মাসআলা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মাসআলা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

তাওহীদ ও শিরক সম্পর্কে গুরুত্তপূর্ণ মাসয়ালা

আমাদের উপর যখন কোনো বিপদ আপদ
নেমে আসে তখন অনেককেই এমন
কথা বলতে শোনা যায় :
১) আমার রাশি খারাপ
২) সময় বা যুগটাই খারাপ
৩) কলিকাল, আরো কতো কিছু যে হবে
৪) শনির দশা লাগছে
৫) আমার কুফা লাগছে
(৬) এক শালিক / পেচার ডাক /
ভাঙ্গা ঝাড়ু দেখে বাসা থেকে বের
হইছিলাম এই জন্য এই অবস্থা
(৭) বাতাস, ঝড় তুফান, কড়া রোদ্র,
প্রচন্ড শীত
বা একটানা ব্রিষ্টিকে গালি দেয়া
উপরের সবগুলো কথাই তাওহীদ বিরোধী,
শিরক।
বিশ্লেষণ :
(১) + (৪) = তুলা রাশি, কন্যা রাশি,
শনির দশা এসবগুলো কথাই হলো, গ্রহ-
নক্ষত্র ও চন্দ্র-সূর্যের অবস্থানের
উপর ভিত্তি করে মানুষের ভাগ্য
গণনা করার পদ্ধতি। এই
পদ্ধতিতে বিশসাস করা হয়, এই
জিনিসগুলো মানুষের ভাগ্য নিয়ন্ত্রন
করে, যা খোলাখুলি শিরক। ভাগ্য
নিয়ন্ত্রক একমাত্র মহান আল্লাহ।
কেউ যদি আল্লাহ ছাড়া অন্য
কিছুকে ভাগ্য নিয়ন্ত্রক
মনে করে তাহলে সে আল্লাহর
সাথে শরীক করলো।
এছাড়া এগুলো মানুষের ভবিষ্যত বলার
অন্তর্ভুক্ত যা কুফুরী কাজ।
রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি এই
রকম গণকের (রাশিফল, জোতিষী,
ভবিষ্যত বক্তা হুজুর বা পীর) এর
কথা বিশসাস
করলো সে যেনো মুহাম্মাদের
প্রতি যা নাযিল করা হয়েছে (কোরআন)
তাকেই অসীকার করলো। (আবু দাউদ,
তিরমিযী, নাসায়ী ও অন্যান্যরা)।
অন্য বর্ণনায় তিনি বলেন, ৪০ দিন
পর্যন্ত অই ব্যক্তির নামায কবুল
হবেনা। (মুসলিম)
(২) = অনুরূপভাবে কেউ
যদি মনে করে তার বিপদ আপদ সময়ের
কারণে আসছে তাহলে সেউ শিরক করলো,
কারণ আমাদের উপর ভালো মন্দ
যা কিছু আপতিত হয়, সবই আল্লাহর
পক্ষ থেকে নির্ধারিত।
রাসুল (সা.) বলেন, মহীয়ান গরীয়ান
আল্লাহ বলেন, আদম সন্তান
আমাকে কষ্ট দেয়, সে বলে 'হায় সময়ের
ফের - দুর্ভাগ্য' ! (আমার মন্দ সময়)।
তোমাদের কেউ যেন 'হায় সময়ের ফের'
না বলে। কেননা, আমিইতো সময়, আর
রাত ও দিনের পরিবর্তনতো আমিই
করে থাকি। আমি যখন ইচ্ছা করি, তখন
তাদের দুটিকে সংকুচিত করে দেই।
মুসলিম, ৫৬৬৯।
(৩) হিন্দুয়ানি বিশসাস
(৫) + (৬) এগুলো হলো কুলক্ষন
ধরে নেয়া। এইরকম কোনো জিনিস
থেকে সুলক্ষণ বা কুলক্ষণ নেয়া শিরকের
অন্তর্ভুক্ত।
রাসুল সা. বলেন, পাখি উড়িয়ে লক্ষণ
নেয়া (সুলক্ষন বা কুলক্ষন) শিরক।
এগুলো আমাদের কাজ নয়। (আবু দাউদ,
তিরমিযী)
(৭) এরকম প্রাক্রিতিক
জিনিসগুলোকে গালি দেয়া সময়
বা যুগকে গালি দেয়ার মতোই।
এগুলো যেভাবে ইচ্ছা সেইভাবে নিয়ন্ত্রন
ও পরিচালনা করেন সয়ং আল্লাহ। তাই
এগুলোকে গালি দিলে বা সমালোচনা করলে,
যিনি এগুলো পরিচালনা করেন সেই মহান
আল্লাহকেই
গালি দেয়া বা সমালোচনা করা হয়
যা কুফুরী (নাউযুবিল্লাহ)।
বিস্তারিত জানার জন্য অবশ্য পাঠ্য :
কিতাবুত তাওহীদের ব্যখ্যা - শায়খ
সালিহ বিন আব্দুল আজীজ
আহলে শায়খ।


Next post এতেকাফ তাৎপর্য, উদ্দেশ্য ও বিধান

শেয়ার করে আপনার বন্ধুদেরকে জানান ।এটা আপনার আমার সকলের দ্বায়িত্ব ।প্রকাশক ও সম্পাদক সৈয়দ রুবেল উদ্দিন
Read More

হাদীস থেকে ইজতিহাদ ও ইমাম আবু হানিফা রহ.

হাফেয ইলিয়াস লাহুরী
ইমামে আ’জম আবু হানিফা রহ.
আইম্মায়ে মুজতাহিদ্বীনের সর্বশীর্ষ
তালিকার শ্রেষ্ঠ নাম। যার মাযহাব
অনুসরণ করছে পৃথিবীর অধিকাংশ
মানুষ। যে বিষয়টি তাঁকে এবং তঁর
মাযহাবকে শ্রেষ্ঠত্বের স্বর্ণ
শিখরে পৌঁছে দিয়েছে তাহলো মাসআলা
ইস্তিমবাতের ক্ষেত্রে তাঁর সুনিপুন
ইজতিহাদ পদ্ধতি।
কুরআন হাদীস থেকে ফিকাহ ইস্তিমবাত
করার ক্ষেত্রে ইমাম আবু হানীফার
পারঙ্গমতা ছিল সর্বজন বিদিত।
কুরআন হাদীস থেকে পূর্ণ দক্ষতা ও
বিচক্ষণতার সাথে ফিকহার অসংখ্য
আহকাম তিনি বের
করে আনতে পারতেন অবলিলায়।
কুরআন সম্পর্কে তার নীতিমালা অন্য
ইমামদের থেকে ভিন্ন ছিল না। তাঁর
মতে কুরআনের কোন আয়াত
সম্পর্কে ফুকাহায়ে কেরামের মতানৈক্য
হওয়ার মানেই হল; কুরআনের অর্থ ও
ইঙ্গিত অনুধাবনে এবং কুরআন
থেকে মাসআলা ইস্তিমবাত করার
পদ্ধতি নির্ধারণে মতানৈক্য।
তবে হাদীস গ্রহণের ব্যাপারে তাঁর
নীতি ছিল কঠোর।
বিশুদ্ধতা নির্ধারণের জন্য সনদ ও
মতনের বিচার বিশ্লেষণকে অপরিহার্য
মনে করতেন। এই কঠোরতা ও বিচার-
বিশ্লেষণের পেছনে মূল কারণ ছিল,
সমাজের মানুষের মধ্যে জাল হাদীসের
ছড়াছড়ি। তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত
কোন হাদীস তখনই গ্রহণ করতেন যখন
তা একদল থেকে অন্য দল
বর্ণনা করত। কিংবা কথিত হাদীসের
উপর আমল করার ব্যাপারে শহরের
ফকীহগণ একমত হতেন।
তিনি এও মনে করতেন যে, হাদীস
কখনোই কুরআনের সাথে সাংঘর্ষিক
হতে পারে না। অতএব যে বিষয়
কুরআনের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়
সে বিষয় সম্বলিত
আরবী বাক্যকে কিছুতেই হাদীস
বলা যাবে না।
সুতরাং যে হাদীস তাঁর এই শর্তের
মাপকাঠিতে উত্তীর্ণ নয়
সেগুলো গ্রহণ করা থেকে তিনি বিরত
থাকতেন। মূলত: একটি হাদীস গ্রহণ
করা না করা নিয়ে ফিকহার ইমামদের
মতানৈক্যের কারণ ছিল এটাই যে,
যিনি কোন হাদীসকে গ্রহণ করেছেন;
তাঁর মত ও শর্তানুপাতে তা সহীহ। আর
যিনি গ্রহণ করছেন না তা তার
বিচারে ও শর্তাবলীর
মাপকাঠিতে উর্ত্তীণ নয়। এ ধরনের
হাদীসের সংখ্যা একেবারেই নগণ্য নয়।
ইমাম আবু হানীফা রহ. বলতেন, রাসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর
নামে যারা কুরআনের বিপরীত
বা অসংগতিপূর্ণ হাদীস
বর্ণনা করে এমন সব লোকদের
বিরুদ্ধে আমার সোচ্চার হওয়ার অর্থ
(নাউযুবিল্লাহ) রাসূল সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর
বাণী প্রত্যাখ্যান নয় বরং এর অর্থ
হচ্ছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর
নামে মিথ্যা হাদীস
বর্ণনাকারীকে শায়েস্তা করা।
মোটকথা হাদীস গ্রহণে তাঁর নীতি ছিল
কঠোর। তার এই কঠোরতাই
তাকে উদারভাবে কিয়াস ও ইজতিহাদ
প্রয়োগে বাধ্য করেছে।
কেননা যে বিষয়ে কুরআন ও সুন্নাহর
বিশুদ্ধ রেফারেন্স নেই সেখানে কিয়াস
ও ইসতিহসান ছাড়া আর কোন পথই
খোলা থাকে না।
তার আরেকটি নীতি এই ছিল যে,
যে বিষয়ে সাহাবাদের একাধিক মত
রয়েছে সে ক্ষেত্রে চিন্তা ও
বিবেচনা প্রয়োগ করে ন্যায় ও সাধারণ
নীতিমালার
সাথে সবচে ঘনিষ্ঠমতকে প্রাধান্য
দেয়া।
ইমাম আবু হানীফা রহ. এর ফিকাহ
সংকলন ও আইন প্রণয়ন
তথা ইজতিহাদ ও ইস্তিম্বাত
পদ্ধতি সম্পর্কে তার নিজস্ব
বর্ণনাটি বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য।
তিনি বলেন, যে কোন
বিষয়ে কিতাবুল্লাহর নির্দেশ পেলে তাই
গ্রহণ করি, কুরআনের সুস্পষ্ট নির্দেশ
না পেলে প্রামাণ্য বিশুদ্ধ সুন্নাহ
যা নির্ভরযোগ্য লোকদের
মাঝে ছড়িয়ে আছে তার অনুসরণ করি।
তাও না পেলে সাহাবাদের মতামত গ্রহণ
করি। সাহবাদের মতামতের মধ্যে যার
অভিমতটি অধিক যুক্তিযুক্ত ও
সমীচীন বিবেচিত হয় আমি তাই গ্রহণ
করি। তাদের সকলের মতামত পরিত্যাগ
করে আমি নতুন কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ
করি না। সাহাবাদের কারো কোন
অভিমত না পেলে সে ক্ষেত্রেই কেবল
ইমাম নাখয়ী, শাবী, হাসান বসরী,
ইবনে সিরীন, সাঈদ ইবনে মুসায়িব
প্রমুখ তাবেয়ীনদের মতো আমিও
ইজিতিহাদ করি।
উল্লেখ্য যে, এ ক্ষেত্রেও
তিনি শাগরেদদের
সাথে আলোচনা করে নিতেন এবং গৃহিত
সিদ্ধান্তসমূহ লিখে রাখতেন। সূত্র :
(আন ইনতিকা ১৪২-১৪৪,
তাহযীবুত্তাহযীব ১/৪৫, মানাকিবু
আবী হানীফা লিলমাক্কী ৮/৮০)
প্রকৃতপক্ষে ইমাম আবু হানীফা রহ.
ছিলেন তুখোড় কিয়াসবিদ। কুরআন-
হাদীসের সুষ্ঠু সমাধান
না পেলে অতি দক্ষতা ও বিচক্ষণতার
সাথে মাসআলার সুষ্ঠু সমাধান বের
করার ক্ষেত্রে তিনি স্বতন্ত্র
বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ছিলেন
এবং এক্ষেত্রে তিনি সকলকেই
পিছনে ফেলে দিয়েছিলেন। এ কারণে তার
সূক্ষতা ও তড়িত
চিন্তা সর্বমহলে স্বীকৃত ছিল।
বিভিন্ন বিষয়ে সাদৃশ্য ও
বৈ সাদৃশ্যগুলো তিনি দ্রুত
সুষ্ঠুভাবে অনুধাবন করতে পারতেন। এ
ধরনের বহু ঘটনা তাঁর মানাকেব
বা প্রসস্তিমূলক
গ্রন্থগুলোতে ছড়িয়ে আছে। তাঁর
যুক্তির ক্ষুরধারতা অনুমান করার
জন্য তার সমসাময়িকদের
একটি উক্তিকেই যথেষ্ট মনে করি।
তার সমসাময়িক বিদগ্ধ জনেরা বলেন-
“এই মহান
ব্যক্তি যদি যুক্তি বলে প্রমাণ
করতে চান যে, মসজিদের এই
খাম্বাটি সোনার
তৈরী তাহলে তিনি তা পারবেন।
এতে কোন সন্দেহ নেই।”
তার কিয়াস প্রতিভার এই স্ফুরণের মূল
কারণ ছিল;
কোনো সমস্যা আদৌ সৃষ্টি হয়েছে কি
হয়নি, বাস্তব না কল্পনা এ ধরনের
প্রশ্ন তাকে মোটেই ভাবাত না। তার
নীতি ছিল সম্ভাব্য ঘটনা ঘটার আগেই
তার সমাধান
নিয়ে উলামায়ে কেরামকে প্রস্তুত
থাকতে হবে। এজন্য তিনি অসংখ্য
ফাতওয়ায়ে আরেযীও গ্রহণ করেছেন
এবং সেগুলোর উপরও তিনি ইজতিহাদের
মাধ্যমে প্রমাণ বের করেছেন।
লেখক, তাকমীল জামাতের শিক্ষার্থী,
যাত্রাবাড়ী মাদরাসা

