাঁর
সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন।
বিবাহবিচ্ছেদের পর অনেক হুমকি-
ধমকি সহ্য করে অবশেষে এক বছর
আগে তিনি আবার বিয়ে করেছেন নিজের
পছন্দে এবং বর্তমান
স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে এসেছেন
চিকিৎসার জন্য। যখন
জিজ্ঞাসা করলাম, ‘ইনিও যদি আগের
মতো করেন?’
ওই নারীর সরাসরি উত্তর, ‘আগের
ঘরে আমার কোনো মর্যাদা ছিল না।
আমার কথার কোনো দাম ছিল না, তাই
চিকিৎসাও পাই নাই। বর্তমান
স্বামী আমাকে অনেক সম্মান ও গুরুত্ব
দেয়। না হইলে কি আর চিকিৎসার জন্য
আনত।’ আমি খুবই বিস্মিত হলাম তাঁর
জীবনবোধ এবং বাংলাদেশের নারীর
অবস্থান সম্পর্কে এত স্পষ্ট
ধারণা দেখে। আরও অবাক হলাম তাঁর
সাহস দেখে।
তিনি চিকিৎসা নিয়ে চলে গেলে আমি তাঁর
গমন পথের দিকে তাকিয়ে ভাবতে থাকি,
একই কাহিনি নিয়ে আগেও
অনেকে এসেছেন, সন্তানের
শোকে তাঁদের ঝর ঝর
করে কাঁদতে দেখেছি। নিজের স্বল্প
বা দীর্ঘমেয়াদি জটিলতায়
ভুগতে দেখেছি কিন্তু এমন প্রতিবাদ
করতে এই প্রথম দেখলাম এবং বলা যায়
মুগ্ধ হলাম।
আমার মাঝেমধ্যে মায়েদের এই
কান্না দেখে মনে হয় এমন যদি হতো,
একটি মেয়ে যখন পরিবারের
সিদ্ধান্তহীনতা অথবা অবহেলার জন্য
সন্তান হারায় অথবা নিজের
জীবনে নেমে আসে সীমাহীন দুর্ভোগ,
সেসব ক্ষেত্রে যিনি সিদ্ধান্ত নেওয়ার
ক্ষমতা রাখেন অথবা যাঁর সিদ্ধান্তের
কারণে অথবা অবহেলায় এই জীবনহরণ,
তাঁকে যদি আইনের আওতায়
এনে বিচারের মুখোমুখি করার সুযোগ
থাকত, প্রতিটি ক্ষেত্রে আর
তা নিশ্চিত করা যেত, তবে হয়তো এ
দেশে মা এবং শিশুর মৃত্যুর হার দ্রুত
কমে আসত। আর নারীরাও যদি তাঁদের
অধিকারের জন্য প্রতিবাদ
করতে পারতেন, তাহলে হয়তো অবস্থার
পরিবর্তন ত্বরান্বিত হতো। অধিকার
বলতে গর্ভকালীন সেবা পাওয়ার
অধিকার, সুস্থ শিশু জন্মদানের
ব্যবস্থাপনা পাওয়ার অধিকার, মায়ের
সুস্থতা নিশ্চিত করার অধিকার
বোঝানো হচ্ছে।
প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত
এবং সামাজিক চাপ প্রয়োগের
ব্যবস্থা করার জন্য এ ধরনের
প্রতিবাদী, সাহসী নারীরা হতে পারেন
অবহেলিত, দুর্বল নারীদের সাহস
জোগানোর সহায়ক
শক্তি এবং সামাজিক আন্দোলন
গড়ে তোলার অগ্রদূত।
রওশন আরা খানম
স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো

শেয়ার করে আপনার বন্ধুদেরকে জানান ।এটা আপনার আমার সকলের দ্বায়িত্ব ।প্রকাশক ও সম্পাদক সৈয়দ রুবেল উদ্দিন
Read More

তবু ব্যায়াম… গর্ভাবস্থায় কিছু আসন, প্রাণায়াম ও ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ

মা হওয়ার অনুভূতি অসাধারণ। দেহের
ভেতর ছোট্ট যে দেহ, তার জন্য মায়ের
যত্নের তাই শেষ নেই।
সময়মতো খাওয়া, ঘুমানো আর
সারাক্ষণ তার সুস্থতা কামনা করা।
অনাগত সন্তানের সুস্থতার জন্য চাই
মায়ের সুস্থ শরীর। সুস্থতার
প্রশ্নে ব্যায়ামের বিকল্প আর
কী আছে? অনাগত সন্তানের মায়ের
ব্যায়াম কেন, কখন আর কীভাবে—সব
প্রশ্নের উত্তর সাজিয়ে এই আয়োজন।




