বর্তমানের পেক্ষাপট নিয়ে সৈয়দ রুবেল উদ্দীনের এর কিছু লিখিত পোষ্ট । লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বর্তমানের পেক্ষাপট নিয়ে সৈয়দ রুবেল উদ্দীনের এর কিছু লিখিত পোষ্ট । লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বাংলা ছবি নায়িকাদের নষ্টামী


বাংলা হট ছবি গ্যাং স্টার ছবির গানের দৃশ্য এটি। শুধু একটি গানের দৃশ্যই আপনাদের সামনে শেয়ার করতেছি। অশ্লীলতার অভিযোগে এই ছবি গুলো বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এখন আবার নতুন করে অনলাইনের মাধ্যমে সবার কাছে ছড়িয়ে যাচ্ছে।  নায়িকাদের অসভ্যতামীর তো একটা সীমা থাকার দরকার? যেসব ছবির
ভিতরে নায়িকার পাছা টিপা ও দুধ টিপার দৃশ্য থাকে সেসব ছবি দেশে ও সমাজের কিভাবে কাজে আসতে পারে? অথচ একদল সমাজ পতিতারা বলে বেড়ায় এসব নাকী সমাজ বিনির্মানে সাহায্য করে।  :-D
ছবিঃ নায়িকার পাছা টিপার দৃশ্য

নায়িকা নিজেই তার দুধ টিপতেছেন।
ছবিঃ নায়িকা নিজেই দুই হাত দিয়ে তার দুধ টিপছেন। এরকম দৃশ্য দেখলে কোন পুরুষের না যৌন উত্তেজনা জাগবে? 
http://www.amarbanglapost.com/?s=%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BF
ছবিঃ নায়িকা তার পাম্প নেওয়ার স্থান দেখাচ্ছেন।

সোনার ছবি
এটা ক্যাপশন একই

দুধ টিপা
ছবিঃ দুধ টিপায় কত মজা সেটা ছবির দর্শকদের বুঝাচ্ছেন।


এটার ক্যাপশন বাকী থাক। ওনি শিশুদের খাবার ঢাকছেন।

নায়িকা তার দুধ গুলো উচু করে নায়ক ও দর্শকদের দেখাচ্ছেন
ছবিঃ নায়িকা তার দুধ গুলো উচু করে নায়ক ও দর্শকদের দেখাচ্ছেন

নায়ক নায়িকার দুধ খাচ্ছেন।
ছবিঃ নায়ক নায়িকার কাছ থেকে বাচ্ছাদের খাবার খাচ্ছেন।

দেখছেন নায়ক কিভাবে নায়িকার দুধ খাচ্ছে?
ছবিঃ নায়িকার দুধে চুম্বনের দৃশ্য

সোনার ছবি
ছবিঃ এখানেও নায়িকার পাম্পের স্থান দর্শকদের দেখাচ্ছেন।
এখন আপনারাই বলেন, এসব ভিডিও দেখার পরেও কেন পুলাপান ভালো থাকবো? মাঘের শীতে যৌবনের গরম হাওয়া কি শুধু তাদের গায়েই লাগে? পুলাপাইনদের বুঝি লাগে না? 
আগের প্রতিবেদন গুলো দেখুন.....
০১ মডেলিং ও যাত্রা গানে ব্যাপক অশ্লীলতা 
০২. বর্তমানের মেয়েরা কাপড় কি দেহ ঢাকার জন্য নাকি দেখা বার জন্য?  
০৩. পরিচালরা ব্যবসা করে নায়িকাদের নগ্ন ছবি দেখিয়ে 
Read More

তত্বধায়ক সরকার যদি অসাংবিধানিক সরকার হয়ে থাকে তাহলে অসাংবিধানিক সরকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য প্রধান মন্ত্রী আপনার বিচার হওয়া উচিৎ?

রাজনীতিবিদ দের কাছে আমার প্রশ্নঃ  রাজনীতি সহিংসতায় যারা প্রাণ হারালো তাদের দ্বায় কে নিবে?

আমাদের সোনার বাংলাদেশ এমন পর্যায়ে দাঁড়িয়ে যে আপনি এখানে আপনি যদি নিজের স্বাভাবিক
মৃত্যু কামনা করেন তা হলে আপনি স্বপ্ন ঘোরে আছেন।
আপনি ঘর থেকে বের হয়ে আবার ঘরে ফিরে যেতে পারবেন কি না ৯৯% অনিশ্চিত। আর যদি
ফিরে যেতে পারেন তা হলে সে টা আপনার জন্য বর্তমান পরিস্থিতে আপনার জন্য সুভাগ্য।
আর না ফিরে যেতে পারলে ঐ ৯৯% আপনার জন্য দুর্ভাগ্য।

এর জন্য দ্বায় কে? নিশ্চয় বর্তমান অবৈধ ও অযোগ্য সরকার। এই সরকারের কোনো যোগ্যতায় নেই
বর্তমানে ক্ষমতায় থাকার। এই সরকারের কারণেই বাংলাদেশের মানুষের কপাল পুড়তেছে।
বর্তমান পরিস্থিতি এই অবস্থা চলতে থাকলে সাধারন এবং নিম্নবিক্ত যারা আছেন তারা পথের ফকির
হয়ে যাবে।
দিন মজুরের ঘরে ভাত নেই, বাইরে কাজ নেই, ঘর থেকে বের হলে নিজের প্রাণ নিয়ে ফিরতে পারবে
কিনা কোনো নিশ্চয়তা নেই।
ক্ষুদ ও মাঝারী ব্যবসায়ীদের ব্যবসায় ধ্বস, যারা দিনের আয় দিয়ে দিনে এনে খায় তাদের অবস্থা
কত শোচনীয় খোঁজ নিয়ে দেখলেই আপনারা বুঝতে পারবেন। তারা তাদের ব্যবসা দিয়ে আয় করবে
কি বরং ব্যবসার মুল ধনই চলে যাচ্ছে।

বর্তমানে বাংলাদেশের  অযোগ্য হাসিনা সরকারের কোনো এজেন্ডা ছিলনা ক্ষমতায় এসে তত্বধায়ক
সরকার পদ্ধতি বাতিল করা।
তাদের এজেন্ডা ছিল ঘরে ঘরে চাকরি দেওয়া, ১০ টাকার কেজি চাল দেওয়া।কিন্তু তারা তা দিতে
পারেনি, পারেনি দিতে মানুষের মৌলিক অধিকার।যে তত্বধায়ক সরকার আজ তারা বাতিল করেছে
সেই তত্বধায়ক সরকারের জন্য তারা ১৭৩ দিন হরতাল করেছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো বিরোধীদল
এতো হরতাল পালন করেনি। এমন কি ২০০৬ সালে নিজের পছন্দ তত্বধায়ক সরকার কে ক্ষমতায়
বসাতে দিনের পর দিন অবরোধ করেছে- লগি বৈঠা দিয়ে মানুষ মেরে তাদের উপর নিত্য করেছে।
হাস্যকর বিষয় হলো আজ তারাই মানবতার কথা বলে। মানবতা হলো হাসিনার হাতের মুয়া যা
হাসিনা চাইলেই কিনতে পারে, আবার সময়ে তা বিসর্জন দিতে পারে হিন্দুদের প্রতিমার মতো।
পূজা করার জন্য নিজের হাতে মূর্তি বানিয়ে পূজা দিলাম, পূজা দেওয়া শেষ হলে নিজের হাতে তা ছুড়ে ফেলে দিলাম।

এখন আসি বর্তমান পেক্ষাপটেঃ
তত্বধায়ক সরকার পূর্ণ বহালের দাবীতে ১৪ দল ব্যতীত বাকী সব দলই আন্দোলন করতেছে অনেক দিন
যাবত। এর মাঝে হাসিনার সরকারের ক্ষমতার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে গত এক মাসের আগেই।
তারপর নিজের দল দিয়েই সরকার ঘঠন করে নাম দিয়েছে সর্বদলীয় সরকার।বড় মজার বিষয় হল
যে সরকারের আওয়ামীলীগ ব্যতীত অন্য কোনো দল নেই সেটা সর্বদলীয় সরকার হলো কি করে?
তার পর হাসিনা সরকার কথায় কথায় গণতন্ত্রনের কথা বলে। অথচ গণতন্ত্রনের নামে চলতেছে
হাসিনা তন্ত্র।
হাসিনা সরকারের কেউ আন্দোলন করলে তারা পায় পুলিশের প্রটাকশন।হাসিনা সরকার ব্যতীত অন্য
কেউ আন্দোলন করলে পায় পুলিশের গুলি।
গত কয়েক দিন আগে আমরা দেখেছি হাসিনার পুলিশ বাহিনী আমাদের পোষাক শ্রমিক ভাই বোনদের
উপর কিভাবে বর্বর হামলা চালিয়ে ছিল।তাদের নিম্নতম বেতন ৫৩০০ টাকা বাস্তবায়ন করতে রাস্তায়
নেমে আসে। কিন্তু আমাদের পুলিশ তাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে।

যৌন নির্যাতনের পদ্ধতিতে এক মহিলা গার্মেন্টস শ্রমিক কে পেটাচ্ছে পুলিশ-ছবি [ফেইসবুক] 
 
আমরা দেখেছি ৫ই মে হেফাজত ইসলামের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে কি ভাবে গুলি চালিয়ে ছিল।
এ যেন যুদ্ধরত অবস্থায় বাংলাদেশ।
অথচ এরাই শাহবাগীদের কে মাসের পর মাস প্রটাকশন দিয়েছে।

নির্বাচনের তফসীল ঘোষণার পর  ১৮ দল দেশ ব্যাপী ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ ঘোষণা করে।
এর মাঝে গত দুই দিনে রাজনীতিক সহিংসতায় মারা গেছে ১৭ জন।
এর আগেও সপ্তাহ ব্যাপী হরতালে মারা গেছে ১৮ জন বা তার চেয়ে বেশি।
এই পরিস্থিতি আরো কত দিন, মাস, বছর থাকে তার কোনো নিশ্চিয়তা নেই।
এই রকম অবস্থা চলতে থাকলে তো ঘরে ঘরে চাকরীর বদলে লাশ চলে যাবে।

এটা কেমন গণতন্ত্র যার দ্বারা সরকার যা ইচ্ছে তায় করবে, আর এর প্রতিবাদ করলে গুলি খেতে
হবে? এই সব অপকর্ম বিশ্ববাসীকে দেখাবার জন্য কি এই দেশ স্বাধীন হয়েছিল?
৭১ না হয় পাকিস্তান ভিন দেশ হওয়াতে আমাদের কে মেরে ছিল, আমাদের মা বোনদের ধর্ষণ
করেছিল, কিন্তু এখন তো দেখতেছি নিজের জাত ভাই আমাদের কে মারতেছে, নিজের জাত ভাই
আমার মা- বোনদের কে ধর্ষণ করতেছে। এ দু;খ, লজ্জা রাখবো কোথায়?           

আবার গত বুধবারে হাসিনা নির্লজ্জের বলেছে বিএনপি নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়ে নির্বাচনে আসতে
ভয় পাচ্ছে।
কিন্তু সত্য কথা হচ্ছে এই যে আওয়ামীলীগ নির্বাচনে জনগণ জুতাপেটা খাবে বলে তত্বধায়ক সরকার
বাতিল করে নিজের অধিনে পাতানো নির্বাচন করতে চায়।
বিএনপি কি করে তাদের অধিনে নির্বাচনে যেখানে শেখ হাসিনা নিজেই প্রধান মন্ত্রী-আবার তার দলের সভানেত্রী।
আবার তার সাথে ভারতের ঘোষণা যেকোনো মূল্যে হাসিনাকে ক্ষমতায় ফেরানো।
এর জন্য ভারত ব্যয় করবে শত কোটি রূপি। এই অবস্থা নির্বাচন কমিশন কি করে দাবী করে
তত্বধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপক্ষ হবে?
সয়ং নির্বাচন কমিশনই তো সরকার পক্ষ। এই অবস্থায় বিএনপি কোন যুক্তিতে তাদের সাথে হাত
মিলাবে? কি করে তাদের অধিনে নির্বাচনে যাবে? নির্বাচন কি মগের মূলক নাকি?  

বাংলাদেশের মানুষ এখন এটা পরিস্কার হয়ে গেছে যে শেখ হাসিনা দেশ প্রেমিক নয়, দেশ দ্রোহী ও
বাকশালের মা।
এবং তার সাথে সময়ের সেরা কমেডি অভিনেত্রী।

সব শেষে বলতে চায় অমানীয় প্রধান মন্ত্রী আপনার কথা যদি সত্য হয়ে থাকে, তা হলে তত্বধায়ক
সরকারের অধিনে নির্বাচন দিয়ে দিন। দেখেন বাংলার জনগণ আপনার গলায় ফুলের মালা পরায় নাকি
জুতার মালা পরায়।

অবশ্য বাংলার জনগন এতো বোকা নয় যে দ্বিতীয় বার একই ভুল করবে, সেটা আপনি ভালো
করেই অনুভূব করতেছেন।

আপনি তো নিজের ক্ষমতায় নয় ভারতের ক্ষমতার অধিনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে রেখেছেন।
তবে অমাননীয় প্রধান মন্ত্রী যাবার আগে আপনার কাছে একটি প্রশ্ন রেখে যেতে চায় যদিও আমরা
উত্তর পাবোনা।
প্রশ্ন হলো আপনার হটকারী সিদ্ধান্তের কারণে দেশের এতো গুলি মানুষ মারা গেল তাদের দ্বায়ভার
কি আপনি গ্রহন করবেন?
   
তত্বধায়ক সরকার যদি অসাংবিধানিক  সরকার হয়ে থাকে তাহলে অসাংবিধানিক সরকার প্রতিষ্ঠা করার
জন্য প্রধান মন্ত্রী আপনার বিচার হওয়া উচিৎ?
এখন আপনি কি আপনার বিচার করার জন্য ট্রাইব্যুানাল গঠন করবেন?
এই প্রশ্নটিও আপনার কাছে রইলো?

বিষয় সমূহঃ >আল কোরআন/আরবী থেকে-বাংলা-ইংরেজী সহ<+>ইসলাম< +>আদর্শ নারী Adarsha Nari <+>নারী পুরুষের যৌন সমস্যা সমাধান<+>নারীস্বাস্থ্য সমস্যা ও পরামর্শ<+>মাসিক মনোজগত<+>যৌন শিক্ষা/যৌন মিলন/জন্মনিয়ন্ত্রন<+>ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর কর্তব্য ও মধুর মিলন।<+>কামসূত্র (সংক্ষিপ্ত)<+>দাম্পত্য জীবন/বিবাহ<+>কারবালার করুণ ইতিহাস<+>ডাঃজাকির নায়েকের লেকচার।<+>কম্পিউটার/মোবাইল/ইন্টারনেট<+>সর্বাধিক পঠিত<+>সোনা মনিদের মজার মজার গল্পের ভাণ্ডার(আন লিমিটেড)<+>হাসির দুনিয়া -কৌতুক এবং জোকস(আন লিমিটেড)<+>এই পোস্ট গুলি কি আপনি পড়েছেন?<+>আমাদের রাজনিতি/মিডিয়া <



আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।

 এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?
Read More

নাস্তিকেরা গেছে পাগল হইয়া, তারা এই বিচার বানচাল করতে চায়?



আজ শাহবাগের এক নাস্তিক হেফাজত ইসলামের প্রতি বিষেদ্বগার করে বলেছে
হেফাজত নাকি ভন্ডের দল।

তারা হেফাজতের ইসলামের প্রতি কঠিন  চ্যালেজ দিয়ে বলেছে বাংলার ১৬
কোটি মানুষ নাকি তাদের পক্ষে আছে?
এই ১৬ কোটি মানুষ ফুঁ দিলে নাকি সব ভেসে যাবে?
এখন আমার প্রশ্ন হইলো হেফাজত ইসলামের কোটি কোটি সমর্থক কি
এই ১৬ কোটির বাহিরে?