Post by Dawtul Haq.
Blog eidtor_Syed Rubel.
ইহুদী, খৃষ্টান, হিন্দু ,বৌদ্ধ, নাস্তিক ও দেশের নারীবাদীদের ইসলামের বিরুদ্ধে করা সকল অপপ্রচারের দাঁত ভাঙ্গাঁ জবাব দেখুন এই পোস্ট টি থেকে
শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

চিকিৎসকদের প্রতি ইসলামী নির্দেশনা (২য় কিস্তি)

মাওলানা সাদিকুল আমীন
ভুল চিকিৎসার জরিমানা
চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ
হওয়া এটা আল্লাহর ইচ্ছাধীন। কিন্তু
শৃংখলা রক্ষার্থে চিকিৎসা বিষয়ে ভুলের
জন্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসকের
উপর জরিমানা আরোপিত হয়।
জরিমানা আরোপের
বিষয়ে চিকিৎসাকে কয়েকভাগে বিভক্ত
করা যায়। যথা :
১. শুধু মৌখিকভাবে ঔষধের
কথা বলে দেয়া।
২. ফি নিয়ে কাগজে ঔষধ লিখে দেয়া।
৩. ফি ছাড়া কাগজে লিখে দেয়া।
৪. হাসপাতাল
বা ক্লিনিকে ভর্তি করে চিকিৎসা করা।
যেখানে ডাক্তার বা তার
প্রতিনিধি ঔষধ খাওয়ানোর দায়িত্ব
পালন করে থাকে।
৫. ভর্তি না করে ব্যবস্থাপত্র
লিখে এবং নিজের পক্ষ থেকে ঔষধ
দিয়ে চিকিৎসা করা।
৬. অস্ত্রোপচারের
মাধ্যমে চিকিৎসা করা।
৭. প্যাথলোজির রিপোর্টের উপর
ভিত্তি করে চিকিৎসা করা।
উল্লেখিত পদ্ধতিগুলোর মাঝে যে সকল
ডাক্তার শুধু মৌখিক বা লিখিত
ব্যবস্থাপত্র দিয়ে থাকে আর
রোগী সে অনুযায়ী ঔষধ সেবন
করে ক্ষতিগ্রস্থ হয়, সেসব
ক্ষেত্রে সাধারণত ডাক্তারের উপর
জরিমানা আসে না। কিন্তু বর্তমান
যুগে অসাধু ও অযোগ্য ডাক্তারদের
দৌরাত্ম্যের কারণে এরূপ অবস্থায়ও
জরিমানা আরোপ করাই সমীচীন।
আর যেসব ক্ষেত্রে ডাক্তার বা তার
সহকারী বা নার্স ঔষধ বা ইঞ্জেকশন
প্রয়োগ করে অথবা তাদের
হাতে অপারেশনের
কারণে রোগী ক্ষতিগ্রস্থ হয়,
তাহলে বিশেষ কিছু শর্ত-সাপেক্ষে তার
জরিমানা ডাক্তারের উপর আসবে।
শর্তগুলো হলো-
১. চিকিৎসা বিষয়ক জ্ঞান ও
যোগ্যতা না থাকা।
২. চিকিৎসার ব্যাপারে পূর্ণ আন্তরিক
ও যতœশীল না হওয়া।
৩. চিকিৎসার জন্য সতঃসিদ্ধ
নিয়মনীতির অনুসরণ না করা।
৪. রোগী বা তার অভিভাবকের
অনুমতি ছাড়াই চিকিৎসা করা।
উক্ত শর্তাবলীর মাঝে এক
বা একাধিক শর্তাবলী কোন চিকিৎসার
মাঝে পাওয়া গেলে এবং তাতে রোগী
ক্ষতিগ্রস্থ হলে সেটার
জরিমানা চিকিৎসককে বহন করতে হবে।
(জাদীদ ফেকহী মাবাহেস : ১০/১২৪)
যে সকল ডাক্তার যোগ্যতাসম্পন্ন নয়
এবং তার ভুল চিকিৎসার
কারণে রোগীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে, তার
উপর জরিমানা আরোপের
পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তার
চিকিৎসার উপর
নিষেধাজ্ঞা জারী করতে পারেন। জন
সাধারণকে প্রতারণা ও
ক্ষতি থেকে বাঁচানোর জন্য এ ধরনের
নিষেধাজ্ঞা আরোপের
অনুমতি শরীয়তে রয়েছে। (শামী :
৫/১০২, বাদায়ে : ৭/১৬৯)
গোপনীয়তা রক্ষায় চিকিৎসকের
কর্তব্য
চিকিৎসকের কাছে একজন
রোগী বিভিন্ন রকমের দৈহিক-মানসিক
রোগের চিকিৎসার জন্য এসে থাকে।
তার মাঝে কিছু থাকে একান্ত গোপনীয়,
যেটা আত্মীয়-স্বজনের কাছেও প্রকাশ
করা যায় না। শুধু চিকিৎসার
স্বার্থে ডাক্তারের কাছে প্রকাশ
করা হয়। তাই ডাক্তারের কর্তব্য
হলো, বিশস্ততার সাথে বিষয়টির
গোপনীয়তা রক্ষা করা।
তবে একটি কথা লক্ষণীয় যে,
শরীয়তে গীবত
বা পরনিন্দা করা হারাম। কিন্তু বিশেষ
ক্ষেত্রে গীবত করার অনুমতিও
রয়েছে। তেমনিভাবে ডাক্তারের জন্য
রোগীর দোষ গোপন
করা মৌলিকভাবে কর্তব্য হলেও কিছু
কিছু ক্ষেত্রে সেই দোষ প্রকাশ করার
অনুমতি ও বাধ্যবাধকতাও রয়েছে। যার
বিস্তারিত বিবরণ নিম্নে উল্লেখ
করা হলো।
১.কোন রোগীর রোগ যদি এমন হয়,
যা প্রকাশ না করলে অন্যের প্রাণের
ক্ষতির সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে,
তাহলে সেই দোষকে সংশ্লিষ্ট
ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে জানানো
ডাক্তারের উপর অবশ্য জরুরী। যেমন
ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য চক্ষু
পরীক্ষা করে যদি দৃষ্টিশক্তির
ত্রুটি পাওয়া যায়, তাহলে সেটা অবগত
করতে হবে। অন্যথায় এ
কারণে যদি কোন হতাহত বা ক্ষতি হয়,
তাহলে তার গুনাহ চিকৎসকের উপর
বর্তাবে।
২. রোগীর এমন দোষ যার
কারণে কারো জানের ক্ষতি না হলেও
তা গোপন থাকলে অন্য
ক্ষতি বা সামাজিক বিশৃংখলার
সম্ভাবনা রয়েছে। যেমন, চোর, ডাকাত
ও সন্ত্রাসীদের অপরাধ
সম্পর্কে ডাক্তার অবগত
হলে সে বিষয়ে নিজ
উদ্যোগে দোষটি সংশ্লিষ্ট
কর্তৃপক্ষকে জানানো ডাক্তারের উপর
জরুরী নয়। তবে যদি এজন্য
সরকারী নির্দেশ
বা প্রতিশ্রুতি নেয়া হয়ে থাকে তাহলে
বিষয়টি অবগত করা ডাক্তারের জন্য
জরুরী।
৩. রোগীর দোষ যদি এমন হয় যার
কারণে কারো জানের ক্ষতি বা ব্যাপক-
বিশৃংখলার আশংকা নেই,
তবে কারো ব্যক্তি পর্যায়ের ক্ষতির
সম্ভাবনা রয়েছে। যেমন, বিবাহ
শাদীতে বর বা কনের কোন দোষ, যার
কারণে সাংসারিক জীবন ক্ষতিগ্রস্থ
হতে পারে। এরূপ অবস্থাতেও
ডাক্তারের জন্য দোষ প্রকাশ
করা জরুরী নয়। তবে যদি কোন পক্ষ
পরামর্শ বা বাস্তব অবস্থা জানার
জন্য জিজ্ঞাসা করে,
তাহলে ডাক্তারের কর্তব্য
হলো তা প্রকাশ করে দেয়া। কিন্তু
যদি ইতিপূর্বে রোগীর সাথে এ
বিষয়ে অবগত না করার
ওয়াদা করে থাকে তাহলে সেদোষ
কারো কাছেই প্রকাশ করা যাবে না।
(জাদীদ ফেকহি মাবাহেস : ১০/১০৬)
কোন ব্যক্তি যদি সংক্রামক
রোগে আক্রান্ত হয়। আর বিষয়টি শুধু
চিকিৎসকই জানেন,
তাহলে তিনি বিষয়টি অন্যকে অবগত
না করে রোগীকে পরামর্শ দিবেন
যাতে সে অন্যদের সাথে উঠা-
বসা না করে নির্জনতা অবলম্বন
করে।
লেখক : শিক্ষক যাত্রাবাড়ী মাদরাসা

