আল কোরআন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আল কোরআন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

পবিত্র কোরআনে একটি বিষ্ময়কর তথ্য

পবিত্র কোরআনেঃ
পুরুষ শব্দটা এসেছে ২৪ বার, নারীশব্দটা এসেছে ২৪ বার
আদেশ শব্দটা এসেছে ১০০০ বার, নিষেধ শব্দটা এসেছে ১০০০ বার
হালাল শব্দটা এসেছে ২৫০ বার, হারাম শব্দটা এসেছে ২৫০ বার
জান্নাত শব্দটা এসেছে ১০০০ বার, জাহান্নাম শব্দটা এসেছে ১০০০ বার
দুনিয়া শব্দটা এসেছে ১১৫ বার, আখিরাত শব্দটা এসেছে ১১৫ বার
ফেরেশতা শব্দটা এসেছে ৮৮ বার, শয়তান শব্দটা এসেছে ৮৮ বার
জীবন শব্দটা এসেছে ১৪৫ বার, মৃত্যু শব্দটা এসেছে ১৪৫ বার
উপকার শব্দটা এসেছে ৫০ বার, ক্ষতিকর শব্দটা এসেছে ৫০ বার
মানুষ শব্দটা এসেছে ৩৬৮ বার, রাসূল শব্দটা এসেছে ৩৬৮ বার
যাকাত শব্দটা এসেছে ৩২ বার, বরকতশব্দটা এসেছে ৩২ বার
জিহ্বা শব্দটা এসেছে ২৫ বার, উত্তম বাক্য শব্দটা এসেছে ২৫ বার
মাস শব্দটা এসেছে ১২ বার, দিন শব্দটা এসেছে ৩৬৫ বার
●●►আল্লাহ বলেনঃ
‘এতদসম্পর্কে যদি তোমাদের কোন সন্দেহ থাকে যা আমি আমার বান্দার প্রতি অবতীর্ণ করেছি, তাহলে এর মত একটি সূরা রচনা করে নিয়ে এস। তোমাদের সেসব সাহায্যকারীদেরক ে সঙ্গে নাও-এক আল্লাহকে ছাড়া, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো।
আর যদি তা না পার-অবশ্য তা তোমরাকখনও পারবে না, তাহলে সে দোযখের আগুন থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টাকর, যার জ্বালানী হবে মানুষ ও পাথর। যা প্রস্তুত করা হয়েছে কাফেরদের জন্য।'
সূরা বাকারা। আয়াতঃ ২৩-২৪
●●►অতএব,
এটা নির্দিধায় বলা যায় যে, মহাগ্রন্থ আল কুরআন কোন মানুষেরবানানো নয় বরং এটা মহান স্রষ্টা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকে আমাদের জন্যএক বিশেষ নেয়ামত। মুক্তির পথ।
--------------- --------------- ---- সুবহানাল্লাহ!
●●►আসুন, পবিত্র কোরআন পড়ি। কোরআন অনুযায়ী জীবন গড়ি।

Blog eidtor_Syed Rubel
আরো দুটি চমৎকার পোস্ট পড়ুন।
পোস্ট এক বিধর্মীদের সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও বাংলার বীর মুসলমান পোস্ট দুই অমুসলিমরা ইসলামকে নিয়ে এতো সমলোচনা করে কেনো?এর দাত ভাঙ্গা জবাব দেখুনশেয়ার করে আপনার বন্ধুদের কে জানার সুযোগ দিন ।আপনি জেনেছেন হয়তো সে জানেনা ।আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।সাথে থাকুন সব সময় ।আল্লাহ্ হাফেজ ।
Read More

এরা এমন সব লোক যারা নিজেদের রবের নিদর্শনাবলী মেনে নিতে অস্বীকার করেছে

"এরা এমন সব লোক যারা নিজেদের
রবের
নিদর্শনাবলী মেনে নিতে অস্বীকার
করেছে এবং তাঁর সামনে হাযির হবার
ব্যাপারটি বিশ্বাস করেনি। তাই তাদের
সমস্ত কর্ম নষ্ট হয়ে গেছে, কিয়ামতের
দিন তাদেরকে কোন গুরুত্ব দেবো না।"
(সুরা কাহফঃ ১০৫)
অর্থাৎ এ ধরনের লোকেরা দুনিয়ায় যতই
বড় বড় কৃতিত্ব দেখাক না কেন,
দুনিয়া শেষ হবার সাথে সাথে সেগুলোও
শেষ হয়ে যাবে। নিজেদের সুরম্য
অট্টালিকা ও প্রাসাদ, নিজেদের
বিশ্বখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় ও সুবিশাল
লাইব্রেরী, নিজেদের সুবিস্তৃত রাজপথ ও
রেলগাড়ী, নিজেদের আবিষ্কার ও
উদ্ভাবনসমূহ, নিজেদের শিল্প ও
কলকারখানা, নিজেদের জ্ঞান-বিজ্ঞান
ও আর্ট গ্যালারী এবং আরো অন্যান্য
যেসব জিনিস নিয়ে তারা গর্ভ করে তার
মধ্য থেকে কোন জিনিসও
তারা আল্লাহর তুলাদণ্ডে ওজন করার
জন্য নিজেদের সাথে নিয়ে আল্লাহর
দরবারে হাযির হতে পারবে না।
সেখানে থাকবে শুধুমাত্র কর্মের
উদ্দেশ্য এবং তার ফলাফল।
যদি কারোর সমস্ত কাজের উদ্দেশ্য
দুনিয়ার জীবন পর্যন্তই সীমাবদ্ধ
থেকে থাকে,ফলাফলও সে দুনিয়াতেই
চেয়ে থাকে এবং দুনিয়ায় নিজের কাজের
ফল দেখেও থাকে, তাহলে তার সমস্ত
কার্যকলাপ এ ধ্বংসশীল দুনিয়ার সাথেই
ধ্বংস হয়ে গেছে। আখেরাতে যা পেশ
করে সে কিছু ওজন পেতে পারে,
তা অবশ্যি এমন কোন কর্মকাণ্ড
হতে হবে,
যা সে আল্লাহকে সন্তুষ্টি করার জন্য
করেছে, তাঁর হুকুম মোতাবেক
করেছে এবং যেসব ফলাফল
আখেরাতে প্রকাশিত হয়
সেগুলোকে উদ্দেশ্য হিসেবে গ্রহণ
করে করেছে। এ ধরনের কোন কাজ
যদি তার হিসেবেরখাতায়
না থাকে তাহলে দুনিয়ায় সে যা করেছিল
সবই নিঃসন্দেহে বৃথা যাবে।





Post by Nazmon nahar
Read More