পাগল কি গাছে ধরে নাকি বলদের পাছা দিয়ে বের হয়?

আসল কথা হলো এতো দিন সরকারের সাহায্য নিয়ে বস্থা ভর্তি বিরিয়ানি
বিতরণ করেও যে পরিমান মানুষ জোগাড় করতে পারিনি?
এতো প্রচারনা চালিয়েও যে পরিমান সমর্থন পায়নি?
হেফাজতে ইসলাম একাই  বাংলার কোটি কোটি মুসলিমের
সমর্থন আদায় করে নিয়েছে।
কোনো বিরিয়ানির প্যাকেট লাগে নাই?
বরং যারা হেফাজত ইসলাম কে সমর্থন দিয়েছে তারা হাজার হাজার টাকা
খরচ করে লংমার্চে যোগ দিয়েছে।
ইসলামের তৌহিদী জনতার নব জাগরন দেখে আমাদের সরকার এবং
দ্বিতীয় মুক্তি যুদ্ধের ভীতু বিড়ালেরা এতোটায় ভয় পেয়েছে যে সব রকমের
যান বাহন বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে।

বাংলার মুসলিম জাতির জন্য দূরভাগ্য যে তারা নাস্তিক বান্ধব বিড়াল মার্কা
ভীতু সরকার পেয়েছে।

দ্বিতীয় মুক্তি যুদ্ধের ভীতু বিড়ালদের এতো বাধা সত্ত্বেও যে পরিমাণ মানুষ ঢাকাতে
গিয়েছে তা গনজাগরণ মঞ্চের চেয়ে কয়েক গুন বেশি হয়েছে।
যার কারনে তাদের পিঠে এখন ভয়াবহ চুলকানি শুরু হয়ে গেছে।
এখন তাহারা বুঝতে পারিতেছে না  কি থেকে কি করবে।
 ইসলামের তৌহিদী জনতার নব জাগরন দেখে দ্বিতীয় মুক্তি যুদ্ধের ভীতু বিড়ালদের
প্রসাব পায়খানা এক রাস্তায় দিয়ে প্রেরিত হচ্ছে।

সরকার যদি লংমার্চে কে   বাধা না দিতো তা হলে বাংলার কুখ্যাত বাম/রাম/নাস্তিকেরা
বুঝিতে পারিতো ইসলামের চেতেনা কারে বলে?
অবশ্য আজ তাহারা বুঝতে পেরেছে।

আজ সরকারের পাগলা মন্ত্রীরা বলতেছে তাহারা নাকি লংমার্চে বাধা দেয় নাই?
সরকার যদি লংমার্চে বাধা না দিতো তা হলে হরতাল কারা ডেকেছে?
হরতাল যদি সরকারের সাঙ্গাপাঙ্গারা না ডেকে থাকে তা হলে আকাশ থেকে কোনো পাগলা কুত্তা এসে ডেকেছে?
পাগলা কুত্তারা যদি ডেকে থাকে তা হলে ও তারা তারি ১৪ টা করে ইঞ্জেকশন প্রয়োগ
করার দরকার?
হেফাজতে ইসলাম দেরি করতেছে কেনো?
পৃথিবীতে যদি আজব কোনো দেশ থেকে থাকে তা হলে সেটা বাংলাদেশ।
এটা এমনেয় আজব দেশ যে দেশের সরকার নিজেই জনগনের বিরুদ্ধে হরতাল
পালন করে।
এতো দিন বিরোধী দল হরতাল ডাকলে সরকার বলতো  বিরোধী দল নাকি
যুদ্ধপরাধীদের বিচার বানচাল করতে হরতাল ডেকেছে?
তারা নাকি উন্নয়নের পথে বাধা?

অথচ আজ তারা বলে না এই হরতাল নাস্তিকদের বিচার বানচাল করতে ডাকা হয়েছে?
বলবেনা।কারন তারা জানে কি কারনে এই হরতাল ডেকেছে?
তাহারা কথার মাঝেও দুনিতি করে।
        

গত কয়েক মাস আগেও নাস্তিকবাদিরা ব্লগে ও ফেসবুকে বলে বেড়াতো
ধর্ম নাকি এই দুনিয়া থেকে বিতারিত হয়ে জাদু ঘরে ঠায় নিবে?
কিন্তু তারাই আজ বাংলা দেশ থেকে বিতারিত হয়ে যাচ্ছে।
ইনশা আল্লাহ তারা ও এক দিন এই দুনিয়া থেকে বিতারিত হয়ে যাবে।

এই বাংলার মাটি ইসলামি তৌহিদী জনতার মাটি।
এই বাংলার মাটিতে ৩৬০ জন আউলিয়া ঘুমিয়ে আছে।
যে বাংলার মাটিতে ৩৬০জন আউলিয়া ঘুমিয়ে আছে?
সেই মাটিতে নাস্তিকদের স্তান হবেনা।

শাহবাগিরা যদি ইসলামের বিপক্ষে না যেয়ে থাকে তা হলে আজ কুলাঙ্গার নাস্তিকদের
বিচারের দাবি জানানো যখন হচ্ছে তখন তারা এর বিরোধি করতেছে।
নাস্তিকদের বিচার এই বাংলার মাটিতেই হবে হবে ইনশা আল্লাহ।

share on facebook
  
নাস্তিক ব্লগাদের পেইজ

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ। এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?
Read More

মডেলিং ও যাত্রা গানে ব্যাপক অশ্লীলতা। ভোগ বস্তু মেয়েদের কাহিনী


bangla sexy song

ANDROID BANGLA APPS FREE DOWNLOAD
গত কয়েক দিন আগে কিছু  মডেলিং  ও যাত্রা গান দেখে অবাক নয় হতবাক
হয়েছি।
মডেলিং গান গুলো আমাদের দেশের কিন্তু যাত্রা গান গুলো ভারতের।
যাত্রা গান গুলো যদিও ভারতের কিন্তু আমাদের দেশে ব্যাপক ভাবে প্রচার হচ্ছে।
এই সব অশ্লীল মডেলিং ও যাত্রা গান গুলি খুব সহজেই কম্পিউটারের মাধ্যমে
মোবাইলে চলে যাচ্ছে।
যার কারণে ছোট বড় সবাই সমান ভাবে দেখতেছে এই সব নোংরা ভিডিও গান গুলি।

এই সব মাগীবাজ নারী ও পুরুষদের কারনে আমাদের যুব সমাজ আজ ধংসের ধার প্রান্তের চলে গেছে।
তাদের এই সব নোংরামি আমাদের যুব সমাজ কে অস্তির করে তুলেছে।
আজ পত্রিকা খুললেই দেখা যায় ধর্ষণের নানান কাহিনী।
ধর্ষকদের হাত থেকে রেহায় পাচ্ছেনা ৫ বছরের অবুঝ নারী শিশুটিও।
এর জন্য কারা দ্বায়?

যুব সমাজ নাকি নারী সমাজ?

নিশ্চয় নগ্ন বাজ নারী সমাজ।

কারন আগে নগ্ন বাজ নারীদের দ্বারা পুরুষেরা ধর্ষণের শিকার হয়।
তার পর পুরুষেরা তাদের কে ধর্ষণ করে।

এর জন্য নগ্নবাজ নায়িকা ও মডেলিং বিশ্ব মাগীরাই দ্বায়।
যুব সমাজ ধংসের জন্য বর্তমানের নগ্নবাজ নায়িকা ও নগ্নবাজ মডেলিংরা বড় হাতিয়ার।
এর দ্বায় তাদের কে নিতে হবে। তারাই শিক্ষা দিতেছে কি ভাবে কি করতে হয়?
কি ভাবে একটি মেয়ে কে পথে ঘাটে উত্যাক্ত করতে হয়?
কি ভাবে একটির মেয়ের কাছ থেকে ভালবাসা আদায় করে নিতে হয়?

এই সব কথা আমরা যতই বলি না কেনো কোনো লাভ হবেনা।

কিন্তু বর্তমানে যা শুরু হয়েছে তা মুসলিম স্বভ সমাজে মেনে নেওয়া যায় না।
বর্তমানে যুবকদের কাছে জনপ্রিয় হচ্ছে এই সব মডেলিং গান।
খোঁজ নিয়ে দেখেন প্রমাণ পেয়ে যাবেন।

কিছু নগ্ন মেয়েদের মাধ্যমে আমাদের সমাজে ছড়তেছে  এই অশ্লীলতা।
তারা নিজেদের কে বিনোদন জগতে প্রষ্ঠিত করতে এমন ভাবে উপস্থাপন করে যে
দেখলে মনে হয় তারা মানুষ নয় পাষ্টিক।
 বলিউডের নায়ক নায়িকাদের যৌনাঙ্গতে হাত লাগাতে আমি দেখেনি কিন্তু আমাদের
দেশের কিছু নতুন আমদানি হওয়া নগ্নবাজ মডেলরা তারা একে অপরের  যৌনাঙ্গতে হাত লাগিয়ে
আলিঙ্গন করতেছে।
বিছানাতে শুয়ে স্বামী স্ত্রীর মতো আচরন করতেছে।
প্রশ্ন হচ্ছে এরা ক্যামেরার সামনে যদি এই সব অপকর্ম করতে পারে তা হলে আমাদের চোখের আড়ালে
কি করতেছে যা আমরা জানতে পারিনা?

তারা ক্যামেরার সামনে যা করে গোপনে কি এর চেয়ে বেশি অপকর্ম করতেছে না আমাদের যুব সমাজ কে নিয়ে?

যে সমাজে  ছবি ও গানের মাধ্যমে ব্যাপক ভাবে অশ্লীলতা প্রচার হচ্ছে সে সমাজের যুবকেরা ও
কোমল মতি শিশুরা কি ভাবে ভালো হবে?

এই বিষয় নিয়ে গত বছরে আমি একটি পোস্ট করে ছিলাম।
ঐ পোস্টের জবাবে এক মেয়ে বলেছিলো (তাদের কে দোষ দিয়ে লাভ কি ?দোষ তো আমাদের।কারন আমরাই এই
সব দেখি।আমরা নিজেরা দেখা বন্ধ করলে সব বন্ধ হয়ে যাবে )
জবাবে আমি বলেছিলাম যারা এই সব করে তাদের সংখ্যা বেশি না কি যারা দেখে তাদের সংখ্যা বেশি?
নিশ্চয় যারা দেখে তাদের সংখ্যা বেশি।
তা হলে আপনি বলুন যারা নোংরামি তাদের সংখ্যা কম হওয়ার পরও বন্ধ করতে না পারলে
যারা দেখে তাদের সংখ্যা বেশি হওয়ার পরও আপনি কি ভাবে বন্ধ করবেন?

আসল কথা হলো স্টার জলসা দেখে দেখে বর্তমানের মেয়েদের মাথার নাট বল্টু  ঢিলা হয়ে গেছে।
কখন কি বলে বুঝিতে পারেনা।

আমার আরেক টি প্রশ্ন হচ্ছে যারা এই সব নোংরামি করে তারা কি মানব সমাজের নাকি কুত্তার সমাজের?
আমার তো মনে হয় এদের জন্ম হয়েছে কোনো মাগীবাজ না হয় ডাস্টবিনের আবর্জনা থেকে জন্ম নিয়েছে।
যার কারনে তাদের এই অবস্থা।
এরা কুত্তার চেয়ে ও আরও নিচুর মানের।
কারন কুত্তারা যার তার সাথে মেলামেশা করতে যেমন দ্বিধা-লজ্জা বোধ যেমন করেনা?

ঠিক তেমনি ভাবে নায়িকা,মডেল  নামক জনতার ভোগের বস্থু হওয়া মেয়েরাও যার তার সাথে মেলামেশা করতে
কোনো দ্বিধা-লজ্জা বোধ করেনা।

আর তাদের লজ্জা বোধ কখনো করবেনা।
কেনোনা তাদের লজ্জার মা মারা গেছে।
তারা মহান আল্লাহ কে নয় শয়তান কে প্রভু হিসাবে মেনে নিয়েছে।

আমার এই পোস্ট পরে কোনো নগ্নবাজ মেয়ের অন্তরে যদি আঘাত পেয়ে থাকেন তা হলে আমি বলবো
আপনি চিন্তা করে দেখেন আপনি কেমন মায়ের বেটি আর আমি কেমন মায়ের পোলা।
নিশ্চয় আপনার মায়ের চেয়ে আমার মায়ের সম্মান হাজার গুণ বেশি।
হতভাগা ঐ সব মায়েরা যে মায়ের মেয়েরা সামান্য কয়টা টাকার জন্য নিজের দেহ কে পণ্য বানিয়ে দেশের
আমজনতার কাছে বিক্রয় করে দেয়।       
      
কিছু নগ্নবাজ নায়িকা ও মডেলদের মাধ্যমে আমাদের সমাজের যুবক ও কোমল মতি শিশুদের মাঝে
ছড়তেছে অশ্লীলতা।

আমাদের সমাজে ব্যাপক ভাবে অশ্লীলতা ছড়ানোর কারনে
এই সব নগ্নবাজ নায়িকা ও মডেলদের কে জন সম্মুখে পাথর নিক্ষেপ করে মারা উচিৎ।

পরিচালক ও নায়ক নায়িকাদের কে ইভটিজিং,ধর্ষণ প্রচারের দ্বায়ে মামলা করে শাস্তি দেওয়া উচিৎ।
কারন তারাই বিনোদনের নামে আমাদের সমাজে প্রচার করতেছে কি ভাবে একটি নারী কে ধর্ষণ করতে হয়?
কি ভাবে একটি মেয়ে উক্তাক্ত করে বুক ভরা ভালোবাসা আদায় করে নিতে হয়?