Post by Dawtul Haq.
Blog eidtor_Syed Rubel.
ইহুদী, খৃষ্টান, হিন্দু ,বৌদ্ধ, নাস্তিক ও দেশের নারীবাদীদের ইসলামের বিরুদ্ধে করা সকল অপপ্রচারের দাঁত ভাঙ্গাঁ জবাব দেখুন এই পোস্ট টি থেকে

শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

তারাবীর নামায ও তার মাসায়েল

মাওলানা হেমায়াতুদ্দীন
* রমযান মাসে ইশার নামাযের পর
ইশার ওয়াক্তের মধ্যে যে বিশ রাকআত
সুন্নাতে মুআক্কাদা পড়তে হয়,
তাকে তারাবীহ-র নামায বলে।
* তারাবীর নামায
সুন্নাতে মুআক্কাদা।
* বিশ রাকআত তারাবীহ
পড়া সুন্নাতে মুআক্কাদা-আট রাকআত
নয়।
* তারাবীর নামায জামাআতের
সাথে পড়া সুন্নাতে মুআক্কাদায়ে
কেফায়া। মহিলাদের তারাবীর জামা‘আত
করা মাকরূহ তাহরীমী।
* প্রতি চার রাকআত তারাবীর পর
এবং বিশ রাকআতের পর বিতরের
পুর্বে চার রাকআত পরিমাণ বিশ্রাম
করা মোস্তাহাব। জামা‘আতের লোকদের
কষ্ট হওয়ার বা জামা‘আতের লোক
সংখ্যা কম হওয়ার আশংকা হলে এত
সময় বিশ্রাম করবে না বরং কম
করবে।
* এই বিশ্রামের সময় চুপ
করে বসে থাকা, তাসবীহ তাহলীল,
তিলাওয়াত, দুরূদ পড়া বা নফল নামায
পড়া সবই জায়েয। আমাদের
দেশে যে সোবহানা যিল মুল্কি ওয়াল
মালাকূতি ....... তিনবার পড়ার প্রচলন
আছে তাও জায়েয, তবে তা-ই
পড়া জরূরী নয় বরং এই দুআ কোন
হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত নয়। এর
চেয়ে ﺳﺒﺤﺎﻥ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﺍﻟﺤﻤﺪ ﻟﻠﻪ
ﻭﻻﺍﻟﻪ ﺍﻻﺍﻟﻠﻪ ﻭﺍﻟﻠﻪ ﺍﻛﺒﺮ বারবার
পড়তে থাকা উত্তম। এবং এসব দুআ
চিৎকার করে নয়
বরং নীরবে (কিংবা স্বল্প শব্দে)
পড়া মোনাসেব।
* প্রত্যেক চতুর্থ
রাকআতে মোনাজাত করা জায়েয
আছে কিন্তু বিশ
রাকআতের পর বিতরের পূর্বে দু‘আ
করাই আফযল। (বেহেশতী জেওরঃ ১ম)
তবে কোথাও প্রতি চার রাকআতের পর
মুনাজাত করলে কঠোর
ভাবে তাতে বাঁধা দেয়া কিংবা না করা হলে
মুসল্লীগণের পক্ষ থেকে ইমামকে করার
জন্য হুকুম দেয়া সংগত নয়।
* যদি কেউ মসজিদে এসে দেখেন ঈশার
জামাআত হয়ে গিয়েছে এবং তারাবীহ শুরু
হয়ে গিয়েছে তখন
তিনি একা একা ইশা পড়ে নিয়ে তারপর
তারাবীহ্-র জামা‘আত শরীক হবেন।
ইত্যবসরে যে কয় রাক‘আত তারাবীহ
ছুটে গিয়েছে তা তিনি তারাবীহ ও বেতর
জামা‘আতের সাথে আদায় করার পর
পড়বেন।
খতম তারাবীর মাসায়েলঃ
* রমযান মাসে তারাবীর
মধ্যে তারতীব অনুযায়ী একবার
কুরআন শরীক খতম করা (পড়া/শুনা)
সুন্নাতে মুআক্কাদা।
* তারাবীর খতমের মধ্যে যে কোন
একটি সূরার শুরুতে বিসমিল্লাহির
রহমানির রহীম জোরে পড়া চাই,
নতুবা শ্রোতাদের খতম পূর্ণ হবে না।
* নাবালেগের
পিছনে এক্তেদা করা দুরস্ত নয়, চাই
ফরয নামাযে হোক বা তারাবীর নামায
হোক।
* ইচ্ছাকৃত ভাবে ভুল
লোকমা দিয়ে হাফেজকে পেরেশান
করা নিষিদ্ধ।
* তারাবীহ্তে এত দ্রƒত তিলাওয়াত
করা যে বুঝে আসে না- এরূপ তিলাওয়াত
ছওয়াবের পরিবর্তে গোনাহের কারণ
হয়ে দাঁড়ায়।
* হাফেজ সাহেব যদি ভুলে গিয়ে চুপ-চাপ
দাঁড়িয়ে অথবা বৈঠকের সময়
তাশাহ্হুদের
আগে বা পরে চিন্তা করতে থাকেন
এবং এর মধ্যে এক রুকন পরিমাণ
(তিনবার সোবহানাল্লাহ বলার পরিমাণ)
সময় অতিবাহিত হয়ে যায়,
তাহলে সাজদায়ে সাহো দিতে হবে।
* কোন আয়াত ভুলে থেকে গেলে বা ভুল
পড়া হয়ে থাকলে পরবর্তী দুগানায় (দুই
রাকআতে) বা পরবর্তী যে কোন দিন
সেটা পড়ে নিতে হবে, নতুবা খতম পূর্ণ
হবে না।
* খতমের দিন তারাবীর মধ্যেই খতম
করার পর শেষ রাকআতে সূরা বাকারার
শুরু থেকে ﻣﻔﻠﺤﻮﻥ পর্যন্ত
পড়া মোস্তাহাব।
* তারাবীর মধ্যে খতমের সময়
সূরা এখলাস তিনবার পড়া মাকরূহ।
(অর্থাৎ, শরী‘আতের বিশেষ নিয়ম
মনে করে এরূপ আমল করা মাকরূহ।)
* তারাবীর মধ্যে সূরা ﻭﺍﻟﻀﺤﻲ
থেকে শেষ পর্যন্ত সূরাগুলোর পর ﺍﻟﻠﻪ
ﺍﻛﺒﺮ বলা মাকরূহ। নামাযের
বাইরে এরূপ আমল করা যায়।
* তারাবীর বিনিময়ে পারিশ্রমিক
দেয়া নেয়া জায়েয নয়, তবে হাফেজ
সাহেবের যাতায়াত ভাড়া ও
খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা করা বিধেয়।
সুত্র:বেহেস্তী যেওর,ফাতওয়ায়ে দারুল
উলুম ইত্যাদী


Post by Dawtul Haq.
Blog eidtor_Syed Rubel.
ইহুদী, খৃষ্টান, হিন্দু ,বৌদ্ধ, নাস্তিক ও দেশের নারীবাদীদের ইসলামের বিরুদ্ধে করা সকল অপপ্রচারের দাঁত ভাঙ্গাঁ জবাব দেখুন এই পোস্ট টি থেকে

শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

রমযানের রোযা ফাযায়েল ও মাসায়েল

মাওলানা হেমায়াতুদ্দীন
*সুব্হে সাদেক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত
নিয়ত সহকারে ইচ্ছাকৃতভাবে পান,
আহার ও যৌন তৃপ্তি থেকে বিরত
থাকাকে রোযা বলা হয়। প্রত্যেক
আকেল (বোধ সম্পন্ন), বালেগ
(বয়সপ্রাপ্ত) ও সুস্থ্য নর-নারীর
উপর রমযানের রোযা রাখা ফরয।
* ছেলে মেয়ে দশ বৎসরের
হয়ে গেলে তাদের
দ্বারা (শাস্তি দিয়ে হলেও)
রোযা রাখানো কর্তব্য। এর পূর্বেও
শক্তি হলে রোযা রাখার অভ্যাস
করানো উচিত।
রোযার নিয়তের মাসায়েল
* রমযানের রোযার জন্য নিয়ত
করা ফরয। নিয়ত ব্যতীত সারাদিন
পানাহার ও যৌনতৃপ্তি থেকে বিরত
থাকলেও রোযা হবে না।
* মুখে নিয়ত করা জরূরী নয়।
অন্তরে নিয়ত করলেই যথেষ্ট হবে,
তবে মুখে নিয়ত করা উত্তম।
* মুখে নিয়ত করলেও
আরবীতে হওয়া জরুরী নয়- যে কোন
ভাষায় নিয়ত করা যায়। নিয়ত
এভাবে করা যায়-
আরবীতে ﻧﻮﻳﺖ ﺑﺼﻮﻡ ﺍﻟﻴﻮﻡ
অথবা ﺑﺼﻮﻡ ﻏﺪ ﻧﻮﻳﺖ
বাংলায় আমি আজ রোযা রাখার নিয়ত
করলাম।
* সূর্য ঢলার দেড় ঘন্টা পূর্ব পর্যন্ত
রমযানের রোযার নিয়ত করা দুরস্ত
আছে, তবে রাতেই নিয়ত
করে নেয়া উত্তম।
* রমযান মাসে অন্য যে কোন প্রকার
রোযা বা কাযা রোযার নিয়ত করলেও
এই রমযানের রোযা আদায় হবে- অন্য
যে রোযার নিয়ত করবে সেটা আদায়
হবে না।
* রাতে নিয়ত করার পরও
সুব্হে সাদেকের পূর্ব পর্যন্ত পানাহার
ও যৌনকর্ম জায়েয। নিয়ত করার
সাথে সাথেই রোযা শুরু হয়না,
বরং রোযা শুরু হয় সুব্হে সাদেক থেকে।
সেহরী মাসায়েল
* সেহরী খাওয়া জরূরী নয়
তবে সেহরী খাওয়া সুন্নাত, অনেক
ফযীলতের আমল, তাই
ক্ষুধা না লাগলে বা খেতে ইচ্ছে না
করলেও সেহরীর ফযীলত হাছিল করার
নিয়তে যা-ই হোক কিছু পানাহার
করে নিবে।
* নিদ্রার
কারণে সেহরী খেতে না পারলেও
রোযা রাখতে হবে।
সেহরী না খেতে পারায়
রোযা না রাখা অত্যন্ত পাপ।
* সেহরীর সময় আছে বা নেই
নিয়ে সন্দেহ
হলে সেহরী না খাওয়া উচিত। এরূপ
সময়ে খেলে রোযা কাযা করা ভাল। আর
যদি পরে নিশ্চিত- ভাবে জানা যায় যে,
তখন সেহরীর সময় ছিল না,
তাহলে কাযা করা ওয়াজিব।
* সেহরীর সময়
আছে মনে করে পানাহার করল অথচ
পরে জানা গেল যে, তখন সেহরীর সময়
ছিল না, তাহলে রোযা হবে না;
তবে সারাদিন তাকে রোযাদারের ন্যায়
থাকতে হবে এবং রমযানের পর ঐ
দিনের রোযা কাযা করতে হবে।
* বিলম্বে সেহরী খাওয়া উত্তম।
আগে খাওয়া হয়ে গেলেও শেষ সময়
নাগাদ কিছু চা-
পানি ইত্যাদি করতে থাকলেও
বিলম্বে সেহরী করার ফযীলত অর্জিত
হবে।
ইফ্তার-এর মাসায়েল
* সূর্য অস্তমিত হওয়ার পর বিলম্ব
না করে তাড়াতাড়ি ইফতার
করা মোস্তাহাব। বিলম্বে ইফতার
করা মাকরূহ।
* মেঘের দিনে কিছু দেরী করে ইফতার
করা ভাল। মেঘের দিনে ঈমানদার
ব্যক্তির অন্তরে সূর্য অস্ত
গিয়েছে বলে সাক্ষ্য না দেয়া পর্যন্ত
ছবর করা ভাল। শুধু ঘড়ি বা আযানের
উপর নির্ভর করা ভাল নয়, কারণ
তাতে ভুলও হতে পারে।
* সূর্য অস্ত যাওয়ার ব্যাপারে সন্দেহ
থাকা পর্যন্ত ইফতার করা দুরস্ত
নেই।
* সবচেয়ে উত্তম হল খোরমার
দ্বারা ইফতার করা, তারপর কোন
মিষ্টি জিনিস দ্বারা, তারপর
পানি দ্বারা।
* লবণ দ্বারা ইফতার শুরু
করা উত্তম-এই আকীদা ভুল।
* ইফতার করার পূর্বে নিুোক্ত দু‘আ
পাঠ করবে। দু‘আ পাঠ করা মোস্তাহাব।
ﺍﻟﻠﻬﻢ ﻟﻚ ﺻﻤﺖ ﻭﻋﻠﻲ ﺭﺯﻗﻚ
ﺍﻓﻄﺮﺕ
* ইফতার করার পর নিম্নের দু‘আ পাঠ
করবে-
ﺫﻫﺐ ﺍﻟﻈﻤﺎﺀ ﻭﺍﺑﺘﻠﺖ ﺍﻟﻌﺮﻭﻕ
ﻭﺛﺒﺖ ﺍﻻﺟﺮ ﺍﻧﺸﺎﺀﺍﻟﻠﻪ
* ইফতার-এর সময় দুআ কবূল হয়, তাই
ইফতারের পূর্বে বা কিছু ইফতার
করে বা ইফতার থেকে সম্পূর্ণ ফারেগ
হয়ে দুআ করা মোস্তাহাব।
* পশ্চিম দিকে প্লেনে সফর শুরু করার
কারণে যদি দিন লম্বা হয়ে যায়
তাহলে সুব্হে সাদেক থেকে নিয়ে ২৪
ঘন্টার মধ্যে সূর্যাস্ত ঘটলে সূর্যাস্ত
পর্যন্ত ইফতার বিলম্ব করতে হবে,
আর ২৪ ঘন্টার মধ্যেও সূর্যাস্ত
না ঘটলে ২৪ ঘন্টা পূর্ণ হওয়ার
সামান্য কিছু পূর্বে ইফতার করে নিবে ।
* পূর্ব দিকে প্লেনে সফর করলে যখনই
সূর্যাস্ত পাবে তখনই ইফতার করবে।
যে সব
কারণে রোযা ভাঙ্গে না এবং মাকরূহও
হয় না
১। মেসওয়াক করা। যে কোন সময়
হোক, কাঁচা হোক বা শুষ্ক।
২। শরীর বা মাথা বা দাড়ি গোঁপে তেল
লাগানো।
৩। চোখে সুরমা লাগানো বা কোন ঔষধ
দেয়া।
৪। খুশবু লাগানো বা তার ঘ্রাণ নেয়া।
৫। ভুলে কিছু পান করা বা আহার
করা বা স্ত্রী সম্ভোগ করা।
৬। গরম বা পিপাসার কারণে গোসল
করা বা বারবার কুলি করা।
৭। অনিচ্ছা বশতঃ গলার মধ্যে ধোঁয়া,
ধুলাবালি বা মাছি ইত্যাদি প্রবেশ করা।
৮।
কানে পানি দেয়া বা অনিচ্ছাবশতঃ চলে
যাওয়ার কারণে রোযা ভঙ্গ হয়
না,
তবে ইচ্ছাকৃতভাবে দিলে সতর্কতা হল
সে রোযা কাযা করে নেয়া।
৯। অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি হওয়া।
ইচ্ছাকৃতভাবে অল্প বমি করলে মাকরূহ
হয়
না, তবে এরূপ করা ঠিক নয়।
১০। স্বপ্ন দোষ হওয়া।
১১। মুখে থুথু আসলে গিলে ফেলা।
১২। যে কোন ধরনের ইনজেকশন
বা টীকা লাগানো। তবে রোযার কষ্ট
যেন বোধ না হয়-এ উদ্দেশ্যে শক্তির
ইনজেকশন বা স্যালাইন
লাগানো মাকরূহ।
১৩। রোযা অবস্থায় দাঁত
উঠালে এবং রক্ত পেটে না গেলে।
১৪। পাইরিয়া রোগের
কারণে যে সামান্য রক্ত সব সময় বের
হতে থাকে এবং
গালার মধ্যে যায় তার কারণে।
১৫। সাপ ইত্যাদিতে দংশন করলে।
১৬। পান খাওয়ার পর
ভালভাবে কুলি করা সত্ত্বেও
যদি থুথুতে লালভাব থেকে
যায়।
১৭। শাহওয়াতের সাথে শুধু নজর
করার কারণেই যদি বীর্যপাত ঘটে যায়
তাহলে রোযা ফাসেদ হয় না।
১৮। রোযা অবস্থায় শরীর
থেকে ইনজেকশনের সাহায্যে রক্ত বের
করলে
রোযা ভাঙ্গে না এবং এতে রোযা রাখার
শক্তি চলে যাওয়ার মত দুর্বল
হয়ে পড়ার আশংকা না থাকলে মাকরূহও
হয় না।
যে সব
কারণে রোযা ভাঙ্গে না তবে মাকরূহ
হয়ে যায়
১। বিনা প্রয়োজনে কোন জিনিস
চিবানো।
২। তরকারী ইত্যাদির লবণ
চেখে ফেলা দেয়া। তবে কোন চাকরের
মুনিব বা কোন নারীর স্বামী বদ
মেজাজী হলে জিহবার অগ্রভাগ
দিয়ে লবণ চেখে তা ফেলে দিলে এতটুকুর
অবকাশ আছে।
৩। কোন ধরনের মাজন, কয়লা, গুল
বা টুথপেষ্ট ব্যবহার করা মাকরূহ। আর
এর কোন কিছু সামান্য পরিমাণও গলার
মধ্যে চলে গেলে রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে।
৪। গোসল ফরয-এ অবস্থায় সারা দিন
অতিবাহিত করা।
৫। কোন রোগীর জন্য নিজের রক্ত
দেয়া।
৬। গীবত করা, চোগলখুরী করা,
অনর্থক কথাবার্তা বলা, মিথ্যা বলা।
৭। ঝগড়া ফ্যাসাদ করা, গালি-গালাজ
করা।
৮। ক্ষুধা বা পিপাসার
কারণে অস্থিরতা প্রকাশ করা।
৯। মুখে অধিক পরিমাণ থুথু একত্র
করে গিলে ফেলা।
১০। দাঁতে ছোলা বুটের চেয়ে ছোট কোন
বস্তু আটকে থাকলে তা বের করে মুখের
ভিতর থাকা অবস্থায় গিলে ফেলা।
১১। নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ
থাকবে না-এরূপ মনে হওয়া সত্ত্বেও
স্ত্রীকে চুম্বন করা ও আলিঙ্গন
করা। নিজের উপর নিয়ন্ত্রণের
আস্থা থাকলে ক্ষতি নেই,
তবে যুবকদের এহেন
অবস্থা থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়। আর
রোযা অবস্থায় স্ত্রীর ঠোট
মুখে নেয়া সর্বাবস্থায় মাকরূহ।
১২। নিজের মুখ দিয়ে চিবিয়ে কোন
বস্তু শিশুর মুখে দেয়া।
তবে অনন্যোপায় অবস্থায় এরূপ
করলে অসুবিধা নেই।
১৩। পায়খানার
রাস্তা পানি দ্বারা এত বেশী ধৌত
করা যে, ভিতরে পানি পৌঁছে যাওয়ার
সন্দেহ হয়-এরূপ করা মাকরূহ। আর
প্রকৃত
পক্ষে পানি পৌঁছে গেলে রোযা ভঙ্গ
হয়ে যায়। তাই এ ক্ষেত্রে খুবই
সতর্কতা অবলম্বন করা দরকার। এ
জন্য রোযা অবস্থায় পানি দ্বারা ধৌত
করার পর কোন কাপড় দ্বারা বা হাত
দ্বারা পানি পরিষ্কার
করে ফেলা নিয়ম।
১৪। ঠোটে লিপিষ্টিক
লাগালে যদি মুখের ভিতর চলে যাওয়ার
আশংকা হয় তাহলে তা মাকরূহ।
যে সব কারণে রোযা ভেঙ্গে যায়
এবং শুধু কাযা ওয়াজিব হয়
১। কানে বা নাকে ঔষধ দিলে।
২। ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ
ভরে বমি করলে বা অল্প বমি আসার
পর তা গিলে
ফেললে।
৩। কুলি করার সময়
অনিচ্ছাবশতঃ কণ্ঠনালীতে পানি চলে
গেলে।
৪। স্ত্রী বা কোন নারীকে শুধু স্পর্শ
প্রভৃতি করার কারণেই বীর্যপাত
হয়ে গেলে।
৫। এমন কোন জিনিস
খেলে যা সাধারণতঃ খাওয়া হয় না।
যেমন কাঠ, লোহা,
কাগজ, পাথর, মাটি, কয়লা ইত্যাদি।
৬। বিড়ি, সিগারেট বা হুক্কা সেবন
করলে।
৭। আগরবাতি প্রভৃতির
ধোঁয়া ইচ্ছাকৃতভাবে নাকে বা হলকে
পৌঁছালে।
৮। ভুলে পানাহার করার পর
রোযা ভেঙ্গে গেছে মনে করে আবার
ইচ্ছাকৃতভাবে
কোন কিছু পানাহার করলে।
৯। রাত আছে মনে করে সুব্হে সাদেকের