স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের
স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগের
সহকারী অধ্যাপক মুনা সালিমা জাহান
গর্ভাবস্থায় ব্যায়াম করতে উৎসাহিত
করেন সব সময়। তিনি জানান, নতুন
মায়েদের জন্য ব্যায়াম আরও
বেশি প্রয়োজন। গর্ভাবস্থায় কিছু
আসন, প্রাণায়াম ও ফ্রি-হ্যান্ড
এক্সারসাইজ
দূরে রাখতে পারে বমি বমি ভাব,
গ্যাস্ট্রিক, পা ব্যথা, কোমর ব্যথা ও
আবেগীয় চাপকে। এ সময়
শরীরে উৎপন্ন হয় রিলাক্সিন হরমোন,
যা অস্থিসন্ধিগুলোকে নমনীয়
করে তোলে। গর্ভকালীন
সময়ে শরীরে বাড়ে অস্বস্তি। তলপেট
স্ফীত হয়ে মেরুদণ্ডে চাপ পড়ে,
ফলে পিঠে ব্যথা বাড়ে, আর
কমতে থাকে রাতের ঘুম। তবে এসব
সমস্যায় আরাম পাবেন গর্ভকালীন
শরীর ও সময়োপযোগী কিছু ব্যায়াম
চালিয়ে গেলে। যাঁরা আগে নিয়মিত
ব্যায়াম করতেন,
তাঁরা হালকা ব্যায়ামগুলো চালিয়ে যেতে
পারেন। প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০
মিনিট হাঁটা, অ্যারোবিক্স,
হালকা যোগব্যায়াম ও জগিং,
সাইক্লিং করতেই পারেন। প্রতিদিন
অন্তত ১০ বার যোনিদ্বার ও
মলমূত্র ত্যাগের রাস্তা সংকুচিত ও
প্রসারিত করার অভ্যাস করা উচিত।
এর ফলে জরায়ু ও পায়ুপথের
সমস্যা কমবে। নতুন ব্যায়াম
করলে প্রতিদিন পাঁচ মিনিট করে শুরু
করবেন। তবে এক দিনে কখনোই ৩০
মিনিটের বেশি ব্যায়াম করবেন না।
এমন কোনো সময় বা স্থানে ব্যায়াম
করবেন না, যখন আপনি ঘেমে অস্থির
হবেন। সকালে বা রাতে ঘুমানোর
আগে ব্যায়াম করবেন,
প্রয়োজনে ফ্যান ছেড়ে নেবেন।
স্বাভাবিক ফিটের সুতির পোশাক
পরবেন। খুব আঁটসাট পোশাক পরবেন
না। ব্যায়ামের আগে এক গ্লাস পানি ও
হালকা খাবার খেয়ে নেবেন।
তা একটি ফলও হতে পারে।
পানিশূন্যতা যেন না হয়
সেদিকে দৃষ্টি রাখবেন। হঠাৎ
মাথা ঘুরলে, দম বন্ধ ভাব হলে,
বুকে বা মাথায় ব্যথা হলে ব্যায়াম
করবেন না। বাচ্চার নড়াচড়া কম
মনে হলে ব্যায়াম বন্ধ রাখবেন।
মনে রাখবেন,
এখানে যে ব্যায়ামগুলো দেয়া হল তার
মধ্যে ১৬ সপ্তাহের পর চিৎ
হয়ে শুয়ে কোনো ব্যায়াম করবেন না।
আর নিয়মিত ব্যায়াম শুরুর
আগে অবশ্যই আপনার চিকিৎসকের
পরামর্শ নেবেন।
গোল্ডস জিমের প্রশিক্ষক
দয়িতা বলেন, ‘প্রথম এক থেকে তিন
মাস শুয়ে, তিন থেকে সাত মাস আসন
আর সাত মাসের পর থেকে কিছু ফ্রি-
হ্যান্ড এক্সারসাইজ করতে পারেন।
সময় অনুযায়ী কিছু সহজ ব্যায়ামে চোখ
বুলিয়ে নিন ঝটপট।’
মনে রাখা জরুরি, কিছু বিশেষ
সময়ে ব্যায়াম সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ
সময়গুলো হলো—
 চিকিৎসকের নিষেধ থাকলে।
 উচ্চ রক্তচাপ থাকলে
 জরায়ুপথে যেকোনো রক্তপাত হলে
 গর্ভাশয় বা ফুল উল্টো থাকলে
 আগে কয়েকবার গর্ভপাত হয়ে থাকলে
 গর্ভে যমজ শিশু থাকলে।
খাদিজা ফাল্গুনী
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো

শেয়ার করে আপনার বন্ধুদেরকে জানান ।এটা আপনার আমার সকলের দ্বায়িত্ব ।প্রকাশক ও সম্পাদক সৈয়দ রুবেল উদ্দিন
Read More

আপনি মা হচ্ছেন!