নারী কে ধর্ষণ করার অপরাধে যদি ধর্ষক কে গ্রেফতার করা যেতে পারে,
নারী কে উক্তাক্ত করার দ্বায়ে যদি বখাটে কে গ্রেফতার করা যেতে পারে?
তা হলে যারা ধর্ষক,ইভটিজার যারা বানায় তাদের কে গ্রেফতার করে কেনো শাস্তি দেওয়া হবেনা?
তা আমরা জানতে চাই।

যারা ইভটিজার,ধর্ষক বানায় তাদের কে শাস্তির বাহিরে রেখে তাদের অনুসারিদের কে শাস্তি দিলে কোনো
লাভ হবে? হবে না।

বর্তমানের মেয়েরাও অনেক নিচে নেমে গেছে।
রাস্তা দিয়ে চলা ফেরা করে, উড়না থাকার সত্ত্বেও  গলাতে গামছা মতো ঝুলিয়ে রাখে
কিন্তু বুকেতে দেয়না।
বুঝিনা তাদের বুকেতে উড়না দিতে সমস্যা কোথায়?
নাকি কি বুকেতে উড়না দেয় না এই জন্য যে রাস্তায় ভোগবাদি পুরুষেরা তাদের
এক জোড়া আপেল আছে সেটা দেখতে পারবেনা বলে?
ফ্রি ভাবে তাদের রসের ভরা যৌবন উপভোগ করতে পারবে না বলে?
আমার তো মনে হয় এই কারনেই।

ফুল ফুটলে সেটা কোনো দোষের হয় না যত দোষ ভ্রমর মধু আহরণ করতে আসলেই?
আমাদের দেশের মেয়ে চায় তাদের এই সব বেহাইয়াপনা  দেখিয়ে ডজন ডজন আবাল ছেলে
তাদের পিছনে ঘুরাতে  ,
কিন্তু এই সব আবাল মেয়েরা জানেনা যে সস্থা মালের বস্থা ভর্তি কাস্টমার থাকে।

আমাদের সমাজের কোনো মেয়ে পর্দার আইন মেনে চললে তাকে সবাই বোন অথবা খালাম্মা বলে ডাকি।
কিন্তু যেসব মেয়েরা বেপর্দা ভাবে চলা ফেরা করে দুষ্ট ছেলেরা তাদের কে দেখলে কি সুন্দর মাল বলে ডাকে।
আপনারা আবার অনেকেই বলতে পারেন আগের মেয়েরা তো অনেক ভালো ছিলো?
কিন্তু বর্তমানের মেয়েরা এই সব বেহাইয়াপনা শিখলো কোথাই থেকে?
সহজ উত্তর এই সব নগ্নবাজ নায়িকাদের কাছ থেকে শিখেছে।

নগ্নবাজ নায়িকাদের বেহাইয়া পনা যদি বন্ধ করা যায়
তা হলে আমাদের সমাজের বেহাইয়াপনা বন্ধ হয়ে যাবে।

আমি সরকারের কাছে অনুরোধ করতেছি,
আপনারা যদি কোমল মতি শিশুদের ও যুবকদের কে নৈতিক শিক্ষা দিতে চান
তা হলে যত তারা তাড়ি সম্বভ এই সব অশ্লীলতা বন্ধ করুন।
তার সাথে ভারতীয় নগ্ন আগ্রাসন রোধ করুন।
তা না হলে আমরা মনে করবো আপনারা কোমল মতি শিশুদের ও যুবকদের কে
নৈতিক নয় অনৈতিক শিক্ষা দিতে চাচ্ছেন।

গাছ কেটে পানি দিলে যেমন কোনো লাভ হবেনা,
ঠিক তেমনি ভাবে সমাজে ব্যাপক ভাবে অশ্লীলতা প্রচার ও প্রসার করে
কোমল মতি শিশুদের ও যুবকদের কে নৈতিক শিক্ষা দিতে পারবেন না।

কোমল মতি শিশুও যুবকদের কে যদি নৈতিক শিক্ষা দিতে চান তা হলে ইসলামের শিক্ষায়
শিক্ষিত করুণ।
ইসলামের নৈতিক শিক্ষা ছাড়া বিপরীত কোনো শিক্ষা দেওয়ার ইচ্ছা থাকলে দিতে পারেন কিন্তু কুফল ছাড়া সুফল
পাবেন না।

ইসলামের বিপরীত শিক্ষা শিক্ষিতরা চোর,ডাকাত,সন্ত্রাসী,চাঁদাবাজ,দুনিতিবাজ,নারী ধর্ষক,ইভটিজারই
হবে।

এটাই বাস্তব প্রমান।
মাননীয় প্রধান মন্ত্রী আপনি তাকিয়ে দেখুন আপনার তৈরি করা শিক্ষায় শিক্ষিতরা কি রকম অপকর্ম
করতেছে।
আপনার তৈরি করা শিক্ষায় শিক্ষিতরা যদি সোনার টুকরো ছেলে হয়ে থাকতে পারে তা হলে
মাদ্রাসায় পড়ুয়া ভাই ও বোনেরা হিরার চেয়ে ও দামি।

আপনাদের  তৈরি করা শিক্ষায় শিক্ষিতদের গ্রহন যোগ্যতা দুনিয়াতে,
আর ইসলাম শিক্ষায় শিক্ষিতদের গ্রহন যোগ্যতা স্বয়ং মহান আল্লাহর হাতে।
যেটা মহান আল্লাহর কাছে গ্রহন যোগ্যতা নাই সেটার ২ আনার ও দাম নেই।

আমার এই কথা গুলি আপনার নিশ্চয় স্বীকার করে নিবেন।


বিঃদ্রঃ আমার এই পোস্ট পড়ে যদি কোনো নায়িকা আপুরা মনে কষ্ট পেয়ে থাকেন?
তা হলে আমি বলবো এটা আপনাদেরই কৃতকর্মের ফল।
যে যেরকম কাজ করবে সে তারি প্রতি ফলন পাবে।

যুব সমাজ ধংসের আপনারাই হাতিয়ার।
যুব সমাজের অধঃপতনের  দ্বায় আপনাদের কেই নিতে হবে।

আমরা চাই আমাদের সমাজ থেকে অশ্লীলতা দূর হয়ে যাক,
আমাদের মা বোনেরা সম্মান পাক।
আপনারাই নারীদের সম্মান হানি করতেছে।
আপনারা বদলে যান দেখবেন আমাদের সমাজটা বদলে গেছে।

আজ এই পর্যন্তই দেখা হবে আগামী পোস্টে।
আপনারা সবাই ভালো থাকুন,
সুস্থ থাকুন,এ কামনায় আল্লাহ হাফেজ...............।
চলবে...............................
লিখেছেনঃ ব্লগার_সৈয়দ রুবেল।

সবার প্রতি অনুরোধ রইলো পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
ফেসবুকে শেয়ার করতে।।

 আল কোরআন/আরবী থেকে-বাংলা-ইংরেজী সহ 

 ইসলামী পোস্ট (১৭৪)বই(১) টি।

 সর্বাধিক পঠিত এবং আলোচিত পোস্ট গুলি পড়ুন

 এই পোস্ট গুলি কি আপনি পড়েছেন?

 কম্পিউটার/মোবাইল/ইন্টারনেট

 মাসিক মনোজগত

ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর কর্তব্য ও মধুর মিলন।

 ডাঃজাকির নায়েকের লেকচার।কিছু প্রশ্নের উত্তর 

 দাম্পত্য জীবন/বিবাহ

নারী পুরুষের যৌন সমস্যা সমাধান 

নারীস্বাস্থ্য সমস্যা ও পরামর্শ

এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?
Read More

অল্প সময় ব্যয় করে ইনকাম করুন ১ হাজার টাকা,fb তে অভিনব প্রতারনার বিজ্ঞাপন।

ইন্টারনেটে শুরু হয়েছে নতুন  প্রতরনা।
ইদারিং জনপ্রিয় ফেসবুকে দেখা যাচ্ছে প্রতরনার ওয়েব সাইট।
এই সব সাইটের লোভনীয় কিছু লেখা থাকে।
যেমন ফেসবুকে অযথা সময় নষ্ট করে কি লাভ?
বরং এই সময় টুকু কাজে লাগান।
সামান্য সময় ব্যয় করে জিতে নিন  ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা বা তার চেয়ে এর বেশি।
 এর পর লিঙ্ক দেওয়া থাকে এবং বলে ভিজিট করতে।
এবং বলে দেয় আপনার যত গুলো সিম আছে সব গুলো সিম দিয়ে সাইন আপ করে নিতে। 
আর এই সব কথা গুলো পোস্ট করা হয় ফেসবুকের পেইজ এর মন্তব্য হিসাবে।
এবং বলে দেয় আপনার যত গুলো সিম আছে সব গুলো সিম দিয়ে সাইন আপ করে নিতে। 

এদের কথা মতো যারা এই সব সাইটে ভিজিট করে সাইন আপ করেছে তারা কি বুঝতে পেরেছে
যে এটা প্রতারনার হাতিয়ার?
হ্যাঁ ঠিকি বুঝতে পেরেছে তখন যখন তাদের কথা মতো বিনা টাকায় কামলা খেটে তাদের দেওয়া
ক্যাপশন এবং লিঙ্ক ভিভিন্ন পেইজে পোস্ট করে ও যখন কিছু পাইনি।

এই সব নিয়ে তিশা নামের একটি মেয়ের সাথে আমার গত মাসে অনেক তর্ক হয়েছিলো।
শেষ পর্যন্ত আমার আইডি টা হারাতে হলো।

আচ্ছা আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করি,তাদের সাইটে একবার ভিজিট করাতে আপনাকে এতো গুলো টাকা  কেনো
দিবে?
আপনাকে এতো গুলো টাকা দিয়ে তাদের কি লাভ?
টাকা কি তাদের বাপ দাদার গাছে ধরে নাকি বলদের পাছা দিয়ে বের হয়?

না বুঝেই হুমড়ি খেয়ে ডুকে পড়েন  তাদের কথা মতো?

আপনি কি জানেন তারা কে?

তারা তো হতে পারে কোনো হ্যাকার দল?
তারা আপনার ফোন নাম্বার ব্যাবহার করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে থাকতে পারে।
অথবা গোপনে আপনার ব্যালেন্জ থেকে টাকা হ্যাক করে নিতে পারে।
হতে পারে তারা আপনার ব্যক্তিগত তথ্য অথবা ভয়েজ কল হ্যাক করে নেটে প্রকাশ করে দিতে পারে।

তখন কি করবেন?

গাছ কেটে পানি দিলে কো নো লাভ হবে?
হবেনা।

ঠিক আছে আমি আপনার কথা মেনে নিলাম তারা আপনার কোনো ক্ষতি করবেনা।
কিন্তু আপনি যে এতো ক্ষণ তাদের গোলামী করলেন ?
এতো ক্ষণ নিজের টাকা খরচ করে তাদের কথা গুলো সবার মাঝে প্রচার করলেন?
 এর বিনিময়ে কি পেলেন?
বলতে পারেন ঘোড়ারা ডিম পাইছি।

এবার আসুন তাদের লাভের কথা বলি।

আমার জানা মতে একটি ওয়েব সাইটে এক হাজার মানুষ ভিজিট করলে সাইটের মালিক ৫ ডলার পায়।
এখন চিন্তা করে দেখুন আপনাদের প্রচরানাতে প্রতি দিন কত হাজার মানুষ ভিজিট করতেছে?
তারা প্রতি দিন কত টাকা ইনকাম করে নিচ্ছে আপনাকে প্রতারনার বলি শিকার করে।
আবাল না থেকে বুদ্ধি মান হোন।
এটা এনালগ বাংলাদেশ নয় ডিজিটাল বাংলাদেশ।

আমি ফেসবুক এডমিন ভাই ও বোনদের কে বলতেছি,
আপনারা যখন আপনাদের পেইজে এই সমস্থ প্রতারনা মূলক বিজ্ঞাপন দেখবেন?
যারা এই সব বিজ্ঞাপন দেয় তাদের কে বিনা নোটিশে ব্যান করে দিবেন।
এবং ফেসবুকের নিকট অভিযোগ করে দিবেন।

যারা এই সব প্রতারনা মুলক বিজ্ঞাপন দেয় তাদের কে ব্লক করে দিবেন এবং
ফেসবুকের নিকট অভিযোগ করবেন।
আর ভুলেও এই সব সাইটে প্রবেশ করবেন না।
করলে আপনারই ক্ষতি। আমার কোনো ক্ষতি নাই।
আমি চাই না আপনার কোনো ক্ষতি হোক?
যার কারনে এতো কষ্ট করে ব্লগে লেখা লিখি করি।
তা ছাড়া এমন আরও অনেক প্রতারনার বিজ্ঞাপন দেওয়া হয় ফেসবুকে।
এই সব থেকেও সতর্ক থাকবেন।
       
এবার আমার কাজ শেষ।
এখন আপনার কাজ হল শেয়ার করে সবাই কে সর্তক করা।
শেয়ার করতে এখানে ক্লিক করুন
আপনারা সবাই ভালো থাকুন এবং সুস্থ সুন্দর থাকুন এ কামনায়
আল্লাহ হাফেজ ।
         
  
        


আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ। এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?
Read More

বাংলাদেশের মেয়েরা এতোই সস্থা হয়েগেছে যে তাদের কে ভোগ করতে বিয়ে করা লাগেনা।

ছবিঃ প্রেমিক প্রেমিকাদের গোপনে যৌন মিলন

বাংলাদেশের মেয়েরা এতোই সস্থা হয়ে গেছে যে তাদের কে ভোগ করতে বিয়ে করা লাগেনা।

এই কথাটি কিন্তু মিথ্যা নয়?
১০০% সত্যি।
আপনারা যারা বাংলাদেশের মেয়ে ছেলেদের পর্ণো ভিডিও দেখাছেন?
তারা এক নিমিষেই বিশ্বাস করবেন। এতে আমার কোনো সন্দেহ নাই।
বর্তমানে বাংলাদেশের ছেলে মেয়েরা ভালবাসার আড়ালে যে হারে
অবাধে অসামাজিক ভাবে যৌনচার শুরু করেছে?
এই ভাবে চলতে থাকলে পুশুর সমাজ আমেরিকাকেও হারমানাবে।
সে দিন বেশি দূরে নয় যে দিন বাংলাদেশের ৯০ ভাগ মেয়েদের কুমারিত্ব থাকবেনা।
যা মুসলিম সমাজের জন্য খুবই কলঙ্কময়।
কোনো মুসলিমের  ব্যাক্তিগত অপরাধের কারনে এর দোষ এসে পড়ে ইসলামের উপর।
এই সব নোংরামি এখানেই কোনো শেষ নয়?
এই সব অসামাজি নোংরামি গুলি কুলাঙ্গার নারী দেহ ব্যবসায়ীরা কৌশলে 
গোপনে বা প্রকাশে ভিডিও করে বাজারে ছেড়ে দেয়।
আর এই সব কুলাঙ্গারা হলো আমাদের ফ্রি ভোগের বস্তু হওয়া আপুদের প্রেমিকেরা।

আমি যখন এই সব বিষয়ে লেখা লিখি করি?
তখন এই সমস্ত কুলাঙ্গারেরা আমাকে নিয়ে অশালিন ভাষায় কথা বলে।
আর বলবে না কেনো ?
কেউ তো চায়বেনা নিজের হালুয়া রুটির উপর পিঁপড়া উঠুক।
এ সমাজের কিছু মানুষ আছে যারা নিজেও ভালো হতে চায়না?
অন্যকেও ভালো হতে দেয়না।
আর যারা  অন্যদের কে গালিগালাজ করে অভ্যাস?
আপনি তাদের মুখ থেকে সব সময় অশালিন ভাষায় কথা শুনবেন।
কারন তারা কেউ ভদ্র সমাজের না।

পায়খানা থেকে দুর্গন্ধ ছাড়া যেমন সুগন্ধের আশা করা যায় না?
তাদের অশালিন মুখ থেকেও আপনি শালিন কথা শুনতে পারবেন না।

এই দেশের কিছু কুলাঙ্গারেরা চায় আমাদের দেশটা নোংরামি দিয়ে ভরে দিতে।
তারা এ ও চায় আমাদের বোন দের কে ফ্রি ভাবে ভোগ করতে।

এই বিষয়ে নতুন করে আমি কিছু বলতে চায় না।
কারন এই বিষয়টির উপরে পাঁচ টি পোস্ট করেছি।

আরও পাঁচশো পোস্ট লিখলেও কোনো লাভ হবেনা।
কারন এই দেশের নারীবাদীরা ও নারী নেত্রীরা সবাই চুপ।

তাদের কে শুধু ইসলামের বেলায় ঘেও ঘেও করতে দেখা যায়।
বাস্তবে পাওয়া যায় না।
আজ আমাদের বোনেরা রাস্তায় গণধর্ষণের শিকার হচ্ছে।
এই মাসেই ৩০ জনের মতো বোন ধর্ষণের শিকার হয়েছে।
কোনো নারী বাদীরা মখ খুলেনি।
সম্ভব তো তাদের মুখে সুপার গু মারা হয়েছে।

আমাদের পাশের দেশের একজন মেয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে?
তার জন্য গোটা ভারত জুড়ে আন্দোলন হয়েছে।
এমন কি সোনিয়া গান্ধী নিজে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করেছে।

আর আমাদের দেশে এতো গুলো বোন ধর্ষণের শিকার হয়েছে ,
অথচ একটি সাধারন আন্দোলন পর্যন্ত হয়নি।
এ কেমন ডিজিটাল বাংলাদেশ?