পরে সেহরী খেলে।
১০। ইফতারীর সময় হয়নি, দিন
রয়ে গেছে অথচ সময় হয়ে গেছে -এই
মনে
করে ইফতারী করলে।
১১। দুপুরের পরে রোযার নিয়ত
করলে।
১২। দাঁত দিয়ে রক্ত বের
হলে তা যদি থুথুর
চেয়ে পরিমাণে বেশী হয় এবং
কণ্ঠনালীর নীচে চলে যায়।
১৩। কেউ জোর পূর্বক রোযাদারের
মুখে কোন কিছু
দিলে এবং তা কণ্ঠনালীতে পৌঁছে গেলে।
১৪। দাঁতে কোন খাদ্য-
টুকরা আঁটকে ছিল এবং সুব্হে সাদেকের
পর তা যদি
পেটে চলে যায়
তবে সে টুকরা ছোলা বুটের চেয়ে ছোট
হলে রোযা ভেঙ্গে যায় না, তবে এরূপ
করা মাকরূহ। কিন্তু মুখ থেকে বের
করার পর গিলে ফেললে তা যতই ছোট
হোক না কেন রোযা কাযা করতে হবে।
১৫। হস্ত মৈথুন করলে যদি বীর্যপাত
হয়।
১৬। পেশাবের রাস্তায় বা স্ত্রীর
যোনিতে কোন ঔষধ প্রবেশ করালে।
১৭। পানি বা তেল
দ্বারা ভিজা আঙ্গুল
যোনিতে বা পায়খানার রাস্তায় প্রবেশ
করালে।
১৮। শুকনো আঙ্গুল প্রবেশ
করিয়ে পুরোটা বা কিছুটা বের
করে আবার প্রবেশ
করালে। আর যদি শুকনো আঙ্গুল
একবার প্রবেশ করিয়ে একবারেই
পুরোটা বের করে নেয়-আবার প্রবেশ
না করায়, তাহলে রোযার অসুবিধা হয়
না।
১৯। মুখে পান
রেখে ঘুমিয়ে গেলে এবং এ অবস্থায়
সুব্হে সাদেক হয়ে গেলে।
২০। নস্যি গ্রহণ করলে বা কানে তেল
ঢাললে।
২১। কেউ রোযার নিয়তই
যদি না করে তাহলেও শুধু কাযা ওয়াজিব
হয়।
২২। স্ত্রীর বেহুঁশ থাকা অবস্থায়
কিংবা বে-খবর ঘুমন্ত অবস্থায় তার
সাথে
সহবাস করা হলে ঐ স্ত্রীর উপর শুধু
কাযা ওয়াজিব হবে।
২৩। রমযান ব্যতীত অন্য নফল
রোযা ভঙ্গ হলে শুধু কাযা ওয়াজিব হয়।
২৪। এক দেশে রোযা শুরু করার পর
অন্য দেশে চলে গেলে সেখানে যদি
নিজের দেশের তুলনায় আগে ঈদ
হয়ে যায় তাহলে নিজের দেশের
হিসেবে যে কয়টা রোযা বাদ গিয়েছে তার
কাযা করতে হবে। আর
যদি সেখানে গিয়ে রোযা এক
দুটো বেড়ে যায় তাহলে তা রাখতে হবে।
যে সব কারণে রোযা ভেঙ্গে যায়
এবং কাযা, কাফ্ফারা উভয়টা ওয়াজিব
হয়
১। রোযার নিয়ত (রাতে) করার পর
ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার করলে।
২। রোযার নিয়ত করার পর
ইচ্ছাকৃতভাবে স্ত্রী সম্ভোগ করলে।
স্ত্রীর উপরও
কাযা কাফ্ফারা উভয়টা ওয়াজিব হবে।
স্ত্রী যোনির মধ্যে পুরুষাঙ্গের
অগ্রভাগ প্রবেশ করালেই কাযা ও
কাফ্ফারা ওয়াজিব হয়ে যাবে, চাই
বীর্যপাত হোক বা না হোক।
৩। রোযার নিয়ত করার পর (পাপ
হওয়া সত্ত্বেও) যদি পুরুষ তার
পুরুষাঙ্গ স্ত্রীর পায়খানার রাস্তায়
প্রবেশ করায় এবং অগ্রভাগ
ভিতরে প্রবেশ করে (চাই বীর্যপাত
হোক বা না হোক) তাহলেও পুরুষ
স্ত্রী উভয়ের উপর
কাযা এবং কাফ্ফারা উভয়টা ওয়াজিব
হবে।
৪। রোযা অবস্থায় কোন বৈধ কাজ
করল যেমন স্ত্রীকে চুম্বন দিল
কিংবা মাথায় তেল দিল তা সত্ত্বেও
সে মনে করল যে, রোযা নষ্ট
হয়ে গিয়েছে; আর তার
পরে ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার
ইত্যাদি করল, তাহলেও
কাযা কাফ্ফারা উভয়টা ওয়াজিব হবে।
যে সব কারণে রোযা না রাখার
অনুমতি আছে
১। যদি কেউ শরী‘আত সম্মত
সফরে থাকে তাহলে তার জন্য
রোযা না রাখার অনুমতি আছে;
পরে কাযা করে নিতে হবে। কিন্তু
সফরে যদি কষ্ট না হয়,
তাহলে রোযা রাখাই উত্তম। আর
যদি কোন ব্যক্তি রোযা রাখার নিয়ত
করার পর সফর শুরু
করে তাহলে সে দিনের
রোযা রাখা জরুরী।
২। কোন
রোগী ব্যক্তি রোযা রাখলে যদি তার
রোগ বেড়ে যাওয়ার আশংকা হয়
অথবা অন্য কোন নতুন রোগ
দেখা দেয়ার আশংকা হয় অথবা রোগ
মুক্তি বিলম্বিত হওয়ার আশংকা হয়,
তাহলে রোযা ছেড়ে দেয়ার
অনুমতি আছে। সুস্থ হওয়ার পর
কাযা করে নিতে হবে। তবে অসুস্থ
অবস্থায় রোযা ছাড়তে হলে কোন
দ্বীনদার পরহেযগার চিকিৎসকের
পরামর্শ থাকা শর্ত, কিংবা নিজের
অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের
ভিত্তিতে হতে হবে, শুধু নিজের
কাল্পনিক খেয়ালের বশীভূত
হয়ে আশংকাবোধ
করে রোযা ছাড়া দুরস্ত হবে না।
তাহলে কাযা কাফ্ফারা উভয়টা ওয়াজিব
হবে।
৩। রোগ মুক্তির পর
যে দুর্বলতা থাকে তখন
রোযা রাখলে যদি পুনরায় রোগাক্রান্ত
হওয়ার প্রবল আশংকা হয় তাহলে তখন
রোযা না রাখার অনুমতি আছে,
পরে কাযা করে নিতে হবে।
৪।
গর্ভবতী বা দুগ্ধদায়িনী স্ত্রী লোক
রোযা রাখলে যদি নিজের জীবনের
ব্যাপারে বা সন্তানের জীবনের
ব্যাপারে আশংকা বোধ
করে বা রোযা রাখলে দুধ
শুকিয়ে যাবে আর সন্তানের সমূহ কষ্ট
হবে-এরূপ নিশ্চিত হলে তার জন্য তখন
রোযা ছাড়া জায়েয,
পরে কাযা করে নিতে হবে।
৫। হায়েয নেফাস অবস্থায়
রোযা ছেড়ে দিতে হবে এবং পবিত্র
হওয়ার পর কাযা করে নিতে হবে।
যে সব কারণে রোযা শুরু করার পর
তা ভেঙ্গে ফেলার অনুমতি রয়েছে
১। যদি এমন
পিপাসা বা ক্ষুধা লাগে যাতে প্রাণের
আশংকা দেখা দেয়।
২। যদি এমন কোন রোগ
বা অবস্থা দেখা দেয় যে, ওষুধ-পত্র
গ্রহণ না করলে জীবনের আশা ত্যাগ
করতে হয়।
৩। গর্ভবতী স্ত্রীলোকের যদি এমন
অবস্থা হয় যে, নিজের বা সন্তানের
প্রাণ নাশের আশংকা হয়।
৪। বেহুঁশ বা পাগল হয়ে গেলে।
* উল্লেখ্য যে, এসব অবস্থায়
যে রোযা ছেড়ে দেয়া হবে তার
কাযা করে নিতে হবে।
* কেউ যদি অন্যকে দিয়ে কাজ
করাতে পারে বা জীবিকা অর্জনের
জন্য অন্য কোন কাজ
করতে পারে তা সত্ত্বেও সে টাকার
লোভে রোদে গিয়ে কাজ করল এবং এ
কারণে অনুরূপ পিপাসায় আক্রান্ত হল
কিংবা বিনা অপারগতায় আগুনের
কাছে যাওয়ার কারণে পিপাসায়
আক্রান্ত হল, তাহলে তার
জন্যে রোযা ছাড়ার অনুমতি নেই।
রমযান মাসের সম্মান রক্ষার মাসায়েল
* রমযান মাসে দিনের বেলায় লোকদের
পানাহারের উদ্দেশ্যে হোটেল
রেস্তোরা প্রভৃতি খাবার দোকান
খোলা রাখা রমযানের অবমাননা বিধায়
তা পাপ। অন্য ধর্মাবলম্বী বা মা’যূর
ব্যক্তিদের খাতিরে খোলা রাখার
অজুহাত গ্রহণযোগ্য নয়।
* কোন কারণ
বশতঃ রোযা ভেঙ্গে গেলেও
বাকী দিনটুকু পানাহার পরিত্যাগ
করে রোযাদারের ন্যায় থাকা ওয়াজিব।
(বেহেশতী জেওর)
* দুর্ভাগ্য বশতঃ কেউ
যদি রোযা না রাখে তবুও অন্যের
সামনে পানাহার করা বা প্রকাশ
করা যে, আমি রোযা রাখিনি-
এতে দ্বিগুণ পাপ হয়, প্রথম হল
রোযা না রাখার পাপ, দ্বিতীয় হল
গোনাহ প্রকাশ করার পাপ।
রোযার কাযার মাসায়েল
* রমযানের
রোযা কাযা হয়ে গেলে রমযানের পর
যথাশীঘ্র কাযা করে নিতে হবে।
বিনা কারণে কাযা রোযা রাখতে দেরী
করা গোনাহ।
* কাযা রোযার জন্যে সুব্হে সাদেকের
পূর্বেই নিয়ত করতে হবে, অন্যথায়
কাযা রোযা সহীহ হবে না।
সুব্হে সাদেকের পর নিয়ত
করলে সে রোযা নফল হয়ে যাবে।
* ঘটনাক্রমে একাধিক রমযানের
কাযা রোযা একত্রিত
হয়ে গেলে নির্দিষ্ট করে নিয়ত
করতে হবে যে, আজ অমুক বৎসরের
রমযানের রোযা আদায় করছি।
*
যে কয়টি রোযা কাযা হয়েছে তা একাধারে
রাখা মোস্তাহাব। বিভিন্ন সময়ে রাখাও
দুরস্ত আছে।
* কাযা শেষ করার পূর্বেই নতুন
রমযান এসে গেলে তখন ঐ রমযানের
রোযাই রাখতে হবে। কাযা পরে আদায়
করে নিতে হবে।
রোযার কাফ্ফারা-র মাসায়েল
* একটি রোযার
কাফ্ফারা ৬০টি রোযা (একটি কাযা
বাদেও)। এই
৬০টি রোযা একাধারে রাখতে হবে।
মাঝখানে ছুটে গেলে আবার পুনরায় পূর্ণ
৬০টি একাধারে রাখতে হবে। এই ৬০
দিনের মধ্যে নেফাস বা রমযানের মাস
এসে যাওয়ার কারণে বিরতি হলেও
কাফ্ফারা আদায় হবে না।
* কাফ্ফারার রোযা এমন দিন থেকে শুরু
করবে যেন মাঝখানে কোন নিষিদ্ধ দিন
এসে না যায়। উল্লেখ্য, যে পাঁচ দিন
রোযা রাখা নিষিদ্ধ বা হারাম তা হল দুই
ঈদের দিন এবং ঈদুল আযহার পরের
তিন দিন।
* কাফ্ফারার রোযা রাখার
মধ্যে হায়েযের দিন (নেফাসের নয়)
এসে গেলেও যে কয়দিন সে হায়েযের
কারণে বিরতি যাবে তাতে অসুবিধে নেই।
* কাযা রোযার ন্যায় কাফ্ফারার
রোযার নিয়তও সুব্হে সাদেকের
পুর্বে হওয়া জরুরী।
* একই রমযানের একাধিক
রোযা ছুটে গেলে কাফ্ফারা একটাই
ওয়াজিব হবে। দুই রমযানের
ছুটে গেলে দুই কাফ্ফারা ওয়াজিব হবে।
* কাফ্ফারা বাবত বিরতিহীনভাবে ৬০
দিন রোযা রাখার সামর্থ
না থাকলে পূর্ণ খোরাক খেতে পারে-
এমন ৬০ জন মিসকীনকে (অথবা এক
জনকে ৬০ দিন) দু’বেলা পরিতৃপ্তির
সাথে খাওয়াতে হবে অথবা সদকায়ে
ফিত্র-য়ে যে পরিমাণ গম বা তার মূল্য
দেয়া হয় প্রত্যেককে সে পরিমাণ
দিতে হবে। এই গম ইত্যাদি বা মূল্য
দেয়ার ক্ষেত্রে একজনকে ৬০
দিনেরটা এক দিনেই
দিয়ে দিলে কাফ্ফারা আদায় হবে না।
তাতে মাত্র এক দিনের
কাফ্ফারা ধরা হবে।
* ৬০ দিন খাওয়ানোর বা মূল্য দেয়ার
মাঝে ২/১ দিন
বিরতি পড়লে ক্ষতি নেই।
সুত্র-আহসানুল ফাতাওয়া,জাওয়াহিরুল
ফাতাওয়া,জাওয়াহিরুল
ফীকহ,ফাতাওয়া রহীমীয়া,ফাতাওয়া
মাহমুদিয়া ইত্যাদী