প্রত্যেক গর্ভবতী মা-ই নয় মাসের
সুস্থ-স্বাভাবিক
গর্ভাবস্থা প্রত্যাশা করেন। সুস্থ
গর্ভাবস্থা মানে সুস্থ মা ও সুস্থ শিশু।
এ জন্য গর্ভাবস্থায় কিছু নিয়ম
মেনে চলা অবশ্যই প্রয়োজন।
গর্ভাবস্থায় নিন স্বাস্থ্যসেবা
মা ও শিশুর সুস্থতার জন্য
গর্ভবতী মায়ের ‘প্রসবপূর্ব যত্ন’
করাতে হবে নিয়মিত। এ জন্য আদর্শ
হচ্ছে, গর্ভাবস্থায় মোট ১৪ বার
যেতে হবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, নার্স
বা অন্য কোনো অভিজ্ঞ
স্বাস্থ্যকর্মীর কাছে। প্রথম সাত
মাসে প্রতি মাসে একবার করে মোট
সাতবার (প্রতি চার সপ্তাহে একবার),
অষ্টম মাসে প্রতি দুই সপ্তাহে একবার
করে মোট দুবার এবং পরে সন্তান
প্রসব হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত
প্রতি সপ্তাহে একবার করে মোট
পাঁচবার (সর্বমোট এই ১৪ বার
যাওয়াটা আদর্শ)। কিন্তু এটা অনেক
সময়ই সম্ভব হয়ে ওঠে না।
যদি তা সম্ভব না হয়,
তা হলে কমপক্ষে তিনবার যেতেই হবে।
প্রথম ২০ সপ্তাহের মধ্যে একবার,
৩২ সপ্তাহের সময় একবার এবং ৩৬
সপ্তাহের সময় একবার।
গর্ভবতী মায়ের ইতিহাস
চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীকে শেষ
মাসিকের ইতিহাস জানাতে হবে। শেষ
মাসিকের তারিখ থেকেই তাঁরা সন্তান
হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ
করেন।
পূর্ববর্তী গর্ভাবস্থা বা প্রসবকালীন
ইতিহাসও বলতে হবে।
সে হিসেবে স্বাভাবিকভাবে সন্তান
প্রসব হবে, না কোনো অপারেশনের
প্রয়োজন পড়বে; হাসপাতালে হবে,
না বাড়িতে হবে, তার সিদ্ধান্ত নেবেন
চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মী।
ধনুষ্টংকারের টিকা নেওয়া আছে কি না,
সে খবরও দিতে হবে।
টিকা না নিয়ে থাকলে নিতে হবে।
স্বাস্থ্য পরীক্ষা
শরীরের উচ্চতা ও ওজন ঠিক
আছে কি না, রক্তশূন্যতা আছে কি না,
উচ্চ রক্তচাপ আছে কি না—এসবই
দেখা হয় ‘প্রসবপূর্ব যত্ন’তে। হাতে,
পায়ে বা শরীরের অন্যান্য
স্থানে পানি এসেছে কি না (প্রি-
এক্লাম্পশিয়া), তা-ও
পরীক্ষা করে দেখা হয় গর্ভাবস্থায়।
ল্যাবরেটরি পরীক্ষা
রক্তের গ্রুপ জেনে রাখা জরুরি।
সিফিলিস, ডায়াবেটিস আছে কি না,
তা আগেভাগেই
পরীক্ষা করিয়ে নিলে সময়মতো চিকিৎসা
দেওয়া সম্ভব হয়। গর্ভের ভ্রূণ
ঠিকমতো বাড়ছে কি না, ভ্রূণের
কোনো শারীরিক ত্রুটি আছে কি না,
জরায়ুর ভেতর পানির পরিমাণ ঠিক
আছে কি না, জরায়ুর ভেতর ফুলের
অবস্থান কোথায়, এর অবস্থাই
বা কেমন ইত্যাদি দেখার জন্য
আলট্রাসনোগ্রাফি করাতে হয়।
উপদেশ
খাবার হোক স্বাস্থ্যকর
খাবারে থাকতে হবে একটু
বাড়তি ক্যালরি। গর্ভের সন্তানের
জন্য বাড়তি খাবার। কোষ্ঠকাঠিন্য
যেন না হয়, সে জন্য
খাবারে থাকতে হবে পর্যাপ্ত আঁশ।
খাবারের আঁশ ডায়াবেটিসও প্রতিরোধ
করবে। খাবারে থাকতে হবে প্রয়োজনীয়
ভিটামিন ও খনিজ লবণ। শাকসবজি,
ফল-মূলে পাওয়া যাবে এগুলো। মাছ
খাওয়া ভালো। মাছে আছে ওমেগা ৩
মেদাম্ল, যা শিশুর বিকাশে সহায়ক।
যথেষ্ট পানিও পান
করতে হবে প্রতিদিন।
বিশ্রাম নিন পরিমিত