আর এদিকে  প্রেমিকেরা তার প্রেমিকাকে নিজের বিয়ে করা বউ হিসাবে দিনের পর
দিন ধর্ষণ করে যাচ্ছে।
অর্থাৎ প্রেম করলে সেক্সের লাইসেন্স ফ্রি।

এই সব দেখেও এই দেশের নারী নেত্রীরা ও নারীবাদীরা চোখ থাকতেও
অন্ধ হয়ে আছে।

এই দেশে প্রতি বছরে হাজার বোনেরা গোপনে বা প্রকাশে যৌন নির্যাতনে,ধর্ষণের  শিকার হচ্ছে।
তাতে এই দেশের নারী নেত্রীদের বা  নারীবাদীদের কিছু যায় আসে না।

তাদের নিজেদের কুমারিত্ত্ব আছে কি না সেটা তারাই ভালো জানে।
আমার জানার ও দরকার নাই।
কেনো না তারাই হচ্ছে শয়তানের বোন।

আমি গত কয়েকটি পোস্টে বলেছিলাম এই দেশের নারীবাদীরা ইহুদী,খৃষ্টান,
নাস্তিক লাল কুত্তাদের পা চাটা  দালাল।

এই পোস্টের দ্বারা সেইটায় প্রমান হলো।

নাস্তিকেরা চায় এই দেশের মেয়েরা অর্ধনগ্ন হয়ে বুকের কাপড় সরিয়ে
বুক ফুলিয়ে রাস্তায় দিয়ে চলাফেরা করুক।
যাতে করে নিজের পকেটের টাকা খরচ করে পর্ণো ভিডিও দেখতে না হয়।
এই জন্য যারা রাস্তায় দিয়ে অর্ধনগ্ন হয়ে চলাফেরা করে?
তাদের প্রতি নাস্তিকদের কোনো রাগ গুশা নাই।
যত রাগ গুশা আসে সব পর্দাশীল মেয়েদের উপর।

নাস্তিক বাদীরা, আপনারা যতই রাগ গুশা করেন না কেনো?
কোনো লাভ হবেনা।
আমাদের সোনার টুকরো বোনেরা মহান আল্লাহর হুকম ঠিকি পালন করে যাবে।
পিছু হটবেনা।
আপনারা যে স্বপ্ন বুকে লালন করতেছেন?
তা কখনো পূরণ হবেনা।
কথায় আছে চোরের দশ দিন, পুলিশের এক দিন।
পুঁটি মাছের প্রাণ নিয়ে ব্লগে,ফেসবুকে ব্যাঙ্গের মতো লাফালাফি করতে পারেন?
কিন্তু বাস্তবে জনসম্মুখে কথা বলার সাহস আপনাদের নেই।
কারন আপনার ভালো করে জানেন এই দেশের ধর্ম প্রাণ মানুষেরা
যদি আপনাদের উপর থু থু নিক্ষেপ করে?
সেই থু থুর সোতে ভেসে সাগরে চলে যাবি।
বাচার পথ খুজে পাবিনা।
এই পর্যন্তই আমি বললাম।
             

তবে আমি যাবার আগে বস্তা ভর্তি সস্থা মেয়েদের কে বলে যেতে চায়,
এবার নিজেরা চালাক হোন।
আপনারা ছেলেদের চেয়ে অনেক গুন নিচে পড়ে আছেন।
ছেলেরা চালাক বলেই বিয়ের আগেই তার পাম্পার দিয়ে
বিনা মূল্যে আপনাদের কে পাম্প দেয়।

সাথে এই কথাটি ভালো করে মনে রাখবেন,
ভালো কলাতে কখনো মাছি বসেনা।
মাছি বসলে পচা কলাতেই বসে ভন ভন করে।
এতে আপনাদের গর্ভের কিচ্ছুই নাই।

আল্লাহ হাফেজ।
আপনারা সবাই ভালো থাকুন।
 Syed Rubel
ব্লগার_ সৈয়দ রুবেল।  @ ফেসবুক।
বিষয়ঃ১/
বিষয়ঃ২/ভোগের বস্তুতে পরিনিতি হয়েছে বর্তমানের মেয়েরা।ভিডিও সহ
বিষয়ঃ৩/
বিষয়ঃ৪/  বর্তমানের মেয়েরা কাপড় পড়ে দেহ ডাকার জন্য নয়,দেহ দেখাবার জন্য
 
এই পোস্ট টি তারাই শেয়ার করবেন?
যারা চাইবেন আমাদের বোনেরা নিরাপদে থাকুক।
আর যারা চাইবেন আমাদের বোনেরা বেটিবাজদের
ভোগের বস্তুতে শিকার হোক?
তারা দয়া করে শেয়ার করবেন না ।

Read More

বর্তমানের মেয়েরা কাপড় পড়ে দেহ ডাকার জন্য নয়,দেহ দেখাবার জন্য? ছবি সহ


শিরোনামটি মিথ্যা নয় ।
প্রকাশিত ছবি গুলি করে দিবে তার প্রমাণ ।
বর্তমানে আমাদের সমাজের অতি আধুনিক মেয়েরা যে সব কাপড় পড়ে তা নিয়ে আমার কিছু কথা বলার আছে ।
তাই আমি ব্লগার সৈয়দ রুবেল আপনাদের সামনে হাজির হলাম ।
আমি আগেই বলে দিচ্ছি আমার লেখা পড়ে যদি কোনো আপুর হায়া লজ্জা মুখে ঝাঁটার বারি পড়ে যায় এর জন্য আমি ব্লগার সৈয়দ রুবেল দ্বায়ী নয় ।
কারণ আপনাদের মতো আপুদের হায়া লজ্জা বলতে নেই ।
যেমন ছাগল তার ছয় আঙ্গুল লেজ দিয়ে তার যৌনাঙ্গ ডেকে রাখে ।
কিন্তু কুকুরেরা তার দেড় হাত লম্বা লেজ থাকার সত্তেও যৌনাঙ্গ না ডেকে ?লেজ উপরে তুলে সবাইকে দেখাই তে থাকে ।ঠিক তেমনি ভাবে আপনারাও কাপড় পড়েও যৌনাঙ্গ আমাদের কে দেখাইতে থাকেন ।এর মাঝে সব চেয়ে বেশী দেখান সামনের দুই জায়গা ।পিছনের টা বাদ দিয়ে দিলাম ।একঃ বুক দুইটিকে ফুটবলের মতো ফুলিয়ে রাখার সাথে কাপড়ও সরে রাখেন ।
যাতে মজা লুটেরা মজা লুটতে পারে ।
এর চাইতে শালীন ভাষা আমার জানা নাই ।
আপনাদেরও জানা আছে কিনা আমার জানা নেই ।
যদিও আমার ব্লগের নাম 'জানার আছে অনেক কিছু' তবুও আমি জানিনা অনেক কিছু ।এইডা কিছু হইলো?
হয়তো আপনাদের কাছে লুলের মতো লাগতে পারে ।
এতে আমার কিছু আসে যায় না ।
দুইঃ কাপড় পড়েও পেটের মধ্যে ও নাভির নিম্ন ভাগও খোলা রাখেন ।
আমি ব্রা পেন্টি পড়ুয়া ভোগের বস্তু বাদী মেয়েদের কথা বলতেছি না ।

আমি শাড়ী পড়ুয়া মেয়েদের কথা বলতেছি ।
কারণ ওরা নিজের দেহ কে খোলা বাজারের পণ্য বানিয়েছে কুকুরনির মতো ।
কুকুরনিরা শত কুকুর দিয়ে পাম্প নেয় কোনো বাচ বিচার যেমন করেনা ।
ঠিক তেমনি ভাবে ভোগ বস্তু বাদী মেয়েরাও যার তার পাম্পার দিয়ে পাম্প নেয় কোনো বাচ বিচার করেনা।
বাংলাদেশেরও একজন নাম করা কুকুরনি আছে ।
যার নাম 'ডাঃ তাসলিমা নাসরিন' ।
সে তার এক বইতে লিখেছে পেট আমার, দেহ আমার, আমার পেটে আমার স্বামীর সন্তান নিবো নাকি অন্য কারো টা নিবো সেটা সিন্ধান্ত আমার ।

চিন্তা করে দেখেন কত বড় সভ্য সমাজের উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত মেয়ে ওনি ।
আসলেই নাস্তিক বাদীদের হাতের তৈরী করা শিক্ষায় শিক্ষিতরা পুশুর চরিত্র অধিকারী হয় ।
নারী নগ্নতা কেই নারী স্বাধীনতা কয় ।
উপরে চাক চিক্কময় ভিতরে ঘোর অন্ধকার ।
বর্তমানে পৃথিবীতে সব চেয়ে জমজমাট সফল ব্যবসা হলো একমাত্র নারী ব্যবসা ।
ব্যবসায় যদি সফলতা পেতে চাও?
তাহলে নারী অর্ধনগ্ন করে কাজে লাগাও ।
মিনিটেই হাজারো কোটি টাকা কামাও ।
যত গুলি কোম্পানী আছে সবাই নারীর দেহের ব্যবসার সাথে সম্পর্ক আছে ।
পণ্য প্রচারের নামে নারীর অশালীন দেহ কেই আমাদের মাঝে প্রচার করে ।
নারী অশালীন দেহ দেখায়ে তাদের পণ্য বিক্রয় করে ।
বিনোদন জগৎ এর চিত্র তো আরো ভয়াবহ ।
প্রতিটি চলচিত্র বা ছবি গুলোতে নারীদের অর্ধনগ্ন দেহ দিয়ে তৈরী করা অশালীন গান আছে ।
এই অশালীন আইটেম গানের দিক দিয়ে বিশ্বের একা নম্বর স্হানে আছে ভারত ।
তবে আমাদের দেশের বর্তমান চিত্র ভিন্ন ।
যদিও আগে আসিলো ।
আমার প্রশ্ন হলো চলচিত্র তৈরী কারুকরা যদি তাদের চলচিত্র দ্বারাই ব্যবসা করে থাকে তা হলে ছবি গুলোর ভিতরে অশালীন আইটেম আছে কেনো?
ব্যবসার দিক দিয়ে যে ছবি গুলি সফল হয়েছে সব গুলোই আইটেম গানের ছবি ।
এমন একটি নায়িকা নেই যে নায়িকা পরিচালকের পাম্পার দিয়ে পাম্প না নিয়ে এই বেয়াইয়ার জগতে প্রবেশ করতে পেরেছে ।
সব নায়িকারা ও মডেলিং করুয়ারা আগে পাম্প নিয়ে তারপরে ডুকেছে ।
তাদের বেয়াপনা আমাদের শালীন বোনদের কে শিখিয়ে অশালীন করতেছে ।
তাদের বেহাইয়া পণা দেখে আমাদের বোনেরাও শিখতেছে আধুনিকতার নামে বেহাপনা ।
এর জন্য প্রথম স্হানে দ্বায়ী হল নায়িকা মডেলিং নামক বিশ্ব দেহ ভোগের বস্তু হওয়া মেয়েরা ।
২য় স্হানে দ্বায়ী হলো এসমস্ত বেহাইয়া মেয়েদের জন্ম দেওয়া পিতা মাতারা ।
কারণ ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত না করে আজগুবি শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য ।
যার সাথে বাস্তবতার প্রায় জায়গাতে কোনো মিল নেই ।
তার সাথে বস্তা ভরা বানানো গল্প তো আছেই ।
বেপর্দা হওয়ার শাস্তি কত কঠিন মেয়েরা যদি ভালো করে জানতো ?
বেপর্দা হওয়াতো দূরের কথা এর নামও মুখে নিতো না ।
বর্তমানে যে সমস্ত নির্লজ্জ বেহাইয়ারা পাতলা সর্ট শাড়ী সেলোয়ার কামিজ পড়ে?
তা দিয়ে ভালো করে না ঢাকতে পারে বুক না ঢাকতে পারে কোমর ।
এমন কি বুকের উড়না গলায় গামছা মতো ঝুলিয়ে রাখে ।
বর্তমানে অতি আধুনিক মেয়েরা যে সমস্ত পাতলা কাপড় গুলি পড়ে?
তার ভিতরে কি আছে সব কিছু চোখের সামনে ভেসে উঠে ।
আমার প্রশ্ন হলো কাপড় পড়ার পরও যদি ভিতরের সব কিছু দেখা যায়,তা হলে এই কাপড় পড়ার মানে কি?
মানে হল একটি নারী উলঙ্গ হয়ে থাকলে যতটুকু সেক্সি লাগে?
উলঙ্গ না থেকে পাতলা কাপড় পড়লে এর চাইতে হাজারো গুণ বেশী সেক্সি লাগে ।
এটা তো পশ্চিমা দেশ নয়?
এটা ২য় বৃহতম মুসলিম বাংলাদেশ ।
পশ্চিমা দেশের মেয়ে গুলি যখন অর্ধ নগ্ন হয়ে অথবা ব্রা পেন্টি পড়ে রাস্তায় হাটে?
তখন ঐ সমস্ত দেশের শিয়াল কুকুরেরা এসে তাদের পাছায় চুম্মা দেয় ।
এমন কি পাম্পার দিয়ে পাম্প ও দেয় ।
আর আমাদের কোনো নারী যদি উলঙ্গ হয়ে থাকে?
চুম্মা দেওয়া তো দূরের কথা চেয়েও দেখেনা ।
বরং কষে লাঠিয়ে পাছা ফাটিয়ে দেয় ।
সাথে পাগল ছাগল ছো বলেই ।
এই অতি আধুনিক পশ্চিমা বস্তা পচা স্বভাব লালন কারী বাংলাদেশের মেয়েরাও পাগল ।
তবে ডিজিটাল পাগল ।
এই দেশের মাগী ছাগিরাও এদের চাইতো ভালো ।
যদিও টাকার বিনিময়ে নিজের দেহ কে কয়েক ঘন্টার জন্য অন্যের হাতে তুলে দেয় ।
তবুও তথা কথিত অতি আধুনিক মেয়েদের মতো অথবা প্রেমের আড়ালের দেহ ভোগের বস্তু হওয়া মেয়েদের মতো ফ্রি ভাবে নিজের দেহ ভোগের মজা লুটতে দেয়না ।
এদেশের মাগী ছাগীদের অভাবে স্বভাব নষ্ট হয়েছে অথবা কোনো লম্পট হায়ওয়ান জানোয়ারের দ্বারা নিজের অমূল ইজ্জ হারিয়ে সমাজ থেকে মুখ লুকিয়েছে ।
আর অতি আধুনিক মেয়েরা টাকার কারণে পথ ভষ্ট হয়েছে।
এই অতি আধুনিক মেয়েদের দ্বারাই তৈরী হয়েছে আজকের বখাটে নামক শিয়াল কুত্তারা ।
যারা ছয় সাত জন মিলে পথে ঘাটে একটি নারী কে উক্তাক্ত করে ।
এসব বখাটেদের কে পুরুষ না বলে বলে বিড়াল বলা উচিৎ ।
এই কুখ্যাত বখাটেরা এই সমস্ত অতি আধুনিক মেয়েদের পেট থেকেই বের হয়ে এসেছে ।
যাদের পেট হতে এই কুখ্যাতরা বের হয়ে এসেছে ।
দোষ যদি দিতে হয় এসমস্ত মেয়েদেরকে দিন ।
দয়া করে পুরুষ তান্ত্রিক সমাজের উপর দোষ চাপিয়ে দিবেন না চাঁপা বাজদের মতো ।
আপনাদের কথা শুনলে বুঝা যায় যত দোষ নন্দ ঘোষ ।
আপনাদের কোনো দোষ নেই ।