Post by Dawtul Haq.
Blog eidtior_Syed Rubel.

ইহুদী, খৃষ্টান, হিন্দু ,বৌদ্ধ, নাস্তিক ও দেশের নারীবাদীদের ইসলামের বিরুদ্ধে করা সকল অপপ্রচারের দাঁত ভাঙ্গাঁ জবাব দেখুন এই পোস্ট টি থেকে

শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

অসুস্থ ব্যক্তির পবিত্রতা প্রসঙ্গে (শেষ কিস্তি)

মাওলানা সাদিকুল আমীন
মাসয়ালা : ঘা, খোঁড়ার রক্ত-পুঁজ
যদি নিজে নিজে গড়িয়ে না পড়ে এবং তা
চিপে বের করার
কারণে গড়িয়ে পড়ে তাহলে উজু নষ্ট
হয়ে যাবে।
মাসয়ালা : বাহ্যত শরীরে যেখানে কোন
ক্ষত বা ঘা নেই কিন্তু
সেখানে ব্যথা অনুভব হয়
এবং সাদা পাতলা পানি বের হয়, এর
কারণেও উযু নষ্ট হয়ে যাবে।
মাসয়ালা : কোন ক্ষতস্থান
বা ফোঁড়া থেকে যদি পোকা বা গোস্ত
পঁচে পড়ে যায়, তাহলে উজু নষ্ট
হবে না। এমনিভাবে কান থেকে কোন
পোকা পড়লেও উযু ভাঙ্গে না।
মাসয়ালা : ক্ষতস্থান
বা বা ফোঁড়া থেকে বের হওয়া রক্ত
বা পূঁজ
যদি গড়িয়ে না পড়ে সেটা কাপড়ের
কয়েক স্থানে লেগে যায়, তাহলে অনুমান
করে দেখবে যদি তার
সমষ্টি গড়িয়ে পড়ার পরিমাণ হয়
এবং একই মজলিস থাকা অবস্থায় বের
হয় তাহলে উযু ভেঙ্গে যাবে। আর
মজলিস ভিন্ন হলে ভাঙবে না।
মাসয়ালা : চোখের ভিতরাংশে যদি কোন
ছোট ফোঁড়া বা দানা হয়
এবং তা গলে পানি ভিতরাংশেই
গড়িয়ে পড়ে তাতে উযু ভাঙ্গবে না।
আর
যদি পানি গড়িয়ে বাহিরাংশে এসে পড়ে
তাহলে উযু ভেঙ্গে যাবে।
মাসয়ালা : কানের ভিতরাংশে ফোঁড়া,
ফুসুরী গলে যদি পানি বা পুঁজ
গড়িয়ে পড়ে, কিন্তু বহিরাংশের এমন
স্থানে পৌছেনি যেটা গোসলের
মাঝে ধৌত করা ফরয তাহলে উজু
ভাঙবে না। উল্লেখ্য, কানের ছিদ্রের
ভিতরাংশে গোসলের
মাঝে পানি পৌঁছানো জরুরী নয়।
মাসয়ালা : কানের
অভ্যন্তরে যদি ব্যথা অনুভব হয়,
তাহলে এঅবস্থায় যে পানি কান
থেকে গড়িয়ে পড়বে তাতে উযু
ভেঙ্গে যাবে। অনুরূপ যখন
নাভীতে ব্যথা অনুভূত হয়
এবং পানি বের হয়, তাতেও উজু
ভেঙ্গে যাবে।
মাসয়ালা : দাঁতের গোড়া থেকে রক্ত
বের হলে এবং তার
কারণে থুথুতে লালচে ভাব প্রকাশ
পেলে উযু নষ্ট হয়ে যাবে।
মাসয়ালা : চিকিৎসার জন্য অনেক সময়
ইনজেকশন পুশ করতে হয়।
চামড়া বা মাংস পেশীতে পুশ
করলে যেহেতু রক্ত বের হয় না, তাই
উযু নষ্ট হবে না। আর রগে পুশ
করলে যেহেতু রক্ত বের হয় তাই উযু
ভঙ্গ হয়ে যাবে। তবে শরীরে রক্ত
ঢুকানো হলে উযুর ক্ষতি হবে না।
মাসয়ালা : রোগ নির্ণয় করার জন্য
এন্ডোসকপি করানো হয়। তখন
খাদ্যনালী দিয়ে পাকস্থলীতে পাইপ
প্রবেশ করানো হয়। এর দ্বারা উযু
ভেঙ্গে যায়। কারণ ঐ পাইপের
সাথে যুক্ত হয়ে নাপাক বের হয়ে থাকে।
মাসয়ালা : অপারেশনের রোগীর
পেশাবের রাস্তায় একটি পাইপযুক্ত
করা হয়। এর মাধ্যমে যে পেশাব বের
হয়, তাতে উযু ভেঙ্গে যায়। এরূপ
অবস্থায় যদি রোগীর পেশাব নিয়ন্ত্রণ
করা ও
অনুভূতি শক্তি না থাকে তাহলে সে মাজুর
বলে গণ্য হবে। তার জন্য
প্রতি ওয়াক্তে একবার উযু করাই
যথেষ্ট।
মাসয়ালা : অপারেশনের জন্য অজ্ঞান
করা হয়ে থাকে। এতে উযু ভঙ্গ
হয়ে যাবে। কখনও কখনও কোমর
থেকে নিম্নাংশ অনুভূতিহীন
করা হয়ে থাকে। এতেও উযু ভঙ্গ
হয়ে যাবে।
মাসয়ালা : পাইলস আক্রান্ত রোগীর
যদি পায়খানার
রাস্তা দিয়ে অভ্যন্তরীণ কোন
গোস্তের টুকরা বের হয়ে আবার
নিজে নিজেই ভিতরে চলে যায়,
তাহলে উযু নষ্ট হবে না। কিন্তু
যদি সেটা হাত দিয়ে ভেতরে প্রবেশ
করানো হয়, তাহলে উযু নষ্ট হবে।
অনুরূপ যখন গোস্তের সাথে কোন
নাপাক বের হবে তখনও উযু নষ্ট হবে।
মাসয়ালা : পাইলস্ আক্রান্ত
ব্যক্তি যদি রুকু-সেজদায়
গেলে পায়খানা বেরিয়ে আসে কিন্তু
দাঁড়ালে এ অবস্থার সৃষ্টি হয় না,
তাহলে সে দাঁড়ানো অবস্থায় ইশরায় রুকু
সেজদা করে নামায পড়বে।
অথবা পায়খানার রাস্তা কাপড়ের
মাধ্যমে বন্ধ করে রুকু
সিজদা স্বাভাবিকভাবে আদায় করবে।
মানসিক রোগীর উযু
পবিত্রতা অর্জনের জন্য মানসিক
সুস্থতা একটি পূর্বশত। তাই মানসিক
রোগী তথা পাগল, বেহুশ,
মৃগীরোগী ইত্যাদি রোগীরা রোগাক্রান্ত
অবস্থায় উযু করলে তা শুদ্ধ
হবে না এবং সুস্থ অবস্থায় যে উযু
করে ছিলো সেটাও মানসিক
রোগাক্রান্ত হওয়ার কারণে ভঙ্গ
হয়ে যাবে।
মদসহ যে কোন ধরনের মাদকদ্রব্য
সেবনের কারণে যদি এতটুকু নেশাগ্রস্ত
হয় যে, স্বাভাবিকভাবে হাটতে পারে না,
হেলে-দুলে চলে তাহলে উযু নষ্ট
হয়ে যাবে।
বমি সংক্রান্ত মাসায়েল
যে সকল কারণে উযু নষ্ট হয়
তন্মধ্যে বমি একটি উল্লেখযোগ্য
কারণ। সাধারণত বমি কোন রোগের
কারণেই হয়ে থাকে। বমির দ্বারা উযু
ভাঙ্গার জন্য শর্ত হলো সেটা মুখ
ভরে হতে হবে। উল্লেখ্য যে, যখন
কারো বমি শুরু হয়, তখন তার
পক্ষে সেটা মুখে জমা রেখে মুখ
ভর্তি হলো কি না সেটা অনুমান
করা সম্ভব নয়। তাই ফুকাহায়ে কেরাম
মুখ ভর্তির পরিমাণ এভাবে নির্ধারণ
করেছেন যে, যখন বমির উদ্রেক এত
বেশি হয় যে, বমি মুখে চেপে রাখা যায়
না তখন সেই বমিকেই মুখ
ভরা বমি বলে গণ্য করা হবে এবং এরুপ
বমির দ্বারাই উযু ভেঙ্গে যাবে।
মাসয়ালা : যদি অল্প অল্প
করে কয়েকবার বমি হয় এবং সেটা একই
বমি উদ্রেকভাবের মাঝেই হয়,
তাহলে দেখতে হবে যে, কয়েক বারের
বমির সমষ্টি যদি মুখভরা পরিমাণ হয়,