একেবারে শুয়ে-বসে থাকাও নয়, আবার
দিনভর হাড়ভাঙা খাটুনিও নয়। কাজের
ফাঁকে চাই পর্যাপ্ত বিশ্রাম।
ব্যায়াম করুন নিয়মিত
দৈনন্দিন গৃহস্থালির কাজ
চালিয়ে যেতে হবে স্বাভাবিকভাবেই।
প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ মিনিট সময়
হাঁটতে হবে। সপ্তাহে পাঁচ দিন
কমপক্ষে।
ঘুম হতে হবে পর্যাপ্ত
দিনে রাতে সাত-আট ঘণ্টা।
দুপুরে খাওয়ার পর হালকা ঘুম।
পোশাক হোক আরামদায়ক
সুতির ঢিলেঢালা পোশাকে ত্বক ও
শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত সরবরাহ
থাকবে স্বাভাবিক। হাই হিল
জুতো স্বাস্থ্যকর নয়। ফ্ল্যাট
চটি ভালো। মেরুদণ্ডের স্বাভাবিক
বক্রতা বজায় থাকবে। পিঠে, কোমরে ও
পায়ের পেশিতে ব্যথা করবে না।
এড়িয়ে চলুন সিগারেটের ধোঁয়া
গর্ভাবস্থায় ধূমপান করলে গর্ভের
সন্তান কম ওজনের হয়। পরোক্ষ
ধূমপানেও একই ক্ষতি হয়।
সুতরাং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ধূমপান
এড়িয়ে চলতে হবে।
পরিহার করুন প্রেসক্রিপশন
ছাড়া ওষুধ
ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় গর্ভের
সন্তানের শারীরিক ও মানসিক
ক্ষতি হতে পারে। তাই রেজিস্টার্ড
চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র
ছাড়া কোনো ওষুধ সেবন করা যাবে না।
একটু-আধটু সমস্যা হলে ব্যবস্থা নিন
নিজেই
বমি বমি ভাব বা বমি
বিশেষ করে, গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন
মাস দিনের শুরুতে বমি বমি ভাব হয়
বা বমি হয়। এ সমস্যা হলে অল্প অল্প
করে ঘন ঘন খাবার খেতে হবে।
সকালে ঘুম থেকে উঠেই বিস্কুট, টোস্ট-
জাতীয় শুকনো কিছু খাবার খেলেও
উপকার পাওয়া যায়। তৈলাক্ত খাবার
কম খেলেও উপকার পাওয়া যাবে।
বমি খুব বেশি হলে বা সমস্যাটা তিন
মাসের বেশি স্থায়ী হলে চিকিৎসকের
শরণাপন্ন হতে হবে।
বুক জ্বালা
গর্ভকালীন এসিডিটির জন্যও এ
সমস্যাটা হতে পারে। এসিডিটি বা বুক
জ্বালা হলেও অল্প অল্প করে ঘন ঘন
খাবার খেতে হবে। তৈলাক্ত খাবার,
ভাজা-পোড়া খাবার ও বেশি মসলাযুক্ত
খাবার কম খেতে হবে।
একসঙ্গে বেশি খাবার না খেলেও
উপকার পাওয়া যায়। খাওয়ার সময়
পানি কম পান করতে হবে। দুই খাবারের
মধ্যবর্তী সময়ে বেশি বেশি পানি পান
করতে হবে। খাওয়ার পরপরই উপুড়
হওয়া বা বিছানায় শোয়া উচিত নয়।
চিকিৎসকের
পরামর্শমতো অ্যান্টাসিড-জাতীয়
ওষুধ সেবন করা যেতে পারে।
কোষ্ঠকাঠিন্য
গর্ভকালীন কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।
কোষ্ঠকাঠিন্য যেন না হয়, সে জন্য
প্রচুর পানি পান করতে হবে। দৈনিক
অন্তত আট গ্লাস। আঁশ আছে এ রকম
খাবার, যেমন—শাকসবজি, ফলমূল,
বিচি-জাতীয় খাবার, ডাল, গমের
আটা ইত্যাদি খেতে হবে বেশি বেশি।
চিকিৎসকের পরামর্শ
ছাড়া পায়খানা নরম করার জন্য
কোনো ওষুধ ব্যবহার করা যাবে না।
মো. শহীদুল্লাহ
কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগ,
কমিউনিটি বেজড মেডিকেল কলেজ,
ময়মনসিংহ
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, সেপ্টেম্বর
০৫, ২০১২