ভালো হয়ে যান, সোজা হয়ে যান, আজরাঈল এসে সোজা করার আগে ।

ব্লগার সৈয়দ রুবেল ।


বিঃদ্রঃ এই ব্লগের অতি ভদ্র পাঠকদের উদ্দেশে দুইটি কথা ।
এই ব্লগের হাতে গণা তিন চার জন আছে যারা এই সমস্ত পোস্ট নিয়ে বিরোধীতা করে ।
তারা বলে আমি নাকি লেখার আড়ালে অশ্লীলতা ছড়িয়ে দিচ্ছি ।
ঐ সমস্ত ভদ্র পাঠক ভাইদের কাছে আমার প্রশ্ন হলো যারা সমাজের সবার সামনে অশ্লীল ভাবে চলাফেরা করে?
যারা অশ্লীল ছবি তুলে অথবা ফেসবুকে আপলোড দেয়?
তাদের বিরুদ্ধে কেনো কথা বলেনা?
আমি অশ্লীলতার বিরুদ্ধে প্রমাণ সহ কথা বলি,সেটা কি আমার অপরাধ?
অপরাধ হয়ে থাকলে বলেন।
আমার ডাবল সবিধা ।
প্রতিদিন তিন হাজার চেয়েও বেশী মানুষ আমার ব্লগে পড়ে ।
তাদের জানার পথ রুদ্ধ করে আমি চলে যায় ।
বিয়ের আগে শুশুর বাড়ীর লাল ভাত আমি খেতে চায় না ।
যাতে আমার হবু বউয়ে রাগ না করে ।
আজ এপর্যন্তই ।
দেখা হবে আগামী পোস্টে ।
ধন্যবাদ জানাই আমার ব্লগের সকল পাঠকদের কে এবং শেয়ার কারকদের কে ।
আল্লাহ হাফেজ ।
ব্লগার সৈয়দ রুবেল ।
blogger_syedrubelsylhetbd@live.com
syedrubelsylhetbd@live.com

Next post on প্রেমের নামে নারীর দেহ ভোগ চলতেছে -ভিডিও সহ
শেয়ার করে আপনার বন্ধুদেরকে জানান ।এটা আপনার আমার সকলের দ্বায়িত্ব ।প্রকাশক ও সম্পাদক সৈয়দ রুবেল উদ্দিন
Read More

প্রেমের নামে নারীর দেহ ভোগ চলতেছে -ভিডিও সহ

অবাধে মোবাইলে কপিরাইট হচ্ছে বাংলাদেশের পর্ণো ভিডিও,
গান লোড এর আড়ালে চলছে পর্ণো ভিডিওর ব্যবসা ।
পর্ণো ভিডিও দেখার প্রতি আসক্ত শিশুরাও ।

বিষয়টি ঘৃণার নয় লজ্জারও বটে ।
বর্তমানে আমাদের দেশে প্রেমের আড়ালে যে সব অপকর্ম হচ্ছে তা পশ্চিমাদেরও হার মানিয়েছে ।
প্রেমের আড়ালে নারী দেহ ভোগ চলতছে ।
বিভিন্ন পার্কে বা হোটেলে আমাদের অতি আধুনিক তরুণ তরুণীরা প্রেমের নামে মিলিত হচ্ছে শাররিক সম্পর্কে ।
শুধু এখানেই শেষ নয়? মোবাইলের ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও করতেছে ।
এসব ভিডিও কম্পিউটার এর মাধ্যমে পৌছে যায় সবার হাতে ।
সমাজের ছোট বড় সব বয়সের ছেলে মেয়েরা দেখতে থাকে অতি আধুনিক প্রেমিক প্রেমিকাদের দ্বারা তৈরী করা এসব ভিডিও ।
তবুও দেখার কেউ নেই ।
এমন কি প্রেমিক প্রেমিকাদের হাতে তৈরী করা এসব নোংরা ভিডিও প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মেমোরি কার্ডে তে কপি হচ্ছে বিদ্যুতের চেয়েও দূত গতিতে ।
বিদেশি পর্ণো ভিডিও নয় আমাদের দেশের পর্ণো ভিডিও দিয়েই সয়লাব প্রতিটি কম্পিউটার ।
আমি দিনে রাতে মিলিয়ে শতেক কম্পিউটারের দোকানে অনুসন্ধান করেছি ।
অনুসন্ধান করেছি you tubeতেও ।পেয়েছি প্রেমিক প্রেমিকাদের দিয়ে তৈরি করা হাজার হাজার ভিডিও ।
এর মধ্যে ৯৯ ভাগ ভিডিওই হচ্ছে স্কুল কলেজের পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীদের ।এসব ছাত্র ছাত্রীদের কয়েকটি কলেজের নাম আমি জানতে পেরেছি ।এই কলেজ গুলোর নাম হলো 'ঢাকা সিটি কলেজ, জামাল পুর মহিলা কলেজ, বি এন কলেজ ।এই তিনটি কলেজ ব্যতিত অন্য কোনো কলেজের নাম আমি জানতে পারিনি ।যদিও অন্য কলেজের ছাত্র ছাত্রীরা এসব নোংরা কাজে লিপ্ত আছে ।এক হাজারের বেশী ভিডিও আমি চেক করেছি ।শুধু মাত্র একটি ভিডিও বাদে সব কয়টি ভিডিওতে ছাত্রীরা নিজ ইচ্ছেই মিলিত হয়েছে শারীরিক সম্পর্কে ।জামাল পুর মহিলা কলেজের ছাত্রীটির কিছু আতৎচিৎকার করেছে ।ভিডিও তে দেখা যায় মেয়েটিকে পাঁচ মিনিটের কথা বলে প্রেমিকের বাড়ীতে আনা হয় ।তারপরে জোড় করে নগ্ন করে মোবাইলের ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও করা হয় ।মেয়েটি নগ্ন ভিডিও করা থেকে রেহাই পেতে প্রেমিকের কথা মতো শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হয় ।কিন্তু এইটি প্রথম বার নয়? এর আগেও তারা বেশ কয়েক বার মিলিত হয়েছিল ।সেটা তাদের কথা থেকে বুঝা যায় ।সব চেয়ে ভয়ানক বিষয় হলো যত গুলো ভিডিও চেক করা হয়ে এর একটি ভিডিও তেও কোনো ছেলে মুখ দেখানো হয়নি ।তার মানে এই সব ভিডিও করা মেয়েদের কে ব্যাকমিল অথবা ফ্রি সেক্স করার জন্য ।
আমার প্রশ্ন হলো দেশে এতো অঘটন ঘটতেছে, প্রশাসন নাকে খাটি দেশি সরিষার তেল দিয়ে ঘুমাইতে, আরেক জন ডিজিটাল বাংলাদেশ বলে চিৎকার করতেছে, আর এদিকে নারীদের জীবনে তেরোটা বাজতেছে । অথচ নারী সম্মান রক্ষার কোনো পদক্ষেপ নেই ।এদেশের নারী অধিকার বাদীদের শুধু ইসলামের বেলাই কথা বলতে শুনা যায় ।অন্য কিছুর বেলা কথা বলতে গেলে তাদের মুখে ঝাঁটার বারী পড়ে যায় ।আজ তথা কথিত নারী বাদীদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে চাই, চেয়ে দেখে তোদের কথা মতো নারী স্বাধীনতা ভোগ করনে ওয়ালারা ,কত বড় বেহাইয়া পণার শিকার, শুধু একবার চেয়ে দেখ ।
ইসলাম নারী সম্মান রক্ষা করার জন্য পর্দা করার কথা বলে, বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে বাহির হতে নিষেধ করে ।
বেগানা পুরুষদের সাথে গোপনে বা প্রকাশে দেখা সাক্ষাত বা কথা বলতে নিষেধ করে ।
আর তোরা নারী হয়েও যারা নারী সম্মান লুট করে?
তাদের সুরের সুর মিলিয়ে কথা বলিস ।
নারীর ইজ্জত যাতে পথে ঘাটে সহজ ভাবে লুট হতে পারে সেজন্য সমান অধিকার কথা বলিস ।
যে নারীরা নিজের ইজ্জত রক্ষার করার জন্য ইসলামের আইন মেনে চলে, তাদের কে তোরা বন্দি শালা বলিস ।তোদের কথা মতো যেসব নারীরা স্বাধীনতা ভোগ করতে গিয়ে ইজ্জত হারিয়ে হারিয়েছে?
বিয়ের আগে প্রেমিকের সাথে ফ্রি সেক্স করে সতীত্ব হারিয়েছে?
যে সমস্ত কুলাঙ্গারা প্রেমের ফাঁদ ফেলে নারীদের দেহ ভোগ করে মোবাইলের ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও করে মেয়েদের সম্মান ধূলায় মিশিয়ে দিচ্ছে ।
যেসব নারীরা যৌন কেলেঙ্কারী তে ইজ্জত হারিয়েছে এবং সমাজ থেকে মুখ লুকিয়েছে?
এই কুখ্যাত নারী অধিকার দাবী করনেওয়ালা নারী বাদীরা কি তাদের হারানো ইজ্জত ফিরিয়ে দিতে পারবে?
যে সমস্ত কুলাঙ্গারা প্রেমের নামে নারীর দেহ ভোগ করতেছে?
সে পরবর্তীতে এই নারীকে বিয়ে করবে?
না করলে মেয়েটির জীবনের অবস্হা কিরকম একটু ভাবুন ।
জানিনা এই অবুঝ গদা মূর্খ নারীরদের বুঝ হবে কবে?
এই বিষয়টি দৈনিক 'আমার দেশ' এর সম্পাদক 'মাহমুদুর রহমান' স্যার এবং 'তালাস' টিম এর নিকট পাঠিয়েছি ।
এবং বলে দিয়েছি এই বিষয়ে আরো অনুসন্ধান করে পুর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রকাশ করতে ।
আমি চেষ্টা করে ছিলাম ব্লগে কিছু ভিডিও প্রকাশ করতে ।
কিন্তু এবিষয়টি কারো অজানা নয় ।
তাঁরপরও প্রমাণ স্বরূপ You Tube থেকে দুইটি ভিডিও লিংক আপনাদের কে দিলাম ।
দেখে নিবেন ।এবিষয়ে আরো কিছু কথা বলার ছিল ।
কিন্তু দুই দিন  যাবত আমার মনটা খুব খারাপ ।
কাজ করতে ভালো লাগেনা ।
তাই এখানেই শেষ ।
আল্লাহ্ হাফেজ ।





video2Liza,patuakhali

শেয়ার করে আপনার বন্ধুদেরকে জানান ।
এটা আপনার আমার সকলের দ্বায়িত্ব ।

syedrubelbd@yahoo.com

সর্বাধিক পঠিত এবং আলোচিত পোস্ট গুলি পড়ুন
Read More

ইসলাম বিদ্বেষ ও নাস্তিকবাদীদের কে নিয়ে এই পোস্ট "সবাই পড়ে নিন"

আমরা মুসলিমরা আল্লাহর ও তার রাসূলের কথা মানি নিজেদের লাভের জন্য ।
আমরা আল্লাহর কথা মানলে মহান আল্লাহ আমাদের কে জান্নাত দান করবেন ।
কিন্তু আমরা যদি আমাদের আল্লাহ ও রাসূলের কথা না মানি এতে আমাদের আল্লাহর ও রাসূলের কোনো কিছু আসে যায় না ।
আমরা আল্লাহর ইবাদত করি আমাদের লাভের জন্য ।
এর পরও এদেশের বিধর্মীরা ও তথা কথিত নাস্তিক বাদীরা ইসলামকে নিয়ে বহু মাত্রিক মহা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে ।
একের পর এক নির্লজ্জের মতো অঘটন ঘটিয়ে যাচ্ছে ।
তারা আমাদের হিজাব পরিহিত বোনদের গায়ের কাপড় খুলে নিচ্ছে ।
কিন্তু আমরাতো এদেশের নির্লজ্জ দেহ উদ্দাম করে রাখা মেয়েদের গায়ে কাপড়ের বস্তা চাপিয়ে দিচ্ছিনা ।
তোরা ইসলামকে নিয়ে নানান ধরণের অশালীন কথা বলতেছোত, কোরআন হাদিসকে অপব্যখ্যা করতেছোত ।
বিশ্ব নবীকে নিয়ে লাগামহীন অশ্লীল ভাষায় গালি গালাজ করতেছোত,
বিশ্ব নবীর আকৃর্তি তৈরী করতোছোত, তার সাথে মহান আল্লাহ কে নিয়ে ভিভিন্ন ঠাট্রা মশকারী করতোছত ।
তোরা এতো নির্লজ্জ বেহাইয়া হইলি কেন ?
আমরা তো তোদের কে নিয়ে কোনো অশালীন কথা বলিনা ।
তোদেরকে নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র করিনা ।
তোদেরকে বলিনা ইসলামের কথা মানতে ।
এমনি তোদেরকেও বলিওনা ইসলামে ছায়ার তলে আসতে ।
এমন কি আমরা তোদেরকে তো অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজও করিনা ।
তবে তোরা কেনো এতো নির্লজ্জ বেহায়ার মতো আমাদের কে অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করস?
এটা তোদের কেমন শিক্ষাগত ভদ্রতা?
তোদের শিক্ষা এতো নিম্ন ভিক্তিক কেন?
তোদের শিক্ষা নারী ধর্ষণের সেন্চুরি কেনো?
তোদের শিক্ষা সন্ত্রাসী চাঁদাবাজী দুনিতির কালো ছায়া কেনো?
তোদের শিক্ষায় নারীদের সাথে পুশু ভিক্তিক আচরণ কেনো?
কেনো তোরা রাস্তা ঘাটে নারী উপর হায়ওয়ান জানোয়ারের মতো ঝাপিয়ে পরস?
এটাই কি তোদের শিক্ষায় মেরুদন্ড?
তাহলে কুকুর আর তোদের মাঝে পার্থক কোথাই?
আমার জানা মতে কুকুর আর তোদের মাঝে পার্থক দুই জায়গাই ।
একঃ এদেশের পাগলা কুত্তা গুলি ঘুরে ঘুরে মানুষে ঠেংঙ্গে কামড়াই ।
আর তোরা খুজে খুজে এদেশের নির্লজ্জ বেহায়া মেয়েদেরকে ধরে কামড়াস ।
দুইঃ এদেশে কুত্তা গুলো মানুষের বাড়ী বাড়ী ঘুরে ময়লা আর্বজনায় পড়ে থাকা নষ্ট পচা খাবার গুলি চ্যাটে পুটে খায় ।
আর তোরা নারীদের যৌনি চ্যাটে খাস ।
নারী অধিকারের কথা বলে গোপনে রসের ভরা নব যৌবনা মেয়েদের দেহ লুটে পুটে খাস ।
হায়ওয়ান জানোয়ারে স্বভাব বুকে ধারণ করে মানবতার কথা বলছ, শিয়ালের কাছে মুরগী বাগী দিয়ে পালার কথা বলছ, কৈই এর তেল কৈ ভাজতে চাঁস ।
ভাবছোত আমরা কিছুই বুঝিনা ।
এতো বোকা আমাদেরকে ভাবিস না ।
আমরাও পারতাম তোদের মতো হতে ।
কিন্তু আমাদের আল্লাহ আমাদেরকে এসব শিক্ষা দেয় নাই ।
তোদের মতো পুশু ভিক্তিক স্বভাব আমাদেরকে দেন নাই ।
আমরা আল্লাহর এবাদত করি ।
আল্লাহর গোলামী করতে গিয়ে যদি চুল পরিমাণ কষ্ট করলে আমরা করি।
কিন্তু তোদের গায়ে আগুন জ্বলে কেনো?
তোদের গায়ে আগুন জ্বলার একমাত্র কারণ হল-তোরা ইসলামকে সহ্য করতে পারিস না ।
সহ্য না করার একমাত্র কারণ হলো এ পৃথিবীর সুবিধা বাদী হায়ওয়ান জানোয়ার দের মুখে ঝাঁটার গদাম দিয়ে দেয় ।
তোরা ভালো করেই জানস ইসলামের কথা মানলে তোদের হালুয়া রুটির উপর পিঁপড়া উঠে যায় ।
এমন কি নিজের পায়ের জুতা দিয়ে নিজের গালেই বারি খাস ।
কারণ তোরা নগদে বিশ্বাসী।
তোরা পরকালে পাবি সেটা বিশ্বাস করিসনা ।
কারণ সেটা বাকী ।
এ জন্যই তোরা ইসলাম কে নিয়ে এতো ষড়যন্ত্র করিস ।
তোরা যতই চেষ্টা করিস না কেনো?
তবুও এপৃথিবীর থেকে ইসলামকে বিতারিত করতে পারবি না ।
কারণ ইসলামের আলো তোদের জন্ম দিনের জ্বালানো মোমের বাতি নয়?
এক ফু দিলেই নিবে যাবে ।বরং এর সুইচ মহান আল্লাহ হাতে ।
যে দিন আল্লাহ নিবিয়ে দিবেন?
সেদিন আপনারাও মহা অন্ধকারে পড়ে থাকবেন।
বাচার পথ খুজে পাবেনা?
কারণ আল্লাহ নিজেই বলেছেন যত দিন পর্যন্ত এই পৃথিবীতে আল্লাহ বলার লোক থাকবে ?
তত দিন এই দুনিয়াটা ধংস করবেনা ।
যখন এ পৃথিবীতে আল্লাহ বলার কেউ থাকবেনা?
তখন এই দুনিয়াও রাখবেন না ধংস করে দিবেন ।
ষড়যন্ত্র কারীদের বিরুদ্ধে কোরআনে আল্লাহ আরো বলেছেন.. (ﻳُﺮِﻳﺪُﻭﻥَ ﺃَﻥ ﻳُﻄْﻔِﺆُﻭﺍْ ﻧُﻮﺭَ ﺍﻟﻠّﻪِ ﺑِﺄَﻓْﻮَﺍﻫِﻬِﻢْ ﻭَﻳَﺄْﺑَﻰ ﺍﻟﻠّﻪُ ﺇِﻻَّ ﺃَﻥ ﻳُﺘِﻢَّ ﻧُﻮﺭَﻩُ ﻭَﻟَﻮْ ﻛَﺮِﻩَ ﺍﻟْﻜَﺎﻓِﺮُﻭﻥَ