তাহলে উযু নষ্ট হয়ে যাবে।
মাসয়ালা : রক্ত বমি করলে এবং রক্ত
তরল হলে সামান্য বমিতেও উযু ভঙ্গ
হবে। আর জমাট রক্ত
বমি করলে যতক্ষণ
তা মুখভর্তি পরিমাণ না হবে ততক্ষণ
উযু নষ্ট হবে না।
মাসয়ালা : বমিতে যদি কোন পাক
জিনিস বের হয়, যেমন, পাথর, কীট
ইত্যাদি। এবং সেটা মুখভরা পরিমাণ
না হয়, তাহলে উযু ভঙ্গ হবে না।
মাসয়ালা : যে বমিতে উযু ভঙ্গ হয় সেই
বমিতে যা কিছু বের হবে তা নাপাক।
কোন কাপড় বা পাত্রে লাগলে তা ধৌত
করা জরুরী। উত্তম হলো এরূপ বমির
পর কোন পাত্রে সরাসরি মুখ
না দিয়ে হাতের
মাধ্যমে পানি উঠিয়ে কুলি করা। আর
যে বমিতে উযু ভাঙ্গে না তাতে যা বের
হয় তা পবিত্র। কাপড়ে লাগলেও
অসুবিধা নেই। উল্লেখ্য দুধের শিশুর
ক্ষেত্রে উল্লেখিত বিধানসমূহ
প্রযোজ্য হবে। অর্থৎ মুখ
ভরে হলে তার বমি নাপাক হিসেবে গণ্য
হবে।
অসুস্থ্য ব্যক্তির গোসল
ফিকহের পরিভাষায়
হুকমী নাপাককে দুইভাগে বিভক্ত
করা হয়েছে।
১. হদসে আছগার,
এটা থেকে পবিত্রতার নিয়ম হলো উযু
করা।
২. হদসে আকবর,
এটা থেকে পবিত্রতার নিয়ম হলো,
গোসল করা। অর্থাৎ দেহের সম্পূর্ণ
বাহ্যিক অংশকে পানি দ্বারা ধৌত
করা। গোসল ওয়াজিব হওয়ার জন্য
চারটি কারণ রয়েছে।
১. উত্তেজনার সাথে বীর্যপাত হওয়া।
২. সহবাস করা।
৩. হায়েয হওয়া।
৪. নেফাস হওয়া।
উক্ত কারণ থেকে যে কোন
একটি পাওয়া গেলে গোসল ফরয
হবে সুস্থ অসুস্থ নির্বিভেদে সকলের
ক্ষেত্রেই। অতঃপর অসুস্থতার
কারণে গোসল
করতে না পারলে শরীয়তে শর্তসাপেক্ষে
তার জন্য ছাড় রয়েছে।
ফিকহে ইসলামীতে জরুরতের সংজ্ঞা ও
শর্তাবলী
সুস্থতা প্রতিটি মানুষেরই কাম্য।
কিন্তু অনিচ্ছা সত্ত্বেও মানুষ
রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ে।
ইসলামী বিধানের মাঝে সাধারণ
অবস্থায় প্রযোজ্য বিধানের সংখ্যাই
বেশি। তবে অবস্থার ব্যতিক্রম
বা জটিলতার কারণে সাধারণ হুকুমের
মাঝে ছাড় ও পরিবর্তন ঘটতে পারে।
ফিকহের পরিভাষায় এই ব্যতিক্রম
বা জটিলতাকে জরুরত বলা হয়ে থাকে।
রোগ ও চিকিৎসা বিষয়ে এই জরুরতের
সম্মুখীন হতে হয়। উল্লেখ্য যে, সব
ধরনের জটিলতার কারণেই সাধারণ
বিধানের ব্যতিক্রম করা যাবে না।
বরং জটিলতাটি শরীয়তের
মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হতে হবে।
জরুরতের সংজ্ঞা
যে পরিস্থিতিতে একজন মানুষ
নিশ্চিতভাবে কিংবা প্রবল
ধারণামতে নিজের
প্রাণহানি বা অঙ্গহানির
আশংকা করে সেই
পরিস্থিতিকে ইসলামী ফিকহের
পরিভাষায় জরুরত নামে আখ্যায়িত
করা হয়।
জরুরতের শর্তাবলী
১.
জটিলতাটি ভবিষ্যতে হতে পারে এমন
কোন বিষয় না হওয়া বরং নিজ
অভিজ্ঞতা বা অভিজ্ঞ
কারো বক্তব্য
মতে বর্তমানে আক্রান্ত কোন
সমস্যা হতে হবে। যে সমস্যার
কারণে জান-মালের ক্ষতির নিশ্চিত
ধারণা হয়।
২. আক্রান্ত জটিলতা থেকে মুক্ত
হওয়ার বৈধ কোন পদ্ধতি না থাকা।
শুধুমাত্র হারাম বা শরীয়ত গর্হিত
পদ্ধতিই একমাত্র উপায় হয়।
৩. সমস্যা চূড়ান্ত জটিল রূপ ধারণ
করা। যার ফলে আক্রান্ত
ব্যক্তি নিরূপায় হয়ে হারাম বা গর্হিত
পন্থা গ্রহণে বাধ্য হয়।
৪. আক্রান্ত ব্যক্তি জটিলতামুক্ত
হওয়ার জন্য
শরীয়তে স্বতঃসিদ্ধভাবে নিষিদ্ধ কোন
কাজ করতে পারবেনা। যেমন কুফরী,
হত্যা যিনা ইত্যাদি। সুতরাং চিকিৎসার
জন্য কুফুরী শব্দ বলে ঝাড়-ফুক
বা তা সম্বলিত তাবিজ ব্যবহার
করা যাবে না। উল্লেখ্য যে,
শরীয়তে বিশেষ
পরিস্থিতিতে কুফুরী কথা শুধু
মুখে উচ্চারণের অনুমতি রয়েছে বিশ্বাস
দৃঢ় রেখে। কিন্তু উক্ত পরিস্থিতিতেও
জরুরতের মাঝে পার্থক্য রয়েছে। তাই
চিকিৎসার জরুরতের জন্য
কুফুরী কথা বলা যাবে না।
৫. জরুরতের কারণে গৃহিত হারাম
বস্তুটি ন্যূনতম পরিমাণ ব্যবহার
করতে হবে অর্থাৎ যতটুকু গ্রহণ
করলে জটিলতা মুক্ত হওয়া যায়, তার
চেয়ে বেশি গ্রহণ করবে না।
৬. যে সকল জরুরতের চূড়ান্ত
অবস্থা নিজে নির্ণয় করা যায়
না সেক্ষেত্রে উক্ত শাস্ত্রের
অভিজ্ঞ কারো সত্যায়ন থাকতে হবে।
উপরোল্লিখিত শর্ত মুতাবিক যখন
কোন ব্যক্তি কোন জরুরতের সম্মুখীন
হবে তখন সাধারণ বিধানের ব্যতিক্রম
হারাম জিনিস গ্রহণের অনুমতি থাকবে।
জরুরতের কোন নির্দিষ্ট সময়
সীমা নেই। বরং সমস্যার
জটিলতা যতক্ষণ থাকবে ততক্ষণই
জরুরত হিসেবে পরিগণিত হবে।
উপরের আলোচনা থেকে বুঝা যায়
কারো উপর গোসল ফরজ হওয়ার পর
যদি স্বাস্থ্যগত কোন সমস্যার
কারণে গোসল
না করতে পারে তাহলে তার জন্য
বিকল্প ব্যবস্থা রয়েছে। এরূপ
অবস্থায় উক্ত ব্যক্তি তায়াম্মুম
করে নিবে।
মাসয়ালা : রোগীর পূর্ব
অভিজ্ঞতা বা বিজ্ঞ দীনদার
ডাক্তারের নির্দেশনায় যদি জানা যায়
যে, পানি ব্যবহারে রোগ
বৃদ্ধি পাবে বা আরোগ্য লাভে বিলম্ব
হবে, তাহলে তার জন্য তায়াম্মুম করার
সুযোগ রয়েছে।
মাসয়ালা : যার দেহের বিভিন্ন
স্থানে ঘা বা ক্ষতস্থান রয়েছে, তার
ফরজ গোসলের বিধান হলো,
যদি পানি ব্যবহার ক্ষতিকর হয়
এবং ক্ষতস্থানের পরিমাণ পুরো দেহের
অর্ধেকের কম হয়, তাহলে সুস্থ অঙ্গ
ধৌত করে সম্ভব হলে ক্ষতস্থানের
উপর মাসেহ করবে বা তার পট্টির
উপরে মাসেহ করবে। আর যদি অর্ধেক
বা তার চেয়ে বেশি অংশ ক্ষতস্থান হয়,
তাহলে সে শুধু তায়াম্মুম করে নিবে।
লেখক : শিক্ষক যাত্রাবাড়ী মাদরাসা