শেয়ার করে আপনার বন্ধুদেরকে জানান ।এটা আপনার আমার সকলের দ্বায়িত্ব ।প্রকাশক ও সম্পাদক সৈয়দ রুবেল উদ্দিন
Read More

গর্ভবতী মহিলাদের জন্য কিছু অতিপ্রয়োজনীয় টিপস !






http://www.amarbanglapost.com/?s=%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AD%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%80
স্বাস্থ্যকর সন্তান জন্ম দেয়ার জন্য
মায়েদের কিছু সাবধানতা অবলম্বন
করা প্রয়োজন। সেদিকেই লক্ষ্য
রেখে কিছু টিপস দেয়া হলো :
— আপনি প্রেগন্যান্সি প্রাপ্তির
জন্য চিন্তা-
ভাবনা করলে গর্ভধারণের
আগে পরিকল্পনা করে নিজেকে সম্পূর্ণ
তৈরি করে নিন। কখনও কখনও
আপনার এমন যেন মনে না হয়,
আপনি প্রেগন্যান্ট।
আপনার চিন্তা-ভাবনার প্রভাব
গর্ভজাত শিশুর ওপর ভীষণভাবে পড়ে।
শেষ কবে ঋতুচক্র হয়েছিল তার ওপরও
লক্ষ্য রাখুন। নয়তো সন্তানের
জন্মের তারিখও সঠিকভাবে নির্ধারণ
করা সম্ভব হয় না।
— শিশুর স্বাস্থ্য পূর্ণরূপে মা-বাবার
স্বাস্থ্যের ওপর নির্ভর করে।
প্রেগন্যান্সি পিরিয়ডে মা যা আহার
গ্রহণ করবে, তা শিশুর বিকাশে সহায়ক
হয়। তাই ভোজনে ভিটামিন ‘সি’,
ফাইবার্স, আয়রন, ফলিক
অ্যাসিডযুক্ত খাদ্য অবশ্যই
নেয়া উচিত। বেশি তেল
বা ঘি দিয়ে রান্না খাবার খেলে শিশু
স্বাস্থ্যবান হয়, একথা সম্পূর্ণ ভুল।
সুতরাং এমন ভোজন নেয়া উচিত
যা পুষ্টিকর, যেমন—তাজা ফল, সবুজ
সবজি, দুধ, দই
ইত্যাদি উপযোগী খাবার। আর
অকারণে ওষুধ সেবনের
কোনো প্রয়োজন নেই।
— যদি আপনি অন্য কোনো রকমের
ওষুধ সেবন করেন
তাহলে সবচেয়ে ভালো হবে গর্ভধারণের
আগেই ওষুধ সেবন বন্ধ করা।
এতে আপনার বডি স্ট্যাটাস নরমাল
থাকবে। আর শিশুর কোনো রকমের
সমস্যা হবে না।
— ধূমপান ও ড্রিঙ্ক করলে গর্ভজাত
শিশুর পক্ষে হানিকারক হয়।
যদি আপনি বা আপনার সঙ্গী ধূমপান
করেন তাহলে গর্ভধারণ করার আগেই
আপনাদের ধূমপান বন্ধ করতে হবে।
যেসব মহিলা ধূমপান করেন
তারা সময়ের আগেই সামান্য থেকে কম
ওজনের শিশুর জন্ম দেন। ধূমপানের
জন্য কম ওজনেরও সন্তানের জন্ম হয়
বা মৃত শিশুরও জন্ম হতে পারে।
— যদি আপনি কোনো রাসায়নিক
সংস্থা বা এক্সরেসংক্রান্ত
প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকেন তাহলে এর
বিষজাতীয় ধোঁয়া আপনার সন্তানের
জন্য ক্ষতিকারক। এসব স্থান
থেকে নিজেকে দূরে রাখা জরুরি।
— মানুষের মধ্যে একটি ভুল
ধারণা রয়েছে যে কম্পিউটারের
কুপ্রভাব গর্ভজাত শিশুর ওপরে খুব
বেশিভাবে পড়ে। বর্তমান ব্যস্ত
যুগে মহিলারা আইটি সেক্টরে কর্মরত।
এতে কোনো সমস্যা হয় না।
— শিশুর জন্মের আগে তার সুরক্ষার
জন্য ব্লাড টেস্ট অবশ্যই করাবেন।
এইচআইভি টেস্ট করানোও জরুরি। আরো টিপস দেখুন

শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

কী করে বুঝবেন স্তন ক্যান্সার


সারা বিশ্বে মহিলাদের স্তন বা ব্রেষ্ট
ক্যাসারের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।
বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম নয়। অথচ
সময়মত ব্যবস্হা নিলে এ রোগের
ভয়াবহ থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।
সাধারণত ৩০ বছরের আগে এই রোগ
কম হয়। বেশিরভাগ
রোগী বুকে চাকা নিয়ে ডাক্তারের
শরণাপন্ন হয়। বুকে চাকা সেই
সাথে কিছু কিছু রোগী ব্যথার কথাও
বলে থাকে।
কখনো কখনো বুকে চাকা এবং বগলেও
চাকা নিয়ে রোগী আসতে পারে। নিপল
ডিসচার্জ এবং নিপল ভেতরের
দিকে ঢুকে যাওয়াও এ রোগের লক্ষণ
হিসেবে দেখা দিতে পারে। কিছু কিছু
রোগী বুকে ফুলকপির
মতো ঘা নিয়ে ডাক্তারের কাছে আসে।
অনেক সময় যে বুকে ব্যথা, সেদিকের
হাত ফোলা নিয়েও আসতে পারে।
এগুলো ছাড়া ব্রেষ্ট ক্যাসার
দুরবর্তী কোথাও ছড়িয়ে পড়েছে এমন
উপসর্গ নিয়ে আসে;
যেমনঃ হাড়ে ব্যথা, মাথা ব্যথা,
শ্বাসকষ্ট ও জন্ডিস ইত্যাদি।
কারণঃ
–জেনিটিক কারণ, যেমন-মা-
খালা থাকলে সন্তানদের হওয়ার
সম্ভাবনা বেশি।
–অবিবাহিত বা সন্তানহীনা মহিলাদের
মধ্যে স্তন ক্যাসারের প্রকোপ বেশি।
–
একইভাবে যারা সন্তানকে কখনো স্তন্য
পান করাননি, তাদের ব্রেষ্ট ক্যাসার
বেশি হয়।
–৩০ বছর পরে যারা প্রথম
মা হয়েছেন, তাদের স্তন ক্যাসারের
প্রবণতা একজন
কমবয়সী মা হওয়া মহিলার থেকে অনেক
বেশি।
–বয়স যত বাড়ে, স্তন ক্যাসারের
ঝুঁকি তত বৃদ্ধি পায়।
–অল্প সময়ে বাচ্চা নিলে,
দেরিতে মাসিক শুরু হলে,
তাড়াতাড়ি মাসিক বন্ধ হলে স্তন
ক্যাসারের প্রকোপ বেড়ে যায়।
–একাধারে অনেক দিন জন্মনিরোধক
বড়ি খেলেও স্তন ক্যাসার হওয়ার
ঝুঁকি বেড়ে যায়।
উপরোক্ত কারণগুলো ব্রেষ্ট
ক্যাসারে সহায়ক ভুমিকা পালন করে।
তবে এগুলোই একমাত্র কারণ নয়।
রোগ নির্ণয়ঃ
–মেমোগ্রাম বা স্তনের বিশেষ ধরনের
এক্স-রে।
–স্তনের আলট্রাসনোগ্রাম।
–চাকা বা টিউমার থেকে রস
নিয়ে পরীক্ষা করলে এই রোগ
ধরা পড়বে।
ব্রেষ্ট ক্যান্সারে চিকিৎসাঃ
সম্ভব হলে সার্জারি করাই উত্তম।
তাছাড়া কেমো থেরাপি, রেডিও থেরাপি,
হরমোন থেরাপি ইত্যাদি।
প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয়
–৩০ বছরের বেশি বয়স হলে নিজ নিজ
ব্রেষ্ট
পরীক্ষা করতে হবে কোনো চাকা পাওয়া
যায় কিনা।
চাকা পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে
ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে।
–বয়স ৫০-এর
উপরে হলে বছরে একবার মেমোগ্রাম
করতে হবে।
–কোনো প্রকার সন্দেহ হলে ডাক্তারের
সঙ্গে দেখা করতে হবে।
রোগ প্রতিরোধের উপায়
যেহেতু রোগটির নির্দিষ্ট কোনো কারণ
জানা যায়নি, তাই এই রোগ এড়ানোর
জন্য কয়েকটি নিয়ম মেনে চলার জন্য
পরামর্শ দেয়া হয়ঃ
–৩০ বছর বয়স থেকে নিজ নিজ
ব্রেষ্ট পরীক্ষা করুন।
–রিস্ক ফ্যাক্টর
থাকলে সে ক্ষেত্রে মেমোগ্রাফি করুন।
যেমনঃ ফ্যামিলিতে ব্রেষ্ট ক্যাসার
থাকলে।
–৩০ বছর বয়সের মধ্যে প্রথম
সন্তান জন্ম দেয়ার চেষ্টা করুন।
–সন্তানকে বুকের দুধ পান করান।
–টাটকা শাক-সবজি ও ফল খান।
–সন্দেহ হলে ক্যাসার সার্জনের
শরণাপন্ন হন।
মনে রাখবেন প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ
নিরূপণ
হলে এবং চিকিৎসা করালে আপনি
অনেকদিন সুস্হ থাকবেন।
সার্জারি করার সময়
টিউমারটি বগলে লসিকা গ্রন্হিসহ
অপসারণ করলে এই রোগ পুনরায়
দেখা দেয়ার সম্ভাবনা খুব কম।
অসম্পুর্ণভাবে টিউমার অপসারণ
করলে এই রোগ আবার হতে পারে।
বর্তমানে অপারেশন টেকনোলজি অনেক
উন্নতি লাভ করেছে; যার ফলে এই
রোগের চিকিৎসা এখন বাংলাদেশেই
সম্ভব।
ডা. ছয়েফ উদ্দিন আহমদ