তারা তাদের মুখের ফুৎকারে আল্লাহর নূরকে নির্বাপিত করতে চায়। কিন্তু আল্লাহ অবশ্যই তাঁর নূরের পূর্ণতা বিধান করবেন, যদিও কাফেররা তা অপ্রীতিকর মনে করে। They (the disbelievers, the Jews and the Christians) want to extinguish Allâh’s Light (with which Muhammad SAW has been sent - Islâmic Monotheism) with their mouths, but Allâh will not allow except that His Light should be perfected even though the Kâfirûn (disbelievers) hate (it) .সূরা তওবা,32

আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন হলো ইসলাম যদি এতই মানবতা হীন ধর্ম হয়ে থাকে?
তাহলে বেহাইয়া নির্লজ্জ মতো এই দেশে কেনো বাস করেন?
ঐ সমস্ত দেশে চলে যান,
যে দেশে ইসলাম নেই ।
একই থালাই খাবার খাবেন? আবার একই থালাতে পায়খানা করবেন?
আবার এই থালার খাবারই মুখ দিয়ে খেয়ে মানবতার কথা বলে?
এমনটা তো কুকুরেরা ও করে?
তা হলে আপনাদের হায়া লজ্জা গেলো কোথাই?
এমন কি আপনাদের অতি শিক্ষিত স্বাধীনতা বাদী বোনেরা কুকুরের লিঙ্গ দিয়ে সেক্স করে ।
নিজের ছেলে মেয়েকে কোলে না নিয়ে কুকুরকে কোলে নেয়,
এমন কি চুম্মাও দেয় ।
মানব হয়ে পুশু চরিত্র গ্রহণ করতে তোদের লজ্জা লাগে না?
লজ্জা লাগবে কি করে তোদের তো হায়া লজ্জা বলতেই নেই?
অ শিক্ষিত শয়তানেরা,
নির্লজ্জ নাস্তিক বাদীরা,
তোরা আমার এ কথা গুলোর জবাবদে ।
তোরা বলছ এই দুনিয়াতে আল্লাহ নেই।
তা হলে তোরা আল্লাহর নিয়ামতের খাবার খাস কেন?
তোরা যে সব খাবার গুলো খাস ?
এই খাবার গুলো তোর বাপ দাদারা বানিয়েছে না তোদের চৌদ্দ গোষ্ঠীরা বানিয়েছে?
বানিয়ে থাকলে তাহলে এক গ্লাস পানি বানিয়ে আমাদের কে দেখা।
কারণ আল্লাহ সবকিছু সৃষ্টি করেছেন পানি থেকে ।
তার পরও তোরা আমাদের সামনে যুক্তি দেস।
বলছ একেমন সৃষ্টি কর্তা যে তার সৃষ্টি জীবকে কষ্ট দেয়?
তা হলে তোরাও আমার প্রশ্নের জবাব দে ।
বল প্রতিটি দেশের সরকার দেশের জনগণকে কেনো কষ্ট দেয়?
কেনো বিনা চাকরিয়ে কর্মকর্তা কর্মচারীদের কে বেতন ভাতা দেয় না?
দেশের জনগণ অপরাধ করলে কেনো তাদের সাজা দেয়?
যে সরকার আজ পাচ বছর ক্ষমতায় আছে আগামী পাচ বছর ক্ষমতায় না ও থাকতে পারে এর কোনো গেরান্টিই নাই?
এমন কি এসব সরকার গুলি তোকে আমাকেও বানাই নাই?
বিনা কাজে একটি টাকাও দেয় নাই?
তবুও অপরাধ করলে জেল ফাঁসি দিতে পারে সামান্য কয়েক বছরের ক্ষমতার অধিকারী হয়ে।
তা হলে যে সৃষ্টিকর্তা আপনাকে আমাকে বানিয়েছেন,
এতো ভালো ভালো খাবার দিয়েছেন,
সেই খাবার পেট ভরে গলা পর্যন্ত খাস?
অথচ সেই সৃষ্টিকর্তা কাছে শুকরিয়া আদায় করছ না মুখ দিয়ে একবারও আল্লাহ বলে ডাকও দেস না?
তা হলে সেই আল্লাহ দেওয়া বিধান লংঙ্গন করলে কেনো তোকে আমাকে শাস্তি দিতে পারবে না?
আল্লাহ তো বলেই দিয়েছেন আমি মানুষ এবং জ্বীন জাতিকে সৃষ্টি করেছি একমাত্র আমার ইবাদত করার জন্য।
সাথে এই কথাও বলে দিয়েছেন যে আমার হুকুম মতে আমার ইবাদত করবে?
তাকে আমি উত্তম পুরস্কার দিবো।
যে আমার ইবাদত করবে না তাকে আমি কঠোর শাস্তি দিবো।
তাহলে আল্লাহ জলুম বিচারক হবে কেনো?
তার পর যদি আল্লাহ কে আল্লাহ মানতে পারছ না?
তাহলে আল্লাহ তৈরী করা পৃথিবীতে থাকস কেন?
তোরা কেনো এর চাইতে উন্নত একটি পৃথিবী বানিয়ে নে।যে পৃথিবীতে থাকবেনা কোনো হানাহানী,
থাকবেনা কোনো অসহায় মানুষের আহাজারী, থাকবেনা কোনো গজব মার্কা দূর্যোগ ।
যেখানে থাকবে শুধু শান্তি আর শান্তি।
তোরা বিজ্ঞান দিয়ে কথা বলিস।
বিজ্ঞান দিয়ে এতো কিছু তৈরী করতে পারিস?
তা হলে সামান্য অতি ক্ষুদ্র একটি ধান বা চাল কেনো তৈরী করিস না?
করলে তো গোদাম ভরা চাল বস্তা বর্তি ডলার দিয়ে বিদেশী প্রভুদের কাছ থেকে কিনতে হয়না।
অন্য বিষয় বাদ দিয়েই দিলাম।
অ শয়তানের শিক্ষায় শিক্ষিত গদা মূর্খরা,
এরপরও যদি আল্লাহ কে আল্লাহ না মানতে পারস?
তাহলে আল্লাহ নিজেই বলে দিয়েছেন আল্লাহ তৈরী জগৎ ছেড়ে বের হয়ে যেতে।
তারপরও কেনো বেহাইয়া নির্লজ্জের মতো আল্লাহ তৈরী জগতে থাকস?
তোদের হায়া লজ্জা গেলো কোথাই?
তোরা আরো বলছ যাকে দেখিনা তাকে মানি না।
তোদের কাছে আমার প্রশ্ন হলো তোরা বলছ মানুষ অক্সিজেন ছাড়া বাচে মাত্র দুই মিনিট।
সেই অক্সিজেন কি তোরা খালি চোখে দেখছ?
দেখে থাকলে আমাদেরকে দেখা।
গা উদ্দাম করে যে বাতাস খাস?
সেই বাতাস কি চোখে দেখস?
দেখে থাকলে আমাদেরকে দেখা।
না দেখাতে পারলে আমিও মানি না।
কারণ তোরাই বলছ যাকে দেখে না তাকে মানি।
তাহলে বাতাস, অক্সিজেন আছে এই সব বিশ্বাস করেছ কেন?
মিথ্যা বাদীরা এর জবাব দে।
তোরা যেমন খালি চোখে অক্সিজেন ও বাতাস দেখতে পাছ না?
অথচ এই বাতাস ও অক্সিজেন আল্লাহই সৃষ্টি করেছেন।
তোরা সেই আল্লাহ কে কিভাবে খালি চোখে দেখবি?
আল্লাহ তো নিজেই বলে দিয়েছেন দুনিয়ার কোনো কিছুই আমাকে আয়াত্তে আনার কারো ক্ষমতা নেই?
তোদের কাছ থেকে আমি জানতে চাই তোরা কি খালি চোখে সূর্যের দিকে তাকিয়ে থাকতে পারছ?
না কি সান গ্লাস লাগিয়ে তাকাস?
পৃথিবী থেকে ৯কোটি ৩০ লক্ষ মাইল দূরে সূর্যের অবস্হান।
সেই সূর্যের দিকে খালি চোখে তাকাতে পারছ না।
অথচ এই সূর্য আল্লাহ'ই সৃষ্টি করেছেন, সেই আল্লাহ কে খালি চোখ কিভাবে তাকিয়ে দেখবি?
আমাদের সমাজে একটি প্রচলিত কথা আছে ।
কথাটি হলো "পাগলে কি না বলে,ছাগলে কি না খায়?"তোদেরও সেই একই অবস্হা ।
তোরা আরো বলছ আল্লাহ যদি থেকে থাকে তাহলে আমরা আপনাদের কথা অনুযায়ী এতো পাপ করি?
তাহলে আমাদেরকে উত্তম রূপে সাজা দেয় না কেনো?
না দেওয়ার কারণ আল্লাহ নিজেই বলে দিয়েছেন "আমি দুনিয়া তে কাফেরদের কে ছেড়ে দিয়ে তারা যাতে তাদের ষড়যন্ত্র নিয়ে পেরেশান থাকে ।
আল্লাহ আরো বলেছেন "আমি কাফেরদের কে পথ দেখাই না ।
তা ছাড়া আল্লাহ কোনো সরকারদের মতো যালিম নয়?
এদেশে যত গুলো সরকার এসেছে?
সব গুলো সরকারই দেশের জনগণের পকেটের টাকা লুটেপুটে খেয়েছে,
এখনো রাক্ষের মতো খাচ্ছে।
সাধারণ মানুষের উপর কত নির্যাতন চালিয়েছে তার কোনো সঠিক হিসাব নেই।
বস্তা বর্তি মামলা হামলা তো আছেই ।
সামান্য পাঁচ বছরের ক্ষমতার অধিকারী হয়েই দেশের উপর তাবণ্ড চালিয়ে দেয় ।
তোরা কি আল্লাহ এসব যালিমদের মতো ভাবিস?
বরং আল্লাহ অতি দয়ালু।
মহান আল্লাহ তার বান্দাকে দয়া ও ক্ষমা করতে ভালোবাসেন ।
সে হোক মুমিন বা কাফের।
বরং আল্লাহ কাফেরদের কে দুনিয়া নিয়ামত আরো বাড়িয়ে দেন।
আল্লাহ নিজেই বলে দিয়েছেন "দুনিয়া মুমিনের জেল খানা ।
আপনাদের কথা অনুযানী আল্লাহ দুনিয়াতে মানুষের পাপের কারণে সাথে সাথে যদি শাস্তি দিতো?
কেউ কাফের থাকতো না সবাই মুমিন হয়ে যেত।কারণ আল্লাহ ধরা খুবই কঠিন।
আল্লাহ তোদের মতো হায়জ্যাক নয়?
মানুষের বুকে অস্ত্র ঠেকিয়ে কাউ কে ইসলাম গ্রহণ করার আল্লাহ তায়ালার কোনো দরকার নেই ।
আল্লাহ আমাদের সবাই কে পরিক্ষার মধ্যে রেখেছেন ।
এই জন্য আল্লাহ বলেই দিয়েছেন কেউ যদি মৃত্যুর এক মিনিট আগে তওবা করে ক্ষমা প্রার্থনা করে?
আমি তাকে ক্ষমা করে দিবো ।
কারণ আল্লাহ অতি দয়ালু ।
আল্লাহ দুনিয়ার কোনো সরকারের মতো সামান্য সময়ের ক্ষমতার অধিকারী নয়?
আল্লাহ চিরস্হায়ী ক্ষমতার অধিকারী।
একদিন সবাইকে আল্লাহর কাছে ফিরে যেতে হবে ।
সেদিনের রাজত্ব একমাত্র মহান আল্লাহর তায়ালার হাতে থাকবে ।
হয়রত মহাম্মাদুর (রাঃ) (সাঃ) ছাড়া কেউ কথা বলার সাহস পাবেন।
আজকের দিনে কে কি করেছিল সবই সবাই দেখতে পাবে ।কারণ আল্লাহ কুদরতি ক্যামেরা দিয়ে সবার কৃত কর্ম রেকর্ড করতেছে ।
সে দিন যার যার কৃতকর্মের ফল যার যার চোখের সামনে ভেসে উঠবে।কোরআনের একটি আয়াত দিয়ে আমার লেখা শেষ করতে চাই ।ﺇِﺫَﺍ ﺯُﻟْﺰِﻟَﺖِ ﺍﻟْﺄَﺭْﺽُ
ﺯِﻟْﺰَﺍﻟَﻬَﺎ
1)
যখন পৃথিবী তার
কম্পনে প্রকম্পিত হবে,
When the earth is
shaken with its
(final) earthquake.
ﻭَﺃَﺧْﺮَﺟَﺖِ ﺍﻟْﺄَﺭْﺽُ
ﺃَﺛْﻘَﺎﻟَﻬَﺎ
2)
যখন সে তার বোঝা বের
করে দেবে।
And when the
earth throws out
its burdens,
ﻭَﻗَﺎﻝَ ﺍﻟْﺈِﻧﺴَﺎﻥُ ﻣَﺎ ﻟَﻬَﺎ
3)
এবং মানুষ বলবে, এর
কি হল ?
And man will say:
”What is the
matter with it”?
ﻳَﻮْﻣَﺌِﺬٍ ﺗُﺤَﺪِّﺙُ ﺃَﺧْﺒَﺎﺭَﻫَﺎ
4)
সেদিন সে তার বৃত্তান্ত
বর্ণনা করবে,
That Day it will
declare its
information (about
all what happened
over it of good or
.(evil
ﺑِﺄَﻥَّ ﺭَﺑَّﻚَ ﺃَﻭْﺣَﻰ ﻟَﻬَﺎ
5)
কারণ, আপনার
পালনকর্তা তাকে আদেশ
করবেন।
Because your Lord
has inspired it.
ﻳَﻮْﻣَﺌِﺬٍ ﻳَﺼْﺪُﺭُ ﺍﻟﻨَّﺎﺱُ
ﺃَﺷْﺘَﺎﺗًﺎ ﻟِّﻴُﺮَﻭْﺍ ﺃَﻋْﻤَﺎﻟَﻬُﻢْ
6)
সেদিন মানুষ বিভিন্ন
দলে প্রকাশ পাবে,
যাতে তাদেরকে তাদের
কৃতকর্ম দেখানো হয়।
That Day mankind
will proceed in
scattered groups
that they may be
shown their deeds.
ﻓَﻤَﻦ ﻳَﻌْﻤَﻞْ ﻣِﺜْﻘَﺎﻝَ ﺫَﺭَّﺓٍ
ﺧَﻴْﺮًﺍ ﻳَﺮَﻩُ
7)
অতঃপর কেউ অণু পরিমাণ
সৎকর্ম
করলে তা দেখতে পাবে
So whosoever does
good equal to the
weight of an atom
(or a small ant),
shall see it.
ﻭَﻣَﻦ ﻳَﻌْﻤَﻞْ ﻣِﺜْﻘَﺎﻝَ ﺫَﺭَّﺓٍ
ﺷَﺮًّﺍ ﻳَﺮَﻩُ
8)
এবং কেউ অণু পরিমাণ
অসৎকর্ম করলে তাও
দেখতে পাবে।
And whosoever
does evil equal to
the weight of an
atom (or a small
ant), shall see it.
99.আমার প্রিয় মুসলিম ভাই বোনদের প্রতি অনুরোধ রইলো, আপনারা যে যেভাবে পারেন পোস্টি শেয়ার করে ইসলাম বিদ্বেষীদের হাতে পৌছে দিন ।তাদের অপচেষ্টার বিরুদ্ধে লড়াই করে যাওয়া আপনার আমার সকলেরই দ্বায়িত্ব ।আপনিও আপনার দ্বায়িত্ব পালন করুন।এ্যাডমিন ভাই বোনদের প্রতি অনুরোধ রইলো পোস্ট করার সময় আমার ব্লগ http://sayedrubel.blogspot.com লিংকটি যুক্ত করে দিবেন ।অনুরোধ ক্রমেঃ ব্লগার সৈয়দ রুবেল, লেখক প্রকাশক ও সম্পাদকঃ জানার আছে অনেক কিছু ।এবিষয়ে আপনার মতামত কি আমাকে জানান ।সবাই কে ঈদের শুভেচ্ছা ।আল্লাহ হাফেজ ।