Post by Dawtul Haq.
Blog eiditor_Syed Rubel.
ইহুদী, খৃষ্টান, হিন্দু ,বৌদ্ধ, নাস্তিক ও দেশের নারীবাদীদের ইসলামের বিরুদ্ধে করা সকল অপপ্রচারের দাঁত ভাঙ্গাঁ জবাব দেখুন এই পোস্ট টি থেকে

শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

ব্যক্তির পবিত্রতা প্রসঙ্গে (প্রথম কিস্তি)

মাওলানা সাদিকুল আমীন
পবিত্রতা ঈমানের অঙ্গ।
প্রতিটি মুসলমানের
পবিত্রতা সম্পর্কীয় হুকুম-আহকাম
জানা থাকা আবশ্যক।
অসুস্থতা প্রতিটি জীবনের অবিচ্ছেদ্য
অংশ। তাই এ অবস্থার সাথে জড়িত
পবিত্রতা বিষয়ক হুকুমসমূহ
জানা প্রয়োজন। কারণ রোগের
কারণে পবিত্রতার সাধারণ আহকামের
ব্যতিক্রম হয়ে থাকে। ক্ষেত্র
বিশেষে শরীয়ত বিভিন্ন ছাড়ও দেয়।
ইসলামী ফিকহের পরিভাষায় নাপাকী দুই
ধরনের। (১) স্থুল নাপাকী,
যাকে পভিাষায় হাকীকী নাপাক বলা হয়।
(২) অস্পৃশ্য নাপাকী,
যাকে হুকমী নাপাক বলে। প্রথম প্রকার
যেমন: পেশাব, পায়খানা, মদ, রক্ত
ইত্যাদি। এ ধরনের নাপাক
ধুয়ে বা মুছে শরীর বা কাপড় থেকে দূর
করতে পারলেই তা পবিত্র হয়ে যায়।
হ্যাঁ বিশেষ কিছু নাপাকের
ক্ষেত্রে তিনবার ধোয়া আবশ্যক।
দ্বিতীয় প্রকারের নাপাক যা ধরা-
ছোয়া যায় না। যেমন: উযু- গোসলবিহীন
অবস্থা। এ ধরনের নাপাক দূর করার
জন্য শরীয়তে উযু-গোসল ও
তায়াম্মুমের বিধান রাখা হয়েছে। রোগীর
জন্য উভয় প্রকার বিধানাবলীর
মাঝে কিছু ব্যতিক্রম ও ছাড় রয়েছে।
অসুস্থ ব্যক্তির উযু
একজন ব্যক্তি উজুর
মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জন করার পর
যতক্ষণ পর্যন্ত উজু ভঙ্গকারী কোন
কারণ না পাওয়া যাবে ততক্ষণই তার
উজু কার্যকর থাকবে। সাধারণ এই
নিয়মের বাইরে কিছুৃ কিছু ক্ষেত্রে উজু
ভঙ্গকারী কারণ ঘটা সত্ত্বেও
একটি নিদৃষ্ট সময় পর্যন্ত উজু ভঙ্গ
হয় না। যেমন মা’জুর ব্যক্তি। মাজুর
বলা হয় এমন ব্যক্তিকে যে উযু
ভাঙ্গার কারণসমূহ থেকে কোন
একটি কারণ
দ্বারা এমনভাবে রোগাক্রান্ত হয় যে,
কোন নামাযের পূর্ণ ওয়াক্তের
মাঝে এতটুকু সময়ের জন্যও সে উক্ত
কারণ থেকে সুস্থ হয় না যার
মাঝে সে উজু করে ফরজ নামাযটুকু
আদায় করতে পারে। এভাবে নামাযের
একটি পূর্ণ ওয়াক্ত অতিবাহিত হলে এই
ব্যক্তির জন্য উজু ভঙ্গ হওয়ার
ব্যাপারে ছাড় রয়েছে।
এইরূপ ব্যক্তির প্রতি ওয়াক্তের জন্য
একবার উযু করলেই চলবে যতক্ষণ ঐ
নামাযের ওয়াক্ত থাকবে ততক্ষণ তার
উযুর কার্যকারিতা বাকি থাকবে।
একটি নামাযের কিছু সময় অতিবাহিত
হওয়ার পর যদি কেউ কোন উযু
ভঙ্গকারী কারণে আক্রান্ত হয়,
তাহলে সে ঐ ওয়াক্তের শেষ পর্যন্ত
সুস্থ হওয়ার অপেক্ষায়
নামাযকে বিলম্বিত করবে। শেষ সময়েও
যখন উক্ত কারণ বহাল থাকবে তখন
তা নিয়েই নামায পড়ে নিবে। অতঃপর
লক্ষ্য রাখতে হবে যদি উক্ত
কারণটি তার পরের নামাযের সম্পূর্ণ
ওয়াক্ত ব্যাপী হয়, তাহলে সে সুনিশ্চিত
মাজুর বলে গণ্য হবে এবং পূর্বে শেষ
সময়ে যে নামাযটি পড়েছে তা শুদ্ধ
হয়ে যাবে। আর যদি উক্ত
কারণটি পরের ওয়াক্তের সম্পূর্ণ
সময়ব্যাপী না হয় বরং এতটুকু সময়
পবিত্র থাকে যেটুকুতে উযু করে নামায
পড়তে পারে, তাহলে তার আগের
ওয়াক্তের নামাযটি শুদ্ধ গণ্য হবে না,
বরং কাযা করতে হবে।
সাধারণভাবে রোগাক্রান্ত হওয়া ছাড়াও
কারো যদি আঘাতের কারণে এমন ক্ষত
সৃষ্টি হয় যে, তা থেকে অনবরত রক্ত
ঝরতে থাকে তাহলে সেও উল্লেখিত
শর্ত মুতাবেক মাজুর হিসেবে গণ্য হবে।
মাসয়ালা : সাধারণত উযু শুদ্ধ হওয়ার
জন্য নিয়ত করা জরুরী নয়। কিন্তু
মাজুর ব্যক্তির উযু শুদ্ধ হওয়ার জন্য
নামায বৈধ হওয়ার নিয়ত করা জরুরী।
মাসয়ালা : মাজুর ব্যক্তির উচিত
সাধ্যানুযায়ী উক্ত রোগ দূর করার
জন্য চিকিৎসা গ্রহণ করা। সামর্থ্য
সত্ত্বেও অবহেলা করলে সে গুনাহগার
হবে। অবশ্য তার উযু বহাল থাকবে।
মাসয়ালা : মাজুর
ব্যক্তি যে রোগে আক্রান্ত
সেটা ছাড়া যদি অন্য কোন উযু ভঙ্গের
কারণ প্রকাশ পায় তাহলে তার উযু
ভেঙ্গে যাবে। যেমন, সর্বদা পেশাব বের
হওয়ার রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির
যদি বায়ু বের হয় তাহলে তার উযু
ভেঙ্গে যাবে।
মাসয়ালা : মাজুর ব্যক্তি এক ওয়াক্ত
নামাযের জন্য যে উযু
করবে তা দ্বারা ঐ ওয়াক্তের ফরজ,
নফল, কাযাসহ সবধরনের ইবাদতই
আদায় করতে পারবে। তবে যখনই সেই
ওয়াক্ত শেষ হয়ে যাবে তখনই সেই উযুর
কার্যকারিতাও শেষ হয়ে যাবে।
মাসয়ালা : মাজুর ব্যক্তির
কাপড়ে যদি নাপাক লাগে আর তার
প্রবল ধারণা হয় যে,
কাপড়টা ধুয়ে বা পরিবর্তন করে নামায
আদায়ের পূর্বেই তা আবার নাপাক
হয়ে যাবে, তাহলে সে ঐ নাপাক কাপড়
নিয়েই নামায পড়বে। অন্যথায় সেই
কাপড় ধুয়ে বা পরিবর্তন করে নামায
পড়া জরুরী।
ব্যান্ডেজের উপর উযু
উযুতে যে সকল অঙ্গ ধৌত করা ফরজ
তার কোনটি যদি আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ায়
ব্যান্ডেজ বা প্লাষ্টার
বাঁধা থাকে তাহলে সে ক্ষেত্রে উযু
করার পদ্ধতি নিম্নরূপ :
১. ব্যাণ্ডেজ বা প্লাষ্টার খোলার
দ্বারা যদি ক্ষতির
সম্ভাবনা থাকে তাহলে তার উপর দিয়েই
ভেজা হাত দিয়ে মাসেহ করবে। এ
অবস্থায় যদি ব্যাণ্ডেজের ভেতরের
কিছু অংশ সুস্থও থাকে, তাতে কোন
অসুবিধা নেই। আর মাসেহ করলেও
যদি ক্ষতির আশংকা হয়,
তাহলে মাসেহও করতে হবে না।
অন্যান্য অঙ্গ ধৌত করে নামায
পড়ে নিবে।
২.ব্যাণ্ডেজ খোলাতে কোন
সমস্যা না থাকলেও যদি পুনরায়
ব্যান্ডেজ বাঁধার
ব্যাবস্থা না থাকে তাহলেও ব্যান্ডেজ
খুলতে হবে না। ব্যান্ডেজের উপর
মাসেহ করা যথেষ্ট।
৩. ব্যাণ্ডেজ খুললে যদি কোন
ক্ষতি না হয় এবং পুনরায় বাঁধার
ব্যবস্থাও থাকে,
তাহলে তা খুলে ক্ষতি না হলে
ক্ষতস্থানসহ সম্পূর্ণ অঙ্গ ধৌত
করবে। অন্যথায় আশ পাশের সুস্থ
স্থানটুকু ধৌত করে সম্ভব
হলে ক্ষতস্থানের উপর মাসেহ করবে।
তা সম্ভব না হলে পুনরায় ব্যান্ডেজ
বেঁধে তার উপর মাসেহ করে নিবে।
মাসয়ালা : ব্যান্ডেজের উপর
ব্যান্ডেজ বাঁধা হলে তার উপর মাসেহ
জায়েয।
মাসয়ালা : ব্যাণ্ডেজের উপর মাসেহ
জায়েয হওয়ার জন্য পবিত্র অবস্থায়
ব্যান্ডেজ বাঁধা শর্ত নয়
এবং ব্যান্ডেজের উপর মাসেহ
কার্যকর থাকার জন্য কোন নির্দিষ্ট
সময়সীমা নেই।
মাসয়ালা : কোন কারণবশত ব্যান্ডেজ
খুলে গেলে মাসেহ নষ্ট হয় না। অনুরূপ
এক ব্যাণ্ডেজ পরিবর্তন
করে আরেকটি বাঁধলেও পূর্বের মাসেহ
কার্যকর থাকবে। শুধুমাত্র যখন
সুস্থ্যতার পর ব্যান্ডেজ
খোলা হবে কেবল তখনই মাসেহের
কার্যকারিতা শেষ হয়।
মাসয়ালা : সম্পূর্ণ ব্যাণ্ডেজের উপর
মাসেহ করা উত্তম। তবে ব্যান্ডেজের
বেশির ভাগ অংশের উপর মাসেহ
করা যথেষ্ঠ। উল্লেখ্য যে, মাসেহ
যে কোন অঙ্গই করা হোক তিনবার
করতে হবে না। একবারই যথেষ্ঠ।
উযুতে কৃত্রিম অঙ্গের হুকুম
উযুর অঙ্গগুলোর মাঝে কোথাও
যদি কৃত্রিম অঙ্গ সংযোজন করা হয়্
আর সেটাকে সাধারণভাবে মূল অঙ্গ
থেকে পৃথক করা যায় না তাহলে উযুর
মাঝে তা ধৌত করতে হবে। আর
যদি কৃত্রিম
অঙ্গটি স্বাভাবিকভাবে খুলে পুনরায়
প্রতিস্থাপন করা যায়, তাহলে কৃত্রিম
অঙ্গ খুলে মূল অঙ্গ ধৌত করা জরুরী।
মাসয়ালা : যে ব্যক্তির কনুইসহ
উভয়হাত কাটা থাকে বা টাখনুসহ উভয়
পা কাটা থাকে এবং সেখানে কৃত্রিম হাত
পা লাগানো হয়, তাহলে সেগুলো উযুর
মাঝে ধৌত করা ফরজ নয়। বরং উযুর
বাকি অঙ্গ ধৌত করাই যথেষ্ট।
মাসয়ালা : প্লাষ্টিক সার্জারির পর
প্রতিস্থাপিত তক আসল তক
হিসেবে গণ্য হবে। সেটাকে উযু-
গোসলে ধৌত করা ফরজ।
মাসয়ালা : কৃত্রিম দাঁত
যদি স্বাভাবিকভাবে খুলে নিজে নিজেই
লাগানো যায়, তাহলে উযুর
মাঝে তা খুলে কুলি করা সুন্নত
এবং গোসলের মাঝে ফরজ। আর
যে কৃত্রিম দাঁত খোলা সম্ভব নয়,
বা দাতের ছিদ্রে প্লাষ্টার
করা হয়েছে সে ক্ষেত্রে তা সহই উযু-
গোসল করা যায়েয।
মাসয়ালা : যার হাত বা পায়ের আংশিক
কাটা থাকে এবং কনুইসহ হাতের কিছু
অংশ বা টাখনুসহ পায়ের কিছু অংশ
বাকি থাকে তাহলে অবশিষ্ট অংশটুকু
ধৌত করা জরুরী। অনুরূপভাবে যদি দুই
হাত বা পায়ের শুধু
একটা কাটা থাকে তাহলে অবশিষ্ট হাত
বা পা ধৌত করা ফরজ।
অসুস্থ ব্যক্তির উযু ভাঙ্গার আহকাম
উযু ভাঙ্গার বিভিন্ন কারণ আছে,
তন্মধ্যে একটি হলো শরীরের কোন
স্থান হতে রক্ত-পুঁজ বের হয়ে দেহের
এমন অংশে গড়িয়ে পড়া যা উযু
বা গোসলে ধৌত করা ফরজ। এই বিধান
অসুস্থ ব্যক্তির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
যারা চর্মরোগে আক্রান্ত,
শরীরে ঘা বা ফুসুরী হয়েছে। সেখান
থেকে রক্ত-পুঁজ
বা পাতলা পানি বেরিয়ে যদি গড়িয়ে পড়ে
তাহলে উযু ভেঙ্গে যাবে।
মাসয়ালা : চোখ থেকে আঘাতের
কারণে বা ব্যথা অনুভব করার পর
যদি পানি বের হয়, তাহলে উযু
ভেঙ্গে যাবে। মাসয়ালা : ঘায়ের স্থান
যদি বড় বা গভীর হয়, যেখানে রক্ত,
পুঁজ জমে থাকে, তাতে উযু নষ্ট হবে না।
হ্যাঁ, যখন উক্ত স্থান
থেকে গড়িয়ে বাইরে বের হয়ে যাবে তখন
উযু ভাঙ্গবে।
মাসয়ালা : যখন কোন ক্ষতস্থান
থেকে সামান্য রক্ত, পুজ বের হয়,
সেটা মুছে ফেলার পর আবার বের হয়,
এভাবে কয়েকবার মুছে ফেলার পর
যদি অনুমান করে দেখা যায় যে, উক্ত
রক্ত বা পুঁজ যদি মুছে না ফেলা হত
তাহলে তার সমষ্টি একত্রিত
হয়ে গড়িয়ে পড়ত। তাহলে উযু
ভেঙ্গে যাবে। অন্যথায় নয়।
মাসয়ালা : যখন ফোঁড়া বা ক্ষত
থেকে রক্ত বা পুঁজ বের
হতে থাকে কিন্তু তার উপর ব্যান্ডেজ
থাকার কারণে বাহিরে প্রকাশ পায় না,
তবে অনুমানে বুঝা যায় যে,
সেটা গড়িয়ে পড়ার পরিমাণ হবে,
তাহলে উযু ভেঙ্গে যাবে।

Post by Dawtul Haq.

Blog eidtor_Syed Rubel.
ইহুদী, খৃষ্টান, হিন্দু ,বৌদ্ধ, নাস্তিক ও দেশের নারীবাদীদের ইসলামের বিরুদ্ধে করা সকল অপপ্রচারের দাঁত ভাঙ্গাঁ জবাব দেখুন এই পোস্ট টি থেকে

শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More