সূত্রঃ বাংলা হেলথ ।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
সারা বিশ্বে মহিলাদের স্তন বা ব্রেষ্ট
ক্যাসারের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।
বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম নয়। অথচ
সময়মত ব্যবস্হা নিলে এ রোগের
ভয়াবহ থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।
সাধারণত ৩০ বছরের আগে এই রোগ
কম হয়। বেশিরভাগ
রোগী বুকে চাকা নিয়ে ডাক্তারের
শরণাপন্ন হয়। বুকে চাকা সেই
সাথে কিছু কিছু রোগী ব্যথার কথাও
বলে থাকে।
কখনো কখনো বুকে চাকা এবং বগলেও
চাকা নিয়ে রোগী আসতে পারে। নিপল
ডিসচার্জ এবং নিপল ভেতরের
দিকে ঢুকে যাওয়াও এ রোগের লক্ষণ
হিসেবে দেখা দিতে পারে। কিছু কিছু
রোগী বুকে ফুলকপির
মতো ঘা নিয়ে ডাক্তারের কাছে আসে।
অনেক সময় যে বুকে ব্যথা, সেদিকের
হাত ফোলা নিয়েও আসতে পারে।
এগুলো ছাড়া ব্রেষ্ট ক্যাসার
দুরবর্তী কোথাও ছড়িয়ে পড়েছে এমন
উপসর্গ নিয়ে আসে;
যেমনঃ হাড়ে ব্যথা, মাথা ব্যথা,
শ্বাসকষ্ট ও জন্ডিস ইত্যাদি।
কারণঃ
–জেনিটিক কারণ, যেমন-মা-
খালা থাকলে সন্তানদের হওয়ার
সম্ভাবনা বেশি।
–অবিবাহিত বা সন্তানহীনা মহিলাদের
মধ্যে স্তন ক্যাসারের প্রকোপ বেশি।
–
একইভাবে যারা সন্তানকে কখনো স্তন্য
পান করাননি, তাদের ব্রেষ্ট ক্যাসার
বেশি হয়।
–৩০ বছর পরে যারা প্রথম
মা হয়েছেন, তাদের স্তন ক্যাসারের
প্রবণতা একজন
কমবয়সী মা হওয়া মহিলার থেকে অনেক
বেশি।
–বয়স যত বাড়ে, স্তন ক্যাসারের
ঝুঁকি তত বৃদ্ধি পায়।
–অল্প সময়ে বাচ্চা নিলে,
দেরিতে মাসিক শুরু হলে,
তাড়াতাড়ি মাসিক বন্ধ হলে স্তন
ক্যাসারের প্রকোপ বেড়ে যায়।
–একাধারে অনেক দিন জন্মনিরোধক
বড়ি খেলেও স্তন ক্যাসার হওয়ার
ঝুঁকি বেড়ে যায়।
উপরোক্ত কারণগুলো ব্রেষ্ট
ক্যাসারে সহায়ক ভুমিকা পালন করে।
তবে এগুলোই একমাত্র কারণ নয়।
রোগ নির্ণয়ঃ
–মেমোগ্রাম বা স্তনের বিশেষ ধরনের
এক্স-রে।
–স্তনের আলট্রাসনোগ্রাম।
–চাকা বা টিউমার থেকে রস
নিয়ে পরীক্ষা করলে এই রোগ
ধরা পড়বে।
ব্রেষ্ট ক্যান্সারে চিকিৎসাঃ
সম্ভব হলে সার্জারি করাই উত্তম।
তাছাড়া কেমো থেরাপি, রেডিও থেরাপি,
হরমোন থেরাপি ইত্যাদি।
প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয়
–৩০ বছরের বেশি বয়স হলে নিজ নিজ
ব্রেষ্ট
পরীক্ষা করতে হবে কোনো চাকা পাওয়া
যায় কিনা।
চাকা পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে
ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে।
–বয়স ৫০-এর
উপরে হলে বছরে একবার মেমোগ্রাম
করতে হবে।
–কোনো প্রকার সন্দেহ হলে ডাক্তারের
সঙ্গে দেখা করতে হবে।
রোগ প্রতিরোধের উপায়
যেহেতু রোগটির নির্দিষ্ট কোনো কারণ
জানা যায়নি, তাই এই রোগ এড়ানোর
জন্য কয়েকটি নিয়ম মেনে চলার জন্য
পরামর্শ দেয়া হয়ঃ
–৩০ বছর বয়স থেকে নিজ নিজ
ব্রেষ্ট পরীক্ষা করুন।
–রিস্ক ফ্যাক্টর
থাকলে সে ক্ষেত্রে মেমোগ্রাফি করুন।
যেমনঃ ফ্যামিলিতে ব্রেষ্ট ক্যাসার
থাকলে।
–৩০ বছর বয়সের মধ্যে প্রথম
সন্তান জন্ম দেয়ার চেষ্টা করুন।
–সন্তানকে বুকের দুধ পান করান।
–টাটকা শাক-সবজি ও ফল খান।
–সন্দেহ হলে ক্যাসার সার্জনের
শরণাপন্ন হন।
মনে রাখবেন প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ
নিরূপণ
হলে এবং চিকিৎসা করালে আপনি
অনেকদিন সুস্হ থাকবেন।
সার্জারি করার সময়
টিউমারটি বগলে লসিকা গ্রন্হিসহ
অপসারণ করলে এই রোগ পুনরায়
দেখা দেয়ার সম্ভাবনা খুব কম।
অসম্পুর্ণভাবে টিউমার অপসারণ
করলে এই রোগ আবার হতে পারে।
বর্তমানে অপারেশন টেকনোলজি অনেক
উন্নতি লাভ করেছে; যার ফলে এই
রোগের চিকিৎসা এখন বাংলাদেশেই
সম্ভব।
ডা. ছয়েফ উদ্দিন আহমদ