Next post অমুসলিমরা ইসলামকে নিয়ে এতো সমলোচনা করে কেনো?এর দাত ভাঙ্গা জবাব দেখুন

শেয়ার করে আপনার বন্ধুদেরকে জানান ।এটা আপনার আমার সকলের দ্বায়িত্ব ।প্রকাশক ও সম্পাদক সৈয়দ রুবেল উদ্দিন
Read More

বিধর্মীদের সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও বাংলার বীর মুসলমান


এই বোনটির মতো আমাদের সমাজের প্রতিটি বোন যদি হেজাব বা পর্দা পালন করতো তা হলে আমাদের সমাজের একটিও মেয়েকেও যৌন হয়রানীর শিকার হতোনা ।বর্তমানে যেসব মেয়েরা যৌন হয়রাণীর শিকার হয়? তারা সবাই অশালিন পোশাক পরিধান করে যুবকদের চোখের সামনে দিয়ে বুক খুলিয়ে পাছা দুলিয়ে হেটে যায় ।যাতে ওনার দর্শক বাড়ে ।আমাদের সমাজের দর্শকরাও দেখার সাথে পুলটিও লাগিয়ে দেয় । আপনারা সবাই একটা কথা মনে রাখবেন সস্তা মালেই বস্তা ভরা কাষ্টমার থাকে ।এরাও খোলা বাজারের সস্তা মাল ।এরা এতোটাই মূল্যহীন যে এদেরকে যারা ভোগ করে অথবা দেখে তাদেরকে একটি পয়সাও খরচ করতে হয়না । নারীদের এ অবস্হার জন্য দ্বায়ী এদেশের কিছু কুখ্যাত নারীরা ।তারা ইহুদী খৃষ্টান নাস্তিকদের কথা মতো নারী অধিকারের কথা বলে এদেশের ধর্ম প্রাণ বোনদেরকে ব্যবসার পণ্য বানিয়েছে ।ছবি গুলোতে নারীদেরকে খোলামেলা দৃশ্য ধারণ করে সারা পৃথিবীর পুরুষদের ভোগের বস্তুতে পরিনিত করেছে ।আবার এর দ্বায় ভার ইসলামের উপর চাপিয়ে দিয়ে বলে ইসলাম নাকি নারীদেরকে ভোগের বস্তু হিসাবে ব্যবহার করে ।অথচ ইহুদী খৃষ্টানেরা নারীদের দেহ পথে ঘাঁটে আলু পটলের মতো বিক্রয় করতেছে । এসমস্ত ভিডিও দেখিয়ে আমাদের ঈমান আমল নষ্ট করে জাহান্নামী বানাচ্ছে ।এসব অশ্লীলতার বিরুদ্ধে কথা বললে এদেশের লুচ্চা বদমাশদের মতো নটি ছিনালদেরও মাথায় বারি পড়ে যায় ।যেমন নাফিসা নুসরাত তুন্নি নামক এক মেয়ে আমার ফেসবুকে বার্তা পাঠিয়ে এই বলে(ঐ ব্যাটা ফালতু,মেয়েদের নামে উল্টাপাল্টা লিখে শিক্ষামূলক ব্লগ খুলছিস!তোর মাও তো একটা মেয়ে নাকি? মে 20) আমিও উত্তর দিলাম এই লিখে (হ্যাঁ আমিও এক মায়ের পেট হতে জন্ম নিয়েছি,তবে ঐসমস্ত নটি ছিনালদের পেট হতে নয়?) আজ ভাবতেও ঘৃণা লাগে যে আগে আমদের মা বোনদের পেট হতে বের হয়ে আসতো শাহ্ জালাল, শাহ্ পরাণ এর মতো আল্লাহর অলিরা ।অথচ আজ কাল মেয়েদের পেট হতে বের হয়ে আসতেছে লুচ্চা বদমাশ ইভটিজারেরা ও কুখ্যাত সন্ত্রাসীরা ।যারা দিনে দুপুরে মেয়েদের বুকে হামচ্ছা মারে ।দিনের বেলাতেই মানুষের বুকে পিস্তল ঠেকিয়ে সাধারণ মানুষের জীবন কেড়ে নিচ্ছে ।এর জন্য দ্বায়ী এদেশের তথা কথিত নারী বাদীরাই ।এদেশের নারী বাদীর পুরুষদের বিরুদ্ধে নয় এরা সরাসরি ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলে ।এদেশের নারী বাদীর নারীর অধিকার, সম্মানের কথা বলে মুসলিম নারীদেরকে অর্ধনগ্ন করে বিশ্বের দরবারে হাজির করে মুসলিম নারীদের ইজ্জত ধূলুতে মিশাই দিতেছে ।
আমেরিকার পা চাটার দালালের এদেশের মুসলিম বোনদেরকে তাদের দেশের নোংরা মেয়েদের মতো লেংটা করে ঘুড়াতে চাচ্ছে ।
যাতে তারা বলতে পারে মুসলিম মেয়েরাও কুমারীত্ব হীন ।
গত কয়েক দিন আগে চট্টগ্রামে ঘটে গেলো এক দুঃখ জনক ঘটনা ।
আমাদের নার্সিং মুসলিম বোনদের হেজাব পরতে বাধা ও নামাজের ঘরে তালা লাগিয়ে দিয়ে ছিল এদেশেরি তথা কথিত হিন্দু ও ধর্ম নিরপক্ষ বাদীরা ।
এটি নিয়ে তাদেরকে আন্দোলন পর্যন্ত করতে হলো ।অথচ এ দেশেরী নির্লজ্জ মেয়েরা গাঁ উদাম করে হাটে ।
কিন্তু আমরা তো কেউ তাদের গায়ে কাপড়ের বস্তা চাপিয়ে দিচ্ছিনা ।
তাহলে তারা কেনো আমাদের হিজাব পরিহিত বোনদের গায়ের কাপড় খুলে নিবে?
একেমন স্বাধীন দেশে বাস করতেছি আমরা ।
যেদেশের নির্লজ্জ মেয়েরা বুক খুলিয়ে থাকে অথচ তাদেরকে পর্দা করার কথা বলতে পারিনা ।
যেসব ধর্ম প্রাণ মুসলিম বোনেরা হেজাব পরে তাদেরকেও বাঁধা দেয় ।
তারা এদেশের মুসলিম মেয়েদের কাছ থেকে কি চায়?উত্তর টি খুবই সহজ ।এদেশের বিধর্মীরা চায় তাদের ধর্মের নোংরা মেয়েদের মতো এদেশের মুসলিম মেয়েরা যাতে পুশুদের মতো যৌনাঙ্গ দেখিয়ে চলাফেরা করে । যারা হেজাবের বিরুদ্ধে কথা বলে তাদের কে আমি চ্যালেন্জ করতেছি । আপনারা আমাদের কে দেখান কোন হেজাব পরিহিত নারী যৌন হয়রানী শিকার হয়েছে । পারলে দেখান । আপনারা দেখাতে পারবেন না । কারণ হেজাব নারীর বন্দি শালা নয়? হেজাব নারীর ইজ্জত সম্মান রক্ষার ঢাল । এদেশের বস্তা ভর্তি সস্তা মেয়েরা হেজাব ছাড়া চলবে । আল্লাহর তৈরী গজব এদের উপরেই এসে পড়বে । এরা ইহকাল ও পরকালে এই দুই কালেই চরম বেইজ্জতি হবে । হে বাংলার বীর মুসলমান তুমি আর কত ঘুমিয়ে থাকবে । এবার জাগো । বিধর্মীদের সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও । তাদের সকল অপপ্রচারের বিরুদ্ধে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দাও । যতই তুমি চুপ থাকবে ততই তাদের হাতে মার খাবে । যারা ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলে তাদের বিরুদ্ধে তুমি যদি প্রতিবাদ না করো তাহলে তোমার কাছে ঈমানের লেশ মাত্রও নেই । ব্লগার সৈয়দ রুবেল উদ্দিন এ্যাডমিনিষ্টরঃ জানার আছে অনেক কিছু । এবিষয়ে আপনার সুস্পষ্ট মতামত সবার সামনে তুলে ধরুন । শেয়ার করুন । শেয়ার করলে পাঠক পাওয়া যায় বেশী । তখন লেখাও স্বার্থক হয় ।

Blog eiditor_Syed Rubel.ইহুদী, খৃষ্টান, হিন্দু ,বৌদ্ধ, নাস্তিক ও দেশের নারীবাদীদের ইসলামের বিরুদ্ধে করা সকল অপপ্রচারের দাঁত ভাঙ্গাঁ জবাব দেখুন এই পোস্ট টি থেকেশেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

