অবহেলিত নারীদের কথা। লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অবহেলিত নারীদের কথা। লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

হে নারী বাদীরা পতিতা নারীদের অধিকার কোথায়?


হে নারীবাদীরা আমরা তোমাদের কাছ থেকে জানতে চাই,
তোমরা সারা দিন নারী অধিকার নিয়ে চেচামেচি করো,
সভা সেমিনার মানব বন্ধন কর,
কিন্তু আজও এই দেশের হাজার মেয়ে পতিতা ব্যত্তি করে জীবন যাপন
করে, আজ থেকে ১০ বছর তারা যে পেশায় কাজ করে জীবন যাপন
করতো আজও তাই করে জীবন যাপন করে।
কিন্তু কেনো?
আপনারা এতো চেঁচামেচি করে কাদের অধিকার নিশ্চিত করতেছেন?
নাকি তাদের অধিকারই হল পতিতা ব্যত্তি করে জীবন যাপন করবে?
সমাজের এই ছিন্ন মূল নারীদের স্বাভাবিক জীবন যাপনের যদি ব্যবস্থা
না করতে পারেন তা হলে এতো দিন আপনারা কাদের অধিকার আদায়
করেছেন?

তারা তো এমনিতেই এই ঘৃণা- অসামাজিক পেশায় গ্রহন করেনি?
কেউ পেটের তাড়াই এসেছে, কেউ প্রতারকের খপ্পরে পড়ে ভাল চাকরি পাওয়ার আশায় এসে এই পথে এসেছে, কেউ দালালের হাতে পড়ে এই
পথে এই পথে এসেছে, কেউ  প্রেমিকের খপ্পরে পড়ে এই পথে এসেছে।
সমাজের সব চেয়ে অবহেলিত মানুষ এরা।
তাদের কে কেউ সন্মানের চোখে দেখেনা।
সবাই তাদের কে  ঘৃণা করে, কেউ তাদের কে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে
আনার চেষ্টা করে না।
তাদের কি দোষ ছিল?
কি তাদের অপরাধ?
তারা তো স্বইচ্ছে এই পথে আসেনি?
    
তাদের কে এই পথে আসার জন্য যারা বাধ্য করছে তাদের বিচার কে
করবে?
তারা তো আমাদের সমাজে রাণী হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
বুক ফুলিয়ে চলতেছে ঐ সমস্ত হোটেল মালিকেরা ও তাদের দালালেরা।
যারা মেয়েদের কে ভাল চাকরি দিবে বলে দালালেরা হোটেল মালিকদের
কাছে বিক্রয় করে দেয়।
এই পেশায় কাজ করতে রাজি না হলে তাদের উপর নেমে আসে অমানষিক   
নির্যাতন,অত্যাচার।
এক পর্যায়ে  রাজি হয় এই ঘৃণাক্ত পেশা গ্রহন করতে।
 তাদের রূপ যৌবন যখন ফুরিয়ে যায় তখন তাদের কে ভিক্ষা করে খেতে
হয়।
পত্রিকাতে কিছু কিছু ঘটনা পড়লে চোখে পানি এসে যায়।
অথচ এই সব অবহেলিত মেয়েদের কে স্বাভাবিক জীবনে ফেরিয়ে আনার
দায়িত্ব প্রতি টি সরকারের ছিল।
সরকারের দায়িত্ব ছিল এই সব ছিন্ন মূল, অবহেলিত মেয়েদের কে তালিকা
করে ভাল একটি কাজ দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরিয়ে আনার।
অথচ এই কাজ টি কেউ করেনি।
করবে কি করে আমরা তো ওমরের মতো কোন নেতা পাইনি।
ইসলামের আদর্শিত কোন নেতা নেত্রী পাইনি।
এটায় আমাদের সব চেয়ে বড় ব্যার্থতা।
এর জন্য আমরা ও কম দ্বায় নয়।

আরও একটা কথা বলে রাখি এই দেশে যদি ইসলামী রাষ্ট কায়েম হয় তা
হলে ১ মাসও টিকবেনা।
কারন আমরা বিভিন্ন দলে ভিভক্ত।
আমরা একে অপরকে দেখতে পারিনা।
তার সাথে তো ইসলাম বিরোধী অপশক্তির ষড়ষন্ত্র তো আছেই।

তথা কথিত নারী বাদির কাছ থেকে জানতে চাই।
 নারীদের  উপর পতিতা ব্যত্তি জীবনের বুঝা রেখে কিসের নারীর অধিকার
আপনারা দাবি করতেছে।????
আপনারা কাদের অধিকার প্রতিষ্ট করতে চাচ্ছেন?
আপনারা কাদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতেছেন?
আপনাদের এতো দূর ঝাঁপের পরেও কেন তারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে
আসতে পারলনা?
আপনারা কেন তাদের সামাজিক ভাবে স্বাভাবিক জীবন নিশ্চিত করলেন না?
আশা করি এই প্রশ্ন গুলোর উত্তর দিবেন          
শেষ কথা >>>> 
আগে তাদের সামাজিক ভাবে স্বাভাবিক জীবন যাপন নিশ্চিত করুন।
তার পরে নারী অধিকার নিয়ে গলা ফাটান অথবা গলা দিয়ে ফাঁড়া বাঁশ 
ঢুকান আমরা কিছু বলব না।




আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ। এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?
Read More

রংপুর মহানগরীতে আশংকাজনক হারে পতিতা ব্যবসা বৃদ্ধি পেয়েছে


রংপুর মহানগরীতে আশংকাজনক হারে পতিতা ব্যবসা বৃদ্ধি পেয়েছে


potitaloy
রংপুর থেকে আব্দুর রহমান মিন্টু:
রংপুর নগরীর আবাসিক এলাকায় পতিতা ব্যবসা আশংকাজনক হারে বেড়ে গেছে। চাকচিক্য ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে নিরাপদে এই ব্যবসা চালানোর জন্য স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সহায়তায় গড়ে তোলা হচ্ছে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক। মঙ্গলবার রাত ১২ টায় নগরীর ধাপ এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে ৩ মহিলা ও ৪ খদ্দের আটক হওয়ার পর এ চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস হয়। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, রংপর নগরীর বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় পতিতা ব্যবসা বেশ জমে উঠেছে। স্থানীয় কয়েকটি চক্র অন্যান্য জেলা থেকে মেয়ে নিয়ে এসে অনেকটা নিরাপদেই এই ব্যবসা চালিয়ে সমাজকে অবক্ষয়ের দিকে ধাবিত করছে। সূত্রগুলো জানায়, চাকচিক্য বা আধুনিক ফ্ল্যাট ভাড়া নেয়ার জন্য চক্রের সদস্যরা নিজেদের বড় চাকুরীজীবি, ব্যবসায়ী, কো¤পানীর কর্ণধার হিসেবে পরিচয় দেয়। তাছাড়া স্থানীয় প্রভাবশালী বা মাস্তান টাইপের শ্রেণীর ব্যক্তিরা এ ধরনের ব্যবসায় সহযোগিতা করে। ফলে অন্য জেলা থেকে আগত মাঝ বয়সি মহিলা বা পতিতাদের সর্দ্দানী হিসেবে পরিচিতরা ফ্ল্যাট ভাড়া নেয়। এরপর খদ্দেরের চাহিদা মেটাতে বিভিন্ন স্থান থেকে মেয়ে এনে বাসায় রাখে। আর পাড়া-পড়শিদের জানিয়ে দেয় যে, মেয়েগুলো তার মেয়ে, ভাগনী, ভাতিজি, ছোট বোন হয় এবং তারা পড়ালেখার জন্য এখানে থাকে। এছাড়া ঢাকা, নওগাঁ, যশোর, নীলফামারী, দিনাজপুর, রাজশাহী থেকে মেয়ে এনে বলে, বেড়াতে এসেছে। তাই পাড়া-পড়শিদের সন্দেহ দুর হয়।
সূত্রগুলো জানায়, নগরীতে বসবাসরত পতিতারা যখন খদ্দেরের চাহিদা মেটাতে কথিত সর্দ্দানীর বাড়িতে যায় তখন বলা হয়, আÍীয় বেড়াতে এসেছে। এভাবেই মানুষকে বোকা বানিয়ে মাসের পর মাস একটি ফ্ল্যাটে পতিতা ব্যবসা চালানো হয়। তবে এই ব্যবসায়ীরা ঘটনা ফাঁস হওয়ার ভয়ে কোন ফ্ল্যাটে বা বাড়িতে ২/৩ মাসের বেশি থাকে না। তাছাড়া পতিতা বৃত্তি বিরোধী আইনে সাজা বা জরিমানা কম হওয়ায় আদালত থেকে জামিনে বের হতে কোন সমস্যা হয় না।
এদিকে মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে পুলিশ এক অভিযান চালিয়ে নগরীর ধাপ এলাকার আপডেট ক্লিনিকের পিছনে অবস্থিত পাঁচতলা ভবনের ২য় তলা থেকে ৩ ভদ্রবেশী পতিতা ও ৪ জন খদ্দেরকে আটক করে। আকটকৃত পতিতারা তাদের নাম লিখিয়েছে লাকি আক্তার অন্তরা, অন্তরা আক্তার লাইজু ও লাকি বেগম এবং খদ্দেররা হল শাহজাহান মিয়া, মিঠুন কুমার, শামীম মিয়া ও শ্যামল। উল্লেখিত নাম প্রসঙ্গে পুলিশ জানায় যে, পতিতারা সহযে নিজেদের আসল পরিচয় প্রকাশ করে না। । টিএসআই কিবরিয়া জানায়, ঐ ভবনের মালিক ঢাকায় থাকে। আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে অন্তরঙ্গ মুহুর্তে আটক করেছি। কোতয়ালী থানা সূত্র জানায়, আটককৃতদের ৫৪ ধারায় মামলা দিয়ে গতকাল বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ইউএনএসবিডিডটকম,৩০ মে-২০১৩

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ। এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?
Read More