সূত্রঃ বাংলা হেলথ ।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
সারা বিশ্বে মহিলাদের স্তন বা ব্রেষ্ট
ক্যাসারের সংখ্যা বেড়েই চলেছে।
বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম নয়। অথচ
সময়মত ব্যবস্হা নিলে এ রোগের
ভয়াবহ থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব।
সাধারণত ৩০ বছরের আগে এই রোগ
কম হয়। বেশিরভাগ
রোগী বুকে চাকা নিয়ে ডাক্তারের
শরণাপন্ন হয়। বুকে চাকা সেই
সাথে কিছু কিছু রোগী ব্যথার কথাও
বলে থাকে।
কখনো কখনো বুকে চাকা এবং বগলেও
চাকা নিয়ে রোগী আসতে পারে। নিপল
ডিসচার্জ এবং নিপল ভেতরের
দিকে ঢুকে যাওয়াও এ রোগের লক্ষণ
হিসেবে দেখা দিতে পারে। কিছু কিছু
রোগী বুকে ফুলকপির
মতো ঘা নিয়ে ডাক্তারের কাছে আসে।
অনেক সময় যে বুকে ব্যথা, সেদিকের
হাত ফোলা নিয়েও আসতে পারে।
এগুলো ছাড়া ব্রেষ্ট ক্যাসার
দুরবর্তী কোথাও ছড়িয়ে পড়েছে এমন
উপসর্গ নিয়ে আসে;
যেমনঃ হাড়ে ব্যথা, মাথা ব্যথা,
শ্বাসকষ্ট ও জন্ডিস ইত্যাদি।
কারণঃ
–জেনিটিক কারণ, যেমন-মা-
খালা থাকলে সন্তানদের হওয়ার
সম্ভাবনা বেশি।
–অবিবাহিত বা সন্তানহীনা মহিলাদের
মধ্যে স্তন ক্যাসারের প্রকোপ বেশি।
–
একইভাবে যারা সন্তানকে কখনো স্তন্য
পান করাননি, তাদের ব্রেষ্ট ক্যাসার
বেশি হয়।
–৩০ বছর পরে যারা প্রথম
মা হয়েছেন, তাদের স্তন ক্যাসারের
প্রবণতা একজন
কমবয়সী মা হওয়া মহিলার থেকে অনেক
বেশি।
–বয়স যত বাড়ে, স্তন ক্যাসারের
ঝুঁকি তত বৃদ্ধি পায়।
–অল্প সময়ে বাচ্চা নিলে,
দেরিতে মাসিক শুরু হলে,
তাড়াতাড়ি মাসিক বন্ধ হলে স্তন
ক্যাসারের প্রকোপ বেড়ে যায়।
–একাধারে অনেক দিন জন্মনিরোধক
বড়ি খেলেও স্তন ক্যাসার হওয়ার
ঝুঁকি বেড়ে যায়।
উপরোক্ত কারণগুলো ব্রেষ্ট
ক্যাসারে সহায়ক ভুমিকা পালন করে।
তবে এগুলোই একমাত্র কারণ নয়।
রোগ নির্ণয়ঃ
–মেমোগ্রাম বা স্তনের বিশেষ ধরনের
এক্স-রে।
–স্তনের আলট্রাসনোগ্রাম।
–চাকা বা টিউমার থেকে রস
নিয়ে পরীক্ষা করলে এই রোগ
ধরা পড়বে।
ব্রেষ্ট ক্যান্সারে চিকিৎসাঃ
সম্ভব হলে সার্জারি করাই উত্তম।
তাছাড়া কেমো থেরাপি, রেডিও থেরাপি,
হরমোন থেরাপি ইত্যাদি।
প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয়
–৩০ বছরের বেশি বয়স হলে নিজ নিজ
ব্রেষ্ট
পরীক্ষা করতে হবে কোনো চাকা পাওয়া
যায় কিনা।
চাকা পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে
ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে।
–বয়স ৫০-এর
উপরে হলে বছরে একবার মেমোগ্রাম
করতে হবে।
–কোনো প্রকার সন্দেহ হলে ডাক্তারের
সঙ্গে দেখা করতে হবে।
রোগ প্রতিরোধের উপায়
যেহেতু রোগটির নির্দিষ্ট কোনো কারণ
জানা যায়নি, তাই এই রোগ এড়ানোর
জন্য কয়েকটি নিয়ম মেনে চলার জন্য
পরামর্শ দেয়া হয়ঃ
–৩০ বছর বয়স থেকে নিজ নিজ
ব্রেষ্ট পরীক্ষা করুন।
–রিস্ক ফ্যাক্টর
থাকলে সে ক্ষেত্রে মেমোগ্রাফি করুন।
যেমনঃ ফ্যামিলিতে ব্রেষ্ট ক্যাসার
থাকলে।
–৩০ বছর বয়সের মধ্যে প্রথম
সন্তান জন্ম দেয়ার চেষ্টা করুন।
–সন্তানকে বুকের দুধ পান করান।
–টাটকা শাক-সবজি ও ফল খান।
–সন্দেহ হলে ক্যাসার সার্জনের
শরণাপন্ন হন।
মনে রাখবেন প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ
নিরূপণ
হলে এবং চিকিৎসা করালে আপনি
অনেকদিন সুস্হ থাকবেন।
সার্জারি করার সময়
টিউমারটি বগলে লসিকা গ্রন্হিসহ
অপসারণ করলে এই রোগ পুনরায়
দেখা দেয়ার সম্ভাবনা খুব কম।
অসম্পুর্ণভাবে টিউমার অপসারণ
করলে এই রোগ আবার হতে পারে।
বর্তমানে অপারেশন টেকনোলজি অনেক
উন্নতি লাভ করেছে; যার ফলে এই
রোগের চিকিৎসা এখন বাংলাদেশেই
সম্ভব।
ডা. ছয়েফ উদ্দিন আহমদ


সূত্রঃ বাংলা হেলথ ।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More