অমুসলিমরা ইসলামকে নিয়ে এতো সমলোচনা করে কেনো?এর দাত ভাঙ্গা জবাব দেখুন

বাংলাদেশের ইহুদী খৃষ্টান হিন্দু বৌদ্ধও নাস্তিকেরা তারা মানবতার ধর্ম ইসলামকে সহ্য করতে পারেনা ।ইসলামের কথা মানলে ওদের বাপ দাদার হাতের বানানোর ধর্মের মুখে চুলকানী পড়ে যায় ।নাস্তিকদেরও মাথাই বারী পড়ে যায় ।ওরা সবাই মিলে একজোট হয়ে পাগলার কুত্তার মতো ইসলামের পিছনে লেগেছে ।তারা চায় না এইদেশে ইসলাম থাকুক ।কারণ আল্লাহু আকবার ( আল্লাহ্ সর্বশক্তিমান) ওরা মানতে পারেনা ।যার কারণে ওরা ভিভিন্ন দেব দেবীর মূর্তি বানিয়ে পূজা করে ।এসব দেবা দেবীদের চেহারা দেখলেই বুঝা যায় ওরা যে শয়তান ।জানিনা ওরা কি বুঝে নিজের হাতের বানানোর মূর্তিকে পূজা দেয় ।সব চেয়ে হাস্যকর বিষয় হল তারা এসব মাটির মূর্তি দুধ কলা দিয়ে খাবারও দেয় ।মাছি এসে খাবার লইয়া যায় আটকাতে পারেন ।অথচ এই পথভষ্টরা নিজেদের হাতের বানানো মূর্তিকে হরে কৃষ্ণ হরে রাম রাত ফুয়ালে টাকার কাম জান দিয়ে ডাকে কিন্তু আল্লাহ কে সর্বশক্তিমান মানতে রাজি নয়? অন্তত্য ঘৃণ্যতার সাথে আমাকে বলতে হচ্ছে এসব শয়তানি কাজ কর্ম আমরা নিজেরাই গিয়ে দেখি ।ঐসমস্ত মুসলমানদের কাছ থেকে জানতে চাই তোদের হায়া লজ্জা গেলো কোথাই? যারা ইসলাম নিয়ে কুরুচি পূর্ণ কথা বলে ।বিশ্ব নবীকে গালি গালাজ করে ।বোনদের বুকের বসন খুলে নিতে চায় ।তার পরেও কি আমাদের লজ্জা হবেনা ? ।এদেশের লুচ্ছা বদমাশরাও ওঠে পড়ে লেগেছে ।তারা শোগ্নান দেয় সমান অধিকারের কথা বলে ।পর্দা নাকি নারীর বন্দিশালা ।আমাদের বোনরারও পাল্টা জবাব দেওয়ার উচিৎ এই বলে (দেশের লুচ্ছা বদমাশদের মুখে আগুন জ্বালা) ।কিন্তু বোনেরা এর জবাব না দিয়ে ওদের কথা মতো বুকের কাপড় খুলিয়া রাস্তা দিয়ে হাটে ।আর বিনা পুজিয়ে দেশের লুচ্ছা বদমাশরা সেরা হট বিনোদন উপভোগ করে ।বস্তা ভরা সস্তা মালতো এদেরকেই বলে ।এদেশের মা বোনরা কেনো বুঝেনা আল্লাহর চাইতে ইহুদী খৃষ্টান নাস্তিকদের মনে দয়া মায়া বেশী নয়?ও আমার মা বোনেরা তোমরা আল্লাহর দেওয়া সুন্দর দুইটি চোখে তাকিয়ে দেখ সমান অধিকারের কথা বলে তোমাদেরকে ব্যবসার পণ্য বানিয়েছে ইহুদী খৃষ্টান নাস্তিকেরা ।তারা নারীর খোলা দেহ বিক্রয় করে তারা হাতি নিচ্ছে হাজারো কোটি টাকা ।এরপরও কি তোমারা সঠিক পথে আসবেনা?তোমরা মা, বোন, স্ত্রী ও মেয়ের জাতি হয়ে কেনো ইহুদী, খৃষ্টান, নাস্তিকদের কথা শুনে নির্লজ্জের মতো অর্ধনগ্ন হয়ে আমাদের সামনে ঘুরে বেড়াও ।ছয় আঙ্গুলের লেজ দিয়ে ছাগল তার যৌনাঙ্গ ডেকে রাখে ।কিন্তু দের হাত লেজ থাকার সত্তেও কুকুর লেজ খাঁড়া তার যৌনাঙ্গ দেখায় ।তার একমাত্র কারণ কুকুর হল নির্লজ্জ প্রাণী ।তাই কুত্তা ছাগলের কাছ থেকেও বর্তমানের নির্লজ্জ মেয়েদের শিক্ষা নেওয়া উচিৎ।কুকুর যেমন নির্লজ্জ নির্কৃষ্ট,ঠিক এপৃথিবীর ইহুদী, খৃষ্টান, নাস্তিকদের স্বভাব চরিত্র কুত্তার চেয়েও নির্কৃষ্ট ।এখন আপনি চিন্তা করে দেখুন যাদের স্বভাব কুত্তার চেয়ে নির্কৃষ্ট ঠিক তাঁরাই আইছে আমাদের বোনদের কে সমান অধিকার দিতে ।সমান অধিকার যদি দিতে হয় তাহলে ঘরের বাহিরে যাওয়া লাগবে কেনো? ঘরের ভিতরেই তো দেওয়া যায় ।আসল কথা হলো তাদের মতলব খারাপ ।আমার মা আমাকে সব সময় একটি কথা বলতো ।সেটি হল (আপন মারে কাদিয়ে, পর মারে হাসিঁয়ে) আজ এর বাস্তব প্রমাণ পেয়েছি ।ঠিক তেমনি ভাবে এদেশের ইহুদী, খৃষ্টান, নাস্তিকেরাও আমাদের মুসলিম বোনদেরকে হাসিয়ে মারতে চায় ।তারা হাসিয়ে মারতে মারতে জাহান্নামে পোছিয়ে দেয় ।একথা আমি বললাম এজন্যই যে.. ইহুদী, খৃষ্টান, নাস্তিকেরা সব চেয়ে বেশী সমলোচনা করে ইসলামে নারীর অধিকার নিয়ে ।এবং এরা ইসলামে নারী অধিকার নিয়ে সীমাহীন অপপ্রচারে লিপ্ত।তারা একাজে সফলতা পাওয়ার জন্য এদেশেরী কিছু নারী বাদী দেরকে ব্যবহার করতেছে কারণ লোহা দিয়ে লোহা কাড়তে হয় কাঠ দিয়ে কোনো লোহা কাটেনা।কিন্তু এত সহজ বিষয়টি আমাদের গদা মূর্খ বোনেরা বুঝেনা ।না বুঝার কারণ হলো তাদের মগজ ধূলাই হয়ে গেছে ।ওরা অধিকার আদায় কারী নারীবাদীদের সাথে জোট বেধেছে ।রাস্তায় অর্ধনগ্ন হয়ে শ্লোগান দেয় অধিকার আদায়ের জন্য ।এর পিছন থেকে ইন্দন দেয় ইহুদী খৃষ্টান নাস্তিকেরা ।ওরা বলে ইসলাম নারীকে ঠকিয়েছে ।জানতে চাইলাম কিভাবে? বলে সম্পদে বেলা । ইসলাম নারীকে দিয়েছে চাঁর আনা ।পুরুষকে দিয়েছে আট আনা ।
এখানে যে চার আনা কম দিলো? আমি বললাম ঠিক আছে আমি আপনাদের কথা মেনে নিলাম ।
এবার বলে সনাতন হিন্দু ধর্মে নারীদেরকে কত আনা দিয়েছে?
তারা বলে হেঁ হেঁ ।
আমি বললাম হেঁ হেঁ কি?
আবারো বললো হেঁ হেঁ ।
আমি বললাম হেঁ হেঁ বললে আমি কি বুঝবো?
হেঁ হেঁ না করে কত আনা দিয়েছে সেটা বলুন ।
তারা বলেঃ এক আনা ও না ।
আমিঃ ভূতের ধর্ম বৌদ্ধ তে কত আনা দিয়েছে?
তারাঃ হেঁ হেঁ ।
আমিঃ হেঁ হেঁ কি?
তারাঃ হেঁ হেঁ ।
আমিঃ হেঁ হেঁ করলেতো আমি কিছুই বুঝবনা ।
কত আনা দিছে সেটা বলুন?
তারাঃ এক আনাও না ।
আমিঃ মহা ধাঁ ধাঁ শিকার খৃষ্টান ধর্মে কত আনা দিয়েছে?
তারাঃ হেঁ হেঁ ।
আমিঃ হেঁ হেঁর মানে কি? কত আনা দিয়েছে সেটা বলুন? ।
তারাঃ এক আনাও না ।
আমিঃ হায়ওয়ান জানোয়ারের ধর্ম ইহুদীতে কত আনা দিয়েছে? তারাঃ এক আনাও না ।আমিঃ অন্য ধর্ম গুলি নারীকে এক আনাও দেয় নাই তবু সেটা নিয়ে মাথা ব্যাথা নাই? ।কিন্তু ইসলাম নারী দিয়েছে চার আনা ।আর সেটাই ইহুদী খৃষ্টান নাস্তিকদের মাথার ব্যাথার কারণ হয়ে দাড়িয়ে ।বুঝে থাকলে এবার বলুন তাদের পেছনে জোগান কাদের? আমার মনে হয় বুঝতে কারো বাকী নেই? ।যেসব নারীবাদীরা ইসলামের নারী অধিকার নিয়ে কথা বলে তাদের বিবেক বুদ্ধি গেলো কোথাই?ইসলামে নারীর অধিকার আছে বারো আনা ।আর দ্বায়িত্ব হলো চার আনা ।এখন এটাকে সমান অধিকারের নামে যদি আট আনা করা হয়?তাহলে সমান দিল না বাড়তি আরো চার আনা দ্বায়িত্বের বুঝা নারীর ঘাড়ে চাপিয়ে দিল? চুপ না থেকে বীরপুরুষের মতো উত্তর দিয়ে যাবেন ।যে সমস্ত ইহুদী খৃষ্টান নাস্তিকেরা ও এর দালালেরা রাস্তায় নারীর সমান অধিকার নামে শোগ্নান দেয় তারা এক নম্বর বাটপার,লম্পট, ধোকাবাজ ।রাস্তায় সমান অধিকারের নামে শোগ্নান দেয় ।বাসায় গিয়ে একের এক বাচ্ছা বউয়ের পেটে দিয়ে দেয় একটিও নিজের পেটে নেয়না ।বছরের পর বছর বাচ্ছাকে দুধ পান করা তাঁর বউয়েরে দিয়ে কিন্তু নিজে একবারও খাওয়াই না ।জন্মনিয়ন্ত্রের ইনজেকশন বানায়, কিন্তু পুরুষে যাতে সন্তান নিজের পেটে ধারণ করতে অথবা নিজের বুকের দুধ বাচ্ছা কে পান করাতে পারে এরকম ইনজেকশন তো বানায় ।না বানানোর একমাত্র কারণ হল সন্তান পেটে ধারণ করা কষ্টের কাজ ।সন্তান জন্ম দেওয়া কষ্টের কাজ ।সন্তানকে দুধ পান করানো কষ্টের কাজ ।এই কষ্টের গজব যাতে নিজের উপরে না পরে ।একথা গুলো বুঝে থাকলে বলুন তাঁরা কি বাটপার নয়?কিন্তু আল্লাহ পুরুষের পেটে বাচ্ছা দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন আল্লাহ চাইলে সবই পারে ।তাঁর সাথে একটি নারীকে দিয়ে চারটি সন্তান কে সুস্থ ভাবে জন্ম দিয়ে কাফেরদের হাতে তৈরী জন্মনিয়ন্ত্রের পদ্ধতির দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিয়েছেন।পৃথিবীতে সর্ব প্রথম জন্মনিয়ন্ত্রণের আইন করে নমরূদ ।তার একমাত্র কারণ হল পৃথিবীতে যাতে ইসলাম না থাকে ।সে বলে ছিল পৃথিবীতে ইসলামের কালো ছাঁয়া রাখবেনা ।না রাখার একমাত্র কারণ হল তাঁরা আল্লাহু আকবার সহ্য করতে পারেনা ।বর্তমানে বাংলাদেশেও তথা কথিত বুদ্ধিজীবিরা ও ইহুদী খৃষ্টান নাস্তিকদের পাঁ চাঁটা দালালেরা তারাও আল্লাহু আকবার সহ্য করতে পারেনা ।যার কারণে তারা ইসলামকে নিয়ে গালিগালাজ করে ।এদেশ থেকে ইসলামকে কিভাবে বিতারিত করা যায় সে চেষ্টায় তারা সর্বক্ষণ লিপ্ত ।কিন্তু তারা যতই চেষ্টা করুক সফল হতে পারবেনা ।কারণ সর্ব শক্তিমান যিনি ইসলামকে রক্ষা করবেন তিনি ।নমরুদ,ফেরাউন,আবু জাহেলের মতো এদেশের ইসলামের শত্রুরা ও এ পৃথিবীর থেকে চিরতরে মুছে যাবে ।কিন্তু নমরুদ,ফেরাউন,আবু জাহেলের মতো এদের নামও রেখে দিবেন ।যাতে মুসলিমরা এদের প্রতি ঘৃণা দেখাতে পারে ।এদের শাস্তি কত কঠিন হবে নিচে কুরআনের আয়াত দ্বারাই বুঝতে পারবে ।

{ যারা আমাদের আয়াত সমূহ প্রত্যাখ্যান
করেছে খুব শিঘ্রই
আমরা তাদেরকে আগুনে নিক্ষেপ
করবো ।
তাদের চামড়া পুড়ে গলে যাবে তখন তার
পরিবর্তে আমরা তাদেরকে নতুন
চামড়া দিয়ে দেব।
যেন তারা আযাবের স্বাদ বুঝতে পারে ।
নিঃসন্দেহে আল্লাহ মহাশক্তিমান
মহাজ্ঞানী ।৪:৪৬}

এখন আপনাদের সামনে পাঁচটি প্রশ্ন তুলে ধরতে চাই ।

(প্রশ্নঃ১) আমাদের আল্লাহও রাসুলের চাইতে ইহুদী খৃষ্টান নাস্তিকদের মনে দয়া মায়া বেশী-না আল্লাহও রাসুলের মনে দয়া মায়া বেশী?

(প্রশ্নঃ২)নারীদেরকে ভোগের বস্তু ইসলাম বানিয়ে-না ইহুদী,খৃষ্টান, নাস্তিক,তথা কথিত নারীবাদীরা বানিয়েছে?

(প্রশ্নঃ৩) জান্নাত কি বাবার পায়ে নিচে-না মায়ের পায়ের নিচে?

(প্রশ্নঃ৪) খোলা মালের দাম বেশী-না প্যাকেট করা মালের দাম বেশী?

(প্রশ্নঃ)নারী কি ব্যবসার পণ্য-ব্যবসার পণ্য না হয়ে থাকলে ভিডিও গানেতে অথবা ছবিতে এতো অর্ধনগ্ন হয়ে অভিনয় করে কেনো?

এই পাঁচটির প্রশ্নের উত্তর আপনারা সঠিকভাবে দিয়ে যাবেন ।তার সাথে আল্লাহু আকবার বলে যাবেন ।
যাতে কাফেরা জুতা মুঝা খুলে পালাই ।
এ্যাডমিন ভাই বোনদের প্রতি অনুরোধ রইলো শেয়ার করার সময় ব্লগের এই http://sayedrubel.blogspot.com লিংকটি দয়া করে উলেখ্য করে দিবেন ।

পাঠক ভাই বোনদের প্রতি অনুরোধ রইলো সবাই একটি করে শেয়ার করবেন ।

এতে আমার চলার পথে অনুপ্রেরণা পাবো ।
এবং আরো ভালো ভালো পোস্ট আপনাদেরকে উপহার দিতে পারবো ।
অনুরোধ ক্রমেঃ সৈয়দ রুবেল উদ্দিন ।
blogger_syedrubelsylhetbd@live.com
এ্যাডমিনিষ্ট >< জানার আছে অনেক কিছু ><

ভারতে মেয়ে হয়ে জন্ম নেওয়াটাই আজন্ম পাপ ।:

আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

বাংলাদেশ কে লুটেপুটে খেতে চায় ভারত।


এমন ভাবেই চড় মারার উচিৎ।...................ব্লগার...........সৈয়দ রুবেল..............

ভারত বাংলাদেশ কে সব সময় লুটে পুটে খাবে,সেটারও প্রমাণ দিয়ে গেলো প্রবণ ।বিশেষ কোনো দলের সাথে নয়, সব দলের সাথে সমান সম্পর্ক চায় ভারত ।একথার দ্বারা প্রমাণ হয়ে গেলো ভারত বাংলাদেশ কে লুটেপুটে খেতে চায় ।যেভাবে খেতেছে এখনো ।তারা ভালো করেই জানে বাংলাদেশে কোনো সরকার বারে বারে ক্ষমতায় থাকেনা ।এর জন্যই তারা বিশেষ দলের সাথে নয় সব দলের সাথে সমান সম্পর্ক রেখে সমান ভাবে বাংলাদেকে লুটেপুটে খেতে চায় ।সমান ভাবে পাখীর মতো গুলি করে আমাদেরকে মারতে চায় ।টিপামুখে বাধ দিয়ে বাংলাদেশে পানি সরবরাহ বন্ধ করতে চায় ।তিস্তাকে মরুভূমি বানাতে চায় ।এসব কথা বলে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন থামাতে চায় ।হে বাংলার বীর যুবক,তুমিকি এখনো ঘুমিয়ে থাকবে?রক্ত দিয়ে কিনেছো যে মাটি,সে মাটিতে গড়ে উঠেছে ইন্টারন্যাশনাল সন্ত্রাসীর ঘাটি ।আর কত দেখবো এসব অবিচার ।৭১সালে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে ভিজিয়েছি এই বাংলার মাটি, আজও ভিজাইতাছি ।আর কত রক্ত ঝড়লে স্বাধীন হবে এই বাংলার মাটি ।



ধরা যাবেনা, ছোঁয়া যাবেনা ,বলা যাবেনা কথা, রক্ত দিয়ে পেলাম শালার এমন স্বাধীনতা ।স্বাধীনতা পাওয়ার চেয়ে রক্ষা করাই কঠীন হয়ে দাড়ীয়েছে ।তার একমাত্র কারণ হল ক্ষমতাসিনদের নত জানোর নিতির কারণে ।বার বার আমরা নায্য অধিকার থেকে বনচিত হচ্ছি ।তারপর আমরা বসে আছি ।পায়ের উপর পাও তুলে ইস্টার প্লাস ইস্টার জলসা দেখি ।আর বসে নয়......... আসুন সবাই মিলে এক সাথে+চড় মারি তাদের গালে ।যারা চড় মারতে চান ? তারা লাইকান ।তার সাথে আপনার চড় মারার সংখ্যা কত কমেন্টে উলেখ্য করুন ।এমন ভাবে চড় মারুন যাতে দাতি লেগে যায় ।অর্থাত চড় মারবো এখানে পড়ে থাকবি শসানে ।শেয়ার করে আপনার বন্ধুদেরকে জানান ।
Read More